বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

রেকর্ড বৃষ্টি সাগরে, দুর্যোগ কমলে
নামখানা ও গোসাবায় বাঁধ সারাই

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গভীর নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত গ্রাম থেকে শহর। বৃষ্টির পরিমাপ বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন নজির তৈরি করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে সাগরে। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে পরের দিন মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ২৪২.৮ মিলিমিটার। এ বছর সাগরে এটাই সর্বোচ্চ। বারুইপুরেও ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। তবে বিভিন্ন জায়গায় জল জমে থাকায় সঠিক মাপ পাওয়া যায়নি। এদিকে, জেলায় এই প্রবল বৃষ্টিতে ফের ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। মূলত মাছ এবং সব্জি উৎপাদকদের মাথায় হাত।
সাগরে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে, তা জেলার সর্বত্র হয়নি। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের মতে, একটি বা দু’টি জায়গায় বৃষ্টির হার ছিল সবচেয়ে বেশি। কেন এমন ধারণা? তাঁদের যুক্তি, সর্বত্র একই পরিমাণ বৃষ্টি হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতো। এখনও অবধি মাত্র এক হাজার হেক্টর জমিতে জল ঢোকার তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া সাগরদ্বীপের যে জায়গায় টর্নেডোর প্রভাব পড়েছিল, সেখানে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
তবে এই বর্ষায় এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের রেকর্ড গড়েছে গোসাবার মন্মথপুর। এদিকে, মাছ এবং চাষের ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, সাড়ে তিন হাজার হেক্টর পুকুর অথবা জলাশয় বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে। ফলে অনেক মাছ রাস্তায় ডাঙায় উঠে এসেছে বা অন্য জলাশয়ে চলে গিয়েছে। যেমন সোনারপুরে এই সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দিয়েছে। সেখানে ভেড়ির মাছ উঠে এসেছে রাস্তায়। ফলে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। তাঁরা বাধ্য হয়েছেন ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে সেই মাছ বিক্রি করতে। একইভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে সব্জি চাষেও বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে খবর, সব্জির বহু জমি ডুবে গিয়েছে।এদিকে, প্রবল বৃষ্টির কারণে নামখানা এবং গোসাবার উপকূলবর্তী এলাকায় নদীবাঁধ দুর্বল হয়ে পড়েছে। যশ পরবর্তী অধ্যায়ে বাঁধে মাটির প্রলেপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা না শুকনোয় নয় গত কয়েক সপ্তাহের বৃষ্টিতে তা অনেকটাই ধুয়ে গিয়েছে। এদিকে, আর কয়েকদিন বাদেই আরও একটি কোটাল রয়েছে। তাতে ফের বিপর্যয় ঘনাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে কথা মাথায় রেখেই এই দু’টি ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধ মেরামতির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার গোসাবার বিডিও এবং অন্যান্য আধিকারিকরা দুর্বল বাঁধগুলি পরিদর্শন করেছেন। অন্যদিকে, নামখানার বিডিও জানিয়েছেন, বৃষ্টি থামলেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলি মেরামতির কাজ শুরু করা হবে।

22nd     September,   2021
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021