গল্পের পাতা

মানুষের চোখের জল

সুতনুর রুমে ঢুকে রুমকি দেখল সুতনু বিছানায় শুয়েই আছে, দুই চোখ দিয়ে অবিরল ঝরে পড়ছে জল। আবার কাঁদছে সুতনু। এই মানুষটাকে নিয়ে যে রুমকি কী করবে বুঝে উঠতে পারছে না।   বলল, ‘যাও,  ওঠো,  রূপ দাঁড়িয়ে থাকবে তো! তোমাকে বলেছিলাম না আজ ওদের দশটায় ছুটি হয়ে যাবে,  বাস দেবে না,  তোমাকেই ওকে স্কুল থেকে নিয়ে আসতে হবে?  ওঠো ওঠো,  ছেলেটা গেটের বাইরে বেরিয়ে তোমাকে না দেখলে ভয় পেয়ে যাবে তো!’
সুতনু উঠল না। শুয়ে শুয়েই বলল, ‘কী ভয়ঙ্কর! আর তো নিতে পারছি না।’  রুমকি দেখল যথারীতি বিছানায় সুতনুর পাশে খবর কাগজের পাতা খোলা। তাতে ইজরায়েল আর গাজার যুদ্ধে মারা যাওয়া একটা ফুটফুটে বাচ্চার ছবি। দেখে মনে হচ্ছে রূপের বয়সিই হবে। রুমকির বুকও ছ্যাঁৎ করে উঠল। কিন্তু নিজেকে সামলে নিল ও। সুতনুকে বলল, ‘কী করবে বল,  পৃথিবীতে হিংসা  ভয়ঙ্করভাবে বেড়ে গেছে। কেঁদে কি কোনও লাভ হবে?  কেঁদে কেঁদে কত মানুষের চোখের জল শুকিয়ে গেছে। পৃথিবী কি তবুও পাল্টাচ্ছে?  নাও, এবার তো উঠে পড়,  রূপ দাঁড়িয়ে থাকবে তো!’
খাটে উঠে বসে সুতনু বলল, ‘মানুষের চোখের জল কখনও শুকোয় না,  জানো। একজনের চোখের জল শুকিয়ে গেলে আরেকজন কাঁদতে শুরু করে।’
এবার রুমকির মাথা একটু গরমই হয়ে গেল। বলল, ‘তুমি ওই ছেলেটাকে নিয়ে ভাব,  কবিতার মতো লাইন বলতে থাক আর আমার ছেলেটা স্কুলের গেটে গরমের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকুক।’
এবার সুতনু উঠল। গায়ে জামা গলিয়ে নীচেও নামল। একটু পরেই শোনা গেল ও স্কুটারে 
স্টার্ট দিচ্ছে। 
 সুতনুকে নিয়ে ঠিক কী করবে রুমকি বুঝে উঠতে পারছে না। ওদের ভালোবাসার বিয়ে। কলেজে ওদের ক্লাসের অনেকেই রুমকিকে প্রপোজ করেছিল। রুমকি কাউকেই পাত্তা দেয়নি। ও ভালোবেসে ফেলেছিল সুতনুকে,  ওর বড় বড় মায়াময় চোখ দুটোকে,  যে কোনও বন্ধুর বিপদে ওর ঝাঁপিয়ে পড়াকে,  কলেজের ক্যান্টিনের বেড়ালের বাচ্চাগুলোকে ওর যত্ন করাকে। ভালোবাসার কথা ও নিজেই জানিয়েছিল সুতনুকে। মায়াময় দুটো চোখ ছাড়া হাড়জিরজিরে সুতনুর শরীরে আর তেমন কিছুই ছিল না, যা একটি কমবয়সি মেয়েকে আকর্ষণ করতে পারে। আর অন্যদিকে রুমকি ছিল ডাকসাইটে সুন্দরী। ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটিকে তাই সেকেন্ড ইয়ারে ওঠার পর সুতনুর সঙ্গে ঘুরে বেড়াতে দেখে রুমকির প্রণয়প্রার্থীরা বেশ অবাকই হয়েছিল। রুমকি অবশ্য সুতনুকে বিয়ে করার সময়ও দ্বিতীয়বার ভাবেনি। রুমকির বাবাও বলেছিল সুতনুর মতো নরম,  অনুভূতিপ্রবণ মনের ছেলে আজকাল বিরল। সুতনুর এই নরম মনটাই আজ বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে রুমকির।
