Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

ঘুঘুরাম
বাণীব্রত চক্রবর্তী

 লোকটার চোখের দিকে তাকিয়ে কিট্টু ভয় পেয়ে গেল। নৌকোটা নদীর ঘাটের কাছে। ওখানে এক কোমর জল। তবে নৌকো ও ঘাটের মধ্যে পাটাতন পাতা আছে। সে সহজেই নৌকোয় উঠে যেতে পারে। নৌকোটা পাড়ের বটগাছের গুঁড়ির সঙ্গে দড়ি দিয়ে শক্ত করে বাঁধা। তবু নৌকো দুলছে। লোকটাও।
চোখ রাঙা হলেও লোকটার কণ্ঠস্বর কোমল, ‘ভয় কী! এসো। নৌকোর ছইয়ের নীচে মাধব বসে আছে। তুমি এলে নৌকো ছাড়বে। নদীর ওপারের জঙ্গলে যাব। ওখানে হাজার বছরের পুরনো বুদ্ধদেবের একটা চল্লিশ ফুট উঁচু পাথরের মূর্তি আছে। আমরা ওটা দেখেই ফিরে আসব। শান্তিময়বাবুর মুখে শুনেছি তুমি অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসো। এসো কিরীটী।’
এর আগে সে লোকটাকে দেখেনি। লম্বা ছিপছিপে চেহারা। গায়ে কালো আলখাল্লা। পায়ে লাল রঙের বুট জুতো। ফরসা মুখে লালচে গোঁফ-দাড়ি। চোখ দুটো রক্তের মতো লাল। লোকটা বাবার নাম জানল কী করে! কিট্টুর ভালো নাম যে কিরীটী সেটাও জানে! আশ্চর্যের ব্যাপার!
লোকটা আবার তাড়া দেয়, ‘কী এত ভাবছ! এসো। সন্ধে হয়ে আসবে। এরপর আর যাওয়া যাবে না। শান্তিময়বাবু এখন পাইন বনে পায়চারি করতে করতে নিশ্চয়ই ঘুঘুরামের কথা ভাবছেন। ওঁকে ভাবতে দাও। তোমাদের ড্রাইভার ললিত আড়ালে কোথাও দাঁড়িয়ে সিগারেট ফুঁকছে। চলো, এই ফাঁকে আমরা ঘুরে আসি।’ ওই লোকটা ও কিট্টু ছাড়া নদীর ধারে আর কেউ নেই। ছইয়ের নীচে হয়তো মাধব আছে।
কিট্টুর ভালো নাম কিরীটী রায়। তা বলে সে তো ডিটেকটিভ কিরীটী রায় নয়! এবার সে নদীকে পেছনে রেখে পাইন বনের দিকে ছুটতে লাগল। বিকেল শেষ হয়ে আসছে।
পাইন বনে পৌঁছে দেখল বাবা আপন মনে বিড় বিড় করে কী যেন বলছেন আর পায়চারি করছেন। বাবা ডাকসাইটে উকিল। তাঁর যথেষ্ট খ্যাতি ও প্রতিপত্তি।
পাইন বনে একটাও পাইন গাছ নেই। তবে আম জাম পেয়ারা বেল ও পেঁপে গাছ আছে। বাবার মক্কেল পল্লব পাইনের এই বাগান। তিনি এই ফলের বাগানটার নাম রেখেছেন পাইন বন।
হাঁপাতে হাঁপাতে এসে বাবার সামনে দাঁড়াল। শান্তিময় জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী হল কিট্টু! হাঁপাচ্ছ কেন?’ কিট্টু বলল, ‘ছুটে এলাম। তাই।’ উনি বললেন, ‘খামোকা ছুটে এলে কেন!’ কিট্টু বলল, ‘মনে হল একটু ছুটে নিই।’ আসল কথাটা বলল না।
শান্তিময় বললেন, ‘একটা জটিল কেস নিয়ে ভাবছি। আসামি ধরা পড়েছিল। সাত দিনের মধ্যে জেলখানার পাঁচিল ডিঙিয়ে পালাল। ইন্সপেক্টর বর্ধন চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন। শিগগির লোকটা ধরা পড়বে। পাইনবাবু খুব ভেঙে পড়েছেন। লোকটা ধরা না পড়লে তিনি ভয়ঙ্কর বিপদে পড়বেন। তাঁর ব্যবসার মূল্যবান নথিপত্র লোকটা হাতিয়ে নিয়েছে। হাতেনাতে ধরা পড়ে কিছু উদ্ধার করা গেছে। সব নয়। লোকটাকে সওয়াল করে সে সবের হদিশ ঠিক বার করে ফেলতাম।’
বাবার মোবাইল ফোন বেজে উঠল। ফোন ধরে বাবা বললেন, ‘হ্যালো। পাইনবাবু! হ্যাঁ। হ্যাঁ। এবার আমরা আসছি।’ ফোন পকেটে রেখে বললেন, ‘চলো, এবার পাইনবাবুর বাড়ির ভিতরে যেতে হবে।’
পাইন বনের বাইরে এসে দেখল তাদের গাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে। ললিতদা গাড়িতে বসে খবরের কাগজ পড়ছে। সামনেই পাইনবাবুর বাড়ি। যেন রাজপ্রাসাদ।
দুই
