Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

হাবুদা হারিয়ে গিয়েছে 
গুঞ্জন ঘোষ

হাবুদার সঙ্গে থাকা মানে পৃথিবীর অর্ধেক শক্তি আমাদের মধ্যে খেলে বেড়ায়। হাবুদা আমাদের রবিনহুড। কতকিছু যে জানে! হাবুদা মানেই একগাদা অ্যাডভেঞ্চার। মাঝেমাঝে যখন ছেলেমানুষ হয়ে যায় সে এক দেখার মতো কাণ্ড। আবার যখন রেগে যায় সেও এক ভীষণ ব্যাপার। তখন বলে পায়ের আঙুলে থানইট ফেলে দেব। কিংবা ব্রহ্মতালুতে সুপুরি রেখে তাতে খড়মের এক ঘা মারব। হাবুদা ভয় দেখায় বটে ভয়ার্ত করে না। এই রাগ, তো পরক্ষণেই জল।
বড়মা বলেন, ‘হাবুটা আগের জন্মে মস্ত বড় এক সন্ন্যাসী ছিল। মায়ার টানে এই জন্মে আমাদের পঞ্চাননতলার হাবু হয়ে জন্মেছে। খবরদার ওকে কখনও অশ্রদ্ধা করিসনি।’
গতকালই হাবুদা আমাদের ছ’টা ঋতুর একটা লাজুক হেমন্তকে চিনিয়েছিল। হাবুদা যেমন বলেছিল, শোন, হেমন্তের রাতটা ঝিমঝিমে। সন্ধের পর ছাতিম ফুলের পাগল করা গন্ধে প্রকৃতি ঈশ্বরের পুজো করে। রাত ন’টার পর থেকে বাতাস উপাসনায় বসে। আকাশ তখন তারাদের টিপ ছাপ চাদর গায়ে ধ্যানে তন্ময় হয়ে যায়।
হাবুদা এইসব কথা যখন বলে চোখ মুখ অন্যরকম হয়ে যায়। অতশত বুঝি না তো, আমরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে বলি—এইরে, আগের জন্মের সেই সন্ন্যাসীটা হাবুদার মনটাকে ধরে টান মেরেছে!’
আমরা আর প্রশ্ন করি না।
হাবুদা গুম মেরে বসে থাকে। দু’চোখের কোণ থেকে দু’ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, আমরা সামান্য ভয় পেয়ে যে যার বাড়ি চলে যাই।
সেই হাবুদা ভাইফোঁটার আগেরদিন পাকড়াও করে বলল, ‘অ্যাই গজু, আমার সঙ্গে চল।’
‘কোথায়?’
‘এখন বলব না, গিয়ে দেখবি।’
‘আমি একা! সুগত, বিধান, মাধব—ওদের নেবে না?’
‘তোকে বলছি, তুই চল।’
অজুহাত খাড়া করে বলি, ‘হাবুদা মাকে বলা হয়নি—মা তো চিন্তা করবে।’
হাবুদা বলল, ‘সে আমি বুঝব—এখন তুই চল তো।’
আমার হাতটা খামচে ধরে টানতে টানতে বড় রাস্তায় উঠে হাবুদা বলল, ‘একটা রিকশ দরকার। টোটো হলেও চলবে। চারপাশে চোখ রাখ।’
সিদ্ধেশ্বরীতলায় একটা রিকশ দাঁড়িয়ে। হাবুদা চেঁচিয়ে উঠল, ‘অ্যাই রিকশ, যাবেন?’
চালক বলল, ‘কোথায়?’
হাবুদা বলল, ‘ছেলেবেলায়।’
লোকটা খানিক থতমত খেল। কী বলবে বুঝতে পারছে না। হতাশ কণ্ঠে বলে উঠল, ‘নিন, উঠুন!’
আমি অবাক! ছেলেবেলা কী গন্তব্য হতে পারে! হাবুদা চাইছেটা কী! এরকম আচরণ কখনও দেখিনি বাবা!
