Bartaman Patrika
সিনেমা
 

শুভ বিজয়ার সেকাল একাল 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে বাঙালির বিজয়া দশমী। রুপোলি পর্দার তারকাদের অনুভবেও সেই বদলের আক্ষেপ। কেমন ছিল তাঁদের সাবেক বিজয়া বিলাস। আজই বা কেমন করে তাঁরা উদযাপন করেন উমার বিদায়বেলা, সেটাই উঠে এল স্মৃতিচারণায়।
চিরঞ্জিত : বিসর্জন অবশ্যই এক প্রকার বিষাদ। এটা অনুভব করা যায় তখন, দেখবেন যখন আওয়াজটা হঠাৎ কমে যায়। একটা নীরবতা যেন চতুর্দিকে ছেয়ে যায়। দশমী পর্যন্ত একটা পরিবেশ থাকে। সিঁদুর খেলা দেখে সবাই হাসে, মজা করে। কিন্তু সিঁদুর খেলা দেখলে আমার মনে ওই বিষাদটা জাগে। আমার যখন বারো বছর বয়স তখন মা মারা যান। সেই শূন্যতার বিষাদটাও মনের মধ্যে মিলে মিশে আছে। ঠাকুরের সঙ্গে, দুর্গা মায়ের সঙ্গে। সিঁদুরের ওই ছড়াছড়ি খেলাটা আমাকে কেমন বিষাদময় করে তোলে। এমন নয় যে লাল রংটা আমার কাছে বিষাদের। সিঁদুর পরলে ভালোই লাগে মেয়েদের। সিঁদুরের টিপও ভালো লাগে। তার সঙ্গে পরণের লাল পাড় ঢাকাই শাড়ি অন্যমাত্রা যোগ করে হয়তো। কিন্তু যখন সিঁদুরটা নিয়ে খেলা হয়, তখনই একটা বিষাদ, কোথায় যেন রক্তের হোলির রূপ নিয়ে ফেলে।
হরনাথ চক্রবর্তী : ছোটবেলায় আমাদের গ্রামের পুজোর বিজয়া ছিল একরকম। আমার জন্মভিটে মেদিনীপুরের কোলাঘাটে মান্দারগাছিয়া। দূর দূর গ্রামের মধ্যে একটা পুজো। ফলে ঠাকুর বরণ করতে করতে বেশ রাত হয়ে যেত। বিসর্জনের পর বাবা সিদ্ধি তৈরি করে আমপাতা দিয়ে সবার মুখে ছিটিয়ে দিতেন। তারপর আমরা নতুন জামা পরে বাড়ির গুরুজনদের প্রণাম করতাম। বদলে পেতাম নারকেল নাড়ু, বাতাসা কখনও বা লুচি। দশমীর পর কয়েকদিন ধরে চলত এই বিজয়াপর্ব। বড় হওয়ার পর কলকাতায় এসে অন্যরকম পুজোর স্বাদ পেলাম। আমার দিদি থাকতেন হাটখোলার দত্ত বাড়িতে। জামাইবাবু ওই বাড়ির কুল পুরোহিত ছিলেন। আমি জামাইবাবুকে পুজোয় সাহায্য করতাম। দশমীর দিন সবাই নতুন জামাকাপড় পরে ঠাকুর ভাসান দিতে যেতাম সবার সঙ্গে। সকালে বাড়ির দালান থেকে একটা নীলকণ্ঠ পাখি ছাড়া হতো। প্রতিমাকে জলে ফেলার আগে আর একখানা নীলকণ্ঠ পাখি ছাড়া হতো। ভাসান দিয়ে বাড়ি ফেরা হতো একটি স্তোত্র সুর করে গাইতে গাইতে। শান্তির জল নিয়ে গুরুজনদের প্রণাম, কোলাকুলি। ছোটরা বড়দের প্রণাম করলে, তাদের হাতে পয়সা দেওয়া হতো। সেই পয়সা জমিয়ে চপ, কাটলেট খেতাম। সে একটা মজার দিন ছিল। এখন কোথাও যাই না। আসলে দশমীর সেই আবেগটাই হারিয়ে গিয়েছে। আগে প্রতিবেশীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। গোটা পাড়াকে একটা বাড়ি বলে মনে হতো। এখন সেটা আর দেখতে পাই না।
