Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
চিনবেন কীভাবে?

মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব সহ একাধিক শারীরিক সমস্যার পিছনে দায়ী পিসিওএস। উপেক্ষা না করে অসুখের উপসর্গগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া দরকার। কারণ সময়ে চিকিৎসা ও জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে এড়ানো যায় অসুখটি। পরামর্শে স্পর্শ ইনফার্টিলিটি সেন্টারের কর্ণধার ডাঃ দেবলীনা ব্রহ্ম।

ঘন ঘন মুড সুইং হচ্ছে? কিছুই ভালো লাগছে না। কারণে অকারণে আসছে অবসাদ?
মেয়েদের এই সমস্যাগুলি প্রায়ই উপেক্ষিত থাকে। অথচ এই সমস্যাগুলি সবই কিন্তু পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ বা পিসিওডি-এর লক্ষণ। সাধারণত বাড়তি ওজন, অনিয়মিত মেনস্ট্রুয়েশন, উপরি পাওনা তলপেটে যন্ত্রণা নিয়ে অনেকেই গাইনিকোলজিস্টের কাছে যান। আবার এমন অনেকে আছেন যাঁরা দীর্ঘদিন সন্তানহীন অথচ জানেন না তাঁর ইনফার্টিলিটির জন্য দায়ী পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ! আজকাল মহিলাদের আকছার এই ধরনের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করতে শোনা যায়। পরিসংখ্যানে প্রমাণিত যে জননক্ষম নারীর ২০ শতাংশই এই সমস্যায় আক্রান্ত। প্রতি ১০০ জন পলিসিস্টিক ওভারিতে আক্রান্ত মহিলার মধ্যে বড়জোর ৬-৭ জনের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম ধরা পড়ে। কিন্তু যাঁদের এই সমস্যা হয় তাঁদেরই জীবনে বন্ধ্যাত্ব প্রকট হয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম একজন নারীর জীবনে নানা বিপর্যয় ডেকে আনে। এর থেকে মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল এলোমেলো হয়ে যায়। হর্মোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। আর হর্মোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া মানেই নারীর জীবনে নানা সংকটের ঘনঘটা। সবার উপরে নারীর লাবণ্য ও রূপে বিরাট ঘাটতি দেখা দেয় যা একজন নারীর মানসিক সমস্যার কারণও হয়ে ওঠে।
 টের পাবেন কেমন করে?
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের বেশ কিছু চেনা লক্ষণ রয়েছে। প্রথমেই বলতে হয় মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল অনিয়মিত বা একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে, অনেক চেষ্টার পরেও প্রেগনেন্সিতে সাফল্য অধরা থেকে যায়, সারা গায়ে মুখে অস্বাভাবিক চুল বা রোম বৃদ্ধি পায়, মাথার চুল পাতলা হতে থাকে, বহু চেষ্টা করেও দেহের ওজন বৃদ্ধি আটকানো যায় না। তাছাড়া আধুনিক সময়ের অন্যতম সমস্যা হঠাৎ মুড সুইং, মানসিক অবসাদ তো রয়েছেই। এর ফলে অবসন্নভাব, ঝিমুনি লাগা, এমনকী দিনের বেলাও চোখ লেগে গিয়ে নাক ডাকতে পারে। থাকে ব্রণ-হওয়ার সমস্যাও। অনেকের হয়তো এইসব লক্ষণ একসঙ্গে ধরা পড়ে না, কিন্তু এর মধ্যে থেকে কিছু লক্ষণ যদি মিলে যায় বা কিছু শারীরিক উপসর্গ যদি কমন হয়, তাহলে সাবধান।
গভীরে যাও!
অস্বাভাবিক হর্মোন লেভেলের জন্যই সাধারণত পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম দেখা দেয়। এমনিতে এই সমস্যার কোনও সঠিক কারণ বের করা যায় না। তবে দেখা গেছে পরিবারে আগে যদি কেউ এই সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই দিদি, মা, দিদিমা বা কোনও নিকট আত্মীয়ের যদি এই রকম সমস্যা হয়ে গিয়ে থাকে সাবধান হন। দেখা গিয়েছে যাঁরা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে ভোগেন তাঁদের ওভারি থেকে কিছুটা বেশি টেস্টোস্টেরন ক্ষরণ হয়। এই বাড়তি টেস্টোস্টেরনের জন্যই পিসিওডি উপসর্গ প্রকটভাবে দেখা দেয়।
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ হলে শরীরে ইনসুলিন রেজিসটেন্স দেখা দেয়। ফলে ইনসুলিন ক্ষরণ হলেও শরীর তেমনভাবে সাড়া দেয় না। তাই রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ে। যার পরিচিত ফল ব্লাড সুগার। বেড়ে যাওয়া গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখতে দেহে আরও বাড়তি ইনসুলিন ক্ষরণ হয়। ফলে বাড়তে থাকে ওজন। মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল অনিয়মিত হয়, লিউটিনাইজিং হর্মোন বেড়ে যাওয়ার জন্য।
 রোগ নির্ণয়
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হয়েছে কি না বোঝার জন্য রক্ত পরীক্ষাই যথেষ্ট। রক্ত পরীক্ষা করলে দেহে বাড়তি মাত্রায় টেস্টোস্টেরন ও লিউটিনাইজিং হর্মোন ধরা পড়ে। প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাছাড়া আল্ট্রা সোনোগ্রাফি করালে অবশ্যই পলিসিস্টিক ওভারি বোঝা যায়।
ঘোর বিপদ
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম শরীরকে কাবু করে দেয়। ইনসুলিন রেজিসটেন্সের জন্য বেশি বয়সে ডায়াবিটিস ঘাঁটি গাড়ে। বাড়তি ওজন বা ওবেসিটি ডেকে আনে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা। এর সঙ্গে যোগ হতে পারে হার্টের অসুখও। ঝুঁকি রয়েছে আরও নানা, যেমন বছরে তিন বারের কম মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল হলে এন্ডোমেট্রিয়াম পুরু হয়ে যেতে পারে। যা অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্লিডিং করায় এবং পরে এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়।
 মুক্তির উপায়
পলিসিস্টিক ওভারির সমস্যা পুরোপুরি নিরাময় হয় না। বিভিন্ন সাইকেলে কন্ট্রাসেপটিভ পিল প্রয়োগ করে এই সমস্যার মোকাবিলা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে কনসিভ করার সহায়তার জন্য ডিম্বাণু যাতে নির্গত হয় তার কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। তাছাড়া আধুনিক ডি চিরো ইনোসিটোল বা মায়ো ইনোসিটোল গোত্রের ওষুধ দিয়েও চিকিৎসা করা হয়।
 শুধু ওষুধ নয়
হ্যাঁ ঠিক তাই। শুধু ওষুধ দিয়ে এই সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। একমাত্র সমাধান হল আদর্শ জীবনশৈলী মেনে চলা। এভাবে আপনিও এই রোগের হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন। প্রথমত সুষম আহার গ্রহণ করুন। সঠিক সময়ে খান। ব্রেকফাস্ট বা সকালের খাবার একেবারে বাদ দেওয়া যাবে না। সকালের দিকে আমাদের মেটাবলিজম লেভেল হাই থাকে। ওই সময়েই পেট ভরে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন। আসলে আমাদের দেশে, বিশেষত বাঙালিদের মধ্যে ভারী ব্রেকফাস্ট করার রেওয়াজ নেই। অথচ এই অভ্যেসটাই দরকার এবং এই অভ্যেসই অনেক রোগকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। আমাদের সমস্যা হল, সকালে সামান্য কিছু খেয়ে বা সম্পূর্ণ না খেয়ে একবারে দুপুরে খাই। এই অভ্যসই বিপদ ডেকে আনছে। দুপুরে সামান্য খাবার খাওয়াই ভালো। আর যা খাবেন তার মধ্যেও শাকসব্জি থাকতেই হবে। রাতে ডিনার ৯টার মধ্যে সেরে ফেলুন। রাতে ভারী কিছু খাবেন না। বারবার বলছি ডায়েটে রাখুন প্রচুর শাক-সব্জি। শর্করা গ্রহণের মাত্রা কমান। মূলত শাকসব্জি দিয়েই পেট ভরানোর চেষ্টা করুন। শাকসব্জিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা আপনার পেট ভরা রাখে। ফলে শাকসব্জি খেলে দ্রুত খিদে পায় না। আবার বাওয়েল মুভমেন্ট ঠিক রাখে। মেটাবলিজম ভালো রাখে। অতিরিক্ত ফ্যাট শরীর থেকে বের করতেও সাহায্য করে। ক্যান্সার দূরে রাখতে সাহায্য করে। শরীরে ভিটামিনের জোগান বজায় রাখে। আর অতিঅবশ্যই নিয়মিত ফল খান। খুব দামি ফল খেতে হবে না। একটা পেয়ারাও যথেষ্ট। ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। কার্বোহাইড্রেট অর্থাৎ ভাত, রুটি, আলুর তৈরি নানা খাদ্য কম খাওয়ার কথা আগেই বলেছি। তবে শুধু ভাত-রুটি নয়, বন্ধ করতে হবে চিনির ব্যবহার। নুন খাওয়া কমিয়ে ফেলুন। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকার পাশাপাশি ওজন বাড়ার সমস্যাও দূরে থাকবে। কফি এবং অ্যালকোহল সম্পূর্ণ বাদ দিতে পারলে ভালো হয়।
 এক্সারসাইজ মাস্ট
সপ্তাহে অন্তত তিন দিন নিয়ম করে কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। পলিসিস্টিক ওভারির সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার মোক্ষম উপায় হল শরীরচর্চা। দৈহিক উচ্চতা অনুপাতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে ধরে নিতে হবে পিসিওডি-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আপনি প্রায় জয়ী হয়েই গিয়েছেন। এভাবেই স্বাভাবিক পদ্ধতিতে কনসিভ করা সম্ভব। এরপরেও সমস্যা জটিল হলে তখন ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন প্রযুক্তি প্রয়োগে মাতৃত্ব লাভ করা যায়। হতাশ হবেন না। আগে চেষ্টা শুরু করুন। চেষ্টা করলেই উপায় হয়।
01st  August, 2019
সবেতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক? 

