Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

বিদ্যাসাগরের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।

পৃথিবীতে মাঝে মাঝে এমন এক-একজন মহাপুরুষ জন্মান, যাঁদের জন্য মানুষ যুগ যুগ ধরে গর্ব অনুভব করে থাকে। আজ তেমনি একজন মহাপুরুষের কথা শোনাব তোমাদের, যিনি আজ থেকে প্রায় দুশো বছর আগে ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামের এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মেছিলেন। তাঁর নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। বাবার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মা ভগবতীদেবী। এই ছোট্ট ঈশ্বরচন্দ্রই কেমন করে সকলের প্রণম্য, প্রাতঃস্মরণীয় ‘বিদ্যাসাগর’ হয়ে উঠলেন সেই গল্পই আজ শোনাব তোমাদের। মা ভগবতীদেবীর ছিল এক বিরাট পরোপকারী মন। তিনি নিজের শত অসুস্থতার মাঝেও কারও অসুখ-বিসুখ করেছে শুনলে, নিজে হাতে ওষুধ-পথ্য তৈরি করে তার কাছে ছুটে যেতে পিছপা হতেন না। এই জন্য গ্রামের ডোমপাড়া, হাঁড়িপাড়ার গরিব মানুষরা তাঁকে ডাকত ‘ভগবতী-মা’ বলে। ছোটবেলা থেকেই ঈশ্বরচন্দ্রও পেয়েছিলেন মায়ের মতোই এক নরম মন, পরের কষ্ট দেখলে যে মন অস্থির হয়ে উঠত!
তেমনি বাবা ঠাকুরদাসের কাছ থেকে পেয়েছিলেন পড়াশুনোয় বিপুল আগ্রহ। আট বছর বয়স পর্যন্ত গ্রামের পাঠশালাতেই পড়াশুনো করলেন ঈশ্বরচন্দ্র। তারপর, বাবার সঙ্গে চললেন কলকাতায়, সেখানে থেকে পড়াশুনো করবার উদ্দেশ্যে।
কলকাতায় আসার পথে ঘটল একটা মজার ঘটনা। বাটনা-বাটা শীলের মতো মাইল-ফলক লাগানো পাথর ছিল রাস্তার ধারে ধারে। তাতে ইংরেজিতে লেখা ছিল মাইলের সংখ্যা। সেগুলি দেখিয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বাবাকে বারে বারে প্রশ্ন করে জেনে নিলেন ইংরেজি এক থেকে দশ সংখ্যা। ফলে কলকাতা পৌঁছবার আগেই তাঁর ইংরেজি ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত শেখা হয়ে গেল! এমনি ছিল তাঁর শেখার আগ্রহ আর শিখে নেবার মেধা!
ছেলেবেলায় পড়াশুনোয় এমনই মন ছিল ঈশ্বরচন্দ্রের যে পাছে পড়ার সময় ঘুম পায় তাই কখনও ঘুম তাড়াতে চোখে সর্ষের তেল লাগাতেন, আবার কখনও জানলার গরাদের সঙ্গে নিজের টিকি বেঁধে রাখতেন যাতে ঘুমে ঢুলে পড়লেই টিকিতে টান পড়ে, আর তিনি জেগে যান। পড়ার সময় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য তেলের অভাব হলে তিনি বাইরে রাস্তায় গিয়ে ল্যাম্পপোস্টের তলায় বসে বসে পড়তেন। এমনই ছিল তাঁর পড়াশুনোর প্রতি নিষ্ঠা!
শুধু পড়াশুনোই না, কলকাতার বাসাবাড়িতে তাঁকে রান্নাবান্নাও করতে হতো নিজের হাতে কাঠ কেটে উনুন ধরিয়ে, কুটনো কুটে, বাটনা বেটে! খেলাধুলোতেও ছিল তাঁর খুব আগ্রহ। ভালোবাসতেন বন্ধুদের সঙ্গে লাঠি খেলতে, কবাডি খেলতে, কুস্তি লড়তে। ছোট্টখাট্টো চেহারা কিন্তু মাথাটা বড় বলে বন্ধুরা তাঁকে ‘যশুরে কৈ’ নামে ডাকত। যেহেতু যশোর জেলার কৈ মাছের মুড়ো খুব বড় হতো! কিন্তু এত ঠাট্টা করা সত্ত্বেও ঈশ্বরচন্দ্র যখন পরীক্ষাতে প্রতিবছর বৃত্তি পেতেন, তখন সবার আগে তাঁর মনে পড়ত এই গরিব বন্ধুদের কথাই। তিনি নিজের বৃত্তির টাকায় তাই প্রতি বছর বন্ধুদের কাপড় কিনে দিতেন।
