Bartaman Patrika
সিনেমা
 

শুভ বিজয়ার সেকাল একাল 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে বাঙালির বিজয়া দশমী। রুপোলি পর্দার তারকাদের অনুভবেও সেই বদলের আক্ষেপ। কেমন ছিল তাঁদের সাবেক বিজয়া বিলাস। আজই বা কেমন করে তাঁরা উদযাপন করেন উমার বিদায়বেলা, সেটাই উঠে এল স্মৃতিচারণায়।
চিরঞ্জিত : বিসর্জন অবশ্যই এক প্রকার বিষাদ। এটা অনুভব করা যায় তখন, দেখবেন যখন আওয়াজটা হঠাৎ কমে যায়। একটা নীরবতা যেন চতুর্দিকে ছেয়ে যায়। দশমী পর্যন্ত একটা পরিবেশ থাকে। সিঁদুর খেলা দেখে সবাই হাসে, মজা করে। কিন্তু সিঁদুর খেলা দেখলে আমার মনে ওই বিষাদটা জাগে। আমার যখন বারো বছর বয়স তখন মা মারা যান। সেই শূন্যতার বিষাদটাও মনের মধ্যে মিলে মিশে আছে। ঠাকুরের সঙ্গে, দুর্গা মায়ের সঙ্গে। সিঁদুরের ওই ছড়াছড়ি খেলাটা আমাকে কেমন বিষাদময় করে তোলে। এমন নয় যে লাল রংটা আমার কাছে বিষাদের। সিঁদুর পরলে ভালোই লাগে মেয়েদের। সিঁদুরের টিপও ভালো লাগে। তার সঙ্গে পরণের লাল পাড় ঢাকাই শাড়ি অন্যমাত্রা যোগ করে হয়তো। কিন্তু যখন সিঁদুরটা নিয়ে খেলা হয়, তখনই একটা বিষাদ, কোথায় যেন রক্তের হোলির রূপ নিয়ে ফেলে।
হরনাথ চক্রবর্তী : ছোটবেলায় আমাদের গ্রামের পুজোর বিজয়া ছিল একরকম। আমার জন্মভিটে মেদিনীপুরের কোলাঘাটে মান্দারগাছিয়া। দূর দূর গ্রামের মধ্যে একটা পুজো। ফলে ঠাকুর বরণ করতে করতে বেশ রাত হয়ে যেত। বিসর্জনের পর বাবা সিদ্ধি তৈরি করে আমপাতা দিয়ে সবার মুখে ছিটিয়ে দিতেন। তারপর আমরা নতুন জামা পরে বাড়ির গুরুজনদের প্রণাম করতাম। বদলে পেতাম নারকেল নাড়ু, বাতাসা কখনও বা লুচি। দশমীর পর কয়েকদিন ধরে চলত এই বিজয়াপর্ব। বড় হওয়ার পর কলকাতায় এসে অন্যরকম পুজোর স্বাদ পেলাম। আমার দিদি থাকতেন হাটখোলার দত্ত বাড়িতে। জামাইবাবু ওই বাড়ির কুল পুরোহিত ছিলেন। আমি জামাইবাবুকে পুজোয় সাহায্য করতাম। দশমীর দিন সবাই নতুন জামাকাপড় পরে ঠাকুর ভাসান দিতে যেতাম সবার সঙ্গে। সকালে বাড়ির দালান থেকে একটা নীলকণ্ঠ পাখি ছাড়া হতো। প্রতিমাকে জলে ফেলার আগে আর একখানা নীলকণ্ঠ পাখি ছাড়া হতো। ভাসান দিয়ে বাড়ি ফেরা হতো একটি স্তোত্র সুর করে গাইতে গাইতে। শান্তির জল নিয়ে গুরুজনদের প্রণাম, কোলাকুলি। ছোটরা বড়দের প্রণাম করলে, তাদের হাতে পয়সা দেওয়া হতো। সেই পয়সা জমিয়ে চপ, কাটলেট খেতাম। সে একটা মজার দিন ছিল। এখন কোথাও যাই না। আসলে দশমীর সেই আবেগটাই হারিয়ে গিয়েছে। আগে প্রতিবেশীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। গোটা পাড়াকে একটা বাড়ি বলে মনে হতো। এখন সেটা আর দেখতে পাই না।
