Bartaman Patrika
 

তারাদের ধনতেরস
শৌণক সুর

ধনতেরস উৎসব মূলত অবাঙালিদের মধ্যে প্রচলিত হলেও বর্তমানে বাঙালির জীবনের সঙ্গেও এই উৎসব জড়িয়ে গিয়েছে। এই বিশেষ দিনে অনেকেই সোনা-রুপোর অলঙ্কার, সামগ্রী কেনেন। তবে রীতি অনুযায়ী এই দিনে যে কোনও ধাতুর তৈরি সামগ্রী কেনাই শুভ বলে মনে করা হয়। এখন গয়নার দাম আকাশছোঁয়া। তাই সাধ এবং সাধ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে অনেকেই কাঁসা, পিতল এমনকী স্টিলের সামগ্রীও কিনে থাকেন। কিন্তু এ তো গেল আমার-আপনার মতো সাধারণ লোকের কথা। টলিউডের সেলেবরা এদিন কী ভাবে পালন করেন, কী সামগ্রী তাঁরা কেনেন আসুন জেনেনি তাঁদের কাছ থেকেই।

ইন্দ্রাণী হালদার: ধনতেরসে যে কোনও রকম ধাতু কেনাই শুভ বলে মনে করা হয়। আগে না হলেও ধীরে ধীরে এখন এই উৎসবে বাঙালিরাও শামিল হয়েছে। এদিন আমার বাড়িতে অন্যান্য দিনের মতোই লক্ষ্মী-গণেশের পুজো হয়। রীতি মেনে ধনতেরসের দিন যে যেরকম পারে ধাতুর তৈরি সামগ্রী কেনে। অবশ্যই সামর্থ অনুযায়ী। আমি বছরে দু’বার সোনা কিনি। রথের আগে এবং ধনতেরসে। বিশেষ একটি তিথিতে কিনলে এর কিছু শুভ ফল পাওয়া যায় বলেই শুনেছি। আজও কিছু একটা কেনার ইচ্ছে আছে। নিজের জন্য এবং আমার বাড়ির জগন্নাথ দেবের জন্য কিনব। এবারে একটা বিশেষ ইচ্ছা আছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে গণেশ মূর্তির একটি সোনার লকেট পরি। এবারে সেটা পরিবর্তন করব বলে ভাবনাচিন্তা করছি। তবে নতুন লকেটটাও কিন্তু গণেশেরই কিনব।

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়: দেখুন, আমি খুবই বাস্তববাদী। তাই এক লাইনেই বলছি- সোনার ভরি প্রায় ৪০ হাজার টাকার কাছাকাছি। তাই এবারের ধনতেরসে কিছুই কিনব না। পরিচিতরা যদি কেউ কিছু কেনে সেটা দেখে শুধুমাত্র হাততালি দেব। ওইদিন বাড়িতে লক্ষ্মী ঠাকুরের পুজো রয়েছে। ভীষণ আনন্দ করব। কালীপুজো-দেওয়ালি এবার একদিনে পড়েছে। প্রচুর বাজি পোড়াব। কিন্তু সোনার কিছুই কেনা এবারে সম্ভব হবে না। তবে ধনতেরসে ধাতুর কোনও কিছু কেনা যেতেই পারে। এখন তো সবাই বলছে ননস্টিক ছেড়ে দিয়ে স্টিলের বাসন ব্যবহার করতে। তাই এবারের ধনতেরসে ইচ্ছে আছে কিছু স্টিলের থালা কেনার।

পল্লবী চট্টোপাধ্যায়: ধনতেরসে অনেকেই গয়না কেনেন। তবে আমার সেরকম কোনও ব্যাপার নেই। আমি এই দিনে পুজোর বাসন কিনি। প্রতিবারের মতো এই বছরেও বাড়ির ঠাকুরের পুজোর জন্য রুপোর বাসনই কিনব। রুপোর প্রদীপও কিনতে পারি। তবে কী কিনব এখনও ঠিক করে উঠতে পারিনি। নিজের জন্য একটা গোল্ড কয়েন কিনব ঠিক করেছি। ধনতেরসের দিন আমার বাড়িতে আলাদা করে কোনও পুজো হয় না। কিন্তু এদিন গোটা বাড়ি প্রদীপ এবং আলো দিয়ে সুন্দর করে সাজাই। বাড়িতে নিত্যদিনের মতোই পুজো হয়। এদিন লক্ষ্মী-গণেশের পুজো করি। প্রার্থনা করি, সকলকে যাতে ঈশ্বর ভালোভাবে রাখেন।

