Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

হাইপোস্কিল্লিয়া
এখন অভাব রোগ ধরার দক্ষতাতেই 

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে একটি দুর্ভাগ্যজনক বিষয়ের জন্য আমরা চিকিৎসকরাই দায়ী। আর এই নির্দিষ্ট কারণে বহু রোগীও নিত্যদিন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রশ্ন হল, কী সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়? বিষয়টিকে হাইপোস্কিল্লিয়া বলা হয়। অর্থাৎ চিকিৎসকের ক্লিনিক্যাল স্কিল কম থাকা। আরও সহজ করে বললে, অসুখের উপসর্গ দেখে রোগ সম্বন্ধে অনুমান করার পারদর্শিতা কম থাকা। এই ধরনের চিকিৎসকদের হাইপোস্কিল্লিয়াক্স বলা হয়। বলতে কোনও অসুবিধে নেই, প্রতিবছর মেডিক্যাল কলেজগুলি থেকে অসংখ্য হাইপোস্কিল্লিয়াক্স বেরিয়ে আসছেন। এই চিকিৎসকরা রোগীর অসুখের ইতিহাস নেন না, রোগীর জরুরি শারীরিক পরীক্ষাও প্রায় করেন না, নিজেদের বিচারবুদ্ধি কাজে লাগিয়ে তথ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণও করেন না। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই চিকিৎসকরা রোগীর চিকিৎসা পরিকল্পনাও সঠিক পদ্ধতিতে গড়ে তুলতে পারেন না। পাশাপাশি রোগী ও তাঁর আত্মীয়দের সঙ্গে ঠিকভাবে কথাও বলেন না।
এখন চিকিৎসকরা রোগীর অসুখ সম্বন্ধে বিশদে জানার জন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকুও ব্যয় করেন না। কারণ তাঁরা তাড়াতাড়ি কাজ সারতে চান। সময়ের অভাবে রোগীর অসুখের ইতিহাসটাই অজানা রয়ে যায়। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের রোগ পরীক্ষা সম্বন্ধে গভীরে জানেন। কিন্তু অনেকসময় কখন কোন টেস্ট করাতে হবে বা সেই টেস্টের রিপোর্টগুলিকে বিশ্লেষণই করতে পারেন না। বেশিরভাগক্ষেত্রেই তাঁরা সংখ্যার উপর বেশি জোর দেন। তাই রোগীর বদলে রোগীর রিপোর্টের চিকিৎসা চলে। এই অদ্ভুত পরিস্থিতি গড়ে তোলার পিছনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা পরিচালনকারীদেরও দোষ কম নয়। তাঁর চান, একজন চিকিৎসক কম সময়ের মধ্যে সর্বাধিক পরিমাণে রোগী দেখুক। তাই চিকিৎসকদের শুধু দায়ী করে লাভ নেই।
কোনও চিকিৎসকের ক্লিনিক্যাল স্কিল কম থাকা একটি জটিল ও দীর্ঘকালীন সমস্যা। অসম্পূর্ণ শিক্ষাই এই সমস্যার মূল কারণ। এই হিসেবে দেখলে, আমরা যাঁরা মেডিক্যাল কলেজে পড়াই তাঁরাও এই সমস্যার জন্য দায়ী।
তাহলে কেন আমরা জেনেবুঝে আমাদের পড়ুয়াদের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে অবহেলা করতে শেখাই? এই প্রশ্নের উত্তরের দু’টি দিক রয়েছে বলে আমার মনে হয়। প্রথমত, সামগ্রিকভাবে গোটা সমাজের মুল্যবোধ ও অগ্রাধিকার বদলেছে। উদাহরণ হিসেবে বলি, ১৯৫০-এর দশকে আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখন কঠোর শ্রম, আত্মমর্যাদা, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা, দায়বদ্ধতা এবং শ্রেষ্ঠত্বর পিছনে ধাওয়া করাটাই ছিল নিয়ম। আর এখন নির্দিষ্ট সময় কাজ করা, নিজের ব্যক্তিগত লাভ, নিজেকে পলিটিক্যালি কারেক্ট রাখার মতো কাজগুলিতেই সবাই ব্যস্ত থাকে। আত্মমর্যাদা এবং দায়বদ্ধতা প্রায় হারিয়ে গিয়েছে। তার ফল হিসেবে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রায় সকলেই নিজেদের মাঝারি মান নিয়েই বেশ খুশিতে রয়েছেন।
