Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে চিকিৎসা বিপদ কী কী?

 জানাচ্ছেন পিজি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ।
 হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেজ বা ফোনে ডাক্তারি কতটা বিপজ্জনক?
 ফোনে বা কোনও সোশ্যাল মিডিয়ায় চিকিৎসা উচিত কাজ নয়। বিধিসম্মতভাবেও ঠিক নয়। মেডিক্যাল কাউন্সিলের নিয়মাবলি থেকে শুরু করে যে সমস্ত অথরিটিটেটিভ বডি বা পেশাদার সংগঠনগুলি রয়েছে, তারা সকলেই এই বিষয়ে একমত যে, ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা ঠিক নয়। কারণ, এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এই ঝুঁকির দিকটি যেমন চিকিৎসকের দিক দিয়ে থাকে, তেমনই থাকে রোগীর দিক থেকেও। একজন রোগী বা তাঁর পরিবারের পক্ষে রোগের সম্পূর্ণ বিবরণ ফোনে দেওয়া নাও সম্ভব হতে পারে। আবার যে চিকিৎসককে ফোনের মাধ্যমে রোগের বিষয়ে বলা হচ্ছে, তিনি সেই সময়ে কোন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন, সেই বিষয়টি রোগী বা তাঁর পরিজনের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। হতে পারে, সেই চিকিৎসক হয়তো সেই সময়ে অন্য কোনও রোগী দেখছিলেন। আসলে, রোগী এবং চিকিৎসক যখন সামনাসামনি থাকেন, তখন তাঁদের আলোচ্য বিষয় থাকে একটিই। রোগীর সমস্যা। সেই সময়ে একজন চিকিৎসক এবং একজন রোগী, দু’জনেই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে রোগ নিয়ে আলোচনা করেন। ফলে রোগীর অবস্থা হাতেকলমে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কিন্তু ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে একপক্ষ অপরপক্ষকে দেখতে না পাওয়ায় রোগের গভীরে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। ভুলভ্রান্তির আশঙ্কা অনেকটাই বেশি থাকে, যা রোগী এবং চিকিৎসক উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা করার সময় রোগীর কিছু হলে, তার দায় চিকিৎসকের উপরেও বর্তায়। ফোনে অনেক সময়েই চিকিৎসকের কথা ঠিকমতো বুঝতে না পারার ফলে রোগীর জটিলতা বাড়তে পারে। তাই ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে চটজলদি চিকিৎসার বদলে উভয়কেই প্রয়োজনীয় সময় দেওয়াটা বিশেষ প্রয়োজন।
 বর্তমানে বহু চিকিৎসকই খুব অল্প সময়ের জন্য রোগী দেখেন। এর ফলে চিকিৎসার সময় কমছে। সেক্ষেত্রে ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে আপত্তি কোথায়?
 রোগীর সংখ্যা বাড়লেও তুলনায় চিকিৎসকদের সংখ্যা অপ্রতুল। কিন্তু চিকিৎসকদের সময়টা বাড়ছে না। এর মধ্যে যদি ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ যুক্ত হয়, তবে রোগীদের চিকিৎসার সময় আরও কমে যাবে। একজন চিকিৎসকের কাছে যদি একদিনে ২০০টি ফোন আসে এবং তিনি যদি ফোনগুলিতে ন্যূনতম ১ মিনিট করেও সময় দেন, তবে শুধুমাত্র ফোনের জবাব দিতেই তাঁকে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় অতিবাহিত করতে হবে। যার ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই রোগী দেখার সময়টা কমবে। রোগীর সংখ্যা বাড়লেও চিকিৎসকের সময় বাড়ে না। সুতরাং প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সবাই যে চটজলদি চিকিৎসকের কাছে পৌঁছতে চাইছেন, তাতে ঝুঁকির মাত্রাই বাড়ছে।
 চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে ডাক্তারির পাশাপাশি ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এত অল্প সময়ে তার প্রয়োগ কি সম্ভব?
 চিকিৎসক যখন রোগীর পাশে বসেন, তখন তাঁর পালস, প্রেশার, হার্টবিট সহ বিভিন্ন জিনিস দেখেন। তা থেকে রোগীর শারীরিক অবস্থার ধারণা পাওয়া যায়। পাশাপাশি, সামনে বসে রোগীর হাঁটাচলা দেখে বা কথা বলে চিকিৎসকরা সমস্যাগুলিকে সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন। কিন্তু দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে শুধুমাত্র ফোনে শুনে রোগীর অবস্থা বোঝা অত্যন্ত দুরূহ। অত্যন্ত ঝুঁকিসাপেক্ষও বটে।
 এখন অনেক চিকিৎসকই হোয়াটসঅ্যাপে প্রেসক্রিপশন দেখতে চান। ওষুধও দেন। সেক্ষেত্রে?
 হোয়াটসঅ্যাপে প্রেসক্রিপশন চাওয়ার অর্থ, রোগী কী কী ওষুধ খান বা তাঁর কী ধরনের চিকিৎসা চলছে, সেই সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া। এর মধ্যে দিয়ে রোগীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকরা কিছুটা ধারণা পেতে পারেন। অত্যন্ত প্রয়োজনে আপৎকালীনভাবে তিনি রোগীকে বা তাঁর পরিবারকে কিছু পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রেও ঝুঁকি থেকেই যায়।
 কী ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কা থাকে?
 অনেক ওষুধ আছে, যেগুলির নাম শুনতে অনেকটা একইরকম, কিন্তু কার্যকারিতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। হয়তো ফোনে চিকিৎসক একটি ওষুধের নাম বললেন। কিন্তু রোগী ঠিক বুঝতে না পেরে দোকানে গিয়ে অন্য নাম বললেন এবং সেই ওষুধটি গ্রহণ করলেন, তাতে মারাত্মক বিপদের আশঙ্কা থাকে। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি সহজ হবে। ধরুন, একটা ওষুধের নাম ডাইমক্স ২৫০। অপর একটি ওষুধের নাম ডায়ামক্স ২৫০। বানানের তফাৎ সামান্যই। কিন্তু এই সামান্য তারতম্যই রোগীর ক্ষেত্রে মারাত্মক হয়ে দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগীর রোগ নিরাময়ের বদলে নতুন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কখনও কখনও তা প্রাণ সংশয়ের কারণও হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসক রোগীর ভালো চেয়ে ফোনে পরামর্শ দিলেও তা আদতে উল্টো কাজ করায় স্বভাবতই ঝুঁকি বাড়বে চিকিৎসকেরও। তাই ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে পরামর্শ দেওয়াটা অনুচিত। রোগীদেরও এই ঝুঁকির বিষয়টিকে বুঝতে হবে।
 এখন তো টেলিমেডিসিন সেন্টারও হচ্ছে। তবে কি প্রযুক্তির সাহায্য নেব না আমরা?
 প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে। তাই একটা পর্যায় পর্যন্ত প্রযুক্তির সাহায্য নিতেই হবে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির সাহায্যে রোগের বিচার করা অনেকটাই সহজ হয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরে থেকে রোগীর চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। কারণ প্রযুক্তির উন্নতি হলেও শরীর তো বদলায়নি, তা একই রয়েছে।
 চিকিৎসকরা এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের সাহায্যও নিচ্ছেন। সেটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
