Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

ফুটবলেই মুক্তি খুঁজেছেন ডিয়েগো

 
গোটা বিশ্বকে কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন ফুটবলের রাজপুত্র ডিয়েগো মারাদোনা। যিনি সবুজ মাঠে বাঁ পায়ের তুলিতে আলপনা আঁকতেন। উঠে এসেছিলেন বর্ণনাতীত দারিদ্র্যকে জয় করে। তাঁর ছেলেবেলার কথায় সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়।

মারাদোনা নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে চোখ ধাঁধানো ড্রিবলিং, বাঁ পায়ের অনবদ্য জাদু আর সম্মোহিত ফুটবলের কোলাজের কথা। আর্জেন্টিনার ফুটবলার হয়েও যিনি তাঁর সহজাত প্রতিভার জোরে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছিলেন বিশ্ব ফুটবলের মুখ হিসেবে। একক দক্ষতায় দেশকে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ এনে দেওয়া মোটেই মুখের কথা নয়। সাফল্য তাঁকে এনে দিয়েছে বৈভব, ঐশ্বর্য, প্রতিপত্তি। কিন্তু, তাঁর ছেলেবেলা কেটেছে চরম দারিদ্র্য ও অত্যন্ত কষ্টের মধ্যেই। একাধিকবার নানা সাক্ষাৎকারে এবং আত্মজীবনী ‘এল ডিয়েগো’তেও অকপটেই তিনি তুলে ধরেছেন সেই অতীত সংগ্রামের কথা।
কাজের প্রতি গভীর অনুরাগ, ঐকান্তিকতা ও ভালোবাসা না থাকলে তাতে কখনওই সেরা হওয়া যায় না। সাফল্যের শিখর ছোঁয়া যায় না। মারাদোনা তা যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। স্যাঁতসেঁতে বস্তির জীবন, নিম্নবিত্ত পরিবারের চরম দারিদ্র্য, পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতাকে জয় করে কীভাবে বিশ্ব ফুটবলের একজন রোলমডেল হওয়া যায়, তার সেরা বিজ্ঞাপন বোধহয় ডিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনাই। সেই জন্যই তিনি বলেছেন, আমার পুরো জীবন যেন ঠিক সিনেমার মতো। তাঁর সংগ্রাম, উত্থান, সাফল্য— সব যেন এক ঠাসবুনোট চিত্রনাট্য। কিন্তু, এই সাফল্যের হাজার হাজার ওয়াটের আলোর ঝলকানির নেপথ্যে অনেকটা জায়গা জুড়েই রয়েছে দাঁতে দাঁত চেপে এক অদম্য লড়াইয়ের গল্প, যা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে হতে পারে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, গভীর অনুপ্রেরণা।
১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর। বুয়েনস আইরেসের উপকণ্ঠ লানুসে জন্ম। ভিয়া ফিওরিতো শহরে ঩বেড়ে ওঠা। মারাদোনা ছিলেন আট ভাইবোনের মধ্যে পঞ্চম, পরিবারে প্রথম পুত্রসন্তান। সেই সময় গরিব, বস্তিতে থাকা ছেলেদের বেঁচে থাকার অন্যতম রসদ ছিল ফুটবল। তাঁরা ফুটবল খেলতেন যেন মুক্তির আনন্দেই। ক্ষণিকের জন্য হলেও দুঃখ, দুর্দশা, অভাব-অনটনকে ভুলে থাকতে, হতাশাকে দমিয়ে রাখতে, ছেলেবেলা থেকেই মারাদোনার ধ্যান-জ্ঞান, ভালোবাসা ছিল ফুটবল। অন্যদের থেকে একটু আলাদাই। কারণ, ফুটবল যে ছিল তাঁর রক্তে। বন্ধু এল নেগরো কিংবা তুতো ভাই বেটোর সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুটবল নিয়ে মেতে থাকতেন। অনেকটা যেন সেই ‘ইট ফুটবল, ড্রিঙ্ক ফুটবল, স্লিপ ফুটবল’ স্লোগানের মতো। তিন বছর বয়সে তাঁকে বেটোই প্রথম ফুটবলটি উপহার দেয়। উপহার পেয়ে মারাদোনা এত খুশি হয়েছিলেন, সারা রাত বলটা বুকে জড়িয়ে শুয়েছিলেন। কোনওদিন তিনি উপহার পাওয়া সেই প্রথম ফুটবলটির কথা ভুলতে পারেননি। বারেবারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আমি পাগলের মতো ফুটবল খেলতে চাইতাম।’ ভাইয়ের দেওয়া এই উপহার তাঁকে ইচ্ছাপূরণের স্বাদ এনে দিয়েছিল। স্কুল থাকলে বিকেল থেকে ফুটবল খেলতে খেলতে সন্ধ্যা গড়িয়ে যেত। রাতের অন্ধকারেও তিনকাঠির মধ্যে বল রাখার জন্য ক্রমাগত শট নিয়ে যেতেন। শনি-রবিবার বা ছুটির দিনে ফুটবল নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়ে যেত দুপুর থেকেই। ক্লান্ত হয়ে পড়লে মাঠের পাশের বাড়ি থেকে একটু জল চেয়ে খেতেন। তারপর ফের শুরু হতো বল নিয়ে অনুশীলন। চরম দারিদ্র্যে ফুটবলই যে ছিল তাঁর কাছে পরম বন্ধু। মারাদোনা বলতেন, ফুটবল খেলার মাধ্যমে আমি যেন শান্তি খুঁজে পেতাম। 
সকাল হলেই বাবা কারখানায় কাজ করতে চলে যেতেন। শরীরে না কুলোলেও এত বড় সংসার টানার জন্য তাঁকে কাজে বেরতেই হতো। বল নিয়ে মেতে থাকলেও বাবার সেই কষ্ট কিন্তু মারাদোনার নজর এড়ায়নি। মাল বইতে গিয়ে বাবার পিঠে খুব ব্যথা হতো। রাতে মা বাবার পিঠে ও ঘাড়ে বরফ ঘষে দিতেন। ভাইবোনেরা অবাক চোখে তা দেখতেন। আসলে পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল অত্যন্ত নিবিড়। পরিবারের অভাব যেন ফুটবলের প্রতি তাঁর জেদ, ভালোবাসা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। স্বপ্নের শিখর ছুঁয়েও সেই সব দিনের কথা তাই তিনি ভুলতে পারেননি। মনের মধ্যে গেঁথে রেখেছিলেন, পরিবারের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়ার কথা। টেবিলের ডানদিকে বসতেন বাবা ও মা। আর বাঁ-দিকে ভাইবোনেরা। এই টেবিলই যে ছিল রান্না, খাওয়া, স্কুলের হোমওয়ার্ক করার জায়গা। বৃষ্টি হলে ঘরের চালের একাধিক ফুটো দিয়ে অঝোর ধারায় জল পড়ত। মজা করে বলতেন, সেই জলের ধারা থেকে মাথা বাঁচাতে রীতিমতো ড্রিবল করতে হতো। পেশাদার  ফুটবলার জীবনে তাঁর সেই ড্রিবলই সম্মোহিত করে রেখেছিল গোটা ফুটবল বিশ্বকে। শুধু তাই নয়, বাড়ির জন্য জল আনার মাধ্যমেই চলত তাঁর ওয়েট ট্রেনিং পর্ব। জল আনার জন্য বাড়িতে কয়েকটি ২০ লিটারের তেলের ক্যান ছিল। রাস্তার একটি মাত্র কল থেকে সেই ক্যানে করে জল টেনে আনতে হতো। রান্না, খাওয়া, মুখ ধোওয়া, স্নান করা— সবই  চলত সেই জলেই। ভারী ওজন তোলার প্রাথমিক অনুশীলন শুরু সেখান থেকেই। হাজার কষ্টের মধ্যেও একবার ছেলের জন্য বাবা একজোড়া জুতো এনে দিয়েছিলেন। সারাদিন  ফুটবল খেলে ডিয়েগো একদিনেই সেই জুতো জোড়া ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। তার জন্য বাবার কাছে মার খেতে হয়েছিল। জুতো ছেঁড়ার সেই আক্ষেপ, বাবার সেদিনের শাসন জীবন সায়াহ্নে এসেও একটিবারের জন্য ভোলেননি তিনি। টাকা রোজগারের তাগিদে বাবা ব্যস্ত থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেতেন না। ছেলেবেলার এই চাপা দুঃখ তাঁকে আজীবন তাড়িয়ে বেরিয়েছে। তাই তারকা জীবনের ব্যস্ততার ফাঁকেও সন্তান ও পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত সময় বের করে নিতেন মারাদোনা। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন, টেলিফোনে মায়ের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলতেন। 
আর্থিক অনটনের জন্য ছেলেবেলায় কোনওদিন ঘটা করে তাঁর জন্মদিন পালন হয়নি। উপহার বলতে ছিল আত্মীয়, বন্ধু, পরিবারের আদর। কিন্তু, স্নেহের চুম্বনই ছিল মারাদোনার শৈশবের পরম প্রাপ্তি, যা কোনও মূল্য দিয়ে চোকানো যায় না। অর্থের অভাবে একটুকরো পিৎজা কিনে কয়েকজন বন্ধু মিলে ভাগ করে খেতেন। এ সবই যেন তাঁর প্রতিষ্ঠিত ফুটবলার হওয়ার, অর্থ উপার্জনের তাগিদ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
একদিকে চরম দারিদ্র্য,অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সমাজবিরোধীদের দাপট— এরই মাঝে প্রতিদিন নিষ্ঠার সঙ্গে ফুটবল প্রতিভায় শান দিয়ে গিয়েছিলেন মারাদোনা। আর্জেন্তিনোস জুনিয়র্সের সঙ্গে প্রথম চুক্তির পরই বুঝেছিলেন, এতদিন অন্ধকারের মধ্যেও ফুটবল অনুশীলন কতটা কার্যকরী হয়েছে। মারাদোনার ঐশ্বরিক ফুটবল প্রতিভা প্রথম নজরে পড়ে কোচ ফ্রান্সিসকো কোরনেয়োর। তিনি পরে বলেছিলেন, ডিয়েগো প্রথম যখন আর্জেন্তিনোস জুনিয়র্সের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এসেছিল, ছেলেটির সহজাত প্রতিভা দেখে খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। মাত্র আট বছর বয়সে কেউ যে এরকম   প্রতিভার অধিকারী হতে পারে, তা যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না। একেবারে বড়দের মতো ফুটবল খেলছিল। বয়স ঠিকঠাক বলছে কি না, তা দেখার জন্য ডিয়েগোর কাছে পরিচয়পত্র চেয়েছিলাম। কিন্তু, ওর কাছে সেটা ছিল না। পরে যখন জানতে পারলাম ডিয়েগো বয়স নিয়ে ঠিক কথাই বলেছে, তখনই মনস্থির করেছিলাম, এই  ছেলেটির প্রতি বাড়তি মনোনিবেশ করতে হবে। কোচের আস্থাভাজন হতে পারায় ছোট্ট মারাদোনাও যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন। পরে বহুবার বলেছেন, প্রথম উপার্জনের টাকায় একজোড়া ট্রাউজার্স কেনার কথা। নিজের জন্য সেটাই ছিল তাঁর প্রথম উপহার।
’৮৬-র মেক্সিকো বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল, তার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্রিটিশ ডিফেন্সকে শরীরের দোলায় ফালাফালা করে সেই অবিশ্বাস্য গোল থেকে শুরু করে পেলের সঙ্গে তুলনা— মারাদোনাকে নিয়ে আলোচনা কখনওই থামার নয়। কিন্তু, সাড়ে পাঁচ ফুট উচ্চতার এই ফুটবল প্রতিভার সাফল্যের এভারেস্টে ওঠার পিছনে, বিশ্ব ফুটবলের নায়ক হয়ে ওঠার নেপথ্যে রয়েছে ছেলেবেলায় চরম দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে এক অসম লড়াইয়ের কাহিনী। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় না থাকলে, ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা না থাকলে এই লড়াইয়ে হয়তো সফল হওয়া যেত না। একদিন মুক্তির আনন্দেই ফুটবলকে আঁকড়ে ধরেছিলেন। পরে সেই ফুটবলের মধ্যেই তিনি অমর হয়ে রইলেন। 
ছবি: সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে
13th  December, 2020
গল্পকার বিবেকানন্দ

স্বামী বিবেকানন্দকে ছোট গল্পকার হিসেবে চেনা হয়নি কখনও। তাঁর বাণী ও রচনায় নানাভাবে তাঁকে চিনেছি বারবার। জেনেছি, স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন মানুষের সেবাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম। বিশদ

10th  January, 2021
সিলেবাসের ক্ষেত্রফল কমলে, প্রশ্নের গভীরতা বাড়ে

পরামর্শে বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষক অরণ্যজিৎ সামন্ত। বিশদ

10th  January, 2021
বাড়তি সময়কে কাজে লাগাও

পরামর্শে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের  (উচ্চ মাধ্যমিক) ইংরেজির শিক্ষক সমাগত মুখোপাধ্যায়। বিশদ

10th  January, 2021
সময় বেঁধে উত্তর লেখা অভ্যাস করো

পরামর্শে হুগলি ব্রাঞ্চ গভর্নমেন্ট স্কুলের ভূগোলের শিক্ষক ভাস্কর মৈত্র। বিশদ

10th  January, 2021
স্বামী বিবেকানন্দের ছেলেবেলা

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার স্বামী বিবেকানন্দ। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। বিশদ

10th  January, 2021
নিউ নর্মালে মাধ্যমিক,  প্রস্তুতি কীভাবে

এবার এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যে হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রী থেকে শিক্ষক কেউই এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন কখনও হননি। প্রায় গোটা বছরটাই স্কুল বন্ধ ছিল, হয়নি টেস্ট পরীক্ষা। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে তৈরি হবে পরীক্ষার জন্য! জানিয়েছে তোমাদের বন্ধুরা। সঙ্গে রয়েছে শিক্ষকদের পরামর্শ।  বিশদ

10th  January, 2021
সত্যজিৎ রায়ের 
ছোটদের ছবি

বিশ্ববন্দিত পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ উদযাপন চলছে। ছোটদের জন্যও তিনি কয়েকটি ছবি তৈরি করেছিলেন। সেই ছবিগুলোর কথায় ড. শঙ্কর ঘোষ। বিশদ

03rd  January, 2021
রিঙ্কুর চিড়িয়াখানা ভ্রমণ
মনসুর আলি গাজি

অনেকদিন থেকেই রিঙ্কু ওর বাবা-মার কাছে বায়না ধরেছে ওকে চিড়িয়াখানা দেখাতে নিয়ে যেতে হবে। ওর বাবা একটা বইয়ের দোকানে কাজ করেন। সেবার একটা গল্পের বই ওর বাবা ওকে দোকান থেকে কিনে এনে দিয়েছিলেন। বইয়ের দোকানে কাজ করলে কী হবে, একটা বই এমনি এমনি নেওয়া যাবে না। দাম দিয়ে কিনতে হবে। মালিক বড় কড়া।  বিশদ

20th  December, 2020
ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস-এর ভার্চুয়াল শিবির 

আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই। সম্প্রতি ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখা তাদের ‘কাব’ বিভাগের ছেলেদের নিয়ে একটি বিশেষ ভার্চুয়াল শিবিরের আয়োজন করেছিল। বিশদ

20th  December, 2020
ছোটদের রান্নাঘর

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি এইসময় কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘরে শুধু তোমাদের জন্যই দুটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন ৩৭ রেলিশ রুট রেস্তরাঁর কর্ণধার ও শেফ জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। এগুলি আগুনের সাহায্য ছাড়াই তৈরি করা যাবে। তোমরাই করে চমকে দাও বড়দের। বিশদ

20th  December, 2020
ভালোবাসি পশুপাখি

পশুপাখির প্রতি মানুষ যে কখনও নিষ্ঠুর হয়, কখনও বা দয়ালু তা-ই দেখা গিয়েছে পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ‘ভালোবাসি পশুপাখি’ বইটির ‘খুনি’ গল্পে। এই গল্পে একদিকে কয়েকজন হৃদয়হীন মানুষ দূর দূরান্ত থেকে উড়ে আসা বগেরি পাখিদের জাল ফেলে ধরছে, অন্যদিকে আবার ছোট দুটি ছেলে, সুবল ও পরিমল এই বগেরি পাখিদেরই বাঁচাতে নিজেদের জীবন বিপন্ন করছে। বিশদ

13th  December, 2020
মারাদোনা খেলছেন ময়দানে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

মাঠ তিনি কাঁপাতেন, নায়কের শিরোপা,
আশপাশে যারা ছিল, একশোতে জিরো পায়! বিশদ

13th  December, 2020
বিস্ময়কর কিছু প্রাণী

মানুষ ও বিভিন্ন প্রকার প্রাণী চারিত্রিক দিক থেকে আলাদা হলেও অনেক সময় প্রতিকূল পরিস্থিতি উভয়কে এক জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেয়। সোনি বিবিসি আর্থ-এর শো ‘লাইফ স্টোরি’তে আমরা এমন কিছু প্রাণীদের সম্পর্কে জানব, যা তোমাদের অবাক করবে। বিশদ

06th  December, 2020
রাজা আর এক
জঙ্গলের গল্প
শ্যামল চক্রবর্তী

ছুটিপুরের মহারাজ দেবদত্ত এসেছেন তাঁর সংরক্ষিত অরণ্য রতনপুরের জঙ্গলে। অরণ্যের গভীরে লতাপাতায় ঘেরা সুন্দর একটি বনকুঠি আছে রাজামশায়ের। আশপাশে হুকুমপুর, সিংহিপুর, দখলপুর, মাধবপুরের রাজাদের জঙ্গলে নিয়মিত বাঘ, হরিণ, বুনোশুয়োর ও অন্য বন্যজন্তু শিকার করেন ওইসব রাজার অতিথিরা। বিশদ

06th  December, 2020
একনজরে
কেবল মোদি সরকারের বিতর্কিত কৃষি আইনই নয়, রাজ্যের সম্পর্কযুক্ত একাধিক জনস্বার্থবাহী ইস্যুতে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে আলোচনা চাইছে বাম ও কংগ্রেস। ...

প্ল্যান ছিল স্কুলের পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে নস্টালজিয়ায় ফিরে যাওয়ার। সেইমতোই মিনিবাসে করে গোয়া যাচ্ছিলেন কর্ণাটকের দেবানগিরির বেশ কয়েকজন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিও পোস্ট করেছিলেন বন্ধুরা। ক্যাপশন — স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে ‘গো গোয়া’। ...

প্রতিশ্রুতি মতো নবদ্বীপ মিউনিসিপ্যাল স্পোর্টস অ্যাকাডেমির নয় মহিলা ফুটবলার পেলেন সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি। শুক্রবার থেকে কৃষ্ণনগর পুলিস লাইনে শুরু হল তাঁদের চাকরির প্রশিক্ষণ। ...

করোনা ভাইরাস ত্রাণ তহবিলে ১ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ করলেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত বছর টানা লকডাউনের জেরে বহু মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পিতার স্বাস্থ্যহানি হতে পারে। আর্থিক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব হবে না। পঠন-পাঠনে পরিশ্রমী হলে সফলতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৬১: ফরাসিদের কাছ থেকে পণ্ডিচেরির দখল নিল ব্রিটিশরা
১৭৬৮ - কলকাতায় প্রথম ঘৌড়া দৌড় শুরু হয়।
১৯০১ - ভাষাতাত্ত্বিকও সাহিত্য বিশারদ সুকুমার সেনের জন্ম
১৯১০ - বিপ্লবী রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের জন্ম
১৯২২ - কুমিল্লায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তার হন।
১৯২৪ -  বিশিষ্ট বাঙালি আইনজ্ঞ রাজা প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু 
১৯৩৮: কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪০ - অভিনেতা চিন্ময় রায়ের জন্ম
১৯৪১ - সুভাষচন্দ্র বসুর মহানিষ্ক্রমণ।
১৯৪৬: অভিনেতা কবির বেদির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৬ টাকা ৭৩.৯৭ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৩১ টাকা ১০১.৭৫ টাকা
ইউরো ৮৭.২৫ টাকা ৯০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, তৃতীয়া ৩/২৮ দিবা ৭/৪৬। শতভিষা নক্ষত্র ৫৯/২৫ শেষ রাত্রি ৬/৯। সূর্যোদয় ৬/২৩/৮, সূর্যাস্ত ৫/৯/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৪৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৬ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১২/১১ গতে ১/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৭ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
২ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, তৃতীয়া দিবা ৮/৫৫। ধনিষ্ঠা নক্ষত্র প্রাতঃ ৬/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/৯। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৭ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/২৬ গতে ২/০ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬ মধ্যে ও ১/৮ গতে ২/২৮ মধ্যে ও ৩/৪৯ গতে ৫/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪৯ মধ্যে ও ৪/৪৬ গতে ৬/২৬ মধ্যে। 
২ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইন্ডিয়ান পার্সোনালিটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার পাচ্ছেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ
ইন্ডিয়ান পার্সোনালিটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার পাচ্ছেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়।  ...বিশদ

09:07:32 PM

আইএসএল: মুম্বই :০ হায়দরাবাদ: ০ (প্রথমার্ধ)

08:29:29 PM

রাজ্যে টিকা নেওয়ার পর এখনও পর্যন্ত অসুস্থ হয়েছেন চারজন
করোনা টিকা নেওয়ার পর এখনও পর্যন্ত রাজ্যের চারজনের অসুস্থ হওয়ার ...বিশদ

07:22:06 PM

রাজ্যে আজ কতজন পেলেন করোনার টিকা
রাজ্যের ১৫৬০০ জন স্বাস্থকর্মী টিকা পেয়েছেন। এখনও  পর্যন্ত পাওয়া খবর ...বিশদ

07:19:53 PM

প্রথমদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৯৭% স্বাস্থ্য কর্মী টিকা নিলেন

06:59:00 PM

বাংলায় দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত করোনার টিকা নিয়েছেন ৯ হাজার ৩০০ জন
কোউইন সার্ভার বিপর্যয়ের আজ দেশজুড়ে কতজন করোনার টিকা নিলেন তার ...বিশদ

06:23:00 PM