Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা 

‘প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা’ এই ছিল এবারের লেখার বিষয়বস্তু। তোমাদের এত লেখা পেয়ে আমরা আপ্লুত। সেইসব মজাদার লেখার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হয়েছে কয়েকটা। বাছাই করা লেখাগুলিই প্রকাশিত হল আজ, শিউলিস্নাত শারদ সকালে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে।
চতুর্থী থেকে ঠাকুর দেখা শুরু করি
পুজো মানেই প্যান্ডেল ঘুরে রাত্রি অবধি ঠাকুর দেখা, খাওয়া-দাওয়া ও মজা করা। ভিড় এড়াতে চতুর্থীর দিনটি বেছে নিই ঠাকুর দেখার জন্য। গতবার দক্ষিণ কলকাতা দিয়েই শুরু করেছিলাম। রাত আটটা নাগাদ বেরিয়ে প্রথমেই গেলাম খিদিরপুরে। তারপর আলিপুর রোড ধরে চেতলা অগ্রণী ও সুরুচি সংঘ। প্রতিটি প্যান্ডেলের বাইরে অজস্র লোকের লাইন। আধ ঘণ্টার ওপর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাতৃমূর্তির দেখা পাওয়া যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো। প্রতিটি বড় প্যান্ডেলেই থাকে কোনও না কোনও থিম। কোনও কোনওটায় দেখাচ্ছে গ্রামের দৃশ্য— জোনাকি শব্দ, কাশফুল, মাটির ঘর। মনে হল যেন সত্যি কোনও এক গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়েছি। কোনওটায় থাকে ইতিহাসের ছোঁয়া। চলে যায় আদিম যুগে। থাকে পাহাড়, কুলকুল নদী ও গাছের ছাল পরা আদিম মানুষ। আগুনের সামনে বসে থাকে তারা। পাহাড় ভাঙা, নিজেদের মধ্যে মারপিট করে, মনে হয় সত্যি সেই যাযাবর জীবনে পৌঁছে গিয়েছি। আবার কোথাও পুরুলিয়া, বেলপাহাড়ির ছোঁয়া। এক মুহূর্তে বর্ধমান উধাও— শুধুই অতীত বিচরণ। এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা, পুজো মানেই তাই একটা বাড়তি পাওনা। এক রঙিন রোমান্টিক জগতে প্রবেশ করা।
অরিত্রী অধিকারী
দশম শ্রেণী, অগাস্টিনস পাবলিক স্কুল
গ্রামের পুজো দেখার মজাই আলাদা
প্রতিবার পুজোয় আমরা ঝাড়গ্রামে থাকি। পঞ্চমী ও ষষ্ঠীতে ঝাড়গ্রামের পুজো প্যান্ডেলগুলি দেখা শেষ করি। তারপরে শুরু আসল আনন্দ। এবার গ্রামে পুজো দেখার পালা। সেখানে ভিড় নেই, রঙিন আলো নেই, কিন্তু শান্তি আছে। তিন-চারটি গ্রামের মাঝে হয়তো একটি পুজো। ধানখেতের আল ধরে ছোটরা সেই পুজো দেখতে আসে। শালবনের রাস্তা ধরে গ্রামের পুজো দেখতে যাওয়া খুবই আনন্দের। একবার ঝাড়গ্রাম শহরের একটি পুজো আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছিল। প্যান্ডেল তো নয়, যেন সত্যিকারের ‘জঙ্গল বুক’। সেখানে শেরখান ছিল। ছিল বাঘিরা, বালু এবং মোগলি। চমকে দেখি মাথার উপরে চেরা জিভ লকলক করছে একটি সাপ। কিন্তু এবার মন ভালো নেই। আমার দিদা আমাদের ছেড়ে আকাশে চলে গেছেন। তাই ঝাড়গ্রাম শহরের আশপাশে প্যান্ডেলে যাব। দেখব ঢাকে কাঠি পড়লে ছোটরা কেমন আনন্দে নাচে। ধানখেতের গন্ধে, শিউলি ফুলের গন্ধে দিদার কথা মনে পড়বে। আকাশে মেঘের মধ্যে আমি নানা ছবি দেখতে পাই। এবারে কি মেঘের মধ্যে দিদাকে দেখতে পাব? সেই উত্তর আমার জানা নেই।
কৌস্তভ সরেন
চতুর্থ শ্রেণী, রানি ইন্দিরাদেবী শিক্ষাসদন, ঝাড়গ্রাম
বৃষ্টিতেও ঠাকুর দেখতে গিয়েছি
