Bartaman Patrika
ভ্রমণ
 

লাটপাঞ্চারে দেখা হতে পারে রেড পাণ্ডার সঙ্গে 

অজন্তা সিনহা: প্রথম একা একা বেড়াতে যাওয়া এবং এক অনামি পাহাড়ি গ্রামে। প্রায় দু’দশক আগে এক বাঙালি মধ্যবিত্ত মহিলার পক্ষে ব্যাপারটা যথেষ্ট দুঃসাহসিক ছিল বলাই বাহুল্য। মনে পড়ছে ট্রেনের কথা। কামরায় একটি বড় পরিবার ছিল। পরিবারের মহিলাদের একজন তো অবাক হয়ে জিজ্ঞেসই করে ফেললেন, ‘আপনার স্বামী আপনারে একা ছাইড়া দিল?’ খুব মজা পেয়েছিলাম। এরপর তো বহুবারই বেরিয়ে পড়েছি একা একা। কিন্তু প্রথম একা যাওয়ার ব্যাপারটাই আলাদা। পূর্ণ স্বাধীনতা লাভের মতোই একটা অনুভূতি। বিশেষ করে এই কারণেই বোধহয় বহু বছর আগে গেলেও লাটপাঞ্চার আমার স্মৃতিতে আজও অম্লান।
অফিসের এক সহকর্মীর কাছে হদিশ মেলে জায়গাটির। শুরু থেকেই ঠিক করেছিলাম কোনও চেনা জায়গা নয়। বড্ড লোকের ভিড়। খুঁজে পাওয়া গেল লাটপাঞ্চার। নাকি লাটসাহেবের গাড়ি এখানে এসেই পাঞ্চার হয়ে গিয়েছিল, তাই এমন নামকরণ। সত্যি জানার উপায় নেই। অত উঁচুতে লাটসাহেব আদৌ গিয়েছেন কিনা, তা ঈশ্বর ছাড়া কেউ জানেন না। উত্তরবঙ্গের নানা পাহাড়ি গ্রামে ঘোরার সুবাদে আজব-গজব সব নাম পেয়েছি। কোনও নামের অর্থ জানা গিয়েছে, কোনওটা যায়নি। সে হোক, লাটসাহেব না এলেও সাহেবদের এখানে আসা-যাওয়া ছিল। মূল্যবান সিঙ্কোনা চাষের জন্য বিখ্যাত এই অঞ্চলের অনেকটাই ছিল একদা ব্রিটিশের অধীন।
সেসব বৃত্তান্ত পরে। আগে শুরুর কথা। সারাদিন অফিস করে রাতের ট্রেনে আধো ঘুম আধো জাগরণে কাটিয়ে যখন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছলাম তখন সবে অন্ধকার কাটছে। একেবারে অচেনা সব। যাই হোক, সেই সহকর্মীর পরামর্শ মেনে একটা রিকশ করে স্টেশনের কাছের এক টেলিফোন বুথে এলাম। মোবাইল ফোন তখন কোথায়? বুথ থেকে গাড়ির মালিককে ফোন করি। সে বেচারা সম্ভবত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তখনও। শিলিগুড়ি শহরের ঘুম একটু দেরিতেই ভাঙে। গাড়ি কলকাতা থেকেই রিজার্ভ করা ছিল। যাই হোক ঘণ্টাখানেক অপেক্ষার পর একটি সাদা মারুতি ভ্যান এল আমার বাহন হয়ে। ড্রাইভার এক নেপালি তরুণ।
স্টেশন চত্বর ছাড়িয়ে, শিলিগুড়ি শহর পার হয়ে সেবক। সেই প্রথম তিস্তার সঙ্গে দেখা। সে যে কী মোহাবিষ্ট এক অবস্থা ! ততক্ষণে সূর্য আকাশ জুড়ে বিরাজমান। শরতের পেঁজা-তুলো মেঘ পুজোর আবেশ ছড়িয়ে দিয়েছে দিকদিগন্তে। সেবক রোড , তারপর মহানন্দা রেঞ্জ। দুপাশে জঙ্গল ফেলে সোজা চলে গিয়েছে পিচ রাস্তা। তারপরই তিস্তা। কিছুক্ষণ যাওয়ার পর কালিঝোরা। এখান থেকেই গাড়ি বাঁদিকের কিছুটা কাঁচাপাকা এক পাথুরে রাস্তা ধরল। এখন শুধুই চড়াই। পাহাড় বেষ্টন করে রাস্তা উঠেছে। সেই রাস্তা ধরেই গাড়িও উঠছে উপরে। যতই উঠুক তিস্তা রয়েছে দৃষ্টিপথে। সে যাত্রা রোমাঞ্চকর, আবার বিপজ্জনকও বটে। কোথাও কোথাও রাস্তা একেবারে খাড়া। কোথাও বা এত সরু যে একচুল এদিক ওদিক হলেই সোজা খাদে। এটা ঠিক এই সব অনির্বচনীয়তার জন্যই তো পাহাড়ে আসা। নেপালি ড্রাইভার গান শুনতে শুনতে অতি দক্ষতায় চড়াই চড়িয়ে শেষে পৌঁছে দিল হোম স্টে-র দরজায়। হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন এক নেপালি ভদ্রলোক। এদিক ওদিক থেকে কিছু কৌতূহলী মুখ। সেইসব পেরিয়ে ভিতরে ঢুকি।
