Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

রুকু ও ছেলেটি 

বিজলি চক্রবর্তী: টলটল পায়ে ট্রাম রাস্তার ধারে এসে রুকু দাঁড়াল। রাস্তা কীভাবে পার হতে হয় সে এখন বুঝতে পারে। মায়ের পেছন পেছন এখন যায় না। দুধ খেয়ে পেট ভর্তি করে রুকু মাকে ছেড়ে একাই রাস্তায় চলে এসেছে। হাত পায়ের তুলনায় পেটটা এখন তার মোটা। রাস্তার দু’ধার দিয়ে অনবরত গাড়ি যাচ্ছে আসছে। গাড়ির চাকার দাপটে রাস্তা থরথর করে কাঁপে। রুকু সেটা টের পায়। রুকুর সারা গায়ে ধুলো। নোংরা গলিতে মায়ের সঙ্গে এতক্ষণ শুয়েছিল। অপুষ্টিতে মায়ের শরীর কঙ্কালসার। অথচ বুকে অফুরন্ত দুধ। মায়ের বুক ছেড়ে রুকু যখন গলির বাইরে আসে তার পেট টানটান হয়ে ফুলে থাকে। তখন তাকে ছেড়ে মা যে কোথায় চলে যায় সে জানে না। রুকু এখন কিছুটা বড় হয়েছে। তাকে আর পাহারা দেওয়ার দরকার হয় না। যখন সে জন্মেছে বা যে ক’দিন সে খুব ছোট ছিল, মায়ের ভয়ে তার কাছে কেউ ঘেঁষতে সাহস পায়নি। কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে তীক্ষ্ণ গলায় চেঁচিয়ে গলি মাথায় করেছে। তবু তো রুকু ছাড়া আর কেউ বেঁচে নেই। কিংবা কেউ তুলে নিয়ে গিয়েছে কি না রুকু ঠিক জানে না। তাদের কাউকে রুকু দেখতে পায় না। উল্টোদিকের দোতলা বাড়ির ছেলেটিই তার নাম দিয়েছে রুকু। প্রথম প্রথম রুকু বুঝতে পারত না যে এটা তার নাম। রুকুর মা ওই ছেলেটিকে পছন্দ করত না। ভালো-মন্দ খাবার দিয়ে ছেলেটি মাকে বস করে ফেলেছে। সন্তানকে রক্ষা করবার হিংস্র তাগিদে সেই খাবারগুলোর দিকে মা খালি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখত। লোভে চোখ চকচক করত। খাবারগুলো নেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়াত। কিন্তু রুকুকে ছেড়ে যেত না। রুকুকে বুকের কাছে নিয়ে শুয়ে পড়ত। মায়ের বুকের ঘড়ঘড় আওয়াজ রুকু শুনতে পেত। ছেলেটি হাল ছাড়েনি। বারবার আসত। বিস্কুট বা রুটি নিয়ে আসত। মাঝে দু-একবার কেক এনেছিল। এই খাবারগুলোর নাম সে বারবার শুনেছে। এখন এই শব্দগুলো তার কানে গেলেই সে ছটফট করে ওঠে। পরে ছেলেটাকে দেখে মা আর রাগ করত না। বরং খুশি খুশি ভাব দেখাত। প্রথম যেদিন নোংরা রুকুকে ছেলেটি কোলে তুলে নিয়েছিল মা অবাক চোখে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়েছিল। ছেলেটির দু’হাতের মধ্যে রুকু থরথর করে কাঁপছিল। সে অবস্থায় বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি। দোতলার বারান্দা থেকে এক মহিলার চিৎকারে ভয় পেয়ে ছেলেটি রুকুকে কোল থেকে নামিয়ে দিয়েছিল। ছেলেটির জামায় হাতে রুকুর গায়ের নোংরা লেগেছিল। এক ছুটে ছেলেটি বাড়ির ভেতরে চলে গিয়েছিল। রুকু ভয় পেয়েছিল আরও বেশি। পরে বুঝেছিল তার যেমন মা আছে তেমনই ওই মহিলাও ছেলেটির মা। সেদিন বিকেলে ছেলেটি মায়ের হাত ধরে রাস্তা দিয়ে যখন যাচ্ছিল রুকু তখন গলির মুখে চোখ বুজে শুয়েছিল। অদ্ভুত একটা আওয়াজ শুনে রুকু চোখ খুলেছিল। তার দিকে তাকিয়েই ছেলেটি মুখে ওই রকম আওয়াজ করছে। ছেলেটির সঙ্গে তার চোখাচোখি হয়ে গেল। ছেলেটি ইশারায় তাকে ডাকছে। সঙ্গের মহিলাকে দেখে রুকুর এগিয়ে যাওয়ার সাহস হয়নি। ক্রমশই ছেলেটির সঙ্গে রুকুর বন্ধুত্ব বেড়েছে। তার এবং ছেলেটির দু’জনেরই সাহস বেড়েছে। রাতের বেলায় ছেলেটির বাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে যায়। তখন গলি ছেড়ে রুকু বন্ধ দরজার সামনে এসে শুয়ে থাকে। বাড়ির ভেতর থেকে ছেলেটির গলার স্বর ভেসে আসে। আরও অনেক গলার স্বর সে শুনতে পায়। কিন্তু একমাত্র ছেলেটির গলার স্বরই তার চেনা। আস্তে আস্তে বাড়িটা শান্ত হয়ে আসে। একটা দুটো করে আলো নিভতে থাকে। রুকু তখনও শুয়ে থাকে। শুয়ে শুয়ে অপেক্ষা করে। একসময় অপেক্ষা শেষ হয়। দোতলার বারান্দা থেকে খাবারের একটা প্যাকেট রাস্তায় এসে পড়ে। রুকুর মা ছুটে এসে প্যাকেটটা তুলে নেয়। তাদের রাতের খাবার থাকে ওই প্যাকেটে। কতকগুলো রুটির টুকরো। ভেজা ভেজা। সঙ্গে কিছু ভাতও থাকে। আরও কী সব যেন থাকে। তবে যা-ই থাক, টুকরো রুটির সঙ্গে আস্ত রুটির স্বাদের মধ্যে কোনও তফাৎ রুকু বুঝতে পারে না। বাড়ির লোকজনদের চোখ এড়িয়ে ওই ছেলেটিই খাবারের প্যাকেটটা ফেলে। প্যাকেটটা পড়বার আগে ছেলেটির গলার পরিচিত সুরটা রুকু শুনতে পায়। রুকুও চাপা গলায় তার উত্তর দেয়।
রুকু ট্রাম লাইনের ধারে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটি এই সময় ফেরে। সঙ্গে সেই রাগী মহিলা। ছেলেটির পিঠে থাকে একটা ভারী ব্যাগ। কাঁধ থেকে যে জিনিসটা ঝোলে তার মধ্যে জল থাকে। রুকু একদিন দেখেছে ট্রাম থেকে নেমে ছেলেটি ওটাতে মুখ লাগিয়ে জল খাচ্ছে। ছেলেটি বাড়ির পথ ধরলে রুকু তাদের পেছন পেছন যায়। ছেলেটি তাকে লক্ষ করে। মহিলার ভয়ে তার সঙ্গে কথা বলে না। রুকুর তখন খুব ইচ্ছে করে ছেলেটির কোলে উঠতে। প্রাণভরে ছেলেটির শরীরের ঘ্রাণ নিতে। বাড়িতে ঢোকবার আগে পকেট থেকে কিছু না কিছু ছুঁড়ে রুকুকে দেয়। রুকু খেয়ে দেখে ওই খাবারের স্বাদ অন্যরকম। বেশ ভালো।
