Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

ডেঙ্গুতে পেঁপে পাতা
কতটা উপকারী?

 পরামর্শে বেঙ্গল ইনস্টিটিউট অফ ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সস-এর প্রিন্সিপাল ইন চার্জ ডাঃ লোপামুদ্রা ভট্টাচার্য

ডেঙ্গু অসুখটিকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের বহু জায়গায় দণ্ডকজ্বর নামে অভিহিত করা হয়েছে। মুশকিল হল, ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের শারীরিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নির্ভর করে তাঁর রোগ-প্রতিরোধী ক্ষমতার উপর। দেখা গিয়েছে, যাঁর ইমিউনিটি কম, তাঁর ক্ষেত্রে ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রমণের প্রভাবও বেশি। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতিও দ্রুত ঘটেছে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, আসলে আমরাই সচেতন নই। যেখানে-সেখানে জল জমিয়ে রাখার অভ্যেসের কারণেই ডেঙ্গু মশার বাড়বাড়ন্ত ঘটে। তাই যতদিন না আমরা এই কুঅভ্যেস ত্যাগ করছি, ততদিন আমাদের ডেঙ্গুর মতো ভাইরাসে আক্রান্ত হতেই হবে। অতএব, আগে থেকে নিজের দেহের প্রতিরোধী ব্যবস্থা যত শক্তিশালী করে তোলা যাবে, ততই ডেঙ্গুর মতো ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতাও বাড়বে।
অতএব প্রথমে দেখে নেওয়া যাক আয়ুর্বেদ মতে কোন কোন প্রাকৃতিক উপাদান আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম—
 গুলঞ্চ: প্রতিদিন গুলঞ্চ সেবনে দেহের রোগ-প্রতিরোধী ক্ষমতা বাড়ে। আলাদা করে গুলঞ্চ সত্ত্ব বাজারে কিনতে পাওয়া যায় পাউডার আকারে। আবার ইচ্ছে করলে বাড়িতেও ঘরোয়া পদ্ধতিতে গুলঞ্চ সেবন করা যেতে পারে। গুলঞ্চের ডাঁটা থেঁতো করে একটা গ্লাসের জলে ভিজিয়ে রাখুন বেশ কিছুক্ষণ। দেখা যাবে পাত্রের তলার দিকে সাদা আস্তরণ পড়ে গিয়েছে। এবার ওই জল ছেঁকে পান করলেই চলবে। গুলঞ্চের আরও গুণ রয়েছে। দেহের মেটাবলিজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে ফ্যাট মেটাবলিজমের হার বাড়ায়। লিভারের কার্যক্ষমতাও বাড়ায়। লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়লে দেহের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বাড়ে।
 তুলসী: তুলসী নানাভাবে সেবন করা যায়। চাইলে তুলসীপাতা থেঁতো করে তার রস পান করা যেতে পারে। আবার স্যালাডেও তুলসীপাতা দিয়ে খাওয়া যায়।
তবে একটা কথা বলে রাখা দরকার। অনেকে গরম জলে বা গ্রিন-টি’র মধ্যে তুলসী পাতা ফেলে তা পান করেন। এমন অভ্যেসে তুলসীর পূর্ণতর গুণ মেলা সম্ভব নয়। কারণ তুলসী পাতায় অনেক এসেনশিয়াল অয়েল থাকে। তাপে এই ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলগুলি নষ্ট হয়ে যায়।
এবার আসা যাক ডেঙ্গুর চিকিৎসায় পেঁপের ভূমিকা নিয়ে আলোচনায়।
ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় পেঁপের পাতা ও পেঁপে ফল—দুটিই গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। অবশ্য রোগীর বমি করার প্রবণতা থাকলে পেঁপে পাতার রস খাওয়ালে বিশেষ ফল মেলা মুশকিল।
