গল্পের পাতা

ইতিহাসের ব্রিগেড
কলহার মুখোপাধ্যায়

পরপর তিনবার চক্কর কাটল হেলিকপ্টার। তিনবারই ‘নেতা আসছেন, নেতা আসছেন’— বলে হল্লা করছে জনতা। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে বোঝা গেল, গোটাটাই ফল্স। নেতা জনসভায় পা রাখার আগে হাওয়া গরম করতে তিনবার ঘুরে গিয়েছে কপ্টার। কোথা থেকে কে জানে, নেতা কিন্তু এলেন সড়কপথে। চারচাকা গাড়িতে। বক্তৃতা-টক্তৃতা হল। ব্যালট পেপারের হিসেব কষতে কষতে নেতাবাবু ফিরে গেলেন। ‘কী ছিলেম, কী হইলেম’, ইত্যাদি ভাবতে ভাবতে বাড়ির পথ ধরল জনতাও। সন্ধে নামল। ব্রিগেড মুচকি হেসে পাশ ফিরে শুয়ে ভাবতে লাগল, আসছে ভোটে আবার হবে।  
‘ব্রিগেড মাঠে মিটিং ছিল ভাষণ দিবে নেতা/ সেই সুযোগে দেখে এলেম শহর কলকেতা।’ সাধনা সরগমের গানটা সেভাবে শোনা যায় না। তবে এক বিকেলে রেডিওতে হঠাৎ বাজল সেটি। এখন বিকেলবেলা আকাশে ময়ূরপঙ্খী রং। মুঠো মুঠো আলো আকাশে মাখিয়ে তারপর পাটে বসছে সূর্য। আশ্বিনের এ সময়টা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে খুব একটা ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় না। বৃষ্টির জলে সে তার ঘাসগুলোকে সজীব হওয়ার সময় দেয়। প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে থাকা প্রাচীন অশ্বত্থ, শিমুল, কৃষ্ণচূড়া, পলাশগুলিকে স্নান করিয়ে সতেজ রাখে। গাছগুলো একটানা শহরের বিষ খেয়ে খেয়ে প্রায় নীলকণ্ঠ। সেগুলিকে বর্ষা থেকেই বৃষ্টিতে স্নান করিয়ে সুঠাম রাখার চেষ্টা করে ব্রিগেড। ‘কলকাতার ফুসফুস’ বলা হয় ভারতের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা এই সবুজক্ষেত্রটিকে। যুগ যুগ ধরে এই কাজটি নিশ্চুপে করে চলে ব্রিগেড। আর বছরের কয়েকটি সময় নীরবতা ভেঙে সে সরব হয়। তখন তার গর্জন কলকাতা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে যায় গোটা ভারতে। কখনও কখনও বিশ্বও কেঁপে ওঠে সেই বজ্রনির্ঘোষে। ব্রিগেডের চরিত্র আসলে এখনকার আকাশের মতোই বর্ণময়। 
বেজিংয়ের তিয়েন আন মেন। লন্ডনের ট্রাফালগার স্কোয়্যার। বার্কশয়ারের গ্রিনহ্যাম কমন। কায়রোর তাহির স্কোয়্যার। এগুলি সমীহ জাগানো কয়েকটি জায়গার নাম। দুনিয়া নড়িয়ে দেওয়া বেশ কিছু রাজনৈতিক সমাবেশ এখানে হয়েছে, হবেও। এগুলির সঙ্গে একই পঙ্ক্তিতে উঠে আসে কলকাতার ব্রিগেডের নাম। রাজনীতির বহু দিকপাল পা রেখেছেন ব্রিগেডে। রাশিয়ার ক্রুশ্চেভ, বুলগানিন। বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান। চীনের চৌ এন লাই। জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, জয়প্রকাশ নারায়ণ, রাজীব গান্ধী, অটলবিহারী বাজপে঩য়ি, নরেন্দ্র মোদি, জ্যোতি বসু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই তালিকায় থাকা নামের সংখ্যা কম নয়।     
সিরাজ-উদ-দৌল্লাকে হারিয়ে ইংরেজরা দখলদারি মজবুত করতে মৌরসিপাট্টা গাড়ার সিদ্ধান্ত নিল। যেহেতু উপনিবেশ, তাই সেখানকার সবকিছুকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি জ্ঞান করতে বিন্দুমাত্র সঙ্কোচ ছিল না ব্রিটিশদের। কায়েমি স্বার্থের খাতিরে ভারতের জল-জঙ্গলের উপর তারা আগেই থাবা বসিয়েছিল। এবার কলকাতা গ্রামের গা লাগোয়া তৎকালীন গোবিন্দপুর এলাকায় জঙ্গল কেটে দুর্গ তৈরির কাজ শুরু করল তারা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত করতে ১৭৫৮ নাগাদ গোবিন্দপুরে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ তৈরির কাজ শুরু হল। তখন গোটা এলাকাটি ঘন জঙ্গলে