তনিমা সেন : আমি ইন্ডাস্ট্রির শুরু থেকে প্রত্যেক বছর যে ইউনিটে কাজ করি না কেন, সেই ইউনিটের সকলকে আমি জামাকাপড় দিয়েছি। সেই ‘এই তো জীবন’ থেকে। এবার ‘দেবীচৌধুরানি’ নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হওয়াতে সবাইকে দিতে পারলাম না। বিজয়া তো আমার কাছে মিলন উৎসব। সমস্ত জাতি ধর্ম, গরিব-বড়লোক নির্বিশেষে মানুষকে আলাদা করে দেখতে শিখিনি। আমি ছিলাম বাড়ির ছোট মেয়ে। সেই সুবাদে একটা সময় বিজয়ার পর সবাইকে প্রণাম করতাম। আর এখন সবাই আমাকে প্রণাম করছে আর আমি আশীর্বাদ করছি। আমি উত্তর কলকাতার শ্যামবাজারের মেয়ে। মায়ের বাড়ির যে ঐতিহ্য সেটা এখনও বজায় রাখার চেষ্টা করছি। তখন পাড়ার পুজোটা বাড়ির পুজো বলেই মনে করতাম। একটাই দুঃখ ছিল। বাড়ি থেকে বিসর্জনে যাওয়ার অনুমতি মিলত না। লরিতে ঠাকুর ওঠার পর ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে মায়ের চলে যাওয়া দেখতে দেখতে চোখে জল এসে যেত। মন পাল্টাতো বাড়ি বাড়ি ঘুরে আত্মীয়, অনাত্মীয় সবাইকে প্রণাম করতে গিয়ে। সেই শিষ্টাচারটা আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে। ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে বিজয়া সেরে নিচ্ছে। মানুষ কেমন যেন মানুষের কাছে আসতে ভুলে যাচ্ছে।
বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়: এখন কোনও দুগ্গা মায়ের আটটা হাত, কোনও মায়ের আবার দুটো। মাকে অসম্মান করে এ কেমন উৎসব? পুজোটারই যেখানে ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে, সেখানে বিজয়ার আবেগটা আর থাকে কি? আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রণাম, কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময়ের রেওয়াজ ছিল। এখনকার প্রজন্ম তো ডিস্কো থেক-এ ব্যস্ত। আগে পুজোর সময় আমরা একটা ঘোরে থাকতাম। সপ্তমী থেকে দুটো করে শো। মানুষের উপচে পড়া ভিড়। মনে করতাম আমরাও উৎসবের একটা অঙ্গ। দশমীর দিন স্টেজেতেই আমরা বিজয়ার কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় করতাম। সিনিয়র শিল্পীদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতাম। এখন তো ঠাকুর পুজো হয় না, হয় থিমের পুজো। কার কত টাকা সেটা দেখানোর খেলা। এই টাকাগুলো তো গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করা যেতে পারে। সেখানেই তো লুকিয়ে আছে বিজয়ার যথার্থ রূপ। ঐতিহ্য, পরম্পরাকে বিসর্জন দিয়ে মা উমাও মনে করেন না, এই ফুর্তির কোনও প্রয়োজন আছে বলে। তাই এখন বিজয়ার দিন বাড়িতেই থাকি। আসলে আগে বিজয়াটা বিজয়া ছিল, এখন একদশী হয়ে গিয়েছে।
পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: তখন সবে কৈশোর উত্তীর্ণ করে যৌবনে পা রাখছি। অষ্টমীতে সারা রাত ঠাকুর দেখে নবমীর সকালে বাড়ি ফিরেছি। তখন অনুভূতিগুলো অন্যরকম শিহরণ জাগাত। তবে অসভ্যতা ছিল না। দশমীতে উৎসব থেমে গেলে যে নিস্তব্ধতা, ক্লান্তি, বিষাদ ঘনিয়ে আসত সেটাও উপভোগ করতাম। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে ঘুরে ঘুরে প্রণাম করা, খাওয়া। বেশ লাগত। আমাদের ছড়ানো ছিটানো পরিবার ছিল। কিন্তু বিজয়াকে উপলক্ষ করে সবাই কাছাকাছি আসত। বন্ধু্দের রাগ, অভিমানও সব কোন মন্ত্রবলে উবে যেত। বিজয়ার বিষাদে একে অপরকে জড়িয়ে ধরতাম। এই অনুভূতির এঁটোকাটাগুলো পরবর্তী জীবনে শিকড়ে গেঁথে গিয়েছে। সেই মানবিকতা, মূল্যবোধ, দর্শননীতি আজও আমাকে পথ চলতে সাহায্য করে। আমরা প্রতি মুহূর্তে চাই একসঙ্গে থাকব। উৎসবগুলো হচ্ছে সেই উপলক্ষ। পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত বাড়িতে থাকি। রাস্তা দিয়ে প্রজাপতিগুলো যখন নতুন জামাকাপড় পরে হাঁটাহাঁটি করে, দেখে বেশ লাগে। ওটাই আমার ঠাকুর দেখা। এখন ফোনে বিজয়ার আদানপ্রদান হয়েছে। বিজয়ার মধ্যে তাই আমি আলাদা কিছু খুঁজে পাই না। কারণ যে হুল্লোড়টা হয়, তাণ্ডবটা হয়, তার মধ্যে একটা উল্লাস থাকে। একদিন আমিও তো বাঁধভাঙা আনন্দে মেতেছি। আমার মধ্যে সেই কিশোরটা আজও বেঁচে আছে।
দোলন রায় : বিজয়ারও আগে শুরু হতো দশমী। আলতা পরে, মায়ের পায়ে বই ছুঁইয়ে। পরের দিন পাড়ার প্রতিটি বাড়ি গিয়ে প্রণাম করা, মিষ্টি খাওয়া, নিমকি আর ঘুঘনির সুগন্ধে ভরা দশমী আর বিজয়াগুলো আজ হারিয়ে গিয়েছে। এখন হোয়াটসঅ্যাপ হয়েছে। ছবি পাঠিয়ে কাজ সেরে নিচ্ছি। সত্যিই যাঁদের পায়ের কাছে গিয়ে বসতে ইচ্ছে করে, প্রণাম করতে মন চায়, তাঁরাও হয়তো সময় দিতে পারেন না, কিংবা নিজেরাও হয়তো সময় বের করে উঠতে পারি না। আন্তরিকতাহীন নিরুত্তাপ একটা দিনযাপন। আসলে আমরা খুব টেকস্যাভি হয়ে গিয়েছি তো। মানসিক বন্ধনটা হারিয়ে যাচ্ছে। এটা জানি না এরপর কী হবে? এই বদলে যাওয়া বিষয়টায় আমি একেবারেই খুশি নই।
শুভাশিস মুখোপাধ্যায় : বিজয়াতে আলিঙ্গনের একটা মাধুর্য ছিল, সবাই সবাইকে কোলাকুলি করত। বুকে জড়িয়ে ধরার সেই উষ্ণতাটা আমাদের মধ্যে থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ আমরাও তো এই একটা দিনই পরস্পর পরস্পরকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারি। এই একাত্মতা, একে অপরের সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগ — এইগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এগুলো কাম্য নয়। কষ্ট দেয়। এখন বিজয়ার দিন সামনাসামনি দেখা হলেও কেউ কোলাকুলি করে না। হ্যান্ডশেক করে। এই সম্পর্কে উষ্ণতাটা কেন আমরা মিস করব? আর একটা কথা, বিজয়াতে ঘরে তৈরি নিমকি, মিষ্টি, ঘুঘনির স্বাদও ধীরে ধীরে উবে গেল।
লিলি চক্রবর্তী : আমার ছোটবেলা কেটেছে মধ্যপ্রদেশে। আমরা যেখানে থাকতাম সেখানেই প্রতিবছর ধুমধাম করে পুজো হতো। গোটা শহরে ওই একটিই পুজো হতো। ফলে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসতেন পুজোয় অংশ নিতে। তাঁদের মধ্যেই কেউ ঠাকুর গড়তেন, কেউ প্যান্ডেল বাঁধতেন, বড়রা পুজোর ক’টা দিন কী কী অনুষ্ঠান হবে, কে কে অংশগ্রহণ করবে, কী নাটক হবে — এই নিয়ে মেতে উঠতেন। মায়েরা সব ঠাকুরের ভোগ, পুজোর আয়োজন, দু’বেলা রকমারি পদের খাবারের পরিকল্পনা নিয়ে মহা ব্যস্ত হয়ে উঠতেন। পুজোর দিনগুলো আমরা কেউ প্রায় বাড়িই ফিরতাম না। পুজোর পর প্যান্ডেলেই অনুষ্ঠান, সেখানেই চারবেলা খাওয়া দাওয়া। আমার জীবনের প্রথম অভিনয় তো ওই দুগ্গা ঠাকুরের প্যান্ডেলেই। বিজয়ার দিন কী হইহুল্লোড়। মায়েদের সিঁদুর খেলা। ছেলেদের ধুনুচি নাচ। ঢাকের তালের সঙ্গে নাচের প্রতিযোগিতা... একসময় সবাইকে