বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

বৃষ্টিমুখর...। মঙ্গলবার গিরিশ পার্কের কাছে তোলা নিজস্ব চিত্র।

কপিলমুনি মন্দির রক্ষায়
সমুদ্রগর্ভে বাঁধের প্রস্তাব
অপেক্ষা ছাড়পত্রের 

সৌম্যজিৎ সাহা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রতি বছর যেভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত হচ্ছে সাগরদ্বীপ, তাতে অদূর ভবিষ্যতেই কপিলমুনি মন্দিরের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই এখনই উপকূল রক্ষা করতে সমুদ্রগর্ভে বাঁধ দেওয়ার সুপারিশ করল আইআইটি, চেন্নাই। কীভাবে তটের ক্ষয় আটকানো যায়, তা নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানকে সমীক্ষা করতে বলেছিল জেলা প্রশাসন। তাদের বিশেষজ্ঞরা সব কিছু খতিয়ে দেখেই এই সুপারিশ করেছেন। ইতিমধ্যে সেই সুপারিশ জমা পড়েছে পরিবেশ দপ্তরে। কোস্টাল রিজিয়ন জোনের ছাড়পত্র মিললেই শুরু হবে কাজ। এই কাজে খরচ হবে আনুমানিক ৬৭ কোটি টাকা। জেলাশাসক পি উলগানাথন বলেন, বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট ও নথি জমা পড়ে গিয়েছে। এখন কাজ শুরুর অপেক্ষা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর দুর্যোগের পর দেখা গিয়েছিল, তটের ১০০ মিটার জমি সমুদ্রগর্ভে চলে গিয়েছে। সোজা কথায়, আরও এগিয়ে এসেছে সমুদ্র। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে বড় বিপদ অপেক্ষা করছে। এই সমুদ্র ভাঙন রোধে এখনই পদক্ষেপ করা জরুরি বলে মনে করছেন আধিকারিক থেকে বিশেষজ্ঞরা। সেই মতো আইআইটি, চেন্নাইকে সমাধান সূত্র বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাদের বিশেষজ্ঞরা সাগরদ্বীপে এসে পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন। কেন এমনটা হচ্ছে, কী করলে এই ক্ষয় রোধ করা যায় ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট দেন তাঁরা।
সুপারিশে বলা হয়েছে, ভাটার সময় সমুদ্র যেখান থেকে শুরু হয়, সেখান থেকে আরও ২৫০-৩০০ মিটার দূরে জলের নীচে এই বাঁধ তৈরি করতে হবে। এটা করতে পারলে জোয়ার বা দুর্যোগের সময় ঢেউয়ের ঝাপটা অনেকটাই আটকানো যাবে। পাশাপাশি পাড়ে ঢেউ আছড়ে পড়ার পর যে বালি ধুয়ে যাচ্ছিল, তাও আটকানো যাবে। এক্ষেত্রে বাঁধের গায়ে সেই বালি জমতে শুরু করবে। কিছুদিন বাদে সেখানে নতুন করে তট তৈরি হয়ে যাবে। অর্থাৎ, যে অংশ গর্ভে চলে গিয়েছে, এই পদ্ধতিতে সেটা আবার পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। এভাবেই বাঁচানো যাবে কপিলমুনি মন্দির ও সমুদ্রতট। দেশের বহু শহরে সমুদ্রপাড়ে নানা ধরনের কাজ করে উপকূলের ক্ষয় রক্ষা করা গিয়েছে। কিন্তু সাগরে সেটা সম্ভব না। তাই সমুদ্রগর্ভেই এই নির্মাণ করতে হবে।
এক আধিকারিক বলেন, উপকূল এলাকা বলে কংক্রিটের নির্মাণ করা যাবে না। তাই এখানে জিও টেক্সটাইল ব্যবহার করা হবে। এর বিশেষত্ব হল, এটি পরিবেশ বান্ধব। সাগরে তটের এক থেকে পাঁচ নম্বর রাস্তা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ছাড়পত্র পেলে এই কাজের জন্য গ্লোবাল টেন্ডার ডাকা হবে, এমনটাই জানা গিয়েছে। পুরোটাই কেএমডিএর তত্ত্বাবধানে হবে বলে ঠিক হয়েছে।

18th     January,   2022
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