Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

ঘুঘুরাম
বাণীব্রত চক্রবর্তী

 লোকটার চোখের দিকে তাকিয়ে কিট্টু ভয় পেয়ে গেল। নৌকোটা নদীর ঘাটের কাছে। ওখানে এক কোমর জল। তবে নৌকো ও ঘাটের মধ্যে পাটাতন পাতা আছে। সে সহজেই নৌকোয় উঠে যেতে পারে। নৌকোটা পাড়ের বটগাছের গুঁড়ির সঙ্গে দড়ি দিয়ে শক্ত করে বাঁধা। তবু নৌকো দুলছে। লোকটাও।
চোখ রাঙা হলেও লোকটার কণ্ঠস্বর কোমল, ‘ভয় কী! এসো। নৌকোর ছইয়ের নীচে মাধব বসে আছে। তুমি এলে নৌকো ছাড়বে। নদীর ওপারের জঙ্গলে যাব। ওখানে হাজার বছরের পুরনো বুদ্ধদেবের একটা চল্লিশ ফুট উঁচু পাথরের মূর্তি আছে। আমরা ওটা দেখেই ফিরে আসব। শান্তিময়বাবুর মুখে শুনেছি তুমি অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসো। এসো কিরীটী।’
এর আগে সে লোকটাকে দেখেনি। লম্বা ছিপছিপে চেহারা। গায়ে কালো আলখাল্লা। পায়ে লাল রঙের বুট জুতো। ফরসা মুখে লালচে গোঁফ-দাড়ি। চোখ দুটো রক্তের মতো লাল। লোকটা বাবার নাম জানল কী করে! কিট্টুর ভালো নাম যে কিরীটী সেটাও জানে! আশ্চর্যের ব্যাপার!
লোকটা আবার তাড়া দেয়, ‘কী এত ভাবছ! এসো। সন্ধে হয়ে আসবে। এরপর আর যাওয়া যাবে না। শান্তিময়বাবু এখন পাইন বনে পায়চারি করতে করতে নিশ্চয়ই ঘুঘুরামের কথা ভাবছেন। ওঁকে ভাবতে দাও। তোমাদের ড্রাইভার ললিত আড়ালে কোথাও দাঁড়িয়ে সিগারেট ফুঁকছে। চলো, এই ফাঁকে আমরা ঘুরে আসি।’ ওই লোকটা ও কিট্টু ছাড়া নদীর ধারে আর কেউ নেই। ছইয়ের নীচে হয়তো মাধব আছে।
কিট্টুর ভালো নাম কিরীটী রায়। তা বলে সে তো ডিটেকটিভ কিরীটী রায় নয়! এবার সে নদীকে পেছনে রেখে পাইন বনের দিকে ছুটতে লাগল। বিকেল শেষ হয়ে আসছে।
পাইন বনে পৌঁছে দেখল বাবা আপন মনে বিড় বিড় করে কী যেন বলছেন আর পায়চারি করছেন। বাবা ডাকসাইটে উকিল। তাঁর যথেষ্ট খ্যাতি ও প্রতিপত্তি।
পাইন বনে একটাও পাইন গাছ নেই। তবে আম জাম পেয়ারা বেল ও পেঁপে গাছ আছে। বাবার মক্কেল পল্লব পাইনের এই বাগান। তিনি এই ফলের বাগানটার নাম রেখেছেন পাইন বন।
হাঁপাতে হাঁপাতে এসে বাবার সামনে দাঁড়াল। শান্তিময় জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী হল কিট্টু! হাঁপাচ্ছ কেন?’ কিট্টু বলল, ‘ছুটে এলাম। তাই।’ উনি বললেন, ‘খামোকা ছুটে এলে কেন!’ কিট্টু বলল, ‘মনে হল একটু ছুটে নিই।’ আসল কথাটা বলল না।
শান্তিময় বললেন, ‘একটা জটিল কেস নিয়ে ভাবছি। আসামি ধরা পড়েছিল। সাত দিনের মধ্যে জেলখানার পাঁচিল ডিঙিয়ে পালাল। ইন্সপেক্টর বর্ধন চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন। শিগগির লোকটা ধরা পড়বে। পাইনবাবু খুব ভেঙে পড়েছেন। লোকটা ধরা না পড়লে তিনি ভয়ঙ্কর বিপদে পড়বেন। তাঁর ব্যবসার মূল্যবান নথিপত্র লোকটা হাতিয়ে নিয়েছে। হাতেনাতে ধরা পড়ে কিছু উদ্ধার করা গেছে। সব নয়। লোকটাকে সওয়াল করে সে সবের হদিশ ঠিক বার করে ফেলতাম।’
বাবার মোবাইল ফোন বেজে উঠল। ফোন ধরে বাবা বললেন, ‘হ্যালো। পাইনবাবু! হ্যাঁ। হ্যাঁ। এবার আমরা আসছি।’ ফোন পকেটে রেখে বললেন, ‘চলো, এবার পাইনবাবুর বাড়ির ভিতরে যেতে হবে।’
পাইন বনের বাইরে এসে দেখল তাদের গাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে। ললিতদা গাড়িতে বসে খবরের কাগজ পড়ছে। সামনেই পাইনবাবুর বাড়ি। যেন রাজপ্রাসাদ।
দুই
এই বাড়িতে কিট্টু দ্বিতীয়বার এল। প্রথমবার ললিতদা তাকে নদীর ধারে নিয়ে গিয়েছিল। সেদিন নদীতে দুটো ফেরি নৌকো ছিল। ঘাটে আলাদা করে কোনও নৌকো বাঁধা ছিল না। কালো আলখাল্লা লাল বুট পরা লোকটাকে সেদিন দেখেনি। কিট্টু তখন জানত না নদীর ওপারে একটা জঙ্গল আছে। ওখানে হাজার বছরের পুরনো চল্লিশ ফুট উঁচু বুদ্ধদেবের পাথরের মূর্তি আছে। আজ প্রথম শুনল।
পাইনবাবুর স্ত্রী প্রথম দিন কিট্টুকে সস্নেহে বলেছিলেন, ‘তুমি আমার গৌরাঙ্গের মতো।’ কিট্টু অবাক হয়েছিল, ‘গৌরাঙ্গ আবার কে!’ উনি বলেছিলেন, ‘ধরে নাও তোমার ভাই। তোমাদের তো একই বয়স।’ পরে বাবার কাছ থেকে সে জানতে পেরেছিল পাইনবাবুর ছেলের নাম গৌরাঙ্গ। দার্জিলিংয়ে থেকে পড়াশোনা করে।
পাইনবাবুর স্ত্রী আগের দিন কিট্টুকে নিজের ঘরে নিয়ে এসে সযত্নে লুচি মিষ্টি খাইয়েছিলেন। সে কোন ক্লাসে পড়ে বাড়িতে আর কে কে আছেন সব জিজ্ঞেস করেছিলেন। আজও লুচি মিষ্টি সাজিয়ে দিয়ে বললেন, ‘কাল গৌরাঙ্গ আসবে। কিছুদিন থাকবে। এর মধ্যে বাবার সঙ্গে এখানে এসো। গৌরাঙ্গের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হবে তো!’
খেতে খেতে কিট্টু ভাবছিল আলখাল্লা পরা লোকটাই কি ঘুঘুরাম!
তিন
বাবা আজ তাড়াতাড়ি কোর্ট থেকে বাড়ি ফিরে এসেছেন। দোতলার বারান্দার চেয়ারে বসে জুতোর ফিতে খুলতে খুলতে কিট্টুর মা চিত্রাকে বলছেন, ‘ইন্সপেক্টর বর্ধন আধ ঘণ্টা বাদে আসবেন। আমার চেম্বারে জলখাবার দেবে।’
কিট্টু একটু আগে ফুটবল খেলে মাঠ থেকে ফিরেছে। স্কুল বন্ধ। ভোটের জন্য স্কুলে পুলিসক্যাম্প বসেছে। জ্ঞানবাবু কয়েকদিন পড়াতে আসবেন না। সপরিবারে দেশে গেছেন। একেবারে ভোট দিয়ে ফিরবেন।
ডাইনিং হলে বসে কিট্টু গরম গরম ফ্রেঞ্চ টোস্ট খাচ্ছে। এতক্ষণ এখানে মা ছিলেন। গাড়ির হর্ন শুনে ছুটলেন, ‘কিট্টু, তোর বাবা বোধহয় এলেন। আর ফ্রেঞ্চ টোস্ট লাগলে তরুদিকে বলিস।’ কিট্টু বলল, ‘আর লাগবে না।’ তরুদি পাশের কিচেনে।
এখান থেকে সে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে বাবা ও মাকে। ওঁদের কথাবার্তাও শুনতে পাচ্ছে। মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘জেল পালানো আসামি ধরা পড়ল?’ বাবা বললেন, ‘না। এখনও ধরা পড়েনি। বর্ধন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে লোকটা নাকি ছদ্মবেশে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাহস আছে বলতে হবে। একদিন নাকি পাইনবাবুর বাড়ির আশপাশেও তাকে দেখা গেছে।’ মা বললেন, ‘তক্ষুনি ওকে পুলিস পাকড়াও করল না কেন!’ বাবা হো হো করে হেসে উঠলেন, ‘চিত্রা, তুমি তো দেখছি ভারী ছেলেমানুষ! এভাবে গ্রেপ্তার করা যায় নাকি! আইনের অনেক মারপ্যাঁচ আছে। কেবল অনুমানে তো হয় না। প্রত্যক্ষ প্রমাণ চাই।’ মা বললেন, ‘ছদ্মবেশে লোকটা ঘুরে বেড়াচ্ছে এটা নিছক অনুমান তাহলে!’ বাবা বললেন, ‘অনুমান পুরোপুরি নয়। যাকগে, ওসব কথা থাক। এক্ষুনি জামাকাপড় বদলে একতলার চেম্বারে গিয়ে বসতে হবে। বর্ধন এই এলেন বলে।’
চেম্বারে বসে বাবা ও ইন্সপেক্টর বর্ধন কথা বলছেন। খানিকক্ষণ আগে মা জলখাবার দিয়ে গেছেন। কাজের লোক তরুদির হাতে চায়ের ট্রে ছিল। যাওয়ার সময় মা বাবার কথামতো দরজা বাইরে থেকে ভেজিয়ে দিয়ে গেছেন।
