Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

হুলো ও স্কুটি
জয়ন্ত দে

হুলোর কোনওদিন মন খারাপ হয় না। ভালোই থাকে। হাসিতে, খুশিতে থাকে। কিন্তু ইদানীং মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চারদিকে এই অনাচার, অত্যাচার দেখে দেখে সে খুবই বিষণ্ণ হয়ে পড়ছে। হয়তো এমন হতে পারে, এটা তার বয়েসের রোগ! বয়স যত বাড়ছে, মন মেজাজ তত খারাপ হচ্ছে।
ওই ভর দুপুরবেলায় হুলো একটু ঘোরাফেরা করছিল। প্রফেসরদিদা মাছ দিয়ে চাড্ডি ভাত মেখে ওকে ডাকল। বলল, ‘নে, খেয়ে নে।’
হুলো নেমে আসছিল তরতর করে। প্রফেসরদিদা কখন ডাকে ভেবে, এতক্ষণ তো সে এদিকেই তাকিয়ে বসেছিল। কিন্তু নেমে আসার সময়ই শুনল, ঘন্টের সেই বিধ্বংসী চিৎকার: হুলো গাল ফুলো/ হুলো রাঙা মুলো।
হুলো থমকে গিয়ে ঘন্টের দিকে তাকাল। বলল, ম্যাও! দুকুরবেলা, যা শোগে যা!
হুলোর ম্যাও শুনে ঘন্টে আরও উৎসাহী হল। তারস্বরে চিৎকার করে উঠল: হুলো রাঙা মুলো/ হুলো কান কুলো।
হুলো বিরক্তির গলায় বলল, মিঁয়াও! আর চিল্লাস না, গলার তার কেটে যাবে!
হুলো চলে এল প্রফেসরদিদার খাবারের থালার পাশে।
খেতে খেতে সে ভাবছিল ঘন্টেকে কেউ কোনওদিন থামাল না। বকল না। ওকে শেখাল না— বাঘের সঙ্গে বেড়ালের কী সম্পর্ক আছে। হুলো যদি বিড়াল না হতো, তবে সে বাঘ হতো। তাকে দেখার জন্য তোরা সব্বাই সুন্দরবন যেতিস। গিয়েও বাঘ দেখতে না পেয়ে মনখারাপ করে বাড়ি ফিরতিস। আর এখানে হুলোকে এমন করে ইনসাল্ট করছিস? একবার ভালো করে দেখ। তুই হুলোকে গাল ফুলো, রাঙা মুলো করছিস, তুই তো মটু জালা।
খাওয়া শেষ করে হুলো ঠোঁটটা ভালো করে জিব দিয়ে চাটল। ঘাউ করে একটা ঢেঁকুর তুলল। এবার একটু জল খেলে শান্তি। আসলে দুধ খেলে ভালো হতো, কিন্তু দুধ আর পাবে কোথায়! জলই সই!
নীচে নেমে গ্যারাজে ছায়ায়, গাড়ির আড়ালে একটু নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নেবে ভেবেছিল। কিন্তু নীচে আসতেই একটা অদ্ভুত শব্দ কানে এল। ঘ্যাস ঘ্যাস করে কেউ যেন কিছু ছিঁড়ছে। পা টিপে টিপে এল হুলো। হ্যাঁ, যা সন্দেহ করেছে ঠিক তাই। গ্যারাজে রক্ষিতবাবুর বউয়ের স্কুটির সিটে নখ ঘষছে মেনি।
হুলো এসে তার সামনে দাঁড়াল, বলল, ‘কী ব্যাপার রে, ওখানে নখ ঘষছিস কেন?’
হুলোর দিকে না তাকিয়ে মেনি বলল, ‘নখে ধার দিচ্ছি!’
‘ছো! ধরিস তো নেংটি—সেই নখের আবার ধার?’
‘তাহলে বলি, আমার নখকুনি হয়েছে!’ মেনি বাঁকা গলায় বলল।
হুলো মেনির দিকে তাকিয়েছিল, এবার সে চোখ বড় করে তাকাল। বলল, ‘মতলবটা কী তোর?’
কিন্তু মেনি সেদিকে ফিরেও তাকাল না। বরং দ্বিগুণ আক্রোশে স্কুটির সিটে নখ টানতে লাগল। হুলো ঘাড় তুলে দেখল, স্কুটির সিটটা মেনির নখের আঁচড়ে জেব্রামার্কা হয়ে গেছে।
হুলো বুঝল, কোনও কারণে ছিঁচকাঁদুনে মেনির গোঁসা হয়েছে। আর গোঁসা থেকেই স্কুটির সিটের দফারফা করছে।
হুলো বলল, ‘কী হয়েছে কিলিয়ার করে বল?’
‘কিছু না, কী আবার হবে? আমরা বেড়াল, আমরা নোংরা, আমরা আদাড়েবাদাড়ে ঘুরি, সুযোগ পেলেই চুরি করি। চোরচোট্টাই আমাদের স্বভাব, আমাদের আবার কী হবে?’
মেনির কথা শুনে হুলোর মুখ ভারী হল। ‘কিছু একটা হয়েছে তো বুঝেছি। কিন্তু কী হয়েছে সেটা বল!’
মেনি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর গলার কান্না গলায় চেপে বলল, ‘তুমি তো জানো, সাদাবাড়ির পুচকে মেয়ে অ্যাঞ্জেলের সঙ্গে আমি মাঝেমাঝেই গিয়ে খেলি। কোনওদিন ওর অনিষ্ট করেছি? না, কোনওদিন ওর দুধ বিস্কুট চুরি করেছি? অ্যাঞ্জেল যা দেয় তাই খাই। আজ একটু আগে অ্যাঞ্জেলের সঙ্গে জানলায় দাঁড়িয়ে খেলছিলাম। তাই দেখে রক্ষিতবাবুর বউ কত কথাই না বলল—।’
হুলো বলল, ‘ও এই কথা— তা ভুল কিছু তো বলেনি। আমাদের ধর্মের কথাই বলেছে। ঠিকই আছে। এতে এত রাগ করার কিছু নেই।’
হুলোর কথা শুনে তিড়িং করে লাফিয়ে উঠল মেনি। ‘আমরা বেড়াল হয়ে কী পাপ করে ফেলেছি গো, যে আমাদের পিটিয়ে মারতে হবে? কী বলছে জানো— মা ষষ্ঠীর বাহন না হলে মানুষে নাকি আমাদের নিকেশ করে দিত!’
হুলো ‘হ্যাঁ’ ‘না’ উত্তর করল না।
মেনি আবার ব্যস্ত হল স্কুটির সিটে নখের আঁচড় দিতে। হুলো বলল, ‘অনেক রাগ দেখিয়েছিস। এবার থাম। আর ক্ষতি করিস না। কেউ কেউ খারাপ বললেও, কেউ কেউ তো ভালো বলে। ডেকে খেতে দেয়।’
মেনি হুলোর কথা শুনেও গ্যাঁট হয়ে স্কুটির সিটে বসে থাকে। হুলো বলে, ‘খবরদার, এমন কাজ আর কোনওদিন করবি না। তাহলে কিন্তু তোকে পাড়া ছাড়া করব। এ অন্যায় আমি সহ্য করব না।’
মেনি মাথা নিচু করে সিট থেকে নেমে আসে। হুলো বলল, ‘যা পালা। তোকে দেখলে সবাই ভাববে তুই করেছিস। তুই আর ভালোবেসে খাবার পাবি না। বরং আমি এখানে কিছুক্ষণ থাকি। তাতে আমার নামে দোষ পড়বে—তুই বেঁচে যাবি।’
কথাটা শুনে মেনি এক ছুটে পগার পার। আর হুলো চড়ে বসে রক্ষিতবউদির স্কুটিতে। এখন এ-বাড়ির দু একজন তাকে স্কুটিতে চেপে বসে থাকতে দেখলেই তার কাজ শেষ। মেনিটা বড্ড বোকা। রাগের মাথায় কী ক্ষতিটাই না করল।
এমন সময় সিঁড়ি দিয়ে নেমে এল রাহুল আর পাপুন। রাহুল বলল, ‘দেখ, দেখ হুলোটা স্কুটি চড়ছে!’
পাপুন বলল, ‘এই হুলো স্টার্ট দে।’
হুলো সিটের ওপর চার পায়ে দাঁড়িয়ে টান টান লম্বা হল। তারপর বিশাল একটা হাই তুলে হাসল। বলল, ব্যস! নিশ্চিন্তি! আমাকে দেখেছে যখন কাজ হয়েছে। সিট ছেঁড়ার দায় এখন আমার ওপরই পড়বে। যাক, মেনিটা বাঁচল।’
হুলো হেলেদুলে রাজকীয় ভঙ্গিতে গ্যারাজ থেকে নেমে জলের ট্যাঙ্কের দিকে চলল।

বিকেলবেলায় শুরু হল হইচই। রক্ষিতের বউ চিৎকার করে সারা পাড়া মাথায় তুলল— হায় হায়! আমার এ সর্বনাশ কে করল? সারা সিটটা ছিঁড়ে ফালাফালা করেছে!
এ-ফ্ল্যাট, ও-ফ্ল্যাট থেকে দলে দলে বউরা এসে গ্যারাজে জমা হল। দু একজন পুরুষমানুষ ঠোঁট টিপে গোঁফ ঝুলিয়ে এল। দু একজন এল দাড়ি চুলকাতে চুলকাতে।
—না, না, এটা ঠিক নয়। একসঙ্গে থাকলে কারও সঙ্গে ঝগড়া মনোমালিন্য হতেই পারে। তাবলে এমনভাবে কেউ কারও ক্ষতি করবে?
—আপনি মিটিং ডাকুন। সবাই আসুক।
সবাইকে আসতে হল না, তার আগেই ফোর-বি ফ্ল্যাটের রাহুল বলল, ‘ও অ্যান্টি ওই হুলোকে আমি আজ দুপুরেই দেখেছি তোমার স্কুটির ওপর। এক্সারসাইজ করছিল। আমি আর পাপুন ছিলাম। তুমি পাপুনকে ডেকে জিগ্যেস করো। আমিই ওকে তাড়ালাম।’
কেয়ারটেকার নন্দ বলল, ‘না, না, হুলো এমন কাজ করতেই পারে না। নির্ঘাত ওটা অন্য বেড়াল!’
ওর কথা আরও দু একজন সায় দিল। হুলো না। হুলো এমন কাজ করবে না।
রাহুল বলল, ‘পাপুনকে জিগ্যেস করো।’
—পাপুন কোথায়? কোথায় পাপুন?
পাপুন কোচিং-এ গেছে। পাপুনের মা রাহুলের কথা সত্যতা জানতে তক্ষুনি ফোন করল তাকে। আর তারপরেই ঘোষণা করল, ‘হ্যাঁ ওরা দুজন মিলে হুলোকে তাড়িয়েছে। হুলো নাকি এত রেগে ছিল, পারলে স্কুটিটাকে চিবিয়েই খেয়ে ফেলত।’
এবার সবাই স্কুটি সিট ছেড়ে হুলোকে নিয়ে পড়ল। কী হল হুলোর? হুলো তো খেপে না? তবে কি পাগল হয়ে গেল? পাগল বেড়াল পাগলা কুকুরের থেকেও ডেঞ্জারাস!
ফ্ল্যাটের সেক্রেটারি কেয়ারটেকারকে ডেকে হুকুম করল। — হাতের সামনে একটা লাঠি রাখবে নন্দ। হুলোকে দেখলেই তাড়াবে। ত্রিসীমানায় যেন ওকে আর না দেখি।
এরপর যার যার বাইক, স্কুটার এবং স্কুটি আছে সবাই ভাবতে শুরু করল কে কীভাবে তাদের সিটগুলো রক্ষা করবে।
কেউ বলল, আজই সিটের ওপর বাইক ঢাকার কভার কিনে আনব।
কেউ বলল, সিটে একটা তোয়ালে মুড়ে রাখব।
একজন বলল, আমি অফিস থেকে দু গজ কাঁটাতার আনব কাল। সিটের ওপর জাস্ট ফেলে রাখব। বাছাধন এলে টের পাবে!
শুধু রক্ষিতের বউ তার সাধের স্কুটির সিটের ওপর টানা হাত বুলিয়ে চলল। —আহা রে, হুলো যখন নখ দিয়ে তোকে আঁচড়াচ্ছিল তোর কত কষ্ট হয়েছিল!
সত্যিই তো স্কুটি বলে কি তার প্রাণ নেই, না মানুষ না!
দুই
টানা দুদিন হুলোকে উপোস দিতে হল। এ ফ্ল্যাটবাড়ির কেয়ারটেকার নন্দ সারাদিন লম্বা একটা লাঠি হাতে তাকে তাড়িয়েই বেড়াচ্ছে। হুলো যেন কোথাও তিষ্ঠতে পারছে না। নন্দ জানে, হুলো কখন কোথায় থাকে। নন্দ লাঠি নিয়ে এলেই হুলো গরররর গরররর করতে করতে চলে যাচ্ছে। না, নন্দ লাঠি দেখিয়েছে, কিন্তু লাঠিচার্জ করেনি।
হুলো বোঝে, নন্দ ওর চাকরি রক্ষা করার জন্য তাকে তাড়াচ্ছে। চাকরি বড় দায়! নইলে নন্দ মানুষটা খারাপ নয়। তার সঙ্গে কত কথা বলে। আসলে সেক্রেটারি যে নন্দকে হুমকি দিয়ে গেছে, হুলোকে ত্রিসীমানায় ঢুকতে দিবি না। ঢুকলে তোর চাকরি নট!
প্রফেসরদিদা আজ আর ভাত মেখে তাকে ডাকেনি। হয়তো নন্দই ওঁকে বারণ করেছে। উপোস করাটা হুলোর কাছে কোনও ব্যাপার নয়। কিন্তু নন্দর লাঠি হাতে তেড়ে আসাটা বড়ই মানসম্মানের ব্যাপার। এতদিন এ পাড়ায় থেকে শেষে তার এটাই পাওনা হল?
পরেরদিন বিকেলের দিকে মেনি এল। বলল, হুলোদা সরি! ব্যাপারটা এমন হবে আমি ঠিক বুঝতে পারিনি।’
হুলো বলল, ‘জ্বালাতন করিসনে, যা!’
মেনি বলল, ‘যাব কি, আমি যে রেস্ট নিতে এলাম। আমি তো এখন ডবল খাচ্ছি, তোমার খাবার আমার খাবার— দুটোই। থাঙ্কু হুলোদা। ভ্যাগিস আমার নামটা পড়েনি, তাহলে আমাকেও উপোস দিতে হত।’
গম্ভীর স্বরে হুলো বলল, ‘গেট আউট!’
মেনি গেট আউট হল না। তার আগেই ঘন্টে চিৎকার করে উঠল। হুলো গাল ফুলো/ হুলো রাঙা মুলো/ হুলো কান কুলো…!
হুলো রাগ রাগ চোখে ঘন্টের দিকে তাকাল। সত্যিই ওর খুব রাগ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, যাই গিয়ে তোর বাপের বাইকের সিটের দফা রফা করে দিয়ে আসি। কথাটা ভেবেই সে নিজেকে সামলে নিল। না, এটা ঠিক নয়। একটা বাচ্চার কথা শুনে সে অনিষ্ট করবে। না, তার বিবেকে বাধে।
কিন্তু হুলোর মনের কথা যেন মেনি জেনে গেল। বলল, ‘কী হুলোদা কী ভাবছ? ভাবছ, সাহাবাড়ির বাইকের সিটটা ফরদাফাঁই করে আসবে, তাই তো? তবে বলি কি শোনো— ওদিকে একদম যেও না। মুশকিলে পড়ে যাবে। আজ দেখছিলাম, সাহাবাবুর মা ঘন্টের বাপকে দিয়ে বাইকের সিটের খাঁজে খাঁজে লঙ্কাগুঁড়ো দিচ্ছিল। বুড়ি হাসতে হাতে বলছিল, হুলোটা একবার এদিকে আসুক না, টেরটি পাবে।
হুলো বলল, ‘কী হবে?’
‘চোখ জ্বলবে। নাক জ্বলবে। জিভ জ্বলবে। লঙ্কার গুঁড়ো বলে কথা। তুমি পালিয়ে পথ পাবে না হুলোদা। খবরদার যেও না।’
হুলো বলল, ‘ঠিক কথা। কিন্তু আমার সঙ্গে যত শত্রুতাই থাক আমি কারও বাইকের সিট ছিঁড়ব না। ওসব তোর মতো অসভ্য মেয়েরা করে।’
কথাটা শুনে মেনি রা কাড়ল না। খাওয়াটা বড্ড বেশি হয়েছে। সে হাই তুলে শুয়ে পড়ল।
হুলো আজ সাহাবাড়ির রান্নাঘরে দু একবার উঁকি ঝুঁকি মেরেছে, কিন্তু ভালো মন্দের তেমন সন্ধান পায়নি। সে ইচ্ছে করলে ডাস্টবিনের দিকে যেতে পারত। কিন্তু সে ডাস্টবিন থেকে খায় না। ফলে আজও তাকে উপোস দিতে হল।
পরের দিন ভোরে সে সাহাবাড়ির নীচে গেল। গ্যারাজে। বাইকের কাছে যেতেই লঙ্কার ঝাঁজ এল নাকে। মেনি ঠিক খবরই দিয়েছে। হুলোর হাসি পেল, এই বোকা মানুষের কীর্তি দেখে। বিড়ালের ধর্ম চুরি করা, তাই সে চুরি করে। সাহাবাড়ির সঙ্গে তার আজীবন লড়াই থাকলেও পিছন থেকে এমন লড়াই সে করবে না। সে গ্যারাজ থেকে চলে আসছিল। হঠাৎ তার একটা দুষ্টুবুদ্ধি মাথায় এল। গ্যারাজের একপাশে একটা জলের বোতল আছে। তাতে অল্প জল আছে। হুলো মুখ দিয়ে বোতলের ছিপি খুলল। তারপর বোতলটা কামড়ে উঠে এল বাইকের সিটে। অল্প কিছুটা জল সিটের চারধারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিল। আর তখনই শুনল গ্যারাজ খোলার শব্দ। সে দ্রুত লুকিয়ে পড়ল। ঘন্টে আর তার বাপ এসে দাঁড়াল গ্যারা঩জে। ঘন্টের সাদা জামা সাদা প্যান্ট, ইস্কুলে চলেছে। সাতসকালে ইস্কুলে যাওয়ার সময় ঘন্টের মুখটা একবার দেখতে হয়। ঘুমে আর আলিস্যিতে জড়িয়ে চাউমিন। ঘন্টে রাতদুকুর পর্যন্ত কোন ডাকাত মারে কে জানে?
ওরা চলে যেতেই হুলো এসে উঠল জলট্যাঙ্কের ওপর। এবার অপেক্ষা!
না, বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হল না। আধঘণ্টা পরেই ঘন্টের বাপ বাইক নিয়ে ফিরে এল। সঙ্গে ঘন্টে।
হুলো দেখল, হ্যাঁ ঘন্টের সাদা প্যান্ট লালে নকশা আর ডিজাইনহয়ে আছে। এক্কেবারে ভেজিটেবল প্রিন্ট! এমন প্যান্ট নিয়ে কেউ স্কুল করে! তারপরেই সারাবাড়িতে বোম ফাটল!
ঘন্টে এখন হঠাৎ পাওয়া ছুটিতে খুব খুশি। ছাদে উঠেছে ঘুড়ি আর লাটাই নিয়ে। হুলো মিয়াঁও করে বলল, ও কিরে ঘন্টে, আমাকে একটা থ্যাঙ্কু দে! 
29th  September, 2019
গোলাপি বিপ্লবের সন্ধিক্ষণে ইডেন

ছোট্টবন্ধুরা! তোমরা যারা ক্রিকেট খেলা দেখতে ভালোবাসো, বা যারা ক্রিকেটের খোঁজখবর একটু আধটু রাখো, তারা নিশ্চয়ই ইডেনে দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ হওয়ার খবর জানো। ভারত তাদের প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচটি খেলতে নামছে ২২ নভেম্বর, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। 
বিশদ

17th  November, 2019
অরণ্যে অ্যাডভেঞ্চার

গা ছমছমে গহিন অরণ্য। দূর থেকে শোনা যাচ্ছে জলপ্রপাতের গর্জন। পথে বন্য পশুর ভয়। কোথাও ভয়ঙ্কর নদী পেরতে হবে। এমনই কয়েকটি অরণ্যের কথা তোমাদের শুনিয়েছেন সায়ন নস্কর। 
বিশদ

17th  November, 2019
ছোটদের রান্নাঘর 

তোমাদের জন্য চলছে একটি আকর্ষণীয় বিভাগ ছোটদের রান্নাঘর। এই বিভাগ পড়ে তোমরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলতে পারবে লোভনীয় খাবারদাবার। বাবা-মাকেও চিন্তায় পড়তে হবে না। কারণ আগুনের সাহায্য ছাড়া তৈরি করা যায় এমন রেসিপিই থাকবে তোমাদের জন্য। এবার সেরকমই দুটি জিভে জল আনা রেসিপি দিয়েছেন দ্য পার্কিং লট রেস্তোরাঁর এক্সিকিউটিভ শেফ সুমিত রঘুবংশী। 
বিশদ

10th  November, 2019
জওহরলাল নেহরুর ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

10th  November, 2019
ছোটদের ভালোবাসতেন চাচা নেহেরু 

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। শিশুদের কাছে তিনি চাচা নেহরু হিসেবে বেশি জনপ্রিয়। নেহরু ছোটদের খুব ভালোবাসতেন বলে তাঁর জন্মদিনটি অর্থাৎ ১৪ নভেম্বর দেশজুড়ে শিশুদিবস পালিত হয়। প্রিয় চাচা নেহরুকে নিয়ে লিখেছে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা।  
বিশদ

10th  November, 2019
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য চলছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় বাংলা।
 
বিশদ

03rd  November, 2019
সে কি সত্যি হবে! 
আয়ূষী বন্দ্যোপাধ্যায়

পাইন আর দেওদার গাছের মধ্যে পাখির বাসা থাকে কি না তা ঠিক জানা নেই, তবে এক মিষ্টি পাখির কূজন কানে ভেসে আসে রোজই। গতকাল রাতে অমন ঝড়, বৃষ্টি, দম্ভোলি হয়েছে কে বলবে? ভোরের প্রভাকরের প্রকীর্ণ আভা যেন দুর্যোগকে নিশ্চিহ্ন করেছে। ঈশ্বরের দেশে সবই তো তাঁর লীলাখেলা, সেখানে যে নেই কোনও মোহ, মায়া, মাৎসর্য। শুধুই আছে মনকে দয়ার্দ্র করে তোলার পরিপূর্ণ রসদ। 
বিশদ

03rd  November, 2019
পুজোর ছুটি 

পুজোর ছুটিতে কে কী করবে তার পরিকল্পনা অনেক আগেই সেরে ফেলে ছোটরা। সেই তালিকায় ঠাকুর দেখা, খাওয়া-দাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে গল্পগুজব, মামার বাড়ি যাওয়া, বেড়ানো, গল্পের বই পড়া, খেলাধুলো সবই থাকে। এবারের পুজোর ছুটি কার কেমন কাটাল তোমাদের শোনাচ্ছে বৈঁচি বিহারীলাল মুখার্জি’স ফ্রি ইনস্টিটিউশনের ছাত্র-ছাত্রীরা। 
বিশদ

03rd  November, 2019
 আলোর উৎসব
কা লী পু জো

 রং-বেরঙের আলো দিয়ে বাড়ি সাজানো, তুবড়ি, হাউই আর রংমশালের আলোর ছটা, মিষ্টিমুখ, রাত জেগে পুজো দেখা... এমনভাবেই কেটে যায় কালীপুজোর দিনটা। জানাল বিভিন্ন স্কুলের ছেলেমেয়েরা। বিশদ

27th  October, 2019
 ভগিনী নিবেদিতা

 আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার ভগিনী নিবেদিতা। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। বিশদ

27th  October, 2019
হ্যালোইন নাকি ভূত উৎসব

কার কতটা ভূতের ভয় তা আমার জানা নেই, আমার কিন্তু খুবই ভূতের ভয়, তাই রাতে আমি একা একা ঘরে শুতে পারি না, চোখ বুঝলেই ভূশুণ্ডির মাঠ থেকে হাজার হাজার ভূত উড়ে এসে আমাকে ঘিরে ধরে, কেউ আমার পা ধরে টানে কেউ বা আবার কাতুকুতু দিয়ে আমাকে নাজেহাল করে ছাড়ে, সে সব দুঃখের কথা আজ নয় ছেড়েই দিলাম। তাই ভূত নিয়ে কিছু লিখতে গেলে আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে, গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। বিশদ

27th  October, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় থট-রিডিং।   বিশদ

20th  October, 2019
মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার 

প্রতিবারের মতো এবারও ‘মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল মামরাজ আগরওয়াল ফাউন্ডেশন। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজভবনে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল। এবার মোট ৯৯ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।   বিশদ

20th  October, 2019
একনজরে
অভিজিৎ চক্রবর্তী, পূর্বস্থলী, সংবাদদাতা: মন্তেশ্বরের দেনুড় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নকশি কাঁথা এবার ভিন রাজ্যে বিপণনের জন্য উদ্যোগী হল ব্লক প্রশাসন। সম্প্রতি, দিল্লির একটি মার্কেটিং সংস্থার এজেন্ট দেনুড়ের মৌসা, গালাতুন, ধেনুয়া গ্রামে এসে গৃহবধূদের হাতের তৈরি নকশি কাঁথা দেখেন।  ...

সংবাদদাতা, জাঙ্গিপাড়া: শ্রীরামপুর-জাঙ্গিপাড়া ৩১ নং রাজ্য সড়কে বৃহস্পতিবার সকালে জাঙ্গিপাড়ার নেড়া মাধবপুরে কালভার্ট ভেঙে বালি ভর্তি একটি লরি পড়ে যায়। ঘটনায় এক স্কুলছাত্রী নিহত ও ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প শুরু হল।   ...

 নয়াদিল্লি, ২১ নভেম্বর (পিটিআই): আইএনএক্স মিডিয়া অর্থ তছরুপ মামলায় ২২ ও ২৩ নভেম্বর দু’দিন চিদম্বরমকে তিহার জেলেই জেরা করবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডির এক আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এমনটাই অনুমতি দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় শুভ ফল। ব্যবসায় শুভ। প্রেম-ভালোবাসায় মনোমালিন্য। মেজাজ বর্জন করা উচিত। শেয়ার বা ফাটকায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪ -রবার্ট ক্লাইভের মৃত্যু
১৮৫৬ - বিধবা বিবাহ আইনের প্রেক্ষাপটে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয় যে, বিধবা বিবাহ করলে বরকে এক হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে
১৮৭৭ - টমাস আলফা এডিসন গ্রামোফোন যন্ত্র আবিস্কার করেন
১৯৩৯: রাজনীতিক মুলায়ম সিং যাদবের জন্ম
১৯৬৩: টেক্সাসে খুন হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। হামলায় গুরুতর আহত হন টেস্কাসের গভর্নর জন কোনালি’ও। সন্দেহভাজন লি হার্ভে অসওয়াল্ডকে ধরা হল দু’দিন পর পুলিসি হেপাজতে তাকে গুলি করে হত্যা করে জ্যাক রুবি।
১৯৬৭: টেনিস তারকা বরিস বেকারের জন্ম
১৯৭০: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মারভান আত্তাপাত্তুর জন্ম
১৯৮৬: ট্রেভর বারবিককে হারিয়ে বক্সিংয়ের ইতিহাসে তরুণতম হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হলেন মাইক টাইসন
১৯৮৬: দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবন্ধী অ্যাথলিট অস্কার পিস্টোরিয়াসের জন্ম
১৯৮৭ - সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাসের মৃত্যু
১৯৯৫: প্রকাশিত হল কম্পিউটার ইমেজ দিয়ে তৈরি প্রথম ফিচারধর্মী ছবি ‘টয় স্টোরি’
২০০৩: বাগদাদে ডি এইচ এল এক্সপ্রেস নামক পণ্যবাহী বিমানে ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত হানে জঙ্গিরা। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই হামলায় বিমানটির বাঁদিকে পাখা ক্ষতিগ্রস্তগ্রস্ত হয়। জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় সেটি





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৪ টাকা ৭৩.৪১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭২ টাকা ৯৫.১০ টাকা
ইউরো ৭৭.৭১ টাকা ৮১.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৭/৪০ দিবা ৯/২। উত্তরফাল্গুনী ২৬/৪৯ অপঃ ৪/৪১। সূ উ ৫/৫৭/২৪, অ ৪/৪৭/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৭/২৪ গতে ৯/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/২০ মধ্যে পুনঃ ৪/১৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪০ গতে ১১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৪ মধ্যে।
৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ২/১৯/৪১ দিবা ৫/৫৬/১৯ পরে একাদশী ৫৬/২৭/৪২ শেষরাত্রি ৪/৩৪/৪১। উত্তরফাল্গুনী ২৩/৫৫/৪৯ দিবা ৩/৩৩/৫৬, সূ উ ৫/৫৯/৩৬, অ ৪/৪৭/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে ও ৭/৩৫ গতে ৯/৪২ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৩ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ৩/২৯ মধ্যে ও ৪/২৩ গতে ৫/৫৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪১/৩৪ গতে ১০/২/৩৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/২/৩৩ গতে ১১/২৩/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৩১ গতে ৯/৪৪/৩২ মধ্যে।
২৪ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, শুক্রবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:14:13 AM

৬৭ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

09:40:14 AM

  ৮৬টি ‘আদর্শ’ স্টেশনে পরিকাঠামোর কাজ শেষ
দেশজুড়ে ১,২৫৩টি স্টেশনকে ‘আদর্শ’ স্টেশন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বেছে ...বিশদ

09:34:48 AM

 বিদ্যাসাগর কলেজে আজ-কাল অবস্থান শিক্ষাকর্মীদের
আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবার অবস্থানে বসবেন বিদ্যাসাগর কলেজের শিক্ষাকর্মীরা। ...বিশদ

09:12:07 AM

কানাডা সরকারে প্রথম হিন্দু মহিলা মন্ত্রী
এই প্রথমবার এক হিন্দু মহিলা মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হলেন কানাডার ...বিশদ

08:58:24 AM

রেলওয়ের ‘এক টাকার ক্লিনিক’-এ সন্তান প্রসব করলেন তরুণী
রেলের ‘এক টাকার ক্লিনিক’-এ সন্তানপ্রসব করলেন ১৮ বছরের এক তরুণী। ...বিশদ

08:47:03 AM