Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

শিশুকে কেন মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত?

পরামর্শে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট ও স্পেশাল নিউ বর্ন কেয়ার ইউনিটের প্রধান ডাঃ অসীম মল্লিক এবং চিকিৎসক ও স্নাতকোত্তর ছাত্র ডাঃ অমিত রায়।

মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা
 মাতৃদুগ্ধ শিশুর সম্পূর্ণ আহার। পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ। মাতৃদুগ্ধে শিশুর বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিমাণে প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে। এছাড়া মায়ের দুধে থাকা অ্যান্টিবডি বাচ্চাকে বহু সংক্রমণ থেকে বাঁচায়।
 বাচ্চার অতিরিক্ত মোটা হওয়া আটকায়।
 মাতৃদুগ্ধ শিশুর জন্য সহজপাচ্য ও সহজলভ্য।
 শিশুর বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশে সাহায্য করে।
 শিশুমৃত্যু কমায়।
 মায়ের দুধ সারাবছরে পাঁচ বছর বয়সের নীচে প্রায় আট লক্ষেরও বেশি শিশুর প্রাণহানি রোধ করতে পারে।
 মায়ের দুধ শিশুর বুদ্ধি বা আইকিউ তিন থেকে চার অঙ্ক বাড়াতে পারে।
 মাতৃদুগ্ধে থাকা ল্যাকটোফেরিন অন্ত্রে খারাপ ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে দেয় না। আইজিএ সংক্রমণ ও এলার্জি থেকে বাঁচায়। আবার দুধে থাকা
লাইসোজাইম বাচ্চাকে ই কোলাই ও সালমোনেল্লার মতো ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে। বিফিডাস ফ্যাক্টর উপকারী ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে।
 মায়ের দুধে থাকা ফ্যাট শিশুর ব্রেন ও স্নায়ুতন্ত্র বিকাশে সাহায্য করে।
 ল্যাকটোজ উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে ও ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের আত্তীকরণে সাহায্য করে।
কোন কোন রোগ দূরে রাখে?
শিশুকে অসংখ্য অসুখ থেকে দূরে রাখে মায়ের দুধ।
এলার্জি, একজিমা, ইউরিন ইনফেকশন, ইনফ্লামেটারি বাওয়েল ডিজিজ, পেটের সংক্রমণ, কানের সংক্রমণ, হিমোফিলিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, মেনিনজাইটিস, নেক্রোটাইসিং, এন্টেরোকোলাইটিস, নিউমোনিয়া, সেপসিস, সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিন্ড্রোম, হজকিন লিম্ফোমা সহ আরও বহু অসুখ। ব্রেস্টফিডিং করানোর সুফল আরও রয়েছে।
মায়ের জন্য—
 জন্মের পর ব্রেস্ট ফিডিং করালে তা ইউটেরাসের সংকোচনে সাহায্য করে ও রক্তপাত কমায়।
 স্বাভাবিকভাবে গর্ভনিরোধকের কাজ করে।
 ব্রেস্ট ও ওভারির ক্যান্সার আটকাতে সাহায্য করে।
 শিশু ও মায়ের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করে। এভাবে বছরে ২০ হাজার মায়ের প্রাণহানি আটকানো সম্ভব।
 মায়েদের সুগার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
পরিবারের জন্যে
 অর্থ সাশ্রয় করে।
 পরিবার পরিকল্পনায় সাহায্য করে।
 হাসপাতালে ভর্তির হার কমায়।
 শিশুমৃত্যু রোধে অবদান রয়েছে।
মুশকিল হল, প্রথম মা হওয়ার পর মেয়েদের মনে নানা দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাজ করে। ভয় থেকে যায় যে বাচ্চা ঠিকভাবে ব্রেস্টফিড করছে কি না। এছাড়া বাচ্চা সত্যিই দুধ খাচ্ছে কি না, তা বোঝাও মায়ের কর্তব্য। তা বোঝারও উপায় রয়েছে।
কী করে বুঝবেন বাচ্চা ঠিকমতো বুকের সঙ্গে যুক্ত?
 বাচ্চার মুখ খোলা থাকবে।
 নিপল ও অ্যারিওলার বেশিরভাগ অংশ বাচ্চার মুখে থাকবে এবং নীচের অ্যারিওলা দেখা যাবে না।
 বাচ্চার থুতনি ব্রেস্টে ঠেকে থাকবে।
 নীচের ঠোঁট সামান্য উল্টে থাকবে।
শিশু কতবার ব্রেস্টফিড করবে?
যতবার ইচ্ছে করতে পারে। বাচ্চা যতবার খিদেয় কাঁদবে, ততবার খাওয়ান।
এমনিতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা অন্তর আট থেকে ১০ বার বাচ্চাদের খাওয়াতে হবে।
অবশ্যই রাতে ব্রেস্টফিড করান।
কী করে বুঝবেন সন্তান দুগ্ধপান করে সন্তুষ্ট?
 প্রতিবার খাওয়ার পর বাচ্চা ঘুমিয়ে যাবে ও দুই থেকে তিন ঘণ্টা ঘুমোবে।
 ছয় থেকে আটবার প্রস্রাব করবে।
 রোজ ২৫-৩০ গ্ৰাম করে ওজন বাড়বে।
মাতৃদুগ্ধ কত প্রকার ও কী কী ?
১. কোলোস্ট্রাম: এটি মা-এর প্রথম দুধ, গাঢ় এবং হলুদ রঙের।
২. অন্তর্বর্তীকালীন দুগ্ধ: তিন থেকে চারদিন পর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত পাওয়া যায়।
৩. পরিণত দুগ্ধ: অন্তর্বর্তীকালীন দুগ্ধের পর এটি তৈরি হয়। অপেক্ষাকৃত তরল ও বাচ্চার বৃদ্ধিতে সহায়ক।
৪. অপরিণত বাচ্চাদের জন্য দুগ্ধ: খুব ছোট বাচ্চাদের মায়ের দুধে প্রোটিন, পুষ্টি, খনিজ অনেক বেশি পরিমাণে থাকে।
৫. প্রাথমিক দুগ্ধ: প্রথমে বেশি নিঃসৃত তরল দুধ, যা শিশুর তৃষ্ণা মেটায়।
৬. পরবর্তী দুগ্ধ: পরে নিঃসৃত অপেক্ষাকৃত ঘন দুধ যা শিশুর ক্ষুধা মেটায়।
কোলোস্ট্রাম কী এবং কীভাবে শিশুর উপকার করে?
কোলোস্ট্রাম হল ঘন হলুদ রঙের প্রথম দুধ, যা শিশুর জন্মের পর মায়ের শরীরে উৎপন্ন হয়।
কোলোস্ট্রাম পুষ্টিগুণে ও অ্যান্টিবডিতে সমৃদ্ধ যা শিশুকে সম্পূর্ণ পুষ্টি প্রদান করে এবং অসুস্থতা ও সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
ব্রেস্টফিডিং সম্পর্কিত কাল্পনিক কথা—
 ঘন ঘন দুধ পান করালে দুধের উৎপাদন কমে যাবে।
 প্রথম ঘন ও হলুদ দুধ কোলোস্ট্রাম শিশুর জন্য ভালো নয়।
 ব্রেস্টফিডিং করানোর সময় পাঁচ-দশ মিনিটের মাথায় শিশু তার প্রয়োজনীয় সমস্ত দুধ পেয়ে যায়।
 একবার ব্রেস্টফিড করানোর পর মায়ের শরীরে দুগ্ধ সঞ্চয়নের জন্য কিছুটা সময় বিরতি হিসেবে দেওয়া উচিত।
ব্রেস্টফিড করানোর সঙ্গে যুক্ত সমস্যাগুলি
 উল্টো বা চ্যাপ্টা নিপল: দিনে কয়েক বার হালকা করে টানলে তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
 ফাটা বা ব্যথা হওয়া নিপল: বাচ্চা শুধুমাত্র নিপল থেকে খেলে মা-এর এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। শিশুকে সঠিকভাবে বুকে ধরালে এমন হবে না।
 বুকে দুধ জমে যাওয়া: এর ফলে বুক ভারী বা ব্যথা হতে পারে। বাচ্চাকে ঘনঘন দুধ খাওয়ান। বেশি ব্যথা হলে উষ্ণ জলে কাপড় ভিজিয়ে বুকে রাখুন।
 বুকে পুঁজ জমে যাওয়া: এতে মায়ের জ্বর আসে ও তীব্র ব্যথা হয়। এই সময় শিশুকে অন্য বুকে খাওয়ান। চিকিৎসা বলতে রয়েছে পুঁজ বের করা ও অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া।
 দুধ না হওয়া: বারবার শিশুকে দুধ খাওয়ান। শিশু যদি ওজনে বাড়ে, জানবেন দুধের পরিমাণ ঠিকই আছে। রাতে দুধ খাওয়ান।
উইনিং কী?
উইনিং হল শিশুর জন্মের ছয় মাস পর ধাপে ধাপে পরিপূরক ভারী খাবার ও তরলের সঙ্গে সঙ্গে মায়ের দুধ চালানো।
ব্রেস্টফিডিং-এর পথে বাধা কী কী?
একটি এনএফএইচএস সার্ভে অনুযায়ী, ভারতের ছয় মাসের নীচের শিশুদের ব্রেস্টফিডিং-এর হার মাত্র ৫৫ শতাংশ।
১. ব্যক্তিগত ভুল ধারণা: সঠিক জ্ঞানের অভাব, ব্রেস্টফিড করানোর লজ্জা, ‘প‌র্যাপ্ত দুধ হচ্ছে না’ এইসব ভুল ধারণা ভুল সামাজিক চিন্তা।
২. পরিবারগত সমস্যা: পরিবারের সাহায্য না পাওয়া, অত্যধিক কাজের চাপ।
৩. সামাজিক সমস্যা: কম বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়া। জনসচেতনতার অভাব, সামাজিক কারণে বাচ্চাদের মধু, গোরুর দুধ ইত্যাদি খাওয়ানো, দারিদ্র্য।
৪. প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা: ব্রেস্টফিড করানোর জায়গার অভাব, কর্মরতা মায়েদের ছুটির মারাত্মক সমস্যা। অনেককেই ছ’মাসের বহু আগেই কাজে যোগ দিতে হয়। এছাড়া সহকারীদের সাহায্য না পাওয়াও একটা বড় কারণ। আরও একটা বড় কারণ হল, বাণিজ্যিক গুঁড়ো দুধের সহজলভ্যতা।
একনজরে
 জন্মের সঙ্গে সঙ্গে মাতৃদুগ্ধ পান।
 কোলোস্ট্রাম অবশ্যই খাওয়ান।
 মা যে কোনও অবস্থায় স্তন্যপান করাতে পারেন।
 দিনে ও রাতে ব্রেস্টফিড করান।
 শিশুকে প্রথমে একটি বুকে সম্পূর্ণ খাওয়ান, তারপর অন্যটিতে।
 ছয় মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মাতৃদুগ্ধ পান।
 মিছরির জল, মধু, গোরুর দুধ, গুঁড়ো দুধ কখনওই খাওয়াবেন না।
 কখনওই বোতলে খাওয়াবেন না।
08th  August, 2019
সবেতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক? 

দাঁত মাজার টুথপেস্ট, গালে মাখার ক্রিম, জলের বোতল, টি ব্যাগ, বেবি ওয়াইপস, হ্যান্ড ওয়াইপস, পাতলা কফি কাপ, শ্যাম্পু, স্ক্র্যাব, মেকআপ এই সবই আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের তালিকাভুক্ত। অথচ দিনযাপনের এই ছোট্ট ছোট্ট উপাদানগুলিই আমাদের তিলে তিলে ঠেলে দিচ্ছে ভয়ঙ্কর শারীরিক সমস্যার দিকে! 
বিশদ

ছোটদের জন্য হিমালয়ার উদ্যোগ 

এখনও ক্লেফট লিপ বা জন্মগত ঠৌঁটের ত্রুটির সমস্যায় ভোগে এদেশের বহু বাচ্চা। দুঃস্থ পরিবারের শিশুর অভিভাবকের সামান্য অপারেশন করানোর সামর্থ্যও থাকে না। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে হিমালয়া সংস্থার তরফে শুরু করা হয়েছে ‘মুসকান’ নামে বিশেষ একটি প্রকল্প।
বিশদ

টাইপ ১ ডায়াবেটিস সচেতনতায় 

ভারতে প্রতি বছর টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বাচ্চার সংখ্যা বাড়ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রোগটি নিয়ে জনমানসে সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। তাই বাচ্চার প্রচণ্ড জলতেষ্টা, দ্রুত ওজন কমার মতো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বাচ্চাকে ইনসুলিন দিতে হয়। 
বিশদ

বিষের নাম
মাইক্রোপ্লাস্টি ক

‘স্লিপার হিট’ ফিল্ম কাকে বলে জানেন? যে সমস্ত ছবি অনেকদিন পরও লোকে দেখতে থাকে, অথচ যখন সেটি মুক্তি পেয়েছিল তখন এতটা খ্যাতি পায়নি বা মুক্তির সপ্তাহে অমুক বনাম তমুক-এর বক্স অফিস আয়ের শিরোনামে যে ছবির নাম শুনতে পাওয়া যায়নি। বিশদ

ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে
বাঁচবেন কীভাবে?

 কিছুদিন আগে পর্যন্ত আমরা ভাবতাম, ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ গ্রীষ্মকালে ও বর্ষাকালে বেশি হয়। তারপরে শারদীয়া পুজোর সময় নিজের থেকেই অধিকাংশ ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ সেরে যাবে। ওষুধ দেওয়ার একেবারে দরকার হবে না তা নয়, কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল ছত্রাক সংক্রমণ সারানো আদৌ কঠিন নয়।
বিশদ

05th  December, 2019
 হোমিওপ্যাথিতে সারান
ফিসার-ফিসচুলা

 ফিসচুলা: ফিসচুলা হল মলদ্বারের বাইরের ত্বক থেকে মলদ্বারের ভিতর পর্যন্ত একটি নালীপথের সৃষ্টি হওয়া। এর পূর্বশর্ত হল মলদ্বারের পাশে ফোঁড়া হওয়ার ইতিহাস।
ফিসার: ফিসারের ক্ষেত্রে শক্ত পায়খানার কারণে মলদ্বার চিরে গিয়ে যন্ত্রণার হয়। মলদ্বারে জ্বালা করে।
বিশদ

05th  December, 2019
 সিনি’র স্বাস্থ্য উদ্যোগ

  ২০১৭ সালে মানুষের মধ্যে কাজ করার জন্য এইচসিএল গ্র্যান্ট পুরস্কার পেয়েছিল চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট (সিনি)। এই গ্র্যান্ট পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের তিনটি ব্লক— জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা, মুর্শিদাবাদের সুতি ১ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় কাজ শুরু করে সংস্থা।
বিশদ

05th  December, 2019
দৃষ্টি শক্তি হ্রাসে কলকাতা পঞ্চম

কয়েকদিন আগেই চলে গেল বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। অথচ দৃষ্টিশক্তির হাল নিয়ে দেশের মানুষ কতটা ওয়াকিবহাল? সিগনিফাই নামে সংস্থার করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
বিশদ

05th  December, 2019
বিপদ যখন
স্ক্র্যাব টাইফাস 

রোগ লক্ষণ
 রোগীর প্রবল জ্বর আসবে।
 গাঁটে গাঁটে খুব ব্যথা হবে প্রবল।
 কাশি হতে পারে।  বিশদ

28th  November, 2019
অজানা টাইফাস দুশ্চিন্তার টাইফাস 

গোড়ার কথা
ওরিয়েনশিয়া সুসুগামুশি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে মানুষ স্ক্র্যাব টাইফাস রোগটিতে আক্রান্ত হন। এই অসুখটি সম্পূর্ণভাবে একটি অ্যাকিউট ইনফেকশন। ট্রম্বিকিউলিড নামক এক লার্ভার (চিগার) কামড় থেকে এই ব্যাকটেরিয়াটি শরীরে প্রবেশ করে। এই লার্ভাটিই এই রোগটির বাহক।  
বিশদ

28th  November, 2019
ডায়াবেটিসে হাঁটুন 

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষ্যে জিডি হাসপাতাল এবং ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ‘হাঁটো বাংলা হাঁটো’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হল। সেই উপলক্ষ্যে সংস্থার থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট ফিজিশিয়ান ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজির প্রধান ডাঃ শুভঙ্কর চৌধুরী, অর্থোপেডিক সার্জারির প্রধান ডাঃ চন্দ্রচূড় ভট্টাচার্য, অপথ্যালমোলজির প্রধান ডাঃ সিদ্ধার্ত ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট চিকিৎসকরা।  
বিশদ

28th  November, 2019
সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মরণোত্তর মুকুট 

সম্প্রতি কলকাতায় আয়োজিত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ শাখার ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাকশন সোসাইটির সম্মেলন। উক্ত সম্মেলনে প্রকশিত হল ডাঃ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী অবলম্বনে লেখা উপর লেখা বই ‘মরণোত্তর মুকুট’। বইটি লিখেছেন ডাঃ সাধনকুমার দে এবং সুনীত মুখোপাধ্যায়।  
বিশদ

28th  November, 2019
পিএমপিএআই-এর সম্মেলন 

নন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ প্র্যকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (পিএমপিএআই)-এর উদ্যোগে গত ১৮ এবং ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ষষ্ঠ রাজ্য সম্মেলন এবং কর্মশালা। 
বিশদ

28th  November, 2019
অসুখের নাম গচার 

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ৪০ রকম বা তার বেশি বিপাক প্রক্রিয়ার বিশৃঙ্খলাকে একত্রে বলা হয় লাইসোসামাল স্টোরেজ ডিসঅর্ডার। এই রোগে দেহের লাইসোসোমাল প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ছোটখাট অঙ্গ বা অর্গানেলের মধ্যে জীবাণু জমতে থাকে। বিপাক প্রক্রিয়ার ত্রুটির জন্যই গচার ডিজিজ হয়। আসলে এটি হল গ্লুকোসেরেব্রোসিডেজ নামে একটি এনজাইমের ঘাটতি। 
বিশদ

28th  November, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধানের নাড়া পোড়ানো নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ধান কাটার পর নাড়া তুলে ফেলতে হবে, পুড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ধানের নাড়া পোড়ানোর জন্যই দূষণ মারাত্মক আকার নিচ্ছে। ...

 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেইরেস চান, কোনও দেশের সরকারই যেন বিভেদমূলক আইন কার্যকর না করে। তবে, ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। ...

ফতেপুর, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): উত্তরপ্রদেশে একের পর এক ধর্ষণ এবং সেই সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার সেই রাজ্যের ফতেপুর জেলার জাফরগঞ্জে ১৬ বছরের এক ধর্ষিতাকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিল অভিযুক্তদের পরিবার। শীর্ষস্থানীয় পুলিস অফিসারদের কাছে ওই নাবালিকা এমনটাই অভিযোগ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া হতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বুধবার বিকেলে ফুলেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর চালাল রোগীর আত্মীয়রা। এই ঘটনাকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় টি-২০: ৬৭ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ জয় ভারতের 

11-12-2019 - 10:43:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪১/৬ (১৫ ওভার) 

11-12-2019 - 10:23:54 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯৭/৪ (১০ ওভার)

11-12-2019 - 09:54:00 PM

 তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪১/৩ (৬ ওভার)

11-12-2019 - 09:34:43 PM

 রাজ্যসভায় পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল
রাজ্যসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। আজ ...বিশদ

11-12-2019 - 09:24:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

11-12-2019 - 08:50:10 PM