বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

স্ক্রিনিংয়ের পরেও কমান্ডোরা এনএসজি
প্রশিক্ষণে ব্যর্থ, সাইকোমেট্রিক পরীক্ষা দাবি

শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড’ (এনএসজি)-এ কাউন্টার ইনসার্জেন্সি প্রশিক্ষণে পাঠানোর কথা রাজ্য পুলিসের কমান্ডোদের। কিন্তু সেজন্য স্ক্রিনিংয়ে পাস করতে পারছেন না বাংলার অনেক কমান্ডো। আবার যাঁরা এই  স্ক্রিনিংয়ের যোগ্যতামান পার করে এনএসজিতে যাচ্ছেন, তাঁরা সেখানকার উচ্চমানের প্রশিক্ষণের ধারেকাছেও পৌঁছতে পারছেন না। অত্যন্ত কঠোর এই প্রশিক্ষণ পদ্ধতি অনেকেই মানিয়ে নিতে পারছেন না। প্রশিক্ষণ শেষ না করে মাঝপথে ফিরে আসার ঘটনাও ঘটেছে। ফলে মুখ পুড়ছে কর্তাদের। এনএসজির প্রশিক্ষণে পাঠানোর আগে তাই চলতি স্ক্রিনিংয়ের বদলে কমান্ডোদের সাইকোমেট্রিক পরীক্ষা করাতে চান রাজ্য পুলিসের কর্তারা। এই পরীক্ষার জন্য কত খরচ পড়বে, তার বাজেট নবান্নে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবে অনুমোদন মিললেই দ্রুত তা চালু করে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
জঙ্গি হানা বা বড় ধরনের নাশকতা ঠেকাতে রাজ্য পুলিসের নিজস্ব কমান্ডো বাহিনী রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের সালুয়ায় কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ট্রেনিং স্কুলে তাদের বছর ভর প্রশিক্ষণ চলে। কমান্ডোদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে তাঁদের এনএসজিতে প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়। প্রতি বছর ৩৬ জন কমান্ডোকে পাঠানো হয় এই প্রশিক্ষণের জন্য। তার আগে সালুয়ার এই স্কুলে কমান্ডোদের স্ক্রিনিং টেস্ট চলে। সেখানে যাঁরা যোগ্যতমান পেরতে পারেন, তাঁদের এনএসজিতে যাওয়ার ছাড়পত্র মেলে।
রাজ্য পুলিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, স্ক্রিনিং টেস্টের জন্য কমান্ডোদের  পাভলভ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের মানসিক পরীক্ষা, বা স্ক্রিনিং টেস্ট করেন চিকিৎসকরা। অত্যন্ত কঠিন এনএসজি প্রশিক্ষণে যাওয়ার জন্য তাঁরা শারীরিক ও মানসিকভাবে কতটা প্রস্তুত, তা দেখা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই পদ্ধতি চলে আসছিল। কর্তাদের বক্তব্য, এই মানসিক পরীক্ষা ব্যবস্থাটি তাঁদের খুব একটা কাজে আসছে না। কারণ যে পদ্ধতিতে গোটা পরীক্ষাপর্ব চালানো হয়, তা যথেষ্ট পুরনো। যে কারণে এই স্ক্রিনিং টেস্টে পাস করার পরেও এনএসজিতে গিয়ে কমান্ডোরা সমস্যার মধ্যে পড়ছেন। সেখানকার প্রশিক্ষণ পদ্ধতির সঙ্গে অনেকেই খাপ খাওয়াতে পারছেন না।
এখান থেকেই সাইকোমেট্রিক টেস্টের চিন্তাভাবনা মাথায় আসে আধিকারিকদের। এই পরীক্ষা অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত। এর মাধ্যমে একজন কমান্ডোর মানসিক অবস্থা, সে কতটা দক্ষ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কত দ্রুত সে নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে পারে, তা জানা সম্ভব। সেই কারণেই আধিকারিকরা চাইছেন কমান্ডোদের বিভিন্ন ধরনের রিজনিং টেস্ট করাতে। বিভিন্ন ধরনের জটিল বিষয় তাঁদের সামনে তুলে ধরা হবে। সবটাই থাকবে প্রশ্ন আকারে। কার বুদ্ধি কত, তার পরীক্ষা নেওয়া হবে এই রিজনিং টেস্টের মাধ্যমে। আধিকারিকরা চাইছেন সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়ার আগে কমান্ডোরা মানসিকভাবে পুরোপুরি চাঙ্গা থাকুন। আর জঙ্গিদের মোকাবিলায় উপস্থিত বুদ্ধি ও কুইক রিঅ্যাকশন খুব জরুরি। সাইকোমেট্রিক টেস্টের মাধ্যমেই কমান্ডোদের সেই উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। 
নবান্নের কাছে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এই টেস্টের জন্য কমান্ডো পিছু ১৫০০ টাকা খরচ পড়বে। বিশেষজ্ঞ সংস্থা দিয়ে তারা এই কাজ করাতে চায়।

16th     April,   2021

মুখ্যমন্ত্রীর ৪টি চিঠি নিয়ে মুখে কুলুপ
মমতাকে এড়িয়ে ডিএমদের সঙ্গে
কোভিড-বৈঠক ‘উদ্বিগ্ন’ মোদির

রাজ্যে রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ এবং মৃত্যু। টিকা, অক্সিজেন, হাসপাতালে বেডের আকাল দেশজুড়ে। এই সঙ্কটকালে সার্বিক টিকাকরণ এবং অক্সিজেনের দাবিতে বারবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন একাধিক অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এদিনও ১২ জন বিরোধী নেতা মিলিতভাবে চিঠি দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে। যদিও পত্রাঘাত পর্বে অন্যতম অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিগত কয়েকদিনে নরেন্দ্র মোদিকে চারটি চিঠি পাঠিয়েছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেননি।

 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
12th     May,   2021