Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

শিউলি কুঁড়ির সকাল 
কার্তিক ঘোষ

দাপুটে কানা নদীর গা ঘেঁষে তখন বোসেদের একটাই বাড়ি। তবু সবাই বলত বোসপাড়া!
আসলে, যত রাজ্যের পড়াশোনা করা ছেলে-মেয়েরা তখন সব ওই বাড়িতেই বেশি।
কেউ কলকাতায় নামী বিজ্ঞানী, তো, কেউ ডাক্তার!
পাশের বাড়িটা বড্ড গরিব!
কেশবপুরের ঘোষপাড়া থেকে নাকি উঠে এসেছে দেনার দায়ে।
পাড়ার লোক তাকে খাঁদু বলে ডাকলেও ভালো নাম হল মহাদেব।
বউটির নাম উমা!
তখন তাদের একটাই ছেলে। জন্মেছিল কার্তিক পুজোর দিন ভোরবেলা। কিন্তু ইশকুলে ভর্তি করতে গিয়ে আর এক বিপদ!
বাবা বললেন, ছেলে আমার ঝড়ের বছর হয়েছে। বুঝলেন—
কালী মাস্টারমশাই একটু মাথা চুলকে বললেন, বুঝতে পেরেছি!
সত্যি বলতে সেই থেকেই একটা গেঁয়ো গল্প ঘুরছে তার সঙ্গে সঙ্গে।
একে রোগা-পাতলা ভিতু ছেলে।
ছোট থেকে গাছে ওঠাও শেখেনি! সাঁতার কি সাইকেল চাপা— কিচ্ছু জানেই না!
তবু পাশের সরকার পাড়া থেকে নদীর ওপারের বদরতলার আবদুল চাচারাও খুব ভালোবাসে ছেলেটাকে!
সরকার পাড়াতেই তখন দশখানা গাঁয়ের মধ্যে একটাই ডাক্তার। আর দুগ্গা পুজোর আনন্দ!
যদিও পাশের পাড়ায় উকিলবাবুদের পাকা সদর দালানেও ঠাকুর আসে বছর বছর, তবু যেন দূর মনে হয় কেমন!
সরকার পাড়ার কেষ্টদা, দেবুদা, গণেশদা, আর এক বয়েসি শৈল, লক্ষ্মীকান্ত— সব্বাই ছিল বড্ড কাছের।
পুজোয় তখন জামা-প্যান্ট হতো মাত্র একটা করে।
তা-ও মাপে ছোট-বড় হতো প্রতিবারেই।
ছেলে মুখ ভার করে আছে দেখে বাবা বলতেন, দেখি না কালীপুজোর সময় কী হয়!
মা বলতেন, ফুলঝুরি আনতে হবে না, যদি একটা জামা হয় দেখো।
কিন্তু এসব কথা হতো আর ক’দিন!
চার দিনের পুজো তখন চার দিনেই শেষ। পাঁচ দিনের সন্ধ্যায় বিজয়া হয়ে যেত নদীতে।
রাংতা কুড়োতে যাবে কি— সাঁতার জানে না তো!
তাই একলা ছেলে ফিরে আসত মুখ ভার করে।
পরের তিন-চারটে দিন আর খিদে পেত না তেমন!
একা একা বসে থাকত নদীর ধারে।
সেই তখন থেকেই ছেলেটা যেন কেমন!
গাছে উঠতেও জানে না। সাইকেল চড়াও শেখেনি।
পাশের বোস বাড়ির বড়রা বলতেন, আয় না— শিখিয়ে দিই তোকে। শুনেই তো সটকে পড়ত ছেলে!
সে সময় তো পাকা রাস্তার বালাই ছিল না কাছে-পিঠে কোথাও!
ব্রিজ ছিল না হরিণখোলার মুণ্ডেশ্বরী আর চাঁপাডাঙার কাছে দামোদরে। নৌকো পেরিয়ে তবেই কু-ঝিক ঝিক ছোট্ট ট্রেন ধরতে হতো মার্টিন কোম্পানির।
মায়ের সঙ্গে পানপুরের মামাবাড়ি যেতে গাড়ি বদল করতে হতো বড়গাছিয়ায়।
আহা! কী দুলকি চালের ছোট্ট ট্রেন ছিল ওই সময়।
জানলার ধারে বসলেই চোখে এসে পড়ত কয়লার গুঁড়ো। তবু পানপুর স্টেশনে নামলেই ছোট মাসি দাঁড়িয়ে থাকত এক ঠোঙা গুড়কাঠি নিয়ে!
মাথায় একটু বড় হতেই গাঁয়ের সেই গাছতলার ইসকুল থেকে চলে যেতে হল তিন মাইল দূরের বড় ইশকুলে।
সেখানেও সবে ইট গাঁথা চলছে। কোনও কোনও ঘরে জানলার পাল্লা নেই! দরজাও বসেনি।
তবু অঙ্ক স্যার রামবাবু ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঘরে ঘরে। যদি কিছু সাহায্য পাওয়া যায়।
ইশকুলের কাছেই ডাকাবুকো সেই নদী মুণ্ডেশ্বরী নদী।
নদীর গা ঘেঁষেই মিরাজ, মাসুম আর জাকিরদের বাড়ি।
টিফিনের সময় তারাই মুড়ির ভাগ দেয় জোর করে। কোনও দিন আনে শালপাতায় মোড়া গুড়কাঠি।
সরকার পাড়ার লক্ষ্মীকান্ত, সুকুমার আর শৈলরা তখন রোজকার সঙ্গী। ওদেরও সাইকেল নেই তখন! আরামবাগ যেতেও কাঁচা রাস্তা। হাঁটতে যেন কারও কোনও কষ্ট ছিল না তখন।
পাশের পাড়ার কেষ্টদারাই তখন একমাত্র সম্বল আমার।
ওদের বাড়িতেই যত রাজ্যের আনন্দ। কলকাতার হাওয়া।
রেডিও। খবরের কাগজ। গল্পের বই।
ওর বাবা ছিলেন কলকাতার এক নামী খবরের কাগজে কাজ করা মানুষ!
দাদা ছিলেন সে সময়ের বিখ্যাত গোয়েন্দা গল্পের লেখক শশধর দত্ত। যাঁর দস্যু মোহনকে নিয়ে লেখা বই একশো ছাড়িয়ে গেছে তখনই!
সেই বাড়িতেই হঠাৎ একটু জায়গা জুটে গেল আমার।
আলমারি ভর্তি কত রকমের বই! অবনীন্দ্রনাথের নালক, শকুন্তলা, ক্ষীরের পুতুল থেকে উপেন্দ্রকিশোরের টুনটুনির বই। যেন একটা স্বপ্নের রাজ্যের সন্ধান পেলাম আচমকা!
ও বাড়ির ছোট ছোট তিনটে মেয়ে শানু, মিন্টু আর সাধনা তারাও তখন সন্ধান পেয়ে গেছে সেসব বইয়ের!
পুজোয় আর নতুন জামা-জুতোর দিকে লোভ নেই কারওর, শুধু চাই বই আর বই!
গোটা বর্ষাকালে বদরতলার জলা পেরুতে তালগাছের ডোঙা থাকত তখন।
পুজোর ক’দিন সেই ডোঙায় চেপেই বিরিটি, তাজপুর, হরিণখোলা থেকে কত মানুষ আসত ঠাকুর দেখতে।
একটুতেই যেন কত আনন্দ ছিল তখন!
হোক গে একটা মাটির বাড়ি— উঠোনে ছিল শুধু একটা ঝামড়ি-ঝুমড়ি শিউলি গাছ।
পুজোর ঢাক বাজার আগেই মুড়ির মতো কুঁড়ি ধরত হাজার হাজার।
মা বলত— এই আমার সাত রাজার ধন এক মানিক দেখছিস গন্ধে ম-ম করছে চারদিক!
ছেলেটাও তেমন! গাছটাকে জড়িয়ে ধরে আদর করত যখন তখন।
গ্রাম থেকে ছান্দ্রার বড় ইশকুলটায় যেতে না যেতেই, বন্ধু হয়ে গেলেন রাইপুরের কোলেপাড়ার দীনেশ জেঠু। বাবার চেয়ে বয়েসে অনেক বড়! কিন্তু কী মজার মানুষ!
সারাদিন শুধু বই আর বই।
বইয়ের জন্যে খাল-বিল আর জল থই থই জলা পেরিয়ে চলে যেতেন আরান্ডি! দশ-বিশখানা গাঁয়ে যা নেই, সেখানেই তখন নামকরা একটা লাইব্রেরি!
সঙ্গী ছেলেটা তখন হাঁ।
লাইব্রেরি ঠিক কাকে বলে, সেই তখন চোখের সামনে দেখল ছেলেটা!
—এই বইটা নয়! আগে পড়বি এইটা। ভোঁদড় বাহাদুর রবীন্দ্রনাথের ভাইপো ছিলেন উনি। বুঝলি?
অবশ্য শানুদের বাড়িটাও ছিল একটু অন্যরকম। পুজো মানেই বাড়িতে আসবে নতুন বই! কী মজা!
তবু পাশের বোসদাদুদের বাড়ির উঠোনে স্থলপদ্ম গাছটায় যেই ফুল ফুটত ভোর থেকে, তখন কেমন মনটা ভালো হয়ে যেত ছেলেটার। বাবার জন্যে বড্ড হানটান করত মনটা।
কিন্তু দোকানের চাকরি কলকাতার। ষষ্ঠীর দিন হয়ে ছুটি। তারপর ট্রেন ধরা।
সে-ও কি আর তাড়াতাড়ি আসত?
হায় রে! কয়লার ইঞ্জিন কথায় কথায় জল খেত তখন। তারপর সেই কু-ঝিক ঝিক ঝিক—
চাঁপাডাঙায় নেমে পেরুতে হবে দামোদর। তারপর হরিণখোলার মুণ্ডেশ্বরী।
কাঁচা রাস্তায় চলত ভাঙা মোটর দু-তিনটে। পা-দানিতেও পা রাখার জায়গা হতো না সহজে।
বাড়িতে বাবার জন্যে জেগে থাকতে থাকতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ত ছেলেটা—
আহা রে!
তবু ভোরবেলাটা কী লক্ষ্মী ছিল তখন! শিউলি ফুলের গন্ধটা এমন করে ছড়িয়ে দিত গোটা পাড়ায় যে বলার নয়!
বছরে সেই একবারই মায়ের জন্যে আসত জবাকুসুম তেল!
শিউলি গাছটাও তখন যেন ফেল করত ক’দিন।
ভোর থেকেই ঢাক বেজে উঠত দুগ্‌গা তলায়।
তবু মনটা বড্ড উসখুস করত ছেলেটার!
নিজের নতুন জামা আর প্যান্ট কেমন হল— সেদিকে কোনও খেয়াল নেই। শুধু মায়ের দিকে চেয়ে থাকত দূর থেকে! হঠাৎ যেন ভিজে আসত দুটো চোখ। পুজোর সকালটাও যেন কেমন মনমরা মনে হতো তখন!
শানু বলত, ওমা— হাসি নেই কেন! কী হয়েছে তোমার?
বাপরে! অত বড় হয়েছে ছেলেটা— তবু কী লাজুক।
হরাদিত্যর ঠাকুর গড়া মিস্ত্রিরাও তো ওকে চেনে।
কবে থেকে বসে থাকত কাছাকাছি। কোনও দিন একটুও রং চায়নি ছেলেটা। শুধু রাংতার সাজ দেখে কেমন যেন একটু মন-মরা মনে হচ্ছে!
লক্ষ্মী ঠাকুরের মুখটা কী মিষ্টি! ঠিক যেন মায়ের মতো অনেকটা!
শুধু একটা নাকছাবি থাকলেই মায়ের মুখটাও আলো হয়ে থাকত ক’দিন! আহারে... 
15th  September, 2019
চিরবিদ্রোহী রণক্লান্ত 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তুলতে অনেকে অনেক স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আগামী ২৫ মে তাঁর জন্মদিন। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।
বিশদ

24th  May, 2020
চোখের যত্ন নাও 

রোজ অনলাইন ক্লাসের জেরে তোমাদের চোখে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এসব সমস্যা এড়ানো যায়। সেরকম ১০টি জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন দিশা আই হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভাস্কর ভট্টাচার্য। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ।
বিশদ

24th  May, 2020
স্কুলে অনলাইন পড়াশোনাই
এখন একমাত্র উপায় 

লকডাউনের মধ্যেও পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে স্কুলে চলছে অনলাইন ক্লাস। এর ভালো মন্দ নিয়ে আলোচনা করলেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

24th  May, 2020
ছোটদের রান্নাঘর 

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘর - এ শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন ৬ বালিগঞ্জ প্লেসের কর্ণধার ও শেফ সুশান্ত সেনগুপ্ত এবং হলিডে ইন হোটেলের কর্পোরেট শেফ জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। 
বিশদ

17th  May, 2020
খেলাচ্ছলে যোগাভ্যাস 

বাইরে বেরনো বন্ধ! তাতে কী, এই সুযোগে বাড়িতে বড়দের সঙ্গী হয়ে খেলতে খেলতে কয়েকটি যোগাসন ও প্রাণায়াম শিখে নিতে পারো। এতে শরীর ও মন থাকবে চনমনে, বাড়বে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। পরামর্শ দিয়েছেন যোগাচার্য প্রেমসুন্দর দাস। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ। 
বিশদ

17th  May, 2020
পুনুর বন্ধু ডাকু 

কার্তিক ঘোষ: পুনু তখন সবে একটু মুখধরা হয়ে উঠেছে বাবা-মা’র।
বাবা তখন বাড়ি ফিরে এসেছেন কলকাতা থেকে।
দোকানের চাকরিটা গেছে!
বিশদ

17th  May, 2020
বইয়ের নেশায় বুঁদ 

লক ডাউনের সুযোগে ভালো বই পড়ার নেশায় মেতে ওঠো তোমরা। কোন বয়সে কেমন বই পড়বে তার একটা ধারণা দিলেন কমলিনী চক্রবর্তী।  
বিশদ

10th  May, 2020
ইন্দ্রজা, ফুড হ্যাবিটটা
এবার পালটে ফেলো 

ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য: ইন্দ্রজার কথা দিয়েই শুরু করি। এই এক মাসে কেমন যেন পাল্টে গিয়েছে মেয়েটা। ভাবসাব দেখে তো রমা আর ইন্দ্রজিতের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। তাদের একমাত্র মেয়ে যে এমন লক্ষ্মীমন্ত হয়ে উঠবে, এ যে তারা স্বপ্নেও ভাবেনি।  
বিশদ

10th  May, 2020
সত্যজিতের ছেলেবেলা, ছেলেবেলার

সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মবর্ষে ছোট্ট সত্যজিতের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের সত্যজিৎকে দেখার চেষ্টা করলেন অতনু বিশ্বাস। 
বিশদ

10th  May, 2020
বন্দি জীবনে সঙ্গী সিনেমা

 লকডাউনে বাড়িতে বসে পড়াশুনো আর গল্পের বই পড়ার পাশাপাশি দেখে নাও দশটি দুর্দান্ত সিনেমা। তোমাদের জন্য বেছে দিলেন স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী। বিশদ

03rd  May, 2020
 ঘরের ভিতর বাঘ!

গণ্ডারটা চুপচাপ আপন মনে ঘাস খাচ্ছিল। তুমি যে ওকে দেখছ তা ও টের পায়নি। ঘাস চিবোতে চিবোতে একবার কান নাড়ছে, একবার মাথা নাড়ছে। তুমি চুপটি করে দেখছ ওর ঘাড়ের পাশে বর্মের মতো চামড়া! সাধে বলে গণ্ডারের চামড়া! পিঁপড়ে কামড়াতে গেলে, পিঁপড়েরই দাঁড়া ভেঙে যাবে! আর অতবড় মুখে কুতকুতে চোখ!
বিশদ

03rd  May, 2020
ছোটদের রান্নাঘর

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘরে শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন লিন্ডসে হোটেলের শেফ পিন্টু চৌধুরী ও মছলিবাবা ফ্রায়েজ রেস্তরাঁর কর্ণধার শেফ অলোকেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। এগুলি আগুনের সাহায্য ছাড়াই তৈরি করা যাবে। তোমরাই করে চমকে দাও বড়দের। বিশদ

03rd  May, 2020
 দেখা হবে
শমীন্দ্র ভৌমিক

  বন্ধ ঘরের দরজা এবং
বন্ধ ভোরের বাজার,
সাত সমুদ্র সাতাশ নদীর বিশদ

26th  April, 2020
 লড়াই
দীপ মুখোপাধ্যায়

 সরা বিশ্ব রয়েছে ত্রাসে
এক মরণের ভাইরাসে বিশদ

26th  April, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন গোটা রাজ্য আতঙ্কিত, তখন ‘মড়ার উপর খাড়ার ঘা’য়ের মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে দিয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন উম-পুন। ...

  নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ায় তামিলনাড়ুতে উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নোকিয়া। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরের ওই প্ল্যান্টে গত সপ্তাহ থেকেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM