Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

 ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু ও এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

 পরামর্শে সল্টলেকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথির বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ গৌতম আশ।

ডেঙ্গু

ডেঙ্গু জ্বর ভেক্টর বাহিত একটি গুরুতর সংক্রমণ যা চারটি ভিন্ন ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়। এই ভাইরাস সংক্রমিত হয় এডিস ইজিপটাই মশার দ্বারা। ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী ভাইরাসটির চারটি সেরোটাইপ রয়েছে। ডেন-১, ২, ৩ এবং ৪। আমাদের দেশের বিভিন্ন অংশে প্রতি বছর ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। বিশেষত, বর্ষাকালের পরে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরে মাসে এই রোগের প্রকোপ বাড়ে। যদিও এখন সারা বছরই কোনও না কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে এই জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

রোগ লক্ষণ

এই জ্বরের লক্ষণগুলি হালকা থেকে গুরুতর হতে পারে। মারাত্মক উপসর্গগুলি ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বরের অন্তর্ভুক্ত। এই জ্বরের লক্ষণ রোগের তীব্রতার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। যেমন হালকা থেকে উচ্চ মাত্রায় জ্বর। এর পাশাপাশি পেশি এবং অস্থিসন্ধিগুলিতে তীব্র বেদনা, শরীরে লাল লাল ফুসকুড়ি, তীব্র মাথা ও চোখের পিছনে ব্যাথা এবং বমি বমি ভাব থাকে। সাধারণত লক্ষণগুলি মশার কামড়ের ৪ থেকে ৭ দিন পরে শুরু হয় এবং ৩ থেকে ১০ দিনের মতো থাকে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই অসুখ গুরুতর আকার নেয় না। তবে কখনও কখনও মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হয় যাকে ডেঙ্গু হেমারেজিক জ্বর ও ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম বলা হয়ে থাকে। ডেঙ্গু হেমারেজিক জ্বরে সাধারণত মুখ, নাক থেকে রক্ত বেরয়। পাশাপাশি ব্রেনেও রক্তপাত হতে পারে। আবার অভ্যন্তরীণ রক্তপাত, কালো বমি ও মল হতে পারে এবং রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা অত্যন্ত কমে যায়, ত্বকে রক্ত জমে যায়।
এছাড়া ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হল জটিল শারীরিক অবস্থা যেখানে পেটে তীব্র ব্যথা, হঠাৎ শরীরে রক্তচাপ কমে যাওয়া, শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে ভারী রক্তপাত হয় এবং রোগী অচেতন অবস্থায় চলে যায়।

রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গগুলি বিশ্লেষণ করতে হয়। এছাড়া রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করার জন্য কিছু রক্ত পরীক্ষাও জরুরি।
যেহেতু ডেঙ্গু একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ, তাই এই জ্বরের কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা প্রতিকার নেই। তবে যাই হোক রোগ কতটা গুরুতর তার উপর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে জলের ঘাটতি (ডিহাইড্রেশন) প্রতিরোধ করাই অত্যন্ত জরুরি। দরকারে রোগীকে স্যালাইন দিতে হতে পারে। এর মাধ্যমে রোগীর শরীরে জরুরি লবণ, তরল এবং খনিজ পদার্থের ভারসাম্য আসে। গুরুতর ক্ষেত্রে রক্ত দেওয়ারও প্রয়োজন হয়। বিশেষত, যেখানে রক্তের প্লেটলেট ভীষণভাবে কমে যায়। ডেঙ্গু জ্বর একাধিক বার হতে পারে এবং দ্বিতীয় সংক্রমণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আছে যেগুলি ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসায় খুবই ভালো ফল দেয়। যার মধ্যে ইউপেটোরিয়াম পার ফোলিয়েটাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই ওষুধটির ৬, ৩০ বা ২০০ শক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী। আবার এই ওষুধটির ৩০ শক্তি ডেঙ্গু জ্বরের প্রতিষেধক হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বেলেডোনা, রাসটক্স, ক্রোটেলাস হরিডাস, ফসফরাস ইত্যাদি ওষুধগুলিও এই জ্বর নিরাময়ে ভালো ফল দেয়।
তবে ওষুধের সঙ্গে প্রচুর জলপান করা, ফলের রস খাওয়া ও সম্পূর্ণ বিশ্রাম একান্তই প্রয়োজন।

