Bartaman Patrika
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
 

আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স
দেবজ্যোতি রায়

গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যালেক্সা, সিরি...
না, রামু, বাদল, ভোলার মতো কোনও ধুতি পরা, গামছা কাঁধে সদা তটস্থ বেয়ারা নয়। আজকের তথ্যপ্রযুক্তির জমানায় আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধি) সম্পন্ন হেল্পার বা স্মার্ট সহায়ক। শারীরিক অস্তিত্বহীন এই অ্যাসিস্ট্যান্ট শুধু গ্রাহকের কমান্ড মেনে কাজই করে না, আগে থেকে বলে রাখা হুইপ যথাসময়ে সঠিকভাবে করে রাখে। আবার সেই কাজ সুসম্পন্ন হয়ে গেলে অতীতের করে আসা কাজ সম্পর্কিত কিছু করতে হবে না কি না তাও প্রভুকে জিজ্ঞাসা করে নেয়। অর্থাৎ, গ্রাহকের সেবায় নিবেদিত প্রাণ। আর এ সবই করে তার নিজের বুদ্ধি বা মেধা খাটিয়ে। নিউরোন বা স্নায়ু দ্বারা গঠিত কোনও রক্তমাংসের ব্রেন নয়, প্রযুক্তি বা মাইক্রো চিপ দিয়ে তৈরি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) সাহায্যে। বাংলায় কৃত্রিম মেধা। বাংলাদেশে যখন সোফিয়া রোবটের আগমন হয় তখন কমবেশি সবাই এআই-এর নাম শুনেছে।
লেখা শুরুর উপরের তিনটি নাম শুধুমাত্র গুগল, অ্যামাজন এবং অ্যাপলের তৈরি অ্যাসিস্ট্যান্টের। এআই নিয়ে বিজ্ঞানী, টেকনোক্র্যাটদের উন্নতর গবেষণা এবং সাফল্য সেই প্রযুক্তিকে আমাদের বর্তমান জীবনের সঙ্গে এক সারিতে জুড়ে দিয়েছে। বিশেষ করে আজকের ইন্টারনেট-টেলিফোনির যুগে। ইন্টারনেট প্রজন্মের (থ্রি-জি, ফোর-জি, ফাইভ-জি) উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সেই এআই নির্ভর প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকারিতা বেড়ে চলেছে। সে ইন্টারনেট সার্চ থেকে মোবাইলে অ্যালার্ম দেওয়াই হোক, বা টেক্সট ট্রান্সলেট (এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় অনুবাদ) থেকে সংবাদ পরিবেশন এবং সর্বোপরি রাস্তার সিগন্যালে ট্র্যাফিক পরিষেবা বা সীমান্তে পাহাড়া।
আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কী: প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে মেশিনকে বুদ্ধিমান করে তোলাই হল আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম মেধা। এটি হল এক ধরনের সফটওয়্যার টেকনোলজি, যা রোবট বা কম্পিউটারকে মানুষের মতো কাজ করায় এবং ভাবায়। যেমন, কারও কথা বুঝতে পারা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, দেখে চিনতে পারা ইত্যাদি ইত্যাদি। এককথায় মেশিন লার্নিং।
সৃষ্টির ইতিহাস: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পথচলা শুরু ১৯৪০ সালে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই সময় ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টুরিং এবং নিউরোলজিস্ট গ্রে ওয়াল্টার বুদ্ধিমান মেশিন এবং তার বিভিন্ন সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা দেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি কোড ভাঙাটা খুবই জরুরি ছিল। কিন্তু পারা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত পারলেন অ্যালান টুরিং। ব্রিটিশ সরকার আইন করে তাদের নাৎসি কোড ভাঙার তথ্য সারা পৃথিবীর কাছে গোপন রাখতে চেয়েছিল।
কিংস কলেজ থেকে গণিতে ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে অনার্সে উত্তীর্ণ হন টুরিং এবং ফেলোশিপ পান। তিনি মনে করতেন, যেকোনো গণনাযোগ্য গাণিতিক সমস্যাই সমাধানযোগ্য। যদি তা এলগরিদমে দেওয়া হয়। এই সমাধানের জন্য ‘ইউনিভার্সাল টুরিং মেশিন’ নামে একটি ‘হাইপোথেটিক্যাল’ যন্ত্র তৈরি করেন টুরিং। এই মেশিনের আধুনিক রূপই হচ্ছে আজকের কম্পিউটার। প্রিন্সটন থেকে পিএইচডি করার সময় টুরিং ‘ক্রিপ্টোলজি’ নিয়েও পড়াশোনা করেন।