কাঁদিয়ে মা উঠত সবার কাঁধে। বিজয়ার এই অপূর্ব দৃশ্য আমার মনে আজও গেঁথে আছে। ঠাকুর ভাসান দিয়ে এসে প্যান্ডেলেই শুরু হতো বিজয়ার উৎসব। এবার সবার ফিরে যাওয়ার পালা। মনটা হু হু করে উঠত। সত্যিই সকলের জন্য মন কেমন করত তখন। পরবর্তী জীবনে আমি আর কখনও ওই রকমভাবে পুজোয় শামিল হইনি। বিজয়াতে এখনও অবশ্য আমার হাতে রান্না করা ঘুগনি খেতে আত্মীয়স্বজনরা বাড়ি আসে ঠিকই। তখন একটু হইহই হয়। বিজয়াটা যে কতটা মন খালি করা বেদনার ওই ছোট্ট বয়সেই উপলব্ধি করেছিলাম।
চৈতি ঘোষাল : বাবা (শ্যামল ঘোষাল) ঋত্বিক ঘটকের ‘যুক্তি তক্কো গপ্প’-তে অভিনয় করতে গিয়ে, শ্যুটিং পর্ব শেষ হওয়ার পর ছবিতে ব্যবহৃত দুর্গা মূর্তিটি শান্তিনিকেতন থেকে বাড়ি নিয়ে আসেন। কাঠ খোদাই করে দুর্গা মূর্তিটা তৈরি করেছিলেন শিল্পী রামকিঙ্কর বেইজের এক ছাত্র। সেই দুর্গা মূর্তিটা প্রথমে আমাদের লেক গার্ডেন্সের বাড়িতে পুজো হতো, এখন রিজেন্ট এস্টেটের বাড়িতে হয়। ওই মূর্তি ভাসানের কোনও প্রশ্নই নেই। পুজোর পর মূর্তিটার ঠাঁই হয় আমাদের ঠাকুরঘরের দেওয়ালে। সেই পুজোকে ঘিরে আমাদের বাড়িতে কত গুণীজনের যে সমাবেশ ঘটত, কী বলব। দশমীর পর লক্ষ্মী পুজো পর্যন্ত বাড়িতে বিজয়া উদযাপন হতো। বাবার বিভিন্ন মহলে পরিচিতি ছিল। তাই মানুষ আসারও বিরাম ছিল না। মা নিরলসভাবে সকলকে নিমকি, ঘুগনি, মিষ্টি, চা সরবরবাহ করে যেতেন। তারও আগে আমাদের আদি পৈতৃকবাড়ি হাওড়ায় সকলে মিলে দাদু-ঠাকুমাকে বিজয়ার প্রণাম করতে যেতাম। অসংখ্য পরিজন। বিজয়া উপলক্ষে সবাই জড়ো হতেন হাওড়ার বাড়িতে। অথচ ওই বাড়িতে কোনওদিন দুর্গা প্রতিমা এনে পুজো হয়নি। কিন্তু আমাদের পরিবারিক বিজয়া সম্মেলন দেখে কে বলবে সে কথা? নিমকি, চন্দ্রপুলি, ঘুগনি, মিষ্টি... খেয়ে শেষ করা যেত না। সবই বাড়িতে তৈরি। বিরাট দালানে কোলাকুলির উৎসব লেগে যেত। প্রতিবেশীরাও যোগ দিতেন সেই উৎসবে। পরে বাবা নিজের উদ্যোগে কলকাতায় পুজো শুরু করলেও সেই উৎসবে শামিল হতাম আমরা। দেখাদেখি বাবাও কলকাতায় লেক গার্ডেন্সের বাড়িতে বিজয়া সম্মিলনী শুরু করলেন, যা আমি বাঁচিয়ে রেখেছি আজও। জানি না আমার পরবর্তী প্রজন্ম মানে আমার ছেলে অমর্ত্যরা এই ট্র্যাডিশন কতটা বজায় রাখবে। তাছাড়া তৃপ্তি মাসি (মিত্র), যাঁকে আমি মায়ের মর্যাদাই দিই, তিনিও বিজয়া উপলক্ষে নিমকি, নারকেল নাড়ু করতেন। আমরা সবাই মিলে যেতাম তৃপ্তি মাসিকে প্রণাম করতে, আর খেতে। এখন কেউ আর বিজয়ার প্রণাম জানিয়ে কাউকে চিঠি লেখে না। মনে আছে, কত সুন্দর সুন্দর রঙিন কাগজ, খাম আর কার্ড আমরা ঘুরে ঘুরে কিনে আনতাম। সেসব এখন কোথায়? এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপে দূরের মানুষদের বিজয়ার শুভেচ্ছা পাঠিয়ে দিই। যার বেশির ভাগ আর্ট ওয়ার্ক আবার ফরওয়ার্ড করা। এখন যান্ত্রিকতা বড্ড বেড়ে গিয়েছে। আধুনিকতা অবশ্যই অপরিহার্য। কিন্তু তাই বলে ঐতিহ্য ভুলে গিয়ে নয় নিশ্চয়ই। 
11th  October, 2019
বাংলা ছবি পাল্টে দিতে পারে স্ক্রিন এক্স, বলছেন প্রসেনজিৎ 

