Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

বাজি পোড়ানোর সময়
কী কী সাবধানতা নেবেন?

 পরামর্শে বারাসত ক্যান্সার হাসপাতালের ভিজিটিং ইএনটি সার্জেন ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য।

পুজোর সিজন এখন শুরু হয় গণেশপুজো থেকে। বিশ্বকর্মা, দুর্গা, লক্ষ্মী, ছট, কালী হয়ে জগদ্ধাত্রীতে এসে শেষ হয়। প্রতি পুজোতেই এখন কমবেশি বাজি-পটকা ফাটে, কালীপুজোতে যা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। পুজো ছাড়াও খেলার মাঠে, রাজনৈতিক দলের বিজয়োৎসব, এমনকী বিয়েবাড়িতেও এখন বাজি পটকার রমরমা। বাজি থেকে বিপত্তি হতে পারে তিনভাবে। কানের ক্ষতি হতে পারে, চোখে আগুনের ফুলকি পড়তে পারে, শরীরের অংশবিশেষ পুড়ে যেতে পারে। কানের কথাই আগে বলি।
কীভাবে শুনি: বড় জটিল আমাদের শ্রবণ পথ। কানের তিনটে ভাগ বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ, অন্তঃকর্ণ। বহিঃকর্ণে থাকে সুড়ঙ্গের মতো কর্ণনালী যা শেষ হয় কানের পর্দায়। মধ্যকর্ণে থাকে তিনটে ছোট হাড় (মেলিয়াস, ইনকাস ও স্টেপিস) কিছু মাংসপেশি, তন্তু, রক্তনালী ইত্যাদি। অন্তঃকর্ণ হল কানের আসল অংশ, যার আরেক নাম ল্যাবাইরিন্থ, যার আবার দুটো অংশ। বাইরেরটা হাড়ের তৈরি বোনি ল্যাবাইরিন্থ আর ভিতরটা নরম মেমব্রেনাস ল্যাবাইরিন্থ। এই দু’য়ের মাঝে থাকে স্পেরিলিম্ফ এবং এন্ডোলিম্ফ নামক তরল পদার্থ। অন্তঃকর্ণে অন্যান্য অংশগুলো হল ভেস্টিবিউল, সেমি সার্কুলার ক্যানাল এবং ককলিয়া। এই ককলিয়াই আমাদের আসল শোনার জায়গা। এর হেয়ার সেল প্রচণ্ড শব্দে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বহিঃকর্ণ থেকে শব্দতরঙ্গ মধ্যকর্ণ হয়ে অন্তঃকর্ণে পৌঁছয়। যেখানে শব্দতরঙ্গ বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়ে ব্রেনে পৌঁছয়। শব্দের তীব্রতা অর্থাৎ শব্দ কতটা জোরে হচ্ছে তা মাপবার জন্য একটি এককের ব্যবহার করা হয়ে থাকে যার নাম ডেসিবেল। এর সঙ্গে দেড় দশক ধরে আমরা দারুণভাবে পরিচিত হয়ে গেছি। শব্দবিজ্ঞানীরা অনেকদিন আগেই জানিয়েছিল ৬৫ ডেসিবেলের বেশি তীব্রতার শব্দ স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। খুব বেশি হলে ৮৫ ডেসিবেল পর্যন্ত আমরা সহ্য করতে পারি। এর বেশি হলে কানে নানা ক্ষতি হয়। আমাদের শ্রবণ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে। হার্টের গতি ও রক্তচাপ বাড়তে পারে। দেখা দিতে পারে অনিদ্রা, অস্থিরতা নানা ধরনের স্নায়ু রোগ।
১৪০ ডেসিবেলের শব্দ শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করে। ১৬০ ডেসিবেলের বেশি শব্দ কানের পর্দা ফাটিয়ে দিতে পারে।
কী কী ক্ষতি হতে পারে: প্রধানত চার ধরনের ক্ষতি হতে পারে শব্দবাজি থেকে—
 কানে সাময়িক তালা ধরতে পারে ও ব্যথা হতে পারে।
 কানের পর্দা সরাসরি ফেটে যেতে পারে।
 অন্তঃকর্ণের স্নায়ুতে চোট লাগার জন্য কানে সাময়িক বা চিরস্থায়ী বধিরতা দেখা দিতে পারে।
 কানে ভোঁ ভোঁ করতে পারে, মাথা ঘুরতে পারে, বমিও হতে পারে।
কী করবেন: বাড়ির বাইরে থাকলে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে আসুন। বাইরের শব্দের উৎপাত থেকে বাঁচতে দরজা-জানলা বন্ধ করে দিন। গরম তেল, জল বা বাড়িতে পড়ে থাকা পুরনো কানের ড্রপ কখনও কানে দেবেন না। দোকানে বলে সদ্য কিনে আনা কানের ড্রপও দেওয়া উচিত নয়। কানে বরং শুকনো তুলো গুঁজে দিন। অস্থিরতা কমাতে অ্যালপ্রাজ্যোলাম জাতীয় বড়ি বা ০.২৫ মাত্রা খেতে পারেন। কান থেকে রক্ত গড়ালে কানে তুলো গুঁজে ডাক্তারের কাছে যান বা হাসপাতালে ইমার্জেন্সিতে যান। তবে যাই করুন রাতারাতি কানের তালা খুলে যাবে এমনটা কখনও ভাববেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখেন কান থেকে জল গড়াচ্ছে সত্ত্বর ডাক্তার দেখাবেন। কানে কম শুনলে, তালা ধরলে ভোঁ ভোঁ করলে কানের অডিওমেট্রি পরীক্ষা করে শ্রবণ ক্ষমতা পরীক্ষা করতে হবে। অন্তঃকর্ণের ক্ষতির পরিমাণ জানার জন্য প্রয়োজনে করতে হবে ইলেক্ট্রো ককলিয়াগ্রাফ। পর্দা ফেটে গেলে পরবর্তীকালে ম্যাটারিনগোপ্লাস্টি করে পর্দা জুড়ে নিতে হবে। কানের নার্ভের স্থায়ী ক্ষতি হলে, কানে হেয়ারিং এড নিতে হতে পারে।