টুরিং তখন ব্রিটিশ কোড ব্রেকিং সংস্থায় কাজ করছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সে সময় ধ্বংসাত্মক আকার নিয়েছে। আক্রান্ত পোল্যান্ড তখন বাধ্য হয়েই সাহায্যের আশায় উদ্ধার করা জার্মান এনিগমার তথ্যাবলি ব্রিটিশদের সরবরাহ করে। এনিগমা হলো একটি গোপন বার্তা প্রেরণকারী যন্ত্র। যার মাধ্যমে জার্মানরা রেডিও সঙ্কেত দিয়ে দুর্বোধ্য কোডে সৈন্যদের কাছে আক্রমণের নির্দেশিকা পাঠাত। কোডগুলি মিত্রবাহিনী পেলেও তা ভাঙতে পারছিল না ব্রিটিশরা।
এনিগমার গোপন বার্তা উদ্ধারকাজে তখন ক্রিপ্টো বিশেষজ্ঞ টুরিংকে কোড ব্রেকিং কার্যালয়ে ডাকা হলো। এনিগমার কোড ভাঙার জন্য যে ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্রের প্রয়োজন ছিল, সেটা ‘বোম্বা’ নামের যন্ত্রটি পোলিশদের কাছ থেকেই পাওয়া। টুরিং ভাবলেন, ‘মানুষের দ্বারা এনিগমাকে হারিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। বরং একটি যন্ত্রের পক্ষেই সেটি সম্ভব। টুরিং ও গর্ডন ওয়েলচের যৌথ চেষ্টায় ‘বোম্বা’কে ভিত্তি করে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক যন্ত্র তৈরি হল। নাম ‘বোম্বে’। এনিগমার সব কোডের ভেতর পরিচিত শব্দ খোঁজার চেষ্টা করত ‘বোম্বে’। এভাবেই জার্মান এনিগমার গোপন তথ্য উদ্ধার করে ক্রিপ্টোগ্রাফি জগতের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিলেন টুরিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে ‘বোম্বে’ একে একে জার্মান সেনাবাহিনীর সব এনক্রিপ্টেড তথ্য ভাঙতে শুরু করে। আটলান্টিকে নাৎসিদের হেরে যাওয়ার ঘটনাটিও ঘটে বোম্বের অভাবনীয় সাফল্যের কারণেই।
১৯৪৮ সালের দিকে ‘টুরিং টেস্ট ও যন্ত্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ নিয়ে কাজ শুরু করেন টুরিং। এই টেস্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল অনুলিপিকরণ পরীক্ষা। অর্থাৎ ‘ইমিটেশন গেম’। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় পাশাপাশি দুটি রুমের কথা। একটিতে একজন মানুষ, আরেকটিতে রয়েছে একটি যন্ত্র। ঠিক করা হয়, বৌদ্ধিক বিভিন্ন প্রশ্ন লিখে পাঠালে এর জবাব ওই দুই রুম থেকেই লিখিতভাবে আসবে। কোনো শব্দ বা কণ্ঠের ব্যবহার করা যাবে না। যন্ত্রটির উত্তর মানুষের কাছাকাছি হলেই বুঝতে হবে তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে।
আমরা প্রতিনিয়তই এই টুরিং টেস্টের মুখোমুখি হচ্ছি। যেমন ক্যাপচা রিকগনিশন করার সময় আমরা রোবট না মানুষ, তার পরীক্ষা হয় এ টুরিং টেস্টের মাধ্যমেই। যন্ত্র বা রোবট ক্যাপচার অক্ষরের ক্যাপিটাল বা স্মল লেটার যাচাই করতে পারে না। একটি যন্ত্র বিভিন্ন ‘ট্রিকি’ প্রশ্নের, অর্থাৎ যেখানে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন পড়ে, সেসব উত্তরগুলো দিতে পারে না। কোনও যন্ত্র কী চিন্তা করতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাই ছিল এ টেস্টের মূল উদ্দেশ্য। একটি যন্ত্র বা রোবট কখনোই তার সঠিক অনুভূতির উত্তর লিখতে পারবে না। এর মাধ্যমেই মানুষ থেকে যন্ত্রের পার্থক্য করা সম্ভব। টুরিং টেস্ট সে হিসেবে আজও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কোনও যন্ত্র পায়নি।
এরপর সময়ের বিবর্তনের সঙ্গে মার্কিন কম্পিউটার ও কগনিটিভ বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটি ব্যবহার করেন। এমনকী, এআই প্রযুক্তির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনিই। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দুনিয়ায় আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আজ ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। ইন্টারনেট নির্ভর স্মার্ট ডিভাইসগুলিতে এআইয়ের ব্যবহার রমরমা।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে মোটামুটি তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়
১. উইক এআই (Narrow AI): এই ইন্টেলিজেন্স শুধুমাত্র নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কাজ করতে পারে। বর্তমানে আমরা এই ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করছি।
২. স্ট্রং এআই (Artificial General Intelligence): মেশিন বা কম্পিউটার যখন মানুষের মতো কাজ করতে পারবে তখন তাকে বলা হবে স্ট্রং এআই।
৩. সিঙ্গুলারিটি (Super Intelligence): এটা হল এমন একটা ইন্টেলিজেন্স যা কিনা সবচেয়ে প্রতিভাধর মানুষের ক্ষমতাকেও অতিক্রম করবে।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, কৃত্রিম মেধার সুবাদে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানুষের থেকে ভাল পরিষেবা দিতে পারবে যন্ত্র। মানুষের অনেক কাজ করবে তারা। আজকের প্রজন্ম তাদের স্মার্ট ফোনে এআই প্রযুক্তি নির্ভর গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা সিরি-কে ব্যবহার করছে। চ্যাটিং করতে হলে আর কষ্ট করে টাইপ করতে হচেছ না। মুখে বলে দিলেই অ্যাসিস্ট্যান্ট তা লেখায় রূপ দিয়ে দিচ্ছে। তা ইংরেজি, হিন্দি বা বাংলা যে ভাষাতেই হোক না কেন। বন্ধুর নাম বলে ফোন করো বলতেই, তার সঙ্গে ফোন কানেক্ট করে দিচ্ছে। অ্যালেক্সা একটি গান শোনাও বললে সে জিজ্ঞাসা করছে কোন গান, কী গান, কার গাওয়া ইত্যাদি। তাই বলে শুধু স্মার্ট ফোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এআইয়ের দাপট।
কোথায় কাজ করছে কৃত্রিম মেধা: এআই প্রযুক্তির ব্যবহার হওয়া ক্ষেত্রগুলি হল —
স্মার্ট গাড়ি ও ড্রোন: স্বয়ংক্রিয় তথা চালকহীন গাড়ির স্বপ্নকে বাস্তবের রূপ দিয়েছে এআই। সেক্ষেত্রে নজির তৈরি করেছে মার্কিন গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা টেসলা। এআই নির্ভর এই গাড়ি বুঝতে পারে কী করে, কখন ব্রেক মারতে হয়, কীভাবে বদলাতে হয় রাস্তার লেন এবং কীভাবে দুর্ঘটনা এড়াতে হয়। এছাড়া নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে এই গাড়ি ঘুরতে এবং ম্যাপ ব্যবহারও করতে পারে। বর্তমানে আমেরিকাতে ৫০ হাজারেরও বেশি টেসলার এই গাড়ি চলছে। আবার অ্যামাজন ও ওয়ালমার্টের মতো বহুজাতিক সংস্থা তাদের পণ্য গ্রাহকের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কাজে ড্রোন ব্যবহার করছে। একইভাবে মাল পরিবহণের জন্য ব্রিটেনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাক পরিষেবার কাজ শুরু করেছে ব্রিটেনের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি)।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আপডেট: আমরা ফেসবুক, ট্যুইটার, ইনস্টাগ্রাম বা শেয়ার চ্যাটের মতো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করলেও বুঝতে পারি না কীভাবে একের পর এক আপডেট আমাদের কাছে আসছে! তা সে পরিচিত ব্যক্তিকে খোঁজাই হোক বা ফ্রেন্ডস সাজেশান। একটা কিছু লাইক, শেয়ার করলেই সেই সম্পর্কিত আরেকটা নিমেষে হাজির হয়ে যায়। সবকিছুই গ্রাহকের অচিরে হচ্ছে কৃত্রিম মেধার দৌলতে। আমাদের পছন্দ-অপছন্দ, চাহিদা, মেলামেশা ইত্যাদি বুঝে ‘কাস্টমাইজড’ (ব্যক্তি বিশেষের জন্য নির্দিষ্ট) আপডেট পাঠাতে থাকে এআই প্রযুক্তি।
মিউজিক ও মিডিয়া: কেউ যখন স্পটিফাই, নেটফ্লিক্স বা ইউ টিউব ব্যবহার করে, গ্রাহকের জন্য পুরো সিদ্ধান্তই নেয় এআই। একজন যদি মনে করে সে বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করছে বা তার নিয়ন্ত্রণে পুরো মিডিয়া চলছে, তা একেবারে ভুল। কারণ, একটি গান শুনতে শুনতে বা একজন শিল্পীকে খোঁজার সময় ‘রিলেটেড’ বা ‘সাজেস্টেড’ গান বা শিল্পী চলে আসে। একইভাবে আজকের জনপ্রিয় পাবজি, সিএস গো বা ফোর্টনাইট-এর মতো উন্নত ভিডিও গেমে এআই ব্যবহার সফল।
অনলাইন বিজ্ঞাপন: এআই প্রযুক্তির একটা বড় গ্রাহক হল অনলাইন বিজ্ঞাপন সেক্টর। এ ক্ষেত্রে এআই শুধু ইন্টারনেট সার্চকারী ব্যক্তিদের উপর নজর রেখে তথ্য তল্লাশি করে তাই নয়, গ্রাহকদের পছন্দ-অপছন্দ বিচার করে সেইমতো তাঁদের সামনে বিজ্ঞাপন হাজির করে। ফলে বিশ্বব্যাপী অনলাইন বিজ্ঞাপনের ব্যবসা ২৫ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে।
নেভিগেশন এবং ট্রাভেল: ম্যাপের পুরোটাই এআই প্রযুক্তিচালিত। যখন গুগল, অ্যাপেল বা অন্য সংস্থার ম্যাপ ব্যবহার করে আমরা ক্যাব বুকিং করি, তখন এআই বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে রাস্তার সেই সময়ের যানজট বা ভাড়া সম্পর্কে আমাদের জানায়।
ব্যাঙ্ক পরিষেবা: বর্তমানে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার একটা বড় অংশ কৃত্রিম মেধা। কোনও একটা লেনদেন করলে আমরা তৎক্ষণাৎ যে এসএমএস বা ইমেল অ্যালার্ট পাই, তা চালনা কার এই এআই প্রযুক্তি। এইভাবে প্রতিটি গ্রাহকের লেনদেন, লগ্নি, প্রতারণা রোধে নীরবে কাজ করছে এআই।
স্মার্ট হোম ডিভাইস: নিত্যদিনের ব্যবহার্য স্মার্ট হোম ডিভাইস বা যন্ত্রগুলিতে ব্যাপকভবে ব্যবহার হচ্ছে এআই। আমাদের ব্যবহার, পছন্দ-অপছন্দ বুঝে সেই প্রযুক্তি নিজেই সংশ্লিষ্ট যন্ত্রের সেটিংস পরিবর্তন করছে এবং গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আগেই গুগলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, স্মার্ট টিভি, স্মার্ট রেফ্রিজেরাটর, স্মার্ট এসি, স্মার্ট মাইক্রোওয়েভের কথা উল্লেখ করা যায়।
নিরাপত্তা ও নজরদারি: এই মুহূর্তে সবথেকে বেশি কৃত্রিম মেধা ব্যবহার হচ্ছে এক্ষেত্রে। ড্রোন তো ছেড়েই দেওয়া যাক। নজরদারির কাজে বিভিন্ন পয়েন্টে লাগানো হাজার হাজার ক্যামেরা থেকে লক্ষ লক্ষ তথ্য একটা নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্লেষণ করা এআই ছাড়া মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এআই নির্ভর অবজেক্ট রিকগনিশন বা ফেস রিকগনিশনের মতো প্রযুক্তি প্রতিদিন উন্নত হচ্ছে।
বিজনেস ম্যানেজমেন্ট: আজকের জনপ্রিয় অনলাইনে কেনাকাটা বা ই-কমার্সে ব্যবহার হচ্ছে এআই। যার জেরে গ্রাহক ঠিক কী চইছে সেই পণ্য দ্রুত খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। একঝাঁক পণ্য বা পরিষেবার মধ্যে থেকে বেছে বেছে গ্রাহকের সামনে তুলে ধরা। আমাদের পছন্দ-অপছন্দ, চাহিদা, মেলামেশা ইত্যাদি বুঝে ‘কাস্টমাইজড’ (ব্যক্তি বিশেষের জন্য নির্দিষ্ট) আপডেট পাঠাতে থাকে এআই প্রযুক্তি।
বিতর্ক যেখানে: এত সুবিধার পরেও এআই নিয়ে বিশ্বজোড়া বিতর্ক একটাই — আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ফলে বিভিন্ন সংস্থায় মানুষের কর্মসংস্থান কমে যাবে না তো? একটি সমীক্ষা অনুযায়ী আইটি বা তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার ২০ থেকে ৩৫ শতাংশ চাকরি সঙ্কটে। ম্যাককিন্সলে গ্লোবাল ইন্সস্টিটিউট তার সমীক্ষায় জানিয়েছে, অটোমেশন (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স+মেশিন) বা স্বয়ংক্রিয়তার ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৪০-৮০ কোটি মানুষ চাকরি হারাবে। এবং প্রায় ৩০ কোটি ৭৫ লক্ষ মানুষকে বেছে নিতে হবে অন্যকাজ। একইভাবে ন’য়ের দশকের গোড়ার দিকে কম্পিউটার আগমনের সময় কাজ হারানোর ভয়ে মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছিল ‘কম্পিউটারফোবিয়া’। যদিও, এই ভয় ও উদ্বেগের মধ্যে সব ক্ষেত্র্রেই দেখা গিয়েছে, প্রযুক্তির বদল যত না কর্মসংস্থান নষ্ট করেছে, তার থেকে বেশি চাকরি সৃষ্টি করেছে। কারণ, স্বয়ংক্রিয়তার ফলে যখন একটি নির্দিষ্ট কাজ দ্রুত, সহজ ও সস্তা হয়ে যায়, তখন সেই কাজের বাকি দিকগুলি সম্পন্ন করতে প্রয়োজন হয়ে পড়ে আরও বেশি মানবসম্পদের।
এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈকত মৈত্র বলেন, ‘এতে যোগ্যতার মানন্নোয়ন হবে। ফলে সৃজনশীলতা তথা উৎপাদন বাড়বে। কমবে পণ্য উৎপাদনের খরচ। যার জেরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। দূর হবে বৈষম্য। উন্নত হবে জীবনযাত্রার মান। স্বচ্ছতা বাড়বে। উন্নতি হবে দেশের অর্থনীতির।’ কর্মহীন হওয়ার উৎকণ্ঠা দূর করতে কম্পিউটার আসার কথা তুলে ধরেন তিনিও। সৈকতবাবুর কথায়, ‘কৃত্রিম মেধার ফলে নতুন ধরনের কাজ সৃষ্টি হবে। মানুষ কল্পনা, বুদ্ধিমত্তা ও সৃজশীলতার উপর কাজ করবে। কায়িক পরিশ্রমের কাজ অবলুপ্তি হবে। মাথার কাজ বাড়বে। এতে কাজের পরিধি বাড়বে। সময় বেঁচে যাওয়ার ফলে সেই মূল্যবান সময় অন্য কাজে লাগানো যাবে।’
সে কারণেই আরেক অংশের মতে, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ফলে তৈরি হবে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ নতুন নতুন চাকরি। নিম্ন বা মধ্য দক্ষতার মতো ‘ব্লু বা হোয়াইট কলার জব’ শেষ হয়ে যাবে। তৈরি হবে উচ্চ দক্ষতার চাকরি। যার জন্য দরকার হবে উন্নততর প্রশিক্ষণ। ফলে, প্রোগ্রামিং, রোবোটিং, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো চাকরির ক্ষেত্র তৈরি হবে। সবাই যে চাকরি হারাবে তা নয়, বর্তমান কর্মীদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে। ঠিক যেভাবে দক্ষতা উন্নয়ন বলে একটি আলাদা মন্ত্রক তৈরি করেছে ভারত সরকার। আসলে এই বদল হবে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক।
পাঠ্যক্রমে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স: দেশের আইআইটিগুলির মধ্যে আইআইটি খড়্গপুর এই প্রথম ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বা কৃত্রিম মেধা ও মেশিন লার্নিংয়ের উপরে সার্টিফিকেট কোর্স চালু করেছে। কলকাতা, বেঙ্গালুরু, খড়্গপুর এবং হায়দরাবাদে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর ছ’মাসের পাঠ্যক্রম চালু করেছে আইআইটি খড়্গপুরের ‘সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বিভাগ। এ বছর থেকেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের উপর বিএসসি, এম টেক প্রোগ্রাম চালু করেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ভর্তিতে পড়ুয়াদের থেকে ভালো সাড়া মিলেছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য সৈকত মৈত্র। একইভাবে এ বছর থেকে অষ্টম ও নবম শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স চালু করেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন বা সিবিএসই। এক সার্কুলার জারি করে সিবিএসই জানিয়েছে, নতুন প্রজন্মকে বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী করে তুলতেই স্কুলে এআই চালু করার সিদ্ধান্ত।
30th  June, 2019
ডিএসএলআরের দিন শেষ! ফোনে আসছে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা 

সৌম্য নিয়োগী: ৪৮ মেগাপিক্সেল এখন অতীত। বাজার কাঁপাতে এসে গিয়েছে ৬৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার স্মার্টফোন। তবে তা কতদিন টিকতে পারবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, স্যামসাং এনে ফেলেছে এমন এক প্রযুক্তি যা শুনলে আপনি হাঁ হয়ে যাবেন। আর তা হল ১০৮ মেগাপিক্সেল ইমেজ সেন্সর। স্মার্টফোন ক্যামেরার সংজ্ঞা বদলে দেবে এই নয়া সেন্সর। 
বিশদ

13th  October, 2019
কৃষকদের জন্য ট্রাক্টর, ফার্ম মেশিনারি ভাড়া দেওয়ার জন্য মোবাইল অ্যাপ আনল কেন্দ্র 

কৃষকদের সুবিধার্থে দু’টি অ্যাপ চালু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। একটি ‘সিএইচসি-ফার্ম মেশিনারি’ এবং দ্বিতীয়টি হল ‘কৃষি কিষাণ’। বহুভাষী ‘সিএইচসি-ফার্ম মেশিনারি’ অ্যাপটির মাধ্যমে কৃষকরা ট্র্যাক্টর এবং অন্যান্য ফার্ম মেশিনারি ভাড়া নিতে পারবেন। সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার এই অ্যাপ দু’টির উদ্বোধন করেন।  
বিশদ

13th  October, 2019
আর ব্যাঙ্ক নয়, ঋণ এবার স্মার্টফোনেই

সোহম কর: জরুরি পরিস্থিতি। হঠাৎ করে প্রয়োজন হয়ে পড়েছে মোটা টাকার। কী করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারেন না। হাতের কাছে ক্রেডিট কার্ডও নেই যে আপদকালীন টাকার প্রয়োজনটা মিটিয়ে ফেলবেন। উপায়? ছোটাছুটির কোনও দরকার নেই। প্রযুক্তি আর ইন্টারনেট এক লহমায় সেই সমস্যার সমাধান করে দিয়েছে। হাতে শুধু স্মার্টফোন থাকলেই হল। 
বিশদ

13th  October, 2019
দিল্লির কুয়াশাই দক্ষিণ এশিয়ার উষ্ণায়নের কারণ, বলছে গবেষণা 

মৃণালকান্তি দাস: ফি বছর অক্টোবর-নভেম্বর থেকে জমাট ধোঁয়াশায় শ্বাস-বন্ধের আশঙ্কায় ভুগছে দিল্লি। কুয়াশা দেখলে কু ডাকে অনেকের মনেই। রাজধানীর বাসিন্দারা খুব ভালো ভাবেই জানেন, এই যন্ত্রণা থেকে অদূর ভবিষ্যতেও তাঁদের নিষ্কৃতির সম্ভাবনা নেই বিন্দুমাত্র। 
বিশদ

13th  October, 2019
পৃথিবী থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠ
চন্দ্রযান-২-এর পথ পরিক্রমা

  জিএসএলভি রকেটের যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য শুরুতেই পিছিয়ে গিয়েছিল উৎক্ষেপণ। তারপর ২২ জুলাই চন্দ্রযান-২-এর সফল উৎক্ষেপণ ঘটান ইসরোর বিজ্ঞানীরা। আর ফিরে তাকাতে হয়নি। পরিকল্পনামাফিক পৃথিবীর কক্ষপথ ছাড়িয়ে এগতে থাকে সেটি। একের পর এক লাফ দিতে দিতে পৌঁছে যায় চাঁদের কক্ষপথে।
বিশদ

