Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা 

‘প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা’ এই ছিল এবারের লেখার বিষয়বস্তু। তোমাদের এত লেখা পেয়ে আমরা আপ্লুত। সেইসব মজাদার লেখার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হয়েছে কয়েকটা। বাছাই করা লেখাগুলিই প্রকাশিত হল আজ, শিউলিস্নাত শারদ সকালে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে।
চতুর্থী থেকে ঠাকুর দেখা শুরু করি
পুজো মানেই প্যান্ডেল ঘুরে রাত্রি অবধি ঠাকুর দেখা, খাওয়া-দাওয়া ও মজা করা। ভিড় এড়াতে চতুর্থীর দিনটি বেছে নিই ঠাকুর দেখার জন্য। গতবার দক্ষিণ কলকাতা দিয়েই শুরু করেছিলাম। রাত আটটা নাগাদ বেরিয়ে প্রথমেই গেলাম খিদিরপুরে। তারপর আলিপুর রোড ধরে চেতলা অগ্রণী ও সুরুচি সংঘ। প্রতিটি প্যান্ডেলের বাইরে অজস্র লোকের লাইন। আধ ঘণ্টার ওপর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাতৃমূর্তির দেখা পাওয়া যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো। প্রতিটি বড় প্যান্ডেলেই থাকে কোনও না কোনও থিম। কোনও কোনওটায় দেখাচ্ছে গ্রামের দৃশ্য— জোনাকি শব্দ, কাশফুল, মাটির ঘর। মনে হল যেন সত্যি কোনও এক গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়েছি। কোনওটায় থাকে ইতিহাসের ছোঁয়া। চলে যায় আদিম যুগে। থাকে পাহাড়, কুলকুল নদী ও গাছের ছাল পরা আদিম মানুষ। আগুনের সামনে বসে থাকে তারা। পাহাড় ভাঙা, নিজেদের মধ্যে মারপিট করে, মনে হয় সত্যি সেই যাযাবর জীবনে পৌঁছে গিয়েছি। আবার কোথাও পুরুলিয়া, বেলপাহাড়ির ছোঁয়া। এক মুহূর্তে বর্ধমান উধাও— শুধুই অতীত বিচরণ। এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা, পুজো মানেই তাই একটা বাড়তি পাওনা। এক রঙিন রোমান্টিক জগতে প্রবেশ করা।
অরিত্রী অধিকারী
দশম শ্রেণী, অগাস্টিনস পাবলিক স্কুল
গ্রামের পুজো দেখার মজাই আলাদা
প্রতিবার পুজোয় আমরা ঝাড়গ্রামে থাকি। পঞ্চমী ও ষষ্ঠীতে ঝাড়গ্রামের পুজো প্যান্ডেলগুলি দেখা শেষ করি। তারপরে শুরু আসল আনন্দ। এবার গ্রামে পুজো দেখার পালা। সেখানে ভিড় নেই, রঙিন আলো নেই, কিন্তু শান্তি আছে। তিন-চারটি গ্রামের মাঝে হয়তো একটি পুজো। ধানখেতের আল ধরে ছোটরা সেই পুজো দেখতে আসে। শালবনের রাস্তা ধরে গ্রামের পুজো দেখতে যাওয়া খুবই আনন্দের। একবার ঝাড়গ্রাম শহরের একটি পুজো আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছিল। প্যান্ডেল তো নয়, যেন সত্যিকারের ‘জঙ্গল বুক’। সেখানে শেরখান ছিল। ছিল বাঘিরা, বালু এবং মোগলি। চমকে দেখি মাথার উপরে চেরা জিভ লকলক করছে একটি সাপ। কিন্তু এবার মন ভালো নেই। আমার দিদা আমাদের ছেড়ে আকাশে চলে গেছেন। তাই ঝাড়গ্রাম শহরের আশপাশে প্যান্ডেলে যাব। দেখব ঢাকে কাঠি পড়লে ছোটরা কেমন আনন্দে নাচে। ধানখেতের গন্ধে, শিউলি ফুলের গন্ধে দিদার কথা মনে পড়বে। আকাশে মেঘের মধ্যে আমি নানা ছবি দেখতে পাই। এবারে কি মেঘের মধ্যে দিদাকে দেখতে পাব? সেই উত্তর আমার জানা নেই।
কৌস্তভ সরেন
চতুর্থ শ্রেণী, রানি ইন্দিরাদেবী শিক্ষাসদন, ঝাড়গ্রাম
বৃষ্টিতেও ঠাকুর দেখতে গিয়েছি
পুজো মানেই আমার কাছে পড়াশোনা শিকেয় তুলে সাপের পাঁচ পা দেখা। তখন আর কোনও বাঁধন আমার কৈশোরের উচ্ছ্বসিত উদ্দীপনা আটকাতে পারে না। মনে বেজে ওঠে— ‘আমরা নতুন যৌবনেরই দূত’। আমার কাছে দুর্গাপুজোর প্রধান আকর্ষণ তিনটি। খাওয়া-দাওয়া, সাজগোজ ও প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা। খাওয়ার খুব একটা ভক্ত আমি নই। তাই সাজগোজ আর প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখাই আমার কাছে সব চাইতে বড় আকর্ষণ। ঠিক হয়েছিল অষ্টমীর দিন আমরা ঠাকুর দেখতে যাব। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি হওয়াতে আর যাওয়া হল না। আমি মন খারাপ করে ঘরে বসেছিলাম। রাত দশটার দিকে বাবা বলল— ‘এত মন খারাপ? চল তাহলে তোকে আশপাশের কটা ঠাকুর দেখিয়ে নিয়ে আসি।’ আমি তো এককথায় রাজি। মাকে বললাম আধ ঘণ্টার মধ্যে ফিরছি। তারপর এগারোটা নাগাদ আমি আর
বাবা স্কুটিতে করে বেরলাম। ব্যস! আর আমাদের পায় কে? পুরো শহর চষে ফেললাম। বৃষ্টি ভেজা গাছের পাতায় আলোর ঝলকানি রাতকে আরও মায়াবী করে তুলেছিল। মেঘলা আকাশের নীচে আলোর ছটা যেন প্যান্ডেলকে আরও সুন্দরী
করে তুলেছিল। হঠাৎ কী খেয়াল হল, ঘড়ির
দিকে তাকিয়ে দেখি রাত একটা বাজে। বৃষ্টির
জন্য মোবাইলও আনিনি। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলাম। বাকিটা আর না বলাই ভালো। মনে
হল যেন আমাদের ওপর দিয়ে একসঙ্গে ও একনাগাড়ে সুনামি ও কালবৈশাখী বয়ে গেল। তবে যাইহোক, বাবার সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যাওয়ার এই স্মৃতি আমার কাছে চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।
অগ্নিকণা বিশ্বাস
নবম শ্রেণী, জে আর এস পাবলিক স্কুল
ইছামতী নদীতে বিসর্জন দেখতে যাই
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। দুর্গাপুজো মানেই খাওয়া-দাওয়া, প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে হইচই করে ঠাকুর দেখা। এই উৎসবের প্রতীক্ষায় বাঙালি সারা বছর দিন গোনে। দেবীপক্ষের সূচনা হলে প্রকৃতির মধ্যে মায়ের মর্তে আগমনের বার্তা পাই। গত পঞ্চমীতে আমি বাবা-মা’র সঙ্গে ঠাকুর দেখতে কলকাতায় যাই। সঙ্গে বোনও ছিল। সারারাত ঠাকুর দেখে সকালে বাড়ি ফিরি। পুজোর সময় হইচই করে ঠাকুর দেখার পাশাপাশি একটি বিষয় আমার মনকে নাড়া দেয়। আমাদের এলাকার অসহায় একশোরও বেশি বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে ঠাকুর দেখানোর ব্যবস্থা করেন আমার বাবা ও তাঁর বন্ধুরা। সপ্তমীর দুপুর থেকে বাসে করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বারাসতের বিভিন্ন প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখানো হয়। আমি কয়েকজন দাদু-ঠাকুমাকে হাত ধরে বাস থেকে নামিয়ে মণ্ডপে নিয়ে যাই। সেই সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের উজ্জ্বল মুখ দেখে আমার মন আনন্দে ভরে যায়। ঠাকুর দেখানো শেষে তাঁদের মিষ্টি মুখ করানো হয়। বাড়ি ফেরার সময় আমাদের সকলকে তাঁরা মন ভরে আশীর্বাদ করেন। অষ্টমী নবমীতে পাড়ার পুজোতে আনন্দ করি দশমীর দিন ঘট বিসর্জনের পরে আমার মন খারাপ হয়ে যায়। দুর্গা মায়ের বিদায়ের সুর অনুভব করি, দশমীর বিকেলে
টাকিতে ইছামতী নদীতে দুই বাংলার ঠাকুর বিসর্জন দেখতে যাই বাবা-মা’র সঙ্গে। নৌকা করে ইছামতী নদীতে ঘুরেছি। এই বিসর্জন পর্ব আমার অবিস্মরণীয় লেগেছে। বাংলাদেশের মানুষদের সঙ্গে কথা বলেছি। রাতে রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করে বাড়ি ফিরেছি। এ বছরও আমাদের এলাকার দাদু-ঠাকুমাদের
সপ্তমীর দিন ঠাকুর দেখাতে শামিল হব।
শুভম ভট্টাচার্য
অষ্টম শ্রেণী, বারাসত ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাই স্কুল
দুর্গাকে নিয়ে বাড়িতে এল মাসি
সপ্তমীর দিন আমরা প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখতে যাব। সকাল থেকেই মনটা খুশিতে ভরা। গীতামাসিও বাড়িতে কাজে এসেছেন। কথায় কথায় মাকে বললেন, ‘জানো দিদি তোমার মেয়ের মতো আমারও একটা মেয়ে আছে। নাম দুর্গা। পুজোয় ওকে একটাও জামা কিনে দিতে পারিনি। কত দিন হল ওর বাবার কোনও খোঁজ নেই। কোথায় যে গেল লোকটা...’ বলতে বলতে মাসির চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। আমি মাকে বললাম ‘পুজোয় আমার জন্য কেনা একটা পোশাক দুর্গাকে দাও।’ মা আমার কথায় খুশি হয়ে দুর্গাকে জামা ও মাসিকে শাড়ি দিলেন। আর মাসিকে বললেন, ‘মা-মেয়ে আজ সন্ধ্যায় নতুন পোশাক পরে বাড়িতে এসো, ঠাকুর দেখতে যাব। মাসি দুর্গাকে নিয়ে এলেন। বাবার ভাড়া করা টোটোয় আমরা ঠাকুর দেখতে গেলাম। ক্রমে দুর্গার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। প্যান্ডেলের কারুকার্য, প্রতিমা ও রংবাহারী আলোর খেলা দেখালাম। বাবা একটা রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলেন। সবাই বিরিয়ানি, আইসক্রিম খেলাম। দুর্গা প্রথমবার এভাবে ঠাকুর দেখল। ও আনন্দে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল— ‘তোমার মতো বন্ধুর কথা সারা জীবন মনে থাকবে’। দুর্গাকে নিয়ে ঠাকুর দেখার আনন্দ আমার অন্তরে গাঁথা হয়ে থাকবে।
অনসূয়া প্রামাণিক
সপ্তম শ্রেণী, হুগলি গার্লস হাই স্কুল
প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখি
আমি থাকি কাটোয়াতে। কিন্তু প্রতি বছর কলকাতায় ঠাকুর দেখতে যাই। পঞ্চমী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখি। একবার চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে শ্রীভূমিতে বাহুবলীর প্যান্ডেল দেখেছিলাম। ভেতরের ঝাড়বাতিটা দেখে পায়ের ব্যথা ভুলে গিয়েছিলাম। প্রতিবার হাতিবাগান, কুমোরটুলি ও দক্ষিণ কলকাতার প্রতিমা অবশ্যই দর্শন করি। গত বছর একদিন প্রতিমা দেখার পর বিবেকানন্দ রোডে বাস বা ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু কিছুই পাচ্ছিলাম না। ঘড়িতে তখন রাত ১১টা। এদিকে ফেরার শেষ ট্রেন রাত ১২টায়। আমরা খুব ভয় পাচ্ছিলাম ট্রেনটা পাব কি না। বাবা খুব চিন্তা করছিলেন। মায়ের মুখ কাঁচুমাচু। কিন্তু আমি ভাবছিলাম ট্রেনটা না পেলেই ভালো, আরও কয়েকটা ঠাকুর দেখব, ফুচকা খাবো। কিন্তু হঠাৎই এক ট্যাক্সিচালক এসে বললেন, ‘হাওড়া যাবেন নাকি?’ বাবা সিংহের মতো লাফিয়ে ট্যাক্সিতে উঠলেন। আমিও কলকাতাকে শুভরাত্রি জানিয়ে ট্রেন ধরতে চললাম। তবে এবার আমার একটা নতুন ইচ্ছা আছে। কাটোয়াতে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দুঃস্থ বাচ্চাদের সাহায্য করে। আমি আমার জামা কেনার টাকা বাঁচিয়ে কিছুটা সাহায্য করে ওদের আনন্দে শামিল হব।
মৌসম দাস
পঞ্চম শ্রেণী, কাটোয়া কাশীরাম দাস বিদ্যায়তন
হইচই করে পাঁচদিন কেটে যায়
‘শরৎ আসে দূর্বা ঘাসে শিশির হাসে ফিক্‌ রোদের সোনা যায় না গোনা ভরলো চারিদিক।’ পুজো মানেই হইচই, ভালোমন্দ খাওয়া আর প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখা। আমরা ছোটরা সেজেগুজে, নতুন জামাকাপড় পরে সকাল-বিকাল ঠাকুর দেখতে পারলে আর কিছু চাই না, এত হইচই-এর মধ্যে দিয়ে কোথা থেকে পাঁচদিন কেটে যায় বুঝতেই পারি না। ছেলেবেলায় যখন বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যেতাম তখন দেখতাম, কত ছেলেমেয়ে তাদের বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে যাচ্ছে। আমারও মনে হতো আমি বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে যাব। তার জন্য বেশিদিন অপেক্ষা করতে হল না। কারণ গতবছর আমার সেই সুযোগ মিলল। আমি স্কুলের বাসে করে স্কুল যাতায়াত করি। বাসের কাকুরা আমাদের বাসের ছাত্রীদের দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে নিয়ে গেলেন। প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল নিজেকে স্বপ্নের জগতে হারিয়ে ফেলছি। প্যান্ডেলগুলো আলোয় ঝলমল করছিল। এক এক জায়গার মা দুর্গাকে এক এক রকমভাবে সাজানো হয়েছিল। ঘুরতে ঘুরতে খিদে পেয়ে যাওয়ায় সামনে থাকা দোকান থেকে কাকুরা পছন্দমতো খাবার খেতে বলেছিলেন। ফুচকা, ঘুগনি, ঝালমুড়ি এত লোভনীয় খাবার দেখে ঠিক করতে পারছিলাম না কোনটা ছেড়ে কোনটা খাব। মোট দশটা ঠাকুর দেখলাম। এর মধ্যে আহিরীটোলা ও কাশীবোস লেনের মণ্ডপসজ্জা সবথেকে বেিশ ভালো লেগেছিল। আর ভালো লেগেছিল বিকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখা। আমার এই মজাদার অভিজ্ঞতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেবস্মিতা দে
সপ্তম শ্রেণী, হোলি চাইল্ড ইনস্টিটিউট হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল (কলকাতা)
ঠাকুর দেখার সঙ্গে ফুচকা, বিরিয়ানি...
পুজো মানেই আনন্দের উৎসব, কাছের মানুষদের সঙ্গে বেরবার মজা। প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা। আমার পুজো শুরু হয় চতুর্থী থেকে। ছুটিতে কেউ পড়তে বসতে বলে না। কলকাতার ঠাকুর না দেখলে পুজো মনেই হয় না। সাবেকিয়ানা ও থিমের লড়াইয়ে কলকাতার পুজো সেরা। সাবেকিয়ানার মধ্যে বাগবাজারের ঠাকুর না দেখলে পুজোতে মন ভরে না। থিমের জন্য দক্ষিণ কলকাতায় ঠাকুর না দেখলে ভালোই লাগে না। উত্তর কলকাতার আহিরিটোলা ও কুমোরটুলির ঠাকুর সেরা। তবে পাড়ার পুজোও খুব ভালো। সারাদিন পাড়ায় থাকি। বিকেলে কলকাতায় ঠাকুর দেখি। কখনও মাসিদের সঙ্গে, কখনও সপরিবারে। আবার দিদির সঙ্গেও বেরিয়ে পড়ি। ঠাকুর দেখার সঙ্গে চলে ফুচকা, চাউমিন, বিরিয়ানি। ভিড়ে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা। পঞ্চমী থেকে নবমী, উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুর দেখে দিন চলে যায়। তবে মা-এর বিদায়ের দিন এগিয়ে এলে মন খারাপ হয়ে যায়। মনের দুঃখে ভাবি, অাবার এক বছরের অপেক্ষা।
শৌর্য আইচ
নবম শ্রেণী, গভঃ স্পনসর্ড মালটিপারপাস স্কুল (বয়েজ), টাকী হাউস 
29th  September, 2019
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য চলছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় বাংলা।
 
বিশদ

03rd  November, 2019
সে কি সত্যি হবে! 
আয়ূষী বন্দ্যোপাধ্যায়

পাইন আর দেওদার গাছের মধ্যে পাখির বাসা থাকে কি না তা ঠিক জানা নেই, তবে এক মিষ্টি পাখির কূজন কানে ভেসে আসে রোজই। গতকাল রাতে অমন ঝড়, বৃষ্টি, দম্ভোলি হয়েছে কে বলবে? ভোরের প্রভাকরের প্রকীর্ণ আভা যেন দুর্যোগকে নিশ্চিহ্ন করেছে। ঈশ্বরের দেশে সবই তো তাঁর লীলাখেলা, সেখানে যে নেই কোনও মোহ, মায়া, মাৎসর্য। শুধুই আছে মনকে দয়ার্দ্র করে তোলার পরিপূর্ণ রসদ। 
বিশদ

03rd  November, 2019
পুজোর ছুটি 

পুজোর ছুটিতে কে কী করবে তার পরিকল্পনা অনেক আগেই সেরে ফেলে ছোটরা। সেই তালিকায় ঠাকুর দেখা, খাওয়া-দাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে গল্পগুজব, মামার বাড়ি যাওয়া, বেড়ানো, গল্পের বই পড়া, খেলাধুলো সবই থাকে। এবারের পুজোর ছুটি কার কেমন কাটাল তোমাদের শোনাচ্ছে বৈঁচি বিহারীলাল মুখার্জি’স ফ্রি ইনস্টিটিউশনের ছাত্র-ছাত্রীরা। 
বিশদ

03rd  November, 2019
 আলোর উৎসব
কা লী পু জো

 রং-বেরঙের আলো দিয়ে বাড়ি সাজানো, তুবড়ি, হাউই আর রংমশালের আলোর ছটা, মিষ্টিমুখ, রাত জেগে পুজো দেখা... এমনভাবেই কেটে যায় কালীপুজোর দিনটা। জানাল বিভিন্ন স্কুলের ছেলেমেয়েরা। বিশদ

27th  October, 2019
 ভগিনী নিবেদিতা

 আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার ভগিনী নিবেদিতা। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। বিশদ

27th  October, 2019
হ্যালোইন নাকি ভূত উৎসব

কার কতটা ভূতের ভয় তা আমার জানা নেই, আমার কিন্তু খুবই ভূতের ভয়, তাই রাতে আমি একা একা ঘরে শুতে পারি না, চোখ বুঝলেই ভূশুণ্ডির মাঠ থেকে হাজার হাজার ভূত উড়ে এসে আমাকে ঘিরে ধরে, কেউ আমার পা ধরে টানে কেউ বা আবার কাতুকুতু দিয়ে আমাকে নাজেহাল করে ছাড়ে, সে সব দুঃখের কথা আজ নয় ছেড়েই দিলাম। তাই ভূত নিয়ে কিছু লিখতে গেলে আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে, গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। বিশদ

27th  October, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় থট-রিডিং।   বিশদ

20th  October, 2019
মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার 

প্রতিবারের মতো এবারও ‘মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল মামরাজ আগরওয়াল ফাউন্ডেশন। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজভবনে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল। এবার মোট ৯৯ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।   বিশদ

20th  October, 2019
মহাপ্রলয় আসছে 

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ষষ্ঠ মহাপ্রলয় ঘটতে আর দেরি নেই। জঙ্গল কেটে সাফ হয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে গাড়ি, কলকারখানার সংখ্যা। দূষিত হয়ে উঠছে পরিবেশ। গলতে শুরু করেছে কুমেরু ও সুমেরুর বরফ। মহাপ্রলয় আটকাতে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পৃথিবীর ধ্বংস আটকানোর উপায় কী? লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

20th  October, 2019
হোয়াইট হাউসে ভূতের ভয়! 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এসেছেন হোয়াইট হাউসে। সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্ত শরীর। স্নান সেরে সোজা নিজের ঘরে। পরনে কোনও পোশাক নেই। নিজের মতো করে পাওয়া সময়টাকে আরও একটু উপভোগ করতে ধরালেন একটা চুরুট।  
বিশদ

13th  October, 2019
কাটিয়ে উঠে ভীতি, প্রথম দিনের স্মৃতি 

স্কুলের প্রথম দিনটি সবার কাছে একই অনুভূতি নিয়ে আসে না। কেউ ভয় পায়, কেউ বা উদ্বেগে ভোগে। কিছুদিন বাদে সব ভুলে স্কুলই হয়ে ওঠে ঘরবাড়ি। সেইরকমই কিছু অনুভূতি তোমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিল মিশ্র অ্যাকাডেমির বন্ধুরা। 
বিশদ

13th  October, 2019
হুলো ও স্কুটি
জয়ন্ত দে

হুলোর কোনওদিন মন খারাপ হয় না। ভালোই থাকে। হাসিতে, খুশিতে থাকে। কিন্তু ইদানীং মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চারদিকে এই অনাচার, অত্যাচার দেখে দেখে সে খুবই বিষণ্ণ হয়ে পড়ছে। হয়তো এমন হতে পারে, এটা তার বয়েসের রোগ! বয়স যত বাড়ছে, মন মেজাজ তত খারাপ হচ্ছে।  বিশদ

29th  September, 2019
স্মৃতির পুজো
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় 

পুজো এলেই হাজার স্মৃতি দেয় মনেতে হানা,
কাশের বনে হারিয়ে যেতে করত কে আর মানা!  বিশদ

29th  September, 2019
একনজরে
 বিএনএ, বারাকপুর: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের গড় ভাটপাড়া পুরসভার আরও পাঁচ বিজেপি কাউন্সিলার তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রাখলেন। তাঁরা যে কোনও দিন ঘরে ফিরতে পারেন ...

 ইস্তানবুল, ৭ নভেম্বর (এএফপি): ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীর অনেক ‘হাঁড়ির খবর’ ফাঁস করে দিয়েছে নিহত জঙ্গিনেতা আবু বকর আল বাগদাদির স্ত্রী রানিয়া মাহমুদ। এমনটাই দাবি ...

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: রাস উৎসবকে সামনে রেখে নবদ্বীপে ফেরিঘাটগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হল। রাসের দিনগুলিতে ফেরিঘাট দিয়ে কয়েক লক্ষ মানুষের আনাগোনা লেগে থাকে। ফলে তাদের পারাপার ও নিরাপত্তা নিয়ে নবদ্বীপের ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হয়েছেন। পাশাপাশি নবদ্বীপ পুরসভা ও ব্লক প্রশাসনও এনিয়ে তৎপর। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: আগামী ২২ থেকে ২৬ নভেম্বর কলকাতায় হবে টাটা স্টিল র‌্যাপিড - ব্লিৎজ টুর্নামেন্ট। এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের প্রথম ১৫ জন গ্র্যান্ডমাস্টারের মধ্যে দশজন যোগ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ ওস্তাদ আলাউদিন খাঁর জন্ম।
১৮৯৫- জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স রে আবিষ্কার করেন।
১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম কোনও মহিলা ভোট দেন।
১৯২৭- রাজনীতিক লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম
১৯৩৬ - প্রখ্যাত হিন্দী কথাসাহিত্যিক মুনশি প্রেমচাঁদের মৃত্যু
১৯৪৭ – সঙ্গীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের জন্ম
১৯৭৬ - ক্রিকেটার ব্রেট লি’র জন্ম
২০১৭ – ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৮ টাকা ৭২.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১২ টাকা ৯৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৪ টাকা ৮০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৬/৩০ দিবা ১২/২৫। পূর্বভাদ্রপদ ১৫/৫৯ দিবা ১২/১২। সূ উ ৫/৪৮/২৭, অ ৪/৫২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে। 
২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৫/৫৮/১৯ দিবা ১২/১২/৪৩। পূর্বভাদ্রপদ ১৭/৫৮/২৫ দিবা ১/০/৪৫, সূ উ ৫/৪৯/২৩, অ ৪/৫৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ মধ্যে ও ৭/২৭ গতে ৯/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৫ গতে ২/৩৭ মধ্যে ও ৩/২০ গতে ৪/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৩৯ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে ও ৪/১৫ গতে ৫/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫/২১ গতে ৯/৫৮/২০ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৮/২০ গতে ১১/২১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭/১৬ গতে ৯/৪৪/১৭ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট

09:17:50 PM

এবার হকি বিশ্বকাপ ভারতে
২০২৩ সালে পুরুষদের এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ...বিশদ

05:08:38 PM

পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী
 মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সরকার গড়ার ...বিশদ

05:01:39 PM

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল এবছরের আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম উৎসবের

05:01:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু
বর্ধমান স্টেশনে ৪ ও ৫ নম্বর প্লাটফর্মের মাঝে ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা ...বিশদ

04:54:00 PM

গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের: সূত্র 

03:53:10 PM