লাটপাঞ্চারে তখন একটাই থাকার জায়গা। বেশ সমৃদ্ধ এক নেপালি পরিবার। বাড়ির নীচতলায় নিজেরা থাকেন। ওপরের তিনটি ঘর অতিথির জন্য নির্দিষ্ট। তারই একটিতে আমার থাকার ব্যবস্থা। ঝটপট স্নান করে ফ্রেশ হই। ঘরের একপাশের বিশাল কাচের জানালা খুলে দিতেই পুরো প্রকৃতি যেন ঘরের ভিতর চলে এল। যতদূর চোখ যায়, শুধুই পাহাড়। ওপরে নীল আকাশ। মেঘের দল নেমে এসেছে পাহাড়ের কোলে। সে এক অপূর্ব দৃশ্যকাব্য ! সম্বিত ফেরে এক মহিলার ডাকে। জানান, লাঞ্চ রেডি।
মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারির অন্তর্গত লাটপাঞ্চার। উচ্চতা ৪ হাজার ২০০ ফুট। কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন মেলে। কাছাকাছি ঘন জঙ্গল। প্রায় ৩৬ প্রজাতির পশু আছে এখানে। হরিণ, বার্কিং ডিয়ার, ব্ল্যাক ডিয়ার, বানর, লেপার্ড আছে শুনলাম। মাঝে মাঝে হাতিরাও অনেকটা উঠে আসে। আর আছে রেড পাণ্ডা। তার দুর্লভ দর্শন সে যাত্রায় ভাগ্যে ঘটেছিল। বাকি কারও দেখা মেলেনি। হোম স্টে-র মালিক বললেন লেপার্ড মশাইয়ের দেখা না পাওয়াই ভালো। ছাগল, বাছুরদের সুযোগ পেলেই আক্রমণ করে। মানুষকে কি আর রেয়াত করবে? ফুলের বাহার দেখবার মতো। প্রায় সবার বাড়ির সামনেই বাগান রয়েছে। জঙ্গলে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। সেখানে পাখিদের রীতিমতো মিটিং হয় দেখলাম। প্রায় ২৪০ প্রজাতির পাখি আছে এখানে, অনেকেই বেশ বিরল তাদের মধ্যে। হোম স্টে থেকে এক-দু পা এগোলেই জঙ্গল। দিনের বেলাতেও সেখানে অন্ধকার, এতটাই ঘন গাছগাছালি। বাড়ির সামনে ফুলের বাগানে প্রজাপতির ওড়াউড়ি। ভয়ডর নেই, নিশ্চিন্তেই আছে তারা।
জঙ্গল লাগোয়া এই ছোট্ট গ্রামে অল্প কয়েকঘর লোকের বসবাস। বেশির ভাগই সিঙ্কোনা চাষের সঙ্গে যুক্ত। দুই-একজন পুলিস বা আর্মিতে। কারও কারও বাড়িতে নার্সারি আছে। জমিও আছে অল্পস্বল্প। দিন গুজরান হয়ে যায় কোনওমতে। অভাব আছে , কিন্তু অভিযোগ নেই। ঘুম ভাঙতেই নারী-পুরুষ কাজে লেগে পড়েন। ঝাড়পোছে ঝকঝকে করে তোলেন পুরো গ্রামটাই। প্রথম দিনেই গ্রামের বাচ্চাকাচ্চা চলে এল আমার সঙ্গে আলাপ করতে। তারপর থেকে যে ক’দিন ছিলাম সঙ্গ ছাড়েনি ওরা আমার। সকাল-বিকেল পায়ে হেঁটে ওদের সঙ্গেই ঘুরে বেড়িয়েছি গ্রাম আর জঙ্গলের পথে। ঘুরতে ঘুরতেই জেনেছি কিছুটা নীচে জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত সাহেবি আমলের বাংলোর কথা। সেই ১৯০০ সালে সিঙ্কোনা চাষের সূত্রে সাহেবরা এখানে থাকতেন। এখন রাজ্য বন উন্নয়ন নিগমের অধীনে অতিথিশালা। গ্রাম থেকে অনেকটা উঁচুতে সিঙ্কোনা চাষের খেত। শুনলাম দুর্গাপুজো হচ্ছে ওখানেই। অত উঁচুতে ওঠার উপায় নেই। বাচ্চাপার্টি প্রসাদ এনে খাওয়ায়। পরম আদরে রোজ সকালে পুজোর পর কপালে টিকা লাগিয়ে দিয়ে যায়। টেনে নিয়ে যায় নিজেদের ঘরে। কী সুন্দর যে ওদের জীবনযাপন। কী গুণী মানুষজন। বিত্তের অভাব ওদের সৌন্দর্যবোধকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারেনি।