চৈতী ঘোষাল: ধনতেরস বাঙালিদের উৎসব না হলেও এখন এটা আমরা বাঙালিরা আপন করে নিয়েছি। এদিন ঐশ্বর্যের ধনদেবী লক্ষ্মী আমাদের আশীর্বাদ করেন। ছায়ালোকের পথে বিলীন হয়ে যাওয়া পূর্বপুরুষরাও আমাদের আশীর্বাদ করেন। ধনতেরসে মূলত ধনদেবীকে সন্তুষ্ট করার জন্যই সোনা কেনার প্রচলন রয়েছে। কিন্তু এই উৎসবের লক্ষ্য শুধুমাত্র সোনা বা কোনও প্রকার ধাতু কেনা নয়। এর নেপথ্যে পুজোর একটা ব্যাপারও রয়েছে। এদিন আমার বাড়িতে পুজো না হলেও প্রচুর অবাঙালি বন্ধুদের বাড়িতে ধুমধাম করে এই দিনটিকে পালন করা হয়। ধনতেরসে আমি মূলত সোনার গিনি কেনাই পছন্দ করি। পরবর্তীকালে সেগুলি দিয়ে সুন্দর সুন্দর গয়না করা যায়। এবার অবশ্য কী কিনব ভাবিনি। আমাদের বাড়িতে খুব বড় করে লক্ষ্মী পুজো হল। সামনে কালীপুজো আসছে। বন্ধু-বান্ধবদের বাড়িতে আমন্ত্রণও রয়েছে। সবাই মিলে প্রচুর বাজি পোড়াব। তাই এখনও ঠিক করেই উঠতে পারিনি ধনতেরসে কী কিনব। তবে যদি কিছু কিনি আমি সোনার কয়েনই কিনব।

সোনালি চৌধুরী: বাঙালিরা সব উৎসবকেই আপন করে নিতে জানে। তাই ধনতেরসেও আমরা পিছিয়ে নেই। গত সাত-আট বছর ধরে বাঙালিরাও এই দিনটি ব্যাপকভাবে সেলিব্রেট করেন। ধন ও ঐশ্বর্যের দেবতা কুবেরকে তুষ্ট করার জন্য সবাই সোনা কেনে। কিন্তু কেনা উচিত রুপো। আমি প্রতিবারই রুপোর কয়েন কিনি। কালীপুজোর দিন সেই কয়েনটিকে পুজো করাই। আমরা এদেশী। ফলে আগে আমাদের বাড়িতে কালীপুজোর দিনই লক্ষ্মীপুজো করা হত। যদিও এখন আমাদের বাড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোই হয়। কিন্তু বাবার মুখে শুনেছি, আগে আমাদের বাড়িতে কালীপুজোর দিনই লক্ষ্মীপুজো করা হত। সেই প্রথা অনুযায়ী কালীপুজোর দিনই রুপোর কয়েনটির পুজো করাই। তবে এই সময় বিভিন্ন সোনার দোকানে আকর্ষণীয় অফার থাকে। আমি আবার হাল ফ্যাশনের লাইট ওয়েট বা ফ্যান্সি গয়না পছন্দ করি না। বরং ট্র্যাডিশনাল গয়নাই আমার পছন্দ। এটা কিছুটা পুজোয় শাড়ি কেনার মতো। সারাবছর জিন্স-টপ পরি। কিন্তু পুজোর সময় শাড়ি মাস্ট। তেমনই সোনা কেনার ক্ষেত্রেও আমি ট্র্যাডিশনাল গয়নাই কিনি। এককথায় বলতে গেলে আমি একটু ভারী গয়না পরতে পছন্দ করি। কানের দুলের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই এবারে হয়তো আমি একটা কানবালা কিনব।
25th  October, 2019
ধনতেরসের সাতকাহন
কৌশিক বসু

