বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

 

আকাশে আজ রঙের খেলা…। বৃহস্পতিবার আন্দুলে তোলা দীপ্যমান সরকারের ছবি
 ​​​​​​​

আগামী বৃহস্পতিবার
নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নন্দীগ্রামের নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আনা মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। আগামী ২৪ জুন পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী মামলাটি সঠিকভাবে দায়ের হয়েছে কি না, কলকাতা হাইকোর্ট প্রশাসনকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। কিন্তু, এই বিচারপতির ঘরে মামলাটির বিচার হওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আইনি শিবির থেকেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এমনকী, এই মর্মে হাইকোর্ট প্রশাসনের কাছে চিঠিও জমা পড়েছে।  
এছাড়াও এদিন আরও চারটি নির্বাচনী মামলা হাইকোর্টের অন্য চার একক বিচারপতির এজলাসে শুনানির জন্য এসেছিল। এর মধ্যে তিনটি ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারদের সেখানকার ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ, বিবেক চৌধুরী ও শুভাশিষ দাশগুপ্ত।  
১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম ‘ইলেকশন পিটিশন’ বা ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। তাও আবার একসঙ্গে পাঁচটি। লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, প্রতিটি মামলাই করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্রের পরাজিত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর পক্ষ থেকে। অন্য মামলাকারীরা হলেন যথাক্রমে আলোরানি সরকার(বনগাঁ দক্ষিণ), মানস মজুমদার (গোঘাট), সংগ্রাম দলুই (ময়না) এবং শান্তিরাম মাহাত (বলরামপুর)। শেষোক্ত জনের আইনজীবী ললিত মাহাত ও সুজয় মণ্ডল জানান, সংবিধান বা দেওয়ানি আইন নয়, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী মামলাটি সঠিকভাবে দায়ের হওয়ার কারণে সন্তুষ্ট আদালত। তাই বিচারপতি এদিন এই মামলার ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত বলরামপুর নির্বাচনী কেন্দ্রের ভোট সংক্রান্ত সব নথি ও যন্ত্রপাতি সংরক্ষণ করে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, মামলাকারীর মূল অভিযোগ, চূড়ান্ত গণনার পর ১,০২১ ভোটে এগিয়ে থাকলেও তাঁকে ৪২৩ ভোটে পরাজিত ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে, মামলাকারী আলোরানি সরকার ও মানস মজুমদার এদিনের শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নেন। তাঁদের ক্ষেত্রেও রির্টানিং অফিসারদের একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 
মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিরোধী দলনেতার মামলায় এদিন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলেও বিষয়টি নিয়েই দিনভর ব্যাপক কৌতূহল ছিল। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চিঠি প্রকাশ পেলে, তা আরও জোরালো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর শিবিরের অন্যতম আইনজীবী সঞ্জয় বসু অবশ্য এই চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে প্রধান বিচারপতির অফিসে পাঠানো সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২১ মে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। একবার শুনানির জন্য সেটি উঠলেও, পরে তা পিছিয়ে যেতে থাকে। যে এজলাসে মামলাটি পাঠানো হয়েছে, সেই বিচারপতির চাকরি স্থায়ী করার প্রসঙ্গে এর আগে প্রধান বিচারপতির কাছে আপত্তি জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী, ওই বিচারপতি বিজেপির হয়ে কিছু মামলায় সওয়াল করেছিলেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী বিচারে পক্ষপাতিত্বের আশঙ্কা করছেন বলে জানানো হয়েছে।  
প্রসঙ্গত, এমন মামলায় সম্পর্কিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জেরার সম্মুখীনও হতে হয় তাঁদের। কারণ, কোনও ব্যক্তিবিশেষ নয়, এমন মামলার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্রের ভাগ্য নির্ধারিত হয়। ১৯৯৬ সালের বিধানসভা ভোটে সবং আসনে জয়ী মাখনলাল বাঙাল বনাম মানস ভুঁইয়া মামলায় সুপ্রিম কোর্ট একথা জানিয়েছিল। এবার এই পাঁচ মামলাকে কেন্দ্র করেও ব্যতিক্রমী এবং টানটান আইনি লড়াই হতে চলেছে রাজ্যের শীর্ষ আদালতে। 

19th     June,   2021
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021