Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

হাবুদা হারিয়ে গিয়েছে 
গুঞ্জন ঘোষ

হাবুদার সঙ্গে থাকা মানে পৃথিবীর অর্ধেক শক্তি আমাদের মধ্যে খেলে বেড়ায়। হাবুদা আমাদের রবিনহুড। কতকিছু যে জানে! হাবুদা মানেই একগাদা অ্যাডভেঞ্চার। মাঝেমাঝে যখন ছেলেমানুষ হয়ে যায় সে এক দেখার মতো কাণ্ড। আবার যখন রেগে যায় সেও এক ভীষণ ব্যাপার। তখন বলে পায়ের আঙুলে থানইট ফেলে দেব। কিংবা ব্রহ্মতালুতে সুপুরি রেখে তাতে খড়মের এক ঘা মারব। হাবুদা ভয় দেখায় বটে ভয়ার্ত করে না। এই রাগ, তো পরক্ষণেই জল।
বড়মা বলেন, ‘হাবুটা আগের জন্মে মস্ত বড় এক সন্ন্যাসী ছিল। মায়ার টানে এই জন্মে আমাদের পঞ্চাননতলার হাবু হয়ে জন্মেছে। খবরদার ওকে কখনও অশ্রদ্ধা করিসনি।’
গতকালই হাবুদা আমাদের ছ’টা ঋতুর একটা লাজুক হেমন্তকে চিনিয়েছিল। হাবুদা যেমন বলেছিল, শোন, হেমন্তের রাতটা ঝিমঝিমে। সন্ধের পর ছাতিম ফুলের পাগল করা গন্ধে প্রকৃতি ঈশ্বরের পুজো করে। রাত ন’টার পর থেকে বাতাস উপাসনায় বসে। আকাশ তখন তারাদের টিপ ছাপ চাদর গায়ে ধ্যানে তন্ময় হয়ে যায়।
হাবুদা এইসব কথা যখন বলে চোখ মুখ অন্যরকম হয়ে যায়। অতশত বুঝি না তো, আমরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে বলি—এইরে, আগের জন্মের সেই সন্ন্যাসীটা হাবুদার মনটাকে ধরে টান মেরেছে!’
আমরা আর প্রশ্ন করি না।
হাবুদা গুম মেরে বসে থাকে। দু’চোখের কোণ থেকে দু’ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, আমরা সামান্য ভয় পেয়ে যে যার বাড়ি চলে যাই।
সেই হাবুদা ভাইফোঁটার আগেরদিন পাকড়াও করে বলল, ‘অ্যাই গজু, আমার সঙ্গে চল।’
‘কোথায়?’
‘এখন বলব না, গিয়ে দেখবি।’
‘আমি একা! সুগত, বিধান, মাধব—ওদের নেবে না?’
‘তোকে বলছি, তুই চল।’
অজুহাত খাড়া করে বলি, ‘হাবুদা মাকে বলা হয়নি—মা তো চিন্তা করবে।’
হাবুদা বলল, ‘সে আমি বুঝব—এখন তুই চল তো।’
আমার হাতটা খামচে ধরে টানতে টানতে বড় রাস্তায় উঠে হাবুদা বলল, ‘একটা রিকশ দরকার। টোটো হলেও চলবে। চারপাশে চোখ রাখ।’
সিদ্ধেশ্বরীতলায় একটা রিকশ দাঁড়িয়ে। হাবুদা চেঁচিয়ে উঠল, ‘অ্যাই রিকশ, যাবেন?’
চালক বলল, ‘কোথায়?’
হাবুদা বলল, ‘ছেলেবেলায়।’
লোকটা খানিক থতমত খেল। কী বলবে বুঝতে পারছে না। হতাশ কণ্ঠে বলে উঠল, ‘নিন, উঠুন!’
আমি অবাক! ছেলেবেলা কী গন্তব্য হতে পারে! হাবুদা চাইছেটা কী! এরকম আচরণ কখনও দেখিনি বাবা!
রিকশ চলছে গড়গড়িয়ে। বাতাসে হিমের আলতো ছোঁয়া। চারপাশ ভীষণই চেনা অথচ সবকিছু অচেনা মনে হচ্ছে। দাঁয়েদের রাসবাড়ি। লালবাবার আশ্রম। কল্যাণেশ্বর শিবমন্দির। গঙ্গার ধারের সেই বিশাল মাঠ। কতগুলো ছেলে একটা মোটা লাঠি আরেকটা পটলের মতো দেখতে একটুকরো কাঠ নিয়ে খেলছে। হাবুদা সেই দেখে হাততালি দিয়ে উঠল। আমাকে কনুই দিয়ে ঠেলে বলল, ‘দেখ গজু, দেখ—ওরা ডাংগুলি খেলছে। ওফ্‌, ছেলেবেলায় কত খেলতাম রে!’
দুম করে বলে ফেললাম, ‘ইস, ডাংগুলি! এটা আবার একটা খেলা!’
হাবুদা বিভোর হয়ে আছে। কোনওদিকে হুঁশ নেই। রিকশ পঞ্চাননতলার বাঁকটা ঘুরতেই সাউদের মাঠ। সেখানে তিন-চারজন মেয়ে মাটিতে চারচৌকো ঘর কেটে একপায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। দেখে আমার খুব কষ্ট হল। হাবুদাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ওরা কি হ্যান্ডিক্যাপড?’
হাবুদা হা হা করে হেসে উঠে বলল, ‘হ্যান্ডিক্যাপড তুই। ওরা চু-কিতকিত খেলছে। আহা, উমাদি, টুকু, রত্না—ওদের সঙ্গে কত খেলতাম। সে এক দিন ছিল রে গজু!’
লোকটাকে আমি চিনি। নামটা ঠিক মনে করতে পারছি না। চন্দনের চায়ের দোকানে চুপ করে বসেছিল। আমাদের দেখেই উঠে এল। হাবুদাকে বলল, ‘হাবু না! কীরকম হয়ে গেছিস রে! বঁড়শি নিবি? নতুন চাইনিজ হুইল এসেছে, লাগলে বলিস!’
হাবুদা একটা লাফ দিয়ে লোকটাকে জড়িয়ে ধরল। বলল, ‘বিশুদা এখনও মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রি কর!’
লোকটা বলল, ‘নেশায় পড়ে গেছি রে। আজকালকার ছেলেরা মাছ ধরে না রে! পুরনো অভ্যেস ছাড়তে পারিনি।’
লোকটা এবার কোনও গোপন জিনিস দেওয়ার মতো কী একটা হাবুদার হাতে দিয়ে বলল, ‘তোর ভাগনেকে দিস।’
হাবুদা মুঠো খুলে জিনিসটা দেখেই লাফিয়ে উঠল। লম্বাটে শঙ্কুর মতো একটা কাঠের বল। নীচে আধখানা পেরেক। হাবুদা উল্লাস করে উঠল, ‘লাট্টু...উ...উ!’
এসব জিনিসের প্রতি আমার আগ্রহ নেই। জানিই না এটা দিয়ে কী হয়! লোকটা এবার একটা মোড়ক থেকে কাচের মতো কী একটা বের করে হাবুদাকে দিল। হাবুদা ছেলেমানুষের মতো সেটা মুখে পুরে চিবতে চিবতে বলে উঠল, ‘ওফ, মাছ লজেন্স—বিশুদা কী ঐশ্বর্য দিলে গো!’
হাবুদার চিবনো দেখে খিদে পেয়ে গেল। সামনেই মিষ্টির দোকান।
বললাম, ‘বড্ড খিদে পেয়েছে। কিছু খাবে?’
হাবুদা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘খাবি, খা না।’
আমি খাব কি! দেখি হাবুদা একটা মিষ্টির দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে। দোকানি হেসে বলল, ‘একটা করে দেব নাকি?’
একরকম ঘোরের মধ্যে থেকে হাবুদা বলে উঠল, ‘ল-ব-ঙ্গ লতিকা! দিন দাদা, দিন।’
দোকানদার দিতে না দিতে হাবুদা মুখে পুরে চিবচ্ছে আর বলছে, ‘আমার দিদু যা বানাত ময়রা হার মেনে যেত। ওরে গজু, দিদুকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি রে!’
হাবুদাকে যেন নেশায় পেয়েছে!
লবঙ্গলতিকা শেষ করেই গোল সাদা মতো মিষ্টি একটা চেয়ে নিল। খাচ্ছে আর বলছে ‘গজু, এর নাম মণ্ডা। আহা, এর স্বাদই আলাদা।’
বললাম, ‘ভূতের রাজা গুপিবাঘাকে যে মিষ্টি খাইয়েছিল এটা কি সেটা?’
হাবুদার চোখ তৃপ্তিতে বুজে আছে। ঘাড়টা শুধু নাড়ল।
হঠাৎ কী যেন দেখতে পেয়ে চঞ্চল হয়ে উঠল হাবুদা।
‘অমন করে কী দেখছ হাবুদা?’
হাবুদার মুখে কথা নেই। চকচকে দৃষ্টি। মাথার চুল হাওয়ায় উড়ছে। কী যেন দেখতে পেয়েছে। আচমকা দৌড় দিল। বড় রাস্তাটা কোনাকুনি পেরিয়ে গেল দিগ্‌বিদিক জ্ঞান হারিয়ে। আর একটু হলেই বাইকে ধাক্কা মারত। চারপাশের লোকজন হইহই করে উঠল। রাস্তার ওপারে আদু মুদির দোকান। হাবুদা চিৎকার করছে—‘বুড়ির মাথায় পাকা চুল...বুড়ির মাথায় পাকা চুল। গজু শিগগিরি আয়—টেস্ট করে দেখ একবার।’
কাছে গিয়ে দেখি একটা কাঠির মাথায় তুলোর মতো কী একটা গোলাপি বস্তু। সেটা নিয়ে হাবুদা নাড়াচাড়া করছে আর মাঝেমাঝে জিভ ঠেকাচ্ছে। দোকানিকে বলছে, ‘জানেন আদুদা, এর একটা নাম আছে—হাওয়াই মেঠাই। আমরা একে বুড়ির মাথার পাকা চুল বলি।’
হাবুদা আমার মুখে সেই জিনিসটা পুরে দিল। মিষ্টি স্বাদ। মুখে দিতে না দিতেই মিলিয়ে গেল। আগে কখনও খাইনি। বেশ মজার খাবার এটা।
কানের কাছে আচমকা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে বিকট আওয়াজ।
চমকে ফিরে দেখি একটা চোঙার মতো জিনিস মুখে পুরে একজন লোক বিশ্রী শব্দ করতে করতে যাচ্ছে।
হাবুদার খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। দৌড়ে গিয়ে লোকটাকে প্রায় জাপটে ধরে বলে উঠল, ‘ঝাঁকা নামাও। আমি একটা নেব।’
লোকটা ঝাঁকা নামিয়ে বলল, ‘সাতপাড়া ঘুরে আপনাকে পেলাম। বউনির জিনিস বেশি নেব না। পাঁচ টাকা দিন।’
হাবুদা বলল, ‘গজু এর নাম তালপাতার ভেঁপু। রথের মেলায় কত কিনেছি। তুই নিবি! দেখ এইভাবে ফুঁ-দিতে হয়।’
হাবুদা বাচ্চা ছেলে হয়ে গেছে। মুখে পুরে তারস্বরে বাজাচ্ছে আর বলছে, ‘শোন রে শোন, আমার ছেলেবেলার সুর।’
আমার অবাক হওয়ার আর কী বাকি আছে! এই হাবুদাকে আগে কখনও দেখিনি। বললাম, ‘চলো, আর ভালো লাগছে না। বাড়ি যাব।’
কথাটা হাবুদার কানে ঢুকল না। কী এক অজানা নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। হঠাৎ আমার গলা জড়িয়ে টানতে টানতে নিয়ে চলল। সামনেই বৈরাগীদের ভিটা। সে এক আশ্চর্য জগৎ। হাবুদা দেখেই বলল, ‘অ্যায় তো সেই মায়াপুরী। চল চল।’
হাবুদা প্রায় ঠেলে ঢোকাল। বৈরাগীদের ভিটা এখন পোড়ো বাড়ি। সাপখোপের আড্ডা। এতই নির্জন, পায়ের শব্দ একটু জোরে হলেই চমকে উঠতে হয়। সামনে ঝোপের আড়ালে কে যেন সরে গেল। কে ওখানে? হিংস্র কোনও জন্তু নয় তো! ঠিক তখনই কেউ যেন হিসহিসে গলায় বলে উঠল, ‘বেস্পতি পাইলে আয়!’
আমার সারা গায়ে হিমস্রোত বয়ে গেল। ভূত নয় তো!
‘হাবুদা তুমি কোথায়?’
পিছন ফিরতেই দেখি কিছুটা দূরে হাবুদা মুগ্ধ হয়ে প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখছে।
আমার প্রচণ্ড রাগ হল। ছুটে গিয়ে তার হাত দুটোকে শক্ত করে ধরে বললাম, ‘তুমি কী গো—এই জঙ্গলপুরীতে এনে আমায় ভূতের মুখে ফেলেছ! স্পষ্ট দেখলাম ওদিকে বেস্পতি ভূতের আড্ডা।’
‘বেস্পতি ভূত!’
হাবুদা গলা ফাটিয়ে হো হো করে হেসে উঠল।
বলল, ‘বেস্পতি ভূত হতে যাবে কেন! ও তো বামাচরণের মেয়ে।’
‘বামাচরণ আবার কে!’
‘কেয়ারটেকার।’
‘আমার কিছু ভালো লাগছে না। আমি বাড়ি যাব।’
হাবুদার মুখে দুষ্টু হাসিটা চওড়া হয়েই মিলিয়ে গেল। বলল, ‘মাছ ধরবি? এই দেখ ছিপ। কত বড় পুকুর দেখেছিস! আমার লোভ হচ্ছে।’
প্রচুর গাছপালা। সামনে টলটলে জলের পুকুর। মাছের দল চাক বেঁধে ঘুরছে। হাবুদা বাচ্চা ছেলের মতো চেঁচিয়ে উঠল, ‘আমি চান করব। সাঁতার কাটব।’
বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল! যতদূর জানি হাবুদা তো সাঁতার জানে না!
‘না, হাবুদা তুমি জলে নেমো না।’
কথা শুনলে তো! চিরকালের একগুঁয়ে।
হাবুদা দ্রুত পোশাক ছেড়ে আমার হাতে মোবাইল মানিব্যাগ দিয়ে দু’হাত ছড়িয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘আমি সেই ক্লাস সেভেনের হাবু—হাবুল ভটচায। এখন আমি ডুব সাঁতার কাটব। পুকুর এপার ওপার করব। গায়ে মাটি মাখব। যা খুশি তাই করব। হা...হা...হা...!’
হেমন্তের অলস দুপুর। পাখিরা কলকাকলিতে এতই উন্মত্ত তাদের জগতে দু’জন মানুষ ঢুকে কীসব কাণ্ড করছে সে খেয়াল নেই।
নিস্তব্ধ পরিবেশে ছোট্ট একটা শব্দ ভেসে এল—ঝপাং।
হাবুদার মোবাইল ফোনটা আচমকা বেজে উঠল।
‘হ্যালো হাবু, তোরা কোথায়! গজু কী করছে? কথা বলছিস না কেন!’
এ তো আমার মায়ের গলা। বললাম, ‘আমি গো মা, গজু।’
‘তুই! এত বেলা হয়ে গেল কী করছিস তোরা। হাবু কোথায়?’
‘মাগো, হাবুদা হারিয়ে গেছে।’
‘সেকি রে, কোথায়?’
‘ছেলেবেলায়!’
আর পারলাম না। এবার আমি শব্দ করে কেঁদে ফেললাম।
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
28th  April, 2019
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

ঘুমকাতুরে চোর
অভীক বসু

ভরদুপুরে করতে চুরি
যেই ঢুকেছে ঘরে,
ছোটকাকা পেছন থেকে।
জাপটে গিয়ে ধরে।  বিশদ

মনের  পাখি ও
ভূতনাথ  স্যার
বাণীব্রত চক্রবর্তী 

বিকেলবেলায় স্কুলের দালানে দাঁড়িয়ে নিশিদাদা ঢং ঢং করে ছুটির ঘণ্টা বাজায়। ঠিক তখনই স্কুল কম্পাউন্ডের নিমগাছের ডালে বসে একটা টিয়াপাখি সবুজ ডানা ঝাপটায় এবং লাল টুকটুকে ঠোঁট বাড়িয়ে নিমফল খায়। ইদানীং রোজ টিটো পাখিটাকে দেখতে পাচ্ছে।  বিশদ

অ্যাভোকাডো অ্যান্ড স্মোকড স্যামন স্যান্ডউইচ 

 ব্রাউন অথবা হোয়াইট ব্রেড (পাউরুটি) ৮টি, চিজ স্প্রেড ৮ টেবিল চামচ, অ্যাভোকাডো ৩০০ গ্রাম, স্মোকড স্যামন ২৫০ গ্রাম, পাতিলেবুর রস ১ চা চামচ, ভার্জিন অলিভ অয়েল ২ টেবিল চামচ, লেটুসপাতা সামান্য, নুন স্বাদ অনুযায়ী, গোলমরিচ আন্দাজমতো, সার্ভিং ডিশ ৪টি, মিক্সিং ডিশ -১টি, ছোট চামচ ১টি, ছুরি ১টি। বিশদ

13th  September, 2020
ওভারনাইট ওটস 

 ওটস ১০০ গ্রাম, ইয়োগার্ট ২৫০ গ্রাম, মধু ৫০ গ্রাম, মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস খুব ছোট করে কাটা (আমন্ড, রেসিন, ওয়ালনাট, কাজু) ৫০ গ্রাম, আপেল-আঙ্গুর- পাকা পেঁপে সব মিলিয়ে (ছোট টুকরো করা) ১০ গ্রাম, সেরামিকের মিক্সিং বোল ১টি, সার্ভিং বোল ৪টি, চামচ ১টি। বিশদ

13th  September, 2020
ত্রিকোণমিতির প্রাথমিক ধারণা 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় দশম শ্রেণীর অঙ্ক।  পরামর্শে ব্যারাকপুর রাষ্ট্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের অঙ্কের শিক্ষক শ্যামল বিশ্বাস। বিশদ

13th  September, 2020
সেদিনের শিশুশিল্পীরা 

তোমাদের মতো  বয়সে যারা সিনেমায় অভিনয় করে মন জয় করেছিল সেই সব শিশুশিল্পীর কথা তোমাদের জানাচ্ছেন ড. শঙ্কর ঘোষ। বিশদ

13th  September, 2020
মার্কশিট
জীবজগতে সংবহণ একটি
গুরুত্বপূর্ণ ও বিচিত্র পদ্ধতি 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় নবম শ্রেণীর জীবনবিজ্ঞান।
ভাবতে অবাক লাগে তালগাছ, ‘একপায়ে দাঁড়িয়ে সব গাছ ছাড়িয়ে উঁকি দেয় আকাশে’। মাটি থেকে ৬০ বা ৭০ ফুট উঁচু সেই গাছের মাথায় জল পৌঁছয় কী করে? বাতাসের চাপে সেই জল তো এতদূর ওঠার কথা নয়। কী হয় তাহলে?
বিশদ

06th  September, 2020
মঙ্গলগ্রহে
জমি কিনবে? 