উত্তরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বলব, শিক্ষকরা তেমন শিক্ষাই দিচ্ছেন যা তাঁরা নিজেরা পেয়েছেন। আজকের বেশিরভাগ মেডিক্যাল শিক্ষকরাই ৭০ দশকের আগে-পিছু প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। সেই সময়েই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞানে খুব বেশি মাত্রায় শুরু হয়। তাই তাঁরা নিজেরা প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চিকিৎসা করতে শিখেছেন। এই বিষয়টিকে হাই-টেক মেডিসিন হিসেবে দেখা হয়। আর তাঁরা নিজেরা যেই পদ্ধতিতে শিক্ষিত, আজ নিজেদের ছাত্রছাত্রীদেরও সেই হাই-টেক মেডিসিন শিক্ষাই দিয়ে চলেছেন। অনেক শিক্ষক নিজেরাও হাই-টাচ মেডিসিন বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেননি।
এবার প্রশ্ন আসতে পারে, হাই-টাচ মেডিসিন বিষয়টি কী? উত্তর হল, রোগীর অসুখের ইতিহাস জেনে এবং রোগীর যথাযথ শারীরিক পরীক্ষা করে একজন চিকিৎসক অনেক তথ্য পান। এই তথ্যগুলিকে চিকিৎসক নিজের বিচারবুদ্ধির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করেন। তথ্যের বিশ্লেষণ করার পর দেখতে হয় আদৌ কোনও রোগ পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে কি না। এবার রোগ পরীক্ষার প্রয়োজন হলে প্রথমে সহজ পরীক্ষাগুলি আগে করাতে হয়। এই গোটা বিষয়টিই হল হাই-টাচ মেডিসিন।
অন্যদিকে হাই-টেক মেডিসিন-এর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই চিকিৎসক রোগীর অসুখের ইতিহাস জানতে চান না এবং জরুরি শারীরিক পরীক্ষাগুলিও এড়িয়ে যান। এক্ষেত্রে চিকিৎসক সরাসরি রোগীর কাছ থেকে মূল সমস্যার কথা জানতে চান। তারপর সেই সমস্যার বিষয়ে জানতে একগাদা রোগ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
যেহেতু হাই-টেক মেডিসিন পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা রোগীর কাছ থেকে অসুখের ইতিহাস জানেন না এবং রোগীর শারীরিক পরীক্ষাও করেন না, এই কারণে চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে নিবিড় সম্পর্কও গড়ে ওঠে না। অন্যদিকে হাই-টাচ মেডিসিন পদ্ধতিতে চিকিৎসক রোগীর মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করার অর্থ— রোগ নয়, আমরা রোগীর চিকিৎসা করছি।
অর্থাৎ আধুনিক প্রযুক্তি যেমন রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে, ঠিক তেমনই চিকিৎসকদের অনেকাংশে মানসিকভাবে অলস করে দিয়েছে। প্রুযুক্তির উপর বিশ্বাস রাখতে রাখতে তাঁরা নিজেদের সর্বোত্তম হাতিয়ার মস্তিষ্কের ব্যবহারই কমিয়ে এনেছেন। তবে এই সমস্যার সমাধান কোথায়? সমাধান বেশ কঠিন। গোটা চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থাকেই নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। আমাদের এমন শিক্ষক চাই যাঁদের ভালো ক্লিনিক্যাল স্কিল রয়েছে, যাঁরা রোগীর অসুখের ইতিহাস নেওয়া শেখাবেন, যাঁরা রোগীর যথাযথ শারীরিক পরীক্ষা করতে শেখাবেন, যাঁরা কোন রোগ পরীক্ষা কখন করতে হবে সেই হিসেব জানেন, যাঁরা রিপোর্টের ফলাফল বিশ্লেষণ করা শেখানোর মতো আরও অনেক জরুরি কাজ করতে পারবেন। সর্বোপরি পড়ুয়াদের ভালো মূল্যবোধ তৈরি করার শিক্ষক চাই। পাশাপাশি ক্লাস রুমের বদলে আরও বেশি করে রোগীর মধ্যে পড়ুয়াদের ক্লাস নিতে হবে। হাতেকলমে তাঁদের আরও পক্ত করে তোলা দরকার। এভাবেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
(ধন্যবাদন্তে ডাঃ অখিল কে সঙ্গল)
অনুবাদক: সায়ন নস্কর 
04th  July, 2019
করোনা ঠেকাতে
ভ্যাকসিন ঠিক কত দূরে?