তনিমা সেন : আমি ইন্ডাস্ট্রির শুরু থেকে প্রত্যেক বছর যে ইউনিটে কাজ করি না কেন, সেই ইউনিটের সকলকে আমি জামাকাপড় দিয়েছি। সেই ‘এই তো জীবন’ থেকে। এবার ‘দেবীচৌধুরানি’ নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হওয়াতে সবাইকে দিতে পারলাম না। বিজয়া তো আমার কাছে মিলন উৎসব। সমস্ত জাতি ধর্ম, গরিব-বড়লোক নির্বিশেষে মানুষকে আলাদা করে দেখতে শিখিনি। আমি ছিলাম বাড়ির ছোট মেয়ে। সেই সুবাদে একটা সময় বিজয়ার পর সবাইকে প্রণাম করতাম। আর এখন সবাই আমাকে প্রণাম করছে আর আমি আশীর্বাদ করছি। আমি উত্তর কলকাতার শ্যামবাজারের মেয়ে। মায়ের বাড়ির যে ঐতিহ্য সেটা এখনও বজায় রাখার চেষ্টা করছি। তখন পাড়ার পুজোটা বাড়ির পুজো বলেই মনে করতাম। একটাই দুঃখ ছিল। বাড়ি থেকে বিসর্জনে যাওয়ার অনুমতি মিলত না। লরিতে ঠাকুর ওঠার পর ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে মায়ের চলে যাওয়া দেখতে দেখতে চোখে জল এসে যেত। মন পাল্টাতো বাড়ি বাড়ি ঘুরে আত্মীয়, অনাত্মীয় সবাইকে প্রণাম করতে গিয়ে। সেই শিষ্টাচারটা আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে। ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে বিজয়া সেরে নিচ্ছে। মানুষ কেমন যেন মানুষের কাছে আসতে ভুলে যাচ্ছে।
বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়: এখন কোনও দুগ্গা মায়ের আটটা হাত, কোনও মায়ের আবার দুটো। মাকে অসম্মান করে এ কেমন উৎসব? পুজোটারই যেখানে ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে, সেখানে বিজয়ার আবেগটা আর থাকে কি? আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রণাম, কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময়ের রেওয়াজ ছিল। এখনকার প্রজন্ম তো ডিস্কো থেক-এ ব্যস্ত। আগে পুজোর সময় আমরা একটা ঘোরে থাকতাম। সপ্তমী থেকে দুটো করে শো। মানুষের উপচে পড়া ভিড়। মনে করতাম আমরাও উৎসবের একটা অঙ্গ। দশমীর দিন স্টেজেতেই আমরা বিজয়ার কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় করতাম। সিনিয়র শিল্পীদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতাম। এখন তো ঠাকুর পুজো হয় না, হয় থিমের পুজো। কার কত টাকা সেটা দেখানোর খেলা। এই টাকাগুলো তো গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করা যেতে পারে। সেখানেই তো লুকিয়ে আছে বিজয়ার যথার্থ রূপ। ঐতিহ্য, পরম্পরাকে বিসর্জন দিয়ে মা উমাও মনে করেন না, এই ফুর্তির কোনও প্রয়োজন আছে বলে। তাই এখন বিজয়ার দিন বাড়িতেই থাকি। আসলে আগে বিজয়াটা বিজয়া ছিল, এখন একদশী হয়ে গিয়েছে।
পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: তখন সবে কৈশোর উত্তীর্ণ করে যৌবনে পা রাখছি। অষ্টমীতে সারা রাত ঠাকুর দেখে নবমীর সকালে বাড়ি ফিরেছি। তখন অনুভূতিগুলো অন্যরকম শিহরণ জাগাত। তবে অসভ্যতা ছিল না। দশমীতে উৎসব থেমে গেলে যে নিস্তব্ধতা, ক্লান্তি, বিষাদ ঘনিয়ে আসত সেটাও উপভোগ করতাম। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে ঘুরে ঘুরে প্রণাম করা, খাওয়া। বেশ লাগত। আমাদের ছড়ানো ছিটানো পরিবার ছিল। কিন্তু বিজয়াকে উপলক্ষ করে সবাই কাছাকাছি আসত। বন্ধু্দের রাগ, অভিমানও সব কোন মন্ত্রবলে উবে যেত। বিজয়ার বিষাদে একে অপরকে জড়িয়ে ধরতাম। এই অনুভূতির এঁটোকাটাগুলো পরবর্তী জীবনে শিকড়ে গেঁথে গিয়েছে। সেই মানবিকতা, মূল্যবোধ, দর্শননীতি আজও আমাকে পথ চলতে সাহায্য করে। আমরা প্রতি মুহূর্তে চাই একসঙ্গে থাকব। উৎসবগুলো হচ্ছে সেই উপলক্ষ। পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত বাড়িতে থাকি। রাস্তা দিয়ে প্রজাপতিগুলো যখন নতুন জামাকাপড় পরে হাঁটাহাঁটি করে, দেখে বেশ লাগে। ওটাই আমার ঠাকুর দেখা। এখন ফোনে বিজয়ার আদানপ্রদান হয়েছে। বিজয়ার মধ্যে তাই আমি আলাদা কিছু খুঁজে পাই না। কারণ যে হুল্লোড়টা হয়, তাণ্ডবটা হয়, তার মধ্যে একটা উল্লাস থাকে। একদিন আমিও তো বাঁধভাঙা আনন্দে মেতেছি। আমার মধ্যে সেই কিশোরটা আজও বেঁচে আছে।
দোলন রায় : বিজয়ারও আগে শুরু হতো দশমী। আলতা পরে, মায়ের পায়ে বই ছুঁইয়ে। পরের দিন পাড়ার প্রতিটি বাড়ি গিয়ে প্রণাম করা, মিষ্টি খাওয়া, নিমকি আর ঘুঘনির সুগন্ধে ভরা দশমী আর বিজয়াগুলো আজ হারিয়ে গিয়েছে। এখন হোয়াটসঅ্যাপ হয়েছে। ছবি পাঠিয়ে কাজ সেরে নিচ্ছি। সত্যিই যাঁদের পায়ের কাছে গিয়ে বসতে ইচ্ছে করে, প্রণাম করতে মন চায়, তাঁরাও হয়তো সময় দিতে পারেন না, কিংবা নিজেরাও হয়তো সময় বের করে উঠতে পারি না। আন্তরিকতাহীন নিরুত্তাপ একটা দিনযাপন। আসলে আমরা খুব টেকস্যাভি হয়ে গিয়েছি তো। মানসিক বন্ধনটা হারিয়ে যাচ্ছে। এটা জানি না এরপর কী হবে? এই বদলে যাওয়া বিষয়টায় আমি একেবারেই খুশি নই।
শুভাশিস মুখোপাধ্যায় : বিজয়াতে আলিঙ্গনের একটা মাধুর্য ছিল, সবাই সবাইকে কোলাকুলি করত। বুকে জড়িয়ে ধরার সেই উষ্ণতাটা আমাদের মধ্যে থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ আমরাও তো এই একটা দিনই পরস্পর পরস্পরকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারি। এই একাত্মতা, একে অপরের সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগ — এইগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এগুলো কাম্য নয়। কষ্ট দেয়। এখন বিজয়ার দিন সামনাসামনি দেখা হলেও কেউ কোলাকুলি করে না। হ্যান্ডশেক করে। এই সম্পর্কে উষ্ণতাটা কেন আমরা মিস করব? আর একটা কথা, বিজয়াতে ঘরে তৈরি নিমকি, মিষ্টি, ঘুঘনির স্বাদও ধীরে ধীরে উবে গেল।
লিলি চক্রবর্তী : আমার ছোটবেলা কেটেছে মধ্যপ্রদেশে। আমরা যেখানে থাকতাম সেখানেই প্রতিবছর ধুমধাম করে পুজো হতো। গোটা শহরে ওই একটিই পুজো হতো। ফলে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসতেন পুজোয় অংশ নিতে। তাঁদের মধ্যেই কেউ ঠাকুর গড়তেন, কেউ প্যান্ডেল বাঁধতেন, বড়রা পুজোর ক’টা দিন কী কী অনুষ্ঠান হবে, কে কে অংশগ্রহণ করবে, কী নাটক হবে — এই নিয়ে মেতে উঠতেন। মায়েরা সব ঠাকুরের ভোগ, পুজোর আয়োজন, দু’বেলা রকমারি পদের খাবারের পরিকল্পনা নিয়ে মহা ব্যস্ত হয়ে উঠতেন। পুজোর দিনগুলো আমরা কেউ প্রায় বাড়িই ফিরতাম না। পুজোর পর প্যান্ডেলেই অনুষ্ঠান, সেখানেই চারবেলা খাওয়া দাওয়া। আমার জীবনের প্রথম অভিনয় তো ওই দুগ্গা ঠাকুরের প্যান্ডেলেই। বিজয়ার দিন কী হইহুল্লোড়। মায়েদের সিঁদুর খেলা। ছেলেদের ধুনুচি নাচ। ঢাকের তালের সঙ্গে নাচের প্রতিযোগিতা... একসময় সবাইকে কাঁদিয়ে মা উঠত সবার কাঁধে। বিজয়ার এই অপূর্ব দৃশ্য আমার মনে আজও গেঁথে আছে। ঠাকুর ভাসান দিয়ে এসে প্যান্ডেলেই শুরু হতো বিজয়ার উৎসব। এবার সবার ফিরে যাওয়ার পালা। মনটা হু হু করে উঠত। সত্যিই সকলের জন্য মন কেমন করত তখন। পরবর্তী জীবনে আমি আর কখনও ওই রকমভাবে পুজোয় শামিল হইনি। বিজয়াতে এখনও অবশ্য আমার হাতে রান্না করা ঘুগনি খেতে আত্মীয়স্বজনরা বাড়ি আসে ঠিকই। তখন একটু হইহই হয়। বিজয়াটা যে কতটা মন খালি করা বেদনার ওই ছোট্ট বয়সেই উপলব্ধি করেছিলাম।
চৈতি ঘোষাল : বাবা (শ্যামল ঘোষাল) ঋত্বিক ঘটকের ‘যুক্তি তক্কো গপ্প’-তে অভিনয় করতে গিয়ে, শ্যুটিং পর্ব শেষ হওয়ার পর ছবিতে ব্যবহৃত দুর্গা মূর্তিটি শান্তিনিকেতন থেকে বাড়ি নিয়ে আসেন। কাঠ খোদাই করে দুর্গা মূর্তিটা তৈরি করেছিলেন শিল্পী রামকিঙ্কর বেইজের এক ছাত্র। সেই দুর্গা মূর্তিটা প্রথমে আমাদের লেক গার্ডেন্সের বাড়িতে পুজো হতো, এখন রিজেন্ট এস্টেটের বাড়িতে হয়। ওই মূর্তি ভাসানের কোনও প্রশ্নই নেই। পুজোর পর মূর্তিটার ঠাঁই হয় আমাদের ঠাকুরঘরের দেওয়ালে। সেই পুজোকে ঘিরে আমাদের বাড়িতে কত গুণীজনের যে সমাবেশ ঘটত, কী বলব। দশমীর পর লক্ষ্মী পুজো পর্যন্ত বাড়িতে বিজয়া উদযাপন হতো। বাবার বিভিন্ন মহলে পরিচিতি ছিল। তাই মানুষ আসারও বিরাম ছিল না। মা নিরলসভাবে সকলকে নিমকি, ঘুগনি, মিষ্টি, চা সরবরবাহ করে যেতেন। তারও আগে আমাদের আদি পৈতৃকবাড়ি হাওড়ায় সকলে মিলে দাদু-ঠাকুমাকে বিজয়ার প্রণাম করতে যেতাম। অসংখ্য পরিজন। বিজয়া উপলক্ষে সবাই জড়ো হতেন হাওড়ার বাড়িতে। অথচ ওই বাড়িতে কোনওদিন দুর্গা প্রতিমা এনে পুজো হয়নি। কিন্তু আমাদের পরিবারিক বিজয়া সম্মেলন দেখে কে বলবে সে কথা? নিমকি, চন্দ্রপুলি, ঘুগনি, মিষ্টি... খেয়ে শেষ করা যেত না। সবই বাড়িতে তৈরি। বিরাট দালানে কোলাকুলির উৎসব লেগে যেত। প্রতিবেশীরাও যোগ দিতেন সেই উৎসবে। পরে বাবা নিজের উদ্যোগে কলকাতায় পুজো শুরু করলেও সেই উৎসবে শামিল হতাম আমরা। দেখাদেখি বাবাও কলকাতায় লেক গার্ডেন্সের বাড়িতে বিজয়া সম্মিলনী শুরু করলেন, যা আমি বাঁচিয়ে রেখেছি আজও। জানি না আমার পরবর্তী প্রজন্ম মানে আমার ছেলে অমর্ত্যরা এই ট্র্যাডিশন কতটা বজায় রাখবে। তাছাড়া তৃপ্তি মাসি (মিত্র), যাঁকে আমি মায়ের মর্যাদাই দিই, তিনিও বিজয়া উপলক্ষে নিমকি, নারকেল নাড়ু করতেন। আমরা সবাই মিলে যেতাম তৃপ্তি মাসিকে প্রণাম করতে, আর খেতে। এখন কেউ আর বিজয়ার প্রণাম জানিয়ে কাউকে চিঠি লেখে না। মনে আছে, কত সুন্দর সুন্দর রঙিন কাগজ, খাম আর কার্ড আমরা ঘুরে ঘুরে কিনে আনতাম। সেসব এখন কোথায়? এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপে দূরের মানুষদের বিজয়ার শুভেচ্ছা পাঠিয়ে দিই। যার বেশির ভাগ আর্ট ওয়ার্ক আবার ফরওয়ার্ড করা। এখন যান্ত্রিকতা বড্ড বেড়ে গিয়েছে। আধুনিকতা অবশ্যই অপরিহার্য। কিন্তু তাই বলে ঐতিহ্য ভুলে গিয়ে নয় নিশ্চয়ই। 
11th  October, 2019
এয়ারপোর্টের লাইনে
হৃদস্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল 

