বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

বৃষ্টিমুখর...। মঙ্গলবার গিরিশ পার্কের কাছে তোলা নিজস্ব চিত্র।

কলকাতা বইমেলা
পিছিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং বিধাননগর পুরসভার আসন্ন ভোটের প্রেক্ষিতে পিছিয়ে গেল কলকাতা বইমেলা। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বিধাননগরের সেন্ট্রাল পার্কে মেলার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা এবং নির্বাচনের জেরে যে পিছিয়ে যাচ্ছে কলকাতা বইমেলা, তা আন্তর্জাতিক নিয়ামক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেনিভার দপ্তরে ই-মেল করে জানিয়ে দিয়েছে আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড।  গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিধাননগরে পুরভোটও রয়েছে। তার প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে মেলার দিন পিছনো হল। ফেব্রুয়ারি মাসে যে দিন বইমেলা শুরু হবে, ততদিনে সংক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। কোভিড বিধি মেনে সেই সময় বইমেলার আয়োজন করা সম্ভব হবে। 
 বইমেলা যে হচ্ছেই, সম্প্রতি পরিবহন দপ্তরের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনই ইঙ্গিত মিলেছিল। কলকাতার রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট সচিব বেসরকারি বাস মালিকদের একটি চিঠি দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে কলকাতা বইমেলা শুরু হচ্ছে। যা চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এইসময় সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্ক রুটে অতিরিক্ত সংখ্যক বেসরকারি বাস ও মিনিবাস চালাতে হবে। তার জন্য বাস মালিকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পরিবহন দপ্তরের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, এবারের বইমেলা হবে ধরে নিয়ে আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি। সেই কারণেই সমস্ত বাস মালিক সংগঠনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যাতে বইমেলার দিনগুলিতে সংশ্লিষ্ট রূটে পর্যাপ্ত বাস থাকে। ওই কর্তা বলেন, বইমেলার দিন পরিবর্তন হয়েছে, সেইদিন অনুযায়ী প্রস্তুতি রাখার জন্য বেসরকারি বাস মালিকদের বলা হবে। এ প্রসঙ্গে সিটি সুবারবান বাস সার্ভিস এর সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহা বলেন, চিঠি পেয়েছি। বিগত বছরগুলোর মতো আমরা এক বছরও বইমেলাতে সফল করতে সরকারকে সব রকম সহায়তা করব। তবে করোনার এই কঠিন পরিস্থিতিতে রাস্তায় বাস নামানো থাকতেও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন টিটুবাবু। নবান্নের শীর্ষ কর্তার কথায়, পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি না হলে, বইমেলা হবে। সেই কারণেই বিধি-নিষেধ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সরকারি নির্দেশিকা মেলা করার সংস্থান রাখা হয়েছে। রাজ্যের বর্তমান করোনা গ্রাফ আগের তুলনায় অনেকটাই স্বস্তিকর। আশাপাশে বইমেলা শুরু হতে এখনও বেশ কিছুদিন দেরি আছে। আমরা আশা করছি ততদিনে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। খুব শীঘ্রই বইমেলা আয়োজকদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠক হবে। সেখানেই যাবতীয় গাইড লাইন চূড়ান্ত হবে। 

18th     January,   2022
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