বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

শহরে জঞ্জাল পৃথকীকরণে সমস্যা
লোকবলের অভাব, চিন্তায় পুরসভা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার ১ ডিসেম্বর থেকেই শহরের প্রতিটি বাড়িতে জঞ্জাল পৃথকীকরণ চালু করার ঘোষণা করেছিল কলকাতা পুরসভা। সেই লক্ষ্যে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত নীল এবং সবুজ বালতি পৌঁছেও গিয়েছিল। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় বৃহস্পতিবার শহরজুড়ে সর্বত্র তা বিলি করা সম্ভব হল না। হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি ওয়ার্ডে ওই বালতি বিলি হয়েছে, প্রচার করেছেন কাউন্সিলাররা। পাশাপাশি, নতুন এই ব্যবস্থা চালু হলে জঞ্জাল সাফাইয়ের পর্যাপ্ত লোক কোথা থেকে মিলবে, তা নিয়ে চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছে কাউন্সিলারদের। লোকবলের অভাবে এই ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নিয়েও সন্দিহান পুর কর্তারা।
কোনও ওয়ার্ডে বাঁশি বাজিয়ে বাড়ি বাড়ি ময়লা তোলার কর্মী রয়েছেন ১০ জন, কোথাওবা জনা কুড়ি। কোথাও আবার সংখ্যাটা মেরে কেটে সাত থেকে আট। এই পরিস্থিতিতে নিয়মিত জঞ্জাল পৃথকীকরণ করে ময়লা তুলতে গেলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তাই আগে পাড়ায় পাড়ায় মানুষকে না বুঝিয়ে সরাসরি বাড়ি বাড়ি বালতি বিলি করা সম্ভব হচ্ছে না। তার জন্য কিছুদিন সময় নিচ্ছেন কাউন্সিলাররা। এই প্রসঙ্গে ৮৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সৌরভ বসু বলেন, ঘোষণা অনুযায়ী বালতি বিলি করে জঞ্জাল পৃথকীকরণ শুরু করা সম্ভব নয়। আগামী দু-তিনদিন পাড়ায় পাড়ায় প্রচার করতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে। পরিকল্পনা না কষে এগনো সম্ভব নয়। একই বক্তব্য ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বরূপ দে’র। তিনি বলেন, এভাবে আচমকা বালতি বিলি করে দিলে হিতে বিপরীত হবে। আধিকারিকদের সঙ্গে বসে কথা বলে ধাপে ধাপে এগব। গোটা ওয়ার্ডে চালু হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।
কিন্তু কাউন্সিলার ও আধিকারিকদের সব থেকে বেশি চিন্তায় ফেলেছে কর্মীর অপ্রতুলতা। এদিন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলার অমল চক্রবর্তী বাড়ি বাড়ি বালতি বিলি করেছেন। তিনি বলেন, আমার ওয়ার্ডে জঞ্জাল সাফাইয়ের লোক যা রয়েছে, তা পর্যাপ্ত নয়। বলা হয়েছে, লোক দেওয়া হবে। অতিরিক্ত কর্মী না পাওয়া গেলে এই কাজ সামাল দেওয়া যথেষ্ট সমস্যার। লোকবলের সমস্যার কথা মানছেন পুরসভার জঞ্জাল সাফাই ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের  মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার। তিনি বলেন, আমরা বলেছি, প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে কিছু ‘সহায়ক’ দেওয়া হবে। তবে, কোথায় কত লোক দেওয়া হবে, তা এখন চূড়ান্ত কিছু হয়নি। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, আগেই ২৭টি ওয়ার্ডে এই ব্যবস্থা চালু আছে। বাকি ওয়ার্ডে চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একশো শতাংশ জায়গায় একদিনেই বালতি বিলি করা সম্ভব নয়। নাগরিকদের মধ্যে প্রচারও দরকার। তবে, একটা সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এক থেকে দু’মাসের মধ্যে সর্বত্র চালু হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। -নিজস্ব চিত্র

2nd     December,   2022
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