রিকশ চলছে গড়গড়িয়ে। বাতাসে হিমের আলতো ছোঁয়া। চারপাশ ভীষণই চেনা অথচ সবকিছু অচেনা মনে হচ্ছে। দাঁয়েদের রাসবাড়ি। লালবাবার আশ্রম। কল্যাণেশ্বর শিবমন্দির। গঙ্গার ধারের সেই বিশাল মাঠ। কতগুলো ছেলে একটা মোটা লাঠি আরেকটা পটলের মতো দেখতে একটুকরো কাঠ নিয়ে খেলছে। হাবুদা সেই দেখে হাততালি দিয়ে উঠল। আমাকে কনুই দিয়ে ঠেলে বলল, ‘দেখ গজু, দেখ—ওরা ডাংগুলি খেলছে। ওফ্‌, ছেলেবেলায় কত খেলতাম রে!’
দুম করে বলে ফেললাম, ‘ইস, ডাংগুলি! এটা আবার একটা খেলা!’
হাবুদা বিভোর হয়ে আছে। কোনওদিকে হুঁশ নেই। রিকশ পঞ্চাননতলার বাঁকটা ঘুরতেই সাউদের মাঠ। সেখানে তিন-চারজন মেয়ে মাটিতে চারচৌকো ঘর কেটে একপায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। দেখে আমার খুব কষ্ট হল। হাবুদাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ওরা কি হ্যান্ডিক্যাপড?’
হাবুদা হা হা করে হেসে উঠে বলল, ‘হ্যান্ডিক্যাপড তুই। ওরা চু-কিতকিত খেলছে। আহা, উমাদি, টুকু, রত্না—ওদের সঙ্গে কত খেলতাম। সে এক দিন ছিল রে গজু!’
লোকটাকে আমি চিনি। নামটা ঠিক মনে করতে পারছি না। চন্দনের চায়ের দোকানে চুপ করে বসেছিল। আমাদের দেখেই উঠে এল। হাবুদাকে বলল, ‘হাবু না! কীরকম হয়ে গেছিস রে! বঁড়শি নিবি? নতুন চাইনিজ হুইল এসেছে, লাগলে বলিস!’
হাবুদা একটা লাফ দিয়ে লোকটাকে জড়িয়ে ধরল। বলল, ‘বিশুদা এখনও মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রি কর!’
লোকটা বলল, ‘নেশায় পড়ে গেছি রে। আজকালকার ছেলেরা মাছ ধরে না রে! পুরনো অভ্যেস ছাড়তে পারিনি।’
লোকটা এবার কোনও গোপন জিনিস দেওয়ার মতো কী একটা হাবুদার হাতে দিয়ে বলল, ‘তোর ভাগনেকে দিস।’
হাবুদা মুঠো খুলে জিনিসটা দেখেই লাফিয়ে উঠল। লম্বাটে শঙ্কুর মতো একটা কাঠের বল। নীচে আধখানা পেরেক। হাবুদা উল্লাস করে উঠল, ‘লাট্টু...উ...উ!’
এসব জিনিসের প্রতি আমার আগ্রহ নেই। জানিই না এটা দিয়ে কী হয়! লোকটা এবার একটা মোড়ক থেকে কাচের মতো কী একটা বের করে হাবুদাকে দিল। হাবুদা ছেলেমানুষের মতো সেটা মুখে পুরে চিবতে চিবতে বলে উঠল, ‘ওফ, মাছ লজেন্স—বিশুদা কী ঐশ্বর্য দিলে গো!’
হাবুদার চিবনো দেখে খিদে পেয়ে গেল। সামনেই মিষ্টির দোকান।
বললাম, ‘বড্ড খিদে পেয়েছে। কিছু খাবে?’
হাবুদা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘খাবি, খা না।’
আমি খাব কি! দেখি হাবুদা একটা মিষ্টির দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে। দোকানি হেসে বলল, ‘একটা করে দেব নাকি?’
একরকম ঘোরের মধ্যে থেকে হাবুদা বলে উঠল, ‘ল-ব-ঙ্গ লতিকা! দিন দাদা, দিন।’
দোকানদার দিতে না দিতে হাবুদা মুখে পুরে চিবচ্ছে আর বলছে, ‘আমার দিদু যা বানাত ময়রা হার মেনে যেত। ওরে গজু, দিদুকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি রে!’
হাবুদাকে যেন নেশায় পেয়েছে!
লবঙ্গলতিকা শেষ করেই গোল সাদা মতো মিষ্টি একটা চেয়ে নিল। খাচ্ছে আর বলছে ‘গজু, এর নাম মণ্ডা। আহা, এর স্বাদই আলাদা।’
বললাম, ‘ভূতের রাজা গুপিবাঘাকে যে মিষ্টি খাইয়েছিল এটা কি সেটা?’
হাবুদার চোখ তৃপ্তিতে বুজে আছে। ঘাড়টা শুধু নাড়ল।
হঠাৎ কী যেন দেখতে পেয়ে চঞ্চল হয়ে উঠল হাবুদা।
‘অমন করে কী দেখছ হাবুদা?’
হাবুদার মুখে কথা নেই। চকচকে দৃষ্টি। মাথার চুল হাওয়ায় উড়ছে। কী যেন দেখতে পেয়েছে। আচমকা দৌড় দিল। বড় রাস্তাটা কোনাকুনি পেরিয়ে গেল দিগ্‌বিদিক জ্ঞান হারিয়ে। আর একটু হলেই বাইকে ধাক্কা মারত। চারপাশের লোকজন হইহই করে উঠল। রাস্তার ওপারে আদু মুদির দোকান। হাবুদা চিৎকার করছে—‘বুড়ির মাথায় পাকা চুল...বুড়ির মাথায় পাকা চুল। গজু শিগগিরি আয়—টেস্ট করে দেখ একবার।’
কাছে গিয়ে দেখি একটা কাঠির মাথায় তুলোর মতো কী একটা গোলাপি বস্তু। সেটা নিয়ে হাবুদা নাড়াচাড়া করছে আর মাঝেমাঝে জিভ ঠেকাচ্ছে। দোকানিকে বলছে, ‘জানেন আদুদা, এর একটা নাম আছে—হাওয়াই মেঠাই। আমরা একে বুড়ির মাথার পাকা চুল বলি।’
হাবুদা আমার মুখে সেই জিনিসটা পুরে দিল। মিষ্টি স্বাদ। মুখে দিতে না দিতেই মিলিয়ে গেল। আগে কখনও খাইনি। বেশ মজার খাবার এটা।
কানের কাছে আচমকা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে বিকট আওয়াজ।
চমকে ফিরে দেখি একটা চোঙার মতো জিনিস মুখে পুরে একজন লোক বিশ্রী শব্দ করতে করতে যাচ্ছে।
হাবুদার খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। দৌড়ে গিয়ে লোকটাকে প্রায় জাপটে ধরে বলে উঠল, ‘ঝাঁকা নামাও। আমি একটা নেব।’
লোকটা ঝাঁকা নামিয়ে বলল, ‘সাতপাড়া ঘুরে আপনাকে পেলাম। বউনির জিনিস বেশি নেব না। পাঁচ টাকা দিন।’
হাবুদা বলল, ‘গজু এর নাম তালপাতার ভেঁপু। রথের মেলায় কত কিনেছি। তুই নিবি! দেখ এইভাবে ফুঁ-দিতে হয়।’
হাবুদা বাচ্চা ছেলে হয়ে গেছে। মুখে পুরে তারস্বরে বাজাচ্ছে আর বলছে, ‘শোন রে শোন, আমার ছেলেবেলার সুর।’
আমার অবাক হওয়ার আর কী বাকি আছে! এই হাবুদাকে আগে কখনও দেখিনি। বললাম, ‘চলো, আর ভালো লাগছে না। বাড়ি যাব।’
কথাটা হাবুদার কানে ঢুকল না। কী এক অজানা নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। হঠাৎ আমার গলা জড়িয়ে টানতে টানতে নিয়ে চলল। সামনেই বৈরাগীদের ভিটা। সে এক আশ্চর্য জগৎ। হাবুদা দেখেই বলল, ‘অ্যায় তো সেই মায়াপুরী। চল চল।’
