বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

তোতাপাখি...। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ইডি ও সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এই অভিযোগ তুলে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। শনিবার উলুবেড়িয়ায় তোলা নিজস্ব চিত্র।

জিএসটি, কয়লার দামে শিল্পে সঙ্কট,
দেশজুড়ে ইটভাটা বন্ধের হুঁশিয়ারি
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ সংগঠনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরিবেশ সচেতনতার প্রশ্নে ছাইয়ের ইট ব্যবহারে এখন নানাভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারা নির্মাণকাজে ফ্লাই অ্যাশ-এর ইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। এই অবস্থায় প্রচলিত বা মাটির ইটের শিল্প গোটা দেশেই সঙ্কটে। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো মাটি দিয়ে তৈরি ইটের উপর জিএসটি’র খাঁড়া এবং কয়লার আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি এই সঙ্কটকে আরও ঘনীভূত করেছে। এই শিল্পের উদ্যোগপতিদের বক্তব্য, গোটা দেশে এর সঙ্গে অন্তত তিন কোটি মানুষের রুটি-রুজির প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রের তামাম দপ্তরে বারবার দরবার করেও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই আগামী মরশুম থেকে ইটের উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মোদিকে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।
এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের রাজ্যওয়াড়ি সংগঠন রয়েছে। এই সব সংগঠনের কর্তারা দেশজুড়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে অল ইন্ডিয়া ব্রিক অ্যান্ড টাইলস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি সর্বভারতীয় মঞ্চ গঠন করেছেন। কিছুদিন আগে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্নাও দিয়েছে এই মঞ্চ। আগামী নভেম্বর মাসে শুরু হতে চলা নতুন মরশুম থেকে তাঁরা উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সর্বভারতীয় সংগঠনের সহ সভাপতি তথা রাজ্যের সংগঠন বেঙ্গল ব্রিকফিল্ডস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কর্তা যোগেশ আগরওয়াল বলেন, ফ্লাই অ্যাশের ইট ব্যবহার নিয়ে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। যদিও তার আয়ু নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবে এখনও দেশের সিংহভাগ রাজ্যে মাটির ইটই বেশি ব্যবহার হয়। ক্ষুদ্র শিল্পের তকমা পাওয়া এই কারবারের সঙ্গে সারা দেশে অন্তত তিন কোটি শ্রমিক যুক্ত। হাজার হাজার কোটি টাকার কারবার হয় ফি বছর। কিন্তু মোদি সরকার ইটের মতো ইমারতি সামগ্রীর উপর ইতিমধ্যেই ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য করেছে। সম্প্রতি ঠিকাকর্মীদের মাসিক খরচের উপর আরও ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, কয়লার খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। কোল ইন্ডিয়া বা রাজ্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি ইটভাটার জন্য ন্যায্যমূল্যে কয়লা সরবরাহ করে না। সব মিলিয়ে কারবার চালাতে নাভিশ্বাস উঠেছে। এসবের কারণেই ইটের দাম হু হু করে বেড়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় উৎপাদন বন্ধ করা ছাড়া বিকল্প উপায় নেই। -ফাইল চিত্র 

7th     July,   2022
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