দাঁত মাজার টুথপেস্ট, গালে মাখার ক্রিম, জলের বোতল, টি ব্যাগ, বেবি ওয়াইপস, হ্যান্ড ওয়াইপস, পাতলা কফি কাপ, শ্যাম্পু, স্ক্র্যাব, মেকআপ এই সবই আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের তালিকাভুক্ত। অথচ দিনযাপনের এই ছোট্ট ছোট্ট উপাদানগুলিই আমাদের তিলে তিলে ঠেলে দিচ্ছে ভয়ঙ্কর শারীরিক সমস্যার দিকে! 
বিশদ

ছোটদের জন্য হিমালয়ার উদ্যোগ 

এখনও ক্লেফট লিপ বা জন্মগত ঠৌঁটের ত্রুটির সমস্যায় ভোগে এদেশের বহু বাচ্চা। দুঃস্থ পরিবারের শিশুর অভিভাবকের সামান্য অপারেশন করানোর সামর্থ্যও থাকে না। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে হিমালয়া সংস্থার তরফে শুরু করা হয়েছে ‘মুসকান’ নামে বিশেষ একটি প্রকল্প।
বিশদ

টাইপ ১ ডায়াবেটিস সচেতনতায় 

ভারতে প্রতি বছর টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বাচ্চার সংখ্যা বাড়ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রোগটি নিয়ে জনমানসে সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। তাই বাচ্চার প্রচণ্ড জলতেষ্টা, দ্রুত ওজন কমার মতো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বাচ্চাকে ইনসুলিন দিতে হয়। 
বিশদ

বিষের নাম
মাইক্রোপ্লাস্টি ক

‘স্লিপার হিট’ ফিল্ম কাকে বলে জানেন? যে সমস্ত ছবি অনেকদিন পরও লোকে দেখতে থাকে, অথচ যখন সেটি মুক্তি পেয়েছিল তখন এতটা খ্যাতি পায়নি বা মুক্তির সপ্তাহে অমুক বনাম তমুক-এর বক্স অফিস আয়ের শিরোনামে যে ছবির নাম শুনতে পাওয়া যায়নি। বিশদ

ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে
বাঁচবেন কীভাবে?

 কিছুদিন আগে পর্যন্ত আমরা ভাবতাম, ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ গ্রীষ্মকালে ও বর্ষাকালে বেশি হয়। তারপরে শারদীয়া পুজোর সময় নিজের থেকেই অধিকাংশ ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ সেরে যাবে। ওষুধ দেওয়ার একেবারে দরকার হবে না তা নয়, কিন্তু আমাদের ধারণা ছিল ছত্রাক সংক্রমণ সারানো আদৌ কঠিন নয়।
বিশদ

05th  December, 2019
 হোমিওপ্যাথিতে সারান
ফিসার-ফিসচুলা

 ফিসচুলা: ফিসচুলা হল মলদ্বারের বাইরের ত্বক থেকে মলদ্বারের ভিতর পর্যন্ত একটি নালীপথের সৃষ্টি হওয়া। এর পূর্বশর্ত হল মলদ্বারের পাশে ফোঁড়া হওয়ার ইতিহাস।
ফিসার: ফিসারের ক্ষেত্রে শক্ত পায়খানার কারণে মলদ্বার চিরে গিয়ে যন্ত্রণার হয়। মলদ্বারে জ্বালা করে।
বিশদ

05th  December, 2019
 সিনি’র স্বাস্থ্য উদ্যোগ

  ২০১৭ সালে মানুষের মধ্যে কাজ করার জন্য এইচসিএল গ্র্যান্ট পুরস্কার পেয়েছিল চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট (সিনি)। এই গ্র্যান্ট পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের তিনটি ব্লক— জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা, মুর্শিদাবাদের সুতি ১ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় কাজ শুরু করে সংস্থা।
বিশদ