পুজো মানেই আমার কাছে পড়াশোনা শিকেয় তুলে সাপের পাঁচ পা দেখা। তখন আর কোনও বাঁধন আমার কৈশোরের উচ্ছ্বসিত উদ্দীপনা আটকাতে পারে না। মনে বেজে ওঠে— ‘আমরা নতুন যৌবনেরই দূত’। আমার কাছে দুর্গাপুজোর প্রধান আকর্ষণ তিনটি। খাওয়া-দাওয়া, সাজগোজ ও প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা। খাওয়ার খুব একটা ভক্ত আমি নই। তাই সাজগোজ আর প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখাই আমার কাছে সব চাইতে বড় আকর্ষণ। ঠিক হয়েছিল অষ্টমীর দিন আমরা ঠাকুর দেখতে যাব। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি হওয়াতে আর যাওয়া হল না। আমি মন খারাপ করে ঘরে বসেছিলাম। রাত দশটার দিকে বাবা বলল— ‘এত মন খারাপ? চল তাহলে তোকে আশপাশের কটা ঠাকুর দেখিয়ে নিয়ে আসি।’ আমি তো এককথায় রাজি। মাকে বললাম আধ ঘণ্টার মধ্যে ফিরছি। তারপর এগারোটা নাগাদ আমি আর
বাবা স্কুটিতে করে বেরলাম। ব্যস! আর আমাদের পায় কে? পুরো শহর চষে ফেললাম। বৃষ্টি ভেজা গাছের পাতায় আলোর ঝলকানি রাতকে আরও মায়াবী করে তুলেছিল। মেঘলা আকাশের নীচে আলোর ছটা যেন প্যান্ডেলকে আরও সুন্দরী
করে তুলেছিল। হঠাৎ কী খেয়াল হল, ঘড়ির
দিকে তাকিয়ে দেখি রাত একটা বাজে। বৃষ্টির
জন্য মোবাইলও আনিনি। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলাম। বাকিটা আর না বলাই ভালো। মনে
হল যেন আমাদের ওপর দিয়ে একসঙ্গে ও একনাগাড়ে সুনামি ও কালবৈশাখী বয়ে গেল। তবে যাইহোক, বাবার সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যাওয়ার এই স্মৃতি আমার কাছে চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।
অগ্নিকণা বিশ্বাস
নবম শ্রেণী, জে আর এস পাবলিক স্কুল
ইছামতী নদীতে বিসর্জন দেখতে যাই
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। দুর্গাপুজো মানেই খাওয়া-দাওয়া, প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে হইচই করে ঠাকুর দেখা। এই উৎসবের প্রতীক্ষায় বাঙালি সারা বছর দিন গোনে। দেবীপক্ষের সূচনা হলে প্রকৃতির মধ্যে মায়ের মর্তে আগমনের বার্তা পাই। গত পঞ্চমীতে আমি বাবা-মা’র সঙ্গে ঠাকুর দেখতে কলকাতায় যাই। সঙ্গে বোনও ছিল। সারারাত ঠাকুর দেখে সকালে বাড়ি ফিরি। পুজোর সময় হইচই করে ঠাকুর দেখার পাশাপাশি একটি বিষয় আমার মনকে নাড়া দেয়। আমাদের এলাকার অসহায় একশোরও বেশি বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে ঠাকুর দেখানোর ব্যবস্থা করেন আমার বাবা ও তাঁর বন্ধুরা। সপ্তমীর দুপুর থেকে বাসে করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বারাসতের বিভিন্ন প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখানো হয়। আমি কয়েকজন দাদু-ঠাকুমাকে হাত ধরে বাস থেকে নামিয়ে মণ্ডপে নিয়ে যাই। সেই সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের উজ্জ্বল মুখ দেখে আমার মন আনন্দে ভরে যায়। ঠাকুর দেখানো শেষে তাঁদের মিষ্টি মুখ করানো হয়। বাড়ি ফেরার সময় আমাদের সকলকে তাঁরা মন ভরে আশীর্বাদ করেন। অষ্টমী নবমীতে পাড়ার পুজোতে আনন্দ করি দশমীর দিন ঘট বিসর্জনের পরে আমার মন খারাপ হয়ে যায়। দুর্গা মায়ের বিদায়ের সুর অনুভব করি, দশমীর বিকেলে
টাকিতে ইছামতী নদীতে দুই বাংলার ঠাকুর বিসর্জন দেখতে যাই বাবা-মা’র সঙ্গে। নৌকা করে ইছামতী নদীতে ঘুরেছি। এই বিসর্জন পর্ব আমার অবিস্মরণীয় লেগেছে। বাংলাদেশের মানুষদের সঙ্গে কথা বলেছি। রাতে রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করে বাড়ি ফিরেছি। এ বছরও আমাদের এলাকার দাদু-ঠাকুমাদের
সপ্তমীর দিন ঠাকুর দেখাতে শামিল হব।
শুভম ভট্টাচার্য
অষ্টম শ্রেণী, বারাসত ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাই স্কুল
দুর্গাকে নিয়ে বাড়িতে এল মাসি
সপ্তমীর দিন আমরা প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখতে যাব। সকাল থেকেই মনটা খুশিতে ভরা। গীতামাসিও বাড়িতে কাজে এসেছেন। কথায় কথায় মাকে বললেন, ‘জানো দিদি তোমার মেয়ের মতো আমারও একটা মেয়ে আছে। নাম দুর্গা। পুজোয় ওকে একটাও জামা কিনে দিতে পারিনি। কত দিন হল ওর বাবার কোনও খোঁজ নেই। কোথায় যে গেল লোকটা...’ বলতে বলতে মাসির চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। আমি মাকে বললাম ‘পুজোয় আমার জন্য কেনা একটা পোশাক দুর্গাকে দাও।’ মা আমার কথায় খুশি হয়ে দুর্গাকে জামা ও মাসিকে শাড়ি দিলেন। আর মাসিকে বললেন, ‘মা-মেয়ে আজ সন্ধ্যায় নতুন পোশাক পরে বাড়িতে এসো, ঠাকুর দেখতে যাব। মাসি দুর্গাকে নিয়ে এলেন। বাবার ভাড়া করা টোটোয় আমরা ঠাকুর দেখতে গেলাম। ক্রমে দুর্গার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। প্যান্ডেলের কারুকার্য, প্রতিমা ও রংবাহারী আলোর খেলা দেখালাম। বাবা একটা রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলেন। সবাই বিরিয়ানি, আইসক্রিম খেলাম। দুর্গা প্রথমবার এভাবে ঠাকুর দেখল। ও আনন্দে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল— ‘তোমার মতো বন্ধুর কথা সারা জীবন মনে থাকবে’। দুর্গাকে নিয়ে ঠাকুর দেখার আনন্দ আমার অন্তরে গাঁথা হয়ে থাকবে।
অনসূয়া প্রামাণিক
সপ্তম শ্রেণী, হুগলি গার্লস হাই স্কুল
প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখি
আমি থাকি কাটোয়াতে। কিন্তু প্রতি বছর কলকাতায় ঠাকুর দেখতে যাই। পঞ্চমী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখি। একবার চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে শ্রীভূমিতে বাহুবলীর প্যান্ডেল দেখেছিলাম। ভেতরের ঝাড়বাতিটা দেখে পায়ের ব্যথা ভুলে গিয়েছিলাম। প্রতিবার হাতিবাগান, কুমোরটুলি ও দক্ষিণ কলকাতার প্রতিমা অবশ্যই দর্শন করি। গত বছর একদিন প্রতিমা দেখার পর বিবেকানন্দ রোডে বাস বা ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু কিছুই পাচ্ছিলাম না। ঘড়িতে তখন রাত ১১টা। এদিকে ফেরার শেষ ট্রেন রাত ১২টায়। আমরা খুব ভয় পাচ্ছিলাম ট্রেনটা পাব কি না। বাবা খুব চিন্তা করছিলেন। মায়ের মুখ কাঁচুমাচু। কিন্তু আমি ভাবছিলাম ট্রেনটা না পেলেই ভালো, আরও কয়েকটা ঠাকুর দেখব, ফুচকা খাবো। কিন্তু হঠাৎই এক ট্যাক্সিচালক এসে বললেন, ‘হাওড়া যাবেন নাকি?’ বাবা সিংহের মতো লাফিয়ে ট্যাক্সিতে উঠলেন। আমিও কলকাতাকে শুভরাত্রি জানিয়ে ট্রেন ধরতে চললাম। তবে এবার আমার একটা নতুন ইচ্ছা আছে। কাটোয়াতে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দুঃস্থ বাচ্চাদের সাহায্য করে। আমি আমার জামা কেনার টাকা বাঁচিয়ে কিছুটা সাহায্য করে ওদের আনন্দে শামিল হব।
মৌসম দাস
