Bartaman Patrika
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
 

মারণ করোনা 

ভাইরাসটির গায়ে থাকা স্পাইক মানুষের শরীরের অবস্থিত রিসেপটরের সঙ্গে খাপে খাপ আটকে যায়। যার জেরেই এই মৃত্যুমিছিল বলে মনে করছেন বিজ্ঞানী-গবেষকেরা। লিখছেন কল্যাণকুমার দে...

করোনা ভাইরাসের দাপটে তটস্থ তামাম বিশ্ব। মারাত্মক এই চীনা ভাইরাসের পুরো নাম — নোভেল করোনা ভাইরাস বা ২০১৯-এনসিওভি। চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম মানুষের শরীরে এই নয়া সংস্করণের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নজরে আসে। তারপর চীনের প্রায় ১৪টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণ। এমনকী থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, মালয়েশিয়াতেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কিছু মানুষ। শুধুমাত্র চীনেই ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৭০০ জনের।
করোনা আক্রান্ত রোগীর প্রাথমিক লক্ষণগুলি হল, গলাব্যথা, জ্বর, মাথাব্যথা, ভয়ানক শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি। অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। আসলে চেনা উপসর্গের আড়ালেই ঘাপটি মেরে থাকে করোনা ভাইরাস। এর কামড় ভয়াবহ। সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা যায় না। উপসর্গগুলি প্রকট হতে ২ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে। এই ভাইরাসের মোকাবিলার উপায় বিজ্ঞানে এখনও অধরা।
ভাইরাস কী: ভাইরাস একপ্রকার আনুবীক্ষণিক বস্তু বা কণা। আর পাঁচটা জীবাণুদের মতো নয়। এরা অকোষীয়। স্বাধীন অবস্থায় জড় বস্তুর মতো আচরণ করে। অকোষীয় প্রকৃতির জন্যই ভাইরাস বাধ্যতামূলক পরজীবী যারা সুনির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া, উদ্ভিদ ও মানুষসহ নানান প্রাণীর দেহে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ও সংক্রামক রোগের জন্যে দায়ী। এরা স্বাধীন প্রজননে অক্ষম। অথচ জীবকোষে ঢুকলে এরা সজীব এবং স্ব-জননে সক্ষম হয়ে ওঠে। শেষে সংহার মূর্তি ধারণ করে পোষক কোষকে ধ্বংস করে দেয়।
করোনার বিশেষত্ব: প্রত্যেক ভাইরাস প্রোটিনের একটি আঁটসাঁট বহিরাবরণ দ্বারা পরিবৃত। একে ক্যাপসিড বলে। ক্যাপসিডের মোড়কের মধ্যে থাকে নিউক্লিক অ্যাসিড — ডিএনএ অথবা আরএনএ। করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে ক্যাপসিডের মধ্যে থাকে একটি একতন্ত্রী, পজিটিভ আরএনএ, যা কুণ্ডলীর মতো পাকিয়ে থাকে। আরএনএ থাকে বলে একে রেট্রোভাইরাসও বলে। করোনা ভাইরাসের জিনোমের আকৃতি মোটামুটিভাবে ২৬ থেকে ৩২ কিলেবেস। করোনা ভাইরাস কথাটি ল্যাতিন শব্দ থেকে এসেছে। করোনা নামটির অর্থ হল ‘মুকুট’ বা ‘সূর্যের জ্যোতির্বলয়’। কারণ ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে এদের চেহারাটা সেইরকমই দেখায়। চীনের নব্য প্রজাতির বা স্টেনের করোনা ভাইরাসটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘২০১৯ এনসিওভি। এর অর্থ হল, ২০১৯ সালে এই ভাইরাসের অস্তিত্বের কথা জানা গিয়েছে। ‘এন’ বা নোভেল যার অর্থ হল, নতুন বা অভিনব, ‘সিও’র অর্থ করোনা এবং ‘ভি’ হল ভাইরাস।
অন্যান্য প্রাণী ভাইরাসের মতো করোনা ভাইরাসে ক্যাপসিডে একটি অতিরিক্ত প্রোটিন-লিপিড-এর আবরণ বা এনভেলপ থাকে। এই আবরণের বাইরের দিকে ছোট ও বড় দু’ধরনের কাঁটার বা আলপিনের মতো অভিক্ষেপ থাকে। একে স্পাইক বলে। বড় স্পাইকগুলি গ্লাইকো প্রোটিন যৌগ দিয়ে তৈরি। ছোট স্পাইকগুলি হিমোগ্লুটিনিন প্রোটিন দিয়ে তৈরি। এই প্রোটিন অ্যান্টিজেন রূপে কাজ করে এবং মানুষের শরীরে প্রবেশের পর রক্তের লোহিত কণিকাগুলিকে পিণ্ডে পরিণত করে।
কীভাবে হানাদারি: প্রাণী ভাইরাসদের মধ্যে করোনা ভাইরাস ও তার অনেক আত্মীয়স্বজন মিলে তৈরি করে একটি বড় করোনা ভিরিডি পরিবার। তাদের প্রত্যেকেই কোনও না কোনও প্রাণীর দেহকে পোষক হিসাবে ব্যবহার করে নিজেদের প্রয়োজনে বংশবৃদ্ধির কাজটা সেরে নেয়। ভাইরাস কেবল সুনির্দিষ্ট পোষক কোষকেই আক্রমণ করে। এই বৈশিষ্ট্য ভাইরাসের ডিএনএ বা আরএনএ-তে অবস্থিত জিনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
