Bartaman Patrika
শিক্ষা-কেরিয়ার
 

সেট মানে শুধু কেরিয়ার তৈরি নয়, উচ্চশিক্ষার সোপান
বাসবী চক্রবর্তী, অধ্যাপক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়

 সেট পরীক্ষার ক্ষেত্রে আমরা দেখি পরীক্ষার্থী অনেক বেশি কিন্তু পরীক্ষাটি হয় বছরে এক বার। যেমন এবার সেট জানুয়ারিতে আর নেট ডিসেম্বরে। আপনার কী মনে হয় এটা সেট-প্রার্থীদের পিছিয়ে পরা বা অসফল হওয়ার পিছনে কারণ হিসাবে কাজ করে?
 হ্যাঁ ঠিকই। পরীক্ষাটি এত দিন বাদে বাদে হওয়ার জন্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে যায়। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা। মূলত অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরশিপ এবং রিসার্চের জন্য এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাই অনেকেই আছেন, যাঁরা এই পরীক্ষাটি দিয়ে আরও উচ্চশিক্ষা কিংবা উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন চাকরি বেছে নিতে চান। তাই পরীক্ষাটি যদি অন্তত বছরে দু’বার হয় তাহলে ভালো। ঠিক যেভাবে আমরা দেখেছি নেট পরীক্ষা হয় বছরে দু’বার তেমন সেটও হতে পারে। আসলে যারা বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করে তাদের জন্য সেট খুব জরুরি। কারণ সেট-এর প্রশ্ন বাংলায় হয়, যেখানে নেট হয় ইংরেজিতে। তাই রাজ্যের অনেক পরীক্ষার্থী সেট দিতে চায়।
 আচ্ছা নেট আর সেট-এর ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের সফলতা কী প্রায় একই মাপের হয়?
 না, রাজ্যস্তরের পরীক্ষা সেট-এর ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের সফল হওয়ার সংখ্যা কম থাকে। আসলে নেট-সেট বারবার পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে। আমরা যখন গবেষণাপত্র জমা করি সেই ’৯২ সালে, তখন কিন্তু নেট-এর পরীক্ষা পদ্ধতি ছিল অন্যরকম। তখন ছোট এবং বড় উভয় প্রশ্নের উত্তর দিতে হতো। কিন্তু এখন সেটা পুরোটাই ‘এমসিকিউ’ (মাল্টিপল চয়েজ কোশ্চেন) আকার নিয়েছে। যদিও এই নতুন পদ্ধতির ক্ষেত্রে ‘সাকসেস রেট’ বেশি বলেই অনেকের অভিমত। পাস মার্ক পাওয়া সহজ হচ্ছে। আবার অনেকেই এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অনুমানের ওপর নির্ভর করে উত্তর দিয়েও সফল হয়ে যায়। যেটা আগেকার দিনের বড় প্রশ্ন-উত্তর পদ্ধতিতে সম্ভব ছিল না।
 এখন তো আগের মতো আর লম্বা সময় ধরে পরীক্ষা দিতে হয় না। পরীক্ষাও হয় কম্পিউটারে। কিন্তু এই নতুন প্যাটার্ন নিয়ে অনেকেই অন্ধকারে। নতুন আসা পরীক্ষা পদ্ধতি সম্বন্ধে যদি কিছু বলেন?
