Bartaman Patrika
ভ্রমণ
 

লাটপাঞ্চারে দেখা হতে পারে রেড পাণ্ডার সঙ্গে 

অজন্তা সিনহা: প্রথম একা একা বেড়াতে যাওয়া এবং এক অনামি পাহাড়ি গ্রামে। প্রায় দু’দশক আগে এক বাঙালি মধ্যবিত্ত মহিলার পক্ষে ব্যাপারটা যথেষ্ট দুঃসাহসিক ছিল বলাই বাহুল্য। মনে পড়ছে ট্রেনের কথা। কামরায় একটি বড় পরিবার ছিল। পরিবারের মহিলাদের একজন তো অবাক হয়ে জিজ্ঞেসই করে ফেললেন, ‘আপনার স্বামী আপনারে একা ছাইড়া দিল?’ খুব মজা পেয়েছিলাম। এরপর তো বহুবারই বেরিয়ে পড়েছি একা একা। কিন্তু প্রথম একা যাওয়ার ব্যাপারটাই আলাদা। পূর্ণ স্বাধীনতা লাভের মতোই একটা অনুভূতি। বিশেষ করে এই কারণেই বোধহয় বহু বছর আগে গেলেও লাটপাঞ্চার আমার স্মৃতিতে আজও অম্লান।
অফিসের এক সহকর্মীর কাছে হদিশ মেলে জায়গাটির। শুরু থেকেই ঠিক করেছিলাম কোনও চেনা জায়গা নয়। বড্ড লোকের ভিড়। খুঁজে পাওয়া গেল লাটপাঞ্চার। নাকি লাটসাহেবের গাড়ি এখানে এসেই পাঞ্চার হয়ে গিয়েছিল, তাই এমন নামকরণ। সত্যি জানার উপায় নেই। অত উঁচুতে লাটসাহেব আদৌ গিয়েছেন কিনা, তা ঈশ্বর ছাড়া কেউ জানেন না। উত্তরবঙ্গের নানা পাহাড়ি গ্রামে ঘোরার সুবাদে আজব-গজব সব নাম পেয়েছি। কোনও নামের অর্থ জানা গিয়েছে, কোনওটা যায়নি। সে হোক, লাটসাহেব না এলেও সাহেবদের এখানে আসা-যাওয়া ছিল। মূল্যবান সিঙ্কোনা চাষের জন্য বিখ্যাত এই অঞ্চলের অনেকটাই ছিল একদা ব্রিটিশের অধীন।
সেসব বৃত্তান্ত পরে। আগে শুরুর কথা। সারাদিন অফিস করে রাতের ট্রেনে আধো ঘুম আধো জাগরণে কাটিয়ে যখন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছলাম তখন সবে অন্ধকার কাটছে। একেবারে অচেনা সব। যাই হোক, সেই সহকর্মীর পরামর্শ মেনে একটা রিকশ করে স্টেশনের কাছের এক টেলিফোন বুথে এলাম। মোবাইল ফোন তখন কোথায়? বুথ থেকে গাড়ির মালিককে ফোন করি। সে বেচারা সম্ভবত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তখনও। শিলিগুড়ি শহরের ঘুম একটু দেরিতেই ভাঙে। গাড়ি কলকাতা থেকেই রিজার্ভ করা ছিল। যাই হোক ঘণ্টাখানেক অপেক্ষার পর একটি সাদা মারুতি ভ্যান এল আমার বাহন হয়ে। ড্রাইভার এক নেপালি তরুণ।
স্টেশন চত্বর ছাড়িয়ে, শিলিগুড়ি শহর পার হয়ে সেবক। সেই প্রথম তিস্তার সঙ্গে দেখা। সে যে কী মোহাবিষ্ট এক অবস্থা ! ততক্ষণে সূর্য আকাশ জুড়ে বিরাজমান। শরতের পেঁজা-তুলো মেঘ পুজোর আবেশ ছড়িয়ে দিয়েছে দিকদিগন্তে। সেবক রোড , তারপর মহানন্দা রেঞ্জ। দুপাশে জঙ্গল ফেলে সোজা চলে গিয়েছে পিচ রাস্তা। তারপরই তিস্তা। কিছুক্ষণ যাওয়ার পর কালিঝোরা। এখান থেকেই গাড়ি বাঁদিকের কিছুটা কাঁচাপাকা এক পাথুরে রাস্তা ধরল। এখন শুধুই চড়াই। পাহাড় বেষ্টন করে রাস্তা উঠেছে। সেই রাস্তা ধরেই গাড়িও উঠছে উপরে। যতই উঠুক তিস্তা রয়েছে দৃষ্টিপথে। সে যাত্রা রোমাঞ্চকর, আবার বিপজ্জনকও বটে। কোথাও কোথাও রাস্তা একেবারে খাড়া। কোথাও বা এত সরু যে একচুল এদিক ওদিক হলেই সোজা খাদে। এটা ঠিক এই সব অনির্বচনীয়তার জন্যই তো পাহাড়ে আসা। নেপালি ড্রাইভার গান শুনতে শুনতে অতি দক্ষতায় চড়াই চড়িয়ে শেষে পৌঁছে দিল হোম স্টে-র দরজায়। হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন এক নেপালি ভদ্রলোক। এদিক ওদিক থেকে কিছু কৌতূহলী মুখ। সেইসব পেরিয়ে ভিতরে ঢুকি।
লাটপাঞ্চারে তখন একটাই থাকার জায়গা। বেশ সমৃদ্ধ এক নেপালি পরিবার। বাড়ির নীচতলায় নিজেরা থাকেন। ওপরের তিনটি ঘর অতিথির জন্য নির্দিষ্ট। তারই একটিতে আমার থাকার ব্যবস্থা। ঝটপট স্নান করে ফ্রেশ হই। ঘরের একপাশের বিশাল কাচের জানালা খুলে দিতেই পুরো প্রকৃতি যেন ঘরের ভিতর চলে এল। যতদূর চোখ যায়, শুধুই পাহাড়। ওপরে নীল আকাশ। মেঘের দল নেমে এসেছে পাহাড়ের কোলে। সে এক অপূর্ব দৃশ্যকাব্য ! সম্বিত ফেরে এক মহিলার ডাকে। জানান, লাঞ্চ রেডি।
মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারির অন্তর্গত লাটপাঞ্চার। উচ্চতা ৪ হাজার ২০০ ফুট। কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন মেলে। কাছাকাছি ঘন জঙ্গল। প্রায় ৩৬ প্রজাতির পশু আছে এখানে। হরিণ, বার্কিং ডিয়ার, ব্ল্যাক ডিয়ার, বানর, লেপার্ড আছে শুনলাম। মাঝে মাঝে হাতিরাও অনেকটা উঠে আসে। আর আছে রেড পাণ্ডা। তার দুর্লভ দর্শন সে যাত্রায় ভাগ্যে ঘটেছিল। বাকি কারও দেখা মেলেনি। হোম স্টে-র মালিক বললেন লেপার্ড মশাইয়ের দেখা না পাওয়াই ভালো। ছাগল, বাছুরদের সুযোগ পেলেই আক্রমণ করে। মানুষকে কি আর রেয়াত করবে? ফুলের বাহার দেখবার মতো। প্রায় সবার বাড়ির সামনেই বাগান রয়েছে। জঙ্গলে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। সেখানে পাখিদের রীতিমতো মিটিং হয় দেখলাম। প্রায় ২৪০ প্রজাতির পাখি আছে এখানে, অনেকেই বেশ বিরল তাদের মধ্যে। হোম স্টে থেকে এক-দু পা এগোলেই জঙ্গল। দিনের বেলাতেও সেখানে অন্ধকার, এতটাই ঘন গাছগাছালি। বাড়ির সামনে ফুলের বাগানে প্রজাপতির ওড়াউড়ি। ভয়ডর নেই, নিশ্চিন্তেই আছে তারা।
জঙ্গল লাগোয়া এই ছোট্ট গ্রামে অল্প কয়েকঘর লোকের বসবাস। বেশির ভাগই সিঙ্কোনা চাষের সঙ্গে যুক্ত। দুই-একজন পুলিস বা আর্মিতে। কারও কারও বাড়িতে নার্সারি আছে। জমিও আছে অল্পস্বল্প। দিন গুজরান হয়ে যায় কোনওমতে। অভাব আছে , কিন্তু অভিযোগ নেই। ঘুম ভাঙতেই নারী-পুরুষ কাজে লেগে পড়েন। ঝাড়পোছে ঝকঝকে করে তোলেন পুরো গ্রামটাই। প্রথম দিনেই গ্রামের বাচ্চাকাচ্চা চলে এল আমার সঙ্গে আলাপ করতে। তারপর থেকে যে ক’দিন ছিলাম সঙ্গ ছাড়েনি ওরা আমার। সকাল-বিকেল পায়ে হেঁটে ওদের সঙ্গেই ঘুরে বেড়িয়েছি গ্রাম আর জঙ্গলের পথে। ঘুরতে ঘুরতেই জেনেছি কিছুটা নীচে জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত সাহেবি আমলের বাংলোর কথা। সেই ১৯০০ সালে সিঙ্কোনা চাষের সূত্রে সাহেবরা এখানে থাকতেন। এখন রাজ্য বন উন্নয়ন নিগমের অধীনে অতিথিশালা। গ্রাম থেকে অনেকটা উঁচুতে সিঙ্কোনা চাষের খেত। শুনলাম দুর্গাপুজো হচ্ছে ওখানেই। অত উঁচুতে ওঠার উপায় নেই। বাচ্চাপার্টি প্রসাদ এনে খাওয়ায়। পরম আদরে রোজ সকালে পুজোর পর কপালে টিকা লাগিয়ে দিয়ে যায়। টেনে নিয়ে যায় নিজেদের ঘরে। কী সুন্দর যে ওদের জীবনযাপন। কী গুণী মানুষজন। বিত্তের অভাব ওদের সৌন্দর্যবোধকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারেনি।