কিট্টু ওই ভেজানো দরজার সামনে এখন দাঁড়িয়ে আছে। চেম্বারে ওঁরা কথা বলছেন। কিন্তু কী বলছেন কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। কিট্টু এবার ছিটকে সরে এল। এ কী করতে যাচ্ছিল! আড়ি পেতে ওঁদের কথা শোনার চেষ্টা করছিল! খুব অন্যায়। ভেবেছিল জেল পালানো আসামিটা ঘুঘুরাম। ওঁদের কথাবার্তায় নিশ্চয়ই জঙ্গলের বুদ্ধদেবের মূর্তিটার কোনও হদিশ থাকলেও থাকতে পারে। এভাবে রহস্য উদ্ধার করতে চায় না। কিট্টু নিজের বুদ্ধিবলে সব রহস্য উদ্ধার করবে।
চার
কোর্টে গরমের ছুটি পড়ে গেছে। কিট্টুদের স্কুলেও। পাইনবাবুর ছেলে দার্জিলিং থেকে নিজেদের বাড়িতে এসেছে। কিট্টুর খুব ইচ্ছে করছে গৌরাঙ্গের সঙ্গে আলাপ করতে। কিন্তু বাবা তো আর পাইনবাবুর বাড়িতে যান না। হয়তো তাঁর সঙ্গে বাবার ফোনে কথাবার্তা হয়। মাঝে মাঝে ইন্সপেক্টর বর্ধন বাবার কাছে আসেন। চেম্বারের দরজা ভেজিয়ে খানিকক্ষণ কথাবার্তা বলে বর্ধন চলে যান। কিট্টু বুঝতে পারে আসামি এখনও ধরা পড়েনি। সকাল সন্ধে অন্যান্য মক্কেলদের নিয়ে বাবা ভারী ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু বাবা যখন বিকেলে একলা দোতলার বারান্দায় বসে দূরের গির্জাটার দিকে তাকিয়ে থাকেন তখন বাবাকে দেখে কিট্টুর মনে হয় তাঁর মন ভালো নেই। কিট্টুরও মন ভালো নেই।
জ্ঞানবাবু দেশ থেকে ফিরেছেন। সোম থেকে শনি নিয়ম করে সন্ধেবেলায় পড়াতে আসছেন। তবে তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে কিট্টুর মনে হয় স্যারেরও মন ভালো নেই। এক-একটা মানুষের মন এক-একরকম। তাই মন খারাপের কারণগুলোও এক একরকম।
সেদিন সাতসকালে একটা ফোন পেয়ে শান্তিময় ভারী উত্তেজিত হয়ে উঠলেন, ‘চিত্রা। চিত্রা। এক্ষুনি আমাকে বেরতে হবে। তুমি তাড়াতাড়ি ললিতকে বলো গাড়ি বের করতে। গৌরাঙ্গকে কারা যেন ধরে নিয়ে গেছে। বর্ধন পাইনবাবুর বাড়িতে পুলিস ফোর্স নিয়ে চলে গেছেন।’
বাবার কথা শুনতে পেয়ে কিট্টু ছুটে এল, ‘বাবা, আমিও তোমার সঙ্গে যাব।’ বাবা কয়েক সেকেন্ড কী যেন ভেবে নিয়ে বললেন, ‘বেশ। চলো।’
পাঁচ
বাবার সঙ্গে কিট্টু এখন সেই নদীটার ধারে দাঁড়িয়ে আছে। চারদিকে পুলিস। একটা মোটর বোটে চেপে একদল পুলিস নিয়ে ইন্সপেক্টর বর্ধন ছেলেধরার পিছু নিয়েছেন। ছেলেধরা আর কেউ নয় সেই জেল পালানো আসামি। কিট্টু জিজ্ঞেস করল, ‘বাবা, আসামির নাম কি ঘুঘুরাম!’ বাবা অবাক, ‘ওর নাম তুমি জানলে কী করে! ঘুঘুরাম একটা আস্ত শয়তান।’ কিট্টু জিজ্ঞেস করল, ‘নদীর ওপারের যে জঙ্গলে বুদ্ধদেবের মূর্তি আছে ঘুঘুরাম গৌরাঙ্গকে নিয়ে নিশ্চয়ই ওখানে গেছে।’ এত বিপদের মধ্যেও শান্তিময় হেসে ফেললেন, ‘জঙ্গল, বুদ্ধমূর্তি কী আবোল-তাবোল বকছ! ওপারে ওসব কিছুই নেই। কয়েকটা বন্ধ কারখানার ধ্বংসস্তূপ আছে।’ কিট্টু বলল, ‘পুলিস গৌরাঙ্গকে উদ্ধার করতে পারবে?’ ছেলের অশ্রু-ছলছল চোখের দিকে তাকিয়ে শান্তিময় বললেন, ‘পারবে। তুমি মন খারাপ কোরো না।’ কিট্টু জিজ্ঞেস করল, ‘আমাদের কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে!’ শান্তিময় বললেন, ‘ভালো কিছু পেতে গেলে অপেক্ষা করতে হয় কিট্টু।’ কিট্টু অবাক, ‘ভালো কিছু এখানে পাব!’ উনি বললেন, ‘আসামি ঘুঘুরাম ধরা পড়বে। আর গৌরাঙ্গকে আমরা ফিরে পাব। এগুলোই তো ভালো কিছু।’ কিট্টু অবাক হয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে রইল।
08th  September, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় থট-রিডিং।   বিশদ

মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার 

প্রতিবারের মতো এবারও ‘মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল মামরাজ আগরওয়াল ফাউন্ডেশন। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজভবনে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল। এবার মোট ৯৯ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।   বিশদ

মহাপ্রলয় আসছে 

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ষষ্ঠ মহাপ্রলয় ঘটতে আর দেরি নেই। জঙ্গল কেটে সাফ হয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে গাড়ি, কলকারখানার সংখ্যা। দূষিত হয়ে উঠছে পরিবেশ। গলতে শুরু করেছে কুমেরু ও সুমেরুর বরফ। মহাপ্রলয় আটকাতে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পৃথিবীর ধ্বংস আটকানোর উপায় কী? লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

হোয়াইট হাউসে ভূতের ভয়! 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এসেছেন হোয়াইট হাউসে। সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্ত শরীর। স্নান সেরে সোজা নিজের ঘরে। পরনে কোনও পোশাক নেই। নিজের মতো করে পাওয়া সময়টাকে আরও একটু উপভোগ করতে ধরালেন একটা চুরুট।  
বিশদ

13th  October, 2019
কাটিয়ে উঠে ভীতি, প্রথম দিনের স্মৃতি 

স্কুলের প্রথম দিনটি সবার কাছে একই অনুভূতি নিয়ে আসে না। কেউ ভয় পায়, কেউ বা উদ্বেগে ভোগে। কিছুদিন বাদে সব ভুলে স্কুলই হয়ে ওঠে ঘরবাড়ি। সেইরকমই কিছু অনুভূতি তোমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিল মিশ্র অ্যাকাডেমির বন্ধুরা। 
বিশদ

13th  October, 2019
হুলো ও স্কুটি
জয়ন্ত দে

হুলোর কোনওদিন মন খারাপ হয় না। ভালোই থাকে। হাসিতে, খুশিতে থাকে। কিন্তু ইদানীং মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চারদিকে এই অনাচার, অত্যাচার দেখে দেখে সে খুবই বিষণ্ণ হয়ে পড়ছে। হয়তো এমন হতে পারে, এটা তার বয়েসের রোগ! বয়স যত বাড়ছে, মন মেজাজ তত খারাপ হচ্ছে।  বিশদ

29th  September, 2019
স্মৃতির পুজো
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় 

পুজো এলেই হাজার স্মৃতি দেয় মনেতে হানা,
কাশের বনে হারিয়ে যেতে করত কে আর মানা!  বিশদ

29th  September, 2019
প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা 

‘প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা’ এই ছিল এবারের লেখার বিষয়বস্তু। তোমাদের এত লেখা পেয়ে আমরা আপ্লুত। সেইসব মজাদার লেখার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হয়েছে কয়েকটা। বাছাই করা লেখাগুলিই প্রকাশিত হল আজ, শিউলিস্নাত শারদ সকালে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে। 
বিশদ

29th  September, 2019
বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষ 

এই মহান মানুষটি তাদের বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। সেই বিদ্যাসাগরের জন্মের দুশো বছর উপলক্ষে তাঁকে নিয়ে লিখল মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন (মেন)-এর ছাত্ররা। 
বিশদ

22nd  September, 2019
বিদ্যাসাগরের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

22nd  September, 2019
শ্যুটিং ফ্লোর ছেড়ে পুজোর প্যান্ডেলে 

অ্যাকশন, কাট শব্দগুলো এখন শুনতে একঘেয়ে লাগছে ছোট্ট অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। মন তাদের উড়ুউড়ু। আকাশ নীল, কাশের বনে দোলা লেগেছে। সব্বার প্ল্যানিং সারা। কে কী করবে জানাল হ য ব র ল’র বন্ধুদের। 
বিশদ

15th  September, 2019
শিউলি কুঁড়ির সকাল 
কার্তিক ঘোষ

দাপুটে কানা নদীর গা ঘেঁষে তখন বোসেদের একটাই বাড়ি। তবু সবাই বলত বোসপাড়া!
আসলে, যত রাজ্যের পড়াশোনা করা ছেলে-মেয়েরা তখন সব ওই বাড়িতেই বেশি।
কেউ কলকাতায় নামী বিজ্ঞানী, তো, কেউ ডাক্তার!
পাশের বাড়িটা বড্ড গরিব! 
বিশদ

15th  September, 2019
 ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির জন্মদিনে জে আই এস গোষ্ঠীর অনুষ্ঠান

ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির ১৪৯তম জন্মদিনে জেআইএস গোষ্ঠীর প্রি-স্কুল ‘‌লিটল ব্রাইট স্টারস প্লে স্কুল’‌ পথ চলা শুরু করল। গত ৩১ আগস্ট সংস্থাটি এ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। প্রিস্কুলের পঠনপাঠনের পরিবর্তন নিয়ে একটি আলোচনাচক্রের আয়োজন করা হয়।   বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): নাগাদের জন্য আলাদা পতাকা এবং সংবিধানের দাবি খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে চলা শান্তি প্রক্রিয়াতেও সরকার ইতি টানতে চাইছে। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: শনিবার মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার সদর ব্লকের খাঙ্গারডিহি এলাকায় বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনায় দু’পক্ষের ছ’জন কর্মী সমর্থক জখম হন।  ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

 ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): ভারতের অর্থনীতির পূর্বভাস নিয়ে অশনি সঙ্কেত দিলেও কর্পোরেট সংস্থাকে কর ছাড়ের প্রশংসা আগেই করেছিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এবার একই সুর শোনা গেল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) কথায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM

উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ভূমিধস, আহত ৩, নিখোঁজ ২ 

10:25:00 AM

রায়গঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা
 

করণদীঘির পর এবার রায়গঞ্জ শহরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। ...বিশদ

10:21:40 AM

ওড়িশার জগৎপুরে একাধিক বেআইনি বাজি কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার ১২ 

10:21:00 AM

পুনেতে ৫টি দেশি পিস্তল সহ গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি 

10:19:00 AM

গুরুগ্রামে একটি গাড়ি থেকে ১.৩৩ কোটি টাকা উদ্ধার করল পুলিস 

10:18:00 AM