সমস্যার শুরু বছরখানেক আগে। খবরের কাগজের ছাপা কোনও হিংসার ছবিই কিছুতেই সহ্য করতে পারত না সুতনু। গুম হয়ে বসে থাকত। বকবক করা বন্ধ করে দিত। কিছুদিন ব্যাপারটা লক্ষ করে খবরকাগজ নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল রুমকি। কিন্তু,  তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি। ফেসবুকই তো আজকাল খবর কাগজের কাজ করে দেয়। তারপর আছে হোয়াটসঅ্যাপের হাজারো গ্রুপ। পৃথিবীটা তো আজ সত্যিই ছোট হতে হতে মানুষের একটা হাতের তালুতে বন্দি। পৃথিবীর থেকে পালিয়ে বাঁচবার উপায় আজ আর নেই। পৃথিবী সারাক্ষণ তাড়া করে বেড়াচ্ছে মানুষকে। খবরকাগজ নেওয়া তাই আবার শুরু করেছিল রুমকি। ভেবেছিল হিংসার ছবি দেখতে দেখতে একটা সময় হয়তো এই হিংসার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যাবে সুতনু। তা হয়নি। বরং সংসারের যেসব কাজগুলো আগে সুতনু করে দিত,  এইসব কাজ আর ওকে দিয়ে হচ্ছে না। অফিসের বাইরে অধিকাংশ সময় ও বিছানায় শুয়েই থাকছে। মাঝে মাঝেই কাঁদছে। বাইরের পৃথিবীর ধাক্কায় রুমকির নিজের ছোট্ট পৃথিবীটা টলোমলো করছে। রুমকি নিজেও যথেষ্ট অনুভূতিপ্রবণ। খবরকাগজে ক্ষতবিক্ষত মানুষের শরীরের ছবি দেখলে রুমকিও সহ্য করতে পারে না। কিন্তু ওই ছবির দুনিয়ায় আটকে থাকলে কি মানুষের জীবন চলতে পারে?  তাকে তো বাজারহাট করতে হয়,  অফিস-কাছারিতে যেতে হয়,  ছেলেমেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিতে হয় —  বাইরের বড় পৃথিবীটা কষ্টে আছে বলে সংসারের ছোট পৃথিবীটা তার দাবি ছাড়বে কেন?  তাই সুতনুকে নিয়ে যে ঠিক কী করা উচিত কিছুতেই বুঝেই উঠতে পারছে না রুমকি। 
দুই
সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে আসার জন্য সুতনুকে রাজি করানো খুব সহজ ছিল না। সুতনুর যে চিকিৎসা দরকার সেকথা রুমকিকে প্রথম বলে বাবা। সুতনু বিছানা ছেড়ে উঠতেই চাইছে না,  যে কোনও হিংসার ছবি দেখলেই ওর চোখ দিয়ে জল গড়িয়েই পড়ছে —  শুনে বাবা বলেছিল, ‘ও মনে হয় ডিপ্রেশনে চলে গেছে,  চিকিৎসা ছাড়া কিন্তু এই ফেজটা কাটবে না।’ 
সুতনুকে এই কথাটা বুঝিয়ে বলতে কিন্তু বেশ বেগ পেতে হয়েছিল রুমকিকে। ও মানতেই চাইছিল না যে,  ওকে অবসাদ ঘিরে ধরেছে। ও বলেছিল, ‘মানুষের দুঃখে আমার চোখে জল আসছে বলে তুমি আমাকে ডাক্তার দেখাতে চাইছ?  এটা কি অস্বাভাবিক কোনও ঘটনা?’