টানা দশ মিনিট ধরে সিনেমাহলের তিন দিক জুড়ে সিনেমা দেখে অভিভূত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মুগ্ধ টলিউড সুপারস্টার বলেই ফেললেন, ‘ইশ, কাকাবাবুর কোনও কোনও দৃশ্য যদি এইরকমভাবে বানানো যায়!’ আসলে কলকাতায় সম্প্রতি আইনক্স লঞ্চ করল সিনেমা দেখার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, ‘স্ক্রিন এক্স’।  
বিশদ

18th  October, 2019
সাঁঝবাতি উস্কে দিল আশার প্রদীপ 

প্রিয়ব্রত দত্ত: জীবনসায়াহ্নে পৌঁছন সহানুভূতি ও সঙ্গ প্রত্যাশী একাকী মানুষগুলিকে নিয়ে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট তৈরি করেছে ‘সাঁঝবাতি’। স্বেচ্ছায় বয়স্ক মানুষগুলির বিপদে পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ও ভরসা দেওয়ার জন্য একটি সংগঠন। 
বিশদ

18th  October, 2019
 মুখ আর মুখোশের লুকোচুরি

সবটাই কি মুখোশ? মুখ বলে কি আদৌ কিছু হয়? যদি হয়, তাহলে মুখ ও মুখোশের মধ্যে ফারাক কতখানি? প্রাগৈতিহাসিক এই প্রশ্নটিকেই সামনে রেখে এবার তরুণ পরিচালক অর্ঘ্যদীপ চট্টোপাধ্যায় তৈরি করছেন আর একটি থ্রিলার ‘মুখোশ’। এটি তাঁর তৃতীয় ছবি।
বিশদ

