Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

বিদ্যাসাগরের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।

পৃথিবীতে মাঝে মাঝে এমন এক-একজন মহাপুরুষ জন্মান, যাঁদের জন্য মানুষ যুগ যুগ ধরে গর্ব অনুভব করে থাকে। আজ তেমনি একজন মহাপুরুষের কথা শোনাব তোমাদের, যিনি আজ থেকে প্রায় দুশো বছর আগে ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামের এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মেছিলেন। তাঁর নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। বাবার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মা ভগবতীদেবী। এই ছোট্ট ঈশ্বরচন্দ্রই কেমন করে সকলের প্রণম্য, প্রাতঃস্মরণীয় ‘বিদ্যাসাগর’ হয়ে উঠলেন সেই গল্পই আজ শোনাব তোমাদের। মা ভগবতীদেবীর ছিল এক বিরাট পরোপকারী মন। তিনি নিজের শত অসুস্থতার মাঝেও কারও অসুখ-বিসুখ করেছে শুনলে, নিজে হাতে ওষুধ-পথ্য তৈরি করে তার কাছে ছুটে যেতে পিছপা হতেন না। এই জন্য গ্রামের ডোমপাড়া, হাঁড়িপাড়ার গরিব মানুষরা তাঁকে ডাকত ‘ভগবতী-মা’ বলে। ছোটবেলা থেকেই ঈশ্বরচন্দ্রও পেয়েছিলেন মায়ের মতোই এক নরম মন, পরের কষ্ট দেখলে যে মন অস্থির হয়ে উঠত!
তেমনি বাবা ঠাকুরদাসের কাছ থেকে পেয়েছিলেন পড়াশুনোয় বিপুল আগ্রহ। আট বছর বয়স পর্যন্ত গ্রামের পাঠশালাতেই পড়াশুনো করলেন ঈশ্বরচন্দ্র। তারপর, বাবার সঙ্গে চললেন কলকাতায়, সেখানে থেকে পড়াশুনো করবার উদ্দেশ্যে।
কলকাতায় আসার পথে ঘটল একটা মজার ঘটনা। বাটনা-বাটা শীলের মতো মাইল-ফলক লাগানো পাথর ছিল রাস্তার ধারে ধারে। তাতে ইংরেজিতে লেখা ছিল মাইলের সংখ্যা। সেগুলি দেখিয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বাবাকে বারে বারে প্রশ্ন করে জেনে নিলেন ইংরেজি এক থেকে দশ সংখ্যা। ফলে কলকাতা পৌঁছবার আগেই তাঁর ইংরেজি ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত শেখা হয়ে গেল! এমনি ছিল তাঁর শেখার আগ্রহ আর শিখে নেবার মেধা!
ছেলেবেলায় পড়াশুনোয় এমনই মন ছিল ঈশ্বরচন্দ্রের যে পাছে পড়ার সময় ঘুম পায় তাই কখনও ঘুম তাড়াতে চোখে সর্ষের তেল লাগাতেন, আবার কখনও জানলার গরাদের সঙ্গে নিজের টিকি বেঁধে রাখতেন যাতে ঘুমে ঢুলে পড়লেই টিকিতে টান পড়ে, আর তিনি জেগে যান। পড়ার সময় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য তেলের অভাব হলে তিনি বাইরে রাস্তায় গিয়ে ল্যাম্পপোস্টের তলায় বসে বসে পড়তেন। এমনই ছিল তাঁর পড়াশুনোর প্রতি নিষ্ঠা!
শুধু পড়াশুনোই না, কলকাতার বাসাবাড়িতে তাঁকে রান্নাবান্নাও করতে হতো নিজের হাতে কাঠ কেটে উনুন ধরিয়ে, কুটনো কুটে, বাটনা বেটে! খেলাধুলোতেও ছিল তাঁর খুব আগ্রহ। ভালোবাসতেন বন্ধুদের সঙ্গে লাঠি খেলতে, কবাডি খেলতে, কুস্তি লড়তে। ছোট্টখাট্টো চেহারা কিন্তু মাথাটা বড় বলে বন্ধুরা তাঁকে ‘যশুরে কৈ’ নামে ডাকত। যেহেতু যশোর জেলার কৈ মাছের মুড়ো খুব বড় হতো! কিন্তু এত ঠাট্টা করা সত্ত্বেও ঈশ্বরচন্দ্র যখন পরীক্ষাতে প্রতিবছর বৃত্তি পেতেন, তখন সবার আগে তাঁর মনে পড়ত এই গরিব বন্ধুদের কথাই। তিনি নিজের বৃত্তির টাকায় তাই প্রতি বছর বন্ধুদের কাপড় কিনে দিতেন।
কলকাতায় সংস্কৃত কলেজে পড়াশুনো করবার সময় তাঁর শিক্ষকরা অবাক হয়ে যেতেন তাঁর মেধা দেখে। তিনি পরীক্ষায় প্রথম তো হতেনই, সেই সঙ্গে খুব অল্প বয়সেই ব্যাকরণ, সাহিত্য, দর্শন, অলঙ্কার ইত্যাদি সব শাস্ত্রও ছিল তাঁর কণ্ঠস্থ! তাঁর পাণ্ডিত্যে মুগ্ধ হয়ে পণ্ডিতসমাজ স্বীকার করলেন যে ঈশ্বরচন্দ্রের মতো এমন মেধাবী ছাত্র পাওয়া সত্যিই বিরল! তাঁরা তাই তাঁকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি দিয়ে সম্মানিত করলেন।
এবার তোমাদের বলব বিদ্যাসাগরের মাতৃভক্তির কথা। তখন তিনি পড়াশুনো শেষ করে সবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেছেন, ছোটভাই শম্ভুচন্দ্রের বিয়ে উপলক্ষে মা ভগবতীদেবী চিঠি লিখলেন তাঁকে বীরসিংহ যাবার জন্য। কিন্তু কলেজের অধ্যক্ষ মার্শাল সাহেব তাঁর ছুটি মঞ্জুর করলেন না। কিন্তু মা যখন ডেকেছেন তখন তো তাঁকে যেতেই হবে— তাই মাতৃভক্ত বিদ্যাসাগর চাকরি ছেড়ে দেবার জন্য এবার আবেদনপত্র লিখে নিয়ে গেলেন মার্শাল সাহেবের কাছে।
তাঁর মাতৃভক্তি দেখে অবাক হয়ে গেলেন মার্শাল সাহেব, বুঝলেন ছুটি না দিয়ে খুব ভুল করেছেন। সঙ্গে সঙ্গে ছুটি মঞ্জুর করে দিলেন তিনি। কিন্তু দামোদরের তীরে পৌঁছে বিদ্যাসাগর দেখলেন প্রবল ঝড় বৃষ্টির জন্য নদী ফুলে ফেঁপে উঠেছে, ঘাটে একটাও নৌকো নেই। পার হবেন কী করে! কিন্তু মা যে ডেকেছেন, যেতে যে তাঁকে হবেই! একটুও ভয় না পেয়ে ‘মা—আমি আসছি—!’ বলে ঝাঁপিয়ে পড়লেন সেই উত্তাল দামোদরের বুকে! সাঁতরে পার হয়ে অনেক রাত্রে মায়ের কাছে গিয়ে পৌঁছলেন! মা অবাক হয়ে তাঁকে বললেন, ‘আমি ধন্য তোর মতো মাতৃভক্ত ছেলে পেয়ে!’
অসম্ভব নির্ভীক আর তেজী ছিলেন বিদ্যাসাগর। একদিন হিন্দু কলেজের অধ্যক্ষ কার সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন তিনি, দেখেন কার সাহেব টেবিলের উপর তাঁর জুতো সমেত পা তুলে বসে আছেন। বিদ্যাসাগরকে দেখেও সৌজন্যবশত পা নামানোর কোনও আগ্রহই দেখালেন না। ওই ভঙ্গিতেই বসে কথা বলতে লাগলেন। প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করলেন বিদ্যাসাগর। এরপর যেদিন কার সাহেব সংস্কৃত কলেজে বিদ্যাসাগরের কাছে একটা দরকারে এলেন, সেদিন বিদ্যাসাগরও তাঁর তালতলার চটি সমেত পা টেবিলের ওপর তুলে বসে বসে কার সাহেবের সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন। অপমানিত কার সাহেব বুঝতে পারলেন এই ‘নেটিভ’ বিদ্যাসাগর তাঁকে উচিত শিক্ষা দিতে ছাড়লেন না তিনি ব্রিটিশ হওয়া সত্ত্বেও!
অনেক বই লিখেছিলেন বিদ্যাসাগর—কথামালা, বোধোদয়, আখ্যান মঞ্জরী, বেতাল পঞ্চবিংশতি, সীতার বনবাস, মেঘদূত ইত্যাদি। তবে, যে বইয়ের জন্য আমরা প্রত্যেক বাংলা ভাষাভাষী তাঁর কাছে চিরঋণী, সেটি হল সহজ ভাবে বাংলা ভাষা শেখার উদ্দেশ্যে লেখা ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ, বাংলা ভাষা শিখতে গেলে আজও যে বই অপরিহার্য।
তিনি নিজে কিন্তু খুব সাধারণ ভাবে থাকতেন— মোটা ভাত, মোটা কাপড়- চাদর, পায়ে তালতলার চটি— এই ছিল তাঁর আজীবনের পোশাক, এমনকী বাংলার গভর্নর হ্যালিডে সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও ওই একই পোশাকে তিনি যেতেন। তাঁর রোজগারের প্রায় সব টাকাই তিনি পরোপকারে খরচ করতেন। শিক্ষা বিস্তারের জন্যও অকাতরে খরচ করতে কার্পণ্য করতেন না, বিশেষ করে মেয়েদের মডেল স্কুল খুলবার জন্য নিজেই সমস্ত ব্যয়ভার বহন করতেন।
একদিন বিদ্যাসাগর রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে পাশের বাড়ি থেকে একটা বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনে জানলা দিয়ে তাদের বাড়ি উঁকি দিয়ে দেখেন যে, একটা বছর পাঁচেকের মেয়ে জল খাওয়ার জন্য ছটফট করছে, আর দু’জন মহিলা তাকে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখছেন। বিদ্যাসাগর চমকে গেলেন! তিনি বুঝলেন ওই বাচ্চাটি বালবিধবা। একাদশীতে যেহেতু বিধবাদের জল খাওয়া শাস্ত্রে বারণ, তাই মহিলা দুটি ওর হাত-পা বাঁধছে পাছে ছুটে গিয়ে জল খেয়ে ফেলে! কষ্টে বিদ্যাসাগরের চোখে জল এল। তিনি তক্ষুনি মনস্থির করলেন যে বিধবা বিবাহ আইন তিনি পাশ করাবেনই। কিছু দিনের মধ্যেই তা সত্যি সত্যি করে দেখিয়ে সমাজ সংস্কার করলেন।
তাঁর বাদুড়বাগানের বাড়িতে সাহায্যপ্রার্থীদের ভিড় লেগেই থাকত। কার মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না, কার বাড়ি নিলামে উঠেছে, কার অন্ন জুটছে না তিনি কিন্তু সবাইকেই সাহায্য করতেন। কাউকে ফেরাতেন না। তাই মানুষ তাঁকে ডাকত ‘করুণার সাগর’ বলে। আবার মানুষকে সঠিক পথ দেখাতেও তিনি জানতেন। একবার এক স্টেশানে এক যুবক একটি স্যুটকেশ হাতে নামলেন। কে বইবে স্যুটকেশ? যুবক হাঁক পাড়ল— ‘কুলি!’ কুলি নেই দেখে বিদ্যাসাগর নিজেই তার স্যুটকেশটা বয়ে দিলেন। যুবক তাঁকে চিনতে না পেরে, কুলি মনে করে টাকা দিতে যেতে বিদ্যাসাগর তাকে বললেন, ‘এই সামান্য কাজের জন্য পয়সা নেব কেন? এ কাজটুকু আপনি নিজেও করতে পারতেন। নিজের জিনিস নিজে বওয়া কি অন্যায়? যুবকটি তাঁর পরিচয় জানতে চেয়ে যখন শুনল যে তিনি স্বয়ং ‘বিদ্যাসাগর’ —তখন লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল!
তিনি কোনও বাধাবিপত্তিকে গ্রাহ্য না করে নির্ভীক সৈনিকের মতো লড়াই করে যেতেন। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় গরিব মানুষদের অকাতরে হোমিওপ্যাথি ওষুধ বিলোতেন, কখনও বীরসিংহে অন্নসত্র খুলতেন আবার বেথুন সাহেবের স্কুলের জন্য ছাত্রী জোগাড় করে দিতেন সম্ভ্রান্ত ঘরের অভিভাবকদের রাজি করিয়ে। তিনি এক জীবনে কত কী যে করেছেন ভাবা যায় না। আমরা ধন্য তাঁর মতো যুগপুরুষকে পেয়েছি। আজকের দিনে তাঁর মতো মানবদরদি বন্ধুর অভাব আমরা অনুভব করতে পারছি আর তাই মাইকেল মধুসূদন দত্তের তাঁর সম্বন্ধে করা উক্তির সঙ্গে গলা মিলিয়ে আমাদেরও বলতে ইচ্ছে করছে—
‘বিদ্যার সাগর তুমি
বিখ্যাত ভারতে
করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে
দীন যে, দীনের বন্ধু!’
ছবি: সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে 
22nd  September, 2019
চিরবিদ্রোহী রণক্লান্ত 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তুলতে অনেকে অনেক স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আগামী ২৫ মে তাঁর জন্মদিন। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।
বিশদ

24th  May, 2020
চোখের যত্ন নাও 

রোজ অনলাইন ক্লাসের জেরে তোমাদের চোখে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এসব সমস্যা এড়ানো যায়। সেরকম ১০টি জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন দিশা আই হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভাস্কর ভট্টাচার্য। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ।
বিশদ

24th  May, 2020
স্কুলে অনলাইন পড়াশোনাই
এখন একমাত্র উপায় 

লকডাউনের মধ্যেও পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে স্কুলে চলছে অনলাইন ক্লাস। এর ভালো মন্দ নিয়ে আলোচনা করলেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

24th  May, 2020
ছোটদের রান্নাঘর 

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘর - এ শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন ৬ বালিগঞ্জ প্লেসের কর্ণধার ও শেফ সুশান্ত সেনগুপ্ত এবং হলিডে ইন হোটেলের কর্পোরেট শেফ জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। 
বিশদ

17th  May, 2020
খেলাচ্ছলে যোগাভ্যাস 

বাইরে বেরনো বন্ধ! তাতে কী, এই সুযোগে বাড়িতে বড়দের সঙ্গী হয়ে খেলতে খেলতে কয়েকটি যোগাসন ও প্রাণায়াম শিখে নিতে পারো। এতে শরীর ও মন থাকবে চনমনে, বাড়বে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। পরামর্শ দিয়েছেন যোগাচার্য প্রেমসুন্দর দাস। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ। 
বিশদ

17th  May, 2020
পুনুর বন্ধু ডাকু 

কার্তিক ঘোষ: পুনু তখন সবে একটু মুখধরা হয়ে উঠেছে বাবা-মা’র।
বাবা তখন বাড়ি ফিরে এসেছেন কলকাতা থেকে।
দোকানের চাকরিটা গেছে!
বিশদ

17th  May, 2020
বইয়ের নেশায় বুঁদ 

লক ডাউনের সুযোগে ভালো বই পড়ার নেশায় মেতে ওঠো তোমরা। কোন বয়সে কেমন বই পড়বে তার একটা ধারণা দিলেন কমলিনী চক্রবর্তী।  
বিশদ

10th  May, 2020
ইন্দ্রজা, ফুড হ্যাবিটটা
এবার পালটে ফেলো 

ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য: ইন্দ্রজার কথা দিয়েই শুরু করি। এই এক মাসে কেমন যেন পাল্টে গিয়েছে মেয়েটা। ভাবসাব দেখে তো রমা আর ইন্দ্রজিতের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। তাদের একমাত্র মেয়ে যে এমন লক্ষ্মীমন্ত হয়ে উঠবে, এ যে তারা স্বপ্নেও ভাবেনি।  
বিশদ

10th  May, 2020
সত্যজিতের ছেলেবেলা, ছেলেবেলার

সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মবর্ষে ছোট্ট সত্যজিতের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের সত্যজিৎকে দেখার চেষ্টা করলেন অতনু বিশ্বাস। 
বিশদ

10th  May, 2020
বন্দি জীবনে সঙ্গী সিনেমা

 লকডাউনে বাড়িতে বসে পড়াশুনো আর গল্পের বই পড়ার পাশাপাশি দেখে নাও দশটি দুর্দান্ত সিনেমা। তোমাদের জন্য বেছে দিলেন স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী। বিশদ

03rd  May, 2020
 ঘরের ভিতর বাঘ!

গণ্ডারটা চুপচাপ আপন মনে ঘাস খাচ্ছিল। তুমি যে ওকে দেখছ তা ও টের পায়নি। ঘাস চিবোতে চিবোতে একবার কান নাড়ছে, একবার মাথা নাড়ছে। তুমি চুপটি করে দেখছ ওর ঘাড়ের পাশে বর্মের মতো চামড়া! সাধে বলে গণ্ডারের চামড়া! পিঁপড়ে কামড়াতে গেলে, পিঁপড়েরই দাঁড়া ভেঙে যাবে! আর অতবড় মুখে কুতকুতে চোখ!
বিশদ

03rd  May, 2020
ছোটদের রান্নাঘর

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘরে শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন লিন্ডসে হোটেলের শেফ পিন্টু চৌধুরী ও মছলিবাবা ফ্রায়েজ রেস্তরাঁর কর্ণধার শেফ অলোকেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। এগুলি আগুনের সাহায্য ছাড়াই তৈরি করা যাবে। তোমরাই করে চমকে দাও বড়দের। বিশদ

03rd  May, 2020
 দেখা হবে
শমীন্দ্র ভৌমিক

  বন্ধ ঘরের দরজা এবং
বন্ধ ভোরের বাজার,
সাত সমুদ্র সাতাশ নদীর বিশদ

26th  April, 2020
 লড়াই
দীপ মুখোপাধ্যায়

 সরা বিশ্ব রয়েছে ত্রাসে
এক মরণের ভাইরাসে বিশদ

26th  April, 2020
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ২৯ মে: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে দিল্লিগামী রাস্তা বন্ধের সিন্ধান্ত নিয়েছে হরিয়ানা সরকার। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে দিল্লি-গুরুগ্রাম সংযোগকারী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন কয়েকশো মানুষ। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ...

সংবাদদাতা, কালনা: বেঙ্গালুরুতে নার্সিং পড়তে গিয়ে আটকে পড়া কালনার ২০জন পড়ুয়াকে বাসে বাড়ি ফেরানো হল। তাঁদের কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মেডিক্যাল চেক আপের পর ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ফলে স্বস্তিতে পড়ুয়াদের পরিবারের লোকজন।  ...

  রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ২৯ মে: করোনা মহামারী রুখতে বিভিন্ন দেশকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। এবার দিল্লির ওই ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ...

নয়াদিল্লি, ২৯ মে: আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে চারবার ট্রফি হাতে তুলেছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সাফল্যের নিরিখে অনেকেই তাঁকে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে তুলনা করেন। কারণ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্যলাভ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যে অবনতি। কর্মে সাফল্য। ব্যবসায় মন্দাবৃদ্ধি।প্রতিকারঃ আজ হলুদ রঙের পোশাক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪০: জগমোহন ডালমিয়ার জন্ম
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
১৯৮৭: ভারতের ২৫তম রাজ্যের স্বীকৃতি পেল গোয়া
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৭৯ টাকা ৮৬.২২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৩ টাকা ৯৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৭৩.৮১ টাকা ৭৭.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী ৩৭/৩৫ রাত্রি ৭/৫৮। মঘা নক্ষত্র ২/৪৭ প্রাতঃ ৬/৩ পরে পূর্বফল্গুনী ৫৯/২৭ রাত্রি ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৪/৫৮। পূর্ব্বফল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে ৬/১৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৬ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৪ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ মধ্যে ও ৩/৫৬ গতে ৪/৫৬ মধ্যে।
৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ...বিশদ

07:50:00 AM

বিশ্বে করোনা আক্রান্ত ৬০ লক্ষ ছাড়াল

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত গোটা ...বিশদ

07:44:00 AM

১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

29-05-2020 - 09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

29-05-2020 - 09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

29-05-2020 - 09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

29-05-2020 - 09:16:00 PM