Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

শিউলি কুঁড়ির সকাল 
কার্তিক ঘোষ

দাপুটে কানা নদীর গা ঘেঁষে তখন বোসেদের একটাই বাড়ি। তবু সবাই বলত বোসপাড়া!
আসলে, যত রাজ্যের পড়াশোনা করা ছেলে-মেয়েরা তখন সব ওই বাড়িতেই বেশি।
কেউ কলকাতায় নামী বিজ্ঞানী, তো, কেউ ডাক্তার!
পাশের বাড়িটা বড্ড গরিব!
কেশবপুরের ঘোষপাড়া থেকে নাকি উঠে এসেছে দেনার দায়ে।
পাড়ার লোক তাকে খাঁদু বলে ডাকলেও ভালো নাম হল মহাদেব।
বউটির নাম উমা!
তখন তাদের একটাই ছেলে। জন্মেছিল কার্তিক পুজোর দিন ভোরবেলা। কিন্তু ইশকুলে ভর্তি করতে গিয়ে আর এক বিপদ!
বাবা বললেন, ছেলে আমার ঝড়ের বছর হয়েছে। বুঝলেন—
কালী মাস্টারমশাই একটু মাথা চুলকে বললেন, বুঝতে পেরেছি!
সত্যি বলতে সেই থেকেই একটা গেঁয়ো গল্প ঘুরছে তার সঙ্গে সঙ্গে।
একে রোগা-পাতলা ভিতু ছেলে।
ছোট থেকে গাছে ওঠাও শেখেনি! সাঁতার কি সাইকেল চাপা— কিচ্ছু জানেই না!
তবু পাশের সরকার পাড়া থেকে নদীর ওপারের বদরতলার আবদুল চাচারাও খুব ভালোবাসে ছেলেটাকে!
সরকার পাড়াতেই তখন দশখানা গাঁয়ের মধ্যে একটাই ডাক্তার। আর দুগ্গা পুজোর আনন্দ!
যদিও পাশের পাড়ায় উকিলবাবুদের পাকা সদর দালানেও ঠাকুর আসে বছর বছর, তবু যেন দূর মনে হয় কেমন!
সরকার পাড়ার কেষ্টদা, দেবুদা, গণেশদা, আর এক বয়েসি শৈল, লক্ষ্মীকান্ত— সব্বাই ছিল বড্ড কাছের।
পুজোয় তখন জামা-প্যান্ট হতো মাত্র একটা করে।
তা-ও মাপে ছোট-বড় হতো প্রতিবারেই।
ছেলে মুখ ভার করে আছে দেখে বাবা বলতেন, দেখি না কালীপুজোর সময় কী হয়!
মা বলতেন, ফুলঝুরি আনতে হবে না, যদি একটা জামা হয় দেখো।
কিন্তু এসব কথা হতো আর ক’দিন!
চার দিনের পুজো তখন চার দিনেই শেষ। পাঁচ দিনের সন্ধ্যায় বিজয়া হয়ে যেত নদীতে।
রাংতা কুড়োতে যাবে কি— সাঁতার জানে না তো!
তাই একলা ছেলে ফিরে আসত মুখ ভার করে।
পরের তিন-চারটে দিন আর খিদে পেত না তেমন!
একা একা বসে থাকত নদীর ধারে।
সেই তখন থেকেই ছেলেটা যেন কেমন!
গাছে উঠতেও জানে না। সাইকেল চড়াও শেখেনি।
পাশের বোস বাড়ির বড়রা বলতেন, আয় না— শিখিয়ে দিই তোকে। শুনেই তো সটকে পড়ত ছেলে!
সে সময় তো পাকা রাস্তার বালাই ছিল না কাছে-পিঠে কোথাও!
ব্রিজ ছিল না হরিণখোলার মুণ্ডেশ্বরী আর চাঁপাডাঙার কাছে দামোদরে। নৌকো পেরিয়ে তবেই কু-ঝিক ঝিক ছোট্ট ট্রেন ধরতে হতো মার্টিন কোম্পানির।
মায়ের সঙ্গে পানপুরের মামাবাড়ি যেতে গাড়ি বদল করতে হতো বড়গাছিয়ায়।
আহা! কী দুলকি চালের ছোট্ট ট্রেন ছিল ওই সময়।
জানলার ধারে বসলেই চোখে এসে পড়ত কয়লার গুঁড়ো। তবু পানপুর স্টেশনে নামলেই ছোট মাসি দাঁড়িয়ে থাকত এক ঠোঙা গুড়কাঠি নিয়ে!
মাথায় একটু বড় হতেই গাঁয়ের সেই গাছতলার ইসকুল থেকে চলে যেতে হল তিন মাইল দূরের বড় ইশকুলে।
সেখানেও সবে ইট গাঁথা চলছে। কোনও কোনও ঘরে জানলার পাল্লা নেই! দরজাও বসেনি।
তবু অঙ্ক স্যার রামবাবু ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঘরে ঘরে। যদি কিছু সাহায্য পাওয়া যায়।
ইশকুলের কাছেই ডাকাবুকো সেই নদী মুণ্ডেশ্বরী নদী।
নদীর গা ঘেঁষেই মিরাজ, মাসুম আর জাকিরদের বাড়ি।
টিফিনের সময় তারাই মুড়ির ভাগ দেয় জোর করে। কোনও দিন আনে শালপাতায় মোড়া গুড়কাঠি।
সরকার পাড়ার লক্ষ্মীকান্ত, সুকুমার আর শৈলরা তখন রোজকার সঙ্গী। ওদেরও সাইকেল নেই তখন! আরামবাগ যেতেও কাঁচা রাস্তা। হাঁটতে যেন কারও কোনও কষ্ট ছিল না তখন।
পাশের পাড়ার কেষ্টদারাই তখন একমাত্র সম্বল আমার।
ওদের বাড়িতেই যত রাজ্যের আনন্দ। কলকাতার হাওয়া।
রেডিও। খবরের কাগজ। গল্পের বই।
ওর বাবা ছিলেন কলকাতার এক নামী খবরের কাগজে কাজ করা মানুষ!
দাদা ছিলেন সে সময়ের বিখ্যাত গোয়েন্দা গল্পের লেখক শশধর দত্ত। যাঁর দস্যু মোহনকে নিয়ে লেখা বই একশো ছাড়িয়ে গেছে তখনই!
সেই বাড়িতেই হঠাৎ একটু জায়গা জুটে গেল আমার।
আলমারি ভর্তি কত রকমের বই! অবনীন্দ্রনাথের নালক, শকুন্তলা, ক্ষীরের পুতুল থেকে উপেন্দ্রকিশোরের টুনটুনির বই। যেন একটা স্বপ্নের রাজ্যের সন্ধান পেলাম আচমকা!
ও বাড়ির ছোট ছোট তিনটে মেয়ে শানু, মিন্টু আর সাধনা তারাও তখন সন্ধান পেয়ে গেছে সেসব বইয়ের!
পুজোয় আর নতুন জামা-জুতোর দিকে লোভ নেই কারওর, শুধু চাই বই আর বই!
গোটা বর্ষাকালে বদরতলার জলা পেরুতে তালগাছের ডোঙা থাকত তখন।
পুজোর ক’দিন সেই ডোঙায় চেপেই বিরিটি, তাজপুর, হরিণখোলা থেকে কত মানুষ আসত ঠাকুর দেখতে।
একটুতেই যেন কত আনন্দ ছিল তখন!
হোক গে একটা মাটির বাড়ি— উঠোনে ছিল শুধু একটা ঝামড়ি-ঝুমড়ি শিউলি গাছ।
পুজোর ঢাক বাজার আগেই মুড়ির মতো কুঁড়ি ধরত হাজার হাজার।
মা বলত— এই আমার সাত রাজার ধন এক মানিক দেখছিস গন্ধে ম-ম করছে চারদিক!
ছেলেটাও তেমন! গাছটাকে জড়িয়ে ধরে আদর করত যখন তখন।
গ্রাম থেকে ছান্দ্রার বড় ইশকুলটায় যেতে না যেতেই, বন্ধু হয়ে গেলেন রাইপুরের কোলেপাড়ার দীনেশ জেঠু। বাবার চেয়ে বয়েসে অনেক বড়! কিন্তু কী মজার মানুষ!
সারাদিন শুধু বই আর বই।
বইয়ের জন্যে খাল-বিল আর জল থই থই জলা পেরিয়ে চলে যেতেন আরান্ডি! দশ-বিশখানা গাঁয়ে যা নেই, সেখানেই তখন নামকরা একটা লাইব্রেরি!
সঙ্গী ছেলেটা তখন হাঁ।
লাইব্রেরি ঠিক কাকে বলে, সেই তখন চোখের সামনে দেখল ছেলেটা!
—এই বইটা নয়! আগে পড়বি এইটা। ভোঁদড় বাহাদুর রবীন্দ্রনাথের ভাইপো ছিলেন উনি। বুঝলি?
অবশ্য শানুদের বাড়িটাও ছিল একটু অন্যরকম। পুজো মানেই বাড়িতে আসবে নতুন বই! কী মজা!
তবু পাশের বোসদাদুদের বাড়ির উঠোনে স্থলপদ্ম গাছটায় যেই ফুল ফুটত ভোর থেকে, তখন কেমন মনটা ভালো হয়ে যেত ছেলেটার। বাবার জন্যে বড্ড হানটান করত মনটা।
কিন্তু দোকানের চাকরি কলকাতার। ষষ্ঠীর দিন হয়ে ছুটি। তারপর ট্রেন ধরা।
সে-ও কি আর তাড়াতাড়ি আসত?
হায় রে! কয়লার ইঞ্জিন কথায় কথায় জল খেত তখন। তারপর সেই কু-ঝিক ঝিক ঝিক—
চাঁপাডাঙায় নেমে পেরুতে হবে দামোদর। তারপর হরিণখোলার মুণ্ডেশ্বরী।
কাঁচা রাস্তায় চলত ভাঙা মোটর দু-তিনটে। পা-দানিতেও পা রাখার জায়গা হতো না সহজে।
বাড়িতে বাবার জন্যে জেগে থাকতে থাকতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ত ছেলেটা—
আহা রে!
তবু ভোরবেলাটা কী লক্ষ্মী ছিল তখন! শিউলি ফুলের গন্ধটা এমন করে ছড়িয়ে দিত গোটা পাড়ায় যে বলার নয়!
বছরে সেই একবারই মায়ের জন্যে আসত জবাকুসুম তেল!
শিউলি গাছটাও তখন যেন ফেল করত ক’দিন।
ভোর থেকেই ঢাক বেজে উঠত দুগ্‌গা তলায়।
তবু মনটা বড্ড উসখুস করত ছেলেটার!
নিজের নতুন জামা আর প্যান্ট কেমন হল— সেদিকে কোনও খেয়াল নেই। শুধু মায়ের দিকে চেয়ে থাকত দূর থেকে! হঠাৎ যেন ভিজে আসত দুটো চোখ। পুজোর সকালটাও যেন কেমন মনমরা মনে হতো তখন!
শানু বলত, ওমা— হাসি নেই কেন! কী হয়েছে তোমার?
বাপরে! অত বড় হয়েছে ছেলেটা— তবু কী লাজুক।
হরাদিত্যর ঠাকুর গড়া মিস্ত্রিরাও তো ওকে চেনে।
কবে থেকে বসে থাকত কাছাকাছি। কোনও দিন একটুও রং চায়নি ছেলেটা। শুধু রাংতার সাজ দেখে কেমন যেন একটু মন-মরা মনে হচ্ছে!
লক্ষ্মী ঠাকুরের মুখটা কী মিষ্টি! ঠিক যেন মায়ের মতো অনেকটা!
শুধু একটা নাকছাবি থাকলেই মায়ের মুখটাও আলো হয়ে থাকত ক’দিন! আহারে... 
15th  September, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় থট-রিডিং।   বিশদ

মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার 

প্রতিবারের মতো এবারও ‘মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল মামরাজ আগরওয়াল ফাউন্ডেশন। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজভবনে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল। এবার মোট ৯৯ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।   বিশদ

মহাপ্রলয় আসছে 

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ষষ্ঠ মহাপ্রলয় ঘটতে আর দেরি নেই। জঙ্গল কেটে সাফ হয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে গাড়ি, কলকারখানার সংখ্যা। দূষিত হয়ে উঠছে পরিবেশ। গলতে শুরু করেছে কুমেরু ও সুমেরুর বরফ। মহাপ্রলয় আটকাতে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পৃথিবীর ধ্বংস আটকানোর উপায় কী? লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

হোয়াইট হাউসে ভূতের ভয়! 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এসেছেন হোয়াইট হাউসে। সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্ত শরীর। স্নান সেরে সোজা নিজের ঘরে। পরনে কোনও পোশাক নেই। নিজের মতো করে পাওয়া সময়টাকে আরও একটু উপভোগ করতে ধরালেন একটা চুরুট।  
বিশদ

13th  October, 2019
কাটিয়ে উঠে ভীতি, প্রথম দিনের স্মৃতি 

স্কুলের প্রথম দিনটি সবার কাছে একই অনুভূতি নিয়ে আসে না। কেউ ভয় পায়, কেউ বা উদ্বেগে ভোগে। কিছুদিন বাদে সব ভুলে স্কুলই হয়ে ওঠে ঘরবাড়ি। সেইরকমই কিছু অনুভূতি তোমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিল মিশ্র অ্যাকাডেমির বন্ধুরা। 
বিশদ

13th  October, 2019
হুলো ও স্কুটি
জয়ন্ত দে

হুলোর কোনওদিন মন খারাপ হয় না। ভালোই থাকে। হাসিতে, খুশিতে থাকে। কিন্তু ইদানীং মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চারদিকে এই অনাচার, অত্যাচার দেখে দেখে সে খুবই বিষণ্ণ হয়ে পড়ছে। হয়তো এমন হতে পারে, এটা তার বয়েসের রোগ! বয়স যত বাড়ছে, মন মেজাজ তত খারাপ হচ্ছে।  বিশদ

29th  September, 2019
স্মৃতির পুজো
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় 

পুজো এলেই হাজার স্মৃতি দেয় মনেতে হানা,
কাশের বনে হারিয়ে যেতে করত কে আর মানা!  বিশদ

29th  September, 2019
প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা 

‘প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা’ এই ছিল এবারের লেখার বিষয়বস্তু। তোমাদের এত লেখা পেয়ে আমরা আপ্লুত। সেইসব মজাদার লেখার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হয়েছে কয়েকটা। বাছাই করা লেখাগুলিই প্রকাশিত হল আজ, শিউলিস্নাত শারদ সকালে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে। 
বিশদ

29th  September, 2019
বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষ 

এই মহান মানুষটি তাদের বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। সেই বিদ্যাসাগরের জন্মের দুশো বছর উপলক্ষে তাঁকে নিয়ে লিখল মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন (মেন)-এর ছাত্ররা। 
বিশদ

22nd  September, 2019
বিদ্যাসাগরের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

22nd  September, 2019
শ্যুটিং ফ্লোর ছেড়ে পুজোর প্যান্ডেলে 

অ্যাকশন, কাট শব্দগুলো এখন শুনতে একঘেয়ে লাগছে ছোট্ট অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। মন তাদের উড়ুউড়ু। আকাশ নীল, কাশের বনে দোলা লেগেছে। সব্বার প্ল্যানিং সারা। কে কী করবে জানাল হ য ব র ল’র বন্ধুদের। 
বিশদ

15th  September, 2019
 ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির জন্মদিনে জে আই এস গোষ্ঠীর অনুষ্ঠান

ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির ১৪৯তম জন্মদিনে জেআইএস গোষ্ঠীর প্রি-স্কুল ‘‌লিটল ব্রাইট স্টারস প্লে স্কুল’‌ পথ চলা শুরু করল। গত ৩১ আগস্ট সংস্থাটি এ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। প্রিস্কুলের পঠনপাঠনের পরিবর্তন নিয়ে একটি আলোচনাচক্রের আয়োজন করা হয়।   বিশদ

08th  September, 2019
 পৃথিবীতে বন্দি ভিনগ্রহী?

খোদ আমেরিকার বুকেই নাকি রয়েছে ভিনগ্রহীরা বন্দি হয়ে! এমনই দাবি বেশ কিছু মানুষের। কোথায় বন্দি হয়ে থাকতে পারে তারা? কেনই বা বন্দি করে রাখা হতে পারে তাদের? হ য ব র ল’র পাতায় রইল সেই নিয়ে খোঁজখবর।
বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোয় আলোয় ভাসবে রাজারহাট। বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোগে এখানে দশকের পর দশক চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ তৈরি হয়। এবার সেই রেশের পারদকে আরও চড়িয়ে রাজারহাট-নিউটাউনের কালীপুজোয় থিমের চমক দর্শকদের মন ভরাবে। ক্লাবগুলি থিমের উদ্ভাবনীতে একে অপরকে টেক্কা দিতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। গত বছরের অক্টোবর থেকে ৫৬টির মধ্যে দেশের জার্সিতে ৪৮টি ...

 ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): ভারতের অর্থনীতির পূর্বভাস নিয়ে অশনি সঙ্কেত দিলেও কর্পোরেট সংস্থাকে কর ছাড়ের প্রশংসা আগেই করেছিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এবার একই সুর শোনা গেল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) কথায়। ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM

উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ভূমিধস, আহত ৩, নিখোঁজ ২ 

10:25:00 AM

রায়গঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা
 

করণদীঘির পর এবার রায়গঞ্জ শহরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। ...বিশদ

10:21:40 AM

ওড়িশার জগৎপুরে একাধিক বেআইনি বাজি কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার ১২ 

10:21:00 AM

পুনেতে ৫টি দেশি পিস্তল সহ গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি 

10:19:00 AM

গুরুগ্রামে একটি গাড়ি থেকে ১.৩৩ কোটি টাকা উদ্ধার করল পুলিস 

10:18:00 AM