এই বাড়িতে কিট্টু দ্বিতীয়বার এল। প্রথমবার ললিতদা তাকে নদীর ধারে নিয়ে গিয়েছিল। সেদিন নদীতে দুটো ফেরি নৌকো ছিল। ঘাটে আলাদা করে কোনও নৌকো বাঁধা ছিল না। কালো আলখাল্লা লাল বুট পরা লোকটাকে সেদিন দেখেনি। কিট্টু তখন জানত না নদীর ওপারে একটা জঙ্গল আছে। ওখানে হাজার বছরের পুরনো চল্লিশ ফুট উঁচু বুদ্ধদেবের পাথরের মূর্তি আছে। আজ প্রথম শুনল।
পাইনবাবুর স্ত্রী প্রথম দিন কিট্টুকে সস্নেহে বলেছিলেন, ‘তুমি আমার গৌরাঙ্গের মতো।’ কিট্টু অবাক হয়েছিল, ‘গৌরাঙ্গ আবার কে!’ উনি বলেছিলেন, ‘ধরে নাও তোমার ভাই। তোমাদের তো একই বয়স।’ পরে বাবার কাছ থেকে সে জানতে পেরেছিল পাইনবাবুর ছেলের নাম গৌরাঙ্গ। দার্জিলিংয়ে থেকে পড়াশোনা করে।
পাইনবাবুর স্ত্রী আগের দিন কিট্টুকে নিজের ঘরে নিয়ে এসে সযত্নে লুচি মিষ্টি খাইয়েছিলেন। সে কোন ক্লাসে পড়ে বাড়িতে আর কে কে আছেন সব জিজ্ঞেস করেছিলেন। আজও লুচি মিষ্টি সাজিয়ে দিয়ে বললেন, ‘কাল গৌরাঙ্গ আসবে। কিছুদিন থাকবে। এর মধ্যে বাবার সঙ্গে এখানে এসো। গৌরাঙ্গের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হবে তো!’
খেতে খেতে কিট্টু ভাবছিল আলখাল্লা পরা লোকটাই কি ঘুঘুরাম!
তিন
বাবা আজ তাড়াতাড়ি কোর্ট থেকে বাড়ি ফিরে এসেছেন। দোতলার বারান্দার চেয়ারে বসে জুতোর ফিতে খুলতে খুলতে কিট্টুর মা চিত্রাকে বলছেন, ‘ইন্সপেক্টর বর্ধন আধ ঘণ্টা বাদে আসবেন। আমার চেম্বারে জলখাবার দেবে।’
কিট্টু একটু আগে ফুটবল খেলে মাঠ থেকে ফিরেছে। স্কুল বন্ধ। ভোটের জন্য স্কুলে পুলিসক্যাম্প বসেছে। জ্ঞানবাবু কয়েকদিন পড়াতে আসবেন না। সপরিবারে দেশে গেছেন। একেবারে ভোট দিয়ে ফিরবেন।
ডাইনিং হলে বসে কিট্টু গরম গরম ফ্রেঞ্চ টোস্ট খাচ্ছে। এতক্ষণ এখানে মা ছিলেন। গাড়ির হর্ন শুনে ছুটলেন, ‘কিট্টু, তোর বাবা বোধহয় এলেন। আর ফ্রেঞ্চ টোস্ট লাগলে তরুদিকে বলিস।’ কিট্টু বলল, ‘আর লাগবে না।’ তরুদি পাশের কিচেনে।
এখান থেকে সে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে বাবা ও মাকে। ওঁদের কথাবার্তাও শুনতে পাচ্ছে। মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘জেল পালানো আসামি ধরা পড়ল?’ বাবা বললেন, ‘না। এখনও ধরা পড়েনি। বর্ধন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে লোকটা নাকি ছদ্মবেশে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাহস আছে বলতে হবে। একদিন নাকি পাইনবাবুর বাড়ির আশপাশেও তাকে দেখা গেছে।’ মা বললেন, ‘তক্ষুনি ওকে পুলিস পাকড়াও করল না কেন!’ বাবা হো হো করে হেসে উঠলেন, ‘চিত্রা, তুমি তো দেখছি ভারী ছেলেমানুষ! এভাবে গ্রেপ্তার করা যায় নাকি! আইনের অনেক মারপ্যাঁচ আছে। কেবল অনুমানে তো হয় না। প্রত্যক্ষ প্রমাণ চাই।’ মা বললেন, ‘ছদ্মবেশে লোকটা ঘুরে বেড়াচ্ছে এটা নিছক অনুমান তাহলে!’ বাবা বললেন, ‘অনুমান পুরোপুরি নয়। যাকগে, ওসব কথা থাক। এক্ষুনি জামাকাপড় বদলে একতলার চেম্বারে গিয়ে বসতে হবে। বর্ধন এই এলেন বলে।’
চেম্বারে বসে বাবা ও ইন্সপেক্টর বর্ধন কথা বলছেন। খানিকক্ষণ আগে মা জলখাবার দিয়ে গেছেন। কাজের লোক তরুদির হাতে চায়ের ট্রে ছিল। যাওয়ার সময় মা বাবার কথামতো দরজা বাইরে থেকে ভেজিয়ে দিয়ে গেছেন।
কিট্টু ওই ভেজানো দরজার সামনে এখন দাঁড়িয়ে আছে। চেম্বারে ওঁরা কথা বলছেন। কিন্তু কী বলছেন কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। কিট্টু এবার ছিটকে সরে এল। এ কী করতে যাচ্ছিল! আড়ি পেতে ওঁদের কথা শোনার চেষ্টা করছিল! খুব অন্যায়। ভেবেছিল জেল পালানো আসামিটা ঘুঘুরাম। ওঁদের কথাবার্তায় নিশ্চয়ই জঙ্গলের বুদ্ধদেবের মূর্তিটার কোনও হদিশ থাকলেও থাকতে পারে। এভাবে রহস্য উদ্ধার করতে চায় না। কিট্টু নিজের বুদ্ধিবলে সব রহস্য উদ্ধার করবে।
চার
কোর্টে গরমের ছুটি পড়ে গেছে। কিট্টুদের স্কুলেও। পাইনবাবুর ছেলে দার্জিলিং থেকে নিজেদের বাড়িতে এসেছে। কিট্টুর খুব ইচ্ছে করছে গৌরাঙ্গের সঙ্গে আলাপ করতে। কিন্তু বাবা তো আর পাইনবাবুর বাড়িতে যান না। হয়তো তাঁর সঙ্গে বাবার ফোনে কথাবার্তা হয়। মাঝে মাঝে ইন্সপেক্টর বর্ধন বাবার কাছে আসেন। চেম্বারের দরজা ভেজিয়ে খানিকক্ষণ কথাবার্তা বলে বর্ধন চলে যান। কিট্টু বুঝতে পারে আসামি এখনও ধরা পড়েনি। সকাল সন্ধে অন্যান্য মক্কেলদের নিয়ে বাবা ভারী ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু বাবা যখন বিকেলে একলা দোতলার বারান্দায় বসে দূরের গির্জাটার দিকে তাকিয়ে থাকেন তখন বাবাকে দেখে কিট্টুর মনে হয় তাঁর মন ভালো নেই। কিট্টুরও মন ভালো নেই।
জ্ঞানবাবু দেশ থেকে ফিরেছেন। সোম থেকে শনি নিয়ম করে সন্ধেবেলায় পড়াতে আসছেন। তবে তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে কিট্টুর মনে হয় স্যারেরও মন ভালো নেই। এক-একটা মানুষের মন এক-একরকম। তাই মন খারাপের কারণগুলোও এক একরকম।
সেদিন সাতসকালে একটা ফোন পেয়ে শান্তিময় ভারী উত্তেজিত হয়ে উঠলেন, ‘চিত্রা। চিত্রা। এক্ষুনি আমাকে বেরতে হবে। তুমি তাড়াতাড়ি ললিতকে বলো গাড়ি বের করতে। গৌরাঙ্গকে কারা যেন ধরে নিয়ে গেছে। বর্ধন পাইনবাবুর বাড়িতে পুলিস ফোর্স নিয়ে চলে গেছেন।’
বাবার কথা শুনতে পেয়ে কিট্টু ছুটে এল, ‘বাবা, আমিও তোমার সঙ্গে যাব।’ বাবা কয়েক সেকেন্ড কী যেন ভেবে নিয়ে বললেন, ‘বেশ। চলো।’
পাঁচ
বাবার সঙ্গে কিট্টু এখন সেই নদীটার ধারে দাঁড়িয়ে আছে। চারদিকে পুলিস। একটা মোটর বোটে চেপে একদল পুলিস নিয়ে ইন্সপেক্টর বর্ধন ছেলেধরার পিছু নিয়েছেন। ছেলেধরা আর কেউ নয় সেই জেল পালানো আসামি। কিট্টু জিজ্ঞেস করল, ‘বাবা, আসামির নাম কি ঘুঘুরাম!’ বাবা অবাক, ‘ওর নাম তুমি জানলে কী করে! ঘুঘুরাম একটা আস্ত শয়তান।’ কিট্টু জিজ্ঞেস করল, ‘নদীর ওপারের যে জঙ্গলে বুদ্ধদেবের মূর্তি আছে ঘুঘুরাম গৌরাঙ্গকে নিয়ে নিশ্চয়ই ওখানে গেছে।’ এত বিপদের মধ্যেও শান্তিময় হেসে ফেললেন, ‘জঙ্গল, বুদ্ধমূর্তি কী আবোল-তাবোল বকছ! ওপারে ওসব কিছুই নেই। কয়েকটা বন্ধ কারখানার ধ্বংসস্তূপ আছে।’ কিট্টু বলল, ‘পুলিস গৌরাঙ্গকে উদ্ধার করতে পারবে?’ ছেলের অশ্রু-ছলছল চোখের দিকে তাকিয়ে শান্তিময় বললেন, ‘পারবে। তুমি মন খারাপ কোরো না।’ কিট্টু জিজ্ঞেস করল, ‘আমাদের কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে!’ শান্তিময় বললেন, ‘ভালো কিছু পেতে গেলে অপেক্ষা করতে হয় কিট্টু।’ কিট্টু অবাক, ‘ভালো কিছু এখানে পাব!’ উনি বললেন, ‘আসামি ঘুঘুরাম ধরা পড়বে। আর গৌরাঙ্গকে আমরা ফিরে পাব। এগুলোই তো ভালো কিছু।’ কিট্টু অবাক হয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে রইল।
08th  September, 2019
চিরবিদ্রোহী রণক্লান্ত 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তুলতে অনেকে অনেক স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আগামী ২৫ মে তাঁর জন্মদিন। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।
বিশদ

24th  May, 2020
চোখের যত্ন নাও 

রোজ অনলাইন ক্লাসের জেরে তোমাদের চোখে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এসব সমস্যা এড়ানো যায়। সেরকম ১০টি জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন দিশা আই হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভাস্কর ভট্টাচার্য। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ।
বিশদ

24th  May, 2020
স্কুলে অনলাইন পড়াশোনাই
এখন একমাত্র উপায় 

লকডাউনের মধ্যেও পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে স্কুলে চলছে অনলাইন ক্লাস। এর ভালো মন্দ নিয়ে আলোচনা করলেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

24th  May, 2020
ছোটদের রান্নাঘর 

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘর - এ শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন ৬ বালিগঞ্জ প্লেসের কর্ণধার ও শেফ সুশান্ত সেনগুপ্ত এবং হলিডে ইন হোটেলের কর্পোরেট শেফ জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। 
বিশদ

17th  May, 2020
খেলাচ্ছলে যোগাভ্যাস 

বাইরে বেরনো বন্ধ! তাতে কী, এই সুযোগে বাড়িতে বড়দের সঙ্গী হয়ে খেলতে খেলতে কয়েকটি যোগাসন ও প্রাণায়াম শিখে নিতে পারো। এতে শরীর ও মন থাকবে চনমনে, বাড়বে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। পরামর্শ দিয়েছেন যোগাচার্য প্রেমসুন্দর দাস। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ। 
বিশদ

17th  May, 2020
পুনুর বন্ধু ডাকু 

কার্তিক ঘোষ: পুনু তখন সবে একটু মুখধরা হয়ে উঠেছে বাবা-মা’র।
বাবা তখন বাড়ি ফিরে এসেছেন কলকাতা থেকে।
দোকানের চাকরিটা গেছে!
বিশদ

17th  May, 2020
বইয়ের নেশায় বুঁদ 

লক ডাউনের সুযোগে ভালো বই পড়ার নেশায় মেতে ওঠো তোমরা। কোন বয়সে কেমন বই পড়বে তার একটা ধারণা দিলেন কমলিনী চক্রবর্তী।  
বিশদ

10th  May, 2020
ইন্দ্রজা, ফুড হ্যাবিটটা
এবার পালটে ফেলো 

ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য: ইন্দ্রজার কথা দিয়েই শুরু করি। এই এক মাসে কেমন যেন পাল্টে গিয়েছে মেয়েটা। ভাবসাব দেখে তো রমা আর ইন্দ্রজিতের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। তাদের একমাত্র মেয়ে যে এমন লক্ষ্মীমন্ত হয়ে উঠবে, এ যে তারা স্বপ্নেও ভাবেনি।  
বিশদ

10th  May, 2020
সত্যজিতের ছেলেবেলা, ছেলেবেলার

সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মবর্ষে ছোট্ট সত্যজিতের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের সত্যজিৎকে দেখার চেষ্টা করলেন অতনু বিশ্বাস। 
বিশদ

10th  May, 2020
বন্দি জীবনে সঙ্গী সিনেমা

 লকডাউনে বাড়িতে বসে পড়াশুনো আর গল্পের বই পড়ার পাশাপাশি দেখে নাও দশটি দুর্দান্ত সিনেমা। তোমাদের জন্য বেছে দিলেন স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী। বিশদ

03rd  May, 2020
 ঘরের ভিতর বাঘ!

গণ্ডারটা চুপচাপ আপন মনে ঘাস খাচ্ছিল। তুমি যে ওকে দেখছ তা ও টের পায়নি। ঘাস চিবোতে চিবোতে একবার কান নাড়ছে, একবার মাথা নাড়ছে। তুমি চুপটি করে দেখছ ওর ঘাড়ের পাশে বর্মের মতো চামড়া! সাধে বলে গণ্ডারের চামড়া! পিঁপড়ে কামড়াতে গেলে, পিঁপড়েরই দাঁড়া ভেঙে যাবে! আর অতবড় মুখে কুতকুতে চোখ!
বিশদ

03rd  May, 2020
ছোটদের রান্নাঘর

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘরে শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন লিন্ডসে হোটেলের শেফ পিন্টু চৌধুরী ও মছলিবাবা ফ্রায়েজ রেস্তরাঁর কর্ণধার শেফ অলোকেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। এগুলি আগুনের সাহায্য ছাড়াই তৈরি করা যাবে। তোমরাই করে চমকে দাও বড়দের। বিশদ

03rd  May, 2020
 দেখা হবে
শমীন্দ্র ভৌমিক

  বন্ধ ঘরের দরজা এবং
বন্ধ ভোরের বাজার,
সাত সমুদ্র সাতাশ নদীর বিশদ

26th  April, 2020
 লড়াই
দীপ মুখোপাধ্যায়

 সরা বিশ্ব রয়েছে ত্রাসে
এক মরণের ভাইরাসে বিশদ

26th  April, 2020
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ায় তামিলনাড়ুতে উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নোকিয়া। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরের ওই প্ল্যান্টে গত সপ্তাহ থেকেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্র সহ পাঁচ রাজ্য থেকে ২০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ফিরল ১৬টি স্পেশাল ট্রেন। এর মধ্যে ন’টি ট্রেনে চেপে ১০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ফিরলেন মহারাষ্ট্র ...

 কোচি, ২৮ মে: দেশের নামী ক্রীড়াবিদদের সন্তানরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন, এমন উদাহরণ রয়েছে প্রচুর। কিন্তু ‘ট্র্যাক কুইন’ পিটি ঊষার পুত্র ভিগনেশ উজ্জ্বলও হতে পারতেন অ্যাথলিট। কিন্তু ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শ্রমিক স্পেশাল: নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি রেলমন্ত্রকের
শ্রমিক স্পেশাল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রেল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা ...বিশদ

11:43:49 AM

 ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পড়ুয়াদের আনা হবে: পার্থ
একদিনে সব পড়ুয়া নয়। ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে তাদের স্কুলে আনা হবে। স্কুল ...বিশদ

10:13:36 AM

কেরলে আরও এক করোনা রোগীর মৃত্যু
কেরলে মৃত্যু হল আরও এক বৃদ্ধ করোনা রোগীর। বয়স ...বিশদ

10:11:20 AM

প্রয়াত বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তি
প্রয়াত বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তি বব ওয়েটন। বয়স হয়েছিল ১১২ বছর। ...বিশদ

10:07:43 AM

 এবার বাড়তে পারে চায়ের দাম
 দেশের বাজারে চায়ের দাম কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা ...বিশদ

09:39:29 AM

দক্ষিণ দমদমে মিউটেশন ফি বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা 
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনের জেরে আয় কমায় এবার বিল্ডিং প্ল্যান ...বিশদ

09:30:00 AM