বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

জলমগ্ন... ১) ভিআইপি রোড ২) মধ্য হাওড়ার রাস্তা ৩) মুক্তারামবাবু স্ট্রিট ৪) বরানগর। ছবিগুলি তুলেছেন অতূণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপ্যমান সরকার এবং কুমার বসু। 

বাম দুর্গে ফাটল ধরিয়ে কুলতলিতে ক্ষমতায় তৃণমূল
জয়নগরে এসইউসিআই চতুর্থ

সংবাদদাতা, বারুইপুর: দীর্ঘ কয়েক বছর পর বাম-এসইউসিআই দুর্গে ফাটল নামিয়ে কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্রে ফুটল জোড়াফুল। উল্টোদিকে জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রে একদা শক্তিশালী এসইউসিআই-কে চতুর্থ স্থানে নামিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এল তৃণমূল কংগ্রেস।   
১৯৫২ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কুলতলি কেন্দ্র একটানা ছিল এসইউসিআইয়ের দখলে। ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় এলেও এই কেন্দ্র এসইউসিআইয়ের হাত থেকে চলে যায় সিপিএমের দখলে। সেই থেকে টানা ১০ বছর এলাকার বিধায়ক ছিলেন রামশঙ্কর হালদার। এলাকা উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল। এবার ২০২১-এর নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ময়দানে নামেন কুলতলির যুব তৃণমূলের সভাপতি গণেশ মণ্ডল। যা মানতে না পেরে একদা সতীর্থ কুলতলি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোপাল মাঝি বিজেপিতে নাম লেখান। মনে হয়েছিল যে এই কেন্দ্রে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। কিন্তু নির্বাচনের ফল প্রকাশ হলে দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গণেশ মণ্ডল ভোট পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৭ হাজার ২৩৮টি। বিপক্ষে বিজেপি প্রার্থী মিন্টু হালদারের প্রাপ্ত ভোট ৭০ হাজার ৬১, সিপিএম প্রার্থী রামশঙ্কর হালদার পেয়েছেন ২০ হাজার ১০ ভোট এবং এসইউসিআই প্রার্থী জয়কৃষ্ণ হালদার পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩০৬ ভোট। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, এই কেন্দ্র বরাবর পিছিয়ে ছিল। এবার তৃণমূলের হাত ধরে উন্নয়ন জোরদার হবে এখানে। কুলতলিতে পর্যটনের বিপুল সুযোগ তৈরি হবে নতুন বিধায়কের হাত ধরে। সদ্য বিধায়ক নির্বাচিত 
গণেশ মণ্ডল বলেন, পিছিয়ে পড়া কেন্দ্রকে নতুন ভাবে তুলে ধরাই হবে আমার লক্ষ্য।
অন্যদিকে, জয়নগর বিধানসভা কেন্দ্রে ১৯৫২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এককভাবে ক্ষমতায় ছিল এসইউসিআই। ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ লড়াই করে ক্ষমতায় থাকে তারা। কিন্তু ২০১৬ সালের নির্বাচনে পট পরিবর্তন হয়ে এই কেন্দ্রে প্রথম ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। বিধায়ক শিক্ষক বিশ্বনাথ দাস ২০২১-এর নির্বাচনে লড়ে দ্বিতীয় বারের 
জন্য ক্ষমতায় এলেন। জয়ের ব্যবধানও বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে দ্বিগুণের বেশি। গতবার জিতেছিলেন ১৫ হাজার ৫০০ ভোটে, এবার তিনি জয়ী হয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৫২ ভোটে। তাঁর মোট প্রাপ্ত ভোট ১ লক্ষ ৪ হাজার ৯৫২টি। সেখানে বিজেপির পেয়েছে ৬৬ হাজার ২৬৯টি, সিপিএম ১৭ হাজার ৩৬৮টি এবং এসইউসিআই ৯৪২৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে। বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস বলেন, পানীয় জলের সমস্যা মেটানোটা আমার কাছে জরুরি। তবে আগে করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

5th     May,   2021
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
12th     May,   2021