উত্তর কলকাতার বনেদি পাড়া। সাবেক কালের বনেদিয়ানার ছাপ এখন কম বাড়িতেই আছে। গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বড় বড় বাড়ি। দুটো বাড়ির মাঝে যে জায়গাটুকু থাকে তার মধ্যে কোনও মানুষ ঢুকতে পারে না। সেই সরু গলিগুলোই রুকুদের নিশ্চিন্ত আশ্রয়। বাড়ির সামনের রাস্তাও চওড়া নয়। দুটো গাড়ি পাশাপাশি যেতে পারে না। মুখোমুখি দু’তলা তিনতলা সব বাড়ি। এখনও এই রাস্তায় কোনও ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি হয়নি। কোনও কোনও বাড়ির একপ্রান্ত এই রাস্তায়। অপর প্রান্ত প্রায় পার্কের ধারে গিয়ে শেষ হয়েছে। একান্নবর্তী সংসারের দিন শেষ হয়ে গেছে। তার চিহ্ন বাড়িগুলোর গায়ে। শরিকি বিবাদে বা প্রয়োজনে বড় বড় বাড়িগুলো পার্টিশন হয়ে গেছে। যে যার নিজের রুচি ও ক্ষমতায় নিজের ভাগের অংশটুকু সংস্কার করিয়েছে। এই রাস্তাটা পাড়ার পেছন দিকে। তাই কিছুটা বিবর্ণ। অনেকদিন আগে যাঁরা এই বাড়িগুলোতে থাকতেন তাঁরা তো কেউ বেঁচে নেই। তবু তাঁদের যাঁরা দেখেছেন এ রকম মানুষ দু’চারজন এখনও এই পাড়ায় থাকেন। তাঁদের অল্প বয়সের স্মৃতিতে ওই মানুষগুলো বেঁচে আছেন। যত দ্রুত পাড়াটা পাল্টে যাচ্ছে এই গলিটা তার থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছে। নিঃশেষ হয়ে যেতে যেতে এই রাস্তার কোনও কোনও বাড়ির মানুষগুলোর মধ্যে এখনও কিছুটা আভিজাত্য টিকে আছে। সে রকমই এক বাড়ির ছোট ছেলেটির সঙ্গে রুকুর ভাব। তাদেরই বাড়ির লাগোয়া সরু গলির মধ্যে রুকুর জন্ম। ছেলেটি দরজা খুলে বাইরে আসে রুকু টের পায়। নোংরা মাটিতে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে থেকে ছেলেটির গায়ের গন্ধ সে টের পায়। উঠে দাঁড়ায় রুকু। গায়ের ধুলোগুলো ঝেড়ে ফেলবার চেষ্টা করে। গলি থেকে মুখটা বার করে এবার সে রাস্তাটা দেখে নেয়। তারপর টলমল করতে করতে ছেলেটির পায়ের কাছে এসে শুয়ে পড়ে। ছেলেটি তার পিঠে পা বুলিয়ে দেয়। রুকু তার খসখসে জিব দিয়ে ছেলেটির পা চেটে দেয়। ছেলেটি অনবরত মুখ দিয়ে বিচিত্র একটা আওয়াজ করে। এটা যে আদরের ভাষা রুকু বুঝতে পারে।
সেদিন ছেলেটি তখনও নীচে নামেনি। রুকু গলি থেকে বাইরে বেরিয়ে এল। রাস্তায় ছেলেদের দল খেলা করছিল। রুকু ভেবেছিল ওই দলে হয়তো ওই ছেলেটি থাকবে। দলের মধ্যে ছেলেটিকে দেখতে না পেয়ে গলিতে ঢুকবে বলে রুকু পেছন ফিরল। ঠিক তখনই একটা ইটের টুকরো রুকুর পেছনের পায়ে এসে পড়ল। চিৎকার করতে করতে রুকু গলিতে ঢুকে পড়ল। অদূরে ছেলেদের দল তখন হেসেই চলেছে।
আঘাতটা খুব জোর না হলেও রুকুর পায়ে বেশ ব্যথা। পরদিন ভোরবেলায় রুকু গলি থেকে বাইরে আসতে পারল না। দোতলা বাড়ির ছেলেটা গলির মুখে এসে দাঁড়াল। মুখে সেই অদ্ভুত আওয়াজ। রুকু বুঝতে পারল তাকেই ডাকছে। কষ্ট করে রুকু গলির মুখে এসে দাঁড়াল। ছেলেটা একবার তাদের বাড়ির বারান্দার দিকে তাকাল। তারপর গলির মুখে উবু হয়ে বসে পড়ল। আস্তে আস্তে রুকুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগল, — ‘তোকে ওরা মেরেছে! খুব লেগেছে!’ রুকু জিব দিয়ে ছেলেটার হাত চাটতে লাগল। — ‘ঠিক আছে। আজ আর গলির বাইরে আসবি না, আমি আবার বিকেলে আসব।’ ছেলেটি পকেট থেকে দুটো বিস্কুট বার করে রুকুর মুখের সামনে রাখল। তারপর উঠে বাড়িতে ঢুকে পড়ল।