কলকাতায় সংস্কৃত কলেজে পড়াশুনো করবার সময় তাঁর শিক্ষকরা অবাক হয়ে যেতেন তাঁর মেধা দেখে। তিনি পরীক্ষায় প্রথম তো হতেনই, সেই সঙ্গে খুব অল্প বয়সেই ব্যাকরণ, সাহিত্য, দর্শন, অলঙ্কার ইত্যাদি সব শাস্ত্রও ছিল তাঁর কণ্ঠস্থ! তাঁর পাণ্ডিত্যে মুগ্ধ হয়ে পণ্ডিতসমাজ স্বীকার করলেন যে ঈশ্বরচন্দ্রের মতো এমন মেধাবী ছাত্র পাওয়া সত্যিই বিরল! তাঁরা তাই তাঁকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি দিয়ে সম্মানিত করলেন।
এবার তোমাদের বলব বিদ্যাসাগরের মাতৃভক্তির কথা। তখন তিনি পড়াশুনো শেষ করে সবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেছেন, ছোটভাই শম্ভুচন্দ্রের বিয়ে উপলক্ষে মা ভগবতীদেবী চিঠি লিখলেন তাঁকে বীরসিংহ যাবার জন্য। কিন্তু কলেজের অধ্যক্ষ মার্শাল সাহেব তাঁর ছুটি মঞ্জুর করলেন না। কিন্তু মা যখন ডেকেছেন তখন তো তাঁকে যেতেই হবে— তাই মাতৃভক্ত বিদ্যাসাগর চাকরি ছেড়ে দেবার জন্য এবার আবেদনপত্র লিখে নিয়ে গেলেন মার্শাল সাহেবের কাছে।
তাঁর মাতৃভক্তি দেখে অবাক হয়ে গেলেন মার্শাল সাহেব, বুঝলেন ছুটি না দিয়ে খুব ভুল করেছেন। সঙ্গে সঙ্গে ছুটি মঞ্জুর করে দিলেন তিনি। কিন্তু দামোদরের তীরে পৌঁছে বিদ্যাসাগর দেখলেন প্রবল ঝড় বৃষ্টির জন্য নদী ফুলে ফেঁপে উঠেছে, ঘাটে একটাও নৌকো নেই। পার হবেন কী করে! কিন্তু মা যে ডেকেছেন, যেতে যে তাঁকে হবেই! একটুও ভয় না পেয়ে ‘মা—আমি আসছি—!’ বলে ঝাঁপিয়ে পড়লেন সেই উত্তাল দামোদরের বুকে! সাঁতরে পার হয়ে অনেক রাত্রে মায়ের কাছে গিয়ে পৌঁছলেন! মা অবাক হয়ে তাঁকে বললেন, ‘আমি ধন্য তোর মতো মাতৃভক্ত ছেলে পেয়ে!’
অসম্ভব নির্ভীক আর তেজী ছিলেন বিদ্যাসাগর। একদিন হিন্দু কলেজের অধ্যক্ষ কার সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন তিনি, দেখেন কার সাহেব টেবিলের উপর তাঁর জুতো সমেত পা তুলে বসে আছেন। বিদ্যাসাগরকে দেখেও সৌজন্যবশত পা নামানোর কোনও আগ্রহই দেখালেন না। ওই ভঙ্গিতেই বসে কথা বলতে লাগলেন। প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করলেন বিদ্যাসাগর। এরপর যেদিন কার সাহেব সংস্কৃত কলেজে বিদ্যাসাগরের কাছে একটা দরকারে এলেন, সেদিন বিদ্যাসাগরও তাঁর তালতলার চটি সমেত পা টেবিলের ওপর তুলে বসে বসে কার সাহেবের সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন। অপমানিত কার সাহেব বুঝতে পারলেন এই ‘নেটিভ’ বিদ্যাসাগর তাঁকে উচিত শিক্ষা দিতে ছাড়লেন না তিনি ব্রিটিশ হওয়া সত্ত্বেও!
অনেক বই লিখেছিলেন বিদ্যাসাগর—কথামালা, বোধোদয়, আখ্যান মঞ্জরী, বেতাল পঞ্চবিংশতি, সীতার বনবাস, মেঘদূত ইত্যাদি। তবে, যে বইয়ের জন্য আমরা প্রত্যেক বাংলা ভাষাভাষী তাঁর কাছে চিরঋণী, সেটি হল সহজ ভাবে বাংলা ভাষা শেখার উদ্দেশ্যে লেখা ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ, বাংলা ভাষা শিখতে গেলে আজও যে বই অপরিহার্য।
