বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

ভোট প্রচারে কোভিড বিধি কঠোর হাতে
প্রয়োগের দায়িত্ব ডিএমদের দিল কোর্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোভিড বিধি এবং সেইমতো নির্বাচন কমিশনের জারি করা গাইডলাইন মেনেই সভা-সমাবেশ করা যাবে। প্রতিটি দল ও তাদের নেতা-নেত্রীরা এর অন্যথা করতে পারবেন না। প্রত্যেক জেলাশাসককেই তা নিশ্চিত করতে হবে। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি থোট্টাথিল বি রাধাকৃষ্ণাণ ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ জারি করল। 
সব নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী  সকলের মুখে মাস্ক থাকতেই হবে। সকলের জন্য স্যানিটাইজার থাকতে হবে। একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে দূরত্ববিধি বজায় রাখতেই হবে। কোথাও যাতে বড় সমাবেশ না-হয়, তা প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। জনসাধারণকে আরও সচেতন করে তোলার জন্য চালাতে হবে প্রচার। সব দল, তাদের সদস্য বা প্রার্থী, যেসব নেতা-নেত্রী প্রচারের জন্য এক জায়গা থেকে অন্যত্র যাচ্ছেন, তাঁদের সকলকেই বেঞ্চ কোভিড বিধি মেনে চলার চলার জন্য কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে। আদালত মনে করে, যে উদ্বেগপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন সমাজ হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটপ্রার্থী ও তাঁদের লোকজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সবাইকে কোভিড বিধি মেনে চলার জন্য উদ্বুদ্ধ করবেন। 
অন্যদিকে বেঞ্চ বলেছে, ভোটের এই সময়ে কোভিড গাইডলাইন মেনেই সবকিছু হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব জেলাশাসক তথা রিটার্নিং অফিসারদের। ‌এজন্য তাঁরা যেখানে যেমন দরকার, সেইমতো ১৪৪ ধারা জারি করতে পারবেন। কোথাও কেউ এই নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে, তাঁরা বিপর্যয় মোকাবিল আইন ছাড়াও ভারতীয় ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারবেন। তাঁদের মনে রাখতে হবে, ভোটের প্রচারের স্বার্থে বড়সড় সমাবেশ ও মিছিলের কারণে এই মারণ ভাইরাসের বাড়বাড়ন্তের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তা যথাসম্ভব এড়াতে হবে। 
দুই মামলাকারীর তরফে আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী, অরিন্দম দাস ও মণিশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়দের অন্যতম অভিযোগ ছিল, গতবছর বিহার বিধানসভা ভোটের সময় করোনা বিধি অনুযায়ী গাইডলাইন জারি হলেও, এবার তা জারি হয়নি কেন? দুর্গা ও কালীপুজো বা ছটপুজোর পরিপ্রেক্ষিতে এই হাইকোর্টই যেখানে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিল, সেখানে এবার কেন তেমনই কোনও পদক্ষেপ করা হবে না? কিন্তু, এদিনের শুনানিতে নির্বাচন কমিশন নথিসহ দাবি করে, ৯ এপ্রিল প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও তাদের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের কোভিড গাইডলাইন মেনে চলার জন্য বার্তা দেওয়া হয়েছিল। তারও আগে, ২৬ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়েছিল একটি প্রেস নোট। বস্তুত, লোকের দুয়ারে গিয়ে প্রচার থেকে শুরু করে রোড-শো, নির্বাচনী সভা ও সমাবেশ কীভাবে করতে হবে, তার যাবতীয় গাইডলাইন দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে ভোটকেন্দ্র ও তার আশেপাশে কোভিড বিধি পালনের নির্দেশিকাও জারি হয়েছে। যে-কারণে সেইসব বিধিনিষেধ কার্যকর করার দায়িত্ব এবার প্রশাসনকেই পালন করতে বলল আদালত। সেইমতো ১৯ এপ্রিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে রিপোর্ট দাখিল করতে বলেছে বেঞ্চ। 

14th     April,   2021

মুখ্যমন্ত্রীর ৪টি চিঠি নিয়ে মুখে কুলুপ
মমতাকে এড়িয়ে ডিএমদের সঙ্গে
কোভিড-বৈঠক ‘উদ্বিগ্ন’ মোদির

রাজ্যে রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ এবং মৃত্যু। টিকা, অক্সিজেন, হাসপাতালে বেডের আকাল দেশজুড়ে। এই সঙ্কটকালে সার্বিক টিকাকরণ এবং অক্সিজেনের দাবিতে বারবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন একাধিক অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এদিনও ১২ জন বিরোধী নেতা মিলিতভাবে চিঠি দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে। যদিও পত্রাঘাত পর্বে অন্যতম অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিগত কয়েকদিনে নরেন্দ্র মোদিকে চারটি চিঠি পাঠিয়েছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেননি।

 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
12th     May,   2021