 এখন হল ডিজিটালাইজেশনের যুগ। সেন্ট্রালের নানা পরীক্ষার মতো এগুলিকেও কম্পিউটারে করার কথা ভাবা হয়েছে। এক্ষেত্রে আগের মতো সব জায়গায় সিট পড়বে না। কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বেছে নেওয়া হয়েছে সেখানেই এই পরীক্ষাগুলি হবে। সময়ও কমিয়ে দিয়েছে। ফলে ছাত্রদের আরও স্পেসিফিক এবং ফাস্ট হতে হবে। তাদের সঠিক উত্তর বেছে নিতে হবে খুব তাড়াতাড়ি। কেন্দ্রীয়স্তরের যে কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতে তাই হয়। এখনও পর্যন্ত দু’বার এরকম পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়েছে। এখন নেট পরীক্ষাটি নিচ্ছে এনটিএ মানে ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সি। এরাই এই পরিবর্তন করেছে। তবে এক্ষেত্রে যেটা বলব, পড়তে হবে অনেক বেশি। খুঁটিয়ে না পড়লে উত্তর করা মুশকিল।
 নেট/সেট এর প্রথম পত্রটি অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট থাকে। প্রস্তুতি কীভাবে নেওয়া যায়?
 প্রথম পত্রটি সবার জন্যই সমান থাকে। এখানে একাধারে যেমন থাকে অঙ্ক, তেমনই আবার সাধারণ জ্ঞানের ওপর কিছু প্রশ্ন থাকে। এই অংশটি অনেক পরীক্ষার্থীর কাছেই বেশ কঠিন, কারণ সাবজেক্ট-এর চর্চার মাঝে এই বিষয় সেভাবে চর্চা করা আর হয়ে ওঠে না। এই পেপারের জন্য কেউ অসফল হতে পারে। তাই সাবজেক্ট পেপারের মতো এই পেপারটিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আর তাছাড়া আমার মনে হয় গ্রুপ স্টাডি এসব ক্ষেত্রে বেশ কাজে দেয়। প্রতিদিন নিয়ম করে খবরের কাগজ দেখা চাই এবং নিজেকে আপডেটেড রাখা চাই। তাছাড়া একান্তই কারও সাহায্য লাগলে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে গিয়ে এই বিষয় তৈরি হওয়া সম্ভব।
 যারা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের নয়, আর্টস নিয়ে পড়াশোনা করছে তাদের মধ্যে অনেকের অঙ্কভীতি রয়েছে। তাদের জন্য এই ফার্স্ট পেপার কতটা কঠিন? বাধা পেরনো সম্ভব কীভাবে?
 হ্যাঁ, তাদের ক্ষেত্রেও একই কথা বলব। যখন ছাত্রটি জানেই তাকে প্রথম পত্রে পাশ করতে হবে, তখন সেটা মেনে নিয়েই তার উচিত অঙ্ক কিংবা ওই ধরনের বিষয় আরও বেশি করে প্র্যাকটিস করা। বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি করা। সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্ষেত্রে তাদের অসুবিধার দিক ইংরেজি এবং শিক্ষাবিজ্ঞান। তাদেরও সেটি ভালোভাবে পড়তে হবে এবং তা মনে রাখতে হবে। পারলে প্রতি মাসে মক টেস্ট দিতে হবে। একবারে না পারলেও দু’বার বা তিনবারে নিশ্চয় সাফল্য আসবে। হার মানলে চলবে না।
 ধরুন কেউ পাশ করল, কিন্তু সেট পাশ করাটাই তো সব নয়। পাশ করে বসে থাকতে হয় চাকরির জন্য, সেখানেও আবার ভাগ্য কাজ করে। তাহলে যেসব ছাত্ররা সেটকে সাফল্যের দরজা ভাবছে তা কি সত্যি তাদের সামনে সেই সাফল্য এনে দিতে পারছে?
 দেখুন, এক্ষেত্রে দুটো জিনিস হতে পারে একটা এলএস যেটা পেলে লেকচারারশিপ পাওয়া যায়। আর যদি জেআরএফ পাওয়া যায় তাহলে তাতে স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব। যেটা বেশ ভালো অঙ্কের। সেট দিলে শুধু রাজ্যের মধ্যে এই বিষয় পড়ানোর জন্য আবেদন করা যাবে। তবে আবারও বলব, সেট দেওয়া মানেই কেরিয়ার তৈরি, এমনটা নয় কখনই। এটা একটা ভুল ধারণা। সেট দেওয়া মানে আপনার উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে গেল। এরপর আপনি আরও গভীর জ্ঞানের দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন কিংবা কলেজে আবেদন করতে পারবেন। তবে কলেজে ইন্টারভিউয়ের সময় আপনার জ্ঞান এবং ডিগ্রি দেখবে। মানে এমফিল বা সমতুল ডিগ্রি থাকলে তার জন্য অতিরিক্ত নম্বর যোগ হবে।