 আমাদের কিশোরবেলায় সিনেমার সৌজন্যে হঠাৎ করেই বাঙালির ঘরে ঘরে রমরমিয়ে শুরু হয়েছিল সন্তোষী মায়ের পুজো। বাঙালির ঠাকুরঘরে প্রতি শুক্রবারে বাড়ির মেয়ে বউরা তো বটেই কখনও কখনও পুরুষরাও আকাঙ্ক্ষা পূরণের আশায় নিষ্ঠাভরে আরাধনা করত সন্তোষী মায়ের। এখন সেই ভক্তিতে কিছুটা ভাটার টান।
বিশদ

25th  October, 2019
কেন কিনবেন সোনা?
বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী

  উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই আগুন লেগেছিল সোনার দামে। এখন অবশ্য তাতে খানিকটা জল পড়েছে। কিন্তু দাম যে কমের দিকে, তা হলফ করে বলা যায় না। তবু সোনা কেনায় অরুচি নেই সাধারণ মানুষের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দাম দেখে দমে না যাওয়াই ভালো। বরং সোনা কিনুন বেশি করে।
বিশদ

25th  October, 2019
 ছিন্নমস্তা মায়ের জন্য আসে বন্দিদের গাঁথা মালা

  বিষ্ণুপুরে জেলের বন্দিদের গাঁথা টগরের মালা ৪০বছর ধরে রোজ ছিন্নমস্তা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরে আসে। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা সব ঋতুতে রোজ নিয়ম করে মালা পৌঁছে যায় বিষ্ণুপুরের অন্যতম জাগ্রত ওই মন্দিরে। পুরোহিতরাও রোজকার নিয়মের অভ্যাসে বন্দিদের গাঁথা মালা আসার অপেক্ষায় থাকেন। বিশদ

25th  October, 2019
 রুপোলি পর্দায় গয়না কথা

 ‘... মণিমালিকা সমস্ত রাত ধরিয়া একটি একটি করিয়া তাহার সমস্ত গহনা সর্বাঙ্গ ভরিয়া পরিয়াছে। মাথা হইতে পা পর্যন্ত আর স্থান ছিল না। বাক্সে করিয়া গহনা লইলে সে বাক্স হাতছাড়া হইয়া যাইতে পারে, এ আশঙ্কা তাহার ছিল। কিন্তু গায়ে পরিয়া গেলে তাহাকে না বধ করিয়া সে গহনা কেহ লইতে পারিবে না।... গহনার ঝমঝম শব্দ শোনা গেল।
বিশদ

25th  October, 2019
 ধনতেরসে কিনুন গোল্ড বন্ড

 প্রতি অর্থবর্ষে একজন ব্যক্তি ন্যূনতম ১ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ৪ কেজি পর্যন্ত মূল্যের বন্ড কিনতে পারবেন। প্রতিষ্ঠান অথবা ট্রাস্টের ক্ষেত্রে কেনার সর্বোচ্চ সীমা হল ২০ কেজি প্রতি বছর। কোনও ব্যক্তি এককভাবে, অথবা অন্য কারও সঙ্গে যৌথভাবে বন্ডটি কিনতে পারেন। তবে ‘জয়েন্টলি’ বা যৌথভাবে কিনলেও প্রথম ক্রেতার নামেই সর্বোচ্চ ৪ কেজি সোনার মূল্যের বন্ড ইস্যু হবে। যদিও পরিবারের সব প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নামেই এভাবে ৪ কেজি মূল্যের বন্ড কেনা যেতে পারে। বিশদ

25th  October, 2019
 পূর্বস্থলীর হাড়িবাড়ির পুজোয় থোড়ের নৈবেদ্য

  নয় পুরুষের নিয়ম মেনে আজও পূর্বস্থলী থানার নিমদহের হাড়িবাড়ির কালীপুজোয় থোড়ের নৈবেদ্য দেওয়া হয়। মানত পুরণে ভক্তরা অসংখ্য পাঁঠা বলি দেন। ২০০ বছরের এই পারিবারিক পুজো বর্তমানে সর্বজনীনের রূপ পেয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এই মা কালীর পুজো দেখতে দূর-দূরান্তের ভক্তরা আসেন।
বিশদ