পঞ্চম শ্রেণী, কাটোয়া কাশীরাম দাস বিদ্যায়তন
হইচই করে পাঁচদিন কেটে যায়
‘শরৎ আসে দূর্বা ঘাসে শিশির হাসে ফিক্‌ রোদের সোনা যায় না গোনা ভরলো চারিদিক।’ পুজো মানেই হইচই, ভালোমন্দ খাওয়া আর প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখা। আমরা ছোটরা সেজেগুজে, নতুন জামাকাপড় পরে সকাল-বিকাল ঠাকুর দেখতে পারলে আর কিছু চাই না, এত হইচই-এর মধ্যে দিয়ে কোথা থেকে পাঁচদিন কেটে যায় বুঝতেই পারি না। ছেলেবেলায় যখন বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যেতাম তখন দেখতাম, কত ছেলেমেয়ে তাদের বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে যাচ্ছে। আমারও মনে হতো আমি বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে যাব। তার জন্য বেশিদিন অপেক্ষা করতে হল না। কারণ গতবছর আমার সেই সুযোগ মিলল। আমি স্কুলের বাসে করে স্কুল যাতায়াত করি। বাসের কাকুরা আমাদের বাসের ছাত্রীদের দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে নিয়ে গেলেন। প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল নিজেকে স্বপ্নের জগতে হারিয়ে ফেলছি। প্যান্ডেলগুলো আলোয় ঝলমল করছিল। এক এক জায়গার মা দুর্গাকে এক এক রকমভাবে সাজানো হয়েছিল। ঘুরতে ঘুরতে খিদে পেয়ে যাওয়ায় সামনে থাকা দোকান থেকে কাকুরা পছন্দমতো খাবার খেতে বলেছিলেন। ফুচকা, ঘুগনি, ঝালমুড়ি এত লোভনীয় খাবার দেখে ঠিক করতে পারছিলাম না কোনটা ছেড়ে কোনটা খাব। মোট দশটা ঠাকুর দেখলাম। এর মধ্যে আহিরীটোলা ও কাশীবোস লেনের মণ্ডপসজ্জা সবথেকে বেিশ ভালো লেগেছিল। আর ভালো লেগেছিল বিকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে ঠাকুর দেখা। আমার এই মজাদার অভিজ্ঞতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেবস্মিতা দে
সপ্তম শ্রেণী, হোলি চাইল্ড ইনস্টিটিউট হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল (কলকাতা)
ঠাকুর দেখার সঙ্গে ফুচকা, বিরিয়ানি...
পুজো মানেই আনন্দের উৎসব, কাছের মানুষদের সঙ্গে বেরবার মজা। প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা। আমার পুজো শুরু হয় চতুর্থী থেকে। ছুটিতে কেউ পড়তে বসতে বলে না। কলকাতার ঠাকুর না দেখলে পুজো মনেই হয় না। সাবেকিয়ানা ও থিমের লড়াইয়ে কলকাতার পুজো সেরা। সাবেকিয়ানার মধ্যে বাগবাজারের ঠাকুর না দেখলে পুজোতে মন ভরে না। থিমের জন্য দক্ষিণ কলকাতায় ঠাকুর না দেখলে ভালোই লাগে না। উত্তর কলকাতার আহিরিটোলা ও কুমোরটুলির ঠাকুর সেরা। তবে পাড়ার পুজোও খুব ভালো। সারাদিন পাড়ায় থাকি। বিকেলে কলকাতায় ঠাকুর দেখি। কখনও মাসিদের সঙ্গে, কখনও সপরিবারে। আবার দিদির সঙ্গেও বেরিয়ে পড়ি। ঠাকুর দেখার সঙ্গে চলে ফুচকা, চাউমিন, বিরিয়ানি। ভিড়ে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা। পঞ্চমী থেকে নবমী, উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুর দেখে দিন চলে যায়। তবে মা-এর বিদায়ের দিন এগিয়ে এলে মন খারাপ হয়ে যায়। মনের দুঃখে ভাবি, অাবার এক বছরের অপেক্ষা।
শৌর্য আইচ
নবম শ্রেণী, গভঃ স্পনসর্ড মালটিপারপাস স্কুল (বয়েজ), টাকী হাউস 
29th  September, 2019
অ্যাভোকাডো অ্যান্ড স্মোকড স্যামন স্যান্ডউইচ 

 ব্রাউন অথবা হোয়াইট ব্রেড (পাউরুটি) ৮টি, চিজ স্প্রেড ৮ টেবিল চামচ, অ্যাভোকাডো ৩০০ গ্রাম, স্মোকড স্যামন ২৫০ গ্রাম, পাতিলেবুর রস ১ চা চামচ, ভার্জিন অলিভ অয়েল ২ টেবিল চামচ, লেটুসপাতা সামান্য, নুন স্বাদ অনুযায়ী, গোলমরিচ আন্দাজমতো, সার্ভিং ডিশ ৪টি, মিক্সিং ডিশ -১টি, ছোট চামচ ১টি, ছুরি ১টি। বিশদ

13th  September, 2020
ওভারনাইট ওটস 

 ওটস ১০০ গ্রাম, ইয়োগার্ট ২৫০ গ্রাম, মধু ৫০ গ্রাম, মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস খুব ছোট করে কাটা (আমন্ড, রেসিন, ওয়ালনাট, কাজু) ৫০ গ্রাম, আপেল-আঙ্গুর- পাকা পেঁপে সব মিলিয়ে (ছোট টুকরো করা) ১০ গ্রাম, সেরামিকের মিক্সিং বোল ১টি, সার্ভিং বোল ৪টি, চামচ ১টি। বিশদ

13th  September, 2020
ত্রিকোণমিতির প্রাথমিক ধারণা 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় দশম শ্রেণীর অঙ্ক।  পরামর্শে ব্যারাকপুর রাষ্ট্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের অঙ্কের শিক্ষক শ্যামল বিশ্বাস। বিশদ

13th  September, 2020
সেদিনের শিশুশিল্পীরা 

তোমাদের মতো  বয়সে যারা সিনেমায় অভিনয় করে মন জয় করেছিল সেই সব শিশুশিল্পীর কথা তোমাদের জানাচ্ছেন ড. শঙ্কর ঘোষ। বিশদ

13th  September, 2020
মার্কশিট
জীবজগতে সংবহণ একটি
গুরুত্বপূর্ণ ও বিচিত্র পদ্ধতি 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় নবম শ্রেণীর জীবনবিজ্ঞান।
ভাবতে অবাক লাগে তালগাছ, ‘একপায়ে দাঁড়িয়ে সব গাছ ছাড়িয়ে উঁকি দেয় আকাশে’। মাটি থেকে ৬০ বা ৭০ ফুট উঁচু সেই গাছের মাথায় জল পৌঁছয় কী করে? বাতাসের চাপে সেই জল তো এতদূর ওঠার কথা নয়। কী হয় তাহলে?
বিশদ

06th  September, 2020
মঙ্গলগ্রহে
জমি কিনবে? 

মঙ্গলগ্রহের মাটির তলায় নাকি জমে আছে বরফ। বরফ মানেই জল। জল মানেই প্রাণ! তাহলে কি লালগ্রহে মানুষ বাস করার মতো পরিবেশও গড়া সম্ভব? বিজ্ঞানীরা চালাচ্ছেন নিরন্তর গবেষণা। ফলাফল বেশ আশাজনক। লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

06th  September, 2020
ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের ছোটবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার
ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

30th  August, 2020
গুরু শিষ্যের অপূর্ব মেলবন্ধন 

৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবস— সর্বপল্লী ডঃ রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিন। প্রতি বছর এই দিনটা এলেই মনে হয়, ‘সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে’। ছাত্রাবস্থায় এবং শিক্ষক জীবনে, দুই ক্ষেত্রেই এই দিনটি কেমন যেন মনের গভীরে একটা চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছে।  বিশদ

30th  August, 2020
গুরুকে জানাই প্রণাম 

আমার সুবিধা অসুবিধা সব জানেন গুরুজি
 সেই ফেব্রুয়ারি মাসে গুরুজির সামনে শেষ বসেছিলাম তালিম নিতে। তারপর করোনার জন্য বাড়িতে আর গানের তালিম হবে কিনা বুঝতে পারছিলাম না। এপ্রিল মাসে গুরুজি ফোন করলেন।  
বিশদ

30th  August, 2020
আমরা করব জয়

জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। ভয় তো একটু করেই। তার ওপর করোনা মহামারীর কারণে প্রায় ছ’মাস স্কুল, টিউশন বন্ধ। অনলাইন ক্লাসে অভ্যস্ত হতে হতেই এগিয়ে আসছে পরীক্ষা। ভয় পেলে তো চলবে না। সব প্রতিকূলতা জয় করে এগতে হবে। তোমাদের কয়েকজন বন্ধু জানাল কী ভাবে তারা প্রস্তুত হচ্ছে পরীক্ষার জন্য। বিশদ

23rd  August, 2020
 পড়া পড়া খেলা

ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি তোমাদের জন্য হাজির করেছে গল্পের বইয়ের অগাধ সম্ভার। লাইব্রেরির ডিরেক্টরের সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

23rd  August, 2020
ভৌতবিজ্ঞানের ‘অ্যাসিড, ক্ষার,
লবণ’ অধ্যায়টি গুরুত্ব দিয়ে পড়

 তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় নবম শ্রেণীর ভৌতবিজ্ঞান। পরামর্শে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) ভৌতবিজ্ঞানের শিক্ষক স্নেহাংশু দে। বিশদ

23rd  August, 2020
ছায়াছবিতে বাংলার বীর বিপ্লবী

স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস পড়তে গিয়ে তোমরা নিশ্চয়ই আমাদের দেশের বিপ্লবীদের কথা জেনেছ। তাঁদের জীবন নিয়ে বেশ কিছু সিনেমা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের আগে এই সব বরেণ্য বিপ্লবীদের সংগ্রাম নিয়ে তৈরি সিনেমার কথায় ড. শঙ্কর ঘোষ।
বিশদ

09th  August, 2020
ইন্টারনেট স্লো?
কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাচ্ছে?

চিন্তা নেই, স্লো ইন্টারনেট এবং বারবার কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সমাধানে তোমাদের জন্য রইল কয়েকটি টিপস। বিশদ

09th  August, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রেলে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া, গত ২০১৯ সালের এরকম চারটি মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ সহ একাধিক অসঙ্গতির কারণে ২৩ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিল আদালত।   ...

সংবাদদাতা, কান্দি: বৃহস্পতিবার সকালে কান্দি থানার ব্রাহ্মণপাড়া গ্রাম থেকে পুলিস এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম বিশ্বনাথ দাস(৬৬)। তাঁর বাড়ি থেকেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।   ...

ভুবনেশ্বর: জন্মদাত্রী মাকেই খুন করল দুই নাবালক ছেলে। বুধবার রাতের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভুবনেশ্বরের সুন্দরপদা এলাকার। পুলিস দু’জনকেই গ্রেপ্তার করেছে। দুই ভাইকে জেরা করে জানা গিয়েছে, তাদের মা প্রায়ই অত্যাচার চালাত।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সামগ্রিকভাবেই কর আদায় কমে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার আর লোকসানের পথে হাঁটতে রাজি নয়। তাই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য বিভিন্ন পণ্যে জিএসটি হার কমানোর সম্ভাবনা কম। আশা করা হয়েছিল, অটোমোবাইল সেক্টরে জিএসটি কমতে চলেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার স্বাধীনতা দিবস
১৫০২ - কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস
১৮৯৯- সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ রাজনারায়ণ বসুর মৃত্যু
১৯৫০- অভিনেত্রী শাবানা আজমির জন্ম
১৯৭৬- ব্রাজিলের ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
২০০৬- ফুটবলার সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৫২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৮৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ১৮/২৮ দিবা ১২/৫১। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র ৩/৫০ দিবা ৭/০ পরে হস্তানক্ষত্র ৫৬/৩৮, রাত্রি ৪/৭। সূর্যোদয় ৫/২৭/৪২, সূর্যাস্ত ৫/৩৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/২২ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩২ গতে ১০/১ মধ্যে। শুক্রযোগ ৩৫/৩৬ রাত্রি ৭/৪২।  
১ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ২/৫১। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৯/৩১। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৩/৪৩ গতে ৫/৩৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৩/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩২ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩৪ গতে ১০/৩ মধ্যে। শুক্রযোগ রাত্রি ১১/৪৭। 
২৯ মহরম। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্লে স্টোর থেকে পেটিএম অ্যাপ সরাল গুগল 
দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ পেটিএমকে প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে ...বিশদ

03:23:23 PM

বারুইপুরে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মানুষের হাড়গোড় উদ্ধার 
পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মানুষের শরীরের হাড়গোড় উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে ...বিশদ

03:19:26 PM

২৩ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে খুলছে পার্ক, চিড়িয়াখানা 
আনলক প্রক্রিয়ায় এবার রাজ্যে খুলতে চলেছে পার্ক, চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক। ...বিশদ

03:11:04 PM

করোনা: আপনার জেলার হাল কী, জানুন...  
রাজ্যে নতুন করে আরও ৩,১৯৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। ...বিশদ

03:02:52 PM

২২০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

03:02:40 PM

পাঁশকুড়ায় টাইমবোমা উদ্ধারের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার 
পাঁশকুড়ায় টাইমবোমা রাখার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের ...বিশদ

01:23:59 PM