আঙুল পুড়ে গেলে: হাউসস্টাফশিপ পিরিয়ড একবার কালীপুজোর রাতে একবার ডিউটি করতে হয়েছিল আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইমার্জেন্সিতে। ৩৬ বছর আগে সেই রাতের স্মৃতি আমার স্মৃতিতে এখনও উজ্জ্বল। তখন শব্দবাজিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা ছিল না। একের পর এক হাত পোড়া, গা পোড়া সারা শরীর ঝলছে যাওয়া, মাথা, চোখ, চুল পুড়ে যাওয়া রোগী ঢুকছে এমার্জেন্সিতে। তাঁদের চিৎকার আর পোড়ার গন্ধে বার বার দমবন্ধ হয়ে আসছিল আমার। হাইকোর্ট, পুলিস, প্রশাসন সর্বোপরি জনগণ কিছুটা সচেতন হওয়ায় কিছুটা অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তবু কালীপুজোর ক’দিন আগুনে অনেকের হাত-পা, মুখ পুড়বে। তখন কী করবেন জেনে নিন।
জল ঢালবেন পুড়ে যাওয়া জায়গায়। না, বরফ ঠান্ডা জল বা বরফ নয়। ঢালবেন স্বাভাবিক (১০ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) তাপমাত্রার বা অল্প ঠান্ডা জল। আবার বলছি বরফ নয়, কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডায় রক্তবাহী নালীগুলি সঙ্কুচিত হয়ে পুড়ে যাওয়া অংশটিতে রক্তসঞ্চালন কমিয়ে দেয়। কতক্ষণ ধরে জল ঢালবেন? যতক্ষণ না ব্যাথা-জ্বালা কমে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন একঘণ্টার বেশি সময় জল ঢাললে কোনও লাভ হয় না।
এবার জেনেনিন কেন ঢালবেন জল?
এরফলে গভীর ক্ষত হয় না ত্বকে। পুড়ে যাওয়া অংশটি ফুলে ওঠে না, ব্য‌থা কমে। জল ঢাললে পুড়ে যাওয়া অংশ থেকে তাপ দ্রুত বেরিয়ে যায়। ত্বকের কোষ থেকে হিস্টামিন ও কাইনিন বেরোনো কমে যাওয়ার ফলে ক্ষতি কম হয়, ক্ষতিটা ত্বকের গভীর স্তর পর্যন্ত পৌঁছয় না। আরেকটা কথা পোড়া জায়গায় গাদা গাদা বার্নল লাগাবেন না, ফোস্কা পড়লে গেলে দেবেন না। শুধু জল ঢেলে, ব্যাথার ওষুধ খেয়ে জায়গাটা পরিষ্কার কাপড় বা গজ দিয়ে ঢেকে ডাক্তারের কাছে যাবেন।
বিপত্তি যখন চোখে: বাজিতে থাকে নানারকম রাসায়নিক, যার কোনওটি শরীরের পক্ষে ভালো নয়, চোখের জন্যও তো নয়ই। আগুনের ফুলকি বা সালফারের গুড়ো চোখে ঢুকে যেতে পারে। একদম চোখ রগড়াবেন না। কোনও ঘরে পড়ে থাকা ড্রপ বা মলম চোখে দেবেন না। বারে বারে চোখে পরিষ্কার জলের ঝাপটা দিন। অন্ধকারে চোখককে বিশ্রাম দিন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চোখের ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অনেক সময় বাজি থেকে চোখের কর্নিয়া পুড়ে যেতে পারে। কাজেই সাবধান!
তবে কী বাজি পোড়াবেন না: পোড়াবেন, তবে সাবধানে। নিজের ও পরের ক্ষতি না করে। শব্দবাজি, রকেট বাদ দিয়ে অন্য আতসবাজি পোড়ান।
যদি বাজি পোড়াতেই হয় তবে কিছু সাবধানতা আপনাকে অবলম্বন করতেই হবে—
 জনমুখর পরিবেশে বাজি পোড়াবেন না। খোলা ছাদ, বাড়ির উঠোন বা মাঠে বাজি ফাটান। শব্দ বাজি না ফাটিয়ে আলোক বাজি ফাটান।
 ঢিলেঢালা সিন্থেটিক পোশাক পরবেন না। সুতির আঁটোসাটো পোশাক পরুন। জুতো মোজা পরুন বা চামড়ার চটি। শিশুদের তাই পরাবেন।
 বাজির বারুদ যেন ঘরে না পড়ে। অ্যালার্জি বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। চোখে গেলে কনজাংটিভাইটিসও হতে পারে।
 শিশুদের নাগালে বাজি রাখবেন না। ওদের একা একা বাজি পোড়াতে দেবেন না। নখ কেটে দেবেন। একটা লম্বা লাঠির মাথায় আলোকবাজি বেঁধে শিশুদের পোড়াতে দিন।
 বাজি পোড়াবার জায়গায় একবালতি জল রাখবেন। আধপোড়া বাজিতে জল ঢেলে দেবেন।
 ড্যাম্প ধরা বাজি পোড়াবেন না। পোড়াবার আগে রোদে দিয়ে দেবেন। পলতে ঠিক আছে কিনা, দেখে নেবেন। রকেট বা হাউই বাজি একটা লম্বা খালি বোতলে খাড়া করে রেখে আগুন দেবেন, যাতে বাজিটি উল্টোপাল্টা জায়গায় গোঁত্তা না মারে। শিশুরা যেন এগুলি না ফাটায়।
 বাজির মুখোমুখি পড়ে গেলে দু’হাতে দু’কান চেপে ধরে, চোখ বন্ধ করে হাঁটুতে মাথা গুংজে বসে পড়বেন।
শেষ কথা হল, বাজি পোড়াতে হলে নিজের এবং প্রতিবেশির কথা মাথায় রাখুন। বাজি থেকে যে কোনও মানুষের প্রাণ সংশয় হতে পারে, এটা ভুলে যাবেন না।
24th  October, 2019
করোনা থেকে হতে পারে
স্ট্রোক, বলছেন বিজ্ঞানীরা