প্রায় ১৪০০ একর জমি জুড়ে সিঙ্কোনা চাষ, সঙ্গে বেশ কয়েকটি কারখানাও আছে। ঘুরে দেখতে ভালোই লাগে। এছাড়া গ্রামের ভিতর থেকেই পথ গিয়েছে জঙ্গলে। একটু দূরে অহল দারা ভিউ পয়েন্ট। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন এক অতুলনীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে। এখান থেকে তিস্তাও বড় অপরূপ। থাকার জন্য কিছু কটেজ হয়েছে এখন । কাছাকাছি নামথিং লেক, যার পাশে ঘন হয়ে আছে পাইন বন। যেন পটে আঁকা ছবি। বিরল হিমালয়ান সালমন্দরের দেখা পাবেন নামথিং পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে। এছাড়াও অতি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সিল্ক রুটও কাছেই। লাটপাঞ্চারে সিঙ্কোনা ছাড়াও জঙ্গলে রয়েছে শাল, টিক ও পাইনের মহার্ঘ বিলাস।
হোম স্টে-র খাওয়াদাওয়া খুবই সহজ সরল। ভাত-রুটি, সঙ্গে ডাল, ডিম, চিকেন বা সব্জি। ব্রেকফাস্টে পুরি-সব্জি বা আলুর পরোটা। চা-কফির সঙ্গে সন্ধ্যায় কিছু স্ন্যাকস। সুস্বাদু রান্না। গরম গরম পরিবেশন। পরিচ্ছন্নতা সর্বত্র। আর অনাবিল আন্তরিকতা। মনেই হবে না ঘরের বাইরে এসেছেন। মনে পড়ছে , ফেরার ঠিক আগের দিনের কথা। একদিন আগে কলকাতা থেকে একদল ছেলে এসেছে। তারা আসার পর স্বাভাবিক ভাবেই নির্জন নিঃশব্দ গ্রামে কিছু শোরগোল শোনা যাচ্ছে। যদিও তা উচ্চকিত নয়। পাহাড়ি এই গ্রামের মিষ্টি জীবনছন্দে মেতেছে ওরাও। আকাশ ঝকঝকে। তারারা যেন কথা বলছে। হোম স্টে-র সামনের চাতালে ছড়িয়ে বসেছি আমরা। খুব আড্ডা হচ্ছে। কয়েকবার চা হয়ে গেছে। আমার একলা ভ্রমণে ওরাও বেশ অবাক। এমন সময় গ্রামেরই এক তরুণ এসে জানায় রেড পাণ্ডার দেখা পাওয়া গিয়েছে। ছুট ছুট। সবাই গিয়ে সেই গাছের সামনে দাঁড়াই, যেখানে তিনি অধিষ্ঠান করছেন। ছোটখাটো চেহারার সেই প্রাণী তো প্রায় লজ্জায় মরেই যায়। কিছুক্ষণ ইতিউতি তাকিয়ে ধীরেসুস্থে ডালপালার আড়ালে চলে যায় সে। আমরা ঘরে ফিরি। আলোচনায় উত্তেজিত সবাই। কিছু তো একটা দেখা গিয়েছে! ফেরার সময় মনটা ভালো হয়ে গেল।
কিছু জরুরি তথ্য। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে লাটপাঞ্চার পৌঁছতে এক ঘণ্টা পঞ্চাশ মিনিট মতো লাগে। বাগডোগড়া থেকে একটু বেশি। গাড়ি রিজার্ভ করে যাওয়াই ভালো। পিক আপ ও ড্রপের ব্যবস্থা করে হোম স্টে থেকেই। এনজেপি থেকে ভাড়া মোটামুটি ২০০০ টাকা। হোম স্টে-র থাকাখাওয়ার খরচ দিনপ্রতি জনপ্রতি ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা। সাইট সিয়িং-এর জন্য গাড়ির ব্যবস্থা হোম স্টে থেকেই করে দেয়। জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানো , পাখি ও গাছপালা দেখার জন্য গ্রামেই গাইড পাওয়া যায়। সব থেকে ভালো সময় অক্টোবর থেকে মে। বর্ষা এড়িয়ে যাওয়াই শ্রেয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে গেলে যথেষ্ট শীতপোশাক সঙ্গে থাকা আবশ্যক। কিছু শুকনো খাবার, টর্চ, মোম-দেশলাই, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ফার্স্ট এইড বক্স সঙ্গে রাখুন। প্রয়োজনে দার্জিলিং ট্যুরিজমের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যেতে পারে।
ছবি: লেখক 
01st  September, 2019
টিকটক 

হাওড়া ব্রিজে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড
কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের ১৫০ বছর পূর্তিতে দেশবাসীকে উপহার আলোক ধ্বনিতে সাজানো হাওড়া ব্রিজ।  
বিশদ

19th  January, 2020
পাকদণ্ডী পথ বেয়ে উটি 

সুপ্রিয় নায়েক: পিছনে ধূসর আকাশ। আর সামনে প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর মতো আধশোয়া অলস নীলগিরি। তারই পিঠ আষ্টেপৃষ্ঠে পেঁচিয়ে সাপের মতো উঁচুতে গিয়েছে পাকদণ্ডী পথ। সেই সাপের প্রান্ত পড়ে থাকে বুরলিয়রে। তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার ছোট্ট গ্রাম। সেখান থেকেই শুরু চড়াই।  
বিশদ

19th  January, 2020
জেমস বন্ড আইল্যান্ড 

অয়ন গঙ্গোপাধ্যায়: দ্বীপের নাম ‘জেমস বন্ড’। নামটা শুনেই মনে হবে এখনই চলে যাই প্রকৃতির অসামান্য সৌন্দর্যে মোড়া অতুলনীয় সেই দ্বীপে। থাইল্যান্ডের দক্ষিণপ্রান্তে আন্দামান সাগরে ভাসমান বিখ্যাত দ্বীপ ফুকেত। 
বিশদ

19th  January, 2020
মোহিনী হিমালয় 

সাতের দশকের শেষের দিকের কথা। সবে মাত্র যৌবনে পা রাখা কিশোরের যেমন সব বাধা অতিক্রম করার স্বপ্ন দু’চোখে থাকে, ঠিক তেমনই কোনও দুঃসাহসের ওপর ভর করে বয়সে কিছুটা বড় বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ি থেকে এক জামাকাপড়ে পালিয়েছিলাম সান্দাকফু থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার লোভ নিয়ে। 
বিশদ

05th  January, 2020
টিকটক 

দীর্ঘতম পাহাড়ি সুরঙ্গ অটল টানেল
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর ৯৫ তম জন্মদিনে ঘোষণা করা হয় রোটাং টানেলের নাম হবে অটল টানেল। ৩ হাজার মিটার উচ্চতায় মানালি থেকে লে পর্যন্ত ‘অল ওয়েদার রুট’ খুলে যাবে এবছর। ৮.৮ কিমি দীর্ঘ এই সুরঙ্গ পথ বিশ্বের দীর্ঘতম পাহাড়ি সুরঙ্গের তকমাও পেতে চলেছে। সুরঙ্গের মাধ্যমে মোট পথের দৈর্ঘ্য কমছে ৪৬ কিমি।
বিশদ

05th  January, 2020
অন্য গোয়া

উৎপল দাস: গোয়া বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কিছু অসাধারণ সমুদ্রসৈকত, ধ্যানগম্ভীর পর্তুগিজ স্থাপত্য, মিশনারি চার্চ। বড়জোর অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় পর্যটকের জন্য বন্যপ্রাণী অধ্যুষিত অভয়ারণ্য।  
বিশদ

05th  January, 2020
এ রাজ্যের প্রথম ইয়ুথ হস্টেলের মহিলা শাখা কাদম্বিনী 

১৯০৯ সালে জার্মানিতে প্রথম হস্টেলিং বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়। জার্মান শিক্ষক রিচার্ড স্কিরম্যান স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের গ্রামের দিকে বেড়াতে গিয়ে থাকা খাওয়ার প্রয়োজনের কথা নিয়ে ভাবেন। এই ভাবনা থেকেই আটলান্টাতে নিজের স্কুলে প্রথম তৈরি করেন ছাত্রছাত্রীদের জন্য হস্টেল। 
বিশদ

05th  January, 2020
টিকটক 

চলবে টাকা 
ভারতীয়দের জন্য সুখবর। দুবাই বিমানবন্দরে ডিউটি ফ্রি শপে কেনাকাটার জন্য ইউরো, ডলারের প্রয়োজন হবে না। টাকাতেই করা যাবে পছন্দের কেনাকাটা। সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  
বিশদ

15th  December, 2019
ভয়ঙ্কর সুন্দর সুন্দরবন 

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী: জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ আর গাছে সাপ— এমনই যদি হয় পরিবেশ, তাহলে আর দাঁড়ানোর জায়গাটা রইল কোথায়? কিন্তু তা সত্ত্বেও এ হল পর্যটকের এক অত্যন্ত প্রিয় গন্তব্য। হোক না শত বিপদ সঙ্কুল, তবুও সে সুন্দরী। ওই যে কথায় বলে না, ভয়ঙ্কর, সুন্দর...!  
বিশদ

15th  December, 2019
মন্দিরনগরী সিয়েমরিপ 

অয়ন গঙ্গোপাধ্যায়: কম্বোডিয়ার ঐতিহাসিক শহর সিয়েমরিপ। ভুবন বিখ্যাত আঙ্কোরভাট মন্দিরের জন্য এই শহর বিখ্যাত। আঙ্কোরভাট, আঙ্কোর থম মন্দির ছাড়াও সিয়েমরিপের পথে-প্রান্তরে শিল্পময় প্রাচীন মন্দিরের ছড়াছড়ি। ভালোভাবে ঘুরতে এখানে দিনচারেক থাকুন। সিয়েমরিপ বিমানবন্দরে পৌঁছে ডলার ভাঙিয়ে কিনে নিন স্থানীয় মুদ্রা রিয়েল। 
বিশদ

15th  December, 2019
জয়সলমিরের মরু উৎসব 

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী: রঙের রাজ্য রাজস্থান, উৎসবের রাজ্য রাজস্থান, সারা বছর ধরেই এই রাজ্যের এক এক শহরে পালিত হয় নানা ধরনের অনুষ্ঠান। তারই এক অঙ্গ হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে মরু রাজ্যের জয়সলমির শহরে পালিত হয় এক অসাধারণ সুন্দর, উপভোগ্য আর বর্ণাঢ্য উৎসব ‘মরু উৎসব’ বা ‘ডেজার্ট ফেস্টিভ্যাল’।   বিশদ

01st  December, 2019
বন্য সুন্দর মাধব ন্যাশনাল পার্ক শিবপুরী

সুভাষ বন্দ্যোপাধ্যায়: চারদিকে মধ্যপ্রদেশের ঘেরাটোপের মধ্যে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি। ওখান থেকে সকালবেলা একটা গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন ঐতিহাসিক শহর শিবপুরীর উদ্দেশে। ২৫ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে গাড়ি ছুটবে বেশ জোরে।  বিশদ

01st  December, 2019
প্যাংগং লেক 

নবগঠিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের অন্যতম নিদর্শন নীল জলের প্যাংগং লেক। এটি এশিয়ার বৃহত্তম ইষৎ লোনা হ্রদ। উচ্চতা প্রায় ১৪ হাজার ফুট। দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩৪ কিমি এবং প্রায় ২-৩ কিলোমিটার চওড়া। লাদাখ ভ্রমণের অন্যান্য দ্রষ্টব্য স্থানগুলোর মধ্যে এটি খুবই জনপ্রিয় ও বিস্ময়কর।  
বিশদ

17th  November, 2019
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অপরূপ মালয়েশিয়া 
উত্তরা গঙ্গোপাধ্যায়

থাইল্যান্ড বা সিঙ্গাপুরের থেকে কোনও অংশে কম নয় মালয়েশিয়া। কিন্তু তবুও যেন এখনও পর্যটক মহলে তেমনভাবে জায়গা করে নিতে পারেনি। তাই সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডের সঙ্গে জুড়ে নিতে পারেন এ দেশের রাজধানী শহর কুয়ালালামপুর। বছরের যে কোনও সময় যাওয়া যায়। 
বিশদ

17th  November, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোথাও নিত্য যানজট আবার কোথাও ফুটপাত দখল করে সার দিয়ে দোকান আর হকারদের পসরা। সেসব এড়িয়ে শিয়ালদহ স্টেশনে ঢুকতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে ...

  বালিয়া (উত্তরপ্রদেশ), ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): নজিরবিহীনভাবে দাদা মুলায়ম সিং যাদবকে নিশানা করে তোপ দাগলেন ভাই শিবপাল। ইদানীং ছেলে অখিলেশের সঙ্গেই বেশি দেখা যাচ্ছে সপার প্রতিষ্ঠাতাকে। ...

নয়াদিল্লি ও ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি: ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করলেও, এই আইনের ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের জাহাজ মন্ত্রকের সাগরমালা প্রকল্পের আওতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পণ্য পরিবহণ বছরে ৩৩ কোটি ৭০ লক্ষ টনে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

উচ্চতর ও গবেষণামূলক বিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। ভ্রমণযোগ রয়েছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৩৪ - আলোকচিত্র এবং ইলেকট্রনিকস্ কোম্পানী হিসেবে ফুজিফিল্ম কোম্পানীর যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭১.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.২২ টাকা ৯৪.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  January, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  January, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ মাঘ ১৪২৬, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, একাদশী ৪৯/১৮ রাত্রি ২/৬। অনুরাধা ৪২/৪৯ রাত্রি ১১/৩০। সূ উ ৬/২২/৫৪, অ ৫/১২/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫২ মধ্যে. রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৬, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, একাদশী ৫৩/২৯/৩৫ রাত্রি ৩/৪৯/৪৭। অনুরাধা ৪৯/৪৭/৫৬ রাত্রি ১/৩৩/৭। সূ উ ৬/২৫/৫৭, অ ৫/১০/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ১০/৪৪ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৪ গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ১১/২৪ গতে ২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/৩২ গতে ৯/৭/৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৮/৫১ গতে ১১/৪৮/১৭ মধ্যে। 
২৪ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন  জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

03:37:00 PM

সততার নজির হোমগার্ডের 
সততার নজির ময়নাগুড়ি থানার এক হোম গার্ডের। কুড়িয়ে পাওয়া একটি ...বিশদ

03:28:49 PM

নির্ভয়া কাণ্ড: পবন গুপ্তের নাবালক তত্ব খারিজ শীর্ষ আদালতে

 সোমবার নির্ভয়া গণধর্ষণ মামলায় অন্যতম সাজাপ্রাপ্ত পবন গুপ্তার আবেদন আজ ...বিশদ

03:21:00 PM

রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কোচবিহারে
রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড কোচবিহারের চকচকার একটি হাসপাতালে। ...বিশদ

03:16:24 PM

পরীক্ষার নম্বর সাফল্যের মাপকাঠি নয়: প্রধানমন্ত্রী
সাফল্য পেতে গেলে ব্যর্থ হতে হয়। ব্যর্থতা সফল হওয়ারই একটি ...বিশদ

01:06:00 PM

ঘুমের ঘোরে চালক, বাস উল্টে আহত ২০ যাত্রী
ভোররাতের দিকে গাড়ি চালাতে চালেতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চালক। আর তার ...বিশদ

12:09:43 PM