রুকু সারাদিন তার মাকে দেখতে পায়নি। বিকেলে ট্রাম রাস্তার ধারে রুকু যায়নি। পায়ের ব্যথা এখনও কমেনি। গলির মুখে সামনের দু’থাবার মধ্যে মুখ ঢুকিয়ে বসেছিল। রাস্তায় ছেলের দল ছোট বল নিয়ে খেলছে। কিন্তু দোতলা বাড়ির ছেলেটা আজ এখনও ফেরেনি। বসে থাকতে থাকতে রুকু ঘুমিয়ে পড়েছিল। ঠক করে একটা শব্দ হল। চোখ খুলে রুকু দেখল ছোট একটা বল। একটুও দেরি না করে রুকু বলটা মুখে করে গলির ভেতরে ঢুকে গেল। ছেলের দল গলির মুখে এসে ভিড় করে দাঁড়াল। দোতলা বাড়ির ছেলেটির মতো শব্দ করছিল কেউ কেউ। রুকু কিন্তু তাতে একটুও নড়ল না। রেগে গিয়ে ছেলেগুলি ছোট ছোট ইট ছুঁড়তে শুরু করল। রুকু বলটা মুখে নিয়ে গলির আরও ভেতরে ঢুকে গেল। গলির অন্ধকারে শুধু তার চোখ দুটো জ্বলছিল।
আস্তে আস্তে দিনের আলো কমে এল। রাস্তার আলো জ্বলে উঠল। গলির ভেতর কিছুটা আলো এসে পড়ে। ছেলের দল বাড়ি ফিরে গেছে। দোতলা বাড়ির ছেলেটির কোনও সাড়া-শব্দ নেই। গলির মুখে রুকু বসে আছে। খিদে পেয়েছে। খাবারের গন্ধ সে পাচ্ছে। সব বাড়িতে এখন রান্না হচ্ছে। একটা রিকশ এসে দোতলা বাড়ির দরজায় দাঁড়াল। রুকু ছেলেটির গায়ের গন্ধ পেয়েছে। রাগী মহিলা ছেলেটিকে সাবধানে রিকশ থেকে নামালেন। রুকু দাঁড়াবার চেষ্টা করল। পারল না। পেছনের পায়ে রুকু জোর পায় না। অসহ্য ব্যথা। কিন্তু ছেলেটির কী হল রুকু বুঝতে পারে না। রিকশর ভাড়া মিটিয়ে মহিলা ছেলেটিকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরল— ‘এবারে চোখ খোলো। ঘরে গিয়ে জামাকাপড় পাল্টে নেবে। বিছানা করাই আছে। তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়তে পারবে।’ ছেলেটি একবার গলির দিকে তাকাল। তারপর বাড়িতে ঢুকে গেল। অনেকক্ষণ রুকু গলির মুখে বসে রইল। দোতলার বারান্দা থেকে কোনও খাবারের প্যাকেট পড়ল না। রাত নিস্তব্ধ হয়ে গেল। দোতলা বাড়ির আলো একটা একটা করে নিভে গেল। অসুস্থ শরীরটাকে টেনে নিয়ে রুকু বাইরে এসে দাঁড়াল। রাস্তায় জমে থাকা ময়লাগুলোতে মুখ ঢুকিয়ে খাবার খুঁজতে লাগল। বিশেষ কিছু পাওয়া গেল না। রুকু আবার অন্ধকার গলির ভেতর ঢুকে গেল। খিদের জ্বালায় শরীরের অসহ্য যন্ত্রণায় কাহিল রুকু সামনের দু’থাবার মধ্যে মুখ রেখে চোখ বুজল।