মার্চ মাসের মাঝামাঝি যখন কাঁসরঘণ্টা বাজিয়ে করোনা ভাইরাস আমাদের জীবনে বর্গীহানা দিল, দুশ্চিন্তা কাটাতে আমরা সবাই একে-অপরকে আশ্বস্ত করতে লাগলাম – ‘ওঃ! ভ্যাকসিন এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে’ বা ‘চিন্তার কিছু নেই, ভ্যাকসিন তো আসছেই’, ইত্যাদি।
বিশদ

09th  July, 2020
 উচ্চ রক্তচাপ সামলে রাখুন

৯৯ বছর বয়সি রোগীও করোনা থেকে সুস্থ হচ্ছেন। অতএব উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে বলে রাতের ঘুম নষ্ট করে প্রেসার বাড়াবেন না। রক্তচাপ থাকলেই সংক্রমণ উড়ে এসে জুড়ে বসবে না। সতর্ক থাকলে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কম। আর হলেও তা সবার জন্য সমান জটিলতা ডেকে আনবে না। তবে অনেকেই জানতে চাইছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে তা কীভাবে রোগের জটিলতা বৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে?
বিশদ

09th  July, 2020
লকডাউনে কাটাছেড়ায়
ঘরেই প্রাথমিক চিকিৎসা

 বাড়ির নানা কাজের ফাঁকে অসাবধানে প্রায়ই ছোটখাটো কাটাছেড়ার সম্মুখীন হই আমরা। করোনা পরিস্থিতি এবং লকডাউনের জেরে কাজ সবারই খানিক বেড়েছে। বেড়েছে চোট-আঘাতের আশঙ্কাও। প্রয়োজন ছাড়া কেউ এখন বাড়ির বাইরে বেরচ্ছেন না। শিশুরা থাকলে ভয় আরও বেশি।
বিশদ

09th  July, 2020
উম পুন বিধ্বস্তদের পাশে শিশু চিকিৎসকরা

  উম পুন বিধ্বস্ত সুন্দরবনের কুলতলি এলাকায় বসবাসরত মানুষের পাশে দাঁড়াল ইন্ডিয়ান আকাদেমি অব পেডিয়াট্রিকসের হাওড়া শাখা। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অঞ্চলের মানুষগুলি, বিশেষত শিশুদের জন্য সারাবছর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির ও বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।
বিশদ

09th  July, 2020
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হোমিওপ্যাথি

 হোমিওপ্যাথির ধারণা অনুযায়ী, যে কোনও অসুখের নেপথ্যে তিনটি মুখ্য কারণ থাকে। এই কারণগুলি হল, জীবাণু, পরিবেশ এবং রোগ প্রতিরোধ কম থাকা কোনও ব্যক্তি। রোগ প্রতিরোধের জন্য অসুখের এই কারণগুলির বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে হবে।
বিশদ

09th  July, 2020
টাক বাড়লেই ঝুঁকি বেশি
করোনা সংক্রমণের

ওয়াশিংটন: ‘মাথা ভরা টাক দিলি, আকার দিলি না...!’ মানে, টাক থাকলে টাকা আসবে—এমনটাই বুঝি বলতে চেয়েছিলেন গীতিকার। ভাগ্যিস, তখন মারণ কোভিডের নামগন্ধ ছিল না! আজকের মতো তার ‘মৃত্যুদূত’ চেহারা দেখেনি গোটা বিশ্ব। তা না হলে একটি বাংলা ব্যান্ডের ভবিষ্যৎ কী হত কে জানে! টাকের সঙ্গে টাকার আব্দার তখন খোলা মনেই গ্রহণ করেছিলেন শ্রোতারা।
বিশদ

07th  July, 2020
লকডাউনে বাড়িতে হঠাৎ
আগুনে পোড়ার বিপদে কী করবেন? 

পরামর্শে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ রূপনারায়ণ ভট্টাচার্য। 
বিশদ

02nd  July, 2020
করোনা জয়ী
চোয়াল শক্ত রাখুন, অর্ধেক
রোগ তাতেই সারবে 

দেশবন্ধু দাস: কর্মজীবনে সর্বদা সরকারি নীতি ও ব্যবস্থাপনার উপর ভরসা করে এসেছি। গত ৩১ মার্চ করোনা পজিটিভ জানার পর কোনওরকম হতাশ না হয়েই রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর প্রচণ্ড আস্থাশীল ছিলাম।  
বিশদ

02nd  July, 2020
প্রাণচঞ্চল রাখুন ছোটদের 

পরামর্শে বিশিষ্ট মনোবিদ অমিত চক্রবর্তী।বাচ্চাদের অবসাদ হয় না— এখনও বেশিরভাগ মানুষ এই ধারণা রাখেন। যদিও বর্তমানে মনোবিজ্ঞান বলছে, সাত থেকে আট বছরের বাচ্চারও অবসাদ হতে পারে। তবে আশার কথা হল, ছোট বয়সে অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা অনেকটাই কম।   বিশদ

02nd  July, 2020
ঝুঁকি নিয়েও নিজেকে
উজাড় করে দিচ্ছেন ডাক্তাররা 

প্রাণের ঝুঁকি নিয়েও নিজেকে উজাড় করে পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বুধবার ছিল চিকিৎসক দিবস। এই উপলক্ষে একথা জানালেন দক্ষিণ কলকাতার নারায়ণ মেমোরিয়াল হাসপাতালের মেডিক্যাল সার্ভিসেস-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডাঃ পূজা সাউ।  বিশদ

02nd  July, 2020
ডিপ্রেসন কাটাবেন কীভাবে? 