এই রোগের প্রতিরোধ

রোগ প্রতিরোধ করার প্রধান উপায় হল মশার কামড় এড়ানো এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো। এজন্য বাড়ির আশেপাশে বা বাড়িতে ছাদে ফুলের টব, বালতিতে বা যে কোনও পাত্রে জল জমতে দেওয়া যাবে না। এছাড়া লম্বা প্যান্ট, হাতা যুক্ত জামা, মোজা ইত্যাদির ব্যবহার দরকার। মশারি ব্যবহার করা একান্তই জরুরি। ডোর এবং উইন্ডো স্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে যাতে মশা ঘরে ঢুকতে না পারে। ভোর বেলা ও সন্ধ্যায় বাইরে থাকা এড়ানোর চেষ্টা করা। মশা মারার তেল ব্যবহার ও মশা যাতে সংরক্ষিত জলে ডিম না পারতে পারে তা দেখা।

সোয়াইন ফ্লু

এইচ১এন১ ভাইরাসের মাধ্যমে সোয়াইন ফ্লু সংক্রমণ হয়। এই ভাইরাস হঠাৎই আসে, কয়েকদিনের জন্য থাকে এবং চলেও যায়। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গগুলি সাধারণ মৌসুমী ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণগুলির মতোই। এক্ষেত্রে রোগীর গলা ব্যথা, জ্বর, নাক দিয়ে জলপড়া, কাশি, গলা খুশখুশ, বমি বমি ভাব বা বমি, শীত শীত ভাব, গা-হাত-পা ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, এনার্জি কমে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার থেকে এই সংক্রমণটির পার্থক্য হল সোয়াইন ফ্লু স্বাস্থ্যের পক্ষে আরও গুরুতর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই রোগ অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
তাই যে কোনও মুহূর্তে সোয়াইন ফ্লু একটি মহামারীর আকার ধারণ করে বা করতে পারে।
সাধারণত ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব, পাঁচ বছরের কমবয়সি বাচ্চা, গর্ভবতী মহিলা ও যাঁরা হাঁপানি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগটি বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ।
এই রোগ ছড়িয়ে পড়া
‘সোয়াইন ফ্লু’ শব্দটা শুয়োরের ইনফ্লুয়েঞ্জা বোঝায়। মাঝেমধ্যে শুয়োর থেকে মানুষের মধ্যে এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস সংক্রামিত হয়। বিশেষত কৃষক ও পশুচিকিৎসকদের মধ্যে। তবে প্রায়ই একজন সোয়াইন ফ্লু সংক্রামিত ব্যক্তির থেকেও অন্যরাও এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে।

নানাভাবে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়ে—

 কোনও সংক্রামিত ব্যক্তির হাঁচি, কাশির মাধ্যমে সরাসরি অন্য ব্যক্তির চোখ, নাক বা মুখ দিয়ে  বায়ুতে থাকা ভাইরাস সুস্থ ব্যক্তির শ্বাসের সঙ্গে শরীরের ঢোকে  সরাসরি ব্যক্তিগত যোগাযোগের দ্বারা বা সংক্রমিত কোনও বস্তুর সংস্পর্শে এসে হাত থেকে চোখ, হাত থেকে নাক বা হাত থেকে মুখে সংক্রমণ হতে পারে।
ডায়গনসিস: নাক ও গলার সোয়াব পরীক্ষা করেই এই রোগ সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া যায়।
চিকিৎসা: সোয়াইন ফ্লু রোগের প্রকৃতির ভিত্তিতে এবং এই রোগবিজ্ঞানের ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি যে সোয়াইন ফ্লু-এর মতো ভাইরাল রোগের চিকিৎসার হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ভালো কাজে দেয়। সোয়াইন ফ্লু আক্রান্ত রোগীদের স্বতন্ত্র উপসর্গগুলির উপর নির্ভর করে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্বাচন করা হয়ে থাকে। এখানে কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের নাম উল্লেখ করা হল যেগুলো সোয়াইন ফ্লু’র চিকিৎসার বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। যথা— ইনফ্লুয়েনজিনাম, জেলসিনিয়াম, আর্সেনিক অ্যালব, রাসটক্স ইউপেটোরিয়াম পারক, ব্রায়োনিয়া, অক্সিলোঙ্গেকিনান, ভেরেট্রাম ভিরিডি, ব্যাল্টিসিয়া ইত্যাদি। এই ওষুধগুলির শক্তি মাত্রা ও ডোজ নির্ণয় করা হয়ে থাকে রোগের প্রকৃতি ও তীব্রতার উপর। এই ওষুধগুলি আবার শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করতেও সাহায্য করে এবং এই রোগের প্রতিকারের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ
 হাঁচি ও কাশির সময় নাক ও মুখ চাপা দেওয়া দরকার  হাত না ধুয়ে ঘনঘন চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ না করা  ঘনঘন হাত ধোয়া উচিত  ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত  ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত রোগীর বা অসুস্থ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়ানো  যাঁদের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ আছে তাঁদের কাছ থেকে দূরে (অন্তত ৩ ফুট দূরে) থাকা দরকার  প্রচুর জল খাওয়া এবং রেস্ট নেওয়ার প্রয়োজন
 দরকারে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