এখানে প্রশ্ন, করোনা ভাইরাস কীভাবে এক সুনির্দিষ্ট প্রাণীদেহ থেকে সম্পর্কহীন নতুন প্রাণীদেহে বা মানুষের দেহে প্রবেশ করে? এর পিছনে রয়েছে ভাইরাসের পরিব্যক্তি। পরিবেশের নানান অবস্থায় ভাইরাসেরা অনুভূতিশীল এবং এই কারণেই তারা পরিবেশের পরিবর্তিত অবস্থার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়াতে পারে। ভাইরাসের এই ধর্মকেই বলা হয় পরিব্যক্তি। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই পরিব্যক্তিই করোনা ভাইরাসকে মনুষ্যমুখী অভিযোজনে সাহায্য করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জিনের কারসাজিও।
জিনগত পরিবর্তন বা মিউটেশন: করোনা ভাইরাসের পোষক বদল এবং ঘাতক হয়ে ওঠার পিছনে তাদের জিনগত পরিবর্তনটা অত্যন্ত আবশ্যিক। উদ্দেশ্য কিন্তু একটাই। নতুনই হোক বা পুরনো, ভাইরাস পোষক কোষের পরিকাঠামোকেই জবরদখল বা ছিনতাই করে। এরা নিজেদের প্রয়োজনে বংশবৃদ্ধির কাজটা সেরে নেয়। জিনগত পরিবর্তনই ভাইরাসের নানারকম গঠনগত পরিবর্তন ঘটায়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই পরিবর্তনের ফলে ভাইরাসের অভিক্ষেপেরও পরিবর্তন ঘটে।
সবরকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করে জিন। একাধিক জিনের একটি নির্দিষ্ট সজ্জাক্রম থাকে। এই সজ্জাক্রমের বা জিনের মূল ক্ষারীয় উপাদানের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পরিবর্তনের ফলে ঘটে যায় জিনগত পরিবর্তন এবং জীবের চরিত্রের রদবদল। করোনার ক্ষেত্রে জিনগত পরিবর্তনের আশঙ্কা কেন? পোষক পরিবর্তনের সূত্র ধরেই এসে পড়েছে করোনার জিনগত পরিবর্তনের বিষয়টা। বিশেষ করে প্রাণী ভাইরাসের ক্ষেত্রে জিনের পরিবর্তন অহরহই ঘটে। এই পরিবর্তনশীল এবং পরিব্যক্তিশীল ভাইরাসের জিনোম রহস্যই বিজ্ঞানীদের রীতিমতো মাথা ঘুরিয়ে দিচ্ছে।
প্রাণী ভাইরাসের ক্ষেত্রে ভাইরাস যখন পোষক কোষকে আক্রমণ করে, তখন ভাইরাস অভিক্ষেপের সাহায্যে পোষক-কোষের আবরণীতে অবস্থিত রিসেপটারের সঙ্গে আবদ্ধ হয়। পোষক বদলের সময় ভাইরাসের অভিক্ষেপের গঠন না বদলালে নতুন পোষক কোষের রিসেপটারের সঙ্গে আটকাবে না। ফলে ব্যর্থ হবে নতুন পোষক কোষে ঢোকার প্রচেষ্টা। কিন্তু সফল হলে আক্রমণ জোরদার হবে। এই সাফল্যই ভাইরাসকে ক্রমশ অচেনা করে তুলছে। করোনা তার বদলে যাওয়া গ্লাইকোপ্রোটিনের স্পাইকের সাহায্যে কোষপর্দায় অবস্থিত ‘অ্যানজিওটেনসিন কনভার্টিং এনজাইম ২’ বা এসিই-২ নামক রিসেপটরের সঙ্গে খাপে খাপ আটকে যায়। এই বিষয়টি ভাইরাসের পোষক কোষের ভিতরে প্রবেশ করাকে সুবিধা করে দেয়। পোষক কোষে আটকানোর পর ইনজেকশন প্রক্রিয়ায় ভাইরাস তার শুধুমাত্র আরএনএ কোষের ভেতরে পাঠিয়ে দেয় অথবা এন্ডোসাইসিস প্রক্রিয়ায় আস্ত ভাইরাসই ঢুকে যায়। পরে ক্যাপসিড অংশ অপসারিত হয়। এরপর একতন্ত্রী পজিটিভ আরএনএ থেকে একতন্ত্রী নেগেটিভ আরএনএ তৈরি হয়। সেটাকেই ছাঁচ হিসেবে ব্যবহার করে পোষক কোষের সমন্বয়ী কৌশলকে কাজে লাগিয়ে ফোটোকপির মতো অসংখ্য পজিটিভ একতন্ত্রী আরএনএর প্রতিলিপি তৈরি করে।
একইসঙ্গে নতুন ক্যাপসিড প্রোটিনও উৎপন্ন হয়। অবশেষে নতুন ক্যাপসিড এবং নতুন আরএনএ একত্রিত হয়ে নতুন ভাইরাস তৈরি করে। পরিণত ভাইরাস কণাগুলি পোষক কোষ থেকে বের হয়ে আবার অন্য কোষগুলিকে আক্রমণ করে। আক্রমণের মাত্রা যত বাড়তে থাকে তত পোষকের দেহে রোগের উপসর্গগুলি প্রকাশ পায়।
করোনার ইতিহাস: ২০০২-২০০৩ সালে ‘সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম’ (এসএআরএস) বা সার্স-এর সংক্রমণে দুনিয়াজুড়ে প্রায় ৮০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তার পিছনেও ছিল করোনা ভাইরাস। চীনের এই ভয়ঙ্কর নয়া করোনা ভাইরাস সেই সাবেক করোনা ভাইরাসেরই এক নতুন সংস্করণ বা জ্ঞাতি। তারই দাপটে ছড়াচ্ছে এই বিশ্বত্রাস। তাই সার্স-এর তুতোভাই বলে ভাবা হচ্ছে হালের করোনা ভাইরাসকে। আপাতত এটিকে ‘২০১৯-এনসিওভি’ নামে ডাকা হচ্ছে। তবে এখনই নয়া ভাইরাসটিকে ‘সার্স’-এর মতো বিপজ্জনক ভাবার কোনও কারণ নেই বলেই মনে করছেন চিকিৎসসকেরা। কিন্তু এদের গঠন, বৈশিষ্ট্য, অভিযোজন ক্ষমতা বা সংক্রমণের মাধ্যমের মতো বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে জানা নেই। আর এখানেই আশঙ্কা। কারণ কীভাবে এই ভাইরাসের প্রকোপকে ঠেকানো যাবে, তা নিয়ে অন্ধকারে চিকিৎসক-গবেষকরা।
২০১২ সালের মিডল-ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা ‘মার্স’ নামে এক ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাস ঘটিত রোগ ধরা পড়ে সৌদি আরবে। এ রোগের মূলেও ছিল করোনা ভাইরাস। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি বলে, একে মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বলা হয়। মানুষজন ও মাল বহনকারী উটেরাই ছিল এই ভাইরাসের বাহক।

চীনের উহানের এক রিপোর্টে পর্যটকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, অসুস্থ মানুষদের থেকে দূরে থাকুন, বিশেষ করে যাঁদের মধ্যে এ ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যদি আপনি সফর করেন, তবে নিউমোনিয়া বা সর্দি, নাক থেকে জল পড়ছে, কাশি হচ্ছে এমন মানুষ থেকে দূরে থাকুন। সম্ভবত হাঁচি বা কাশি থেকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনা ভাইরাস। কিন্তু এর প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার করলেই মুক্তি পাওয়া যাবে না। তবে ‘এন-৯৫’ মাস্ক ব্যবহার করলে ভাইরাল সংক্রমণে কিছুটা লাগাম টানা যেতে পারে।
এ ব্যাপারে ‘সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ (সিভিসি) এবং ‘ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন’ (হু)-এর মতো স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি পরামর্শ দিয়েছে, হাত না ধুয়ে কেউ যেন তাঁদের নাক, চোখ, মুখে যেন হাত না দেয়। সাবান ও জল দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত রগড়ে পরিষ্কার করা উচিত। খামার ও জীবিত পশুদের থেকে দূরে থাকুন।
নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিতে চীন থেকে আসা যাত্রীদের জন্যে অভিবাসন জায়গায় থার্মাল ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এর সাহায্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শণাক্ত করা হচ্ছে। সমস্ত সজীব বস্তুর দেহ থেকে অবলোহিত শক্তি বা তাপ নির্গত হয়। থার্মাল ক্যামেরার ভেতরে যে তাপ সেন্সর থাকে তা মুহূর্তের মধ্যে সেই তাপমাত্রা মেপে নিয়ে ডিসপ্লে স্ক্রিনে তার একটি তাপচিত্র দেখিয়ে দেয়। সেই তাপমাত্রা যদি দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে বেশি হয় তাহলে বোঝা যাবে কোনও সংক্রমণের দরুণ শরীরে জ্বর বা তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটেছে। এভাবেই দেহের তাপমাত্রার ভিত্তিতে অসুস্থ মানুষকে আলাদা করা হয় এবং পরবর্তী চিকিৎসার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা যায়। তবে, এ রোগে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই, নেই কোনও ভ্যাকসিনও।
(লেখক হুগলি মহসিন কলেজের প্রফেসর, ডব্লুবিএসইএস) 
09th  February, 2020
হোয়াটস অ্যাপে চালু হয়ে গেল ডার্ক মোড 

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ডার্ক মোড লঞ্চ করল হোয়াটসঅ্যাপ। সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপেই পাওয়া যাবে নতুন এই অপশন। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই ডার্ক মোড লঞ্চ করে সংস্থা।   বিশদ

10th  March, 2020
পৃথিবীর দ্বিতীয় চাঁদ 

উপগ্রহের সংখ্যায় মঙ্গল গ্রহের সমকক্ষ হয়ে উঠল পৃথিবী। আমাদের গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা আর এক নয়। নীল গ্রহকে ঘিরে পাক খাচ্ছে আরও একটি চাঁদ। সম্প্রতি বিষয়টি নজরে আসায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে। যদিও, আকারে ও ঔজ্জ্বল্যে চাঁদের ধারেকাছেও আসতে পারবে না উপগ্রহটি। আসলে এটি একটি গ্রহাণু।  
বিশদ

08th  March, 2020
অক্সিজেন ছাড়াই জীবনধারণ,
সন্ধান মিলল নতুন প্রাণীর 

অক্সিজেন ছাড়া কোনও প্রাণী বাঁচতে পারে না। কিন্তু, বর্তমানে কয়েকজন বিজ্ঞানী এমন এক প্রাণী খুঁজে পেয়েছেন, যা অক্সিজেন ছাড়াও বহাল তবিয়তে থাকতে পারে। এই আবিষ্কার প্রাণীজগৎ সম্পর্কে ধারণা তা আমূল বদলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। 
বিশদ

08th  March, 2020
সূর্যের রহস্যভেদে সোলার অরবিটর 

সূর্যের মেরু অঞ্চলের ছবি তুলতে মহাকাশে পাড়ি দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ) তৈরি নতুন মহাকাশযান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ফ্লোরিডার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে অ্যাটলাস-৫ রকেটে চেপে সূর্যের উদ্দেশে পাড়ি দেয় নাসার এই সোলার অরবিটর। 
বিশদ

08th  March, 2020
বোস থেকে বোসন: কোয়ান্টাম
ইন্ডিয়ান সত্যেন্দ্রনাথ বসু 

গত মাসেই গিয়েছে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার পথিকৃৎ সত্যেন্দ্রনাথ বসু। এই বিশ্বের অর্ধেক কণাই তাঁর নামাঙ্কিত — বোসন কণা। বাকি ফের্মিয়ন। যতদিন এই পৃথিবীতে আলো থাকবে, ততদিনই ফোটন থাকবে। ততদিনই থাকবে বোসন। আর ততদিনই বোসন স্রষ্টা আলো হয়ে থাকবেন। তাঁর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। লিখছেন বিনয় মালাকার... 
বিশদ

08th  March, 2020
মোবাইলে গেম ডাউনলোড করার কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট 

জেন ওয়াই প্রজন্ম ভীষণ গেম খেলতে ভালোবাসেন। বাসে-ট্রেনে-ট্রামে প্রায় সব জায়গাতেই মোবাইল হাতে গেম খেলতে দেখা যায় তাঁদের। অ্যান্ড্রোয়েড প্লে-স্টোর বা আইফোনের অ্যাপ স্টোর থেকে তাঁরা বেশিরভাগ গেম ডাউনলোড করে থাকেন। কিন্তু, এমন কিছু গেম রয়েছে, যা প্লে-স্টোরে পাওয়া যায় না।  
বিশদ

09th  February, 2020
চলতি বছরেই বাজারে আসছে ১১৭টি ইমোজি 

ইমোজি। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপের যুগে যা ছাড়া আমরা চলতেই পারি না। শব্দের বদলে ইমোজি দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করাতেই স্বচ্ছন্দ নতুন প্রজন্ম। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই প্রতিবছর নতুন নতুন ইমোজি বাজারে নিয়ে আসে ‘ইউনিকোড কনসর্টিয়াম’। এই সংস্থাটি নতুন ইমোজি বাজারে আনার ছাড়পত্র দেয়।
বিশদ

09th  February, 2020
এবার থেকে মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর দেবে সরকার 

আরও বেশি গ্রাহক সুরক্ষা, না কি তার আড়ালে নজরদারি? এবার থেকে মোবাইলে আইএমইআই নম্বর দেবে ভারত সরকারই। এতদিন ১৫ সংখ্যার এই নম্বর সরবরাহ করতো আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘জিএসএমএ’। ভারতে এই সংস্থার হয়ে মোবাইল স্ট্যান্ডার্ড অ্যালায়েন্স অব ইন্ডিয়া (এমএসএআই) আইএমইআই সংক্রান্ত সমস্ত কাজকর্ম চালাত। 
বিশদ

09th  February, 2020
 টিভির ভোলবদল

 শৌণক সুর: বর্তমান যুগে টিভি ছাড়া বাড়িতে থাকাই দায়। সারাদিন পর বাড়িতে ফিরেই সুইচ অন করে বোকাবাক্সের সামনে বসে পড়া যেন নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আশির দশকে টিভিতে খবর সম্প্রচার ছাড়া বিনোদনের তেমন কোনও অনুষ্ঠানই ছিল না। বিশদ

27th  January, 2020
এই বোস সেই বোস নয়

মৃণাল শীল: আমরা দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র বসুর ছাত্রাবস্থার একটি ঘটনার সঙ্গে সকলেই পরিচিত। সেটি হল, প্রেসিডেন্সি কলেজের ইতিহাসের এক ইংরেজ অধ্যাপক ওটেন সাহেব এক বাঙালি ছাত্রকে বিনা কারণে অপমান করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয় গোটা প্রেসিডেন্সি কলেজ।  
বিশদ

12th  January, 2020
অদৃশ্য ক্যামেরার ফোন!

রোটেটর, পপ আপ, আন্ডার ডিসপ্লে ক্যামেরার স্মার্টফোনের দুনিয়ায় নতুন সংযোজন। ছবি তোলার পরই অদৃশ্য হয়ে যাবে ক্যামেরা। এমনই অভিনব প্রযুক্তির স্মার্টফোনের আত্মপ্রকাশ করল ওয়ান প্লাস। সম্প্রতি লাস ভেগাসে আয়োজিত ‘কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্স শো’-তে (সিইএস ২০২০) মডেলটি প্রকাশ্যে এনেছে ওয়ান প্লাস।
বিশদ

12th  January, 2020
রোদ্দুর ছুঁতে সূর্যের দেশে পাড়ি দিচ্ছে ভারত 

বিনয় মালাকার: চাঁদের পর এবার সূর্য। পরপর দু’বার চন্দ্র অভিযানের সাফল্যের পর ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বা ইসরোর এখন লক্ষ্য সূর্য। সূর্যের অগ্নি বলয়ে হয়তো পৌঁছনো সম্ভব হবে না, তবে সূর্যের অনেকটাই কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চালানো হবে।  
বিশদ

