বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

খাটের নীচে সাড়ে ১৭ কোটি টাকা উদ্ধার কাণ্ড
গার্ডেনরিচে গেমিং অ্যাপ প্রতারণার
মূল চক্রী আমির গ্রেপ্তার গাজিয়াবাদে 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবশেষে পুলিসের জালে আমির খান। গেমিং অ্যাপ প্রতারণা কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত গার্ডেনরিচের এই ব্যবসায়ীকে শনিবার গ্রেপ্তার করেন লালবাজারের ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন শাখার গোয়েন্দারা। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। চলতি মাসের ১০ তারিখ আমিরের গার্ডেনরিচের বাড়িতে খাটের নীচ থেকে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকা উদ্ধার করে ইডি। তাঁর গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে কলকাতার পুলিস কমিশনার বিনীতকুমার গোয়েল বলেন, ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলায় অভিযুক্ত আমির। গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পার্ক স্ট্রিট থানায় অভিযোগ জানিয়েছিল। তার ভিত্তিতেই আমির খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি, ক্লোজ করা হয়েছে এই মামলার তদন্তকারী আধিকারিককে। পুলিস সূত্রে খবর, মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করেই আমিরের খোঁজ পাওয়া যায়। 
এদিকে, আমির ধরা পড়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাঁর আইনজীবী মহম্মদ রিয়াজ খানের প্রশ্ন, প্রায় দেড় বছর আগের এফআইআরের ভিত্তিতে এতদিন বাদে কেন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিস? অনেকের প্রশ্ন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে অভিযুক্তের যাবতীয় তথ্য, ফোন নম্বর ইত্যাদি থাকা সত্ত্বেও তারা কেন এতদিনেও তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারল না? 
এদিনই আমিরকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়। ভারপ্রাপ্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে সরকারি আইনজীবী জানান, এই প্রতারণা মামলায় ১৪৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। গেমিং অ্যাপ ই-নাগেটস, লাকি সিটি ও এডব্লুও-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকা প্রথমে জমা পড়ত এই অ্যাকাউন্টগুলিতে। তারপর সেই টাকা মূল পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরানো হতো। সেখান থেকে ক্রিপ্টো কারেন্সিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে টাকা চলে যেত বিদেশে। পুলিসের অভিযোগ, ভুয়ো কেওয়াইসি দিয়ে এই অ্যাকাউন্টগুলি আমিরের উদ্যোগেই খোলা হয়। গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে ৪৬.৭০ কোটি টাকা রোজগার করেন আমির। যাবতীয় কারবারের পিছনে একটা গোটা র‌্যাকেট কাজ করছে। 
আমিরের আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘আমার মক্কেল কোনও গেমিং অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত নন। এখানে যে কোম্পানির কথা বলা হচ্ছে, তার সঙ্গেও আমির যুক্ত নন।’ তাঁর আরও দাবি, ভুয়ো নথি দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হলে ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা সেটা দেখেননি কেন? বছর দেড়েক বাদে হঠাৎ কেন ১৪ দিনের হেফাজত চাওয়া হচ্ছে? সব পক্ষের সওয়াল শুনে বিচারক আমিরকে ১৪ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। তাঁর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ইডি এখন কী পদক্ষেপ নেয়, নজর এখন সেদিকে।
 ব্যাঙ্কশাল আদালতে আমির। -নিজস্ব চিত্র

25th     September,   2022
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