বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

করোনা নিয়ন্ত্রণে রাজ্যে ২৫১
মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন
র‌্যাপিড টেস্ট ও টিকাকরণে জোর

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্য সরকারের নয়া ব্যবস্থা— মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন। যে এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা একটু বেশি, সেখানে এই বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। রাজ্যের ১৬টি জেলায় ২৫১টি মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন তৈরি করা হয়েছে। ওই অঞ্চলগুলিতে দোকান-বাজার সরকারি নির্দেশ মেনে বন্ধ রাখা হবে। করা হবে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের টিকাকরণেও জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জোনগুলিতে করোনা আক্রান্তদের বাড়ির আশপাশের এলাকায় যাতায়াতেও কিছু বিধিনিষেধ জারি হতে পারে। এর মধ্যেই শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে বিধিনিষেধ শিথিল সহ করোনার অন্যান্য বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয়কুমার ভাল্লা জানিয়েছেন, সংক্রমণের হার কমার সঙ্গে সঙ্গে বহু রাজ্যেই করোনা বিধিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে সরেজমিনে কোভিড পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেই যেন এধরনের ছাড় দেওয়া হয়। এছাড়া কোনও ছোট অঞ্চল বা এলাকায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় কন্টেইনমেন্ট জোন করার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের গাইডলাইন।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন এলাকার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে হাওড়া। তারপরেই স্থান উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার। কলকাতায় করোনা সংক্রমণ অনেক কমেছে। বাকি জেলাগুলিতেও যাতে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। গত এপ্রিল-মে মাসে যেখানে সর্বাধিক ২০ হাজার করে দৈনিক আক্রান্ত হচ্ছিলেন, তা বর্তমানে কমে তিন হাজারের নীচে দাঁড়িয়েছে। ভোটের জন্য রাজ্যে করোনা বেড়ে গিয়েছিল বলে মনে করে অভিজ্ঞ মহল। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে সবথেকে বেশি আক্রান্ত রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনায়। সংক্রমণ সর্বনিম্ন পুরুলিয়ায়, মাত্র ছ’জন। আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকায় পুরুলিয়ার মতো সাতটি জেলায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন করা হয়নি। মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন কোথায় হবে, তা জেলা প্রশাসনই ঠিক করছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের পাঠানো চিঠিতে রাজ্যগুলিকে করোনা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজরদারি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং রাজ্যগুলিকে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর নির্দেশও রয়েছে তাতে। বলা হয়েছে, ‘টেস্ট, ট্র্যাক, ট্রিট’— এই নিয়ম মানার পাশাপাশি জোর দিতে হবে টিকাকরণে। মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের গাইডলাইনও। দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও সতর্কতায় কোনও ঢিলেমি না দিতে রাজ্যগুলির কাছে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন, সংক্রমণ কমলেও নমুনা পরীক্ষা, করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিতকরণ, চিকিৎসা এবং টিকাকরণে কোনওরকম গাফিলতি করা যাবে না। সংক্রমণের হার এবং সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে কি না, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

20th     June,   2021
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021