 প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী যারা কলেজে প্রবেশ করে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখে তারা সেট দেয়। এই সেট/নেট জাতীয় পরীক্ষার জন্য কবে থেকে প্রস্তুতি শুরু করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
 অনেকে থার্ড সেমেস্টার পরীক্ষা দিয়েই পড়াশোনা শুরু করে। কিন্তু সেই সময় সিলেবাসের পড়া থাকে তাই পড়ার চাপ বেশি থাকে। এক্ষেত্রে সপ্তাহের কোনও একদিন পড়ার জন্য বেছে নিতে হবে। তারপর পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে সেট/নেট-এর প্রস্তুতির জন্য সময় বাড়াতে হবে।
 আচ্ছা অনেকেই এক বছর বাড়িতে বসে অন্য কোনও কিছু না করে নেট/সেট-এর প্রস্তুতি নেয়। আবার অনেকে ভাবে কেরিয়ারে একটা বছর নষ্ট করা মানে অনেক পিছিয়ে যাওয়া। কোনটা করা সঙ্গত?
 আমার তো মনে হয় বারবার পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হওয়ার থেকে একবছর বসে ভালোভাবে পড়ে সিরিয়াসলি পরীক্ষা দেওয়াটা বেশি দরকার। এতে এক বছর কেরিয়ার থেকে হয়তো যাবে কিন্তু পড়ার টাইম বেশি পাওয়ার জন্য পড়াটাও ভালোভাবে হবে। বরং একবছর যদি মন দিয়ে পুরো সিলেবাস পড়ে নেওয়া যায় তাহলে তার পরের বছর কিছুদিনের জন্য ছোটখাটো কোনও চাকরিতে ঢুকলেও পরীক্ষার ক্ষেত্রে খুব একটা অসুবিধা হবে না। যেহেতু আগেই ভালোভাবে পড়া আছে তাই শুধু ভালো করে রিভাইস করে যেতে হবে।
 সাহিত্যের ক্ষেত্রে এই এমসিকিউ টেস্ট কি আদৌ ট্যালেন্টের নির্ধারণ হতে পারে?
 ভাষা একটা ‘ওয়ে অব এক্সপ্রেশন থ্রু রাইটিং’। সেটা এমসিকিউ দিয়ে পরীক্ষা করা খুব কঠিন। আমারও মনে হয় সেটা ট্যালেন্টের যোগ্য মাপকাঠি হতে পারে না। তুলনায় ইতিহাস, সমাজ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ছোট প্রশ্ন কার্যকরী। তাতে সে কতটা বিষয় মনোযোগ দিয়ে পড়েছে সেটা বুঝতে পারা যায়।
 এটা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, দিন দিন ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। এখানে প্রশ্ন শুধু ভালোভাবে খুঁটিয়ে পড়াটাই কী সব? নাকি আরও কিছু এক্স ফ্যাক্টর দরকার হয়?
 যে বিষয় আপনি পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাতে আপনার বেসিক জ্ঞান কতটা, সেটা খুব দরকার। আপনি প্রচুর পড়াশোনা করে গেলেন কিন্তু তাও একটা প্রশ্ন আনকমন হতেই পারে। সেটা আপনি আপনার আইকিউ দিয়ে কতটা সঠিক দিতে পারছেন তা খুব দরকারি। তাই সাবজেক্টে প্রাথমিক দখল থাকাটা খুব জরুরি। যেটা কলেজেই তৈরি হয়। নিজেকে প্রশ্ন করুন দরকার হলে, আপনি আপনার বিষয়টার প্রতি আদৌ প্যাশনেট কিনা?
 আপনাকে যদি পাঁচটা কি-ওয়ার্ড জানাতে হয় ছাত্রদের পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য আপনি কী কী বলবেন?
 বিষয়ের প্রতি গভীর জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য, পরিশ্রম এবং ভালো করে প্রস্তুতি।
 এই রকম পরীক্ষাগুলির ক্ষেত্রে দেখা যায় দু’বার বা তার থেকে বেশি অকৃতকার্য হলে ছাত্রদের মধ্যে একটা ডিপ্রেশন কাজ করে। কেউ কেউ অন্য কোনও লাইন বেছে নেয়, কেউ বা কেরিয়ারে ওখানেই ইতি ঘটায়। মনের সঙ্গে লড়াই করার উপায় কী?
 হ্যাঁ, এটা আমার সামনেই অনেক ঘটতে দেখেছি। একবার না পেলে বা একটুখানির জন্য কাট অফ মিস করলে সে আর দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেয় না। কিন্তু তার জন্য তাদের মন আরও শক্ত করতে হবে। দরকারে সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে বা কেরিয়ার কাউন্সেলিং করাতে হবে। উপায় যখন আছে চারপাশে সেই উপায়গুলিকে কাজে লাগাতে হবে। মাথায় রাখতে হবে চাকরির ক্ষেত্রেও এরকম ডিপ্রেশনের ঘটনা ঘটতে পারে।
 নেট/সেটের সিলেবাস সমুদ্রের মতো। সেই সিলেবাস সবাই শেষ করে উঠতে পারে না। অনেকে বলে পুরো সিলেবাস কভার করা জরুরি আবার অনেকে বলে যেটুকু পড়ছ সেটা ভালোভাবে পড় যাতে সেখান থেকে যা প্রশ্ন আসে সেটার উত্তর করতে পারো। কোনটা ঠিক বা বেশি জরুরি?
 যদি আপনি পুরোটা পড়ে মনে রাখতে পারেন সেটা করতে পারেন। কিন্তু পরীক্ষার কিছু কাল আগে প্রস্তুতির সময় যদি দেখেন এরকম কিছু অধ্যায় আছে যা আপনি একেবারেই পড়েননি, সেটাকে আর নতুন করে তৈরি না করে আমার মনে হয় যেটুকু পড়া আছে সেটুকুকেই কীভাবে আরও ভালো করে ঝালিয়ে নেওয়া যায় সেদিকে জোর দিতে হবে।
 নেট/সেট একটি লম্বা সময়ের ব্যাপার। রিসার্চ করে সেটল হতে হতে ছাত্র ছাত্রীদের বয়স চলে যায়। আপনার কি মনে হয় কোথাও গিয়ে শিক্ষকতা শুধু অর্থনৈতিক দিক দিয়ে সচ্ছল এমন কিছু মানুষের মধ্যে কুক্ষিগত?
 সেটা বর্তমানের নিরিখে অনেকাংশে সত্যি। আবার পরিশ্রম করে পড়াশোনা করলে সেখানে অনেক রকমের স্কলারশিপ পাওয়ার ব্যবস্থা থাকে। সেটাও দরিদ্র ছাত্রদের কাজে দেয়।
 সামনেই জানুয়ারিতে সেট আর ডিসেম্বরে নেট। আপনি কিছু পজিটিভ দিক বলুন যাতে এই দুই পরীক্ষায় পড়ুয়াদের উৎসাহ আরও বৃদ্ধি পায়।
 একটাই কথা বলব অনেক কিছু ড্র-ব্যাক থাকলেও একবার নেট/সেট পাস করলে সেটা একটা বড় সাফল্য। সামনে অনেকগুলো দরজা খুলে যাবে। তাই সামনের দিকে লক্ষ্য রেখেই এগিয়ে যেতে হবে। লক্ষ্যে স্থির থাকাটা জরুরি। ভালো ভাবে পড়লে সাফল্য আসবেই।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন               
কৌশানী মিত্র                        
ছবি : সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে   
14th  October, 2019
সাফল্যের চাবিকাঠি যখন বায়োকেমিস্ট্রি 