ভোরের আলো গলির ম঩ধ্যে ঢোকে না। তাতে রুকুর কোনও অসুবিধা হয় না। রুকু গলির বাইরে এল। সরু নর্দমায় মুখ ডুবিয়ে জল খেল। কয়েকদিন হয়ে গেল রুকু তার মাকে দেখতে পায় না। একবার যদি সে মায়ের বুকের কাছে শুতে পারত! দু’থাবা দিয়ে চেপে ধরে মায়ের বুক থেকে আকণ্ঠ দুধ পান করতে পারত। কিন্তু কিছু হচ্ছে না। রাস্তায় যারা যাতায়াত করছে তারা রুকুকে খেয়াল করছে না। রুকু ভালো করে দাঁড়াতেই পারছে না। ধুপ ধুপ করে বসে পড়ছে। দোতলা বাড়ির সদর দরজা এখনও খোলেনি। বারান্দা খালি। কেউ নেই। রুকুর দরকার ওই বাড়ির ছোট ছেলেটিকে। খিদে আর শরীরের যন্ত্রণায় রুকু ঝিমিয়ে পড়ছে। রকের সামনে গিয়ে বসে থাকলে ভালো হতো। কিন্তু সাহস হচ্ছে না। হঠাৎ দোতলা বাড়ির দরজা খুলে গেল। যে লোকটি বাইরে এল তার চোখে পড়ে গেল রুকু। হাতে ধরা বালতি থেকে জল নিয়ে রুকুর গায়ে ছুঁড়ে দিল। কুঁই কুঁই শব্দ করে রুকু গলির ভেতর ঢুকে গেল। রুকুর পায়ে ঘা থেকে রক্ত ঝরছে। তার সঙ্গে দুর্গন্ধ। রুকু নিজেও সেই গন্ধ টের পাচ্ছে।
এভাবে কতক্ষণ কেটে গেছে রুকু জানে না। কানে এল সেই চেনা সুর। ছেলেটি তাকে ডাকছে। রুকু গলির বাইরে যাবে। তাকে যেতেই হবে। সব যন্ত্রণা ভুলে গিয়ে অতি কষ্টে রুকু রকের সামনে ছেলেটির পায়ের কাছে এসে বসে পড়ল। ছেলেটি তার মুখের সামনে খাবার দিল— ‘রুকু, তোর পা কী করে এমন হল! তুই তো ভালো করে হাঁটতেই পারছিস না। তোকে কি আবার কেউ মেরেছে! নাকি অন্য কুকুরদের সঙ্গে মারপিট করেছিস!’ কৃতজ্ঞতায় রুকুর চোখ দুটো জলে ভরে গেল। কুঁই কুঁই করে অনেক নালিশ ছেলেটিকে সে জানাল। বিস্কুট খাওয়া শেষ হলেও রুকু উঠতে পারছিল না। ছেলেটি নোংরা গন্ধময় রুকুকে দু’হাত দিয়ে তুলে নিয়ে গলির মুখে নামিয়ে দিল। বলল, — ‘তুই ভেতরেই থাকবি। আর বাইরে বার হবি না। আমি তোর খাবার দিয়ে যাব।’ রুকু আধবোজা চোখে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে রইল। যেন বোঝাতে চাইল ছেলেটির সব কথা সে বুঝতে পেরেছে।
স্কুলে ছেলেটির পড়ায় আজ মন বসছে না। রুকুকে কোনও খাবার সে দিতে পারেনি। মায়ের নজর এড়িয়ে সেই কাজ সে করতে পারেনি। মাকে সে কিছুতেই রাজি করাতে পারেনি। রুকুকে বাড়িতে নিতে দেবে না মা। বারবার রুকুর কথাই মনে হচ্ছে। সারা দিন রুকু কী খাবে! ভালো করে হাঁটতেই তো পারছে না। রুকুর পায়ের ঘা থেরে রক্ত পড়ছে। বাড়ি ফিরে মায়ের চোখ এড়িয়ে অ্যান্টিসেপ্টিক কোনও মলম রুকুর পায়ে লাগিয়ে দেবে সে। টিফিনের ঘণ্টা পড়ল। সারা ক্লাসে হইহই শুরু হয়ে গেল। টিফিনের কৌটো খুলে নিল ছেলেটি। আবার রুকুর কথা মনে পড়ল। দু’চোখ জলে ভরে গেল, কৌটোর ঢাকা বন্ধ করে ডেস্কে মাথা রেখে ছেলেটি কেঁদে ফেলল। শরীর ভালো থাকলে রুকু রাস্তায় ঘুরে ঘুরে খাবার জোগাড় করে ফেলত। ট্রাম রাস্তার ধারে ছেলেটির জন্য রুকু দাঁড়িয়ে থাকবে না। মা তার কথা বুঝতেই চায় না। অভিমানে তার মন ভার হয়ে উঠল। টিফিন খাওয়া হল না।