সায়ন নস্কর, কলকাতা: বাড়ছে সংক্রমণ। সেই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে উপসর্গও। করোনা আক্রান্ত হলে স্বাদ-গন্ধ বিচারের ক্ষমতা চলে যাওয়া, কনজাংটিভাইটিস ইত্যাদি বিভিন্ন অদ্ভুত লক্ষণের কথা ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সংক্রামিতদের একাংশের নিউমোনিয়া এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট (এআরডিএস) হওয়াও এখন কঠিন বাস্তব।  
বিশদ

06th  June, 2020
ছড়াতে পারে করোনা, দাঁতের
অস্ত্রোপচারে নিষেধাজ্ঞা জারি

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২০ মে: দাঁতের ডাক্তারখানা থেকে ব্যাপক হারে ছড়াতে পারে করোনার ভাইরাস। তাই একান্ত জরুরি ছাড়া দাঁতের অস্ত্রোপচার করতে বারণ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। রোগী দেখার ক্ষেত্রেও জারি হল বিধি নিষেধ। বিশদ

21st  May, 2020
গার্হস্থ্য হিংসায় বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্য
ভেঙে পড়ার আশঙ্কা শিশু কমিশনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনে বেড়ে চলা গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা শিশুমনেও ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে তাদের মধ্যে নানা আচরণগত পরিবর্তন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এমনই আশঙ্কা রাজ্য শিশু কমিশনের।
বিশদ