তিনি নিজে কিন্তু খুব সাধারণ ভাবে থাকতেন— মোটা ভাত, মোটা কাপড়- চাদর, পায়ে তালতলার চটি— এই ছিল তাঁর আজীবনের পোশাক, এমনকী বাংলার গভর্নর হ্যালিডে সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও ওই একই পোশাকে তিনি যেতেন। তাঁর রোজগারের প্রায় সব টাকাই তিনি পরোপকারে খরচ করতেন। শিক্ষা বিস্তারের জন্যও অকাতরে খরচ করতে কার্পণ্য করতেন না, বিশেষ করে মেয়েদের মডেল স্কুল খুলবার জন্য নিজেই সমস্ত ব্যয়ভার বহন করতেন।
একদিন বিদ্যাসাগর রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে পাশের বাড়ি থেকে একটা বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনে জানলা দিয়ে তাদের বাড়ি উঁকি দিয়ে দেখেন যে, একটা বছর পাঁচেকের মেয়ে জল খাওয়ার জন্য ছটফট করছে, আর দু’জন মহিলা তাকে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখছেন। বিদ্যাসাগর চমকে গেলেন! তিনি বুঝলেন ওই বাচ্চাটি বালবিধবা। একাদশীতে যেহেতু বিধবাদের জল খাওয়া শাস্ত্রে বারণ, তাই মহিলা দুটি ওর হাত-পা বাঁধছে পাছে ছুটে গিয়ে জল খেয়ে ফেলে! কষ্টে বিদ্যাসাগরের চোখে জল এল। তিনি তক্ষুনি মনস্থির করলেন যে বিধবা বিবাহ আইন তিনি পাশ করাবেনই। কিছু দিনের মধ্যেই তা সত্যি সত্যি করে দেখিয়ে সমাজ সংস্কার করলেন।
তাঁর বাদুড়বাগানের বাড়িতে সাহায্যপ্রার্থীদের ভিড় লেগেই থাকত। কার মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না, কার বাড়ি নিলামে উঠেছে, কার অন্ন জুটছে না তিনি কিন্তু সবাইকেই সাহায্য করতেন। কাউকে ফেরাতেন না। তাই মানুষ তাঁকে ডাকত ‘করুণার সাগর’ বলে। আবার মানুষকে সঠিক পথ দেখাতেও তিনি জানতেন। একবার এক স্টেশানে এক যুবক একটি স্যুটকেশ হাতে নামলেন। কে বইবে স্যুটকেশ? যুবক হাঁক পাড়ল— ‘কুলি!’ কুলি নেই দেখে বিদ্যাসাগর নিজেই তার স্যুটকেশটা বয়ে দিলেন। যুবক তাঁকে চিনতে না পেরে, কুলি মনে করে টাকা দিতে যেতে বিদ্যাসাগর তাকে বললেন, ‘এই সামান্য কাজের জন্য পয়সা নেব কেন? এ কাজটুকু আপনি নিজেও করতে পারতেন। নিজের জিনিস নিজে বওয়া কি অন্যায়? যুবকটি তাঁর পরিচয় জানতে চেয়ে যখন শুনল যে তিনি স্বয়ং ‘বিদ্যাসাগর’ —তখন লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল!
তিনি কোনও বাধাবিপত্তিকে গ্রাহ্য না করে নির্ভীক সৈনিকের মতো লড়াই করে যেতেন। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় গরিব মানুষদের অকাতরে হোমিওপ্যাথি ওষুধ বিলোতেন, কখনও বীরসিংহে অন্নসত্র খুলতেন আবার বেথুন সাহেবের স্কুলের জন্য ছাত্রী জোগাড় করে দিতেন সম্ভ্রান্ত ঘরের অভিভাবকদের রাজি করিয়ে। তিনি এক জীবনে কত কী যে করেছেন ভাবা যায় না। আমরা ধন্য তাঁর মতো যুগপুরুষকে পেয়েছি। আজকের দিনে তাঁর মতো মানবদরদি বন্ধুর অভাব আমরা অনুভব করতে পারছি আর তাই মাইকেল মধুসূদন দত্তের তাঁর সম্বন্ধে করা উক্তির সঙ্গে গলা মিলিয়ে আমাদেরও বলতে ইচ্ছে করছে—
‘বিদ্যার সাগর তুমি
বিখ্যাত ভারতে
করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে
দীন যে, দীনের বন্ধু!’
ছবি: সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে 
22nd  September, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় থট-রিডিং।   বিশদ

মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার 

প্রতিবারের মতো এবারও ‘মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল মামরাজ আগরওয়াল ফাউন্ডেশন। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজভবনে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল। এবার মোট ৯৯ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।   বিশদ

মহাপ্রলয় আসছে 

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ষষ্ঠ মহাপ্রলয় ঘটতে আর দেরি নেই। জঙ্গল কেটে সাফ হয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে গাড়ি, কলকারখানার সংখ্যা। দূষিত হয়ে উঠছে পরিবেশ। গলতে শুরু করেছে কুমেরু ও সুমেরুর বরফ। মহাপ্রলয় আটকাতে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পৃথিবীর ধ্বংস আটকানোর উপায় কী? লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

হোয়াইট হাউসে ভূতের ভয়! 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এসেছেন হোয়াইট হাউসে। সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্ত শরীর। স্নান সেরে সোজা নিজের ঘরে। পরনে কোনও পোশাক নেই। নিজের মতো করে পাওয়া সময়টাকে আরও একটু উপভোগ করতে ধরালেন একটা চুরুট।  
বিশদ

13th  October, 2019
কাটিয়ে উঠে ভীতি, প্রথম দিনের স্মৃতি 

স্কুলের প্রথম দিনটি সবার কাছে একই অনুভূতি নিয়ে আসে না। কেউ ভয় পায়, কেউ বা উদ্বেগে ভোগে। কিছুদিন বাদে সব ভুলে স্কুলই হয়ে ওঠে ঘরবাড়ি। সেইরকমই কিছু অনুভূতি তোমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিল মিশ্র অ্যাকাডেমির বন্ধুরা। 
বিশদ

13th  October, 2019
হুলো ও স্কুটি
জয়ন্ত দে

হুলোর কোনওদিন মন খারাপ হয় না। ভালোই থাকে। হাসিতে, খুশিতে থাকে। কিন্তু ইদানীং মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চারদিকে এই অনাচার, অত্যাচার দেখে দেখে সে খুবই বিষণ্ণ হয়ে পড়ছে। হয়তো এমন হতে পারে, এটা তার বয়েসের রোগ! বয়স যত বাড়ছে, মন মেজাজ তত খারাপ হচ্ছে।  বিশদ

29th  September, 2019
স্মৃতির পুজো
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় 

পুজো এলেই হাজার স্মৃতি দেয় মনেতে হানা,
কাশের বনে হারিয়ে যেতে করত কে আর মানা!  বিশদ

29th  September, 2019
প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা 

‘প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা’ এই ছিল এবারের লেখার বিষয়বস্তু। তোমাদের এত লেখা পেয়ে আমরা আপ্লুত। সেইসব মজাদার লেখার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হয়েছে কয়েকটা। বাছাই করা লেখাগুলিই প্রকাশিত হল আজ, শিউলিস্নাত শারদ সকালে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে। 
বিশদ

29th  September, 2019
বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষ 

এই মহান মানুষটি তাদের বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। সেই বিদ্যাসাগরের জন্মের দুশো বছর উপলক্ষে তাঁকে নিয়ে লিখল মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন (মেন)-এর ছাত্ররা। 
বিশদ

22nd  September, 2019
শ্যুটিং ফ্লোর ছেড়ে পুজোর প্যান্ডেলে 

অ্যাকশন, কাট শব্দগুলো এখন শুনতে একঘেয়ে লাগছে ছোট্ট অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। মন তাদের উড়ুউড়ু। আকাশ নীল, কাশের বনে দোলা লেগেছে। সব্বার প্ল্যানিং সারা। কে কী করবে জানাল হ য ব র ল’র বন্ধুদের। 
বিশদ

15th  September, 2019
শিউলি কুঁড়ির সকাল 
কার্তিক ঘোষ

দাপুটে কানা নদীর গা ঘেঁষে তখন বোসেদের একটাই বাড়ি। তবু সবাই বলত বোসপাড়া!
আসলে, যত রাজ্যের পড়াশোনা করা ছেলে-মেয়েরা তখন সব ওই বাড়িতেই বেশি।
কেউ কলকাতায় নামী বিজ্ঞানী, তো, কেউ ডাক্তার!
পাশের বাড়িটা বড্ড গরিব! 
বিশদ

15th  September, 2019
 ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির জন্মদিনে জে আই এস গোষ্ঠীর অনুষ্ঠান

ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির ১৪৯তম জন্মদিনে জেআইএস গোষ্ঠীর প্রি-স্কুল ‘‌লিটল ব্রাইট স্টারস প্লে স্কুল’‌ পথ চলা শুরু করল। গত ৩১ আগস্ট সংস্থাটি এ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। প্রিস্কুলের পঠনপাঠনের পরিবর্তন নিয়ে একটি আলোচনাচক্রের আয়োজন করা হয়।   বিশদ

08th  September, 2019
 পৃথিবীতে বন্দি ভিনগ্রহী?

খোদ আমেরিকার বুকেই নাকি রয়েছে ভিনগ্রহীরা বন্দি হয়ে! এমনই দাবি বেশ কিছু মানুষের। কোথায় বন্দি হয়ে থাকতে পারে তারা? কেনই বা বন্দি করে রাখা হতে পারে তাদের? হ য ব র ল’র পাতায় রইল সেই নিয়ে খোঁজখবর।
বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার অবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে থাকার কারণে বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোয় আলোয় ভাসবে রাজারহাট। বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোগে এখানে দশকের পর দশক চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ তৈরি হয়। এবার সেই রেশের পারদকে আরও চড়িয়ে রাজারহাট-নিউটাউনের কালীপুজোয় থিমের চমক দর্শকদের মন ভরাবে। ক্লাবগুলি থিমের উদ্ভাবনীতে একে অপরকে টেক্কা দিতে ...

 মস্কো, ১৯ অক্টোবর (এএফপি): সাইবেরিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে এক খনি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লিতে কাশ্মীরি গেট মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ব্যাগে মিলল সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার জালনোট

11:54:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM

উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ভূমিধস, আহত ৩, নিখোঁজ ২ 

10:25:00 AM

রায়গঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা
 

করণদীঘির পর এবার রায়গঞ্জ শহরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। ...বিশদ

10:21:40 AM

ওড়িশার জগৎপুরে একাধিক বেআইনি বাজি কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার ১২ 

10:21:00 AM

পুনেতে ৫টি দেশি পিস্তল সহ গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি 

10:19:00 AM