11th  October, 2019
বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানে সওয়ার আপনিও

সুদীপ্ত সেন: ভারতীয় বায়ুসেনার অংশ হতে চান? না, আপনাকে কোনও পরীক্ষায় বসতে বা শারীরিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে না। শুধু স্মার্ট ফোনের প্লে স্টোর থেকে ‘ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স: দ্যা কাট অ্যাবভ’ গেমটি ডাউনলোড করে নিন। ব্যস! যুদ্ধবিমানের ককপিটে আপনি। এমআই-১৭ কপ্টার, মিরাজ, সুখোই উড়িয়ে শত্রু শিবিরে হামলা চালানোর জন্য তৈরি। 
বিশদ

29th  September, 2019
আইফোন ১১ সিরিজ: পাওয়া-না পাওয়া
টু কি টা কি

বেশ কয়েক মাসের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সদ্য আইফোন ১১ সিরিজ বাজারে এনেছে অ্যাপল। প্রি বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে মার্কিন মুলুকে। ভারতে পাওয়া যাচ্ছে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে। এই মুহূর্তে যাঁদের কাছে আগের মডেলগুলি রয়েছে, তাঁদের অনেকেই ‘আপগ্রেড’ হওয়ার ইচ্ছায় নতুন মডেলটি কে‌‌নার পরিকল্পনা করছেন। তবে, এর বিরুদ্ধ মতও আছে। 
বিশদ

29th  September, 2019
হাইসেনবার্গ হয়তো এখানেই আছেন 

অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতোই আরও এক বিখ্যাত জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী ছিলেন ওয়ার্নার কার্ল হাইসেনবার্গ। তাঁকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জনকও বলা যায়। হাইসেনবার্গের যে তত্ত্বটি তাঁর আবিষ্কারগুলির মধ্যে অন্যতম, তা হল আনসার্টেনিটি প্রিন্সিপাল বা অনিশ্চয়তা নীতি।  
বিশদ

29th  September, 2019
শেয়ার বাজারে লগ্নিকারীদের জন্য দু’টি আ্যাপ আনল জেআরকে গোষ্ঠী 

মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং শেয়ার বাজারে লগ্নিকারীদের জন্য দু’টি পৃথক মোবাইল অ্যাপ বাজারে আনল জেআরকে গোষ্ঠী। অ্যাপ দু’টির নাম জেআরকে মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং জেআরকে কানেক্ট। যার সাহায্যে গ্রাহকরা মোবাইল থেকে সহজেই শেয়ারবাজার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডে এসআইপি (সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান) বা অন্যান্য বিনিয়োগ করতে পারবেন।  
বিশদ

29th  September, 2019
জিপিএসের জায়গা নেবে ইসরোর ‘নাবিক’, মিলল ছাড়পত্র 

নেভিগেশন প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর হল ভারত। সৌজন্যে ইসরো। গত বছর এপ্রিল মাস থেকে নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে দিক নির্দেশনায় স্বাবলম্বী হয়েছিল ভারত। এতদিনে মিলল স্বীকৃতি। সম্প্রতি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নেভিগেশন প্রযুক্তি ‘নাবিক’কে অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মোবাইল প্রযুক্তি ও পরিষেবার মান নির্ণায়ক সংস্থা থ্রিজিপিপি। 
বিশদ

29th  September, 2019
ক্যাম স্ক্যানারে ভাইরাস
প্লে-স্টোর থেকে সরাল গুগল

গ্রাহক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ ‘ক্যাম স্ক্যানার’কে নিজেদের অ্যান্ড্রয়েড প্লে-স্টোর থেকে সরিয়ে দিল তথ্যপ্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। অ্যাপটিতে ভয়ঙ্কর ‘ট্রোজান’ ভাইরাস মিলতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। ‘ক্যাম স্ক্যানার’-এর লেটেস্ট ভার্সানে এই ভাইরাস মিলেছে।
বিশদ

08th  September, 2019
ভুয়ো অ্যাপ চেনার উপায়

 প্লে-স্টোর থেকে ক্যাম স্ক্যানারের মতো জনপ্রিয় অ্যাপ গুগল সরিয়ে ফেলতেই অ্যাপ ব্যবহারকারী তথা টেকপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে সংশয় জেগেছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে, কোন অ্যাপ আসল? কোন অ্যাপ ব্যবহার করলে সুরক্ষিত থাকবে ব্যক্তিগত গোপন নথি? কেন না, বর্তমান প্রযুক্তি-যুদ্ধে যে দেশের কাছে যত বেশি তথ্য রয়েছে, সেই দেশ তত বেশি শক্তিশালী।
বিশদ

08th  September, 2019
 কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তুলে বিজ্ঞানে অস্কার

  ইতিহাস গড়ে ৫ কোটি ৫০ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে (ম্যাসিয়ার ৮৭-গ্যালাক্সির কেন্দ্রে) অবস্থিত কৃষ্ণগহ্বর (ব্ল্যাকহোল)-এর ছবি তুলেছিলেন একদল বিজ্ঞানী। সেই বেনজির কৃতিত্বের জন্য ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্সে ব্রেকথ্রু পুরস্কারে সম্মানিত হতে চলেছেন তাঁরা। পোশাকি নাম ‘অস্কার অব সায়েন্স’ বা বিজ্ঞানের অস্কার।
বিশদ

08th  September, 2019
 ইসরোর আরও
১০টি সা ফ ল্য

  ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বা ইসরো বিগত কয়েক দশকে প্রচুর সাফল্য পেয়েছে, যা দেশবাসীকে গর্বিত করেছে। আজ থেকে পাঁচ দশক আগে ১৯৬৯ সালে যাত্রা শুরু করে মহাকাশ গবেষণায় তাবৎ দেশের সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে ভারত। যে কারণে গোটা বিশ্ব এখন ভারতের সাফল্যকে কুর্ণিশ জানাচ্ছে। একনজরে ইসরো সাফল্য: বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
পাপ্পা গুহ, উলুবেড়িয়া: দুর্গাপুজোর পর এবার কালীপুজো। আর এই কালীপুজোতে অতিরিক্ত উপার্জনের আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন রাজ্যের জবা ফুলচাষীরা। কালীপুজোয় জবার চাহিদার কথা মাথায় ...

সংবাদদাতা, কান্দি: রবিবার সন্ধ্যায় শিশু মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কান্দি মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম ঋদ্ধিমান হাজরা(২)। মৃতের বাড়ি কান্দি পুরসভার রষোড়া গ্রামের ৭নম্বর ওয়ার্ডে।   ...

লন্ডন ২০ অক্টোবর (এএফপি): ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বোরিস জনসনের আর্জি মেনে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া বিলম্বের বিষয়টি বিবেচনা করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আগামী ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত সম্পাদন করার শেষ সময়সীমা। গতকাল ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিরোধীরা প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত করার প্রস্তাব রাখেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের শততম জন্মদিবসে তাঁর স্মরণ অনুষ্ঠানে বিধানসভার অধ্যক্ষ ও কংগ্রেসের প্রতিনিধি ছাড়া সবাই গরহাজির। রবিবার ছুটির দিনে বিধানসভার অলিন্দে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা শুভ ফল লাভ করবে। মাঝে মাঝে হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ক্ষতি হতে পারে। নতুন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  October, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নানুরে বিজেপি সমর্থকের মাকে গুলি করে খুন 
বীরভূমের নানুরে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে প্রাণ গেল বিজেপি সমর্থকের মায়ের। গুলিবিদ্ধ ...বিশদ

04:55:03 PM

মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেলায় বকুনি, নদীয়ার ভীমপুরে আত্মঘাতী কিশোরী 

04:39:00 PM

কোচবিহারে পাতলাখাওয়ায় মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিজনদের সঙ্গে দেখা করলেন সুব্রত বক্সি 

04:34:00 PM

শান্তিপুরে বাড়িতে ভূতের অপবাদ দিয়ে মারধর 
বাড়িতে ভূত রয়েছে এমন অপবাদ দিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবারের উপর ...বিশদ

04:29:00 PM

সম্পাদক শুভা দত্ত প্রয়াত 
প্রয়াত বর্তমান সংবাদপত্রের সম্পাদক শুভা দত্ত। সোমবার, ২১ অক্টোবর সকাল ...বিশদ

01:39:53 PM

বিধানসভা নির্বাচন: মুম্বইতে স্ত্রী ও পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিলেন শচীন তেন্ডুলকর 

12:26:00 PM