 প্রযুক্তির উন্নতিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের সাহায্য নিতেই হবে। রোগ বিশ্লেষণ, তার নীতি নির্ধারণ, জটিল অপারেশন— এই সমস্ত ক্ষেত্রগুলিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের সাহায্য নিতেই হবে। রোগ বিশ্লেষণ ও তা প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পদক্ষেপ নিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সেক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখার কোনও কারণ নেই। তবে সবসময় লক্ষ রাখতে হবে, এই প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনও ভুল যাতে না হয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের পরিশীলিত ব্যবহার সর্বদাই কাম্য।
 আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের কি কোনও বিপদ রয়েছে?
 একজন চিকিৎসক রোগীকে পরীক্ষা করার পর নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে সেই সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের ক্ষেত্রে যা কখনওই সম্ভব নয়। তাই আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের উপর ১০০ শতাংশ নির্ভর করলে বহু সময়েই ভুল সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। একজন চিকিৎসকের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের বিকল্প কখনওই আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স হতে পারে না।
 কোন কোন ক্ষেত্রে ফোনে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে?
 দীর্ঘদিন ধরে একজন ডাক্তার যদি একজন রোগীর চিকিৎসা করেন, সেক্ষেত্রে তিনি ওই রোগীর ইতিবৃত্তান্ত সবই জানবেন। তাই কখনও যদি ওই রোগীর অন্য কোনও সমস্যা হয় (জ্বর বা বমির মতো ছোটখাট বিষয়), তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কী করা প্রয়োজন, সেই বিষয়ে রোগীকে পরামর্শ দিতে পারেন। তবে রোগের কারণ নির্ধারণ করতে হলে রোগী এবং চিকিৎসককে মুখোমুখি বসতেই হবে। সেটি কখনওই ফোনের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তবে কোনও নতুন রোগীর ক্ষেত্রে অনেক সময়েই এই কাজটিও করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। কারণ, নতুন রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে চিকিৎসক সম্পূর্ণভাবে ওয়াকিবহাল নাও থাকতে পারেন।
 ফোনে চিকিৎসার কারণে কোনও রোগীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবার কি মেডিক্যাল কাউন্সিলে যেতে পারেন? এর আইনি দিক কী আছে?
 চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত অথরিটি বডিই ফোনে বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে চিকিৎসার বিরুদ্ধেই মত পোষণ করে। সর্বদাই বলা হয়, ফোনে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় চিকিৎসা না করার জন্য। কারণ, এক্ষেত্রে কোনও তথ্যপ্রমাণ থাকে না। হোয়াটসঅ্যাপকেও বিধিসম্মতভাবে কোনও প্রেসক্রিপশন হিসেবে তুলে ধরা যায় না। একজন চিকিৎসককে যেমন এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, তেমনই রোগী এবং তাঁর পরিবারকেও গোটা বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে ডাক্তারদের এই ধরনের অনুরোধ করা বন্ধ করতে হবে।সাক্ষাৎকার সুদীপ্ত রায়চৌধুরী
03rd  October, 2019
টেলিপ্যাথি সম্ভব? কীভাবে করবেন? 

মেঘলা আকাশ। জানলার ধারে বাসের সিট। মনে মনে বিশেষ মানুষটির কথা ভাবছিলেন। হঠাৎ বেজে উঠল ফোন। স্ক্রিনে কলারের নাম ভেসে উঠতে দেখেই নিশ্চয় হাঁ হয়ে গেলেন? কী করে সম্ভব?  বিশদ

কোমা মানে কি দেহ থেকে আত্মা
বেরিয়ে আশপাশে ঘুরে বেড়ায়?  

মৃত্যু আসলে কী? জীবনের শেষ? নাকি নতুন জীবনের সূচনা? আমাদের এই আসা-যাওয়া নিয়ে তর্ক তো চলতেই থাকবে। কিন্তু কেউ যদি জীবন আর মরণের সন্ধিক্ষণে আটকে পড়েন? তখন! কেমন সে অভিজ্ঞতা?  বিশদ

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা
থেকে মুক্তি পাবেন কীভাবে? 

পরামর্শে আরটিআইআইসিএস হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস।   বিশদ

ডেঙ্গু হলে কী করবেন? 

পরামর্শে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ জ্যোতির্ময় পাল।  বিশদ

বুদ্ধি কমায় ধূমপান

হ্যাঁ, ধূমপান করলে বুদ্ধি কমে। সম্প্রতি পরিচালিত একটি গবেষণার ফলাফল জানাচ্ছে যে, ধূমপান মস্তিষ্কের বাইরের স্তর তথা কর্টেক্সকে অনেকটাই পাতলা করে দেয়।
মস্তিষ্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ কর্টেক্স স্মৃতি, ভাষা ও উপলব্ধি, চেতনার মতো বিষয়গুলোর সঙ্গে যুক্ত।
বিশদ

03rd  October, 2019
রোগ সারাতে হাসপাতালের রং

রূপ-রস-বর্ণ-গন্ধ যে মানব শরীর ও মনে কতটা প্রভাব ফেলে তা আমরা অনেকেই জানি। গবেষকরা এখন বলছেন, রোগীদের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে রং। জার্মানির ভুপার্টাল সিটি ইউনিভার্সিটি হসপিটালে রং ও তার ওপর রোগীর প্রভাব নিয়ে গবেষণা চালানো হচ্ছে।
বিশদ

03rd  October, 2019
রক্তের অসুখ নিয়ে সম্মেলন 

রক্তের নানা অসুখ যেমন থ্যালাসিমিয়া, হিমোফিলিয়া, হজকিন্স লিম্ফোমা এবং অন্যান্য রক্তের ক্যান্সারের চিকিৎসা আছে। মুশকিল হল, সঠিক তথ্য না জানায় রোগীরা ঠিক সময়ে চিকিৎসা করাতে পারেন না।
বিশদ

03rd  October, 2019
মরণোত্তর লিভার প্রতিস্থাপন 

কলকাতার মুকুন্দপুর লাগ।য়া রবীন্দ্রনাথ টেগোর ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্স সম্প্রতি তাদের প্রথম মরণোত্তর লিভার প্রতিস্থাপনের কথা ঘোষণা করেছে। এই প্রসঙ্গে হাসপাতালের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার সন্দীপ পাল জানিয়েছেন, লিভার প্রতিস্থাপনের পরে রোগী এখন স্থিতিশীল।
বিশদ

03rd  October, 2019
জন্ম নিল হাতের তালুর আকারের শিশু!

ছোট্ট একটা মানুষ। খুব ছোট্ট। ওজন মোটে ৬৫০ গ্রাম। দুর্গাপুর মিশন হাসপাতালের চিকিৎসক সুদীপ সামন্তের তত্ত্বাবধানে জন্ম হয়েছিল শিশুটির। নানা কারণে মাত্র ছয় মাস গর্ভে কাটানোর পরেই তাকে পৃথিবীতে আনতে হয়।
বিশদ

03rd  October, 2019
প্রস্টেট স্বাস্থ্য সচেতনতায় 

অনিয়মিত ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও বেহিসাবি জীবনযাপনের কারণে বেশিরভাগ পুরুষদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব দেখা যায়। যার ফলে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর অনেক জটিল রোগের সম্মুখীন হতে হয় পুরুষদের। প্রস্টেট সমস্যা হল তারই মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জটিল সমস্যা।
বিশদ

26th  September, 2019
১০-১৫ শতাংশ দম্পতি সন্তানহীনতার শিকার 

যে কোনও দম্পতির জন্য সন্তানসুখ একটা খুব বড় সুখ। কিন্তু কখনও কখনও অনেক চেষ্টার পরেও তাঁরা সন্তানের মুখ দেখতে পারেন না। ২০১৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০ -১৫ শতাংশ ভারতীয় দম্পতি সন্তানহীনতায় ভুগছেন এবং তার মধ্যে ৪০ শতাংশ দম্পতি আইভিএফ করাতে পারে না। ৫৫ শতাংশ আইভিএফ শুধুমাত্র বড় শহরেই হয়। 
বিশদ

26th  September, 2019
রোগ সারাতে বাড়িতে কী কী গাছ রাখবেন? 

পরামর্শে ভারত সরকারের আয়ুর্বেদ গবেষণা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডাঃ সুবলকুমার মাইতি  বিশদ

26th  September, 2019
পাওয়ার থাকলে চোখের যত্ন নেবেন কীভাবে? 

চোখের পাওয়ার
জানলে অবাক হবেন, দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ মাইয়োপিক। অর্থাৎ তাঁদের চোখে মাইনাস পাওয়ারের চশমা রয়েছে। তুলনায় প্লাস পাওয়ার বা হাইপারমেট্রোপিকের সমস্যায় ভোগা রোগীর সংখা কম। 
বিশদ

19th  September, 2019
আত্মহত্যা বিরোধী দিবস উদযাপন
 

১০ সেপ্টেম্বর ছিল বিশ্ব আত্মহত্যা বিরোধী দিবস। এই উপলক্ষ্যে মেডিক্যাল ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে কলকাতার বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়াদের একত্রিত করে শোভাবাজার মেট্রো স্টেশনের সামনে আত্মহত্যা বিরোধী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল।  
বিশদ

19th  September, 2019


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থ প্রাপ্তির যোগ। যে কোনও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০- ‘দি বিটলস’ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা, গায়ক জন লেননের জন্ম
১৯৪৫- সারোদবাদক আমজাদ আলি খানের জন্ম
১৯৪৫- অভিনেত্রী সুমিতা সান্যালের জন্ম
১৯৬৭- কিউবার বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব চে গেভারার মৃত্যু
২০১৫- সংগীত পরিচালক রবীন্দ্র জৈনের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার    
পাউন্ড    
ইউরো    
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৪৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  October, 2019

দিন পঞ্জিকা

১৮ আশ্বিন ১৪২৬, ৫ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ১০/৪৫ দিবা ৯/৫১। মূলা ১৯/২৪ দিবা ১/১৮। সূ উ ৫/৩২/৪৫, অ ৫/১৭/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে পুনঃ ৭/৭ গতে ৯/২৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ২/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৩৯ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৪ গতে ২/২৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে উদয়াবধি। 
১৭ আশ্বিন ১৪২৬, ৫ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২১/২৭/৩৯ দিবা ২/৮/০। মূলা ৩১/৪৭/১২ রাত্রি ৬/১৫/৪৯, সূ উ ৫/৩২/৫৬, অ ৫/১৯/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৩ মধ্যে ও ৭/৯ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ২/৫০ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৭ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১২/৫৪/৩৬ গতে ২/২২/৫৫ মধ্যে, কালবেলা ৭/১/১৬ মধ্যে ও ৩/৫১/১৬ গতে ৫/১৯/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫১/১৬ মধ্যে ও ৪/১/১৬ গতে ৫/৩৩/১৮ মধ্যে। 
মোসলেম: ৫ শফর 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এবছর রসায়নে নোবেল পাচ্ছেন জন বি গুডএনাফ, এম স্ট্যানলি হুইটিংহ্যাম ও আকিরা ইয়োশিনো 

03:42:41 PM

মালদহের বৈষ্ণবনগরে নৌকাডুবি, মৃত ৩ 
ঠাকুর দেখতে যাওয়ার সময় নৌকাডুবি। ঘটনাটি ঘটে মালদহের বৈষ্ণবনগর থানার ...বিশদ

03:18:19 PM

৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বাড়াল কেন্দ্র, উপকৃত হবেন ৫০ লক্ষ কর্মী ও ৬২ লক্ষ পেনশনভোগী 

02:30:04 PM

ফলতার রামনগরে বিসর্জনের বাজি বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম ২ শ্রমিক 

01:20:11 PM

কেতুগ্রামের শ্রীরামপুর দুর্গা প্রতিমার গয়না চুরি, চাঞ্চল্য 

12:21:00 PM

রায়গঞ্জে যুবতীর শ্লীলতাহানি ঘিরে ধুন্ধুমার 
এক যুবতীর শ্লীলতাহানির অভিযোগকে ঘিরে ধুন্ধুমার বাধল রায়গঞ্জ শহরের বকুলতলা ...বিশদ

12:07:44 PM