এনকেফেলাইটিস
এনকেফেলাইটিস হল মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের তীব্র প্রদাহ (অ্যাকিউট ইনফ্লামেশন)। এই সমস্যা সাধারণত ভাইরাল সংক্রমণের ফলে হয়। অথবা শরীরের নিজের ইমিউন সিস্টেম ভুল করে মস্তিষ্কের টিস্যুকে আক্রমণ করে থাকে এবং প্রদাহের সৃষ্টি করে। তীব্র প্রদাহের অর্থ হল রোগটি হঠাৎ করে আসে এবং রোগে তীব্রতা দ্রুত বাড়ে। এই জন্যই এই রোগের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
এই সংক্রমণটি সাধারণত প্রতি হাজার জনের মধ্যে ১ জনের ঘটে থাকে। সাধারণত এনকেফেলাইটিস জ্বর এবং সঙ্গে মাথা ব্যথা দিয়ে শুরু হয়। উপসর্গগুলি দ্রুত খারাপ হতে থাকে। দেখা দেয় বমি, তড়কা, বিভ্রান্তি, তন্দ্রা এবং চেতনা হারানোর মতো লক্ষণ। এমনকী রোগী কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।
এই রোগে আক্রান্ত অল্পবয়সের রোগী সাধারণত কোনও জটিল সমস্যা ছাড়াই সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু বয়স্ক ও একদম বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণের জন্য বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
এনকেফেলাইটিসের নানান প্রকারভেদ রয়েছে— জাপানি এনকেফেলাইটিস মশা দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। টিক-বোর্ন এনকেফেলাইটিস টিক (এঁটুলিজাতীয় পোকা) দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। আবার কোনও প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ানোর দ্বারা রেবিস ভাইরাস দেহে প্রবেশ করেও এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও প্রাথমিক বা সেকেন্ডারি এনকেফেলাইটিস ভাইরাস, ফাঙ্গাস বা ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা মস্তিষ্কের সংক্রমণ হয়। আবার সেকেন্ডারি বা পোস্ট-সংক্রামক এনকেফেলাইটিস-এর সৃষ্টি হয় যখন ইমিউন সিস্টেম আগের সংক্রমণের প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ভুলভাবে মস্তিষ্ককে আক্রমণ করে।
যদিও অধিকাংশ সময়, এই প্রদাহ ভাইরাল সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট হয় কিন্তু আরবোভাইরাস অর্থাৎ ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও হারপিস ভাইরাসের কারণেও এই সংক্রমণ হয়ে থাকে। এছাড়াও হাম, মামস, চিকেন পক্স, রুবেলা ও রেবিসও এই সংক্রণের কারণ হয়।
গ্রীষ্মকালেই এই সংক্রমণ বাড়ে। তবে এনকেফেলাইটিসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে বয়স্ক ব্যক্তিদের ও এক বছরের কমবয়সি শিশুদের। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা মানুষদেরও এই রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি।

রোগ নির্ণয়

রোগের লক্ষণ এবং রোগীর শারীরিক পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে এই রোগ সন্দেহ করা হয়। রোগ সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়ার জন্য রক্ত ও সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনে মস্তিষ্কের ইইজি বা ইমেজিং স্টাডি এবং কখনও কখনও নির্দিষ্ট ভাইরাল স্টাডিও করা হয় রোগের তীব্রতা নির্ণয়ের জন্য।

চিকিৎসা:

এনকেফেলাইটিসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় আমাদের চেষ্টা থাকবে যাতে উপসর্গগুলির আশু হ্রাস হয় এবং যাতে রোগীর কোনও জটিলতা সৃষ্টি না হয়। এজন্য রোগীকে পুরোপুরি বিশ্রামে রাখা ও প্রচুর পরিমাণে জলপান করানো একান্তই প্রয়োজন। প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়। সেখানে আক্সিজেন ও ইন্ট্রা ভেনাস ড্রিপও দিতে হয় যাতে শরীরের ইলেক্ট্রো লাইটস ব্যালেন্স ঠিক রাখা যায়।
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসার জন্য কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ এই রোগ প্রতিরোধের জন্যও ভালো কাজ করে। এনকেফেলাইটিস সংক্রমণের চিকিৎসায় বেলেডোনা, জেলসিয়াম, হেলেবোরাস, হাইও সাইমাসনাইজার, স্ট্র্যামনিয়াম, আর্সেনিক অ্যালবাম, রাসটক্স ব্রায়োনিয়া, আরনিকা, ইউপেটোরিয়াস ইত্যাদি ওষুধগুলি বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে বেলেডোনা ওষুধটিই এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসার জন্য শীর্ষস্থানীয়। তবে এই রোগের উপসর্গ, রোগের তীব্রতা, রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর ভিত্তি করেই ওষুধ নির্বাচন, ওষুধের শক্তি ও মাত্রা ঠিক করা হয়ে থাকে।
এই রোগের প্রতিরোধী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ হিসেবে বেলেডোনা, ক্যালকেরিয়া কার্ব ও টিউবার কউলিমাস ২০০ মাত্রায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য পেতে প্রায় বেশ কয়েক সপ্তাহ বা মাস লাগতে পারে।

প্রতিরোধ:

 যে সমস্ত সংক্রামক রোগের ফলে এনকেফেলাইটিস হয় সেগুলি থেকে দূরে থাকা উচিত।
 মশারির ব্যবহার করুন।
 বিভিন্ন রকম সংক্রামক রোগের টিকা শিশুদের দেওয়া।
 এনকেফেলাইটিসে আক্রান্তদের থেকে শিশুদের দূরে রাখতে হবে।
 প্রত্যেকেরই ভালো করে বারবার হাত ধোয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
 মশার কামড় এড়াতে ভোর ও সন্ধ্যায় বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।
 ফুলহাতা জামা, লম্বা প্যান্ট, টুপি ইত্যাদির ব্যবহার করুন।
 পোকামাকড় ও মশা বিতারক দ্রব্য বা রাসায়নিক ব্যবহার।
 বাড়িতে ও বাড়ির চারপাশে জল জমতে না দেবেন না।
 টিক বা এঁটুলিজাতীয় পোকার কামড় এড়ান।
 পোষ্যের নিয়মিত শরীর পরীক্ষা করা দরকার।
11th  July, 2019
করোনা ঠেকাতে
ভ্যাকসিন ঠিক কত দূরে?

মার্চ মাসের মাঝামাঝি যখন কাঁসরঘণ্টা বাজিয়ে করোনা ভাইরাস আমাদের জীবনে বর্গীহানা দিল, দুশ্চিন্তা কাটাতে আমরা সবাই একে-অপরকে আশ্বস্ত করতে লাগলাম – ‘ওঃ! ভ্যাকসিন এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে’ বা ‘চিন্তার কিছু নেই, ভ্যাকসিন তো আসছেই’, ইত্যাদি।
বিশদ

09th  July, 2020
 উচ্চ রক্তচাপ সামলে রাখুন

৯৯ বছর বয়সি রোগীও করোনা থেকে সুস্থ হচ্ছেন। অতএব উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে বলে রাতের ঘুম নষ্ট করে প্রেসার বাড়াবেন না। রক্তচাপ থাকলেই সংক্রমণ উড়ে এসে জুড়ে বসবে না। সতর্ক থাকলে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কম। আর হলেও তা সবার জন্য সমান জটিলতা ডেকে আনবে না। তবে অনেকেই জানতে চাইছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে তা কীভাবে রোগের জটিলতা বৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে?
বিশদ

