বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

রাজবংশী, নেপালি ভোটের অঙ্কে
মাটিগাড়া দখল করতে চায় তৃণমূল
জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী গেরুয়াবাহিনীও

অনুপ চট্টোপাধ্যায়, মাটিগাড়া: কংগ্রেস কি এবারও দখলে রাখতে পারবে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র? সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে এখন জোর জল্পনায় ব্যস্ত শিলিগুড়ি লাগোয়া মাটিগাড়া, শিবমন্দির, নকশালবাড়ি এলাকার বাসিন্দারা। কারণ মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটপ্রচারের শেষদিনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর একটি জনসভায় উপস্থিতির হার। শিবমন্দির লাগোয়া একটি স্কুলের পিছনে ছোট মাঠে বুধবার নির্বাচনী জনসভার ডাক দিয়েছিল দার্জিংলিং জেলা সমতলের কংগ্রেস নেতৃত্ব। কিন্তু সেই মাঠও ভরাতে পারেননি দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। অথচ পশ্চিমবাংলার বিধানসভা নির্বাচনে সেদিনই প্রথম প্রচার করতে আসেন রাহুল। 
পাশাপাশি বুধবার ওই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গোঁসাইপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনসভা শেষমুহূর্তে বাতিল হওয়ায় কিছুটা হতাশ হয়েছেন এখানকার তৃণমূল সমর্থকরা। কংগ্রেস অন্যবারের তুলনায় এখানে শক্তি হারিয়েছে, এটা ধরে নিয়ে তৃণমূল মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি এলাকায় জোরকদমে প্রচার চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ‘পড়ে পাওয়া চোদ্দোআনা’র মতো মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে পদ্মফুল ফোটাতে চায়  গেরুয়া শিবির।
বিভিন্ন জনজাতির অবস্থানের নিরিখে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রটি একটু অন্যরকম। এখানে মোট ভোটারের ৪০ শতাংশ তফশিলি, ১৫ শতাংশ তফশিলি উপজাতি, ১২ শতাংশ নেপালি, ৫ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাস। বাকিটা অন্যান্য সম্প্রদায়ের। পরিসংখ্যন বলছে, মোট ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ভোটারের মধ্যে এক লক্ষের বেশি ভোটার রাজবংশী সম্প্রদায়ের। তাদের ‘ভরসা’তেই এখানে উৎসাহিত বিজেপি। কিন্তু এলাকার উন্নয়নে কী করেছে বিজেপি? জনগণের সেই প্রশ্নের জবাব না গিয়ে প্রচারে বিজেপি বলছে, গত ১০ বছরে রাজ্য সরকারের উন্নয়ন এখানে পৌঁছয়নি। এমনকী এলাকার কংগ্রেস বিধায়ক শঙ্কর মালাকারও কিছু করেননি। তাই মানুষ এবার তাঁদেরকেই ভোট দেবে, দাবি বিজেপি প্রার্থী আনন্দময় বর্মনের। 
যদিও এই দাবি মানতে নারাজ কংগ্রেসের বিদায়ী বিধায়ক তথা এবারের প্রার্থী শঙ্কর মালাকার। তাঁর কথায়, ২০১৯ সালে আচ্ছে দিনের কথা বলেছিল ওরা। কিন্তু তাতে পুরো ফ্লপ। এখন আবার সোনার বাংলা বলছে। এটাও যে ভাঁওতা তা বুঝে গিয়েছে বাংলার মানুষ। 
২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে এখানে ১৯ হাজার ভোটে জিতেছিলেন কংগ্রেসের শঙ্কর মালাকার। সেবারও বিজেপির প্রার্থী ছিলেন আনন্দময় বর্মন। তবে তৃতীয়স্থানে ছিলেন তিনি। কিন্তু গত লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী এখানে প্রায় এক লক্ষ ভোটে এগিয়ে ছিলেন তৃণমূলের থেকে। 
এদিকে, এখানকার নেপালি ভোটের উপর প্রভাব আছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুংয়ের। আর গুরুংয়ের সমর্থন রয়েছে তৃণমূলে। তাই প্রথমে এই কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে তৃণমূল নলিনীরঞ্জন রায়ের নাম ঘোষণা করলেও পরে তা বদলে বিমল ঘনিষ্ঠ রাজেন সুনদাসকে প্রার্থী করে। রাজ্য সরকারের এই অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকের জয় নিয়ে এবার যথেষ্টই আশাবাদী ঘাসফুল শিবির। 
একদিকে রাজবংশী, অন্যদিকে নেপালি ভোট, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রের ভাগ্য নির্ধারণ করবে, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আর সেই তত্ত্বের উপর নির্ভর করেই তৃণমূল প্রার্থী রাজেন সুনদাস প্রচারে বলেছেন নলিনীরঞ্জন রায় রাজবংশী আর আমি নেপালি। তাই আমরাও ডবল ইঞ্জিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নের সুফল পেয়েছেন রাজবংশীরা। ফলে তাঁদের ভোট তৃণমূলের বাক্সেই আসবে, মনে করেন রাজেন সুনদাস। 

16th     April,   2021

মুখ্যমন্ত্রীর ৪টি চিঠি নিয়ে মুখে কুলুপ
মমতাকে এড়িয়ে ডিএমদের সঙ্গে
কোভিড-বৈঠক ‘উদ্বিগ্ন’ মোদির

রাজ্যে রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ এবং মৃত্যু। টিকা, অক্সিজেন, হাসপাতালে বেডের আকাল দেশজুড়ে। এই সঙ্কটকালে সার্বিক টিকাকরণ এবং অক্সিজেনের দাবিতে বারবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন একাধিক অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এদিনও ১২ জন বিরোধী নেতা মিলিতভাবে চিঠি দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে। যদিও পত্রাঘাত পর্বে অন্যতম অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিগত কয়েকদিনে নরেন্দ্র মোদিকে চারটি চিঠি পাঠিয়েছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেননি।

 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
12th     May,   2021