মায়ের হাত ধরে ট্রাম থেকে নামল ছেলেটি। অভ্যেস মতো রুকুকে খুঁজল। নাহ্‌, নেই। কেমন আছে রুকু কে জানে! যদি মরে যায়! মায়ের হাতটা শক্ত করে চেপে ধরল ছেলেটি। গলিতে ঢুকে মা ছেলেটির হাত ছেড়ে দিল। ইচ্ছে করে ছেলেটি কিছুটা পিছিয়ে পড়ল। তার চোখ শুধু রুকুকেই খুঁজছে। খুঁজে পেয়েও গেল। গলির মুখে রুকু বসে আছে। ছেলেটিকে দেখে লেজ নাড়তে লাগল। মা বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেলে ছেলেটি চলে এল রুকুর কাছে। রুকুর মুখের ভাব বেশ খুশি খুশি। ব্যাগ থেকে টিফিন কৌটো বার করে সব খাবার রুকুর মুখের সামনে ঢেলে দিল, — ‘খা, ভালো করে খা। জানি সারাদিন তোর খাওয়া হয়নি।’
কুঁই কুঁই করে রুকু অনেক কিছু বলতে চাইল যেন। রুকুর মাথায় হাত বুলিয়ে ছেলেটি বাড়ি ঢুকে গেল। অ্যান্টিসেপ্টিক মলমটা ছেলেটা খুঁজে পাচ্ছে না। ড্রয়ারের ভেতরেই তো থাকে! মা ঘোরাফেরা করছে। ভালো করে খুঁজ঩তেও পারছে না। তবু মায়ের চোখ এড়ানো গেল না। — ‘কী খুঁজছো তুমি!’ কোনও উত্তর দিতে পারে না ছোট ছেলেটি। — ‘আমি জানি তুমি কী খুঁজছ। কিন্তু ওই ওষুধে কোনও কাজ হবে কি! ওরা তো ওদের ঘা চেটে চেটেই পরিষ্কার করে নেয়। আজ দুপুরে ডাল-ভাত মেখে একটা ডিসে করে আমি ওকে খেতে দিয়েছি। খুব খিদে পেয়েছিল। কাঁদছিল।’ দু’হাত দিয়ে মা ছেলেকে বুকে টেনে নিল, — ‘আমি জানি তোমার খুব মন খারাপ। স্কুলে টিফিন খাওনি। সব খাবার ওকে দিয়ে দিলে।’ ছেলেটি মাকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরল। মনে মনে বলল, — মা, আমার মা! ছেলেটির মা রুকুকে খেতে দিয়েছে— এই কথাটাই বোধহয় রুকু ছেলেটিকে বলতে চেয়েছিল।
মলমটা মা ছেলেটির হাতে দিল, —‘দ্যাখো লাগিয়ে, যদি কিছু কাজ হয়। আর এবার থেকে রাস্তার মধ্যে খাবার ফেলবে না। একটা ডিস আমি রেখে এসেছি। তার মধ্যেই খাবার দেবে।’
মলমটা হাতে নিয়ে ছেলেটি দৌড়ে সিঁড়ির কাছে চলে এল— ‘মা, আমি একটু পরেই চলে আসব। এসেই পড়তে বসব।’ চেয়ারে বসে মা ছেলেটির দিকে তাকিয়ে রইল। গত কয়েক বছর ধরে কত উপহার তো সে ছেলেকে দিয়েছে। কিন্তু এত আনন্দ বোধহয় এর আগে দিতে পারেনি। মায়ের দিকে তাকিয়ে ছেলেটির মনে হল— রুকুও একজন মা খুঁজে পেল। 
28th  July, 2019
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য চলছে নতুন বিভাগ ‘মার্কশিট’। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় জীবনবিজ্ঞান।প্রস্তুতির এই পর্যায়ে পাঠ্যবিষয়ের ধারণাগুলিকে মনে মনে ভাবা অভ্যাস করো। পরামর্শ দিচ্ছেন বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষক অরণ্যজিৎ সামন্ত।
বিশদ