09th  July, 2020
লকডাউনে কাটাছেড়ায়
ঘরেই প্রাথমিক চিকিৎসা

 বাড়ির নানা কাজের ফাঁকে অসাবধানে প্রায়ই ছোটখাটো কাটাছেড়ার সম্মুখীন হই আমরা। করোনা পরিস্থিতি এবং লকডাউনের জেরে কাজ সবারই খানিক বেড়েছে। বেড়েছে চোট-আঘাতের আশঙ্কাও। প্রয়োজন ছাড়া কেউ এখন বাড়ির বাইরে বেরচ্ছেন না। শিশুরা থাকলে ভয় আরও বেশি।
বিশদ

09th  July, 2020
উম পুন বিধ্বস্তদের পাশে শিশু চিকিৎসকরা

  উম পুন বিধ্বস্ত সুন্দরবনের কুলতলি এলাকায় বসবাসরত মানুষের পাশে দাঁড়াল ইন্ডিয়ান আকাদেমি অব পেডিয়াট্রিকসের হাওড়া শাখা। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অঞ্চলের মানুষগুলি, বিশেষত শিশুদের জন্য সারাবছর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির ও বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।
বিশদ

09th  July, 2020
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হোমিওপ্যাথি

 হোমিওপ্যাথির ধারণা অনুযায়ী, যে কোনও অসুখের নেপথ্যে তিনটি মুখ্য কারণ থাকে। এই কারণগুলি হল, জীবাণু, পরিবেশ এবং রোগ প্রতিরোধ কম থাকা কোনও ব্যক্তি। রোগ প্রতিরোধের জন্য অসুখের এই কারণগুলির বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে হবে।
বিশদ

09th  July, 2020
টাক বাড়লেই ঝুঁকি বেশি
করোনা সংক্রমণের

ওয়াশিংটন: ‘মাথা ভরা টাক দিলি, আকার দিলি না...!’ মানে, টাক থাকলে টাকা আসবে—এমনটাই বুঝি বলতে চেয়েছিলেন গীতিকার। ভাগ্যিস, তখন মারণ কোভিডের নামগন্ধ ছিল না! আজকের মতো তার ‘মৃত্যুদূত’ চেহারা দেখেনি গোটা বিশ্ব। তা না হলে একটি বাংলা ব্যান্ডের ভবিষ্যৎ কী হত কে জানে! টাকের সঙ্গে টাকার আব্দার তখন খোলা মনেই গ্রহণ করেছিলেন শ্রোতারা।
বিশদ

07th  July, 2020
লকডাউনে বাড়িতে হঠাৎ
আগুনে পোড়ার বিপদে কী করবেন? 

পরামর্শে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ রূপনারায়ণ ভট্টাচার্য। 
বিশদ

02nd  July, 2020
করোনা জয়ী
চোয়াল শক্ত রাখুন, অর্ধেক
রোগ তাতেই সারবে 

দেশবন্ধু দাস: কর্মজীবনে সর্বদা সরকারি নীতি ও ব্যবস্থাপনার উপর ভরসা করে এসেছি। গত ৩১ মার্চ করোনা পজিটিভ জানার পর কোনওরকম হতাশ না হয়েই রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর প্রচণ্ড আস্থাশীল ছিলাম।  
বিশদ

02nd  July, 2020
প্রাণচঞ্চল রাখুন ছোটদের 

পরামর্শে বিশিষ্ট মনোবিদ অমিত চক্রবর্তী।বাচ্চাদের অবসাদ হয় না— এখনও বেশিরভাগ মানুষ এই ধারণা রাখেন। যদিও বর্তমানে মনোবিজ্ঞান বলছে, সাত থেকে আট বছরের বাচ্চারও অবসাদ হতে পারে। তবে আশার কথা হল, ছোট বয়সে অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা অনেকটাই কম।   বিশদ

02nd  July, 2020
ঝুঁকি নিয়েও নিজেকে
উজাড় করে দিচ্ছেন ডাক্তাররা 

প্রাণের ঝুঁকি নিয়েও নিজেকে উজাড় করে পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বুধবার ছিল চিকিৎসক দিবস। এই উপলক্ষে একথা জানালেন দক্ষিণ কলকাতার নারায়ণ মেমোরিয়াল হাসপাতালের মেডিক্যাল সার্ভিসেস-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডাঃ পূজা সাউ।  বিশদ

02nd  July, 2020
ডিপ্রেসন কাটাবেন কীভাবে? 

