বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

 

আকাশে আজ রঙের খেলা…। বৃহস্পতিবার আন্দুলে তোলা দীপ্যমান সরকারের ছবি
 ​​​​​​​

নির্বাচনের বিপর্যয় নিয়ে কথা নিষেধ, দিল্লির
নেতাদের বেনজির ফতোয়া বঙ্গ বিজেপিকে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেঁচো খুড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়তে পারে। এই আশঙ্কায় বিধানসভা ভোটের বিপর্যয় সংক্রান্ত কোনও আলোচনা করা যাবে না। শুক্রবার জেলা সভাপতি, জোন পর্যবেক্ষক, সহ-পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকের আগে এমনই ফতোয়া জারি করল কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন বিজেপি’র হেস্টিং অফিসে দলের দক্ষিণবঙ্গের ১৮ জন জেলা সভাপতি সহ জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। দিল্লির তরফে হাজির ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশ, অন্যতম জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন এবং দলের সর্বভারতীয় আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। সকাল ১১টা থেকে এই বৈঠক শুরু হয়েছিল। সেখানে শুরুতেই শিবপ্রকাশ সরাসরি ঘোষণা করেন, আজ ভোটে হারা কিংবা ফলাফল নিয়ে কোনও আলোচনা করা যাবে না। কেবলমাত্র দু’টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে। ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ঘূর্ণিঝড় যশের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে জোন এবং জেলা ভিত্তিক রিপোর্টিং করতে হবে বলেও সাফ জানিয়েদেন শিবপ্রকাশ। যা নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত রাজ্য নেতাদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায়। 
তাঁদের একাংশের দাবি, ভোটের ফলাফল নিয়ে আলোচনা হলেই দিল্লির নেতাদের দিকে সরাসরি আঙুল উঠত। কারণ, তাঁরা ভোটের আগে গোটা বঙ্গ পার্টিটাকেই ‘হাইজ্যাক’ করে নিয়েছিল। ফলে এই ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে না চেয়ে কৌশলে এহেন ফতোয়া জারি করেছেন ভিন রাজ্যের তথাকথিত ‘হাই প্রোফাইল’ নেতারা। এ প্রসঙ্গে দলের এক শীর্ষ রাজ্য নেতা বলেন, ভোটে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ভুরি ভুরি ভূল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। স্বভাতই বঙ্গ বিপর্যয়ের দায় অমিত শাহ সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিতেই হবে। অনেকেই ভেবেছিলেন এদিনের বৈঠকে সেই সমস্ত বিষয়গুলি উত্থাপন করবেন। কিন্তু এভাবে ঘুরিয়ে কন্ঠরোধের নিদান জারি হবে, তা আগে থেকে আঁচ করতে পারিনি বলে মন্তব্য করেন ওই বিজেপি নেতা। এদিকে, এদিন বৈঠকে শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেননরা ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া কী জানতে চান। 
এরই মধ্যে দলের ‘প্রাক্তন’ সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের চিহ্ন পার্টি অফিস থেকে মুছে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল বিজেপি। হেস্টিংসের ৮০৩ নম্বর কেবিনে বসতেন সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মুকুল। সেই কেবিন বরাদ্দ হয়েছে অরবিন্দ মেনন এবং অমিত মালব্যের নামে। ৮০৩ নম্বর কেবিনে দু’টি ঘর ছিল। দরজার বাইরে দিল্লির ওই দুই নেতার নাম সেঁটে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা বাংলার পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের বিরুদ্ধে শহরজুড়ে একাধিক ফ্লেক্স পড়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে আতাঁত করে দলকে ডোবানোর অভিযোগ করা হয়েছে এই প্রচার পর্বে। বিজেপির সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হেস্টিং পার্টি অফিস, বিমানবন্দরে কয়েকটি জায়গায় এই ফ্লেক্স পড়েছে।     

19th     June,   2021
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021