Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

হাবুদা হারিয়ে গিয়েছে 
গুঞ্জন ঘোষ

হাবুদার সঙ্গে থাকা মানে পৃথিবীর অর্ধেক শক্তি আমাদের মধ্যে খেলে বেড়ায়। হাবুদা আমাদের রবিনহুড। কতকিছু যে জানে! হাবুদা মানেই একগাদা অ্যাডভেঞ্চার। মাঝেমাঝে যখন ছেলেমানুষ হয়ে যায় সে এক দেখার মতো কাণ্ড। আবার যখন রেগে যায় সেও এক ভীষণ ব্যাপার। তখন বলে পায়ের আঙুলে থানইট ফেলে দেব। কিংবা ব্রহ্মতালুতে সুপুরি রেখে তাতে খড়মের এক ঘা মারব। হাবুদা ভয় দেখায় বটে ভয়ার্ত করে না। এই রাগ, তো পরক্ষণেই জল।
বড়মা বলেন, ‘হাবুটা আগের জন্মে মস্ত বড় এক সন্ন্যাসী ছিল। মায়ার টানে এই জন্মে আমাদের পঞ্চাননতলার হাবু হয়ে জন্মেছে। খবরদার ওকে কখনও অশ্রদ্ধা করিসনি।’
গতকালই হাবুদা আমাদের ছ’টা ঋতুর একটা লাজুক হেমন্তকে চিনিয়েছিল। হাবুদা যেমন বলেছিল, শোন, হেমন্তের রাতটা ঝিমঝিমে। সন্ধের পর ছাতিম ফুলের পাগল করা গন্ধে প্রকৃতি ঈশ্বরের পুজো করে। রাত ন’টার পর থেকে বাতাস উপাসনায় বসে। আকাশ তখন তারাদের টিপ ছাপ চাদর গায়ে ধ্যানে তন্ময় হয়ে যায়।
হাবুদা এইসব কথা যখন বলে চোখ মুখ অন্যরকম হয়ে যায়। অতশত বুঝি না তো, আমরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে বলি—এইরে, আগের জন্মের সেই সন্ন্যাসীটা হাবুদার মনটাকে ধরে টান মেরেছে!’
আমরা আর প্রশ্ন করি না।
হাবুদা গুম মেরে বসে থাকে। দু’চোখের কোণ থেকে দু’ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, আমরা সামান্য ভয় পেয়ে যে যার বাড়ি চলে যাই।
সেই হাবুদা ভাইফোঁটার আগেরদিন পাকড়াও করে বলল, ‘অ্যাই গজু, আমার সঙ্গে চল।’
‘কোথায়?’
‘এখন বলব না, গিয়ে দেখবি।’
‘আমি একা! সুগত, বিধান, মাধব—ওদের নেবে না?’
‘তোকে বলছি, তুই চল।’
অজুহাত খাড়া করে বলি, ‘হাবুদা মাকে বলা হয়নি—মা তো চিন্তা করবে।’
হাবুদা বলল, ‘সে আমি বুঝব—এখন তুই চল তো।’
আমার হাতটা খামচে ধরে টানতে টানতে বড় রাস্তায় উঠে হাবুদা বলল, ‘একটা রিকশ দরকার। টোটো হলেও চলবে। চারপাশে চোখ রাখ।’
সিদ্ধেশ্বরীতলায় একটা রিকশ দাঁড়িয়ে। হাবুদা চেঁচিয়ে উঠল, ‘অ্যাই রিকশ, যাবেন?’
চালক বলল, ‘কোথায়?’
হাবুদা বলল, ‘ছেলেবেলায়।’
লোকটা খানিক থতমত খেল। কী বলবে বুঝতে পারছে না। হতাশ কণ্ঠে বলে উঠল, ‘নিন, উঠুন!’
আমি অবাক! ছেলেবেলা কী গন্তব্য হতে পারে! হাবুদা চাইছেটা কী! এরকম আচরণ কখনও দেখিনি বাবা!
রিকশ চলছে গড়গড়িয়ে। বাতাসে হিমের আলতো ছোঁয়া। চারপাশ ভীষণই চেনা অথচ সবকিছু অচেনা মনে হচ্ছে। দাঁয়েদের রাসবাড়ি। লালবাবার আশ্রম। কল্যাণেশ্বর শিবমন্দির। গঙ্গার ধারের সেই বিশাল মাঠ। কতগুলো ছেলে একটা মোটা লাঠি আরেকটা পটলের মতো দেখতে একটুকরো কাঠ নিয়ে খেলছে। হাবুদা সেই দেখে হাততালি দিয়ে উঠল। আমাকে কনুই দিয়ে ঠেলে বলল, ‘দেখ গজু, দেখ—ওরা ডাংগুলি খেলছে। ওফ্‌, ছেলেবেলায় কত খেলতাম রে!’
দুম করে বলে ফেললাম, ‘ইস, ডাংগুলি! এটা আবার একটা খেলা!’
হাবুদা বিভোর হয়ে আছে। কোনওদিকে হুঁশ নেই। রিকশ পঞ্চাননতলার বাঁকটা ঘুরতেই সাউদের মাঠ। সেখানে তিন-চারজন মেয়ে মাটিতে চারচৌকো ঘর কেটে একপায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। দেখে আমার খুব কষ্ট হল। হাবুদাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ওরা কি হ্যান্ডিক্যাপড?’
হাবুদা হা হা করে হেসে উঠে বলল, ‘হ্যান্ডিক্যাপড তুই। ওরা চু-কিতকিত খেলছে। আহা, উমাদি, টুকু, রত্না—ওদের সঙ্গে কত খেলতাম। সে এক দিন ছিল রে গজু!’
লোকটাকে আমি চিনি। নামটা ঠিক মনে করতে পারছি না। চন্দনের চায়ের দোকানে চুপ করে বসেছিল। আমাদের দেখেই উঠে এল। হাবুদাকে বলল, ‘হাবু না! কীরকম হয়ে গেছিস রে! বঁড়শি নিবি? নতুন চাইনিজ হুইল এসেছে, লাগলে বলিস!’
হাবুদা একটা লাফ দিয়ে লোকটাকে জড়িয়ে ধরল। বলল, ‘বিশুদা এখনও মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রি কর!’
লোকটা বলল, ‘নেশায় পড়ে গেছি রে। আজকালকার ছেলেরা মাছ ধরে না রে! পুরনো অভ্যেস ছাড়তে পারিনি।’
লোকটা এবার কোনও গোপন জিনিস দেওয়ার মতো কী একটা হাবুদার হাতে দিয়ে বলল, ‘তোর ভাগনেকে দিস।’
হাবুদা মুঠো খুলে জিনিসটা দেখেই লাফিয়ে উঠল। লম্বাটে শঙ্কুর মতো একটা কাঠের বল। নীচে আধখানা পেরেক। হাবুদা উল্লাস করে উঠল, ‘লাট্টু...উ...উ!’
এসব জিনিসের প্রতি আমার আগ্রহ নেই। জানিই না এটা দিয়ে কী হয়! লোকটা এবার একটা মোড়ক থেকে কাচের মতো কী একটা বের করে হাবুদাকে দিল। হাবুদা ছেলেমানুষের মতো সেটা মুখে পুরে চিবতে চিবতে বলে উঠল, ‘ওফ, মাছ লজেন্স—বিশুদা কী ঐশ্বর্য দিলে গো!’
হাবুদার চিবনো দেখে খিদে পেয়ে গেল। সামনেই মিষ্টির দোকান।
বললাম, ‘বড্ড খিদে পেয়েছে। কিছু খাবে?’
হাবুদা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘খাবি, খা না।’
আমি খাব কি! দেখি হাবুদা একটা মিষ্টির দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে। দোকানি হেসে বলল, ‘একটা করে দেব নাকি?’
একরকম ঘোরের মধ্যে থেকে হাবুদা বলে উঠল, ‘ল-ব-ঙ্গ লতিকা! দিন দাদা, দিন।’
দোকানদার দিতে না দিতে হাবুদা মুখে পুরে চিবচ্ছে আর বলছে, ‘আমার দিদু যা বানাত ময়রা হার মেনে যেত। ওরে গজু, দিদুকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি রে!’
হাবুদাকে যেন নেশায় পেয়েছে!
লবঙ্গলতিকা শেষ করেই গোল সাদা মতো মিষ্টি একটা চেয়ে নিল। খাচ্ছে আর বলছে ‘গজু, এর নাম মণ্ডা। আহা, এর স্বাদই আলাদা।’
বললাম, ‘ভূতের রাজা গুপিবাঘাকে যে মিষ্টি খাইয়েছিল এটা কি সেটা?’
হাবুদার চোখ তৃপ্তিতে বুজে আছে। ঘাড়টা শুধু নাড়ল।
হঠাৎ কী যেন দেখতে পেয়ে চঞ্চল হয়ে উঠল হাবুদা।
‘অমন করে কী দেখছ হাবুদা?’
হাবুদার মুখে কথা নেই। চকচকে দৃষ্টি। মাথার চুল হাওয়ায় উড়ছে। কী যেন দেখতে পেয়েছে। আচমকা দৌড় দিল। বড় রাস্তাটা কোনাকুনি পেরিয়ে গেল দিগ্‌বিদিক জ্ঞান হারিয়ে। আর একটু হলেই বাইকে ধাক্কা মারত। চারপাশের লোকজন হইহই করে উঠল। রাস্তার ওপারে আদু মুদির দোকান। হাবুদা চিৎকার করছে—‘বুড়ির মাথায় পাকা চুল...বুড়ির মাথায় পাকা চুল। গজু শিগগিরি আয়—টেস্ট করে দেখ একবার।’
কাছে গিয়ে দেখি একটা কাঠির মাথায় তুলোর মতো কী একটা গোলাপি বস্তু। সেটা নিয়ে হাবুদা নাড়াচাড়া করছে আর মাঝেমাঝে জিভ ঠেকাচ্ছে। দোকানিকে বলছে, ‘জানেন আদুদা, এর একটা নাম আছে—হাওয়াই মেঠাই। আমরা একে বুড়ির মাথার পাকা চুল বলি।’
হাবুদা আমার মুখে সেই জিনিসটা পুরে দিল। মিষ্টি স্বাদ। মুখে দিতে না দিতেই মিলিয়ে গেল। আগে কখনও খাইনি। বেশ মজার খাবার এটা।
কানের কাছে আচমকা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে বিকট আওয়াজ।
চমকে ফিরে দেখি একটা চোঙার মতো জিনিস মুখে পুরে একজন লোক বিশ্রী শব্দ করতে করতে যাচ্ছে।
হাবুদার খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। দৌড়ে গিয়ে লোকটাকে প্রায় জাপটে ধরে বলে উঠল, ‘ঝাঁকা নামাও। আমি একটা নেব।’
লোকটা ঝাঁকা নামিয়ে বলল, ‘সাতপাড়া ঘুরে আপনাকে পেলাম। বউনির জিনিস বেশি নেব না। পাঁচ টাকা দিন।’
হাবুদা বলল, ‘গজু এর নাম তালপাতার ভেঁপু। রথের মেলায় কত কিনেছি। তুই নিবি! দেখ এইভাবে ফুঁ-দিতে হয়।’
হাবুদা বাচ্চা ছেলে হয়ে গেছে। মুখে পুরে তারস্বরে বাজাচ্ছে আর বলছে, ‘শোন রে শোন, আমার ছেলেবেলার সুর।’
আমার অবাক হওয়ার আর কী বাকি আছে! এই হাবুদাকে আগে কখনও দেখিনি। বললাম, ‘চলো, আর ভালো লাগছে না। বাড়ি যাব।’
কথাটা হাবুদার কানে ঢুকল না। কী এক অজানা নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। হঠাৎ আমার গলা জড়িয়ে টানতে টানতে নিয়ে চলল। সামনেই বৈরাগীদের ভিটা। সে এক আশ্চর্য জগৎ। হাবুদা দেখেই বলল, ‘অ্যায় তো সেই মায়াপুরী। চল চল।’
হাবুদা প্রায় ঠেলে ঢোকাল। বৈরাগীদের ভিটা এখন পোড়ো বাড়ি। সাপখোপের আড্ডা। এতই নির্জন, পায়ের শব্দ একটু জোরে হলেই চমকে উঠতে হয়। সামনে ঝোপের আড়ালে কে যেন সরে গেল। কে ওখানে? হিংস্র কোনও জন্তু নয় তো! ঠিক তখনই কেউ যেন হিসহিসে গলায় বলে উঠল, ‘বেস্পতি পাইলে আয়!’
আমার সারা গায়ে হিমস্রোত বয়ে গেল। ভূত নয় তো!
‘হাবুদা তুমি কোথায়?’
পিছন ফিরতেই দেখি কিছুটা দূরে হাবুদা মুগ্ধ হয়ে প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখছে।
আমার প্রচণ্ড রাগ হল। ছুটে গিয়ে তার হাত দুটোকে শক্ত করে ধরে বললাম, ‘তুমি কী গো—এই জঙ্গলপুরীতে এনে আমায় ভূতের মুখে ফেলেছ! স্পষ্ট দেখলাম ওদিকে বেস্পতি ভূতের আড্ডা।’
‘বেস্পতি ভূত!’
হাবুদা গলা ফাটিয়ে হো হো করে হেসে উঠল।
বলল, ‘বেস্পতি ভূত হতে যাবে কেন! ও তো বামাচরণের মেয়ে।’
‘বামাচরণ আবার কে!’
‘কেয়ারটেকার।’
‘আমার কিছু ভালো লাগছে না। আমি বাড়ি যাব।’
হাবুদার মুখে দুষ্টু হাসিটা চওড়া হয়েই মিলিয়ে গেল। বলল, ‘মাছ ধরবি? এই দেখ ছিপ। কত বড় পুকুর দেখেছিস! আমার লোভ হচ্ছে।’
প্রচুর গাছপালা। সামনে টলটলে জলের পুকুর। মাছের দল চাক বেঁধে ঘুরছে। হাবুদা বাচ্চা ছেলের মতো চেঁচিয়ে উঠল, ‘আমি চান করব। সাঁতার কাটব।’
বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল! যতদূর জানি হাবুদা তো সাঁতার জানে না!
‘না, হাবুদা তুমি জলে নেমো না।’
কথা শুনলে তো! চিরকালের একগুঁয়ে।
হাবুদা দ্রুত পোশাক ছেড়ে আমার হাতে মোবাইল মানিব্যাগ দিয়ে দু’হাত ছড়িয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘আমি সেই ক্লাস সেভেনের হাবু—হাবুল ভটচায। এখন আমি ডুব সাঁতার কাটব। পুকুর এপার ওপার করব। গায়ে মাটি মাখব। যা খুশি তাই করব। হা...হা...হা...!’
হেমন্তের অলস দুপুর। পাখিরা কলকাকলিতে এতই উন্মত্ত তাদের জগতে দু’জন মানুষ ঢুকে কীসব কাণ্ড করছে সে খেয়াল নেই।
নিস্তব্ধ পরিবেশে ছোট্ট একটা শব্দ ভেসে এল—ঝপাং।
হাবুদার মোবাইল ফোনটা আচমকা বেজে উঠল।
‘হ্যালো হাবু, তোরা কোথায়! গজু কী করছে? কথা বলছিস না কেন!’
এ তো আমার মায়ের গলা। বললাম, ‘আমি গো মা, গজু।’
‘তুই! এত বেলা হয়ে গেল কী করছিস তোরা। হাবু কোথায়?’
‘মাগো, হাবুদা হারিয়ে গেছে।’
‘সেকি রে, কোথায়?’
‘ছেলেবেলায়!’
আর পারলাম না। এবার আমি শব্দ করে কেঁদে ফেললাম।
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
28th  April, 2019
দেশলাই বাক্সের ভবিষ্যদ্বাণী 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাচ্ছেন। আজকের
বিষয় দেশলাই বাক্সের ভবিষ্যদ্বাণী।   বিশদ

23rd  February, 2020
এক যে ছিল সিংহ

সিংহের কথা বললেই আমাদের মাথায় আসে আফ্রিকার কথা। কিন্তু এই কলকাতা শহরেই একদা জাদুকর পি সি সরকার জুনিয়রের বাড়িতে বাস করত এক সিংহ। তার গল্প শুনিয়েছেন স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী।
বিশদ

23rd  February, 2020
অস্ট্রেলিয়ার বিপন্নপ্রায় কয়েকটি পশুপাখি 

এদের সম্পর্কে বিশদ জানতে সোনি বিবিসি আর্থ চ্যানেলের ‘সেভেন ওয়ার্ল্ডস, ওয়ান প্ল্যানেট’ সিরিজে চোখ রাখতে হবে।   বিশদ

16th  February, 2020
পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের পরামর্শ 

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে তোমাদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা— মাধ্যমিক। তাই আজ তোমাদের জন্য মার্কশিট বিভাগে রইল বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, অঙ্ক, ভৌতবিজ্ঞান ও জীবনবিজ্ঞান পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার টিপস। পরামর্শে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয় (উচ্চ মাধ্যমিক)-এর বিশিষ্ট শিক্ষকদের একটি টিম।  বিশদ

16th  February, 2020
আন্টার্কটিকা  

আন্টার্কটিকা মানেই রহস্যে ভরা এক মহাদেশ। চতুর্দিকে বরফে বরফ। যতদূর দৃষ্টি চলে মানুষের দেখা মেলে না। মিলবে কী করে! এখানে যে রক্ত জমিয়ে দেওয়া ঠান্ডা সারাটা বছর ধরে। মাঝে মধ্যে শুধু পেঙ্গুইনের দল হেলেদুলে হেঁটে চলে যায়। সমুদ্রে দেখা মেলে নীল তিমি মাছের। বিস্ময়ভরা আন্টার্কটিকার গল্প শুনিয়েছেন সায়ন নস্কর। 
বিশদ

16th  February, 2020
ছোটকাকুর সঙ্গে বইমেলায়
শমীন্দ্র ভৌমিক

সকালে বাবিন এসে বলল, ‘ছোটকাকু বলেছে আজ বইমেলায় নিয়ে যাবে। আর সেই আনন্দে তোর কাছে এলাম। যাবি নাকি? বেরুবি আমার সঙ্গে? দেখি আর কেউ যায় কি না!’ ‘চল বেরই। মনে আছে গত বছর আমরা এক বিশাল দলবল বইমেলায় কেমন হইচই জুড়েছিলাম?’ আমি বললাম। 
বিশদ

09th  February, 2020
স্কুল থেকে মঞ্চে’র ৮ম বর্ষের নাট্য উৎসব 

‘স্কুল থেকে মঞ্চে’। অষ্টম বর্ষে পা দিয়ে সত্যিই এক অন্যরকম নাট্য উৎসবের আয়োজন করেছিল হাওড়ার শিল্পী সংঘ, হাওড়ার রামগোপাল মঞ্চে। গত ১৫ থেকে ১৮ জানুয়ারি প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে এই উৎসব শুরু হয়। নাট্য উৎসবে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করে হাওড়া যোগেশচন্দ্র গার্লস স্কুলের ছাত্রীরা। 
বিশদ

09th  February, 2020
লিংকের স্পেলিংক প্রতিযোগিতা 

সারা বাংলা আন্তঃ স্কুল ইংরেজি বানান প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল লিংক পেন অ্যান্ড প্লাস্টিকস লিমিটেড। গত ১ ফেব্রুয়ারি ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে ২০১৯-২০২০ সালের প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল।  
বিশদ

09th  February, 2020
ভৌতবিজ্ঞানে বেশি নম্বরের জন্য পাঠ্যবই খুঁটিয়ে পড়ো 

তোমাদের জন্য চলছে নতুন বিভাগ ‘মার্কশিট’। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ভৌতবিজ্ঞান। পরামর্শ দিচ্ছেন বারাসত প্যারীচরণ সরকার সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ভৌতবিজ্ঞানের শিক্ষক স্বপনকুমার সাহানা। 
বিশদ

09th  February, 2020
মার্কশিট  

তোমাদের জন্য চলছে নতুন বিভাগ ‘মার্কশিট’। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ভূগোল।পাঠ্যবই মন দিয়ে পড়ে ঘড়ি ধরে প্রশ্নের উত্তর লেখা অভ্যাস করো। পরামর্শ দিচ্ছেন বরানগর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের ভূগোলের শিক্ষক কিংশুক মণ্ডল।
বিশদ

02nd  February, 2020
বইয়ের মতো বন্ধু আর কে আছে? 

বইমেলা জমজমাট। তোমরা যারা এখনও যাওনি তারা কিন্তু শিগগির ঘুরে এসো। কলকাতা পুস্তক মেলা তার হরেকরকম বইয়ের ঝুলি সাজিয়ে অপেক্ষা করছে যে তোমাদের জন্য! বইমেলায় তোমাদের মতো অনেক বন্ধুর সঙ্গে গল্প করে এসে নতুন বইয়ের খবর দিলেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

02nd  February, 2020
চিল্ড্রেন লিটারারি ফেস্ট 

আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই। সম্প্রতি মাইস্পেস, ওয়ার্ড মাঞ্চার্স ও হ্যাপি চাওস-এর উদ্যোগে হয়ে গেল লিট-উইট চিল্ড্রেন লিটারারি ফেস্ট। গত ১৯ জানুয়ারি ৩, শিবনাথ শাস্ত্রী সরণী, ব্লক-বি, নিউ আলিপুরে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল। খোলা ছিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী অলকানন্দা রায়। 
বিশদ