মঙ্গলগ্রহের মাটির তলায় নাকি জমে আছে বরফ। বরফ মানেই জল। জল মানেই প্রাণ! তাহলে কি লালগ্রহে মানুষ বাস করার মতো পরিবেশও গড়া সম্ভব? বিজ্ঞানীরা চালাচ্ছেন নিরন্তর গবেষণা। ফলাফল বেশ আশাজনক। লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

06th  September, 2020
ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের ছোটবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার
ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

30th  August, 2020
গুরু শিষ্যের অপূর্ব মেলবন্ধন 

৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবস— সর্বপল্লী ডঃ রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিন। প্রতি বছর এই দিনটা এলেই মনে হয়, ‘সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে’। ছাত্রাবস্থায় এবং শিক্ষক জীবনে, দুই ক্ষেত্রেই এই দিনটি কেমন যেন মনের গভীরে একটা চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছে।  বিশদ

30th  August, 2020
গুরুকে জানাই প্রণাম 

আমার সুবিধা অসুবিধা সব জানেন গুরুজি
 সেই ফেব্রুয়ারি মাসে গুরুজির সামনে শেষ বসেছিলাম তালিম নিতে। তারপর করোনার জন্য বাড়িতে আর গানের তালিম হবে কিনা বুঝতে পারছিলাম না। এপ্রিল মাসে গুরুজি ফোন করলেন।  
বিশদ

30th  August, 2020
আমরা করব জয়

জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। ভয় তো একটু করেই। তার ওপর করোনা মহামারীর কারণে প্রায় ছ’মাস স্কুল, টিউশন বন্ধ। অনলাইন ক্লাসে অভ্যস্ত হতে হতেই এগিয়ে আসছে পরীক্ষা। ভয় পেলে তো চলবে না। সব প্রতিকূলতা জয় করে এগতে হবে। তোমাদের কয়েকজন বন্ধু জানাল কী ভাবে তারা প্রস্তুত হচ্ছে পরীক্ষার জন্য। বিশদ

23rd  August, 2020
 পড়া পড়া খেলা

ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি তোমাদের জন্য হাজির করেছে গল্পের বইয়ের অগাধ সম্ভার। লাইব্রেরির ডিরেক্টরের সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

23rd  August, 2020
একনজরে
জেনিভা: করোনার জেরে স্থগিত হল ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। শুক্রবার ফিফার সভাপতি গিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার করে এবছরের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে ...

রোচেস্টার: ফের আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব। নিউ ইয়র্ক শহরের রোচেস্টারে এক পার্টিতে এই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। পুলিস জানিয়েছে, শনিবার ভোরের এই ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এবং জখম হন ১৪ জন।  ...

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজেরও এবার পরীক্ষা হবে ‘গবেষণাগারে’! এমনই পরিকল্পনা নিল পঞ্চায়েত দপ্তর। লক্ষ্য মূলত দু’টি। এক, অসাধু ঠিকাদার কিংবা নির্মাণকারী সংস্থার ফাঁকিবাজি রুখে কাজের গুণগতমান বজায় রাখা।   ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: কালচিনির ডিমা চা বাগানের বিচ লাইন থেকে শনিবার সকালে বনকর্মীরা একটি অজগর উদ্ধার করেন। এদিন সকালে বাগানের জমিতে প্রায় আট ফুট লম্বা অজগরটিকে দেখে শ্রমিকরা বনদপ্তরের নিমাতি রেঞ্জে খবর দেয়।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮: চিত্রপরিচালক মহেশ ভাটের জন্ম
২০০৪: চিত্রপরিচালক সলিল দত্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া ০/২৮ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে চতুর্থী ৫২/২৮ রাত্রি ২/২৮। স্বাতীনক্ষত্র ৪৩/২৯ রাত্রি ১০/৫২। সূর্যোদয় ৫/২৮/১৮, সূর্যাস্ত ৫/৩১/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৫৫ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
৩ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া দিবা ১০/২। চিত্রানক্ষত্র দিবা ৬/১৫ পরে স্বাতীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৪/২৮ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫১ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
মোসলেম: ২ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা পজিটিভ আরও ৩,১৭৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৭৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:18:20 PM

আইপিএল: দিল্লি ৬ ওভারে ২৩/৩ 

08:08:47 PM

আইপিএল: টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত পাঞ্জাবের 

07:13:06 PM

১২, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজ্যে ট্রাক ধর্মঘট 

05:37:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

04:45:13 PM

উত্তরপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৫,৮০৯ জন, মৃত ৯৪ 

04:32:47 PM