Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা 

‘প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা’ এই ছিল এবারের লেখার বিষয়বস্তু। তোমাদের এত লেখা পেয়ে আমরা আপ্লুত। সেইসব মজাদার লেখার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হয়েছে কয়েকটা। বাছাই করা লেখাগুলিই প্রকাশিত হল আজ, শিউলিস্নাত শারদ সকালে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে।
চতুর্থী থেকে ঠাকুর দেখা শুরু করি
পুজো মানেই প্যান্ডেল ঘুরে রাত্রি অবধি ঠাকুর দেখা, খাওয়া-দাওয়া ও মজা করা। ভিড় এড়াতে চতুর্থীর দিনটি বেছে নিই ঠাকুর দেখার জন্য। গতবার দক্ষিণ কলকাতা দিয়েই শুরু করেছিলাম। রাত আটটা নাগাদ বেরিয়ে প্রথমেই গেলাম খিদিরপুরে। তারপর আলিপুর রোড ধরে চেতলা অগ্রণী ও সুরুচি সংঘ। প্রতিটি প্যান্ডেলের বাইরে অজস্র লোকের লাইন। আধ ঘণ্টার ওপর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাতৃমূর্তির দেখা পাওয়া যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো। প্রতিটি বড় প্যান্ডেলেই থাকে কোনও না কোনও থিম। কোনও কোনওটায় দেখাচ্ছে গ্রামের দৃশ্য— জোনাকি শব্দ, কাশফুল, মাটির ঘর। মনে হল যেন সত্যি কোনও এক গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়েছি। কোনওটায় থাকে ইতিহাসের ছোঁয়া। চলে যায় আদিম যুগে। থাকে পাহাড়, কুলকুল নদী ও গাছের ছাল পরা আদিম মানুষ। আগুনের সামনে বসে থাকে তারা। পাহাড় ভাঙা, নিজেদের মধ্যে মারপিট করে, মনে হয় সত্যি সেই যাযাবর জীবনে পৌঁছে গিয়েছি। আবার কোথাও পুরুলিয়া, বেলপাহাড়ির ছোঁয়া। এক মুহূর্তে বর্ধমান উধাও— শুধুই অতীত বিচরণ। এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা, পুজো মানেই তাই একটা বাড়তি পাওনা। এক রঙিন রোমান্টিক জগতে প্রবেশ করা।
অরিত্রী অধিকারী
দশম শ্রেণী, অগাস্টিনস পাবলিক স্কুল
গ্রামের পুজো দেখার মজাই আলাদা
প্রতিবার পুজোয় আমরা ঝাড়গ্রামে থাকি। পঞ্চমী ও ষষ্ঠীতে ঝাড়গ্রামের পুজো প্যান্ডেলগুলি দেখা শেষ করি। তারপরে শুরু আসল আনন্দ। এবার গ্রামে পুজো দেখার পালা। সেখানে ভিড় নেই, রঙিন আলো নেই, কিন্তু শান্তি আছে। তিন-চারটি গ্রামের মাঝে হয়তো একটি পুজো। ধানখেতের আল ধরে ছোটরা সেই পুজো দেখতে আসে। শালবনের রাস্তা ধরে গ্রামের পুজো দেখতে যাওয়া খুবই আনন্দের। একবার ঝাড়গ্রাম শহরের একটি পুজো আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছিল। প্যান্ডেল তো নয়, যেন সত্যিকারের ‘জঙ্গল বুক’। সেখানে শেরখান ছিল। ছিল বাঘিরা, বালু এবং মোগলি। চমকে দেখি মাথার উপরে চেরা জিভ লকলক করছে একটি সাপ। কিন্তু এবার মন ভালো নেই। আমার দিদা আমাদের ছেড়ে আকাশে চলে গেছেন। তাই ঝাড়গ্রাম শহরের আশপাশে প্যান্ডেলে যাব। দেখব ঢাকে কাঠি পড়লে ছোটরা কেমন আনন্দে নাচে। ধানখেতের গন্ধে, শিউলি ফুলের গন্ধে দিদার কথা মনে পড়বে। আকাশে মেঘের মধ্যে আমি নানা ছবি দেখতে পাই। এবারে কি মেঘের মধ্যে দিদাকে দেখতে পাব? সেই উত্তর আমার জানা নেই।
কৌস্তভ সরেন
চতুর্থ শ্রেণী, রানি ইন্দিরাদেবী শিক্ষাসদন, ঝাড়গ্রাম
বৃষ্টিতেও ঠাকুর দেখতে গিয়েছি
পুজো মানেই আমার কাছে পড়াশোনা শিকেয় তুলে সাপের পাঁচ পা দেখা। তখন আর কোনও বাঁধন আমার কৈশোরের উচ্ছ্বসিত উদ্দীপনা আটকাতে পারে না। মনে বেজে ওঠে— ‘আমরা নতুন যৌবনেরই দূত’। আমার কাছে দুর্গাপুজোর প্রধান আকর্ষণ তিনটি। খাওয়া-দাওয়া, সাজগোজ ও প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা। খাওয়ার খুব একটা ভক্ত আমি নই। তাই সাজগোজ আর প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখাই আমার কাছে সব চাইতে বড় আকর্ষণ। ঠিক হয়েছিল অষ্টমীর দিন আমরা ঠাকুর দেখতে যাব। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি হওয়াতে আর যাওয়া হল না। আমি মন খারাপ করে ঘরে বসেছিলাম। রাত দশটার দিকে বাবা বলল— ‘এত মন খারাপ? চল তাহলে তোকে আশপাশের কটা ঠাকুর দেখিয়ে নিয়ে আসি।’ আমি তো এককথায় রাজি। মাকে বললাম আধ ঘণ্টার মধ্যে ফিরছি। তারপর এগারোটা নাগাদ আমি আর
বাবা স্কুটিতে করে বেরলাম। ব্যস! আর আমাদের পায় কে? পুরো শহর চষে ফেললাম। বৃষ্টি ভেজা গাছের পাতায় আলোর ঝলকানি রাতকে আরও মায়াবী করে তুলেছিল। মেঘলা আকাশের নীচে আলোর ছটা যেন প্যান্ডেলকে আরও সুন্দরী
করে তুলেছিল। হঠাৎ কী খেয়াল হল, ঘড়ির
দিকে তাকিয়ে দেখি রাত একটা বাজে। বৃষ্টির
জন্য মোবাইলও আনিনি। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলাম। বাকিটা আর না বলাই ভালো। মনে
হল যেন আমাদের ওপর দিয়ে একসঙ্গে ও একনাগাড়ে সুনামি ও কালবৈশাখী বয়ে গেল। তবে যাইহোক, বাবার সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যাওয়ার এই স্মৃতি আমার কাছে চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।
অগ্নিকণা বিশ্বাস
নবম শ্রেণী, জে আর এস পাবলিক স্কুল
ইছামতী নদীতে বিসর্জন দেখতে যাই
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। দুর্গাপুজো মানেই খাওয়া-দাওয়া, প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে হইচই করে ঠাকুর দেখা। এই উৎসবের প্রতীক্ষায় বাঙালি সারা বছর দিন গোনে। দেবীপক্ষের সূচনা হলে প্রকৃতির মধ্যে মায়ের মর্তে আগমনের বার্তা পাই। গত পঞ্চমীতে আমি বাবা-মা’র সঙ্গে ঠাকুর দেখতে কলকাতায় যাই। সঙ্গে বোনও ছিল। সারারাত ঠাকুর দেখে সকালে বাড়ি ফিরি। পুজোর সময় হইচই করে ঠাকুর দেখার পাশাপাশি একটি বিষয় আমার মনকে নাড়া দেয়। আমাদের এলাকার অসহায় একশোরও বেশি বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে ঠাকুর দেখানোর ব্যবস্থা করেন আমার বাবা ও তাঁর বন্ধুরা। সপ্তমীর দুপুর থেকে বাসে করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বারাসতের বিভিন্ন প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখানো হয়। আমি কয়েকজন দাদু-ঠাকুমাকে হাত ধরে বাস থেকে নামিয়ে মণ্ডপে নিয়ে যাই। সেই সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের উজ্জ্বল মুখ দেখে আমার মন আনন্দে ভরে যায়। ঠাকুর দেখানো শেষে তাঁদের মিষ্টি মুখ করানো হয়। বাড়ি ফেরার সময় আমাদের সকলকে তাঁরা মন ভরে আশীর্বাদ করেন। অষ্টমী নবমীতে পাড়ার পুজোতে আনন্দ করি দশমীর দিন ঘট বিসর্জনের পরে আমার মন খারাপ হয়ে যায়। দুর্গা মায়ের বিদায়ের সুর অনুভব করি, দশমীর বিকেলে
টাকিতে ইছামতী নদীতে দুই বাংলার ঠাকুর বিসর্জন দেখতে যাই বাবা-মা’র সঙ্গে। নৌকা করে ইছামতী নদীতে ঘুরেছি। এই বিসর্জন পর্ব আমার অবিস্মরণীয় লেগেছে। বাংলাদেশের মানুষদের সঙ্গে কথা বলেছি। রাতে রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করে বাড়ি ফিরেছি। এ বছরও আমাদের এলাকার দাদু-ঠাকুমাদের
সপ্তমীর দিন ঠাকুর দেখাতে শামিল হব।
শুভম ভট্টাচার্য
অষ্টম শ্রেণী, বারাসত ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাই স্কুল
দুর্গাকে নিয়ে বাড়িতে এল মাসি
সপ্তমীর দিন আমরা প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখতে যাব। সকাল থেকেই মনটা খুশিতে ভরা। গীতামাসিও বাড়িতে কাজে এসেছেন। কথায় কথায় মাকে বললেন, ‘জানো দিদি তোমার মেয়ের মতো আমারও একটা মেয়ে আছে। নাম দুর্গা। পুজোয় ওকে একটাও জামা কিনে দিতে পারিনি। কত দিন হল ওর বাবার কোনও খোঁজ নেই। কোথায় যে গেল লোকটা...’ বলতে বলতে মাসির চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। আমি মাকে বললাম ‘পুজোয় আমার জন্য কেনা একটা পোশাক দুর্গাকে দাও।’ মা আমার কথায় খুশি হয়ে দুর্গাকে জামা ও মাসিকে শাড়ি দিলেন। আর মাসিকে বললেন, ‘মা-মেয়ে আজ সন্ধ্যায় নতুন পোশাক পরে বাড়িতে এসো, ঠাকুর দেখতে যাব। মাসি দুর্গাকে নিয়ে এলেন। বাবার ভাড়া করা টোটোয় আমরা ঠাকুর দেখতে গেলাম। ক্রমে দুর্গার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। প্যান্ডেলের কারুকার্য, প্রতিমা ও রংবাহারী আলোর খেলা দেখালাম। বাবা একটা রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলেন। সবাই বিরিয়ানি, আইসক্রিম খেলাম। দুর্গা প্রথমবার এভাবে ঠাকুর দেখল। ও আনন্দে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল— ‘তোমার মতো বন্ধুর কথা সারা জীবন মনে থাকবে’। দুর্গাকে নিয়ে ঠাকুর দেখার আনন্দ আমার অন্তরে গাঁথা হয়ে থাকবে।
অনসূয়া প্রামাণিক
সপ্তম শ্রেণী, হুগলি গার্লস হাই স্কুল
প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখি
আমি থাকি কাটোয়াতে। কিন্তু প্রতি বছর কলকাতায় ঠাকুর দেখতে যাই। পঞ্চমী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখি। একবার চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে শ্রীভূমিতে বাহুবলীর প্যান্ডেল দেখেছিলাম। ভেতরের ঝাড়বাতিটা দেখে পায়ের ব্যথা ভুলে গিয়েছিলাম। প্রতিবার হাতিবাগান, কুমোরটুলি ও দক্ষিণ কলকাতার প্রতিমা অবশ্যই দর্শন করি। গত বছর একদিন প্রতিমা দেখার পর বিবেকানন্দ রোডে বাস বা ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু কিছুই পাচ্ছিলাম না। ঘড়িতে তখন রাত ১১টা। এদিকে ফেরার শেষ ট্রেন রাত ১২টায়। আমরা খুব ভয় পাচ্ছিলাম ট্রেনটা পাব কি না। বাবা খুব চিন্তা করছিলেন। মায়ের মুখ কাঁচুমাচু। কিন্তু আমি ভাবছিলাম ট্রেনটা না পেলেই ভালো, আরও কয়েকটা ঠাকুর দেখব, ফুচকা খাবো। কিন্তু হঠাৎই এক ট্যাক্সিচালক এসে বললেন, ‘হাওড়া যাবেন নাকি?’ বাবা সিংহের মতো লাফিয়ে ট্যাক্সিতে উঠলেন। আমিও কলকাতাকে শুভরাত্রি জানিয়ে ট্রেন ধরতে চললাম। তবে এবার আমার একটা নতুন ইচ্ছা আছে। কাটোয়াতে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দুঃস্থ বাচ্চাদের সাহায্য করে। আমি আমার জামা কেনার টাকা বাঁচিয়ে কিছুটা সাহায্য করে ওদের আনন্দে শামিল হব।
মৌসম দাস
পঞ্চম শ্রেণী, কাটোয়া কাশীরাম দাস বিদ্যায়তন
হইচই করে পাঁচদিন কেটে যায়
‘শরৎ আসে দূর্বা ঘাসে শিশির হাসে ফিক্‌ রোদের সোনা যায় না গোনা ভরলো চারিদিক।’ পুজো মানেই হইচই, ভালোমন্দ খাওয়া আর প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখা। আমরা ছোটরা সেজেগুজে, নতুন জামাকাপড় পরে সকাল-বিকাল ঠাকুর দেখতে পারলে আর কিছু চাই না, এত হইচই-এর মধ্যে দিয়ে কোথা থেকে পাঁচদিন কেটে যায় বুঝতেই পারি না। ছেলেবেলায় যখন বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যেতাম তখন দেখতাম, কত ছেলেমেয়ে তাদের বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে যাচ্ছে। আমারও মনে হতো আমি বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে যাব। তার জন্য বেশিদিন অপেক্ষা করতে হল না। কারণ গতবছর আমার সেই সুযোগ মিলল। আমি স্কুলের বাসে করে স্কুল যাতায়াত করি। বাসের কাকুরা আমাদের বাসের ছাত্রীদের দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে নিয়ে গেলেন। প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল নিজেকে স্বপ্নের জগতে হারিয়ে ফেলছি। প্যান্ডেলগুলো আলোয় ঝলমল করছিল। এক এক জায়গার মা দুর্গাকে এক এক রকমভাবে সাজানো হয়েছিল। ঘুরতে ঘুরতে খিদে পেয়ে যাওয়ায় সামনে থাকা দোকান থেকে কাকুরা পছন্দমতো খাবার খেতে বলেছিলেন। ফুচকা, ঘুগনি, ঝালমুড়ি এত লোভনীয় খাবার দেখে ঠিক করতে পারছিলাম না কোনটা ছেড়ে কোনটা খাব। মোট দশটা ঠাকুর দেখলাম। এর মধ্যে আহিরীটোলা ও কাশীবোস লেনের মণ্ডপসজ্জা সবথেকে বেিশ ভালো লেগেছিল। আর ভালো লেগেছিল বিকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখা। আমার এই মজাদার অভিজ্ঞতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেবস্মিতা দে
সপ্তম শ্রেণী, হোলি চাইল্ড ইনস্টিটিউট হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল (কলকাতা)
ঠাকুর দেখার সঙ্গে ফুচকা, বিরিয়ানি...
পুজো মানেই আনন্দের উৎসব, কাছের মানুষদের সঙ্গে বেরবার মজা। প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা। আমার পুজো শুরু হয় চতুর্থী থেকে। ছুটিতে কেউ পড়তে বসতে বলে না। কলকাতার ঠাকুর না দেখলে পুজো মনেই হয় না। সাবেকিয়ানা ও থিমের লড়াইয়ে কলকাতার পুজো সেরা। সাবেকিয়ানার মধ্যে বাগবাজারের ঠাকুর না দেখলে পুজোতে মন ভরে না। থিমের জন্য দক্ষিণ কলকাতায় ঠাকুর না দেখলে ভালোই লাগে না। উত্তর কলকাতার আহিরিটোলা ও কুমোরটুলির ঠাকুর সেরা। তবে পাড়ার পুজোও খুব ভালো। সারাদিন পাড়ায় থাকি। বিকেলে কলকাতায় ঠাকুর দেখি। কখনও মাসিদের সঙ্গে, কখনও সপরিবারে। আবার দিদির সঙ্গেও বেরিয়ে পড়ি। ঠাকুর দেখার সঙ্গে চলে ফুচকা, চাউমিন, বিরিয়ানি। ভিড়ে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা। পঞ্চমী থেকে নবমী, উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুর দেখে দিন চলে যায়। তবে মা-এর বিদায়ের দিন এগিয়ে এলে মন খারাপ হয়ে যায়। মনের দুঃখে ভাবি, অাবার এক বছরের অপেক্ষা।
শৌর্য আইচ
নবম শ্রেণী, গভঃ স্পনসর্ড মালটিপারপাস স্কুল (বয়েজ), টাকী হাউস 
29th  September, 2019
বিনয় বাদল দীনেশ 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার বিনয়, বাদল ও দীনেশ। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

08th  December, 2019
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ইতিহাস।এবার মাধ্যমিকের জন্য প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ অধ্যায়টি ভালো করে পড়ো। পরামর্শে মাল্টিপারপাস গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল আলিপুর-এর ইতিহাসের শিক্ষিকা তপতী নায়েক।
 
বিশদ

08th  December, 2019
লাশঘর এবং দুটি পিপে
দেবল দেববর্মা 

ওকালতি পরীক্ষায় পাশ করার পর কোর্ট চত্বরে বছরখানেক ঘোরাঘুরি করে তেমন ফললাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত একটা পরীক্ষা দিয়ে মুন্সেফের চাকরি পেলাম। অল্প কিছুদিন শিক্ষানবিশীর পর আমাকে পাঠানো হল বাঁকুড়ায় থার্ড মুন্সেফের পদে। ছোটখাট একটা কোয়ার্টার ছিল আমার। পরে শুনলাম ওটা নাকি থার্ড মুন্সেফের জন্যই নির্দিষ্ট, কোর্টের একজন পিওনই আমার দেখভাল করত।  
বিশদ

08th  December, 2019
‘চিন্তার জগৎকে বড় করে পৃথিবীটা বদলে দিন...’ 

আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারকে পৃথিবী চেনে ‘টার্মিনেটর’ হিসেবে। তিনি একজন অভিনেতা, পেশাদার বডিবিল্ডার। রাজনীতিও করেছেন। ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর। এসব পরিচয় ছাপিয়েও তরুণদের কাছে তিনি একজন অনুপ্রেরণাদায়ী বক্তা। সম্প্রতি স্পিকোলা ডটকম-এ প্রকাশিত হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে দেওয়া তাঁর এক বক্তৃতা। সেই বক্তৃতা তোমাদের জন্য তুলে দিলেন মৃণালকান্তি দাস। 
বিশদ

24th  November, 2019
সারা বাংলা অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন
করেছে ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্যাল কালচার 

আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই। তোমরা যারা ছবি আঁকতে ভালোবাসো তাদের কথা মাথায় রেখে সারা বাংলা অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্যাল কালচার। আগামী ১৫ ডিসেম্বর সংস্থার নির্দিষ্ট জায়গায় এই বিশেষ প্রতিযোগিতাটি হবে। 
বিশদ

24th  November, 2019
মার্কশিট

তোমাদের জন্য শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ইংরেজি।
  বিশদ

24th  November, 2019
নোলকপুরের গোলকরাজা
প্রদীপ আচার্য

নোলকপুরের রাজার কান্না আর থামছে না। দিনরাত ভেউ ভেউ করে কেঁদেই চলেছে। ঘুম থেকে উঠেই রাজা কাঁদতে শুরু করে। আবার কাঁদতে কাঁদতেই ঘুমিয়ে পড়ে। তারই ফাঁকে ব্রেকফাস্টে গোটা দুয়েক আস্ত চিকেন রোস্ট, দিস্তা দিস্তা বাটার টোস্ট, কাটলেট, ওমলেট ভরপেট খাচ্ছে। 
বিশদ

24th  November, 2019
গোলাপি বিপ্লবের সন্ধিক্ষণে ইডেন

ছোট্টবন্ধুরা! তোমরা যারা ক্রিকেট খেলা দেখতে ভালোবাসো, বা যারা ক্রিকেটের খোঁজখবর একটু আধটু রাখো, তারা নিশ্চয়ই ইডেনে দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ হওয়ার খবর জানো। ভারত তাদের প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচটি খেলতে নামছে ২২ নভেম্বর, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। 
বিশদ

17th  November, 2019
অরণ্যে অ্যাডভেঞ্চার

গা ছমছমে গহিন অরণ্য। দূর থেকে শোনা যাচ্ছে জলপ্রপাতের গর্জন। পথে বন্য পশুর ভয়। কোথাও ভয়ঙ্কর নদী পেরতে হবে। এমনই কয়েকটি অরণ্যের কথা তোমাদের শুনিয়েছেন সায়ন নস্কর। 
বিশদ

17th  November, 2019
ছোটদের রান্নাঘর 

তোমাদের জন্য চলছে একটি আকর্ষণীয় বিভাগ ছোটদের রান্নাঘর। এই বিভাগ পড়ে তোমরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলতে পারবে লোভনীয় খাবারদাবার। বাবা-মাকেও চিন্তায় পড়তে হবে না। কারণ আগুনের সাহায্য ছাড়া তৈরি করা যায় এমন রেসিপিই থাকবে তোমাদের জন্য। এবার সেরকমই দুটি জিভে জল আনা রেসিপি দিয়েছেন দ্য পার্কিং লট রেস্তোরাঁর এক্সিকিউটিভ শেফ সুমিত রঘুবংশী। 
বিশদ

10th  November, 2019
জওহরলাল নেহরুর ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

10th  November, 2019
ছোটদের ভালোবাসতেন চাচা নেহেরু 

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। শিশুদের কাছে তিনি চাচা নেহরু হিসেবে বেশি জনপ্রিয়। নেহরু ছোটদের খুব ভালোবাসতেন বলে তাঁর জন্মদিনটি অর্থাৎ ১৪ নভেম্বর দেশজুড়ে শিশুদিবস পালিত হয়। প্রিয় চাচা নেহরুকে নিয়ে লিখেছে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা।  
বিশদ

10th  November, 2019
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য চলছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় বাংলা।
 
বিশদ

03rd  November, 2019
সে কি সত্যি হবে! 
আয়ূষী বন্দ্যোপাধ্যায়

পাইন আর দেওদার গাছের মধ্যে পাখির বাসা থাকে কি না তা ঠিক জানা নেই, তবে এক মিষ্টি পাখির কূজন কানে ভেসে আসে রোজই। গতকাল রাতে অমন ঝড়, বৃষ্টি, দম্ভোলি হয়েছে কে বলবে? ভোরের প্রভাকরের প্রকীর্ণ আভা যেন দুর্যোগকে নিশ্চিহ্ন করেছে। ঈশ্বরের দেশে সবই তো তাঁর লীলাখেলা, সেখানে যে নেই কোনও মোহ, মায়া, মাৎসর্য। শুধুই আছে মনকে দয়ার্দ্র করে তোলার পরিপূর্ণ রসদ। 
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
পানাজি, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): গোয়ায় বসবাসকারী পর্তুগিজ পাসপোর্টধারীদের উপর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের কোনও প্রভাব পড়বে না। শুক্রবার গোয়ার এনআরআই কমিশনের পক্ষ থেকে এই কথা জানানো হয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নভেম্বর মাসে এলআইসি’র পলিসি বিক্রির হার বাড়ল। দেশে ১০০টি পলিসি বিক্রি পিছু ৮৪টিই এলআইসি’র। নভেম্বর মাসে এলআইসি’র মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি বোঝাতে গিয়ে এমনটাই জানালেন সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় জোনাল ম্যানেজার দীনেশ ভগত। ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শুক্রবার মাথাভাঙা-১ ব্লকের নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের গেন্দুগুড়িতে ১০০ দিনের কাজে মাটির রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন শ্রমিকরা প্রায় এককিমি রাস্তার কাজ শুরু করেন।  ...

ওয়াশিংটন, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই অসমে তিনজনের প্রাণ গিয়েছে। অসম ছাড়াও দেশের নানা রাজ্যে সাধারণ মানুষ ওই আইনের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ফের চাপ বাড়াল আমেরিকা।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৪: অভিনেতা ও পরিচালক রাজ কাপুরের জন্ম
১৯৩১: কুমিল্লায় বিপ্লবী শান্তি ঘোষ ও সুনীতি চৌধুরি ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেনসকে হত্যা করেন
১৯৩৪: পরিচালক শ্যাম বেনেগালের জন্ম
১৯৫৩: ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় বিজয় অমৃতরাজের জন্ম
১৯৫৭: হাওড়া এবং ব্যান্ডেলের মধ্যে প্রথম চালু হল বৈদ্যুতিক ট্রেন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৬/২৯ দিবা ৮/৪৭। পুনর্বসু ৫৭/৮ শেষরাত্রি ৫/৩। সূ উ ৬/১১/৫৯, অ ৪/৪৯/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৮/৪৯/১৯ দিবা ৯/৪৫/২৯। আর্দ্রা ২/৫১/২২ দিবা ৭/২২/১৮, সূ উ ৬/১৩/৪৫, অ ৪/৫০/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ৯/৫২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৪৬ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৩/১৮ মধ্যে ও ৩/৩০/৩৭ গতে ৪/৫০/১০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০/৩৭ মধ্যে ও ৪/৩৩/১৮ গতে ৬/১৪/২৯ মধ্যে। 
১৬ রবিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরিষায় ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ 

04:00:54 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: মুর্শিদাবাদের রানিনগরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর 

03:44:09 PM

রাজ্যের পরিস্থিতি দেখে কষ্ট হচ্ছে, ট্যুইট রাজ্যপালের 
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে রাজ্যুজড়ে তীব্র বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন ...বিশদ

03:39:00 PM

সাঁকরাইল স্টেশনে অগ্নিসংযোগ 

03:14:18 PM

আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না, বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্য আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর 
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামা বিক্ষোভকারীদের গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলনের ...বিশদ

02:18:42 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানায় হামলা বিক্ষোভকারীদের 

01:41:03 PM