ঢাকা। নির্বিচারে গাছ কেটে বন সাফ করে ফেলল গোরা সাহেবরা। বনাঞ্চল ধ্বংস করে কুচকাওয়াজের জন্য নেড়া সমতলক্ষেত্র তৈরি হল। জন্ম নিল ময়দান। তবে কালের বিধান, সেই ময়দানেই ইংরেজদের একপ্রকার মুখ ভেংচিয়ে স্বাধীনতার দাবিতে একের পর এক সভা করত নেটিভরা। কেল্লা থেকে তা দেখে নিশ্চয় দীর্ঘশ্বাস পড়ত লালমুখো সাহেবদের। তখন স্বাধীনতার দাবিতে গোটা দেশ উত্তাল। কলকাতা পুড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝে। ব্রিগেডে আগুনঝরা সব বক্তব্য রাখছেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। ব্রিটিশ রাজকে উৎখাত করতে গোটা ভারত তখন মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল ইংরেজদের বিরুদ্ধে। দেখে চোখ টাটালেও ব্রিটিশদের কিছু করার ছিল না। অবশেষে দেশ স্বাধীন হল। ১৯৪৯ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এলেন ব্রিগেডে। লক্ষ লক্ষ মানুষ সেদিন বিজয়োৎসব পালন করতে দল বেঁধে এসেছিলেন ব্রিগেডে। সুদূর ইংল্যান্ডে বসেও সম্ভবত বুক কেঁপে গিয়েছিল ইংরেজদের।
ইন্টেলেকচুয়াল পলিটিক্সে কলকাতা তথা বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। ব্রিগেড সেই পলিটিক্সের ধাত্রীভূমি। এর প্রায় ৫০ বছর পর এখানে আরও একবার মৃত্যুঘণ্টা বাজবে। সেই নিনাদে কেঁপে উঠবে বাংলা। একটা মহীরুহ খণ্ডবিখণ্ড হয়ে ছড়িয়ে পড়বে। আর সেই রাজনীতি একটা সময় ‘ইন্ডিয়া’র হয়ে দাঁড়িয়ে উঠে সকলের সঙ্গে মিলে আবারও একবার বিকল্প রাজনৈতিক দিকনির্দেশ করবে। সে প্রসঙ্গে ঢোকার আগে পুরনো লাল হয়ে যাওয়া খবরের কাগজগুলোর উপর একবার চোখ বোলানো যাক। স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর বারবার ব্রিগেডে এসেছেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। তবে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল ১৯৫৫।  ভারতে এলেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান নিকোলাই বুলগানিন, কমিউনিস্ট পার্টির মাথা নিকিতা ক্রুশ্চেভ। তাঁদের সম্মান জানাতে ব্রিগেড ময়দানকে বেছে নিয়েছিলেন নেহরু। সভায় ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়। আন্তর্জাতিক নেতাদের দেখতে কলকাতা ভেঙে পড়ল ময়দানে। অনেক পরে জানা যায়, রাশিয়ার আমজনতা নাকি কলকাতার স্বতঃস্ফূর্ততার খবর শুনে চমকে গিয়েছিল। গোটা বিশ্বের সঙ্গে সেদিন হ্যান্ড শেক করে নিজের পরিচয় জানান দিয়েছিল ব্রিগেড। তারপর ঠিক পরের বছর ব্রিগেড আবার শিরোনামে।
১৯৫৬ সালে চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই এলেন ব্রিগেডে। স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর সদ্য হাঁটতে শেখা একটি দেশ বিশ্বের দরজায় তখন কড়া নাড়া শুরু করেছে। বিদেশি রাষ্ট্রনায়করা আসছেন। দেখছেন। মূল্যবান মতামত রাখছেন। ঐতিহাসিক সেসব সভা ব্রিগেডকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে। পরাধীনতার দড়ি ছিঁড়ে বেরিয়ে এসে আন্তর্জাতিক আধুনিকতার পাঠ নিচ্ছে দেশ। পথ দেখাচ্ছে ব্রিগেড। নড়বড় করতে থাকা পা ক্রমশ শক্ত হচ্ছে, স্বাবলম্বী হচ্ছে দেশ। গোটা বিষয়টা কাছ থেকে দেখছে ব্রিগেড। তার চারপাশটাও তখন বদলে বদলে যাচ্ছে। সে এখন দেশের সেনার অধীনে। তার মাঠে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত কামান কতশত ঘটনার সাক্ষী। জন্মের প্রায় ২০০ বছর পর মাঠের চারপাশ ঘিরে চওড়া চওড়া রাজপথ তৈরি হল। দেখল সে। দেখল পেল্লাই সব বাড়ি তৈরি হচ্ছে। মাঠের গাছগুলির মাথা ছাড়িয়ে সে বাড়ি আকাশ ছুঁল। কলকাতার স্কাইলাইন পাল্টাতে লাগল ব্রিগেডের চোখের সামনে। ধর্মতলাকে চৌরঙ্গি বলে চিনত সে। সেটা বদলে গেল দ্রুত। অফিস পাড়া তৈরি হল। দেখল দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজ তৈরি হওয়া। স্রোতস্বিনী গঙ্গাকে শীর্ণ হতেও দেখল চোখের সামনে। ভিক্টোরিয়ার পরির সঙ্গে মিত্রতা ব্রিগেডের। সেই পরিও একদিন ঘোরা বন্ধ করে দিল। এই বিশ্রামকালে এসব কথাই ভাবে ব্রিগেড। তবুও এসময় প্যাচপ্যাচে কাদা উপেক্ষা করে রাজনৈতিক সমাবেশ হয় দু-একটা। তখন একবার আড়মোড়া ভেঙে গা ঝাড়া দিয়ে তৈরি হয়ে নেয়। ডান হাতে গঙ্গাকে রেখে সোজা তাকালে ভিক্টোরিয়া। বাঁ হাতে ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম। উল্টোদিকে রেস কোর্স। আর পিছনে দোসর শহিদ মিনার। সেটির গাঁ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে রাজভবন। ক্রিকেট স্টেডিয়াম ইডেন গার্ডেন্স। বৃষ্টির জলে ভিজতে ভিজতে একবার মাথা তুলে সবকিছু জরিপ করে নেয় ব্রিগেড। তা করতে করতে কখনও কখনও মন যায় ফ্ল্যাশব্যাকে।
নেহরু প্রয়াত হলেন। কিছুদিন রাজনৈতিক ডামাডোল চলল। তারপর ক্ষমতায় এলেন ইন্দিরা গান্ধী। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বছরেই ১৯৬৬ সালে ব্রিগেডে জনসভা করলেন ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। কংগ্রেস সমর্থকরা সেদিন মাঠ ভরিয়ে দিয়েছিলেন। তাছাড়াও প্রচুর মানুষ এসেছিলেন শুধুমাত্র ইন্দিরাকে দেখবেন বলে। ততদিনে কংগ্রেস বিরোধিতা মাথাচাড়া দিতে শুরু করে দিয়েছে দেশে।  ১৯৬৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হল যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা। তবে অচিরেই তা ভেঙে যায়। পরিবর্তে প্রফুল্ল ঘোষের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা তৈরি হয়। প্রতিবাদ জানাল যুক্তফ্রন্ট। ব্রিগেডে সভা করল ফ্রন্ট নেতৃত্ব। সেখানে পুলিসের সঙ্গে গণ্ডগোল। রণক্ষেত্রের রূপ নিল ব্রিগেড।  ইংরেজ আমলের পর ফের রক্ত ঝড়ল সবুজ ঘাসে। সে লড়াই চলতে থাকল পুরোদমে। তারপর ১৯৬৯ সালে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরল যুক্তফ্রন্ট। ব্রিগেডে ফের হল সভা। অধিকাংশ বাম নেতা নিজেদের মধ্যেকার ফ্র্যাকশন উড়িয়ে সভায় এলেন। জয় উদযাপন করলেন। ব্রিগেড এরপর আরও বড় সভার প্রস্তুতি শুরু করে দিল নিজের মতো করে। 
একাত্তরের উত্তাল মুক্তিযুদ্ধ নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। ভারত সেই আঁচ থেকে গা বাঁচিয়ে চলেনি। সর্বান্তকরণে সমর্থন দিল। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানের কুশাসনের নাগপাশ ছিঁড়ে বেরিয়ে এল বাংলাদেশ। মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিল ভারত। একাত্তরের যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ তৈরি হল। তারপর ব্রিগেডে একদিন পা রাখলেন মুজিব। ১৯৭২ সালে সেই ব্রিগেডে শুধুই কালো মাথা। লাখো লাখো মানুষ এসেছিলেন বাঙালিদের স্বাধীনতা উদযাপনে। সেদিন ব্রিগেড বুক পেতে স্বাগত জানিয়েছিল বাংলাদেশকে। শেখ মুজিবও বুকে জড়িয়ে নিয়েছিলেন কলকাতাকে। তারপর এল ১৯৭৫। ব্রিগেডে এলেন জে পি। জনতা দলের দিকপাল নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণ। যিনি জে পি নামেই বেশি পরিচিত। তারপর আবার এলেন ১৯৭৭ সালে। ইন্দিরা সরকারের জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে জনসভা করলেন। এই আন্দোলন ভারতের রাজনীতিকে ঝাঁকিয়ে দিয়েছিল। সর্বভারতীয় রাজনীতিতে একে একে উঠে আসতে শুরু করলেন অন্যান্য দলের নেতারা। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব পড়ল দেশের অন্যান্য প্রান্তে। সেই ঝড়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছিল বামেরা।