27th  September, 2019
অন্নভোগে, মাতৃ আরাধনায়,
হোমযজ্ঞে ছবির প্রচার

মাহাত্ম্য আর মহত্বে মহীয়ান মহাপীঠ তারাপীঠের নতুন করে বর্ণনা দেওয়ার কিছু নেই। প্রত্যাশার ভিড়ে সেদিনও উপচে পড়েছিল প্রাঙ্গণ। মুখরিত জয়ধ্বনিতে ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠছিল প্রাচীন এই তীর্থভূমি। তখন দুপুর। কলকাতা থেকে পাঁচ ঘণ্টার পথ উজিয়ে এই পীঠস্থানে পা রাখতেই জানা গেল অন্নগ্রহণে বসেছেন ওঁরা।
বিশদ

20th  September, 2019
দিল্লিতে বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব

  দ্বাদশ বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হচ্ছে দিল্লিতে। আজ, শুক্রবার বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এই চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা হবে। চলবে তিনদিন।
বিশদ

13th  September, 2019
ভালো মেয়ে, খারাপ মেয়ের গল্প

শহরের অভিজাত পানশালায় নাচ করে রিয়া ফার্নান্ডেজ। ক্লায়েন্টদের কাছে রিয়া বেশ জনপ্রিয়, সেই কারণে বাড়তি রোজগারের পথও তার কাছে উন্মুক্ত। স্বামীর সঙ্গে রিয়ার দশ বছরের বিবাহিত জীবন। তবে কোনওদিনই তাদের সম্পর্ক সুখের নয়। একদিন রাতে রিয়া যখন কাজে যাচ্ছে, ঠিক তখনই তিনজন ছেলের পাল্লায় পড়ে।
বিশদ

13th  September, 2019
 হারানো আড্ডাকে ফিরে দেখা

আড্ডা দিতে বাঙালির জুড়ি নেই। সময় পেলেই মনের মতো কারও সঙ্গে বসে পড়লেই হল। নেই বিষয়ের চিন্তা, নেই কোনও স্থান নির্বাচনের চাপ। কিন্তু আজকে ব্যস্ত জীবনস্রোতে সেই আড্ডা দিতেই কি ভুলে যাচ্ছে বাঙালি? ‘আড্ডা’ ছবিতে পরিচালক দেবায়ুষ চৌধুরী এই প্রশ্নই তুলেছেন। 
বিশদ

13th  September, 2019
বাণিজ্যিক ছবির নায়করা
এখন দ্বিধাগ্রস্ত

 বাংলা সিনেমা এখন একটা পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বলিউডের মতোই সেখানে কনটেন্ট বনাম স্টারভ্যালুর লড়াই চলছে। আর সেই জাঁতাকলে নাভিশ্বাস উঠছে তারকা থেকে শুরু করে পরিচালক প্রযোজকের। আর সমান্তরাল ছবির তুলনায় এখন দর্শক হারানোর কোপ যে বাণিজ্যিক ছবির উপর অনেক বেশি তা মেনে নিচ্ছেন বনি সেনগুপ্ত।
বিশদ

06th  September, 2019
মুম্বইয়ে জমজমাট বিশ্বজিৎ লাইভ

দিন কয়েক আগে অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে একটি ফোন কল এল। ফোনের ওপারে তাঁর একসময়ের নায়িকা সায়রা বানুর কণ্ঠস্বর। মাসখানেক আগেই নিজের জন্মদিনের হীরকজয়ন্তী পালন করেছেন হিন্দি ছবির এই দাপুটে অভিনেত্রী।
বিশদ

06th  September, 2019
অভিযানে নামছে গোয়েন্দা জুনিয়র বিক্রম 

বড়, বুড়ো, যুব, খুড়োদের নিয়ে ছবি তৈরির পর এবার খোকাদের জন্য ছবি তৈরিতে হাত দিলেন মৈনাক ভৌমিক। তাঁর নির্মীয়মান ছবির নাম ‘গোয়েন্দা জুনিয়র’। নামেই পরিষ্কার এ ছবির নায়ক এক নাবালক চৌখস।   বিশদ

30th  August, 2019
আশা করছি কলকাতায়
সঙ্গীতপিপাসু অনেককে পাব

 প্রসিদ্ধ কর্ণাটকী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী, লেখক ও সমাজকর্মী টি এম কৃষ্ণার কলকাতায় প্রথম একক অনুষ্ঠান আগামী ২৫ আগস্ট কলামন্দিরে। তার  আগে নিজের অনুষ্ঠান ছাড়াও বিবিধ বিষয় নিয়ে কথা বললেন আমাদের প্রতিনিধি অমিত চক্রবর্তীর সঙ্গে। বিশদ

23rd  August, 2019
 সৎপথে থাকলে ভাত ডালের অভাব হবে না

 সঙ্গীত জীবনের ৪০ বছর পূর্ণ করলেন শিল্পী। সেই সঙ্গে তাঁর নেতৃত্বে থিয়েটার অ্যাকাডেমিও দেখতে দেখতে তিরিশ বছর পেরিয়ে গেল। নিজের কাজ, অনুষ্ঠান, আর্কাইভ নিয়ে ভাবনা সহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বললেন দেবজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশদ

23rd  August, 2019
 গ্রামের মানুষের সরল জীবনযাত্রার গল্প

  গ্রামের মানুষদের সরল জীবনযাত্রার খুব সাধারণ গল্প ‘দৃষ্টি’। এই সরল জীবনের মধ্যেই হঠাত্ নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া। জটিল অঙ্কের মধ্যে কাটতে থাকে জীবন। শিবা মানে শিবপ্রসাদ হল গ্রামে বসবাসকারী এক বিবাহিত পুরুষ। মাছের ব্যবসা করে সুখে শান্তিতে দিন কেটে যায়। তাদের সর্বক্ষণের সঙ্গী হল প্রতিবেশী রাম ও তার স্ত্রী। বিশদ

23rd  August, 2019
তমালিকা পণ্ডা শেঠ স্মৃতি পুরস্কার

গত ৬ আগস্ট ছিল প্রয়াত কবি তমালিকা পণ্ডা শেঠের ৬৩তম জন্মদিন। তিনি ছিলেন বিধায়ক, পুরপ্রধান, সংস্কৃতি সংগঠক, রাজনীতিবিদ ও আপনজন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। প্রয়াত কবির জন্মদিনে কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে সংবাদ সাপ্তাহিক আপনজন পত্রিকার উদ্যোগে সাহিত্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বিশদ

09th  August, 2019
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): ভারতের অর্থনীতির পূর্বভাস নিয়ে অশনি সঙ্কেত দিলেও কর্পোরেট সংস্থাকে কর ছাড়ের প্রশংসা আগেই করেছিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এবার একই সুর শোনা গেল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) কথায়। ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোয় আলোয় ভাসবে রাজারহাট। বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোগে এখানে দশকের পর দশক চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ তৈরি হয়। এবার সেই রেশের পারদকে আরও চড়িয়ে রাজারহাট-নিউটাউনের কালীপুজোয় থিমের চমক দর্শকদের মন ভরাবে। ক্লাবগুলি থিমের উদ্ভাবনীতে একে অপরকে টেক্কা দিতে ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার অবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে থাকার কারণে বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নিমতা কাণ্ড: ধৃত প্রিন্সকে আজ বারাকপুর আদালতে তুলল পুলিস

12:05:14 PM

দিল্লিতে কাশ্মীরি গেট মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ব্যাগে মিলল সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার জালনোট

11:54:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM

উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ভূমিধস, আহত ৩, নিখোঁজ ২ 

10:25:00 AM

রায়গঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা
 

করণদীঘির পর এবার রায়গঞ্জ শহরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। ...বিশদ

10:21:40 AM

ওড়িশার জগৎপুরে একাধিক বেআইনি বাজি কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার ১২ 

10:21:00 AM