বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা
জগন্নাথের, ক্ষুব্ধ শান্তিপুর

সংবাদদাতা, রানাঘাট: অবশেষে বুধবার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শান্তিপুরের নব-নির্বাচিত বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। শান্তিপুরের ভোটাররা তাঁকে জেতালেও মানুষের রায়কে তিনি গুরুত্ব দিলেন না। রানাঘাট লোকসভার এমপি পদই বজায় রাখলেন জগন্নাথবাবু। অনেকে বলছেন, বিজেপি নেতা-কর্মীরা মুখে যতই বলুক না কেন, ‘সবার আগে মানুষ, তারপর দেশ, তারপর দল’। এসব ভাঁওতা ছাড়া  কিছু নয়। শান্তিপুরের গ্রামীণ এলাকা থেকে শহরের অলি-গলি। কান পাতলেই এসব কথা ঘুরেফিরে আসছে। 
জগন্নাথবাবুর ব্যাখ্যা, ‘দল ক্ষমতায় আসতে পারেনি। তাই বিধায়ক হিসেবে নয়, এমপি পদেই দল আমাকে চায়। তাই দলের নির্দেশ মেনে বিধায়ক পদ ছাড়তে হয়েছে।’ এদিন তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় শান্তিপুরের উপ-নির্বাচন নিশ্চিত হল। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন বিধানসভার সাধারণ বাসিন্দারা। অনেকেই বলেন, শুধুমাত্র পদের লোভে শান্তিপুরের মানুষের রায়কে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে বিজেপি। করোনা পরিস্থিতিতে আবারও ভোট হওয়া মানে, বিধানসভার বাসিন্দাদের আরও একবার বিপদের মুখে ফেলে দেওয়া। 
বিজেপির এই সিদ্ধান্তকে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। শান্তিপুর শহর তৃণমূল সভাপতি অরবিন্দ মৈত্র বলেন, শান্তিপুর বিধানসভার প্রতিটি ভোটারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিজেপি। মানুষকে মিথ্যা বুঝিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী হয়ে শান্তিপুরের মানুষের জন্য কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অথচ নিজের স্বার্থ চরিতার্থ না হওয়ায় ‘এমপি’ পদের মোহ ছাড়তে পারলেন না নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে তিনি কেন প্রতারণা করেছেন? এর জবাবদিহি তাঁকে করতে হবে।
শহরের শ্যামচাঁদ মোড় এলাকার ব্যবসায়ী দিব্যেন্দু দাস, ফুলিয়ার মাঠপাড়ার বাসিন্দা সুশান্ত ঘোষ ও নৃসিংহপুরের টোটোচালক জীবন মাহাত বলেন, জগন্নাথবাবু এমপি পদ ছেড়ে বিধায়ক পদ নিতে রাজি নন। তাহলে কেন তিনি বিধায়ক হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেন বুঝতে পারছি না। আমরা চাই, এই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে বিজেপি যেন কোনওভাবেই প্রার্থী না দেয়। মানুষের রায় নিয়ে এভাবে ছেলেখেলা না করলেই ভালো করত বিজেপি।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিমত, এবারের নির্বাচনের আগে পদ্ম শিবির বাংলা দখলে অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছিল। তাই রাজ্যের বেশ কয়েকজন এমপিকে বিধানসভার প্রার্থী করেছিল। ফলাফল প্রকাশ হতেই বিজেপি হাওয়া ও বাস্তবের ফারাক বুঝে গিয়েছে। বিজেপি বুঝেছে, লোকসভার আসনে উপনির্বাচন হলে হারবে। সেই কারণেই লোকসভায় আসন সংখ্যা কমাতে চাইছে না। এসব দেখে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, বিজেপি দলের অনেকে একান্তে বলছেন, এর থেকে ভোটে হেরে যাওয়াই ভালো ছিল। উপ নির্বাচনে কোনও মুখ নিয়ে ভোট চাইতে যাব?
বুধবার বিধানসভায় বিজেপির দুই পদত্যাগী বিধায়ক -নিজস্ব চিত্র

13th     May,   2021
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021