কংগ্রেসের সিদ্ধার্থশংকর রায় তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভা ভোটের আগে জ্যোতি বসুর নেতৃত্বে ব্রিগেডে সমাবেশ হল। ভোটের পর ক্ষমতায় এলেন জ্যোতি বসুরা। তারপর টানা ৩৪ বছর ক্ষমতায় থেকে গেল বামফ্রন্ট। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাকাপাকিভাবে বাম শাসনের অবসান ঘটানোর আগে ১৯৯২ সালে ‘মৃত্যুঘণ্টা’ বাজিয়ে ছিলেন ব্রিগেডে। এর আগেই অবশ্য অরাজনৈতিক সমাবেশে ব্রিগেডে আসেন ভ্যাটিকান সিটির পোপ দ্বিতীয় জন পল। ১৯৯০ সালে ব্রিগেডে সভা করে বিজেপি। লালকৃষ্ণ আদবানি, অটলবিহারী বাজপেয়িরা এসেছিলেন। তার আগে অবশ্য ’৮৮ সালেও ব্রিগেডে এসেছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ি। সেবার বিরোধী কনক্লেভ নামে ডাকা সভায় যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বনাথপ্রতাপ সিং, জ্যোতি বসু, অটলবিহারী বাজপেয়ি। সকলে হাত তুলে স্লোগান দিয়েছিলেন, ‘রাজীব হঠাও’। 
তারপর ১৯৯২ সালে ব্রিগেডে ‘বামফ্রন্টের মৃত্যুঘণ্টা’ বাজালেন মমতা বন্দ্যোপাধায়। যুব কংগ্রেসের ডাকা সেই সভার নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের তৎকালীন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশাল আকারের একটি নকল ঘণ্টা ছিল। বাম শাসনের অবসান ঘোষণা করে সেদিন ঘণ্টাধ্বনি হয়েছিল ব্রিগেডে। তবে, তার চার দিনের মাথায় পাল্টা সভা ডেকে শক্তি প্রদর্শন করে বামেরা। বক্তা ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। সে দিন রেকর্ড জমায়েত হয়েছিল বলে এখনও দাবি করে বামেরা। তার প্রায় দেড় দশক পর বাস্তবিকই বাম শাসনের বিদায় ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারে আসে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবার ক্ষমতায় আসা তৃণমূল সভা ডাকে। তার আগে ২০০৬ সালে বামেদের ডাকা ব্রিগেডে শেষবারের জন্য এসেছিলেন জ্যোতি বসু। এই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড ২০১৯ সালে ইন্ডিয়া ইউনাইটেড র্যা লির সাক্ষী। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিকে উৎখাত করতে ২০টি বিরোধী দলকে একত্র করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন এসেছিলেন শরদ পাওয়ার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ফারুক আবদুল্লা, মল্লিকার্জুন খাড়্গে সহ এক ঝাঁক নেতা। ২০১৯-এ লোকসভা ভোটের আগে ব্রিগেডে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। 
এরপর আবার, ব্রিগেডে মিটিং হবে রাস্তায় যানজট/ ব্রিগেডে মিটিং শেষ ফুরায় না সংকট/ ব্রিগেডে মিটিং হবে অনেক উঁচুতে মাচা/ ব্রিগেডে মিটিং শেষ বড্ড নিচুতে বাঁচা/ ব্রিগেডে মিটিং হবে মানুষ উত্তেজিত/ কী করে বাঁচবে লোকে/ কেউ যদি বলে দিত...
10Months ago
কলকাতা
রাজ্য
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

গুরুজনের থেকে অর্থকড়ি লাভ হতে পারে। স্বার্থান্বেষী আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দূরত্ব রেখে চলুন। মনে চাঞ্চল্য।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮৩.২৩ টাকা৮৪.৩২ টাকা
পাউন্ড১০৬.৮৮ টাকা১০৯.৫৬ টাকা
ইউরো৯০.০২ টাকা৯২.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা