বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

সিকিম, উত্তরাখণ্ডে আটকে হাওড়া,
হুগলি আর বারাসতের বহু পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত, হাওড়া ও চুঁচুড়া: প্রবল বর্ষণে উত্তরাখণ্ডের মতো বিপর্যস্ত সিকিম ও এরাজ্যের দার্জিলিং। পুজোর ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে ভয়ঙ্কর দুর্যোগে হোটেলবন্দি বারাসত, হাওড়া ও হুগলির একাধিক পরিবার। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের বিফল হতে হচ্ছে। সঙ্গী গাড়ির চালকরাই একমাত্র ভরসা। হোটেলে বিদ্যুৎ সংযোগও সেভাবে নেই বললেই চলে। আর কতক্ষণ বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ রাখতে পারবেন, সেই নিয়েও তাঁরা সন্দিহান। উৎকণ্ঠায় বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছে বহু পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসত থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ১৬ তারিখ শিলিগুড়ি পৌঁছন অতিভী হালদার। কালিম্পং ও মংছং ঘুরে তাঁরা ১৮ তারিখ বিকেল ৪টা নাগদ পূর্ব সিকিমের আরিতর যান। কিন্তু ওই বিকেল থেকে একটানা বৃষ্টিতে বুধবার দুপুর পর্যন্ত তাঁরা কার্যত হোটেলবন্দি হয়ে রয়েছেন। স্থানীয় থানা ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের বার বার ফোন করলেও কোনও সাড়া পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। অতিভীদেবী বলেন, মনে হচ্ছে যেন মেঘ ভাঙা বৃষ্টি হচ্ছে। বেশিরভাগ সময় হোটেলে বিদ্যুৎ থাকছে না। প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগও করা যাচ্ছে না। গাড়ির চালকরা যা তথ্য দিচ্ছেন, তা শুনে বসে থাকতে হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, রংপোতে তিস্তার উপর ব্রিজ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কবে বাড়ি ফিরব, কতক্ষণ মোবাইলে চার্জ থাকবে, কিছুই বুঝতে পারছি না। দুঃশ্চিন্তায় চোখের পাতা এক করতে পারছি না।
এই আরিতরেরই একটি হোম স্টেতে রয়েছেন হাওড়ার বীরশিবপুর এলাকার বাসিন্দা সন্তু দাস। তিনি কালিম্পং থেকেই বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ট্রাভেল এজেন্সি বরাভয় দিয়ে তাঁদের মঙ্গলবার দুপুরে আরিতরে পাঠিয়েছে। এরপর থেকে তাঁরাও গৃহবন্দি। সন্তুবাবু বলেন, আমরা পরিস্থিতি খারাপ বুঝে কালিম্পং থেকে ফেরার পরিকল্পনা নিই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ট্রাভেল এজেন্সির কথা শুনে এখানে এসে চরম বিপাকে পড়েছি। বিদ্যুৎ নেই। খাবারের দামও বেশি নিচ্ছে। মোবাইলে চার্জ শেষ। কবে, কীভাবে শিলিগুড়ি পৌঁছব, কিছুই বুঝতে পারছি না।
অন্যদিকে, হুগলির হিন্দমোটর ও কোন্নগরের চার পরিবারের ১২ জন সদস্য কেদারনাথ গিয়েছিলেন। হাওড়া থেকে তাঁরা স্পেশাল ট্রেনে অষ্টমীর দিন হরিদ্বার পৌঁছন। নবমীর দিন সীতাপুর ঘোরেন। সোমবার বাসে বদ্রিনাথ যাওয়ার রাস্তার ধস নামায় তাঁরা আটকে পড়েন। তাঁরা বর্তমানে যোশিমঠ এলাকায় আটকে রয়েছেন। হোটেলে জায়গা না পেয়ে রাতদিন বাসে বসে সময় কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকায় ইলেকট্রিক না থাকায় সিংহভাগ সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেছেন না। সব মিলিয়ে তীব্র উৎকণ্ঠায় কাটাচ্ছেন বদ্রিনাথে আটকে পড়া দেবাঞ্জন পাঠক, দেবাশিস দাস সহ অন্যান্যদের পরিবারের সদস্যরা। 

21st     October,   2021
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021