19th  January, 2020
দেখতে দেখতে শেখো 

সায়েন্স সিটি হল এমনই এক জায়গা যেখানে বিজ্ঞানের নানা জানা-অজানা বিষয় যেমন শিখতে পারবে তেমনই রয়েছে অঢেল মজার মজার উপকরণ। দেখে এসে জানাচ্ছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।  
বিশদ

19th  January, 2020
ওয়াটারমেলান পিৎজা ও অরিও অ্যান্ড কোকোনাট লাড্ডু  

তোমাদের জন্য চলছে একটি আকর্ষণীয় বিভাগ ছোটদের রান্নাঘর। এই বিভাগ পড়ে তোমরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলতে পারবে লোভনীয় খাবারদাবার। বাবা-মাকেও চিন্তায় পড়তে হবে না।  
বিশদ

12th  January, 2020
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় বাংলা। মাধ্যমিক পরীক্ষায় বাংলায় বেশি নম্বরের জন্য পাঠ্যবই ও ব্যাকরণ খুঁটিয়ে পড়তে হবে। পরামর্শ দিচ্ছেন হিন্দু স্কুলের বাংলার শিক্ষক স্বাগত বিশ্বাস। 
বিশদ

12th  January, 2020
ব্ল্যাকবোর্ড 

অভিনব অঙ্কন প্রতিযোগিতা
জিএসবি রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটিং-আলভা’র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভার্চুয়াল কমিউনিকেশন ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ার উদ্‌যাপনের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। অনুষ্ঠানে বিভিন্নভাবে পিছিয়ে পড়া মেয়েদের জন্য একটি অঙ্কন প্রতিযোগিতা করা হয়। মূলত অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে প্রতিভাময়ীদের তুলে ধরতেই এরকম একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়।  
বিশদ

12th  January, 2020
শীতের ছুটিতে এখানে ওখানে 

শীত মানেই একরাশ মজা। এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি। দলবেঁধে দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া। এ সময় স্কুলেও থাকে লম্বা ছুটি। তাই ছোটদের পোয়াবারো। এবার শীতে ছুটিতে কে কোথায় ঘুরতে গিয়েছিল জানাল হযবরল-র খুদেরা।  
বিশদ

12th  January, 2020
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাচ্ছেন। আজকের
বিষয় হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২০।   বিশদ

05th  January, 2020
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় অঙ্ক।মাধ্যমিকের জন্য কয়েকটি ফর্মুলা ভালো করে শিখে নিলে বীজগণিতে একশো শতাংশ নম্বর পাওয়া সম্ভব।পরামর্শ দিচ্ছেন রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) অঙ্কের শিক্ষক সমীর চক্রবর্তী। 
বিশদ

05th  January, 2020
টাইমস স্কোয়্যারে ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ার 

আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ার কতটা আনন্দের সঙ্গে উদ্‌যাপন করা হয় তার সাক্ষী ছিলেন অভীক বসু। তোমাদের সেই ঝলমলে উৎসবের গল্প শোনালেন লেখক।  
বিশদ