প্রায় ১৪০০ একর জমি জুড়ে সিঙ্কোনা চাষ, সঙ্গে বেশ কয়েকটি কারখানাও আছে। ঘুরে দেখতে ভালোই লাগে। এছাড়া গ্রামের ভিতর থেকেই পথ গিয়েছে জঙ্গলে। একটু দূরে অহল দারা ভিউ পয়েন্ট। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন এক অতুলনীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে। এখান থেকে তিস্তাও বড় অপরূপ। থাকার জন্য কিছু কটেজ হয়েছে এখন । কাছাকাছি নামথিং লেক, যার পাশে ঘন হয়ে আছে পাইন বন। যেন পটে আঁকা ছবি। বিরল হিমালয়ান সালমন্দরের দেখা পাবেন নামথিং পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে। এছাড়াও অতি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সিল্ক রুটও কাছেই। লাটপাঞ্চারে সিঙ্কোনা ছাড়াও জঙ্গলে রয়েছে শাল, টিক ও পাইনের মহার্ঘ বিলাস।
হোম স্টে-র খাওয়াদাওয়া খুবই সহজ সরল। ভাত-রুটি, সঙ্গে ডাল, ডিম, চিকেন বা সব্জি। ব্রেকফাস্টে পুরি-সব্জি বা আলুর পরোটা। চা-কফির সঙ্গে সন্ধ্যায় কিছু স্ন্যাকস। সুস্বাদু রান্না। গরম গরম পরিবেশন। পরিচ্ছন্নতা সর্বত্র। আর অনাবিল আন্তরিকতা। মনেই হবে না ঘরের বাইরে এসেছেন। মনে পড়ছে , ফেরার ঠিক আগের দিনের কথা। একদিন আগে কলকাতা থেকে একদল ছেলে এসেছে। তারা আসার পর স্বাভাবিক ভাবেই নির্জন নিঃশব্দ গ্রামে কিছু শোরগোল শোনা যাচ্ছে। যদিও তা উচ্চকিত নয়। পাহাড়ি এই গ্রামের মিষ্টি জীবনছন্দে মেতেছে ওরাও। আকাশ ঝকঝকে। তারারা যেন কথা বলছে। হোম স্টে-র সামনের চাতালে ছড়িয়ে বসেছি আমরা। খুব আড্ডা হচ্ছে। কয়েকবার চা হয়ে গেছে। আমার একলা ভ্রমণে ওরাও বেশ অবাক। এমন সময় গ্রামেরই এক তরুণ এসে জানায় রেড পাণ্ডার দেখা পাওয়া গিয়েছে। ছুট ছুট। সবাই গিয়ে সেই গাছের সামনে দাঁড়াই, যেখানে তিনি অধিষ্ঠান করছেন। ছোটখাটো চেহারার সেই প্রাণী তো প্রায় লজ্জায় মরেই যায়। কিছুক্ষণ ইতিউতি তাকিয়ে ধীরেসুস্থে ডালপালার আড়ালে চলে যায় সে। আমরা ঘরে ফিরি। আলোচনায় উত্তেজিত সবাই। কিছু তো একটা দেখা গিয়েছে! ফেরার সময় মনটা ভালো হয়ে গেল।
কিছু জরুরি তথ্য। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে লাটপাঞ্চার পৌঁছতে এক ঘণ্টা পঞ্চাশ মিনিট মতো লাগে। বাগডোগড়া থেকে একটু বেশি। গাড়ি রিজার্ভ করে যাওয়াই ভালো। পিক আপ ও ড্রপের ব্যবস্থা করে হোম স্টে থেকেই। এনজেপি থেকে ভাড়া মোটামুটি ২০০০ টাকা। হোম স্টে-র থাকাখাওয়ার খরচ দিনপ্রতি জনপ্রতি ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা। সাইট সিয়িং-এর জন্য গাড়ির ব্যবস্থা হোম স্টে থেকেই করে দেয়। জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানো , পাখি ও গাছপালা দেখার জন্য গ্রামেই গাইড পাওয়া যায়। সব থেকে ভালো সময় অক্টোবর থেকে মে। বর্ষা এড়িয়ে যাওয়াই শ্রেয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে গেলে যথেষ্ট শীতপোশাক সঙ্গে থাকা আবশ্যক। কিছু শুকনো খাবার, টর্চ, মোম-দেশলাই, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ফার্স্ট এইড বক্স সঙ্গে রাখুন। প্রয়োজনে দার্জিলিং ট্যুরিজমের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যেতে পারে।
ছবি: লেখক 
01st  September, 2019
শহরের বুকে ভ্রমণ মেলা 