হাবুদা প্রায় ঠেলে ঢোকাল। বৈরাগীদের ভিটা এখন পোড়ো বাড়ি। সাপখোপের আড্ডা। এতই নির্জন, পায়ের শব্দ একটু জোরে হলেই চমকে উঠতে হয়। সামনে ঝোপের আড়ালে কে যেন সরে গেল। কে ওখানে? হিংস্র কোনও জন্তু নয় তো! ঠিক তখনই কেউ যেন হিসহিসে গলায় বলে উঠল, ‘বেস্পতি পাইলে আয়!’
আমার সারা গায়ে হিমস্রোত বয়ে গেল। ভূত নয় তো!
‘হাবুদা তুমি কোথায়?’
পিছন ফিরতেই দেখি কিছুটা দূরে হাবুদা মুগ্ধ হয়ে প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখছে।
আমার প্রচণ্ড রাগ হল। ছুটে গিয়ে তার হাত দুটোকে শক্ত করে ধরে বললাম, ‘তুমি কী গো—এই জঙ্গলপুরীতে এনে আমায় ভূতের মুখে ফেলেছ! স্পষ্ট দেখলাম ওদিকে বেস্পতি ভূতের আড্ডা।’
‘বেস্পতি ভূত!’
হাবুদা গলা ফাটিয়ে হো হো করে হেসে উঠল।
বলল, ‘বেস্পতি ভূত হতে যাবে কেন! ও তো বামাচরণের মেয়ে।’
‘বামাচরণ আবার কে!’
‘কেয়ারটেকার।’
‘আমার কিছু ভালো লাগছে না। আমি বাড়ি যাব।’
হাবুদার মুখে দুষ্টু হাসিটা চওড়া হয়েই মিলিয়ে গেল। বলল, ‘মাছ ধরবি? এই দেখ ছিপ। কত বড় পুকুর দেখেছিস! আমার লোভ হচ্ছে।’
প্রচুর গাছপালা। সামনে টলটলে জলের পুকুর। মাছের দল চাক বেঁধে ঘুরছে। হাবুদা বাচ্চা ছেলের মতো চেঁচিয়ে উঠল, ‘আমি চান করব। সাঁতার কাটব।’
বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল! যতদূর জানি হাবুদা তো সাঁতার জানে না!
‘না, হাবুদা তুমি জলে নেমো না।’
কথা শুনলে তো! চিরকালের একগুঁয়ে।
হাবুদা দ্রুত পোশাক ছেড়ে আমার হাতে মোবাইল মানিব্যাগ দিয়ে দু’হাত ছড়িয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘আমি সেই ক্লাস সেভেনের হাবু—হাবুল ভটচায। এখন আমি ডুব সাঁতার কাটব। পুকুর এপার ওপার করব। গায়ে মাটি মাখব। যা খুশি তাই করব। হা...হা...হা...!’
হেমন্তের অলস দুপুর। পাখিরা কলকাকলিতে এতই উন্মত্ত তাদের জগতে দু’জন মানুষ ঢুকে কীসব কাণ্ড করছে সে খেয়াল নেই।
নিস্তব্ধ পরিবেশে ছোট্ট একটা শব্দ ভেসে এল—ঝপাং।
হাবুদার মোবাইল ফোনটা আচমকা বেজে উঠল।
‘হ্যালো হাবু, তোরা কোথায়! গজু কী করছে? কথা বলছিস না কেন!’
এ তো আমার মায়ের গলা। বললাম, ‘আমি গো মা, গজু।’
‘তুই! এত বেলা হয়ে গেল কী করছিস তোরা। হাবু কোথায়?’
‘মাগো, হাবুদা হারিয়ে গেছে।’
‘সেকি রে, কোথায়?’
‘ছেলেবেলায়!’
আর পারলাম না। এবার আমি শব্দ করে কেঁদে ফেললাম।
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
28th  April, 2019
ওয়াটারমেলান পিৎজা ও অরিও অ্যান্ড কোকোনাট লাড্ডু  

তোমাদের জন্য চলছে একটি আকর্ষণীয় বিভাগ ছোটদের রান্নাঘর। এই বিভাগ পড়ে তোমরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলতে পারবে লোভনীয় খাবারদাবার। বাবা-মাকেও চিন্তায় পড়তে হবে না।  
বিশদ

12th  January, 2020
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় বাংলা। মাধ্যমিক পরীক্ষায় বাংলায় বেশি নম্বরের জন্য পাঠ্যবই ও ব্যাকরণ খুঁটিয়ে পড়তে হবে। পরামর্শ দিচ্ছেন হিন্দু স্কুলের বাংলার শিক্ষক স্বাগত বিশ্বাস। 
বিশদ

12th  January, 2020
ব্ল্যাকবোর্ড 

অভিনব অঙ্কন প্রতিযোগিতা
জিএসবি রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটিং-আলভা’র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভার্চুয়াল কমিউনিকেশন ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ার উদ্‌যাপনের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। অনুষ্ঠানে বিভিন্নভাবে পিছিয়ে পড়া মেয়েদের জন্য একটি অঙ্কন প্রতিযোগিতা করা হয়। মূলত অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে প্রতিভাময়ীদের তুলে ধরতেই এরকম একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়।  
বিশদ

12th  January, 2020
শীতের ছুটিতে এখানে ওখানে 

শীত মানেই একরাশ মজা। এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি। দলবেঁধে দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া। এ সময় স্কুলেও থাকে লম্বা ছুটি। তাই ছোটদের পোয়াবারো। এবার শীতে ছুটিতে কে কোথায় ঘুরতে গিয়েছিল জানাল হযবরল-র খুদেরা।  
বিশদ

12th  January, 2020
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাচ্ছেন। আজকের
বিষয় হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২০।   বিশদ

05th  January, 2020
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় অঙ্ক।মাধ্যমিকের জন্য কয়েকটি ফর্মুলা ভালো করে শিখে নিলে বীজগণিতে একশো শতাংশ নম্বর পাওয়া সম্ভব।পরামর্শ দিচ্ছেন রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) অঙ্কের শিক্ষক সমীর চক্রবর্তী। 
বিশদ

05th  January, 2020
টাইমস স্কোয়্যারে ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ার 

আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ার কতটা আনন্দের সঙ্গে উদ্‌যাপন করা হয় তার সাক্ষী ছিলেন অভীক বসু। তোমাদের সেই ঝলমলে উৎসবের গল্প শোনালেন লেখক।  
বিশদ

05th  January, 2020
বখশিশ 

শমীন্দ্র ভৌমিক: মাস তিনেক হল গুসকরার কাছে একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার কাজ পেয়েছি। জায়গাটা চমৎকার। বর্ধমান জেলার মধ্যে পড়ে। ট্রেনে চেপে বর্ধমান থেকে গুসকরা আসতে আমার মিনিট পঞ্চাশেক লাগে।   বিশদ

29th  December, 2019
নববর্ষের শপথ 

আসছে নতুন বছর। নতুন বছরে কে কী করার প্রতিজ্ঞা করেছে তা জানাল ছোটরা।  
বিশদ

29th  December, 2019
এলিট ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-এর প্রতিযোগিতা 

আমাদের সকলের মধ্যেই কিছু না কিছু গুণ আছে। এমন গুণ যার মারফত আমরা বিশ্বজয় করতে পারি। অন্তত এলিট ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তেমনই বিশ্বাস করে। গোটা পৃথিবীতে এলিট ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের বিভিন্ন অফিস আছে। আমেরিকা, ইজিপ্ট, ইউরোপের বিভিন্ন শহর, লেবানন, শ্রীলঙ্কা সর্বত্রই এদের কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে রয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ভবন’স বিদ্যামন্দিরের বার্ষিক অনুষ্ঠান 

সল্টলেকের ভবন’স গঙ্গাবক্স কানোরিয়া বিদ্যামন্দিরের (সেকেন্ডারি সেকশন) বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হল গত ৬ ডিসেম্বর। ই জেড সি সি-র অডিটোরিয়ামে বিশিষ্ট গুণীজনদের উপস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ে পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রকাশিত হয় বিদ্যালয়ের পত্রিকা ‘রিপলস’।
বিশদ

22nd  December, 2019
আমাদের সান্টা ক্লজ 
চকিতা চট্টোপাধ্যায়

আর ক’দিন পরেই ২৫ ডিসেম্বর। ক্রিস্টমাস ডে। যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন। আমাদের বড় আদরের, বড় আপন ‘বড়দিন’। বেথলেহেমের এক আস্তাবলে মা মেরি জন্ম দিয়েছিলেন ছোট্ট যিশুর। 
বিশদ

22nd  December, 2019
মেরি ক্রিসমাস 

প্রতিবছর ডিসেম্বর মাস পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় ক্রিসমাসের প্রস্তুতি। ইউনাইটেড মিশনারি গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রীরা জানাল তাদের বড়দিনের প্রস্তুতির কথা। 
বিশদ

22nd  December, 2019
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় জীবনবিজ্ঞান। পরিবেশ সম্বন্ধীয় প্রশ্নের উত্তরে নিজের ভাবনাকে গুরুত্ব দাও। পরামর্শে বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষক অরণ্যজিৎ সামন্ত।
বিশদ

15th  December, 2019
একনজরে
বিএনএ, আরামবাগ: পথ দুর্ঘটনায় আরামবাগে মৃত দুঃস্থ যুবকের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে আর্থিক সাহায্যের জন্য পথে নামলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের স্থানীয় যুবকরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে শহরে সম্প্রীতির এমন ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অন্যান্য পুরসভাগুলির সঙ্গে আগামী পুরভোটে উত্তর দমদম, দক্ষিম দমদম এবং দমদম পুরসভার আসন সংরক্ষণের খসড়া তালিকা শুক্রবার প্রকাশিত হল। সেই তালিকা অনুযায়ী কোথাও চেয়ারম্যান, কোথাও চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিল এবার নিজের জেতা ওয়ার্ডে ভোটে দাঁড়াতে পারছেন না। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে এখন সরগরম গোটা রাজ্য। ডান-বাম উভয়েই আন্দোলনে শামিল হয়েছে। আর এই আবহে কলেজে কলেজে ছাত্রভোটের সম্ভাবনা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেল। আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যেও এই ভোট না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ...

 আমেদাবাদ, ১৭ জানুয়ারি (পিটিআই): সমস্ত বিদেশি কোম্পানিকে আইন মেনে ভারতে বিনিয়োগ করতে হবে। আমাজনের লগ্নি নিয়ে মন্তব্যের পর শুক্রবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

উচ্চবিদ্যায় ভালো ফল হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে সুযোগ আসবে। কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: সঙ্গীতশিল্পী কে এল সায়গলের মৃত্যু
১৯৭২: ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির জন্ম
১৯৯৬: রাজনীতিক ও অভিনেতা এন টি রামারাওয়ের মৃত্যু
২০০৩: কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু
২০১৮ – বিশিষ্ট বাঙালি সাংবাদিক ও কার্টুনিস্ট চন্ডী লাহিড়ীর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭১.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.২২ টাকা ৯৪.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৪৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৮,৯৪৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৬, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, নবমী ৫৪/৫ দিবা ৪/১। স্বাতী ৪৪/৪১ রাত্রি ১২/১৬। সূ উ ৬/২৩/৪, অ ৫/১০/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫০ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৮ গতে ১০/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ১/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৭ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৩ মাঘ ১৪২৬, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, অষ্টমী ৬/৩২/৩৮ দিবা ৯/২/৫৩। স্বাতী ৫২/৪১/৩১ রাত্রি ৩/৩০/২৬। সূ উ ৬/২৫/৫০, অ ৫/৯/৩২, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৭ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ২/০ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/১৯ মধ্যে ও ৩/৪৯/৪ গতে ৫/৯/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৯/৪ মধ্যে ও ৪/৪৬/১৮ গতে ৬/২৫/৫৫ মধ্যে। 
২২ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পর্ণশ্রীতে মাথায় আঘাত করে লুঠ ৩ লক্ষ টাকা
দক্ষিণ কলকাতার পর্ণশ্রী এলাকায় মাথায় আঘাত করে লুঠ করা হল ...বিশদ

10:11:43 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, শনিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:05:09 AM

একঘণ্টা বিনি পয়সার ভোজ রসগোল্লা, ফুচকা
দমদমে শুরু হল ‘নালেঝোলে’ খাদ্যমেলা। দমদম রোডে ৪ নম্বর দাগা ...বিশদ

09:30:00 AM

রাতেই পার্ক সার্কাস ময়দানে আন্দোলনকারীদের পাশে পি চিদম্বরম
কোনওরকম রাজনৈতিক পতাকা ছাড়াই গভীর রাতে পাক সার্কাসের অবস্থান মঞ্চে ...বিশদ

09:27:00 AM

অবাক কাণ্ড বড়িশার স্কুলে
বড়িশার স্কুলে অবাক কাণ্ড। এক প্রধান শিক্ষক থাকতেই ফের সেখানে ...বিশদ

09:24:43 AM

দাবিদাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক সংগঠনের
ইউজিসি’র নয়া বেতনক্রম ঘোষণা হলেও সেই বকেয়া নিয়ে সরকার চুপ। ...বিশদ

09:16:38 AM