ডায়াবেটিসের মতো মনের অসুখও এখন মহামারীর আকার নিয়েছে। ডিপ্রেসন বা অবসাদ সেগুলির মধ্যে একটি। এরই মধ্যে টানা লকডাউন এবং তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে মনে। অনেকেরই কিছু ভালো লাগছে না। উত্তর হাতড়ে যাচ্ছেন বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্তির। সামগ্রিকভাবে ডিপ্রেসন থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিলেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবাঞ্জন পান। 
বিশদ

02nd  July, 2020
করোনা ডেকে আনছে সুগার?
উত্তর খুঁজছে চিকিৎসক মহল

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের সঙ্গে সুগারের কোনও সম্পর্ক আছে কি? এই প্রশ্নেই এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলা সহ গোটা দুনিয়ায়। আলোচনা আরও বেড়েছে বিখ্যাত নেচার পত্রিকার ২৪ জুন সংখ্যায় এনিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর। লেখাটি শুরুই হয়েছে কোভিড আক্রান্ত এক ১৮ বছরের তরুণের হঠাৎ করে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিয়ে।
বিশদ

29th  June, 2020
করোনা ও ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়ার
একসঙ্গে মোকাবিলা কীভাবে

রাজ্যে ইতিমধ্যেই প্রবেশ করেছে বর্ষা। দু-এক পশলা বৃষ্টির হাত ধরে থাবা বসাচ্ছে বরাবরের শত্রু ডেঙ্গু। ম্যালেরিয়া এবং চিকুনগুনিয়াও যেন কোনও সময়ে ফেলতে পারে বিপদে। একইসঙ্গে এতগুলি রোগের সঙ্গে যুঝবেন কীভাবে? পরামর্শে মুকুন্দপুরের আরটিআইআইসিএস হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস। বিশদ

25th  June, 2020
 লকডাউনে পেটের রোগ কী করবেন?

বর্তমানে শুধু করোনাতেই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তা তো নয়। অন্যান্য শারীরিক সমস্যাতেও নাজেহাল। লকডাউন, মানসিক উত্তেজনা ও ব্যায়াম বন্ধ হওয়ায় অনিদ্রা ও বদহজম আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। পরামর্শে বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট ডাঃ সত্যপ্রিয় দে সরকার। বিশদ

25th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

 সুখেন্দু পাল, বহরমপুর: গতবারের চেয়ে এবার রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিতে অর্থ কমিশনের টাকা অনেক কম পাঠানো হচ্ছে। কোনও কোনও পঞ্চায়েতে প্রথম কিস্তিতে গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম টাকা পাঠানো হবে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই প্রধানরা সরব হয়েছেন। ...

 জীবানন্দ বসু, কলকাতা: গত এক বছরে দেশের কম আয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ইএসআই কর্পোরেশন। এর আয় ৫ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে টাকা ফেরাতে ব্লক লেভেল টাস্ক ফোর্স (বিএলটিএফ) তৈরি করল জেলা প্রশাসন। গত ৭জুলাই জেলাশাসক পার্থ ঘোষ এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা:ফের রেকর্ড, দেশে একদিনে আক্রান্ত ২৬,৫০৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ...বিশদ

09:26:00 AM

 শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন এখন সপ্তাহে ২ দিন
আগামী ১৩ জুলাই থেকে শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন সপ্তাহে তিনদিনের বদলে ...বিশদ

09:20:11 AM

কন্টেইনমেন্ট জোনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ 
কন্টেইনমেন্ট জোনে বিভিন্ন আবাসন, বাড়ি কিংবা পাড়ার বাসিন্দাদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ...বিশদ

09:00:19 AM

ফের রেকর্ড আমেরিকায়, একদিনে আক্রান্ত ৬৫ হাজারেরও বেশি
করোনা আক্রান্ত নিয়ে ফের রেকর্ড আমেরিকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ...বিশদ

08:55:18 AM

আজ আইসিএসই, আইএসসির ফল
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার দুপুর ৩টেয় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:43:37 AM

আজ থেকে বন্ধ হাইকোর্ট
আজ থেকে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারবিভাগীয় ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ ...বিশদ

08:30:00 AM