করোনা এখনও চোখ রাঙাচ্ছে। আনচান করা মনকে অক্সিজেন জোগাতে চলছে ফেয়ার ফেস্ট মিডিয়ার টিটিএফ। গৃহবন্দি মানুষকে আবার বেড়িয়ে পড়ার আমন্ত্রণ। পুজোর আগে এই মেলার অপেক্ষায় থাকে ঘরছুট বাঙালি। কোন রাজ্য নতুন কী সন্ধান দেয় তার জন্য। যেন পরীক্ষার আগে লাস্ট মিনিট সাজেশন।  
বিশদ

28th  February, 2021
টিকটক 

‘টাইগার স্টেট’ মধ্যপ্রদেশের বান্ধবগড়ে এবার হট এয়ার বেলুনে চেপে জঙ্গল সাফারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপর থেকে লক্ষ করা যাবে বন্যপ্রাণের গতিবিধি। ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্রে এই ধরনের অ্যাডভেঞ্চার সাফারি দেশে প্রথম। সাফারির জন্য ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা সময় নির্ধারিত হয়েছে। 
বিশদ

28th  February, 2021
মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুর 

পশ্চিমবঙ্গের মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুর। বাঁকুড়া জেলার এই শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মল্ল রাজাদের তৈরি টেরাকোটার সুন্দর সুন্দর অসংখ্য মন্দির। হাওড়া থেকে ট্রেনে মাত্র ৪ ঘণ্টার পথ। শরৎ ও শীতকাল বিষ্ণুপুর যাওয়ার উপযুক্ত সময়।  
বিশদ

28th  February, 2021
দেবভূমিতে বিচরণ

ছোটবেলা থেকে ইচ্ছা জেগেছিল মায়ের মুখে কেদারনাথ ধামের গল্প শুনে। তাই ছুটিটা পেয়েই মাথায় এল ছোটবেলার স্বপ্নপূরণের ইচ্ছা। কেটে ফেললাম দুন এক্সপ্রেসের টিকিট। ট্রেনে যেতে যেতেই আলাপ হল এক বাঙালি পরিবারের সঙ্গে।   বিশদ

28th  February, 2021
জীবাশ্মের খোঁজে লালমাটির দেশে 

রাজস্থানের জয়সলমির বেড়াতে গিয়ে অনেকেই হয়তো অকাল উড ফসিল পার্ক দেখে এসেছেন। থর মরুভূমির কোলে অবস্থিত এই জীবাশ্ম উদ্যানটি প্রমাণ করে যে, প্রায় ১৮ কোটি বছর আগে এখানে বিশাল জঙ্গল ছিল।  
বিশদ

28th  February, 2021
ফুলের উপত্যকা

পশ্চিমবঙ্গের ‘ফুলের উপত্যকা’- ক্ষীরাই। হাওড়া থেকে ট্রেনে ঘণ্টা দুয়েকের পথ। যাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময় জানুয়ারি। শীতের হিমেল রোদে গা ভাসিয়ে দিয়ে পিকনিকের মজাও নেওয়া যায় কাঁসাই নদীর ধারে। বিশদ

14th  February, 2021
পর্যটন মেলা

করোনার ভীতি কাটিয়ে শুরু হতে চলেছে ‘টার্ন দ্য হুইল’— পর্যটন, খাদ্য ও হস্তশিল্প মেলা। সল্টলেকের ঐকতানে আয়োজন করা হয়েছে এই মেলার। চলবে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। এই মেলায় থাকছে প্রায় ১০০টির মতো স্টল। পিছিয়ে পড়া হস্তশিল্পী ও মহামারীর জেরে ধুঁকতে থাকা পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতেই এই উদ্যোগ। বিশদ

14th  February, 2021
কুয়াশা ঘেরা তুরুক
অজন্তা সিনহা

শিলিগুড়ি শহর ছাড়িয়ে সুকনা জঙ্গলে ঢুকতেই আকাশের মুখ ভার। সকালে কিন্তু দিব্যি পরিষ্কার ছিল ! যাই হোক, সুকনা পেরিয়ে চড়াই-মুখী হল আমাদের গাড়ি। সফরসঙ্গী কলকাতার প্রাক্তন ফুটবল তারকা ও উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়ী দম্পতি। বেশ কয়েকটি হেয়ারপিন বেন্ড পার হয়ে পৌঁছলাম রোহিণী। ব্রেকফাস্ট পথের পাশের এক নেপালি রেস্তরাঁয়। 
বিশদ

14th  February, 2021
জয় জগন্নাথ বলে চলুন পুরী

চার ধাম— দ্বারকা, বদ্রীনাথ, রামেশ্বরম ও পুরী। মনে করা হয়, শ্রীবিষ্ণু দ্বারকায় বিশ্রাম নেন, বদ্রীনাথে ধ্যানমগ্ন হন, রামেশ্বরমে স্নান করেন এবং পুরী ধামে আহার সারেন। এই জন্যই পুরীকে চারধামের এক ধাম বলা হয়। বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত এই পুরী বিশ্বের আপামর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক অতীব পুণ্যস্থান।
বিশদ

31st  January, 2021
টিকটক

যেতে পারেন ভিতরকণিকা: নিউ নর্মালে ওড়িশার ভিতরকণিকা জঙ্গলে প্রবেশের অনুমতি মিলল পর্যটকদের। বিশদ

31st  January, 2021
উইকএন্ড ট্যুরে আগ্রহ বাড়ছে রাজ্যে
শীত যাওয়ার পরও ব্যবসা
চলবে, আশায় ব্যবসায়ীরা

নভেম্বর থেকেই একটু একটু করে ঘুরতে শুরু করেছিল পরিস্থিতি। বড় প্যাকেজ ছেড়ে ছোটখাট বাজেটের ট্যুরে বেরিয়ে পড়তে শুরু করেছিলেন ভ্রমণপিপাসুরা। জানুয়ারিতেও সেই ধারা অব্যহত। রাজ্যের মধ্যেই যেভাবে উইকএন্ড ট্যুর বাড়ছে, তাতে আশার আলো দেখছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। বিশদ

21st  January, 2021
রোপওয়েতে জুড়ছে এলিফ্যান্টা 

 দেশের দীর্ঘতম রোপওয়ে হতে চলেছে মুম্বই থেকে এলিফ্যান্টা দ্বীপের যোগাযোগ। সমুদ্রের উপর দিয়ে দীর্ঘ ৮ কিমি পথ পেরিয়ে পৌঁছনো যাবে এলিফ্যান্টা দ্বীপের গুহা মন্দিরে। বিশদ

06th  September, 2020
আবার ফুলের উপত্যকায় 

 অতিমারীর আবহেই উত্তরাখণ্ড পর্যটন দপ্তর বিশ্ব ঐতিহ্যের ফুলের উপত্যকা (ভ্যালি অব ফ্লাওয়ারস) খুলে দিয়েছে পর্যটকদের জন্য। বিশদ

06th  September, 2020
দরজা খুলছে থাইল্যান্ড 

 পর্যটনের স্বর্গরাজ্য থাইল্যান্ড। কিন্তু করোনার জেরে বন্ধ রয়েছে এদেশের ঢোকার পথ। এবার বিদেশি পর্যটকদের জন্য দরজা খুলে দিচ্ছে এই দেশও। বিশদ

06th  September, 2020
একনজরে
শীপুর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন কমলাকান্ত হাঁসদা। সোমবার এই ঘোষণা করেছে বিজেপি। কাশীপুর কেন্দ্রে ভোট রয়েছে প্রথম দফাতেই। শনিবার রাজ্যের প্রথম দুই দফার ভোটের ৫৭টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  ...

নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম লেগে শেষপর্বে গোল হজম করেছিল এটিকে মোহন বাগান। রক্ষণের সেই ভুল কিছুতেই মানতে পারছেন না কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। শেষ ...

কেন্দ্রের পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরব হয়েছে গোটা বাংলা। সেই পথেই সোমবার গাড়ি ছেড়ে সাইকেলে অভিনব প্রচার শুরু করলেন ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ...

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দিল্লি সীমানার সিঙ্ঘু, তিক্রি এবং গাজিপুরে কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিলেন মহিলা কষকরা। শুধু প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেওয়াই নয়, আন্দোলনের সমর্থনে জ্বালাময়ী ভাষণ দেন মহিলারা।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৫৪: আমেরিগেডস পুচির (তাঁর নামানুসারে আমেরিকার নাম করন হয়) জন্ম
১৮৫৮: দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফারি রেঙ্গুনে নির্বাসিত
১৯৩৪: মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের জন্ম
১৯৫১: তবলাবাদক জাকির হুসেনের জন্ম
১৯৫৯: নিউ ইয়র্কে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল টয় ফেয়ারে আত্মপ্রকাশ করল বার্বি ডল
১৯৬১: মহাকাশ যান স্ফুটনিক ৯-এর সফল উৎক্ষেপণ
২০১২: বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক জয় মুখার্জির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৩৯ টাকা ৭৪.১০ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৪৩ টাকা ১০২.৯২ টাকা
ইউরো ৮৫.৬০ টাকা ৮৮.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৫, ১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪২, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৩, ৫০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ ফাল্গুন, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী ২২/৪৯ দিবা ৩/৩। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৩৬/৫৬ রাত্রি ৮/৪১। সূর্যোদয় ৫/৫৫/১, সূর্যাস্ত ৫/৩৯/৪৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/১৫ গতে ১০/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৭ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/১৯ গতে ৪/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৫ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৪৮ গতে ৩/২৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৩ গতে ৮/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১০ গতে ৮/৪৩ মধ্যে।  
২৪ ফাল্গুন ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী অপরাহ্ন ৪/১৫। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ৯/৫৪। সূর্যোদয় ৫/৫৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৯। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১২/৫৪ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯ গতে ৪/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২ মধ্যে ও ৮/৫৫ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৪০ গতে ৩/১৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।  
২৪ রজব। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল : টাইব্রেকারে ম্যাচ জিতে ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি
 

08-03-2021 - 10:36:07 PM

আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনাল গড়াল অতিরিক্ত সময়ে
 

08-03-2021 - 09:38:35 PM

ফের কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ব্যবস্থা
ফের আগামী ১৫ মার্চ থেকে কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ...বিশদ

08-03-2021 - 09:05:49 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি ০ – গোয়া ০ (হাফটাইম) 

08-03-2021 - 08:26:33 PM

কাশীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী কমলাকান্ত হাঁসদা  

08-03-2021 - 07:57:48 PM

স্ট্যান্ড রোড সংলগ্ন বহুতলে আগুন
স্ট্যান্ড রোডে রেলের একটি ভবনে আগুন। জানা গিয়েছে, ওই বহুতলটির ...বিশদ

08-03-2021 - 06:58:00 PM