12th  January, 2020
সেরা কিছু প্রযুক্তিগত উন্নতি 

১০৮, ৪৮ ও ৬৪ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা: মোবাইল ক্যামেরার অগ্রগতি ডিএসএলআর জগৎকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বে প্রথমবার ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর বাজারে নিয়ে এসেছে স্যামসাং।  বিশদ

29th  December, 2019
এ বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব 

২০১৯ সালে বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে অবদান রাখা ব্যক্তিদের মধ্যে এক ঝলকে খুঁজে নেওয়া কয়েকজন...  বিশদ

29th  December, 2019
একনজরে
 রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ৮ এপ্রিল: প্রতিদ্বন্দ্বী রেবেক্কা লং-বেইলি এবং বাঙালি বংশোদ্ভূত লিসা নন্দীকে হারিয়ে লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হয়েছেন স্যার কিয়ের স্টারমার। দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে ৫৬.২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোনামুখীর পাঁচালের ঐতিহ্যবাহী গাজন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের কারণে যে কোনওরকম জমায়েত বন্ধের নির্দেশ রয়েছে। তা মেনে এবারের গাজন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।  ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: লকডাউন ভেঙে বিনাকারণে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর অপরাধে কুমারগ্রাম ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিস গত তিনদিনে ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরে সিংহভাগ মানুষই নিজেদের ঘরবন্দি করে ...

  নয়াদিল্লি, ৮ এপ্রিল: দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যেও ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এর মধ্যে একটা বড় অংশের সংক্রমণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রক দায় চাপিয়েছে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশের উপর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পঠন পাঠনে আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তিদের যোগ। বিশেষত সরকারি বা আধা সরকারি ক্ষেত্রে যোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৬: বাংলার নবাব হলেন সিরাজউদ্দৌলা
১৮৯৩: লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের জন্ম
১৮৯৮: গায়ক পল রবসনের জন্ম
১৯৪৮: অভিনেত্রী ও রাজনীতিক জয়া বচ্চনের জন্ম
২০০৯: পরিচালক শক্তি সামন্তের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.২৯ টাকা ৭৭.০১ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৮ টাকা ৯৫.৩৪ টাকা
ইউরো ৮১.১২ টাকা ৮৪.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৫ চৈত্র ১৪২৬, ৯ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, (চৈত্র কৃষ্ণপক্ষ) দ্বিতীয়া ৪৮/৪ রাত্রি ১২/৩৯। স্বাতী ৪৭/৩ রাত্রি ১২/১৫। সূ উ ৫/২৫/৩৫, অ ৫/৫০/৫৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৬ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৮ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৬ চৈত্র ১৪২৬, ৯ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, প্রতিপদ ১/৫৮/২৮ প্রাতঃ ৬/১৪/১৮ পরে দ্বিতীয়া ৫৬/২১/৪০ রাত্রি ৩/৫৯/৩৫। স্বাতী ৫৫/৯/৩৯ রাত্রি ৩/৩০/৪৭। সূ উ ৫/২৬/৫৫, অ ৫/৫১/৪৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৬ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৪/১৮/৩৭ গতে ৫/৫১/৪৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৯/১৯ গতে ১/৬/১৩ মধ্যে।
১৫ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বজবজের সেতনায় একটি বন্ধ কারখানায় আগুন, অকুস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

07:52:07 PM

মধ্যপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৩৯৭
মধ্যপ্রদেশে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯৭ জন। মৃত্যু ...বিশদ

07:34:53 PM

বিশ্বে সুস্থ হয়ে গিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ করোনা রোগী
বিশ্বে একদিকে যেমন হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, তেমনই ...বিশদ

07:02:12 PM

করোনা: মুম্বইতে আরও ৭৯ জন আক্রান্ত
মুম্বতে আরও ৭৯ জনের শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস মিলল। এর জেরে ...বিশদ

06:54:36 PM

২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৫৯১, মৃত ২০
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৯১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ...বিশদ

05:43:09 PM

করোনায় আক্রান্ত হাওড়া হাসপাতালের সুপার সহ ২
 

হাওড়া হাসপাতালের সুপার নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ...বিশদ

05:20:09 PM