বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

ভোট কিনতে টাকা এসেছিল
অনেক বিজেপি কর্মীর কাছে
ফাঁস হচ্ছে ভোট মিটতেই  তদন্তে পুলিস

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোট কিনতে জেলা ও কলকাতার বিজেপি কর্মীদের একটা বড় অংশের কাছে এসেছিল নগদ টাকা। বিপুল পরিমাণ এই টাকা সাধারণ ভোটারদের কাছে ছড়ানো ছিল উদ্দেশ্য। যাতে তাদের প্রভাবিত করা যায়। ভোটপর্ব শেষ হতে কোন নেতার কাছে  কত টাকা এসেছিল তা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এই নিয়ে জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়তে শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে। কোথা থেকে কারা এই টাকা পাঠিয়েছিল তা নিয়ে পুলিস খোঁজখবর শুরু করেছে।
বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন বিজেপি বিভিন্ন জায়গায় টাকা ছড়াচ্ছে। টাকা দিয়ে মোদির দল ভোট কিনতে চাইছে। তিনি তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে তথ্য তুলে ধরেছেন। তাঁর এই দাবি কতটা যুক্তিসঙ্গত ছিল তার প্রমাণ মিলতে শুরু করেছে জেলায় জেলায়। ভোট মেটার পর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে এগুলি। কলকাতা এর বাইরে ছিল না।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, মানিকতলা এলাকার ক্ষুদিরামপল্লিতে এক বিজেপি নেতার কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা আসে। এই টাকা বিজেপির তরফে পাঠানো হয় বলে দাবি এলাকার বাসিন্দাদের। এখানকার বাসিন্দাদের কাছে এই টাকা ছড়ানো হতো। যাতে বিজেপির হয়ে তাঁরা ভোট দেন। এই বিষয়টি এতদিন চাপা ছিল। সোমবার রাতে জানাজানি হয়। বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের একাংশের অভিযোগ, এই টাকা ক্ষুদিরামপল্লির যে নেতার কাছে এসেছিল তিনি কিছু টাকা বিতরণ করেন। বাকি টাকা আর না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেন। বিজেপি নেতার কাছে ভোটের টাকা এসেছিল এই খবর জানাজানি হতে মঙ্গলবার ওই নেতার বাড়িতে চড়াও হন এলাকার মহিলারা। তার আগে অবশ্য পালিয়ে যান ওই নেতা। মহিলারা প্রশ্ন তোলেন, কেন টাকা নিয়েছিলেন ওই বিজেপি নেতা? টাকা কার কাছ থেকে নিয়েছিলেন সেটি জানতে চান। পরে পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। শুধু কলকাতা নয় পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া (গ্রামীণ ) থেকে এই ধরনের ভূরি ভূরি অভিযোগ আসতে শুর করেছে। পুলিসের কাছে এই নিয়ে গ্রামবাসীরা  লিখিত অভিযোগ করছেন। সমস্ত অভিযোগে বলা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভোট কিনতে টাকা এসেছিল স্থানীয় বিজেপি নেতাদের কাছে। কার কাছে টাকা এসেছিল তার তথ্য দেওয়া হচ্ছে। গ্রামবাসীদের যে টাকার টোপ দেওয়া হয় সেটিও অভিযোগে উল্লেখ থাকছে। যে-সমস্ত নেতার কাছে টাকা এসেছিল তাঁরা সকলেই গ্রাম ছেড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোটের সময় এই নেতারা টাকাও ছড়াচ্ছিলেন। কিন্তু জানাজানি হতে পালিয়ে যান তাঁরা। সূত্রের খবর, স্থানীয় স্তরে  বিজেপি নেতাদের কাছে টাকা এসেছে ভোটার কিনতে। এই ধরনের প্রায় গোটা ১৫ অভিযোগ এসেছে। সবক’টি অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। পলাতক এই নেতাদের ধরা গেলে জানা যাবে এই টাকা তাঁদের কে বা কারা পাঠিয়েছিল। তবে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, এই টাকার পুরোটাই হাওলা করে রাজ্যে ঢোকে। এরপর ব্যাবসায়ী মারফত বিভিন্ন বিজেপি নেতাদের কাছে পৌঁছয়। এই বিষয়টি নিয়ে পুলিস আলাদা করে তদন্ত করছে। 

5th     May,   2021

মুখ্যমন্ত্রীর ৪টি চিঠি নিয়ে মুখে কুলুপ
মমতাকে এড়িয়ে ডিএমদের সঙ্গে
কোভিড-বৈঠক ‘উদ্বিগ্ন’ মোদির

রাজ্যে রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ এবং মৃত্যু। টিকা, অক্সিজেন, হাসপাতালে বেডের আকাল দেশজুড়ে। এই সঙ্কটকালে সার্বিক টিকাকরণ এবং অক্সিজেনের দাবিতে বারবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন একাধিক অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এদিনও ১২ জন বিরোধী নেতা মিলিতভাবে চিঠি দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে। যদিও পত্রাঘাত পর্বে অন্যতম অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিগত কয়েকদিনে নরেন্দ্র মোদিকে চারটি চিঠি পাঠিয়েছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেননি।

 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
12th     May,   2021