Bartaman Patrika
চাষ আবাদ
 

 অসময়ে বাজার ধরতে শরতে তরমুজ চাষ, ৬০ দিনেই ফলন

ব্রতীন দাস: তরমুজ মূলত গরমের ফল। কিন্তু, শরতেও তরমুজ ফলিয়ে বাড়তি লাভ পেতে পারেন কৃষকরা। ছটপুজোর কথা মাথায় রেখে আগাম বাজার ধরতে অসময়ে তরমুজের ভালোই চাহিদা থাকে। হাইব্রিড বিভিন্ন প্রজাতির সুবাদে পলি-মালঞ্চিং করে শরৎকালে তরমুজ ফলানো সম্ভব হচ্ছে। উদ্যানপালন আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অসময়ের তরমুজ হিসেবে মূলত সুগার কিং, সুগার কুইন, কিরণ, সরস্বতী, বিশালা, ম্যাক্স, কৃষ্ণা, অর্জুন-এর মতো উন্নতমানের প্রজাতি রয়েছে। এসব প্রজাতির ফলন বেশি। নদীয়ার ঝিকরা, হুগলির ধনিয়াখালি, পশ্চিম মেদিনীপুরের গোপীবল্লভপুর এলাকায় প্রচুর জমিতে অসময়ের তরমুজ চাষ হচ্ছে। লাভের পরিমাণ বেশি থাকায় বহু কৃষক শরৎকালে তরমুজ ফলাতে উৎসাহী হচ্ছেন। সরাসরি জমিতে বীজ বোনা যেতে পারে। নতুবা প্লাস্টিক ট্রে, চায়ের প্লাস্টিক কাপে কিংবা পলি টানেলে চারা তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে। পরে ওই চারা জমিতে লাগানো যায়। এতে বর্ষায় চারা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
উদ্যানপালন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অসময়ের তরমুজে শোষক পোকা, ফলছিদ্রকারী পোকা, ধসা বা পচন দেখা দিতে পারে। প্রতিরোধে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ দেখা দিলে জমিতে ফেরোমোন ফাঁদ বসানো যেতে পারে। না হলে ঝোলা গুড় কিংবা রসগোল্লার গাদের সঙ্গে কীটনাশক মিশিয়ে বিষটোপ তৈরি করা যেতে পারে। তরমুজের আকার ও গুণমান বাড়াতে অনুখাদ্য প্রয়োগ করতে পারেন কৃষক।
তরমুজ মূলত বালি-পলি মাটিতে চাষ হয়। কিন্তু, পলি মালঞ্চিং পদ্ধতিতে এখন এঁটেল মাটিতেও তরমুজ ফলানো সম্ভব হচ্ছে। বিঘায় অনায়াসেই চার টন ফলন পাওয়া যায়। প্রতি টন তরমুজ বিক্রি করে দাম পাওয়া যায় ২০ হাজার টাকা। ৫০ শতাংশ জৈব ও ৫০ শতাংশ রাসায়নিক সার দিয়ে জমি তৈরি করে নিতে হবে। বীজ লাগানোর ৬৫-৭০ দিনের মাথায় ফল দিতে শুরু করবে। জমিতে বেড তৈরি করে বীজ বুনতে হবে। মাঝে সেচের জল দেওয়ার জন্য নালা কেটে দিতে হবে। মালঞ্চিংয়ের পলিথিন দিয়ে বেড ঢেকে দেওয়ার পর নির্দিষ্ট দূরত্ব অন্তর বীজ বুনতে হবে। প্রতিটি মাদায় দু’টি করে বীজ বোনা যেতে পারে। যেখানে বীজ বোনা হবে, সেখানে পলিথিন ছিদ্র করে দিতে হবে। এক-একটি গাছ থেকে একাধিক শাখা বের হয়। সেখান থেকে তিনটি ভালো শাখা রেখে বাকিগুলি ভেঙে দিতে হবে। তাতে গাছ পুষ্ট হবে। তরমুজের সাইজ বড় হবে। আড়াই থেকে তিন কেজি করে ওজন হবে এক-একটি তরমুজের।
মালঞ্চিংয়ের পলিথিনের উপরের দিকটা স্টিল রঙের, নীচের দিক কালো রঙের হয়। স্টিল রং শোষক পোকাকে বিকর্ষণ করে। ফলে পলি-মালঞ্চিংয়ের মাধ্যমে চাষ করলে জমিতে শোষক পোকার আক্রমণ কম হয়। তাছাড়া সেচের জল, সার কম লাগে। স্বাভাবিকভাবে চাষের খরচ অনেকটাই কমে যায়। ফলনও বাড়ে। চারা যখন ছোট থাকে, তখন ছোট ছোট লাল পোকার আক্রমণ হয়।
ওই পোকা দমনে এক লিটার জলে দুই মিলিলিটার ডাইমিথোয়েট মিশিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে। তরমুজের জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেলে গাছ মরে যাবে। আবার জমিতে জলও থাকতে হবে। সেকারণে জমিতে যাতে জলনিকাশি ব্যবস্থা ঠিক থাকে, সেদিকে নজর রাখতে হবে বলে জানাচ্ছেন উদ্যানপালন বিশেষজ্ঞরা।

