বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

আলোর সাজ

বিশ্ব অ্যালঝাইমারস দিবস উপলক্ষে নীল আলোয় উদ্ভাসিত হাওড়া ব্রিজ। মঙ্গলবার সায়ন চক্রবর্তীর তোলা ছবি।

৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে কোভিড ঠেকাচ্ছে
তিন হোমিও ওষুধের বিশেষ প্রোটোকল, দাবি

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: করোনার প্রথম ঢেউ মোকাবিলায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আর্সেনিক অ্যালবামের সাফল্য নিয়ে ইতিমধ্যেই বহু চর্চা হয়েছে। বিতর্কও কম হয়নি। এইবার রাজ্য তথা দেশের দুই নামজাদা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দাবি করলেন, আর্সেনিক সহ ফসফরাস ও টিউবারক্যুলিনাম— এই তিন জনপ্রিয় হোমিওপ্যাথিক ওষুধ পরপর নির্দিষ্ট ডোজে প্রয়োগ করে তাঁরা করোনার বিরুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। বাংলা, কেরল ও তামিলনাড়ু— তিন রাজ্যে মোট ১ লক্ষ ৮৫ হাজার মানুষের উপর এক বছর ধরে এই তিন ওষুধ প্রয়োগ করেছেন। এই প্রয়োগ ৯৮-৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে করোনা হতেই দেয়নি। ওষুধ খাওয়ার পরও যে এক থেকে দুই শতাংশের রোগ হয়েছে, তাঁদের অত্যন্ত মৃদু উপসর্গ ছিল। সামান্য কয়েকটি ক্ষেত্রে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হলেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। সমীক্ষাকারী এই দুই চিকিৎসক হলেন দেশে হোমিওপ্যাথির সরকারি উৎকর্ষ কেন্দ্র সল্টলেকের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হোমিওপ্যাথির (এনআইএইচ) প্রাক্তন অধ্যাপক ডাঃ অশোক দাস ও কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের হোমিওপ্যাথি শাখার প্রাক্তন উপদেষ্টা ডাঃ রবি এম নায়ার। নতুন প্রোটোকলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘এপিটি প্রোটোকল’।
শনিবার ডাঃ দাস দাবি করেন, শুধু করোনাই নয়, এই প্রোটোকল মিউকোরমাইকোসিস ঠেকাতেও সক্ষম। আর আমরা রোগ নয়, রোগীর চিকিৎসা করে থাকি। এই প্রোটোকলের মাধ্যমে তাঁর ইমিউনিটি শক্তিশালী করে তুলি। তাই করোনা স্ট্রেইন বদলিয়ে থার্ড ওয়েভ ঘটালেও, আমাদের প্রোটোকল একইরকম সফল হবে। যদিও অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকদের একাংশের মত, করোনার মতো অত্যন্ত সংক্রামক ও বিপজ্জনক অসুখে এই জাতীয় বিকল্প চিকিৎসা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। পিজি হাসপাতালের মেডিসিনের প্রধান ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ বলেন, এইসব না করে যদি ওই চিকিৎসকরা সঠিকভাবে মাস্ক পরা এবং টিকা নেওয়ার গুরুত্ব বোঝাতেন, কিছুটা কাজের কাজ হতো। তাঁর পাল্টা দাবি, আর্সেনিক অ্যালবাম বহু ক্ষেত্রে কোভিড রোগীদের বিপদ বাড়িয়েছে। এগুলি অপচিকিৎসা, দাবি তাঁর। 
‘এপিটি প্রোটোকল’-এ ঠিক কী বলা হয়েছে? বলা হয়েছে, করোনা প্রতিরোধে আর্সেনিক অ্যালবাম ৩০ বড়দের ক্ষেত্রে চারটি করে এবং ছোটদের ক্ষেত্রে দু’টি করে দানা দিনে একবার করে পরপর তিনদিন খেতে হবে। তার ঠিক ১৫ দিন পর ফসফরাস ৩০ একই ডোজে পরপর তিনদিন একবার করে খেতে হবে। তার ১৫ দিন পর টিউবারক্যুলিনাম ২০০ একই ডোজে দু’দিন খেতে হবে। এরপর ১৫ দিন গেলে টিউবারক্যুলিনাম ১ এম একই ডোজে একদিন খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তারও ১৫ দিন পর টিউবারক্যুলিনাম ১০ এম একদিন খেলে কোর্স শেষ হবে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদ্বয় জানিয়েছেন, এই প্রোটোকল প্রয়োগের ইতিবাচক ফলের কথা তারা কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রক এবং রাজ্য সরকারকে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন। তাঁদের সাফ কথা, ভাইরাস ঘটিত মহামারী মোকাবিলায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধের প্রয়োগ এই প্রথম নয়। কলেরা থেকে শুধু করে জাপানিজ এনসেফেলাইটিস (জেই)—সবেতেই কামাল করেছে হোমিওপ্যাথি। জেইতে বেলেডোনা, ক্যালকেরিয়া কার্ব এবং টিউবারক্যুলিনামের প্রোটোকল নিয়ে আগে বহু চর্চা হয়েছে।

1st     August,   2021
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021