26th  January, 2020
সরস্বতী পুজোর মজা 

হাতে আর কয়েকদিন। তারপরই সরস্বতী পুজোর আনন্দে মেতে উঠবে তোমরা। লেখায়, আঁকায় সেই আনন্দের কথা জানাল তোমাদের বন্ধুরা।  বিশদ

26th  January, 2020
আমার দেশ 

১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতবর্ষে সংবিধান চালু হয়েছিল অর্থাৎ সাধারণতন্ত্র হিসেবে পথচলা শুরু করেছিল আমাদের দেশ। তাই এই দিনটিকে সাধারণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয়। আজ ৭১তম সাধারণতন্ত্র দিবসে কোথায় দাঁড়িয়ে আমাদের দেশ? আলোচনা করল রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) ছাত্ররা।  
বিশদ

26th  January, 2020
একনজরে
লাহোর, ২৭ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): সিংহের ডেরায় ঘাস কাটতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল এক কিশোরের। ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের লাহোর সাফারি পার্কে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিলাল নামে ১৭ বছরের ওই কিশোর গত দু’দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: দিনহাটার পুরসভা এলাকায় লোকসভা ভোটে ভালো ফল করেছিল বিজেপি। পুরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত ওয়ার্ডেই শাসক দল তৃণমূলের থেকে এগিয়ে ছিল বিজেপি।  ...

সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া শহরের স্টেডিয়াম মাঠ সংস্কারের কাজ শুরু করছে পুরসভা। বেহাল স্টেডিয়াম মাঠ সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন পুরসভার চেয়ারম্যান। ঐতিহ্যবাহী মাঠের চেহারা ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়ায় খুশি ক্রীড়ামহল। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় মাঠটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।   ...

মুম্বই, ২৭ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে বিশেষ এনআইএ আদালতে হাজিরা দিলেন বিজেপি এমপি প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর। এদিন দুপুর ১টা নাগাদ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মযোগে বিলম্ব ঘটবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মযোগ আছে। ব্যবসায় যোগ দেওয়া যেতে পারে। কোনও বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
১৮২৭: আমেরিকায় প্রথম বাণিজ্যিক রেলপথ চালু হয়
১৮৪৪: বিখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব গিরিশচন্দ্র ঘোষের জন্ম
১৮৮৩: ভারতে প্রথম টেলিগ্রাফ চালু হয়
১৯২৮: ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন-এর ‘রামন এফেক্ট’ আবিষ্কার
১৯৩৬: জওহরলাল-পত্নী কমলা নেহরুর মৃত্যু
১৯৪৪: সঙ্গীতকার রবীন্দ্র জৈনের জন্ম
১৯৪৮ - ব্রিটিশ সৈন্যদের শেষ দল ভারত ত্যাগ করে
১৯৫১: ক্রিকেটার কারসন ঘাউড়ির জন্ম
১৯৬৩: ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্রপ্রসাদের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮১ টাকা ৭২.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৬ টাকা ৯৪.২৩ টাকা
ইউরো ৭৬.৬৯ টাকা ৭৯.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী। অশ্বিনী ৫৪/৫৮ রাত্রি ৪/৩। সূ উ ৬/৩/২৭, অ ৫/৩৫/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে বারবেলা ৮/৫৬ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২ গতে ১০/১৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী, অশ্বিনী ৪৮/১৯/৪৪ রাত্রি ১/২৬/১৫। সূ উ ৬/৬/২১, অ ৫/৩৪/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ৪/৫ গতে ৫/৩৫ মধ্যে
এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৪/২৮ গতে ১১/৫০/৩০
মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২/৩৫ গতে ১০/১৬/৩৩ মধ্যে। 
মোসলেম: ৩ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেল পোলবা দুর্ঘটনায় জখম দিব্যাংশ ভকত 

27-02-2020 - 07:08:00 PM

দিল্লি হিংসার ঘটনায় দুটি সিট গঠন করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ 

27-02-2020 - 06:49:02 PM

১৪৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

27-02-2020 - 04:08:26 PM

জলপাইগুড়িতে ২১০ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ৩ 

27-02-2020 - 03:39:45 PM

পুরভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্দেশ রাজ্যপাল 
পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এরমধ্যেই রাজ্য ...বিশদ

27-02-2020 - 01:25:00 PM

লেকটাউনে নির্মীয়মাণ বিল্ডিং থেকে পড়ে মৃত শ্রমিক 

27-02-2020 - 01:10:00 PM