রুমকি বলেছিল, ‘একেবারেই অস্বাভাবিক না। তুমি কি মনে কর আমার মন নেই?  চারপাশের এই হিংসা দেখে আমার কষ্ট হয় না?   কিন্তু আমি কি সেটাকে ধরে বসে থাকি?  ধরে বসে থাকলে তোমার সংসার চলবে তো?  তুমি কিন্তু অফিস যাওয়ার বাইরে আর কোনও কাজই করছ না। অফিস থেকেও দু’দিন হাফ সিএল নিয়ে ফিরে এলে। বিছানায় শুয়েই থাকছ। মাঝে মাঝে কেঁদেই চলেছ সারাদিন। এটা কি স্বাভাবিক ঘটনা?’
বেশ খানিকটা তর্ক করেই শেষমেশ সুতনু রাজি হয়েছিল সাইকিয়াট্রিস্টের চেম্বারে 
যাওয়ার জন্য। 
 ডাঃ পান বেশ অনেকক্ষণ ধরে শুনেছিলেন রুমকি আর সুতনুর কথা। তারপর সুতনুকে বুঝিয়ে বলেছিলেন যে,  ও সত্যিই ডিপ্রেশনের শিকার। সামান্য কিছু ওষুধ ওকে খেতে হবে আর দরকার কাউন্সেলিং। সুতনু আর রুমকির সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বেশ খানিকক্ষণ কথাও বলেছিলেন ডাক্তার। রুমকিকে উনি বলেছিলেন, ‘আপনি তো বুদ্ধিমতী। অকারণ রুড হলে  পেশেন্ট কিন্তু সারবে না। হি নিডস কেয়ার। এরকমটা হয়। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ সত্যিই একটু বেশি মাত্রায় সেনসিটিভ হয়। এদের সঙ্গে সংসার করাটা খুব ডিফিকাল্ট,  আমি বুঝি। কিন্তু আপনি তো ওকে ফেলে দিতেও পারবেন না,  তাই না?  ওর অনুভূতিপ্রবণতাকে নষ্ট করাটা আমাদের লক্ষ্য হবে না। আমরা কেবল চেষ্টা করব ওকে এই ডিপ্রেশনের ফেজটা থেকে বের করে আনতে।’  ডাঃ পানের কথাবার্তা বেশ ভালো লেগেছিল রুমকির। কাউন্সেলরের নামও উনিই সাজেস্ট করেছিলেন। মহিলা কাউন্সেলর। নাম দীপা নাথ। আজ সুতনুর প্রথম সিটিং আছে 
ওর সঙ্গে। 
তিন
কারেন্ট অফ। তাই এসি কাজ করছে না। দীপা নাথের ছোট্ট চেম্বার,  ফ্যান নেই,  ইনভার্টারের কল্যাণে একটা টিউবলাইট কেবল জ্বলছে। সুতনুর অবশ্য গরম লাগছে না। ও মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রয়েছে দীপা ম্যামের দিকে। কোনও ডাক্তার যে এতখানি সুন্দর হতে পারে সেকথা কখনও ভাবেইনি সুতনু! আচ্ছা,  কাউন্সেলর একজন ডাক্তারই তো? 
সুতনুর সংবিৎ ফিরল দীপা ম্যামের কথাতেই। 
—আচ্ছা ছবিগুলো যখন দেখেন, তখন কী মনে হয় আপনার?
দীপা ম্যাম জিজ্ঞেস করছেন সুতনুকে।
— অনেক কিছু মনে হয়।  কিন্তু প্রথমেই মনে হয় ফ্যামিলির কথা।
—আপনার ফ্যামিলি?
—না, না। ধরুন, আমি একটা বাচ্চার ছবি দেখলাম,  আমার প্রথমেই মনে হয় এই যে বাচ্চাটা মারা গেছে,  ওর তো বাবা-মা আছে। তারা কী করছে এখন?  সন্তান হারানোর শোকের সঙ্গে লড়াই করা ভীষণ কঠিন,  তাই না?  খাবার নেমেছে তো ওই বাচ্চাটার বাবা-মায়ের গলা দিয়ে?  নাকি ওরা কেঁদেই যাচ্ছে এখনও?  এইসব ভাবি আর আমার কান্না পায়।
—দেখুন, দুটো জিনিস আপনাকে মনে রাখতে হবে। হিংসা আর মৃত্যু কিন্তু পৃথিবীতে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। একবার সভ্যতার ইতিহাসের কথা ভাবুন। রক্তপাত ছাড়া মানুষের সভ্যতা কি এতটা পথ হেঁটে আসতে পারত?  আপনি তো বুদ্ধিমান মানুষ,  তাই না?  হিংসা নিয়ে এতটা বিচলিত হলে তো চলবে না। আর মহাভারতের গল্পটা জানেন তো?  কৃষ্ণ অর্জুনকে কী বলেছিলেন?  বলেছিলেন,  দেখ তোমার জীবিত আত্মীয়স্বজনরা আসলে মরেই রয়েছে। মৃত্যু অনিবার্য। বিজ্ঞান কি মৃত্যুকে হারিয়ে দিতে পেরেছে,  বলুন?
—আপনি ঠিকই বলছেন ম্যাডাম। মৃত্যুকে যেমন মানুষ হারাতে পারেনি,  তেমন 
হিংসাকেও না। এইটা ভেবেই আমার ভীষণ কষ্ট হয় ম্যাডাম যে,  হিংসার কাছে মানুষ হেরে 
যাবে কেন?
—দেখুন,  ঠান্ডা মাথায় যদি ভাবেন তাহলে বুঝতে পারবেন হিংসার কাছে মানুষ কিন্তু হারেনি। একদিক থেকে ভাবলে মৃত্যুর কাছেও হারেনি মানুষ। বিজ্ঞান হেরেছে,  কিন্তু মানুষ হারেনি। এমনকী নিজের মা-বাবা মারা গেলেও দাহকার্যের পর আমরা কি খাওয়া-দাওয়া করি না?  এই যে ধরুন গাজায় যুদ্ধ চলছে,  জীবন কি একেবারেই থমকে গেছে সেখানে?  মৃত্যু,  হিংসা এই সমস্ত কিছুকে এড়িয়েই মানুষ কিন্তু বেঁচে থাকতে চায়।  সেখানেই তো জীবনের জয়। আপনাকে আমি একটা ছোট্ট কাজ করতে বলছি। যখনই খবর কাগজ বা ফেসবুকে হিংসা বা মৃত্যুর কোনও খবর আপনাকে ডিস্টার্ব করবে,  তখন আপনি আপনার ছেলেটার কথা ভাববেন। ভাববেন যে,  ও আপনাকে কতটা ভালোবাসে। ভাববেন যে,  আপনিও ওকে কতটা ভালোবাসেন। ওর জন্য কী কী করা উচিত আপনার। এরকম ভাবতে থাকলেই দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার মনখারাপ কেটে যাবে। আপনি কাজ করবার জন্য আবার উৎসাহ পাবেন। কী?  যা বললাম করবেন 
তো আপনি?
সুতনু বলল, ‘ভাবি ম্যাডাম। কিছুদিন আগেই যুদ্ধে মারা যাওয়া রূপেরই বয়সি একটা বাচ্চা ছেলের মুখ দেখে রূপের কথাই মনে হল তো। মনে হল যে,  ওই ছেলেটার বাবা-মায়ের মতোই আমি যদি কোনওদিন রূপকে হারাই,  তাহলে কি আর বেঁচে থাকতে পারব?  মনে হতেই আমার হু হু করে কান্না পেতে লাগল ম্যাডাম। আপনার মাথায় যদি একবার এই চিন্তা চলে আসে,  দেখবেন আপনারও কান্না পাবে।
দীপা ম্যাম বললেন, ‘এভাবে ভাবলে হবে না। আমি আপনাকে যেমনটা করে ভাবতে বললাম,  সেরকম করে ভাববেন।’
সুতনু দেখল এক বিন্দু ঘামের ফোঁটা ঝরে পড়বার আগে থমকে রয়েছে দীপা ম্যামের চিবুকের ওপরে। কী অপূর্বই না লাগছে দীপা ম্যামকে!
চার
সুতনু যে এত তাড়াতাড়ি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে তা ভাবতেই পারেনি রুমকি। এজন্য ডাঃ পানের চেয়েও রুমকি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ কাউন্সেলর দীপা নাথের কাছে। চমৎকার মানুষ দীপা নাথ। যখনই যে কোনও প্রয়োজনে রুমকি ওকে ফোন করেছে,  উনি ফোন ধরেছেন। পেশেন্টদের জন্য ওঁর মধ্যে যে উদ্বেগ দেখেছে রুমকি,  তাও আজকাল বিরল। আজ থেকে ঠিক ছ’মাস আগে সুতনুকে রুমকি নিয়ে গিয়েছিল দীপা নাথের চেম্বারে। রুমকি ঠিক করল ফোন করে ও আজ দীপা ম্যামকে একটা ধন্যবাদ জানাবে। 
ফোন ধরল একটি পুরুষকণ্ঠ। জানাল যে,  দীপা ম্যাম অসুস্থ,  কথা বলতে পারবেন না। 
রুমকি জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছে ওঁর?’
পুরুষ কণ্ঠটি পাল্টা প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা, আপনি কি সুতনুর ওয়াইফ?’
রুমকি ভাবল সুতনুর কথা হঠাৎ জিজ্ঞেস করছেন কেন ভদ্রলোক। এই ছ’মাসে বেশ কয়েকবার সুতনু বলেছে,  দীপা ম্যাম তোমার চেয়েও বেশি সুন্দরী। এরকমই কিছু সুতনু আবার  বলে ফেলেনি তো ওঁকে?  বলতেই পারে। বিশ্বাস নেই। সরল বিশ্বাসে ও অনেক কথাই বলে থাকে। ওর সেই কথারই কোনও প্রভাব পড়েনি তো দীপা ম্যামের উপর?  সুতনুর লাস্ট সিটিং ছিল এক সপ্তাহ আগে। রুমকির হঠাৎ বুক দুরু দুরু করতে লাগল। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিল ও, তারপর বলল, ‘হ্যাঁ, আমি সুতনুর ওয়াইফ। কেন বলুন তো?’
পুরুষ কণ্ঠটি বলল, ‘না,  এমনিই জিজ্ঞেস করলাম। আমি দীপার হাজবেন্ড। আজ এক সপ্তাহ ধরে দীপা চেম্বার করছে না। বিছানায় শুয়েই আছে আর অঝোর ধারায় কাঁদছে। বলছে পৃথিবীটা এত হিংস্র হয়ে যাবে,  সেটা নাকি ও ভাবেইনি! আমি আপনার হাজবেন্ডের কেসটা জানি। তাই ভাবছিলাম কান্না মানুষ থেকে মানুষে ট্রান্সমিটেড হয় কি না।’  বলেই ভদ্রলোক কেটে দিলেন ফোনটা। 
রুমকি স্তব্ধ হয়ে বসে পড়ল। দেখল রূপের সঙ্গে এক মনে কম্পিউটার গেমস খেলছে সুতনু। একটা ভয়ঙ্কর লোককে দিয়ে গুলি ছোড়াচ্ছে এলোপাথাড়ি। লোকটার হাতে একটা একে ফর্টি সেভেন। 
6Months ago
কলকাতা
রাজ্য
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

গৃহ পরিবেশে হঠাৎ আসা চাপ থেকে মানসিক অস্থিরতা। ব্যবসা ভালো চলবে। অনুকূল আয় ভাগ্য।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৭৬ টাকা৮৪.৫০ টাকা
পাউন্ড১০৭.০০ টাকা ১১০.৫২ টাকা
ইউরো৮৯.৮৮ টাকা৯৩.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা