Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

শিউলি কুঁড়ির সকাল 
কার্তিক ঘোষ

দাপুটে কানা নদীর গা ঘেঁষে তখন বোসেদের একটাই বাড়ি। তবু সবাই বলত বোসপাড়া!
আসলে, যত রাজ্যের পড়াশোনা করা ছেলে-মেয়েরা তখন সব ওই বাড়িতেই বেশি।
কেউ কলকাতায় নামী বিজ্ঞানী, তো, কেউ ডাক্তার!
পাশের বাড়িটা বড্ড গরিব!
কেশবপুরের ঘোষপাড়া থেকে নাকি উঠে এসেছে দেনার দায়ে।
পাড়ার লোক তাকে খাঁদু বলে ডাকলেও ভালো নাম হল মহাদেব।
বউটির নাম উমা!
তখন তাদের একটাই ছেলে। জন্মেছিল কার্তিক পুজোর দিন ভোরবেলা। কিন্তু ইশকুলে ভর্তি করতে গিয়ে আর এক বিপদ!
বাবা বললেন, ছেলে আমার ঝড়ের বছর হয়েছে। বুঝলেন—
কালী মাস্টারমশাই একটু মাথা চুলকে বললেন, বুঝতে পেরেছি!
সত্যি বলতে সেই থেকেই একটা গেঁয়ো গল্প ঘুরছে তার সঙ্গে সঙ্গে।
একে রোগা-পাতলা ভিতু ছেলে।
ছোট থেকে গাছে ওঠাও শেখেনি! সাঁতার কি সাইকেল চাপা— কিচ্ছু জানেই না!
তবু পাশের সরকার পাড়া থেকে নদীর ওপারের বদরতলার আবদুল চাচারাও খুব ভালোবাসে ছেলেটাকে!
সরকার পাড়াতেই তখন দশখানা গাঁয়ের মধ্যে একটাই ডাক্তার। আর দুগ্গা পুজোর আনন্দ!
যদিও পাশের পাড়ায় উকিলবাবুদের পাকা সদর দালানেও ঠাকুর আসে বছর বছর, তবু যেন দূর মনে হয় কেমন!
সরকার পাড়ার কেষ্টদা, দেবুদা, গণেশদা, আর এক বয়েসি শৈল, লক্ষ্মীকান্ত— সব্বাই ছিল বড্ড কাছের।
পুজোয় তখন জামা-প্যান্ট হতো মাত্র একটা করে।
তা-ও মাপে ছোট-বড় হতো প্রতিবারেই।
ছেলে মুখ ভার করে আছে দেখে বাবা বলতেন, দেখি না কালীপুজোর সময় কী হয়!
মা বলতেন, ফুলঝুরি আনতে হবে না, যদি একটা জামা হয় দেখো।
কিন্তু এসব কথা হতো আর ক’দিন!
চার দিনের পুজো তখন চার দিনেই শেষ। পাঁচ দিনের সন্ধ্যায় বিজয়া হয়ে যেত নদীতে।
রাংতা কুড়োতে যাবে কি— সাঁতার জানে না তো!
তাই একলা ছেলে ফিরে আসত মুখ ভার করে।
পরের তিন-চারটে দিন আর খিদে পেত না তেমন!
একা একা বসে থাকত নদীর ধারে।
সেই তখন থেকেই ছেলেটা যেন কেমন!
গাছে উঠতেও জানে না। সাইকেল চড়াও শেখেনি।
পাশের বোস বাড়ির বড়রা বলতেন, আয় না— শিখিয়ে দিই তোকে। শুনেই তো সটকে পড়ত ছেলে!
সে সময় তো পাকা রাস্তার বালাই ছিল না কাছে-পিঠে কোথাও!
ব্রিজ ছিল না হরিণখোলার মুণ্ডেশ্বরী আর চাঁপাডাঙার কাছে দামোদরে। নৌকো পেরিয়ে তবেই কু-ঝিক ঝিক ছোট্ট ট্রেন ধরতে হতো মার্টিন কোম্পানির।
মায়ের সঙ্গে পানপুরের মামাবাড়ি যেতে গাড়ি বদল করতে হতো বড়গাছিয়ায়।
আহা! কী দুলকি চালের ছোট্ট ট্রেন ছিল ওই সময়।
জানলার ধারে বসলেই চোখে এসে পড়ত কয়লার গুঁড়ো। তবু পানপুর স্টেশনে নামলেই ছোট মাসি দাঁড়িয়ে থাকত এক ঠোঙা গুড়কাঠি নিয়ে!
মাথায় একটু বড় হতেই গাঁয়ের সেই গাছতলার ইসকুল থেকে চলে যেতে হল তিন মাইল দূরের বড় ইশকুলে।
সেখানেও সবে ইট গাঁথা চলছে। কোনও কোনও ঘরে জানলার পাল্লা নেই! দরজাও বসেনি।
তবু অঙ্ক স্যার রামবাবু ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঘরে ঘরে। যদি কিছু সাহায্য পাওয়া যায়।
ইশকুলের কাছেই ডাকাবুকো সেই নদী মুণ্ডেশ্বরী নদী।
নদীর গা ঘেঁষেই মিরাজ, মাসুম আর জাকিরদের বাড়ি।
টিফিনের সময় তারাই মুড়ির ভাগ দেয় জোর করে। কোনও দিন আনে শালপাতায় মোড়া গুড়কাঠি।
সরকার পাড়ার লক্ষ্মীকান্ত, সুকুমার আর শৈলরা তখন রোজকার সঙ্গী। ওদেরও সাইকেল নেই তখন! আরামবাগ যেতেও কাঁচা রাস্তা। হাঁটতে যেন কারও কোনও কষ্ট ছিল না তখন।
পাশের পাড়ার কেষ্টদারাই তখন একমাত্র সম্বল আমার।
ওদের বাড়িতেই যত রাজ্যের আনন্দ। কলকাতার হাওয়া।
রেডিও। খবরের কাগজ। গল্পের বই।
ওর বাবা ছিলেন কলকাতার এক নামী খবরের কাগজে কাজ করা মানুষ!
দাদা ছিলেন সে সময়ের বিখ্যাত গোয়েন্দা গল্পের লেখক শশধর দত্ত। যাঁর দস্যু মোহনকে নিয়ে লেখা বই একশো ছাড়িয়ে গেছে তখনই!
সেই বাড়িতেই হঠাৎ একটু জায়গা জুটে গেল আমার।
আলমারি ভর্তি কত রকমের বই! অবনীন্দ্রনাথের নালক, শকুন্তলা, ক্ষীরের পুতুল থেকে উপেন্দ্রকিশোরের টুনটুনির বই। যেন একটা স্বপ্নের রাজ্যের সন্ধান পেলাম আচমকা!
ও বাড়ির ছোট ছোট তিনটে মেয়ে শানু, মিন্টু আর সাধনা তারাও তখন সন্ধান পেয়ে গেছে সেসব বইয়ের!
পুজোয় আর নতুন জামা-জুতোর দিকে লোভ নেই কারওর, শুধু চাই বই আর বই!
গোটা বর্ষাকালে বদরতলার জলা পেরুতে তালগাছের ডোঙা থাকত তখন।
পুজোর ক’দিন সেই ডোঙায় চেপেই বিরিটি, তাজপুর, হরিণখোলা থেকে কত মানুষ আসত ঠাকুর দেখতে।
একটুতেই যেন কত আনন্দ ছিল তখন!
হোক গে একটা মাটির বাড়ি— উঠোনে ছিল শুধু একটা ঝামড়ি-ঝুমড়ি শিউলি গাছ।
পুজোর ঢাক বাজার আগেই মুড়ির মতো কুঁড়ি ধরত হাজার হাজার।
মা বলত— এই আমার সাত রাজার ধন এক মানিক দেখছিস গন্ধে ম-ম করছে চারদিক!
ছেলেটাও তেমন! গাছটাকে জড়িয়ে ধরে আদর করত যখন তখন।
গ্রাম থেকে ছান্দ্রার বড় ইশকুলটায় যেতে না যেতেই, বন্ধু হয়ে গেলেন রাইপুরের কোলেপাড়ার দীনেশ জেঠু। বাবার চেয়ে বয়েসে অনেক বড়! কিন্তু কী মজার মানুষ!
সারাদিন শুধু বই আর বই।
বইয়ের জন্যে খাল-বিল আর জল থই থই জলা পেরিয়ে চলে যেতেন আরান্ডি! দশ-বিশখানা গাঁয়ে যা নেই, সেখানেই তখন নামকরা একটা লাইব্রেরি!
সঙ্গী ছেলেটা তখন হাঁ।
লাইব্রেরি ঠিক কাকে বলে, সেই তখন চোখের সামনে দেখল ছেলেটা!
—এই বইটা নয়! আগে পড়বি এইটা। ভোঁদড় বাহাদুর রবীন্দ্রনাথের ভাইপো ছিলেন উনি। বুঝলি?
অবশ্য শানুদের বাড়িটাও ছিল একটু অন্যরকম। পুজো মানেই বাড়িতে আসবে নতুন বই! কী মজা!
তবু পাশের বোসদাদুদের বাড়ির উঠোনে স্থলপদ্ম গাছটায় যেই ফুল ফুটত ভোর থেকে, তখন কেমন মনটা ভালো হয়ে যেত ছেলেটার। বাবার জন্যে বড্ড হানটান করত মনটা।
কিন্তু দোকানের চাকরি কলকাতার। ষষ্ঠীর দিন হয়ে ছুটি। তারপর ট্রেন ধরা।
সে-ও কি আর তাড়াতাড়ি আসত?
হায় রে! কয়লার ইঞ্জিন কথায় কথায় জল খেত তখন। তারপর সেই কু-ঝিক ঝিক ঝিক—
চাঁপাডাঙায় নেমে পেরুতে হবে দামোদর। তারপর হরিণখোলার মুণ্ডেশ্বরী।
কাঁচা রাস্তায় চলত ভাঙা মোটর দু-তিনটে। পা-দানিতেও পা রাখার জায়গা হতো না সহজে।
বাড়িতে বাবার জন্যে জেগে থাকতে থাকতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ত ছেলেটা—
আহা রে!
তবু ভোরবেলাটা কী লক্ষ্মী ছিল তখন! শিউলি ফুলের গন্ধটা এমন করে ছড়িয়ে দিত গোটা পাড়ায় যে বলার নয়!
বছরে সেই একবারই মায়ের জন্যে আসত জবাকুসুম তেল!
শিউলি গাছটাও তখন যেন ফেল করত ক’দিন।
ভোর থেকেই ঢাক বেজে উঠত দুগ্‌গা তলায়।
তবু মনটা বড্ড উসখুস করত ছেলেটার!
নিজের নতুন জামা আর প্যান্ট কেমন হল— সেদিকে কোনও খেয়াল নেই। শুধু মায়ের দিকে চেয়ে থাকত দূর থেকে! হঠাৎ যেন ভিজে আসত দুটো চোখ। পুজোর সকালটাও যেন কেমন মনমরা মনে হতো তখন!
শানু বলত, ওমা— হাসি নেই কেন! কী হয়েছে তোমার?
বাপরে! অত বড় হয়েছে ছেলেটা— তবু কী লাজুক।
হরাদিত্যর ঠাকুর গড়া মিস্ত্রিরাও তো ওকে চেনে।
কবে থেকে বসে থাকত কাছাকাছি। কোনও দিন একটুও রং চায়নি ছেলেটা। শুধু রাংতার সাজ দেখে কেমন যেন একটু মন-মরা মনে হচ্ছে!
লক্ষ্মী ঠাকুরের মুখটা কী মিষ্টি! ঠিক যেন মায়ের মতো অনেকটা!
শুধু একটা নাকছাবি থাকলেই মায়ের মুখটাও আলো হয়ে থাকত ক’দিন! আহারে... 
15th  September, 2019
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

20th  September, 2020
ঘুমকাতুরে চোর
অভীক বসু

ভরদুপুরে করতে চুরি
যেই ঢুকেছে ঘরে,
ছোটকাকা পেছন থেকে।
জাপটে গিয়ে ধরে।  বিশদ

20th  September, 2020
মনের  পাখি ও
ভূতনাথ  স্যার
বাণীব্রত চক্রবর্তী 

বিকেলবেলায় স্কুলের দালানে দাঁড়িয়ে নিশিদাদা ঢং ঢং করে ছুটির ঘণ্টা বাজায়। ঠিক তখনই স্কুল কম্পাউন্ডের নিমগাছের ডালে বসে একটা টিয়াপাখি সবুজ ডানা ঝাপটায় এবং লাল টুকটুকে ঠোঁট বাড়িয়ে নিমফল খায়। ইদানীং রোজ টিটো পাখিটাকে দেখতে পাচ্ছে।  বিশদ

20th  September, 2020
অ্যাভোকাডো অ্যান্ড স্মোকড স্যামন স্যান্ডউইচ 

 ব্রাউন অথবা হোয়াইট ব্রেড (পাউরুটি) ৮টি, চিজ স্প্রেড ৮ টেবিল চামচ, অ্যাভোকাডো ৩০০ গ্রাম, স্মোকড স্যামন ২৫০ গ্রাম, পাতিলেবুর রস ১ চা চামচ, ভার্জিন অলিভ অয়েল ২ টেবিল চামচ, লেটুসপাতা সামান্য, নুন স্বাদ অনুযায়ী, গোলমরিচ আন্দাজমতো, সার্ভিং ডিশ ৪টি, মিক্সিং ডিশ -১টি, ছোট চামচ ১টি, ছুরি ১টি। বিশদ

13th  September, 2020
ওভারনাইট ওটস 

 ওটস ১০০ গ্রাম, ইয়োগার্ট ২৫০ গ্রাম, মধু ৫০ গ্রাম, মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস খুব ছোট করে কাটা (আমন্ড, রেসিন, ওয়ালনাট, কাজু) ৫০ গ্রাম, আপেল-আঙ্গুর- পাকা পেঁপে সব মিলিয়ে (ছোট টুকরো করা) ১০ গ্রাম, সেরামিকের মিক্সিং বোল ১টি, সার্ভিং বোল ৪টি, চামচ ১টি। বিশদ

13th  September, 2020
ত্রিকোণমিতির প্রাথমিক ধারণা 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় দশম শ্রেণীর অঙ্ক।  পরামর্শে ব্যারাকপুর রাষ্ট্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের অঙ্কের শিক্ষক শ্যামল বিশ্বাস। বিশদ

13th  September, 2020
সেদিনের শিশুশিল্পীরা 

তোমাদের মতো  বয়সে যারা সিনেমায় অভিনয় করে মন জয় করেছিল সেই সব শিশুশিল্পীর কথা তোমাদের জানাচ্ছেন ড. শঙ্কর ঘোষ। বিশদ

13th  September, 2020
মার্কশিট
জীবজগতে সংবহণ একটি
গুরুত্বপূর্ণ ও বিচিত্র পদ্ধতি 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় নবম শ্রেণীর জীবনবিজ্ঞান।
ভাবতে অবাক লাগে তালগাছ, ‘একপায়ে দাঁড়িয়ে সব গাছ ছাড়িয়ে উঁকি দেয় আকাশে’। মাটি থেকে ৬০ বা ৭০ ফুট উঁচু সেই গাছের মাথায় জল পৌঁছয় কী করে? বাতাসের চাপে সেই জল তো এতদূর ওঠার কথা নয়। কী হয় তাহলে?
বিশদ

06th  September, 2020
মঙ্গলগ্রহে
জমি কিনবে? 

মঙ্গলগ্রহের মাটির তলায় নাকি জমে আছে বরফ। বরফ মানেই জল। জল মানেই প্রাণ! তাহলে কি লালগ্রহে মানুষ বাস করার মতো পরিবেশও গড়া সম্ভব? বিজ্ঞানীরা চালাচ্ছেন নিরন্তর গবেষণা। ফলাফল বেশ আশাজনক। লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

06th  September, 2020
ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের ছোটবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার
ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

30th  August, 2020
গুরু শিষ্যের অপূর্ব মেলবন্ধন 

৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবস— সর্বপল্লী ডঃ রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিন। প্রতি বছর এই দিনটা এলেই মনে হয়, ‘সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে’। ছাত্রাবস্থায় এবং শিক্ষক জীবনে, দুই ক্ষেত্রেই এই দিনটি কেমন যেন মনের গভীরে একটা চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছে।  বিশদ

30th  August, 2020
গুরুকে জানাই প্রণাম 

আমার সুবিধা অসুবিধা সব জানেন গুরুজি
 সেই ফেব্রুয়ারি মাসে গুরুজির সামনে শেষ বসেছিলাম তালিম নিতে। তারপর করোনার জন্য বাড়িতে আর গানের তালিম হবে কিনা বুঝতে পারছিলাম না। এপ্রিল মাসে গুরুজি ফোন করলেন।  
বিশদ

30th  August, 2020
আমরা করব জয়

জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। ভয় তো একটু করেই। তার ওপর করোনা মহামারীর কারণে প্রায় ছ’মাস স্কুল, টিউশন বন্ধ। অনলাইন ক্লাসে অভ্যস্ত হতে হতেই এগিয়ে আসছে পরীক্ষা। ভয় পেলে তো চলবে না। সব প্রতিকূলতা জয় করে এগতে হবে। তোমাদের কয়েকজন বন্ধু জানাল কী ভাবে তারা প্রস্তুত হচ্ছে পরীক্ষার জন্য। বিশদ

23rd  August, 2020
 পড়া পড়া খেলা

ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি তোমাদের জন্য হাজির করেছে গল্পের বইয়ের অগাধ সম্ভার। লাইব্রেরির ডিরেক্টরের সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

23rd  August, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিইএসসির অফিসার বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করল জোড়াসাঁকো থানার পুলিস। ধৃতের নাম মোহাম্মদ সুলেমান। বাড়ি তিলজলা এলাকায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সিইএসসির জাল রসিদ।   ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সঙ্গে নিতে হবে বিপ্লব মিত্রকে। কলকাতায় বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের তরফ থেকে জেলা নেতৃত্বকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  ...

রোম: ইতালিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন রাফায়েল নাদাল। তবে ফাইনালে উঠেছেন নোভাক জকোভিচ। এর আগে রোমের এই টুর্নামেন্টে ন’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্প্যানিশ তারকা নাদাল।   ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: রাজ্যের চটকল শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানের প্রতি এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিশেষ নজর দিতে চলেছে। শ্রমিকদের চাকরির স্থায়িত্ব এই শিল্পের অন্যতম এবং বহু পুরনো সমস্যা হওয়ায় আপাতত তার সমাধানকেই পাখির চোখ করেছে শ্রমদপ্তর।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আপনার আজকের দিনটি  
মেষ: হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে পারে। বৃষ: ব্যবসায় অতিরিক্ত বিনিয়োগে ...বিশদ

08:16:07 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ...বিশদ

07:55:00 AM

আইপিএল: সুপার ওভারে জিতল দিল্লি ক্যাপিটালস

20-09-2020 - 11:49:07 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হবে সুপার ওভারের মাধ্যমে

20-09-2020 - 11:35:52 PM

আইপিএল: দিল্লি ক্যাপিটালস ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ম্যাচ টাই 

20-09-2020 - 11:32:44 PM

আইপিএল: কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ১৫ ওভারে ৯৮/৫ 

20-09-2020 - 11:00:16 PM