21st  May, 2020
প্রসূতিদের মধ্যে উত্তরোত্তর বাড়ছে করোনা,
হাই-প্রোটিন ডায়েট এবং ব্যায়ামের পরামর্শ 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে সাতজন, মেডিক্যাল কলেজে দু’জন, কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে তিনজন, সঞ্জীবন হাসপাতালে একজন....। করোনা পর্ব যতই দীর্ঘায়িত হচ্ছে, প্রসূতিদের মধ্যে সংক্রমণও বাড়ছে। 
বিশদ

10th  May, 2020
করোনা ঠেকাতে কোন ধরণের
সাবান ব্যবহার করবেন

যে রোগে মৃত্যুর হার শতকরা মাত্র পাঁচ ভাগ, সেই রোগটাকে নিয়ে কী শুরু হয়েছে বলুন তো! গুজব আর আতঙ্কে তো কান পাতাই দায়। এলাকায় কারো করোনা ধরা পড়ার পর, যে ধরনের অসভ্যতা শুরু হয়ে যায়, মনে হয় কোনও আতঙ্কবাদী ধরা পড়েছে! সেদিন আবার শুনলাম, সাবান না স্যানিটাইজার, নাকি দুটোই- এই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সাবান হলে কোন সাবান? 
বিশদ

06th  May, 2020
খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ভারতীয়দের সতর্ক
করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডাক্তার

  লন্ডন, ৩ মে (পিটিআই): করোনায় মৃত্যু এড়াতে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ভারতীয়দের সতর্ক করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ চিকিৎসক ডাঃ অসীম মালহোত্রা। ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)-এর সঙ্গে যুক্ত স্বনামধন্য কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ মালহোত্রা আবার ‘এভিডেন্স বেসড মেডিসিন’-এর অধ্যাপক। বিশদ

04th  May, 2020
লকডাউনে সুস্থ থাকবেন কী করে
প্রেমসুন্দর দাস, বিশিষ্ট যোগ বিশেষজ্ঞ

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য জরুরি তিনটি বিষয়—শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি। তিনের মেলবন্ধনেই প্রতিরোধ ক্ষমতার শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। মন যত প্রশান্ত হবে, শারীরিক সমস্যাও তত কমবে। মন একাগ্র করার পন্থা আবার নিহিত শরীরচর্চার মধ্যে।
বিশদ

02nd  May, 2020
লকডাউন ওঠার পর কী কী
অভ্যাস বজায় রাখবেন?

 লকডাউন কবে উঠবে? তার চাইতেও অনেক বড় প্রশ্ন হল আমাদের আগামী দিনে জীবন কেমন হবে? সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার করে যেতেই হবে লকডাউন শেষ হওয়া পর্যন্ত। বিশদ

02nd  May, 2020
কীভাবে হাত ধুলে করোনা
ভাইরাসকে মাত দেওয়া যায়?

 করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সমস্ত স্তর দিয়েই হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই পরামর্শ মেনে নিয়ে একটা বড় অংশের মানুষই নিয়মিত হাত ধুয়ে চলেছেন। তবে অনবরত হাত ধুয়ে চলা এই মানুষগুলির মধ্যে অনেকেই অবশ্য হাত ধোয়ার আদর্শ পদ্ধতি মানছেন না।
বিশদ

02nd  May, 2020
ওয়ার্ক ফ্রম হোমে
উৎসাহ হারাচ্ছেন?
জেনে নিন সমাধানের ঘরোয়া উপায়

 নোভেল করোনার দাপট রুখতে দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। মোটের উপর ঘরবন্দি দেশের অধিকাংশ মানুষ। অবশ্য এই ঘরবন্দি অবস্থাতেও বাড়িতে বসেই কাজ করে যাচ্ছেন অনেকে। বিশদ

02nd  May, 2020
রান্নায় এই ৭ টি মশলা বাড়াবে
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

 এই মুহূর্তে করোনা আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। মারণ এই ভাইরাসের তাণ্ডবে কার্যত বিপর্যস্ত মানবজীবন। কীভাবে এই মহামারীর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায় এই চিন্তাতেই দিন কাটছে মানুষের।
বিশদ

02nd  May, 2020
বাসন মাজলে করোনা
ভাইরাস মরে?

 জিম বন্ধ। বন্ধ সেলেবদের শরীরচর্চা। তা বলে থেমে নেই তারকারা। বেছে নিয়েছেন অন্য উপায়। হাত লাগিয়েছেন বাসন মাজায়! কে নেই এই তালিকায়— ক্যাটরিনা থেকে কার্তিক আরিয়ান সকলেই মাজছেন বাসন। গৃহস্থালির এত কাজ থাকতে হঠাত্ কেন বাসন মাজা-মাজি?
বিশদ

02nd  May, 2020
সাবান না স্যানিটাইজার
কোনটা বেশি ভালো?

 নোভেল করোনার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পেতে সাবান এবং স্যানিটাইজারের কদর প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। চাহিদা এতটাই বেশি যে বাজারে স্যানিটাইজার তো প্রায় পাওয়াই যাচ্ছে না। আর সাবান পাওয়া গেলেও তার বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুণ। বিশদ

02nd  May, 2020
বারবার বাসন মেজে নখকুনি?
কাপড় কেচে, ঘর মুছে
হাতে হাজা? কী করবেন?

 বাসন মাজা, ঘর মোছা, কাপড় কাচা, সব্জি কাটার কারণে হাতে বেশ কিছু ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। তার উপর এখন লকডাউন চলছে। ঘরের কাজ একটু বেশিই করতে হচ্ছে। এদিকে কাজ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায় নেই। বিশদ

02nd  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: করোনা মোকাবিলায় পুর এলাকায় ভালো কাজ করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন আলিপুরদুয়ার পুরসভার অনারারি হেল্থ ওয়ার্কারদের নোডাল অফিসার বিমলেন্দু তালুকদার।   ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৬ জুন (পিটিআই): কোভিড ১৯-এর মারণ গ্রাসে গোটা বিশ্ব কাঁপছে। তবে এই পরিস্থিতিকেই কাজে লাগিয়ে ভারতের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ বিমা প্রকল্পের প্রসার ঘটাতে পারে। করোনা পরিস্থিতিই আয়ুষ্মান ভারতের কাছে একটা বড় সুযোগ। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পঞ্চম দফার লকডাউনে রাজ্যে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সরকারি হাসপাতালের আউটডোর পরিষেবা। যানবাহন পরিষেবা কিছুটা স্বাভাবিক হতেই এনআরএস, আরজিকর, পিজি, ন্যাশনাল মেডিক্যাল ...

মুম্বই, ৬ জুন: খেলাধূলাই পারে সামাজিক বৈষম্য দূর করতে। নেলসন ম্যান্ডেলার একটি বিখ্যাত উদ্ধৃতি উল্লেখ করে এমন আশা প্রকাশ করেছেন শচীন তেন্ডুলকর।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৪- টেনিস খেলোয়াড় মহেশ ভূপতির জন্ম
১৯৭৫- সিরিয়ালের প্রযোজক একতা কাপুরের জন্ম
১৯৭৭- ক্রিকেটার দীপ দাশগুপ্তের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৭ টাকা ৭৬.৪৮ টাকা
পাউন্ড ৯৪.১৪ টাকা ৯৭.৪৭ টাকা
ইউরো ৮৩.৮২ টাকা ৮৬.৯২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৭ জুন ২০২০, রবিবার, দ্বিতীয়া ৪০/৩ রাত্রি ৮/৫৬। মূলা নক্ষত্র ২৩/৯ দিবা ২/১১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৭, সূর্যাস্ত ৬/১৫/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/২ গতে ২/৪২ মধ্যে, রাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ১০/৩০ গতে ১২/৩৯ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৫ মধ্যে।  
২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৭ জুন ২০২০, রবিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১০/২১। মূলানক্ষত্র দিবা ৩/৫০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৩ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ২/৪ মধ্যে এবং ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৬ গতে ১২/৪২ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/১৬ মধ্যে।
১৪ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লিতে আপাতত বন্ধ থাকবে হোটেল, ব্যাঙ্কওয়েট হল: কেজরিওয়াল 

02:49:39 PM

আগামীকাল থেকে দিল্লিতে খুলবে রেস্তোরাঁ, শপিং মল এবং ধর্মীয় স্থান: কেজরিওয়াল 

02:46:20 PM

দিল্লিতে করোনায় আক্রান্ত বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর এক আধিকারিক 

02:38:40 PM

আজ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা 
আজ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে ...বিশদ

01:29:27 PM

গড়িয়া স্টেশন রোডের কাছে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৪টি দোকান 
গড়িয়া স্টেশন রোডের কাছে গভীর রাতে আগুনে ভস্মীভূত হল চারটি ...বিশদ

01:17:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে ফলস সিলিং ভেঙে জখম এক শ্রমিক 

01:00:00 PM