05th  December, 2019
দৃষ্টি শক্তি হ্রাসে কলকাতা পঞ্চম

কয়েকদিন আগেই চলে গেল বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। অথচ দৃষ্টিশক্তির হাল নিয়ে দেশের মানুষ কতটা ওয়াকিবহাল? সিগনিফাই নামে সংস্থার করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
বিশদ

05th  December, 2019
বিপদ যখন
স্ক্র্যাব টাইফাস 

রোগ লক্ষণ
 রোগীর প্রবল জ্বর আসবে।
 গাঁটে গাঁটে খুব ব্যথা হবে প্রবল।
 কাশি হতে পারে।  বিশদ

28th  November, 2019
অজানা টাইফাস দুশ্চিন্তার টাইফাস 

গোড়ার কথা
ওরিয়েনশিয়া সুসুগামুশি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে মানুষ স্ক্র্যাব টাইফাস রোগটিতে আক্রান্ত হন। এই অসুখটি সম্পূর্ণভাবে একটি অ্যাকিউট ইনফেকশন। ট্রম্বিকিউলিড নামক এক লার্ভার (চিগার) কামড় থেকে এই ব্যাকটেরিয়াটি শরীরে প্রবেশ করে। এই লার্ভাটিই এই রোগটির বাহক।  
বিশদ

28th  November, 2019
ডায়াবেটিসে হাঁটুন 

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষ্যে জিডি হাসপাতাল এবং ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ‘হাঁটো বাংলা হাঁটো’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হল। সেই উপলক্ষ্যে সংস্থার থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট ফিজিশিয়ান ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজির প্রধান ডাঃ শুভঙ্কর চৌধুরী, অর্থোপেডিক সার্জারির প্রধান ডাঃ চন্দ্রচূড় ভট্টাচার্য, অপথ্যালমোলজির প্রধান ডাঃ সিদ্ধার্ত ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট চিকিৎসকরা।  
বিশদ

28th  November, 2019
সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মরণোত্তর মুকুট 

সম্প্রতি কলকাতায় আয়োজিত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ শাখার ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাকশন সোসাইটির সম্মেলন। উক্ত সম্মেলনে প্রকশিত হল ডাঃ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী অবলম্বনে লেখা উপর লেখা বই ‘মরণোত্তর মুকুট’। বইটি লিখেছেন ডাঃ সাধনকুমার দে এবং সুনীত মুখোপাধ্যায়।  
বিশদ

28th  November, 2019
পিএমপিএআই-এর সম্মেলন 

নন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ প্র্যকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (পিএমপিএআই)-এর উদ্যোগে গত ১৮ এবং ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ষষ্ঠ রাজ্য সম্মেলন এবং কর্মশালা। 
বিশদ

28th  November, 2019
অসুখের নাম গচার 

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ৪০ রকম বা তার বেশি বিপাক প্রক্রিয়ার বিশৃঙ্খলাকে একত্রে বলা হয় লাইসোসামাল স্টোরেজ ডিসঅর্ডার। এই রোগে দেহের লাইসোসোমাল প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ছোটখাট অঙ্গ বা অর্গানেলের মধ্যে জীবাণু জমতে থাকে। বিপাক প্রক্রিয়ার ত্রুটির জন্যই গচার ডিজিজ হয়। আসলে এটি হল গ্লুকোসেরেব্রোসিডেজ নামে একটি এনজাইমের ঘাটতি। 
বিশদ

28th  November, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেইরেস চান, কোনও দেশের সরকারই যেন বিভেদমূলক আইন কার্যকর না করে। তবে, ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা ক্রীড়াঙ্গণে অস্থায়ীভাবে ক্রিকেট পিচ করা হল। শহরের ক্রিকেট খেলোয়াড়দের সুবিধার জন্যই অস্থায়ীভাবে এই পিচ করেছে শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ। স্টেডিয়াম থেকে ক্রিকেট খেলা চাঁদমনির মাঠে স্থানান্তর করার পর অনেক অসুবিধায় পড়তে হয় শিলিগুড়ি ক্রিকেট খেলোয়াড়দের।   ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে বিপর্যয়ের পর উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির ঘুরে দাঁড়ানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে সাংগঠনিক দুর্বলতা, দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব, লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা হারিয়ে ফেলায় কার্যত দিশেহারা গেরুয়া শিবিরের নেতৃত্ব।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় টি-২০: ৬৭ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ জয় ভারতের 

11-12-2019 - 10:43:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪১/৬ (১৫ ওভার) 

11-12-2019 - 10:23:54 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯৭/৪ (১০ ওভার)

11-12-2019 - 09:54:00 PM

 তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪১/৩ (৬ ওভার)

11-12-2019 - 09:34:43 PM

 রাজ্যসভায় পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল
রাজ্যসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। আজ ...বিশদ

11-12-2019 - 09:24:00 PM

তৃতীয় টি-২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

11-12-2019 - 08:50:10 PM