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই লন্ডনে শ্যুটিং সেরে বুধবার সকালে শহরে ফিরেছেন মিমি চক্রবর্তী। আর তারপর থেকেই তিনি আলোচনার কেন্দ্রে। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে আসার পর কেন তিনি মাস্ক না পড়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বা লন্ডনে তিনি কতটা সুরক্ষা মেনে শ্যুটিং করেছেন এইরকম প্রশ্নেই দিনভর উত্তাল ছিল সোশ্যাল মিডিয়া।  বিশদ

20th  March, 2020
অক্ষয়ের বেল বটমে বাণী 

বাণী কাপুর অবশেষে তাঁর আগামী প্রজেক্টের কাজ হাতে পেলেন। গত বছর তিনি ব্লকবাস্টার ছবি ‘ওয়ার’-এ হৃতিক রোশন এবং টাইগার শ্রফের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন।   বিশদ

20th  March, 2020
সিঙ্গাপুরে ঋতুপর্ণা 

 করোনা-আতঙ্কের মধ্যেই পরিবারের পাশে থাকতে সিঙ্গাপুরে উড়ে গেলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, এই সময় সন্তানদের সঙ্গে থাকতে চাইছেন তিনি।  বিশদ

20th  March, 2020
হাত ধোয়ার ভিডিও বার্তা নুসরতের 

গোটা টলিউড এই মুহূর্তে গৃহবন্দি। খুব দরকার না হলে কেউই বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। বাড়িতে বসে যে যাঁর মতো সময় কাটাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ আবার সোশ্যাল মিডিয়াতে নানা রকমের পোস্ট করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার চেষ্টাও করছেন।  বিশদ

20th  March, 2020
কোয়ারেন্টাইনের অষ্টম দিনে নিক-প্রিয়াঙ্কা 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসকে অতিমারী ঘোষণা করার পরেই বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিককে অযথা বাইরে বেরতে বারণ করেছে। সেই কারণেই প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং নিক জোনাস ‘সেলফ কোয়ারেন্টাইন’-এর পথ বেছে নিয়েছেন।   বিশদ

20th  March, 2020
করোনা আতঙ্কে বি-টাউনে বিয়েতে বাধা 

এবার বিয়ের পিঁড়িতেও বাধা হয়ে দাঁড়াল চীন থেকে আগত নোভেল করোনা ভাইরাস। এ বছর বি-টাউনের একাধিক নায়ক-নায়িকা সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলছিলেন। কিন্তু আস্ত আপদ করোনা হানায় সেই সব আনন্দানুষ্ঠান ভেস্তে যেতে পড়েছে।  বিশদ

20th  March, 2020
আবার বছর কুড়ি পরে

 আবার বছর কুড়ি পরে, এই শব্দবন্ধ নিয়ে বাঙালির নস্ট্যালজিয়ার শেষ নেই। জীবনানন্দ দাশের কালজয়ী কবিতা থেকে শুরু করে ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র জনপ্রিয় অ্যালবাম। এবার এই নামেই বাংলা ছবি আসতে চলেছে। পরিচালনায় শ্রীমন্ত সেনগুপ্ত।
বিশদ

13th  March, 2020
 সিনেমায় মহাশ্বেতা দেবীর জীবন

 অভিনন্দন দত্ত: প্রয়াত সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবীর জীবন অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে সিনেমা। আর এই সাহসী পদক্ষেপ করছেন পরিচালক অরিন্দম শীল। ছবির নাম ‘মহানন্দা’। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন গার্গী রায়চৌধুরী। তবে, এই ছবিকে আক্ষরিক অর্থে বায়োপিক বলতে নারাজ পরিচালক।
বিশদ

13th  March, 2020
মুক্তি পাচ্ছে ইরফানের
আরও একটি ছবি

 প্রায় দুই বছর ধরে ইরফান খান অভিনীত ‘আপনো সে বেওয়াফাই’ ছবিটি অর্থের অভাবে মুক্তির আলো দেখতে পারেনি। ছবির পরিচালক প্রকাশ ভালেকর জানিয়েছেন, অবশেষে এই ছবিটি আগামী মাসের ২ তারিখ মুক্তি পেতে চলেছে। বিশদ

13th  March, 2020
ফ্যানের আঁকা ছবি দেখে আপ্লুত আলয়া

আলয়া ফার্নিচারওয়ালা কিছুদিন আগেই সইফ আলি কানের বিপরীতে ‘জাওয়ানি জানেমন’ ছবি দিয়ে বলিউডে ডেব্যু করলেন। তারপর থেকেই তিনি কিন্তু দর্শকদের কাছ থেকে বেশ প্রশংসা পাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, আলেয়ার কিন্তু আলাদা ফ্যানও তৈরি হয়ে গিয়েছে। বিশদ

13th  March, 2020
 শিবু-নন্দিতার থেকে পাল্টা পঞ্চাশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি!

 আগেই ছবির প্রযোজক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়ে আইনি চিঠি পাঠিয়েছিলেন লেখিকাকে। এবার পাল্টা ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিলেন লেখিকাও।
বিশদ

13th  March, 2020
নতুন ভূমিকায় খরাজ 

টলি ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায়। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁকে বিভিন্ন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। এবারে উৎকর্ষ ইন্ডিয়া লিমিটেডের পিভিসি বিভাগের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন খরাজ। সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার জেরেই যে খরাজ এই সুযোগ পেয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।   বিশদ

06th  March, 2020
পরিচালকের আসনে সুজয়প্রসাদ 

অভিনন্দন দত্ত: এবারে ছবি পরিচালনার কাজে হাত দিতে চলেছেন অভিনেতা সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। ‘হোম’ শীর্ষক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি তৈরি করবেন তিনি। মার্চ মাসেই শুরু হচ্ছে এই ছবির শ্যুটিং। বেশ তো ছিল মঞ্চ বা বিভিন্ন মাধ্যমে অভিনয়। হঠাৎ পরিচালনা কেন?   ‘আসলে ছবি তৈরি করার পরিকল্পনা থাকলেও সেটা যে এত তাড়াতাড়ি বাস্তবে রূপ পাবে ভাবিনি। কিন্তু একদিন বন্ধুরা মিলে আড্ডা দেওয়ার সময় ছবির কনসেপ্টটা মাথায় আসে’, বলছিলেন সুজয়।
বিশদ

06th  March, 2020
ডেট বিভ্রাটে স্থগিত মিস্টার লেলে 

বরুণ ধাওয়ান, জাহ্নবী কাপুর এবং ভূমি পেডনেকর এই তিনজন শশাঙ্ক খৈতান পরিচালিত ‘মিস্টার লেলে’ ছবিতে অভিনয় করবেন বলে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের ডেট কিছুতেই মিলছে না। অগত্যা শ্যুটিং স্থগিত রাখতে হল পরিচালককে। শশাঙ্ক এর আগে ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া’, ‘বদ্রীনাথ কি দুলহানিয়া’-র মতো ছবি করেছেন।   বিশদ

06th  March, 2020
একনজরে
অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন গোটা রাজ্য আতঙ্কিত, তখন ‘মড়ার উপর খাড়ার ঘা’য়ের মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে দিয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন উম-পুন। ...

 কোচি, ২৮ মে: দেশের নামী ক্রীড়াবিদদের সন্তানরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন, এমন উদাহরণ রয়েছে প্রচুর। কিন্তু ‘ট্র্যাক কুইন’ পিটি ঊষার পুত্র ভিগনেশ উজ্জ্বলও হতে পারতেন অ্যাথলিট। কিন্তু ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সরকারি হিসেবে সুন্দরবনের ৩ হাজার ৯৯১ কিলোমিটার জঙ্গল কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ বাদাবন ধ্বংস করে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 

09:38:06 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM