Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

 প্রবীণদের জন্য
‘টাইম ব্যাঙ্ক’

ডাঃ ধীরেশ কুমার চৌধুরী ( জেরিয়াট্রিশিয়ান): ‘হেথা নাই কো মৃত্যু নাই কো জরা’ গানের কথাগুলো যতই শুনতে ভালো লাগুক, রূঢ় বাস্তবে তো এই দুটিই অনিবার্য। তাই বরং আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত বয়সকালে কীভাবে নিজেকে ভালো ও সুরক্ষিত রাখা যায়, সেই বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া। কিন্তু এই ভাবনা বা পরিকল্পনা করতে হবে অনেক আগে থেকেই।
শেষ আদমসুমারি অনুসারে বর্তমানে ভারতে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি, যা সমগ্র জনসংখ্যার ৮.৫৮ শতাংশ। ভারতবর্ষের প্রবীণ জনসংখ্যাকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
১. নবীন-প্রবীণ (৬০ বছর থেকে ৬৯ বছর)—যাঁরা তুলনামূলকভাবে সুস্থ, কর্মক্ষম, এখনও পরিশ্রম করতে সক্ষম এবং মানসিকভাবেও বেশ প্রখর। 
২. মধ্য-প্রবীণ (৭০ বছর থেকে ৭৯ বছর)—তুলনামূলকভাবে নবীণ প্রবীণদের তুলনায় কর্মক্ষমতায় কিছুটা কম হলেও, এঁরাও মোটামুটি নিজেদের কাজ নিজেরাই করতে সক্ষম। কিছু ব্যতিক্রম আছে অবশ্যই, যেখানে কিছু কিছু মধ্য প্রবীন শারীরিক সমস্যার কারণে অন্যের উপর নির্ভরশীল। যদিও বর্তমানে প্রচুর এই বয়সি প্রবীণ সম্পূর্ণ সুস্থ এবং কর্মক্ষম জীবনযাপন করেন, যা কয়েক দশক আগেও দেখা যেত না। 
৩. প্রবীণ-প্রবীণ (৮০ বছর ও তার উর্দ্ধ)—এই বয়সে মানুষ মূলত বেশ কিছু বার্ধক্যজনিত বা অন্যান্য কারণবশত নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়। মানসিক ক্ষমতাও হ্রাস পেতে থাকে এবং অনেকেই অন্যের উপর বা ‘কেয়ার গিভার’ নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। 
 পরিসংখ্যান বলছে প্রবীণদের মধ্যে দেড় কোটি মানুষ সম্পূর্ণ একা। শুনতে অবাক লাগলেও ভারতে বর্তমানে শতায়ু প্রবীণ মানুষের সংখ্যা ছয় লক্ষাধিক। একইভাবে ৯৫ থেকে ৯৯ এর মধ্যে রয়েছেন আরও ছয় লক্ষ। ৮০ বছর ও তদুর্ধ প্রবীণ মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ১৩ লক্ষের বেশি (০.৯৩ শতাংশ), ৬০ থেকে ৬৯ বছর বয়সি রয়েছেন ৬ কোটি ৪০ লক্ষের বেশি (৫.২৯ শতাংশ) আর ২ কোটি ৮৪ লক্ষের (২.৩৫ শতাংশ) বেশি প্রবীণ মানুষের বয়স ৭০ থেকে ৭৯ বছরের মধ্যে। 
 ইউ এন পি এফ-এর ২০১২ সালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮০ বছর ও তদুর্ধ প্রবীণ মানুষ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অন্যের উপর নির্ভরশীল স্নানের জন্য ২২.১ শতাংশ, পরিধানের (ড্রেসিং) জন্য ১৩ শতাংশ, শৌচকার্যের জন্য ১৫.৬ শতাংশ, গতিশীলতা বা মোবিলিটির জন্য ১১.৪ শতাংশ, ইনকন্টিনেন্স-এর জন্য ১০.১ শতাংশ, খাদ্যগ্রহণের জন্য ৬.৮ শতাংশ। অথচ সে তুলনায় দেখভালের জন্য ‘কেয়ার গিভার’-এর সংখ্যা একেবারেই অপরিমিত। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত-এর সংখ্যা তো প্রায় নেই বললেই চলে।
প্রবীণদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ এর অভিজ্ঞতার নিরিখে এই বিষয়টি আরও উপলব্ধি করেছি। দেখেছি প্রচুর বয়স্ক মানুষ একা থাকেন, অথবা দেখার কেউ নেই। দু’দণ্ড কথা বলবার লোক নেই। তাই শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও তারা বিধ্বস্ত। তাহলে এর প্রতিকারের উপায় কী? মনে রাখবেন এটা শুধু মাত্র বয়স্ক মানুষদের সমস্যা ভাবলে ভুল হবে। এটা কিন্তু সামাজিক সমস্যা। ভাবতে হবে সবাইকে এবং আগে থেকেই।
কী এই টাইম ব্যাঙ্ক? 
এটি আসলে এমন এক ব্যাঙ্ক যেখানে টাকা নয়, জমা হয় সময়/টাইম। প্রবীণদের, বিশেষত ‘প্রবীণ - প্রবীণ’দের জন্য, যাঁরা অন্যের উপর নির্ভরশীল, তাঁদের জন্য যে কোন ব্যক্তি, যাঁরা স্বেচ্ছাশ্রম দিতে চান, এমনকী কমবয়সি প্রবীণ যাঁরা শারীরিক ভাবে কর্মক্ষম, তাঁরা দৈনিক/সাপ্তাহিক একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যয় করতে পারেন। সেই সময়টি তাঁর ‘টাইম ব্যাঙ্ক’-এ জমা হবে। বছরের শেষে মোট জমা হওয়া সময়ের ভিত্তিতে তাঁকে দেওয়া হবে ‘টাইম ব্যাঙ্ক কার্ড’। এই কার্ড তিনি ব্যবহার করতে পারবেন ভবিষ্যতে যখন বয়সকালে তাঁর নিজের জন্য অন্যকে কাজে লাগবে। ব্যাঙ্ক তাঁর সেই জমানো সময়ের ভিত্তিতে তাঁর সহযোগিতার জন্য একজন স্বেচ্ছাসেবক পাঠাবেন। যিনি তাঁকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে সহায়তা করবেন। এভাবেই চলতে থাকবে এই ব্যাঙ্ক। কোন ধরনের টাকার আদান-প্রদান ছাড়াই এই ব্যাঙ্ক প্রচুর প্রবীণ মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা দিতে সমর্থ হবে।  
কী ধরনের কাজ বা সহযোগিতা করতে পারেন?
প্রবীণ মানুষটির বাড়ি গিয়ে সময় কাটানো, গল্প করা বা গল্পের বই পড়ে শোনানো, ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, ডাক্তার বা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া, বাজার করা, ঘর গুছিয়ে দেওয়া, বাগান করা ইত্যাদি যেগুলোকে সাধারণত বলা হয় ‘অড জব’, তাছাড়া স্নান করানো, খাবার খাওয়ানো, শয্যাশায়ী রোগীদের পরিচর্যা ইত্যাদি বিষয়ে সহযোগিতা ও করতে পারেন।
এই ধরনের ‘টাইম ব্যাঙ্ক’ প্রথার প্রথম প্রচলন হয় সুইজারল্যান্ডে। পরবর্তীতে ইংল্যণ্ড ও জাপানে এই ব্যাঙ্ক-এর মাধ্যমে প্রবীণদের সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা সফলভাবে সংগঠিত হচ্ছে। সিঙ্গাপুরেও সদ্য এই প্রথা চালু হতে চলেছে।
যেভাবে সারা বিশ্বে ক্রমেই বাড়ছে প্রবীণদের সংখ্যা, তাতে করে এরকম বিকল্প সুরক্ষার ব্যবস্থা ভীষণই এক ফলপ্রসূ প্রক্রিয়া। কিন্তু এই ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নিষ্ঠাবান, সৎ, দরদী, দক্ষ, সহমর্মী মনোভাব সম্পন্ন স্বেচ্ছাসেবী। তাই সমাজ যদি সচেতন না হয় তাহলে কিন্তু এই প্রথা ফলপ্রসূ হবে না। চালু করাও যাবে না। আমাদের মতন দেশে যেখানে প্রবীণদের মধ্যে মহিলাদের ৫৮.৭ শতাংশ ও পুরুষদের ২৬ শতাংশ কোনও প্রকারের আয় নেই, সেখানে প্রবীণদের জন্য ‘টাইম ব্যাঙ্ক’ পদ্ধতি যদি চালু করা যায়, তবে সেটা হবে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও দীর্ঘস্থায়ী একটি সুরক্ষা উদ্যোগ। প্রবীণদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন এনজিও বা সংগঠনকে সাথে নিয়ে সরকারকেই কিন্তু এবিষয়ে কার্যকরী ও অগ্রণী পদক্ষেপ নিতে হবে।
15th  August, 2019
সবেতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক? 

দাঁত মাজার টুথপেস্ট, গালে মাখার ক্রিম, জলের বোতল, টি ব্যাগ, বেবি ওয়াইপস, হ্যান্ড ওয়াইপস, পাতলা কফি কাপ, শ্যাম্পু, স্ক্র্যাব, মেকআপ এই সবই আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের তালিকাভুক্ত। অথচ দিনযাপনের এই ছোট্ট ছোট্ট উপাদানগুলিই আমাদের তিলে তিলে ঠেলে দিচ্ছে ভয়ঙ্কর শারীরিক সমস্যার দিকে! 
বিশদ

ছোটদের জন্য হিমালয়ার উদ্যোগ 

এখনও ক্লেফট লিপ বা জন্মগত ঠৌঁটের ত্রুটির সমস্যায় ভোগে এদেশের বহু বাচ্চা। দুঃস্থ পরিবারের শিশুর অভিভাবকের সামান্য অপারেশন করানোর সামর্থ্যও থাকে না। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে হিমালয়া সংস্থার তরফে শুরু করা হয়েছে ‘মুসকান’ নামে বিশেষ একটি প্রকল্প।
বিশদ

টাইপ ১ ডায়াবেটিস সচেতনতায় 

ভারতে প্রতি বছর টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বাচ্চার সংখ্যা বাড়ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রোগটি নিয়ে জনমানসে সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। তাই বাচ্চার প্রচণ্ড জলতেষ্টা, দ্রুত ওজন কমার মতো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বাচ্চাকে ইনসুলিন দিতে হয়। 
বিশদ

বিষের নাম
মাইক্রোপ্লাস্টি ক

‘স্লিপার হিট’ ফিল্ম কাকে বলে জানেন? যে সমস্ত ছবি অনেকদিন পরও লোকে দেখতে থাকে, অথচ যখন সেটি মুক্তি পেয়েছিল তখন এতটা খ্যাতি পায়নি বা মুক্তির সপ্তাহে অমুক বনাম তমুক-এর বক্স অফিস আয়ের শিরোনামে যে ছবির নাম শুনতে পাওয়া যায়নি। বিশদ

ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে
বাঁচবেন কীভাবে?

 কিছুদিন আগে পর্যন্ত আমরা ভাবতাম, ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ গ্রীষ্মকালে ও বর্ষাকালে বেশি হয়। তারপরে শারদীয়া পুজোর সময় নিজের থেকেই অধিকাংশ ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ সেরে যাবে। ওষুধ দেওয়ার একেবারে দরকার হবে না তা নয়, কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল ছত্রাক সংক্রমণ সারানো আদৌ কঠিন নয়।
বিশদ

05th  December, 2019
 হোমিওপ্যাথিতে সারান
ফিসার-ফিসচুলা

 ফিসচুলা: ফিসচুলা হল মলদ্বারের বাইরের ত্বক থেকে মলদ্বারের ভিতর পর্যন্ত একটি নালীপথের সৃষ্টি হওয়া। এর পূর্বশর্ত হল মলদ্বারের পাশে ফোঁড়া হওয়ার ইতিহাস।
ফিসার: ফিসারের ক্ষেত্রে শক্ত পায়খানার কারণে মলদ্বার চিরে গিয়ে যন্ত্রণার হয়। মলদ্বারে জ্বালা করে।
বিশদ

05th  December, 2019
 সিনি’র স্বাস্থ্য উদ্যোগ

  ২০১৭ সালে মানুষের মধ্যে কাজ করার জন্য এইচসিএল গ্র্যান্ট পুরস্কার পেয়েছিল চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট (সিনি)। এই গ্র্যান্ট পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের তিনটি ব্লক— জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা, মুর্শিদাবাদের সুতি ১ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় কাজ শুরু করে সংস্থা।
বিশদ

05th  December, 2019
দৃষ্টি শক্তি হ্রাসে কলকাতা পঞ্চম

কয়েকদিন আগেই চলে গেল বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। অথচ দৃষ্টিশক্তির হাল নিয়ে দেশের মানুষ কতটা ওয়াকিবহাল? সিগনিফাই নামে সংস্থার করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
বিশদ

05th  December, 2019
বিপদ যখন
স্ক্র্যাব টাইফাস 

রোগ লক্ষণ
 রোগীর প্রবল জ্বর আসবে।
 গাঁটে গাঁটে খুব ব্যথা হবে প্রবল।
 কাশি হতে পারে।  বিশদ

28th  November, 2019
অজানা টাইফাস দুশ্চিন্তার টাইফাস 

গোড়ার কথা
ওরিয়েনশিয়া সুসুগামুশি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে মানুষ স্ক্র্যাব টাইফাস রোগটিতে আক্রান্ত হন। এই অসুখটি সম্পূর্ণভাবে একটি অ্যাকিউট ইনফেকশন। ট্রম্বিকিউলিড নামক এক লার্ভার (চিগার) কামড় থেকে এই ব্যাকটেরিয়াটি শরীরে প্রবেশ করে। এই লার্ভাটিই এই রোগটির বাহক।  
বিশদ

28th  November, 2019
ডায়াবেটিসে হাঁটুন 

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষ্যে জিডি হাসপাতাল এবং ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ‘হাঁটো বাংলা হাঁটো’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হল। সেই উপলক্ষ্যে সংস্থার থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট ফিজিশিয়ান ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজির প্রধান ডাঃ শুভঙ্কর চৌধুরী, অর্থোপেডিক সার্জারির প্রধান ডাঃ চন্দ্রচূড় ভট্টাচার্য, অপথ্যালমোলজির প্রধান ডাঃ সিদ্ধার্ত ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট চিকিৎসকরা।  
বিশদ

28th  November, 2019
সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মরণোত্তর মুকুট 

সম্প্রতি কলকাতায় আয়োজিত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ শাখার ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাকশন সোসাইটির সম্মেলন। উক্ত সম্মেলনে প্রকশিত হল ডাঃ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী অবলম্বনে লেখা উপর লেখা বই ‘মরণোত্তর মুকুট’। বইটি লিখেছেন ডাঃ সাধনকুমার দে এবং সুনীত মুখোপাধ্যায়।  
বিশদ

28th  November, 2019
পিএমপিএআই-এর সম্মেলন 

নন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ প্র্যকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (পিএমপিএআই)-এর উদ্যোগে গত ১৮ এবং ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ষষ্ঠ রাজ্য সম্মেলন এবং কর্মশালা। 
বিশদ

28th  November, 2019
অসুখের নাম গচার 

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ৪০ রকম বা তার বেশি বিপাক প্রক্রিয়ার বিশৃঙ্খলাকে একত্রে বলা হয় লাইসোসামাল স্টোরেজ ডিসঅর্ডার। এই রোগে দেহের লাইসোসোমাল প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ছোটখাট অঙ্গ বা অর্গানেলের মধ্যে জীবাণু জমতে থাকে। বিপাক প্রক্রিয়ার ত্রুটির জন্যই গচার ডিজিজ হয়। আসলে এটি হল গ্লুকোসেরেব্রোসিডেজ নামে একটি এনজাইমের ঘাটতি। 
বিশদ

28th  November, 2019
একনজরে
বিএনএ, রায়গঞ্জ: কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে বিপর্যয়ের পর উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির ঘুরে দাঁড়ানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে সাংগঠনিক দুর্বলতা, দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব, লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা হারিয়ে ফেলায় কার্যত দিশেহারা গেরুয়া শিবিরের নেতৃত্ব।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধানের নাড়া পোড়ানো নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ধান কাটার পর নাড়া তুলে ফেলতে হবে, পুড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ধানের নাড়া পোড়ানোর জন্যই দূষণ মারাত্মক আকার নিচ্ছে। ...

বিএনএ, আসানসোল: ডিসেম্বরের শুরুতে জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও দুর্গাপুর ব্যারেজ সহ চিত্তরঞ্জনের নানা ঝিল ও মাইথন জলাধারে পরিযায়ী পাখির দল ভিড় জমাতে শুরু করেছে। বেশ কয়েক বছর আগে পরিযায়ী পাখির আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও ফের তাদের সংখ্যা বাড়ছে।   ...

ফতেপুর, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): উত্তরপ্রদেশে একের পর এক ধর্ষণ এবং সেই সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার সেই রাজ্যের ফতেপুর জেলার জাফরগঞ্জে ১৬ বছরের এক ধর্ষিতাকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিল অভিযুক্তদের পরিবার। শীর্ষস্থানীয় পুলিস অফিসারদের কাছে ওই নাবালিকা এমনটাই অভিযোগ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় টি-২০: ৬৭ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ জয় ভারতের 

11-12-2019 - 10:43:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪১/৬ (১৫ ওভার) 

11-12-2019 - 10:23:54 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯৭/৪ (১০ ওভার)

11-12-2019 - 09:54:00 PM

 তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪১/৩ (৬ ওভার)

11-12-2019 - 09:34:43 PM

 রাজ্যসভায় পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল
রাজ্যসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। আজ ...বিশদ

11-12-2019 - 09:24:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

11-12-2019 - 08:50:10 PM