05th  January, 2020
বখশিশ 

শমীন্দ্র ভৌমিক: মাস তিনেক হল গুসকরার কাছে একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার কাজ পেয়েছি। জায়গাটা চমৎকার। বর্ধমান জেলার মধ্যে পড়ে। ট্রেনে চেপে বর্ধমান থেকে গুসকরা আসতে আমার মিনিট পঞ্চাশেক লাগে।   বিশদ

29th  December, 2019
নববর্ষের শপথ 

আসছে নতুন বছর। নতুন বছরে কে কী করার প্রতিজ্ঞা করেছে তা জানাল ছোটরা।  
বিশদ

29th  December, 2019
এলিট ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-এর প্রতিযোগিতা 

আমাদের সকলের মধ্যেই কিছু না কিছু গুণ আছে। এমন গুণ যার মারফত আমরা বিশ্বজয় করতে পারি। অন্তত এলিট ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তেমনই বিশ্বাস করে। গোটা পৃথিবীতে এলিট ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের বিভিন্ন অফিস আছে। আমেরিকা, ইজিপ্ট, ইউরোপের বিভিন্ন শহর, লেবানন, শ্রীলঙ্কা সর্বত্রই এদের কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে রয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ভবন’স বিদ্যামন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠান 

সল্টলেকের ভবন’স গঙ্গাবক্স কানোরিয়া বিদ্যামন্দিরের (সেকেন্ডারি সেকশন) বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হল গত ৬ ডিসেম্বর। ই জেড সি সি-র অডিটোরিয়ামে বিশিষ্ট গুণীজনদের উপস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ে পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রকাশিত হয় বিদ্যালয়ের পত্রিকা ‘রিপলস’।
বিশদ

22nd  December, 2019
আমাদের সান্টা ক্লজ 
চকিতা চট্টোপাধ্যায়

আর ক’দিন পরেই ২৫ ডিসেম্বর। ক্রিস্টমাস ডে। যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন। আমাদের বড় আদরের, বড় আপন ‘বড়দিন’। বেথলেহেমের এক আস্তাবলে মা মেরি জন্ম দিয়েছিলেন ছোট্ট যিশুর। 
বিশদ

22nd  December, 2019
একনজরে
জীবানন্দ বসু, কলকাতা: সংঘাতের আবহেই কি আগামীকাল রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হতে চলেছেন? সাংবিধানিক রীতি ও সৌজন্যের কারণেই কি তাঁদের দু’জনকে কাল পাশাপাশি দেখা যাবে? ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: দক্ষিণবঙ্গ থেকে ভোজ্য তেল নিয়ে এসে কালিয়াচকের ডাঙা এলাকায় একটি গোডাইনে মজুত করেছিল পাচারকারীরা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই তেল পাচারকারী লরির চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উৎপাদন কম থাকায় দাম বাড়ছে হু হু করে। সেকারণেই কুমোরটুলিতে শোলার বদলে সরস্বতী প্রতিমার সাজে ব্যবহার বাড়ছে জরির অলঙ্কারের। মৃৎশিল্পীদের কথায়, প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যে যদি প্রতিমা শোলার অলঙ্কারে সাজাতে হয়, তাহলে ঢাকের ...

অকল্যান্ড, ২৪ জানুয়ারি: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে একদিনের সিরিজ জেতার পর ভারতের আত্মবিশ্বাস যে অনেকটাই বেড়েছে তার প্রমাণ মিলল শুক্রবার। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের প্রথম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চীনা নববর্ষ পালিত হচ্ছে মধ্য কলকাতার টেরিটি বাজার এলাকায়

11:36:00 AM

বাগুইআটিতে জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫ 

11:36:00 AM

বেলেঘাটায় বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২  

11:35:00 AM

তুরষ্কে ভূমিকম্প, মাত্রা ৬.৮

 

প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব তুরষ্ক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ...বিশদ

10:43:00 AM

২৬ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত পার্কিং লট
 

২৬ জানুয়ারি, সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত ...বিশদ

10:40:48 AM

জম্মু ও কাশ্মীরের অবন্তিপোরায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

10:37:58 AM