25th  October, 2019
নিবেদিতার কালী
গুঞ্জন ঘোষ

  ১৮৯৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের বিদেশিনী শিষ্যা সিস্টার নিবেদিতা মা কালীকে নিয়ে বক্তৃতা দেবেন। ঘটনাটি ঘটবে কলকাতার অ্যালবার্ট হলে বাংলা ইংরেজি সংবাদপত্রে প্রকাশিত এই খবরে শহরে বেশ একটা সাড়া পড়ে গেল। এক বিদেশিনী হিন্দুদের প্রধান দেবীর সম্বন্ধে কী বলেন সেই কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ল সাধারণের মধ্যে।
বিশদ

25th  October, 2019
 মায়ের স্বপ্নাদেশেই শেরশাহের
আমলে পুজো শুরু

 ১৫৪০ সাল। গ্র্যান্ড ট্যাঙ্ক রোড এবং রাজস্ব সংক্রান্ত ব্যাপারে কাজকর্ম দেখাশোনা করার জন্য শেরশাহের নির্দেশে ভূ-কৈলাসের রাজবংশধর স্বর্গীয় দিগম্বর ঘোষাল কংস নদী পথে প্রায়ই আসতেন। একদিন তিনি নদীর ধারেই রাত্রিবাস করেন। তখন মা সিদ্ধেশ্বরী তাঁকে স্বপ্নাদেশ দিয়েছিলেন পুজো করার জন্য। মন্দির তৈরি করতেও বলেন। তিনি বিষয়টি শেরশাহকেও জানান। শেরশাহ নাকি তখন পাঁচশো বিঘা জমিদান করেন। তারপরই জামালপুরের কোলসড়া গ্রামে সিদ্ধেশ্বরী কালীর পুজো শুরু হয়।
বিশদ

25th  October, 2019
 ১০০ ভরি সোনার গয়নায়
সেজে উঠবে নাদনঘাটের মা

নাদনঘাটের সিংহরায় পরিবারের কালীপুজোর রাতে মাকে ১০০ ভরি গয়না পরানো হয়। ১৭২ বছরের প্রাচীন এই পুজো ঘিরে স্থানীয়দের উন্মাদনা তুঙ্গে। কথিত আছে, তৎকালীন জমিদারি সামলাতেন কালীপ্রসন্ন সিংহরায় ও তাঁর ভাই ভূষণচন্দ্র সিংহরায়। ভূষণবাবু ছিলেন নিঃসন্তান। বিশদ

25th  October, 2019

Pages: 12345

একনজরে
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আগেই করোনাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বালুরঘাট শহরের বাইকের একটি শোরুমের এক কর্মী। এবার সেই শোরুমের আরও এক কর্মী এবং সেখানে আসা এক ক্রেতার করোনা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

বার্সেলোনা: খেতাবের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েও লড়াই জারি বার্সেলোনার। বুধবার ক্যাম্প ন্যু’য়ে লুই সুয়ারেজের করা একমাত্র গোলে কাতালন ডার্বিতে এস্প্যানিয়লকে পরাস্ত করল কিকে সেতিয়েন-ব্রিগেড। এই জয়ের ...

 জীবানন্দ বসু, কলকাতা: গত এক বছরে দেশের কম আয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ইএসআই কর্পোরেশন। এর আয় ৫ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোন জেলায় কত কন্টেইনমেন্ট জোন? জানুন...
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে রাজ্যের ...বিশদ

07:58:00 AM

উল্টে গেল গাড়ি, পালানোর চেষ্টায় গুরুতর জখম বিকাশ দুবে
নাটকীয় ঘটনা। যেন কোনও বলিউডি ছবির চিত্রনাট্য। ডনকে ...বিশদ

07:50:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,১৯৪৯- ...বিশদ

07:50:00 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। বৃষ: শরীর-স্বাস্থ্যে দ্রুত আরোগ্য। মিথুন: একাধিক উপায়ে ...বিশদ

07:45:00 AM

করোনা সংক্রান্ত জরুরি ফোন নম্বর ও ওয়েবসাইট
 রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর-www.wbhealth.gov.in কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক-www.mohfw.nic.in ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ...বিশদ

07:40:00 AM

কাল রাত ১০টা থেকে ১৩ জুলাই ভোর ৫টা পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশে সম্পূর্ণ লকডাউন 

09-07-2020 - 09:30:26 PM