ডায়াবেটিসের মতো মনের অসুখও এখন মহামারীর আকার নিয়েছে। ডিপ্রেসন বা অবসাদ সেগুলির মধ্যে একটি। এরই মধ্যে টানা লকডাউন এবং তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে মনে। অনেকেরই কিছু ভালো লাগছে না। উত্তর হাতড়ে যাচ্ছেন বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্তির। সামগ্রিকভাবে ডিপ্রেসন থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিলেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবাঞ্জন পান। 
বিশদ

02nd  July, 2020
করোনা ডেকে আনছে সুগার?
উত্তর খুঁজছে চিকিৎসক মহল

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের সঙ্গে সুগারের কোনও সম্পর্ক আছে কি? এই প্রশ্নেই এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলা সহ গোটা দুনিয়ায়। আলোচনা আরও বেড়েছে বিখ্যাত নেচার পত্রিকার ২৪ জুন সংখ্যায় এনিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর। লেখাটি শুরুই হয়েছে কোভিড আক্রান্ত এক ১৮ বছরের তরুণের হঠাৎ করে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিয়ে।
বিশদ

29th  June, 2020
করোনা ও ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়ার
একসঙ্গে মোকাবিলা কীভাবে

রাজ্যে ইতিমধ্যেই প্রবেশ করেছে বর্ষা। দু-এক পশলা বৃষ্টির হাত ধরে থাবা বসাচ্ছে বরাবরের শত্রু ডেঙ্গু। ম্যালেরিয়া এবং চিকুনগুনিয়াও যেন কোনও সময়ে ফেলতে পারে বিপদে। একইসঙ্গে এতগুলি রোগের সঙ্গে যুঝবেন কীভাবে? পরামর্শে মুকুন্দপুরের আরটিআইআইসিএস হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস। বিশদ

25th  June, 2020
 লকডাউনে পেটের রোগ কী করবেন?

বর্তমানে শুধু করোনাতেই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তা তো নয়। অন্যান্য শারীরিক সমস্যাতেও নাজেহাল। লকডাউন, মানসিক উত্তেজনা ও ব্যায়াম বন্ধ হওয়ায় অনিদ্রা ও বদহজম আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। পরামর্শে বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট ডাঃ সত্যপ্রিয় দে সরকার। বিশদ

25th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

 সুখেন্দু পাল, বহরমপুর: গতবারের চেয়ে এবার রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিতে অর্থ কমিশনের টাকা অনেক কম পাঠানো হচ্ছে। কোনও কোনও পঞ্চায়েতে প্রথম কিস্তিতে গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম টাকা পাঠানো হবে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই প্রধানরা সরব হয়েছেন। ...

 কাঠমাণ্ডু: গদি বাঁচাতে শেষপর্যন্ত করোনাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। তবে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তাঁর এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দিগ্ধ রাজনৈতিক মহল। জানা গিয়েছে, করোনার মোকাবিলায় দেশে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব ...

বার্সেলোনা: খেতাবের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েও লড়াই জারি বার্সেলোনার। বুধবার ক্যাম্প ন্যু’য়ে লুই সুয়ারেজের করা একমাত্র গোলে কাতালন ডার্বিতে এস্প্যানিয়লকে পরাস্ত করল কিকে সেতিয়েন-ব্রিগেড। এই জয়ের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে করোনায় আক্রান্ত ৫৯৬ জন বন্দী ও ১৬৭ কর্মী
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে এ পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৬ জন ...বিশদ

09:44:11 AM

করোনা:ফের রেকর্ড, দেশে একদিনে আক্রান্ত ২৬,৫০৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ...বিশদ

09:35:40 AM

 শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন এখন সপ্তাহে ২ দিন
আগামী ১৩ জুলাই থেকে শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন সপ্তাহে তিনদিনের বদলে ...বিশদ

09:20:11 AM

কন্টেইনমেন্ট জোনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ 
কন্টেইনমেন্ট জোনে বিভিন্ন আবাসন, বাড়ি কিংবা পাড়ার বাসিন্দাদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ...বিশদ

09:00:19 AM

ফের রেকর্ড আমেরিকায়, একদিনে আক্রান্ত ৬৫ হাজারেরও বেশি
করোনা আক্রান্ত নিয়ে ফের রেকর্ড আমেরিকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ...বিশদ

08:55:18 AM

আজ আইসিএসই, আইএসসির ফল
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার দুপুর ৩টেয় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:43:37 AM