11th  September, 2019
সেচে জল সাশ্রয়ের লক্ষ্যে
ভর্তুকিতেই স্প্রিংলার যন্ত্র
কাটোয়া

 জল সাশ্রয় করতে ভর্তুকি দিয়েই কাটোয়া মহকুমাজুড়ে চাষিদের হাতে স্প্রিংলার তুলে দিচ্ছে কৃষিদপ্তর। এই যন্ত্র দিয়েই অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে জমিতে সেচ দিতে পারবেন চাষিরা। বাংলার কৃষি সেচ যোজনার মাধ্যমে এই ধরনের যন্ত্রপাতি দেওয়া হচ্ছে। মহকুমার প্রতিটি ব্লকেই বিলি করার কাজ শুরু হয়েছে।
বিশদ

16th  September, 2020
শখ থেকে জীবিকা যখন বনসাই 

না রঙের বাহারি টবে সাজানো রয়েছে বট, তেঁতুল, শ্যাওড়া, পাকুড়, অর্জুন, বাবলা গাছ। নানা ধরনের গাছের তালিকাটি যেমন দীর্ঘ, তেমনই বৈচিত্র্য তাদের গড়নে। আর তার বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রাপ্তির আনন্দে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছিলেন ববিন। পোশাকি নাম প্রসেনজিৎ গুহ।
বিশদ

09th  September, 2020
বাঁকুড়ায় এবার ৪০০ বিঘায় বর্ষাকালীন পেঁয়াজ 

তের মুখে পেঁয়াজের সঙ্কট কাটাতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারি উদ্যোগে বর্ষাকালীন পেঁয়াজ চাষের উদ্যোগ নিয়েছে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন। ছাতনা, বড়জোড়া, সোনামুখী ও গঙ্গাজলঘাটি ব্লকে মোট ৪০০ বিঘা জমিতে চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জেলা কৃষিদপ্তর ও উদ্যানপালন দপ্তরের তরফে।
বিশদ

09th  September, 2020
পুরুলিয়ায় ফলের বাগান গড়ছে বনদপ্তর 

পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজে লাগিয়ে লালমাটিতে ফলের বাগান তৈরি করছে বনদপ্তর। পুরুলিয়া মফস্‌সল থানার ছররাতে ১১ ব্যাটালিয়নের ১০ হেক্টর জমিজুড়ে তৈরি হচ্ছে ওই বাগান। গোটা জেলার মধ্যে ছররাতেই বনদপ্তর সবচেয়ে বড়সড় ফলের বাগান তৈরি করছে বলে দাবি আধিকারিকদের।
বিশদ

09th  September, 2020
বৃষ্টিতে সব্জির ক্ষতি পুষিয়ে দিচ্ছে বরবটি ও লাফা চাষ 

 সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে নষ্ট হয়েছে পটল, লঙ্কা, বেগুন সহ নানা ধরনের সব্জি চাষ। এর জেরে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কৃষকরা। সেই ক্ষতি থেকে বাঁচতে চাষিদের ভরসা জোগাচ্ছে লাফা ও বরবটি। তেহট্ট সহ নদীয়া জেলার বিভিন্ন এলাকার চাষিরা জানাচ্ছেন, উম-পুন ঘূর্ণিঝড়ে জমির ধান, পাট, কলা সহ বিভিন্ন সব্জির অনেক ক্ষতি হয়েছিল। বিশদ

09th  September, 2020
ভগবানগোলার মোজাম্মেলের জমিতে ১২-১৩ কেজির ওল 

ক-একটি ওলের ওজন ১২ থেকে ১৩ কেজি। জমি থেকে তোলার পরে তা বিক্রি হতে বেশি সময় লাগে না। দামও ভালোই পাওয়া যায়। অথচ চাষের খরচ নেই বললেই চলে। 
বিশদ

09th  September, 2020
আমন চাষের মাধ্যমেই ঘুরে
দাঁড়ানোর আশায় গ্রামীণ অর্থনীতি

 কেরলে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন খানাকুলের মানিক সাঁতরা। লকডাউনে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর করোনা আতঙ্কে আর সেখানে যাওয়া হয়নি। কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন। কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। শেষমেশ বাবার সঙ্গে চাষের কাজে হাত লাগান।
বিশদ

26th  August, 2020
পুরুলিয়ায় পড়ে থাকা কিষাণ মাণ্ডিতে
কৃত্রিম মাছচাষের হাপা তৈরির উদ্যোগ

 কৃষকদের ফসল বিক্রির জন্য জেলায় কৃষক বাজার বা কিষাণ মাণ্ডি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু, অনেক জায়গায় ভৌগোলিক দূরত্ব বা অন্যান্য কারণে সেই কিষাণ মাণ্ডি কার্যত ফাঁকা পড়ে থাকছে। বিশদ

26th  August, 2020
মাছচাষে আগ্রহ বাড়ছে
কান্দির চাষিদের

 সংবাদদাতা: ধান সহ অন্যান্য ফসল লাগিয়ে সেভাবে লাভের মুখ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই মাছ চাষ করার দিকে ঝুঁকছেন কান্দি ব্লকের আন্দুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকার চাষিরা। মাছচাষ করার জন্য কিছু চাষি নিজেদের উদ্যোগে পুকুর খনন করলেও, বেশিরভাগ চাষিই সরকারিভাবে পুকুর খনন করার দাবি জানাচ্ছেন।
বিশদ

26th  August, 2020
মুগডাল চাষ শুরু
করতে হবে এখনই

বাজারে সবসময় ডালশস্যের চাহিদা ও দাম ভালোই থাকে। কারণ, রাজ্যে যতটা পরিমাণ ডালশস্য উৎপাদন হয়, তাতে রাজ্যের চাহিদা পূরণ হয় না। অন্য রাজ্য থেকে আসা ডালের উপর নির্ভর করতে হয়। যদিও আগের চেয়ে রাজ্যে ডালশস্যের উৎপাদন অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশদ

26th  August, 2020
লাভজনক হওয়ায় কাঁথিতে
বাড়ছে ড্রাগন ফলের চাষ 

সৌমিত্র দাস, কাঁথি, সংবাদদাতা: কাঁথি মহকুমা এলাকায় ড্রাগন ফলের চাষ বাড়ছে। বিশেষ করে এক্ষেত্রে পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছে খেজুরি। খেজুরি ছাড়াও দেশপ্রাণ ব্লক, রামনগর সহ মহকুমার প্রতিটি ব্লকেই এখন কমবেশি ড্রাগনের চাষ হচ্ছে।  বিশদ

19th  August, 2020
সিউড়িতে জঙ্গলের
ভিতরে হলুদের চাষ... 

রামকুমার আচার্য, সিউড়ি: মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে সিউড়িতে জঙ্গলের ভিতরে জমি তৈরি করে আদিবাসী স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে দিয়ে হলুদ চাষ করানো হচ্ছে। সিউড়ি-১ ব্লকের নগরী পঞ্চায়েতের লতাবনি গ্রামে জঙ্গলের ভিতরে এক বিঘা জমিতে ওই হলুদ চাষ করা হচ্ছে।   বিশদ

19th  August, 2020
নদীয়া জেলায় বাড়ছে একাঙ্গীর
চাষ, লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা 

শীর্ষেন্দু দেবনাথ, কৃষ্ণনগর: নদীয়া জেলায় ক্রমশ বাড়ছে একাঙ্গী নামক কন্দের চাষ। অনেকে একে ঔষধি গাছও বলে থাকেন। সাথী ফসল হিসেবেও এর জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। জেলায় তেহট্ট-১, ২, করিমপুর-১, ২ নাকাশিপাড়া, কালীগঞ্জ ব্লকে এই চাষ চলছে।  বিশদ

19th  August, 2020
আরামবাগে পাটের ভালো
দাম পাওয়ার আশায় চাষিরা 

সুদেব দাস, আরামবাগ: একদিকে উমপুনে পাট চাষের ক্ষতি। অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে লকডাউন। তার পরেও পাইকারি বাজারে পাটের চাহিদা রয়েছে। সেই সঙ্গে ভালো দাম পাওয়াতে এখন আশায় বুক বাঁধছেন আরামবাগের পাটচাষিরা।  বিশদ

19th  August, 2020

Pages: 12345

একনজরে
রোচেস্টার: ফের আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব। নিউ ইয়র্ক শহরের রোচেস্টারে এক পার্টিতে এই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। পুলিস জানিয়েছে, শনিবার ভোরের এই ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এবং জখম হন ১৪ জন।  ...

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজেরও এবার পরীক্ষা হবে ‘গবেষণাগারে’! এমনই পরিকল্পনা নিল পঞ্চায়েত দপ্তর। লক্ষ্য মূলত দু’টি। এক, অসাধু ঠিকাদার কিংবা নির্মাণকারী সংস্থার ফাঁকিবাজি রুখে কাজের গুণগতমান বজায় রাখা।   ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: কালচিনির ডিমা চা বাগানের বিচ লাইন থেকে শনিবার সকালে বনকর্মীরা একটি অজগর উদ্ধার করেন। এদিন সকালে বাগানের জমিতে প্রায় আট ফুট লম্বা অজগরটিকে দেখে শ্রমিকরা বনদপ্তরের নিমাতি রেঞ্জে খবর দেয়।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জেলা প্রশাসনের আবেদনের দু’মাস পরেও পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ দেওয়া নিয়ে কোনওরকম সাড়াই পাওয়া গেল না। স্কিলড লেবার বা দক্ষ শ্রমিকদের একটা বড় অংশই ভিনরাজ্যে কাজের খোঁজে ফিরে গেলেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮: চিত্রপরিচালক মহেশ ভাটের জন্ম
২০০৪: চিত্রপরিচালক সলিল দত্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া ০/২৮ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে চতুর্থী ৫২/২৮ রাত্রি ২/২৮। স্বাতীনক্ষত্র ৪৩/২৯ রাত্রি ১০/৫২। সূর্যোদয় ৫/২৮/১৮, সূর্যাস্ত ৫/৩১/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৫৫ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
৩ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া দিবা ১০/২। চিত্রানক্ষত্র দিবা ৬/১৫ পরে স্বাতীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৪/২৮ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫১ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
মোসলেম: ২ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা পজিটিভ আরও ৩,১৭৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৭৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:18:20 PM

আইপিএল: দিল্লি ৬ ওভারে ২৩/৩ 

08:08:47 PM

আইপিএল: টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত পাঞ্জাবের 

07:13:06 PM

১২, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজ্যে ট্রাক ধর্মঘট 

05:37:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

04:45:13 PM

উত্তরপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৫,৮০৯ জন, মৃত ৯৪ 

04:32:47 PM