পেঁপে পাতার রস: প্রথমেই একটা কথা বলে নিই— পেঁপে পাতার রস ডেঙ্গুর ভাইরাস দমনে কোনও সাহায্য করে না। প্রত্যেক ভাইরাস শরীরের একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকে। তারপর নিজের থেকেই ভাইরাসের প্রকোপ কমে যায়। উদ্বেগের বিষয় হল, ডেঙ্গু ভাইরাস যে ক’দিন মানবশরীরে থাকে, সেই সময়ের মধ্যে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি করে। ফলে প্রাণহানির একটা আশঙ্কা থেকে যায়। এমনকী দেখা গিয়েছে ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে অনেকের দেহে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। আর এমন হয় প্লেটলেট কাউন্ট কমে যাওয়ার কারণে। ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে রোগীর দেহের সদ্য তৈরি হওয়া অণুচক্রিকাও ভেঙে যায়। ফলে ক্রমশ প্লেটলেট কাউন্ট কমতে থাকে। পেঁপে পাতার রসে থাকা বিশেষ উপাদান ‘প্লেটলেট ফিক্সেসিং প্রপার্টি’ প্লেটলেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। নতুন প্লেটলেট তৈরি হতেও সাহায্য করে। ফলে ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রমণের মারাত্মক ফলাফল থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়।
মনে রাখবেন, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক পাঁচ মিলিগ্রামের বেশি পেঁপে পাতার রস পান করার প্রয়োজন নেই।
পেঁপে ফলেও রয়েছে একইরকম উপাদান। ফলে ডেঙ্গু রোগীকে পাকা ফলের রস যেমন পান করানো যায়, তেমনই পাকা পেঁপেও খাওয়ালে ফল মেলে। পেঁপে পাতা ও পেঁপে ফলের সঙ্গে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় আরও দুটি ওষুধ দেওয়া যায়—
হিঙ্গুলেশ্বর রস ও সঞ্জীবনী বটি। এক গ্রাম মাত্রায় রোগীকে এই ওষুধগুলি দেওয়া যায়। রোগীকে টানা সাতদিন ধরে ওষুধগুলি দেওয়া যায়।
মনে রাখবেন—
 ডেঙ্গু রোগীর ডিহাইড্রেশন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। রোগীর ডায়ারিয়া, বমি হতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগীকে বাড়িতে ফেলে রেখে চিকিৎসা করাতে যাবেন না। সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। ডিহাইড্রেশন আটকাতে রোগীকে প্রচুর পরিমাণে ফলের রস, ডাবের জল পান করানো উচিত।
 আঙুর, কিসমিসের মতো ফল বাচ্চাদের প্রতিদিন দেওয়া যেতে পারে। এই ফল জ্বরের প্রকোপ আটকাতে সাহায্য করে।
 বয়স্কদের এই সময় খুব সাবধানে থাকতে হবে। বয়স্কদের এমনিতেই রোগ-প্রতিরোধী ক্ষমতা কম থাকে। ফলে প্রবীণদের সহজেই ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রমণে কাবু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বয়স্কদের ইমিউনিটি বাড়াতে রোজ একটা করে আমলকী খাওয়াতে পারেন। আর যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা আমলকী আর যষ্টিমধু একসঙ্গে খেতে পারেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও ফল মিলবে। তবে বয়স্করা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে এবং উপসর্গের বাড়বাড়ি দেখলে বাড়িতে ফেলে রাখা একেবারেই উচিত নয়। হাসপাতালে ভর্তি করাই শ্রেয়।
লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক
15th  August, 2019
সবেতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক? 

দাঁত মাজার টুথপেস্ট, গালে মাখার ক্রিম, জলের বোতল, টি ব্যাগ, বেবি ওয়াইপস, হ্যান্ড ওয়াইপস, পাতলা কফি কাপ, শ্যাম্পু, স্ক্র্যাব, মেকআপ এই সবই আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের তালিকাভুক্ত। অথচ দিনযাপনের এই ছোট্ট ছোট্ট উপাদানগুলিই আমাদের তিলে তিলে ঠেলে দিচ্ছে ভয়ঙ্কর শারীরিক সমস্যার দিকে! 
বিশদ

ছোটদের জন্য হিমালয়ার উদ্যোগ 

এখনও ক্লেফট লিপ বা জন্মগত ঠৌঁটের ত্রুটির সমস্যায় ভোগে এদেশের বহু বাচ্চা। দুঃস্থ পরিবারের শিশুর অভিভাবকের সামান্য অপারেশন করানোর সামর্থ্যও থাকে না। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে হিমালয়া সংস্থার তরফে শুরু করা হয়েছে ‘মুসকান’ নামে বিশেষ একটি প্রকল্প।
বিশদ

টাইপ ১ ডায়াবেটিস সচেতনতায় 

ভারতে প্রতি বছর টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বাচ্চার সংখ্যা বাড়ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রোগটি নিয়ে জনমানসে সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। তাই বাচ্চার প্রচণ্ড জলতেষ্টা, দ্রুত ওজন কমার মতো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বাচ্চাকে ইনসুলিন দিতে হয়। 
বিশদ

বিষের নাম
মাইক্রোপ্লাস্টি ক

‘স্লিপার হিট’ ফিল্ম কাকে বলে জানেন? যে সমস্ত ছবি অনেকদিন পরও লোকে দেখতে থাকে, অথচ যখন সেটি মুক্তি পেয়েছিল তখন এতটা খ্যাতি পায়নি বা মুক্তির সপ্তাহে অমুক বনাম তমুক-এর বক্স অফিস আয়ের শিরোনামে যে ছবির নাম শুনতে পাওয়া যায়নি। বিশদ

ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে
বাঁচবেন কীভাবে?

 কিছুদিন আগে পর্যন্ত আমরা ভাবতাম, ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ গ্রীষ্মকালে ও বর্ষাকালে বেশি হয়। তারপরে শারদীয়া পুজোর সময় নিজের থেকেই অধিকাংশ ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ সেরে যাবে। ওষুধ দেওয়ার একেবারে দরকার হবে না তা নয়, কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল ছত্রাক সংক্রমণ সারানো আদৌ কঠিন নয়।
বিশদ

05th  December, 2019
 হোমিওপ্যাথিতে সারান
ফিসার-ফিসচুলা

 ফিসচুলা: ফিসচুলা হল মলদ্বারের বাইরের ত্বক থেকে মলদ্বারের ভিতর পর্যন্ত একটি নালীপথের সৃষ্টি হওয়া। এর পূর্বশর্ত হল মলদ্বারের পাশে ফোঁড়া হওয়ার ইতিহাস।
ফিসার: ফিসারের ক্ষেত্রে শক্ত পায়খানার কারণে মলদ্বার চিরে গিয়ে যন্ত্রণার হয়। মলদ্বারে জ্বালা করে।
বিশদ

05th  December, 2019
 সিনি’র স্বাস্থ্য উদ্যোগ

  ২০১৭ সালে মানুষের মধ্যে কাজ করার জন্য এইচসিএল গ্র্যান্ট পুরস্কার পেয়েছিল চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট (সিনি)। এই গ্র্যান্ট পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের তিনটি ব্লক— জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা, মুর্শিদাবাদের সুতি ১ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় কাজ শুরু করে সংস্থা।
বিশদ

05th  December, 2019
দৃষ্টি শক্তি হ্রাসে কলকাতা পঞ্চম

কয়েকদিন আগেই চলে গেল বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। অথচ দৃষ্টিশক্তির হাল নিয়ে দেশের মানুষ কতটা ওয়াকিবহাল? সিগনিফাই নামে সংস্থার করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
বিশদ

05th  December, 2019
বিপদ যখন
স্ক্র্যাব টাইফাস 

রোগ লক্ষণ
 রোগীর প্রবল জ্বর আসবে।
 গাঁটে গাঁটে খুব ব্যথা হবে প্রবল।
 কাশি হতে পারে।  বিশদ

28th  November, 2019
অজানা টাইফাস দুশ্চিন্তার টাইফাস 

গোড়ার কথা
ওরিয়েনশিয়া সুসুগামুশি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে মানুষ স্ক্র্যাব টাইফাস রোগটিতে আক্রান্ত হন। এই অসুখটি সম্পূর্ণভাবে একটি অ্যাকিউট ইনফেকশন। ট্রম্বিকিউলিড নামক এক লার্ভার (চিগার) কামড় থেকে এই ব্যাকটেরিয়াটি শরীরে প্রবেশ করে। এই লার্ভাটিই এই রোগটির বাহক।  
বিশদ

28th  November, 2019
ডায়াবেটিসে হাঁটুন 

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষ্যে জিডি হাসপাতাল এবং ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ‘হাঁটো বাংলা হাঁটো’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হল। সেই উপলক্ষ্যে সংস্থার থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট ফিজিশিয়ান ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজির প্রধান ডাঃ শুভঙ্কর চৌধুরী, অর্থোপেডিক সার্জারির প্রধান ডাঃ চন্দ্রচূড় ভট্টাচার্য, অপথ্যালমোলজির প্রধান ডাঃ সিদ্ধার্ত ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট চিকিৎসকরা।  
বিশদ

28th  November, 2019
সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মরণোত্তর মুকুট 

সম্প্রতি কলকাতায় আয়োজিত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ শাখার ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাকশন সোসাইটির সম্মেলন। উক্ত সম্মেলনে প্রকশিত হল ডাঃ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী অবলম্বনে লেখা উপর লেখা বই ‘মরণোত্তর মুকুট’। বইটি লিখেছেন ডাঃ সাধনকুমার দে এবং সুনীত মুখোপাধ্যায়।  
বিশদ

28th  November, 2019
পিএমপিএআই-এর সম্মেলন 

নন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ প্র্যকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (পিএমপিএআই)-এর উদ্যোগে গত ১৮ এবং ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ষষ্ঠ রাজ্য সম্মেলন এবং কর্মশালা। 
বিশদ

28th  November, 2019
অসুখের নাম গচার 

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ৪০ রকম বা তার বেশি বিপাক প্রক্রিয়ার বিশৃঙ্খলাকে একত্রে বলা হয় লাইসোসামাল স্টোরেজ ডিসঅর্ডার। এই রোগে দেহের লাইসোসোমাল প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ছোটখাট অঙ্গ বা অর্গানেলের মধ্যে জীবাণু জমতে থাকে। বিপাক প্রক্রিয়ার ত্রুটির জন্যই গচার ডিজিজ হয়। আসলে এটি হল গ্লুকোসেরেব্রোসিডেজ নামে একটি এনজাইমের ঘাটতি। 
বিশদ

28th  November, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধানের নাড়া পোড়ানো নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ধান কাটার পর নাড়া তুলে ফেলতে হবে, পুড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ধানের নাড়া পোড়ানোর জন্যই দূষণ মারাত্মক আকার নিচ্ছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া হতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বুধবার বিকেলে ফুলেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর চালাল রোগীর আত্মীয়রা। এই ঘটনাকে ...

 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেইরেস চান, কোনও দেশের সরকারই যেন বিভেদমূলক আইন কার্যকর না করে। তবে, ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে বিপর্যয়ের পর উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির ঘুরে দাঁড়ানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে সাংগঠনিক দুর্বলতা, দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব, লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা হারিয়ে ফেলায় কার্যত দিশেহারা গেরুয়া শিবিরের নেতৃত্ব।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় টি-২০: ৬৭ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ জয় ভারতের 

11-12-2019 - 10:43:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪১/৬ (১৫ ওভার) 

11-12-2019 - 10:23:54 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯৭/৪ (১০ ওভার)

11-12-2019 - 09:54:00 PM

 তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪১/৩ (৬ ওভার)

11-12-2019 - 09:34:43 PM

 রাজ্যসভায় পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল
রাজ্যসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। আজ ...বিশদ

11-12-2019 - 09:24:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

11-12-2019 - 08:50:10 PM