Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

অ্যান্টিবায়োটিক মাঝপথে
বন্ধ করলে কী হয়?

পাঁচদিন ওষুধ খেতে বলেছেন ডাক্তারবাবু। আপনি দু’দিন ওষুধ খেয়েই ট্যাবলেট খাওয়া বন্ধ করে দিলেন! অদূর ভবিষ্যতে এর ফলাফল কিন্তু ভয়াবহ হতে পারে। পরামর্শে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ফার্মাকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ অঞ্জন অধিকারী।

 অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে তৈরি হয়?
 দু’টি শব্দ আছে। একটি অ্যান্টিবায়োটিক অন্যটি হল অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল। আমাদের যেমন ঘাম হয় তেমনি ছোট ছোট মাইক্রোদের গা থেকে জলের মতো জিনিস বের হয়। এটা নিজেদের বাঁচার জন্যই ওরা বের করে। এই নিঃসরণ থেকেই ওষুধ বানিয়ে ব্যাকটেরিয়া মারার কাজ করি। অ্যান্টি মাইক্রোবিয়ালের অধীনে অ্যান্টি বায়োটিক, অ্যান্টি ভাইরাল বা অ্যান্টি ফাঙ্গাস সবই পড়ে।
 আচ্ছা। অ্যান্টিবায়োটিকের তো একটা ডোজ আছে। ডাক্তাররা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খেতে বলেন। যদি তার আগেই রোগ সারে, তাহলেও কি পুরো ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে?
 ডাক্তাররা রোগীর শরীর ও রোগের উপর নির্ভর করেই ওই ডোজ দেন। ব্যাকটেরিয়া সাধারণত দ্রুত দেহে বংশবৃদ্ধি করে। অ্যান্টিবায়োটিক হয় সেটিকে ধ্বংস করে, না হয় তার বংশবৃদ্ধি রোধ করে দেয়। যাতে একটা সময় পরে দেহের সক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে পরোক্ষে মেরে দেয়। তাই ওই ডোজ সম্পূর্ণ করাটাই উচিত।
 যদি সেই ডোজ সম্পূর্ণ না করি, তবে কী ক্ষতি হতে পারে?
 সেক্ষেত্রে দু’টো জিনিস হতে পারে। প্রথমত ওই ব্যাকটেরিয়া পুরোপুরি ধ্বংস হল না। সেক্ষেত্রে যেগুলি বেঁচে থাকবে, সেগুলি কিন্তু ওই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ফেলল। ফলে রোগ আবার হবে। কিন্তু তখন ওই অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না। শুধু তাই নয়, সমগ্র সমাজই এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, ওই প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া হাঁচি, কাশি, কথা বলার মধ্য দিয়ে অন্যের শরীরে ঢুকে যায়। এভাবে জীবাণু ছড়াতে ছড়াতে প্রায় সকলেরই দেহে ব্যাকটেরিয়ার অনুপ্রবেশ ঘটবে। তখন দেখা যাবে ওই এলাকাতেই কারও ক্ষেত্রেই ওই অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হবে না। দ্বিতীয়ত, ওই ব্যাকটেরিয়া থেকে অন্য কোনও ব্যাকটেরিয়া তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়। এই নতুন ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কোনও ওষুধ কাজ করতে পারে না। ক্রিটিকাল কেয়ার বা বাচ্চাদের ইউনিটে গেলে দেখতে পাবেন মাঝে মধ্যে কী অসহায় অবস্থা তৈরি হয়। কোনও অ্যান্টি বায়োটিক কাজ করছে না। আসলে, ডোজ কমপ্লিট না করার ক্ষতিটা তখনই হয়তো রোগী বুঝতে পারেন না। বোঝেন অনেক পরে, বিশেষ করে যখন তিনি দেখেন কিডনিটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা অন্য বড় কিছু হয়েছে।
 অসম্পূর্ণ ডোজ কি কিছুদিন বাদে আবার চালু করা যায়?
 কখনও হয় ঠিকই। যদি দেখা যায় ওই একই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ব্যক্তি সংক্রামিত হয়েছেন। কিন্তু অন্য ধরনের জীবাণু দ্বারা ব্যক্তিটি সংক্রামিত হলে সেই ডোজ চালু করে লাভ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হল সমস্যাটা একই কি না। এটা তো কোনও রোগী ধরতে পারবেন না। উপসর্গ বোঝা সাধারণ মানুষের কাজ নয়। মানুষ জ্বর বাড়ছে না কমছে, পেটে ব্যথা হচ্ছে কি না, সেটা বুঝতে পারে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কী তফাৎ সেটা তাঁরা ধরতে পারবেন না। তাই ওষুধ হঠাৎ বন্ধের পর শরীর ফের খারাপ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতেই হবে।
 অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে যে কথা বললেন, তা কি যে কোনও ওষুধের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?
 না সব ওষুধের ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য নয়। নন কমিউনিকেবল রোগ যেমন হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে ওষুধ নিয়মিত খাওয়া উচিত। লাইফ স্টাইল ঠিক রাখতে হয়। এগুলি কিন্তু দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে ওষুধ ছাড়াও উচিত নয়, মাত্রাও পরিবর্তন করা উচিত নয়। তবে সাধারণ সংক্রমণ বা জ্বরের মতো রোগের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়। বরং বলাই হয়, এটা হলে তবেই খাবেন। যেমন বলা হয়, জ্বর এলে তবেই এটা দেবেন। কাশি হলে কাফ সিরাপ খাও।
 আমরা তো সাধারণ নানাবিধ রোগের জন্য দোকান থেকে ওষুধ কিনি। অথবা কেউ কেউ বলেও দেন এই ওষুধটা ব্যবহার করুন, রোগ সেরে যাবে। এই অভ্যেস কতটা বিজ্ঞানসম্মত?
 একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। যিনি দিচ্ছেন তিনি হয়তো ভালোর জন্যই দিচ্ছেন। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। আমরা হয়তো পয়সা বাঁচানোর জন্য ডাক্তার এড়িয়ে যাই। কিন্তু এই অভ্যেস ক্ষতিই করে। কারণ মনে রাখা দরকার সব কিছুতেই বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তাই আদতে কী রোগ হয়েছে সেটা আমরা সঠিকভাবে না বুঝেই ওষুধ খেয়ে ফেলি। দোকানদার রোগীর মুখের কথা শুনে একটা ওষুধ দিয়ে দেন। গায়ে ব্যথা হচ্ছে শুনে, হয়তো বিশেষ গোত্রের বেদনানাশক দিয়ে দিলেন। সেই ওষুধ খেয়ে আপনার ব্যথা কমে গেল! কিন্তু কেউ জানলই না, ওই ব্যথার আসল কারণ হয়ত কিডনিতে সমস্যার কারণে। ফলে ব্যথা কমে গেল, কিন্তু মূল সমস্যাটা রয়ে গেল। এভাবে দিনের পর দিন ধরে বেদনানাশক খেয়ে উপসর্গ কমানো হল, কিন্তু মূল সমস্যাটা আয়ত্ত্বের বাইরে চলে গেল। ফলে রোগীর যখন প্রকৃতপক্ষেই কিডনির সমস্যা হয়তো যখন জানবে তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। তাই না জেনেই ওই ওষুধ দিলে পরোক্ষে ক্ষতিই হয়ে যায়।
 আচ্ছা একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক কি একসঙ্গে খাওয়া যায়?
 হ্যাঁ, খাওয়া তো যেতেই পারে। প্রয়োজন পড়লে দেওয়া হয়ও। একাধিক অঙ্গের প্রয়োজনে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। আবার দেখা যায়, রোগীকে একটা ওষুধ দিয়ে বাঁচানো যাবে না। তখন দ্বিতীয় অ্যান্টিবায়োটিক যোগ করা হয়। তবে সবটাই হয় রোগীকে পরীক্ষা করে।
 অনেক সময়ই দেখা যায় ডাক্তারবাবু অ্যান্টিবায়োটিক পাল্টে দিলেন বা মাত্রা বাড়িয়ে দিলেন...
 দেখুন, চিকিৎসা বিজ্ঞান ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। মূল্যায়ণ করতে হয়। আমরা রোগীকে পরীক্ষা করে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে একটা অ্যান্টিবায়োটিক দিলাম। কিন্তু তার সঙ্গে কয়েকটা পরীক্ষাও দিলাম। এর ফলে চিকিৎসক রোগীর অসুখ সম্পর্কে ভাবনাটা ঠিক কি না, তা মিলিয়ে নিতে পারেন। এটা একটা পুনর্মূল্যায়নের বিষয়। কিন্তু আবার বলছি, এই ডোজ বা ওষুধ পরিবর্তনের যৌক্তিকতা রয়েছে। দেখবেন, ডাক্তারবাবু হয়তো প্রথমে ৫০০ এমএল ডোজের ওষুধ দিলেন। কিন্তু পরে তিনিই বললেন ১০০০ খাও। সবটাই রোগ আর রোগীর উপর নির্ভর করে। কিন্তু রোগী নিজে থেকে কম ডোজ খেল বা সময় কমালো, সেটা ঠিক নয়।
 একই গ্রুপের সব অ্যান্টিবায়োটিকের গুণগত মান এক?
 হিসেব মতো এক হওয়ার কথা। কিন্তু আমাদের দেশে গুণগত মান নিশ্চিত করা কঠিন। তার উপর ওষুধের দাম নিয়ে লড়াই করতে গিয়ে দেখা যাবে জাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে, কম গুণের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। তাই দেখবেন অনেক সময় একটা অ্যান্টিবায়োটিক ভালো কাজ দিয়েছে। কারণ সেটার গুণগত মান ভালো। কিন্তু অন্য ওষুধটা তেমন কাজ দিচ্ছে না।
 ঘন ঘন বা যখন তখন অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াটা কি ঠিক?
 অযথা ওষুধ খাওয়াই ঠিক নয়। দোকানদার বা লোকের পরামর্শ মেনে ওষুধ না খেয়ে ডাক্তারের কথা শোনা উচিত। নিজের ডাক্তারি নিজে করা ঠিক নয়। অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া তো উচিত নয়ই। এমনিতেই খুব কম সংখ্যক অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের হাতে রয়েছে। তার উপর যথেচ্ছ এবং ভুল পদ্ধতিতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের ফলে বহু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু তৈরি হচ্ছে। তাই বিশ্বে অ্যান্টিবায়োটিকের সংখ্যাও ক্রমশ কমে আসছে। তাই বারবার বলা হচ্ছে, খুব প্রয়োজন না হলে অ্যান্টি বায়োটিক ব্যবহার করবেন না। এখন মানুষের সচেতনতাই আমাদের ভরসা।
সাক্ষাৎকার প্রীতম দাশগুপ্ত
13th  June, 2019
ছড়াতে পারে করোনা, দাঁতের
অস্ত্রোপচারে নিষেধাজ্ঞা জারি

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২০ মে: দাঁতের ডাক্তারখানা থেকে ব্যাপক হারে ছড়াতে পারে করোনার ভাইরাস। তাই একান্ত জরুরি ছাড়া দাঁতের অস্ত্রোপচার করতে বারণ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। রোগী দেখার ক্ষেত্রেও জারি হল বিধি নিষেধ। বিশদ

21st  May, 2020
গার্হস্থ্য হিংসায় বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্য
ভেঙে পড়ার আশঙ্কা শিশু কমিশনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনে বেড়ে চলা গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা শিশুমনেও ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে তাদের মধ্যে নানা আচরণগত পরিবর্তন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এমনই আশঙ্কা রাজ্য শিশু কমিশনের।
বিশদ

21st  May, 2020
প্রসূতিদের মধ্যে উত্তরোত্তর বাড়ছে করোনা,
হাই-প্রোটিন ডায়েট এবং ব্যায়ামের পরামর্শ 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে সাতজন, মেডিক্যাল কলেজে দু’জন, কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে তিনজন, সঞ্জীবন হাসপাতালে একজন....। করোনা পর্ব যতই দীর্ঘায়িত হচ্ছে, প্রসূতিদের মধ্যে সংক্রমণও বাড়ছে। 
বিশদ

10th  May, 2020
করোনা ঠেকাতে কোন ধরণের
সাবান ব্যবহার করবেন

যে রোগে মৃত্যুর হার শতকরা মাত্র পাঁচ ভাগ, সেই রোগটাকে নিয়ে কী শুরু হয়েছে বলুন তো! গুজব আর আতঙ্কে তো কান পাতাই দায়। এলাকায় কারো করোনা ধরা পড়ার পর, যে ধরনের অসভ্যতা শুরু হয়ে যায়, মনে হয় কোনও আতঙ্কবাদী ধরা পড়েছে! সেদিন আবার শুনলাম, সাবান না স্যানিটাইজার, নাকি দুটোই- এই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সাবান হলে কোন সাবান? 
বিশদ

06th  May, 2020
খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ভারতীয়দের সতর্ক
করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডাক্তার

  লন্ডন, ৩ মে (পিটিআই): করোনায় মৃত্যু এড়াতে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ভারতীয়দের সতর্ক করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ চিকিৎসক ডাঃ অসীম মালহোত্রা। ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)-এর সঙ্গে যুক্ত স্বনামধন্য কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ মালহোত্রা আবার ‘এভিডেন্স বেসড মেডিসিন’-এর অধ্যাপক। বিশদ

04th  May, 2020
লকডাউনে সুস্থ থাকবেন কী করে
প্রেমসুন্দর দাস, বিশিষ্ট যোগ বিশেষজ্ঞ

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য জরুরি তিনটি বিষয়—শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি। তিনের মেলবন্ধনেই প্রতিরোধ ক্ষমতার শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। মন যত প্রশান্ত হবে, শারীরিক সমস্যাও তত কমবে। মন একাগ্র করার পন্থা আবার নিহিত শরীরচর্চার মধ্যে।
বিশদ

02nd  May, 2020
লকডাউন ওঠার পর কী কী
অভ্যাস বজায় রাখবেন?

 লকডাউন কবে উঠবে? তার চাইতেও অনেক বড় প্রশ্ন হল আমাদের আগামী দিনে জীবন কেমন হবে? সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবহার করে যেতেই হবে লকডাউন শেষ হওয়া পর্যন্ত। বিশদ

02nd  May, 2020
কীভাবে হাত ধুলে করোনা
ভাইরাসকে মাত দেওয়া যায়?

 করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সমস্ত স্তর দিয়েই হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই পরামর্শ মেনে নিয়ে একটা বড় অংশের মানুষই নিয়মিত হাত ধুয়ে চলেছেন। তবে অনবরত হাত ধুয়ে চলা এই মানুষগুলির মধ্যে অনেকেই অবশ্য হাত ধোয়ার আদর্শ পদ্ধতি মানছেন না।
বিশদ

02nd  May, 2020
ওয়ার্ক ফ্রম হোমে
উৎসাহ হারাচ্ছেন?
জেনে নিন সমাধানের ঘরোয়া উপায়

 নোভেল করোনার দাপট রুখতে দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। মোটের উপর ঘরবন্দি দেশের অধিকাংশ মানুষ। অবশ্য এই ঘরবন্দি অবস্থাতেও বাড়িতে বসেই কাজ করে যাচ্ছেন অনেকে। বিশদ

02nd  May, 2020
রান্নায় এই ৭ টি মশলা বাড়াবে
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

 এই মুহূর্তে করোনা আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। মারণ এই ভাইরাসের তাণ্ডবে কার্যত বিপর্যস্ত মানবজীবন। কীভাবে এই মহামারীর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায় এই চিন্তাতেই দিন কাটছে মানুষের।
বিশদ

02nd  May, 2020
বাসন মাজলে করোনা
ভাইরাস মরে?

 জিম বন্ধ। বন্ধ সেলেবদের শরীরচর্চা। তা বলে থেমে নেই তারকারা। বেছে নিয়েছেন অন্য উপায়। হাত লাগিয়েছেন বাসন মাজায়! কে নেই এই তালিকায়— ক্যাটরিনা থেকে কার্তিক আরিয়ান সকলেই মাজছেন বাসন। গৃহস্থালির এত কাজ থাকতে হঠাত্ কেন বাসন মাজা-মাজি?
বিশদ

02nd  May, 2020
সাবান না স্যানিটাইজার
কোনটা বেশি ভালো?

 নোভেল করোনার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পেতে সাবান এবং স্যানিটাইজারের কদর প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। চাহিদা এতটাই বেশি যে বাজারে স্যানিটাইজার তো প্রায় পাওয়াই যাচ্ছে না। আর সাবান পাওয়া গেলেও তার বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুণ। বিশদ

02nd  May, 2020
বারবার বাসন মেজে নখকুনি?
কাপড় কেচে, ঘর মুছে
হাতে হাজা? কী করবেন?

 বাসন মাজা, ঘর মোছা, কাপড় কাচা, সব্জি কাটার কারণে হাতে বেশ কিছু ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। তার উপর এখন লকডাউন চলছে। ঘরের কাজ একটু বেশিই করতে হচ্ছে। এদিকে কাজ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার উপায় নেই। বিশদ

02nd  May, 2020
 ঘাড়, কোমর, কনুই, কবজিতে ব্যথা?
সমস্যাটা মোবাইলেই লুকিয়ে নেই তো?

 দীর্ঘ লকডাউনে বাড়িতে বন্দী ছোট থেকে বড় সকলেই। খেয়াল করে দেখেছেন কি, ইতিমধ্যেই বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বিশেষতঃ ঘাড়ে, কাঁধে, কনুই ও কবজিতে একটা ব্যথা এবং শক্তভাব টের পাচ্ছেন? আসুন জেনে নিই বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন এবং এই সমস্য দূরই বা করবেন কীভাবে। বিশদ

02nd  May, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৭ মে: বিভিন্ন হোটেলের শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করল পর্যটন মন্ত্রক। এই অনুমোদনের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে আতিথেয়তা শিল্প একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগচ্ছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: লকডাউনে কাজ হারানো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাড়ে আট হাজার মানুষকে প্রচেষ্টা প্রকল্পে মাথাপিছু ১০০০ টাকা দিল রাজ্য সরকার। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্নেহের পরশ’ এবং কাজ হারানো দুঃস্থ মানুষদের জন্য ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।   ...

সংবাদদাতা, গাজোল, রতুয়া ও পতিরাম: জামাইষষ্ঠীতে মালদহের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মাংসের দাম বাড়ল প্রায় দ্বিগুণ। দু’এক সপ্তাহ আগেও ইংলিশবাজার ও পুরাতন মালদহ শহরের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মুরগীর ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার কোনও সতর্কবার্তা এখনও জারি করেনি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক। কিন্তু, রাজ্য কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  আপনার জেলায় কতজন করোনায় আক্রান্ত, জানুন
রাজ্যে নতুন করে আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস। ...বিশদ

10:21:45 AM

আরামবাগের লন্ডভন্ড বৈদ্যুতিক খুঁটি, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শহরকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিদ্যুৎ পুরসভার কর্মীরা, বন্ধ পুরসভার পানীয় জল পরিষেবা 

09:48:00 AM

তমলুকে বজ্রবিদ্যূৎ সহ বৃষ্টি 

09:47:00 AM

সকাল থেকে বৃষ্টিতে ভিজছে শহর কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলা। হাওড়ায় তোলা নিজস্ব চিত্র

09:29:00 AM

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত ৬,৫৬৬
দেশে করোনায় মৃত্যুমিছিল চলছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু ...বিশদ

09:14:30 AM

১৭ ফুট গভীর কুয়োয় পড়ে মৃত্যু শিশুর
১৪ বছর আগের হরিায়ানার সেই প্রিন্সের স্মৃতি উসকে দিল তেলেঙ্গানা। ...বিশদ

08:52:52 AM