বর্ণালী ঘোষ: জীবন্ত কলা-কোষের রাসায়নিক যে ক্রিয়া চলে সেটা নিয়ে আলোচনা করে বায়োকেমিস্ট্রি। এটি প্রধানত ল্যাবরেটরি ভিত্তিক বিজ্ঞান। যেখানে কেমিস্ট্রির জ্ঞান এবং টেকনিক ব্যবহার করে জৈবিক সমস্যার সমাধান করা হয়।  
বিশদ

16th  March, 2020
স্কুলে স্কুলে বাড়ছে কাউন্সেলরদের চাহিদা 

শৌণক সুর: কাউন্সেলিং বলতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কথা। জয়েন্ট দিয়ে র‌্যাঙ্ক করার পর কলেজে ভর্তি হওয়ার আগে ছাত্র-ছাত্রীরা যাদের মুখোমুখি হয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন মূলত তারাই কাউন্সেলর।  
বিশদ

16th  March, 2020
অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব স্পিচ অ্যান্ড
হিয়ারিংয়ে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ 

কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য এবং পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব স্পিচ অ্যান্ড হিয়ারিং, কর্ণাটক বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তি নিচ্ছে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে। পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৯ মে।  
বিশদ

16th  March, 2020
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর কোর্স 

পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষার আয়োজন করেছে। 
বিশদ

16th  March, 2020
রুরাল ম্যানেজমেন্টে এমবিএ 

ডাঃ রাজেন্দ্রপ্রসাদ সেন্ট্রাল এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি, পুসার স্কুল অব এগ্রি বিজনেস অ্যান্ড রুরাল ম্যানেজমেন্ট থেকে ২০২০-’২১ শিক্ষাবর্ষে করে নেওয়া যাবে রুরাল ম্যানেজমেন্টে এমবিএ। আবেদন করার শেষ তারিখ ৩১ মে।  
বিশদ

16th  March, 2020
ড্রামাটিক আর্টস কোর্স 

কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রকের স্বশাসিত সংস্থা ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামার সিকিমের গ্যাংটক সেন্টার থেকে পড়ানো হবে ড্রামাটিক আর্টসের উপর এক বছরের আবাসিক সার্টিফিকেট কোর্স। আবেদন করার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল। 
বিশদ

16th  March, 2020
পড়ার বিষয় যখন সোশ্যাল ওয়ার্ক 

কৌশানী মিত্র: সাম্প্রতিক সময়ে বিজ্ঞানের নানা জানলা খুলে যেতে দেখছি আমরা। সেখানে ঢুকেছে বিজ্ঞানের অনেক খুঁটিনাটি বিষয়ক জ্ঞান। ডেটা সায়েন্স থেকে শুরু করে তা পাড়ি জমিয়েছে এথিক্যাল হ্যাকিং-এর দিকে।  বিশদ

02nd  March, 2020
ভাষার হাত ধরেই মিলবে পেশার খোঁজ 

শৌণক সুর: মাতৃদুগ্ধ ছাড়া শিশুর সার্থক বিকাশ যেমন সম্ভব নয়, তেমনই মাতৃভাষা ছাড়া যথার্থ শিক্ষা অসম্পূর্ণ। একটি জাতির সর্বাঙ্গীন ইতিহাস, প্রগতি শুধুমাত্র ভাষাই যুগ যুগ ধরে বয়ে নিয়ে যেতে পারে। নিজের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান তো বটেই পাশাপাশি সমগ্র একটি জাতির আদব-কায়দা, ভালো-মন্দের ইতিহাসও রচিত হয় ভাষার মাধ্যমেই।  বিশদ

02nd  March, 2020
গ্রিন এনার্জি নিয়ে আলোচনাসভা 

‘গ্রিন এনার্জি’ নিয়ে সচেতনতা প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ায় জিআইএস গ্রুপের অন্যতম প্রধান কলেজ গুরু নানক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (জিএনআইটি)-কে পুরস্কার দিল সোলার এনার্জি সোসাইটি অব ইন্ডিয়া (এসইএসআই)।  
বিশদ

24th  February, 2020
জেইএনপিএএস-পিজি ২০২০ 

২০২০-২০২১ অ্যাকাডেমিক সেশনে জেইএনপিএএস পরীক্ষার তারিখ জানানো হয়েছে। পরীক্ষা নেওয়া হবে ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড থেকে ১২ জুলাই ২০২০। এই কমন এন্ট্রাসের আবেদন নেওয়া হবে ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ মে ২০২০ পর্যন্ত।  
বিশদ

24th  February, 2020
চাকরির পথ দেখাবে প্লাস্টিক টেকনোলজির কোর্স 

শৌণক সুর: প্লাস্টিক একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার হলেও বর্তমানে এটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশ্বে দূষণের একটি অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্লাস্টিকের ব্যবহার। বাজার করতে হলে প্লাস্টিকের ব্যাগ, মিষ্টির প্যাকেটও প্লাস্টিকের। জলের বোতল, দুধের প্যাকেট, এমনকী খাবার থালা-বাটি-গ্লাসও প্লাস্টিকের। দৈনন্দিন জীবনের একেবারে গভীরে ঢুকে গিয়েছে এর ব্যবহার। 
বিশদ

24th  February, 2020
ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠা পেতে এমবিএ 

বর্ণালী ঘোষ: এ রাজ্যের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ করার সুযোগ রয়েছে। এমবিএ করার জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসতে হয়। তাছাড়াও সর্বভারতীয় পরীক্ষাগুলির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে এমবিএ এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ম্যানেজমেন্ট (পিজিডিএম) পড়ে নেওয়া যায়। 
বিশদ

24th  February, 2020
দ্বাদশে বিজ্ঞান থাকলে চাকরিতে
একটু অগ্রাধিকার পাওয়া যায়

 কৌলিক ঘোষ: অনেকেই ভেবে নেন যে, একাদশ-দ্বাদশে যাদের বিজ্ঞান ছিল তারা নির্ঘাৎ ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করবে এবং সেইমতো প্রস্তুতির জন্য প্রশিক্ষণ নেবে প্রথম সারির কোনও কোচিং সেন্টার থেকে। এই ভাবনা কিন্তু মোটেই ঠিক নয়।
বিশদ

23rd  February, 2020
 কেরিয়ারের চোখা কথা

  সাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই। শিক্ষার ক্ষেত্রে এটাকে বলা যায় সাধ আছে কিন্তু মেধা নেই। কিন্তু অভিভাবকরা এটা তো কখনওই মানবেন না। কম নম্বর পেলে বলে বেড়াবেন খাতা দেখা হয়নি।
বিশদ

23rd  February, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাসপাতালের দরজায় দরজায় ঘুরে প্রায় বিনা চিকিৎসায় তরতাজা ছেলেকে হারানো বাবা-মা অবশেষে ন্যায়ের প্রতীক আদালতের দরজায় মাথা কুটে সামান্য হলেও বিচার পেলেন। ...

ওয়াশিংটন: চাপের মুখে অবশেষে বিদেশি পড়ুয়াদের দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটল ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে সরকার জানিয়েছে, অনলাইনে ক্লাস করা বিদেশি পড়ুয়াদের ভিসা বাতিল করে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত রদ করা হয়েছে। হার্ভার্ড ও এমআইটির দায়ের করা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এফসিআইতে বিভিন্ন পদে চাকরির টোপ দিয়ে এ রাজ্যের পঞ্চান্ন জন বেকার যুবকের কাছ থেকে পৌনে এক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। তারাতলা থানা এলাকার ব্রেস ব্রিজের বাসিন্দা প্রতারিত সুবোধকুমার সিংয়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি তদন্তে নেমেছে ...

সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: বাবা পেশায় দিনমজুর। আয় আছে, নেই সঞ্চয়। দিন আনা, দিন খাওয়া পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলেও একদিন ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজেকে দেখতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পড়শির ঈর্ষায় অযথা হয়রানি। সন্তানের বিদ্যা নিয়ে চিন্তা। মামলা-মোকদ্দমা এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেমে বাধা।প্রতিকার: একটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: সাহিত্যিক অক্ষয়কুমার দত্তের জন্ম
১৯০৩: রাজনীতিক কে কামরাজের জন্ম
১৯০৪: রুশ লেখক আস্তন চেকভের মৃত্যু
১৯৫৪: আর্জেন্তিনার ফুটবলার মারিও কেম্পেসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৬ টাকা ৭৬.১৭ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৩ টাকা ৯৬.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৮৮ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১, ৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২, ০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী ৪৩/৯ রাত্রি ১০/২০। ভরণী ২৯/৭ অপঃ ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৫/৪/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২০/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৩ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।  
৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী রাত্রি ৮/৪৩। ভরণী নক্ষত্র অপরাহ্ন ৪/৭। সূযোদয় ৫/৪, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৪ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।
২৩ জেল্কদ  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকে ষষ্ঠ অশোকনগরের অস্মি চৌধুরি চিকিৎসক হতে চায় 
মাধ্যমিকে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে অশোকনগর বাণীপিঠ ...বিশদ

01:46:07 PM

বিহারে রাজভবনের ২০ জন কর্মী করোনায় আক্রান্ত 

01:36:04 PM

মাধ্যমিকে সপ্তম চন্দননগরের সুহা ঘোষ ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে চায় 

01:35:35 PM

৭০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

01:32:50 PM

মাধ্যমিকে দশম জুনায়েদ হাসান চিকিৎসক হতে চায় 

01:29:42 PM

ময়নাগুড়িতে  ব্যারিকেড করে বিজেপির মিছিল আটকাল পুলিস 

01:27:50 PM