Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

হাবুদা হারিয়ে গিয়েছে 
গুঞ্জন ঘোষ

হাবুদার সঙ্গে থাকা মানে পৃথিবীর অর্ধেক শক্তি আমাদের মধ্যে খেলে বেড়ায়। হাবুদা আমাদের রবিনহুড। কতকিছু যে জানে! হাবুদা মানেই একগাদা অ্যাডভেঞ্চার। মাঝেমাঝে যখন ছেলেমানুষ হয়ে যায় সে এক দেখার মতো কাণ্ড। আবার যখন রেগে যায় সেও এক ভীষণ ব্যাপার। তখন বলে পায়ের আঙুলে থানইট ফেলে দেব। কিংবা ব্রহ্মতালুতে সুপুরি রেখে তাতে খড়মের এক ঘা মারব। হাবুদা ভয় দেখায় বটে ভয়ার্ত করে না। এই রাগ, তো পরক্ষণেই জল।
বড়মা বলেন, ‘হাবুটা আগের জন্মে মস্ত বড় এক সন্ন্যাসী ছিল। মায়ার টানে এই জন্মে আমাদের পঞ্চাননতলার হাবু হয়ে জন্মেছে। খবরদার ওকে কখনও অশ্রদ্ধা করিসনি।’
গতকালই হাবুদা আমাদের ছ’টা ঋতুর একটা লাজুক হেমন্তকে চিনিয়েছিল। হাবুদা যেমন বলেছিল, শোন, হেমন্তের রাতটা ঝিমঝিমে। সন্ধের পর ছাতিম ফুলের পাগল করা গন্ধে প্রকৃতি ঈশ্বরের পুজো করে। রাত ন’টার পর থেকে বাতাস উপাসনায় বসে। আকাশ তখন তারাদের টিপ ছাপ চাদর গায়ে ধ্যানে তন্ময় হয়ে যায়।
হাবুদা এইসব কথা যখন বলে চোখ মুখ অন্যরকম হয়ে যায়। অতশত বুঝি না তো, আমরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে বলি—এইরে, আগের জন্মের সেই সন্ন্যাসীটা হাবুদার মনটাকে ধরে টান মেরেছে!’
আমরা আর প্রশ্ন করি না।
হাবুদা গুম মেরে বসে থাকে। দু’চোখের কোণ থেকে দু’ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, আমরা সামান্য ভয় পেয়ে যে যার বাড়ি চলে যাই।
সেই হাবুদা ভাইফোঁটার আগেরদিন পাকড়াও করে বলল, ‘অ্যাই গজু, আমার সঙ্গে চল।’
‘কোথায়?’
‘এখন বলব না, গিয়ে দেখবি।’
‘আমি একা! সুগত, বিধান, মাধব—ওদের নেবে না?’
‘তোকে বলছি, তুই চল।’
অজুহাত খাড়া করে বলি, ‘হাবুদা মাকে বলা হয়নি—মা তো চিন্তা করবে।’
হাবুদা বলল, ‘সে আমি বুঝব—এখন তুই চল তো।’
আমার হাতটা খামচে ধরে টানতে টানতে বড় রাস্তায় উঠে হাবুদা বলল, ‘একটা রিকশ দরকার। টোটো হলেও চলবে। চারপাশে চোখ রাখ।’
সিদ্ধেশ্বরীতলায় একটা রিকশ দাঁড়িয়ে। হাবুদা চেঁচিয়ে উঠল, ‘অ্যাই রিকশ, যাবেন?’
চালক বলল, ‘কোথায়?’
হাবুদা বলল, ‘ছেলেবেলায়।’
লোকটা খানিক থতমত খেল। কী বলবে বুঝতে পারছে না। হতাশ কণ্ঠে বলে উঠল, ‘নিন, উঠুন!’
আমি অবাক! ছেলেবেলা কী গন্তব্য হতে পারে! হাবুদা চাইছেটা কী! এরকম আচরণ কখনও দেখিনি বাবা!
রিকশ চলছে গড়গড়িয়ে। বাতাসে হিমের আলতো ছোঁয়া। চারপাশ ভীষণই চেনা অথচ সবকিছু অচেনা মনে হচ্ছে। দাঁয়েদের রাসবাড়ি। লালবাবার আশ্রম। কল্যাণেশ্বর শিবমন্দির। গঙ্গার ধারের সেই বিশাল মাঠ। কতগুলো ছেলে একটা মোটা লাঠি আরেকটা পটলের মতো দেখতে একটুকরো কাঠ নিয়ে খেলছে। হাবুদা সেই দেখে হাততালি দিয়ে উঠল। আমাকে কনুই দিয়ে ঠেলে বলল, ‘দেখ গজু, দেখ—ওরা ডাংগুলি খেলছে। ওফ্‌, ছেলেবেলায় কত খেলতাম রে!’
দুম করে বলে ফেললাম, ‘ইস, ডাংগুলি! এটা আবার একটা খেলা!’
হাবুদা বিভোর হয়ে আছে। কোনওদিকে হুঁশ নেই। রিকশ পঞ্চাননতলার বাঁকটা ঘুরতেই সাউদের মাঠ। সেখানে তিন-চারজন মেয়ে মাটিতে চারচৌকো ঘর কেটে একপায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। দেখে আমার খুব কষ্ট হল। হাবুদাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ওরা কি হ্যান্ডিক্যাপড?’
হাবুদা হা হা করে হেসে উঠে বলল, ‘হ্যান্ডিক্যাপড তুই। ওরা চু-কিতকিত খেলছে। আহা, উমাদি, টুকু, রত্না—ওদের সঙ্গে কত খেলতাম। সে এক দিন ছিল রে গজু!’
লোকটাকে আমি চিনি। নামটা ঠিক মনে করতে পারছি না। চন্দনের চায়ের দোকানে চুপ করে বসেছিল। আমাদের দেখেই উঠে এল। হাবুদাকে বলল, ‘হাবু না! কীরকম হয়ে গেছিস রে! বঁড়শি নিবি? নতুন চাইনিজ হুইল এসেছে, লাগলে বলিস!’
হাবুদা একটা লাফ দিয়ে লোকটাকে জড়িয়ে ধরল। বলল, ‘বিশুদা এখনও মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রি কর!’
লোকটা বলল, ‘নেশায় পড়ে গেছি রে। আজকালকার ছেলেরা মাছ ধরে না রে! পুরনো অভ্যেস ছাড়তে পারিনি।’
লোকটা এবার কোনও গোপন জিনিস দেওয়ার মতো কী একটা হাবুদার হাতে দিয়ে বলল, ‘তোর ভাগনেকে দিস।’
হাবুদা মুঠো খুলে জিনিসটা দেখেই লাফিয়ে উঠল। লম্বাটে শঙ্কুর মতো একটা কাঠের বল। নীচে আধখানা পেরেক। হাবুদা উল্লাস করে উঠল, ‘লাট্টু...উ...উ!’
এসব জিনিসের প্রতি আমার আগ্রহ নেই। জানিই না এটা দিয়ে কী হয়! লোকটা এবার একটা মোড়ক থেকে কাচের মতো কী একটা বের করে হাবুদাকে দিল। হাবুদা ছেলেমানুষের মতো সেটা মুখে পুরে চিবতে চিবতে বলে উঠল, ‘ওফ, মাছ লজেন্স—বিশুদা কী ঐশ্বর্য দিলে গো!’
হাবুদার চিবনো দেখে খিদে পেয়ে গেল। সামনেই মিষ্টির দোকান।
বললাম, ‘বড্ড খিদে পেয়েছে। কিছু খাবে?’
হাবুদা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘খাবি, খা না।’
আমি খাব কি! দেখি হাবুদা একটা মিষ্টির দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে। দোকানি হেসে বলল, ‘একটা করে দেব নাকি?’
একরকম ঘোরের মধ্যে থেকে হাবুদা বলে উঠল, ‘ল-ব-ঙ্গ লতিকা! দিন দাদা, দিন।’
দোকানদার দিতে না দিতে হাবুদা মুখে পুরে চিবচ্ছে আর বলছে, ‘আমার দিদু যা বানাত ময়রা হার মেনে যেত। ওরে গজু, দিদুকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি রে!’
হাবুদাকে যেন নেশায় পেয়েছে!
লবঙ্গলতিকা শেষ করেই গোল সাদা মতো মিষ্টি একটা চেয়ে নিল। খাচ্ছে আর বলছে ‘গজু, এর নাম মণ্ডা। আহা, এর স্বাদই আলাদা।’
বললাম, ‘ভূতের রাজা গুপিবাঘাকে যে মিষ্টি খাইয়েছিল এটা কি সেটা?’
হাবুদার চোখ তৃপ্তিতে বুজে আছে। ঘাড়টা শুধু নাড়ল।
হঠাৎ কী যেন দেখতে পেয়ে চঞ্চল হয়ে উঠল হাবুদা।
‘অমন করে কী দেখছ হাবুদা?’
হাবুদার মুখে কথা নেই। চকচকে দৃষ্টি। মাথার চুল হাওয়ায় উড়ছে। কী যেন দেখতে পেয়েছে। আচমকা দৌড় দিল। বড় রাস্তাটা কোনাকুনি পেরিয়ে গেল দিগ্‌বিদিক জ্ঞান হারিয়ে। আর একটু হলেই বাইকে ধাক্কা মারত। চারপাশের লোকজন হইহই করে উঠল। রাস্তার ওপারে আদু মুদির দোকান। হাবুদা চিৎকার করছে—‘বুড়ির মাথায় পাকা চুল...বুড়ির মাথায় পাকা চুল। গজু শিগগিরি আয়—টেস্ট করে দেখ একবার।’
কাছে গিয়ে দেখি একটা কাঠির মাথায় তুলোর মতো কী একটা গোলাপি বস্তু। সেটা নিয়ে হাবুদা নাড়াচাড়া করছে আর মাঝেমাঝে জিভ ঠেকাচ্ছে। দোকানিকে বলছে, ‘জানেন আদুদা, এর একটা নাম আছে—হাওয়াই মেঠাই। আমরা একে বুড়ির মাথার পাকা চুল বলি।’
হাবুদা আমার মুখে সেই জিনিসটা পুরে দিল। মিষ্টি স্বাদ। মুখে দিতে না দিতেই মিলিয়ে গেল। আগে কখনও খাইনি। বেশ মজার খাবার এটা।
কানের কাছে আচমকা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে বিকট আওয়াজ।
চমকে ফিরে দেখি একটা চোঙার মতো জিনিস মুখে পুরে একজন লোক বিশ্রী শব্দ করতে করতে যাচ্ছে।
হাবুদার খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। দৌড়ে গিয়ে লোকটাকে প্রায় জাপটে ধরে বলে উঠল, ‘ঝাঁকা নামাও। আমি একটা নেব।’
লোকটা ঝাঁকা নামিয়ে বলল, ‘সাতপাড়া ঘুরে আপনাকে পেলাম। বউনির জিনিস বেশি নেব না। পাঁচ টাকা দিন।’
হাবুদা বলল, ‘গজু এর নাম তালপাতার ভেঁপু। রথের মেলায় কত কিনেছি। তুই নিবি! দেখ এইভাবে ফুঁ-দিতে হয়।’
হাবুদা বাচ্চা ছেলে হয়ে গেছে। মুখে পুরে তারস্বরে বাজাচ্ছে আর বলছে, ‘শোন রে শোন, আমার ছেলেবেলার সুর।’
আমার অবাক হওয়ার আর কী বাকি আছে! এই হাবুদাকে আগে কখনও দেখিনি। বললাম, ‘চলো, আর ভালো লাগছে না। বাড়ি যাব।’
কথাটা হাবুদার কানে ঢুকল না। কী এক অজানা নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। হঠাৎ আমার গলা জড়িয়ে টানতে টানতে নিয়ে চলল। সামনেই বৈরাগীদের ভিটা। সে এক আশ্চর্য জগৎ। হাবুদা দেখেই বলল, ‘অ্যায় তো সেই মায়াপুরী। চল চল।’
হাবুদা প্রায় ঠেলে ঢোকাল। বৈরাগীদের ভিটা এখন পোড়ো বাড়ি। সাপখোপের আড্ডা। এতই নির্জন, পায়ের শব্দ একটু জোরে হলেই চমকে উঠতে হয়। সামনে ঝোপের আড়ালে কে যেন সরে গেল। কে ওখানে? হিংস্র কোনও জন্তু নয় তো! ঠিক তখনই কেউ যেন হিসহিসে গলায় বলে উঠল, ‘বেস্পতি পাইলে আয়!’
আমার সারা গায়ে হিমস্রোত বয়ে গেল। ভূত নয় তো!
‘হাবুদা তুমি কোথায়?’
পিছন ফিরতেই দেখি কিছুটা দূরে হাবুদা মুগ্ধ হয়ে প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখছে।
আমার প্রচণ্ড রাগ হল। ছুটে গিয়ে তার হাত দুটোকে শক্ত করে ধরে বললাম, ‘তুমি কী গো—এই জঙ্গলপুরীতে এনে আমায় ভূতের মুখে ফেলেছ! স্পষ্ট দেখলাম ওদিকে বেস্পতি ভূতের আড্ডা।’
‘বেস্পতি ভূত!’
হাবুদা গলা ফাটিয়ে হো হো করে হেসে উঠল।
বলল, ‘বেস্পতি ভূত হতে যাবে কেন! ও তো বামাচরণের মেয়ে।’
‘বামাচরণ আবার কে!’
‘কেয়ারটেকার।’
‘আমার কিছু ভালো লাগছে না। আমি বাড়ি যাব।’
হাবুদার মুখে দুষ্টু হাসিটা চওড়া হয়েই মিলিয়ে গেল। বলল, ‘মাছ ধরবি? এই দেখ ছিপ। কত বড় পুকুর দেখেছিস! আমার লোভ হচ্ছে।’
প্রচুর গাছপালা। সামনে টলটলে জলের পুকুর। মাছের দল চাক বেঁধে ঘুরছে। হাবুদা বাচ্চা ছেলের মতো চেঁচিয়ে উঠল, ‘আমি চান করব। সাঁতার কাটব।’
বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল! যতদূর জানি হাবুদা তো সাঁতার জানে না!
‘না, হাবুদা তুমি জলে নেমো না।’
কথা শুনলে তো! চিরকালের একগুঁয়ে।
হাবুদা দ্রুত পোশাক ছেড়ে আমার হাতে মোবাইল মানিব্যাগ দিয়ে দু’হাত ছড়িয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘আমি সেই ক্লাস সেভেনের হাবু—হাবুল ভটচায। এখন আমি ডুব সাঁতার কাটব। পুকুর এপার ওপার করব। গায়ে মাটি মাখব। যা খুশি তাই করব। হা...হা...হা...!’
হেমন্তের অলস দুপুর। পাখিরা কলকাকলিতে এতই উন্মত্ত তাদের জগতে দু’জন মানুষ ঢুকে কীসব কাণ্ড করছে সে খেয়াল নেই।
নিস্তব্ধ পরিবেশে ছোট্ট একটা শব্দ ভেসে এল—ঝপাং।
হাবুদার মোবাইল ফোনটা আচমকা বেজে উঠল।
‘হ্যালো হাবু, তোরা কোথায়! গজু কী করছে? কথা বলছিস না কেন!’
এ তো আমার মায়ের গলা। বললাম, ‘আমি গো মা, গজু।’
‘তুই! এত বেলা হয়ে গেল কী করছিস তোরা। হাবু কোথায়?’
‘মাগো, হাবুদা হারিয়ে গেছে।’
‘সেকি রে, কোথায়?’
‘ছেলেবেলায়!’
আর পারলাম না। এবার আমি শব্দ করে কেঁদে ফেললাম।
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
28th  April, 2019
প্রকৃতির মাঝেই শিক্ষার রসদ 

জন্মের পর থেকেই নানাভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা শিক্ষা পাই। কথা বলা, হাঁটা থেকে শুরু করে আমাদের আচার ব্যবহার সবই সেই শিক্ষার অঙ্গ। স্কুলেও শুধু প্রথাগত শিক্ষা নয়, আরও অনেক কিছুই শেখা যায়।  
বিশদ

17th  January, 2021
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা 

আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই। আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু স্মারক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা। এবার মেলার থিম ‘কোভিড-১৯’। হেদুয়া পার্কে এই মেলা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। কেবল ছাত্রছাত্রীরাই অংশগ্রহণ করতে পারবে। 
বিশদ

17th  January, 2021
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ইংরেজি। 
বিশদ

17th  January, 2021
সোনার ছেলে সোহারাব 

অন্ধকার থাকতে রোজ কোন কাজে আব্বা কোথায় বেরিয়ে যায় ছেলে সেটা জানেই না। আম্মাও কোনওদিন হাসি-খুশি ছেলেটাকে আব্বুর কথা কিছু বলে না। বড় রাস্তার ধারে একটাই তো দরমার বাড়ি। বর্ষাকালে রাস্তার জল এসে ঘরে ঢোকে। সহজে বের হতে চায় না। 
বিশদ

17th  January, 2021
গল্পকার বিবেকানন্দ

স্বামী বিবেকানন্দকে ছোট গল্পকার হিসেবে চেনা হয়নি কখনও। তাঁর বাণী ও রচনায় নানাভাবে তাঁকে চিনেছি বারবার। জেনেছি, স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন মানুষের সেবাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম। বিশদ

10th  January, 2021
সিলেবাসের ক্ষেত্রফল কমলে, প্রশ্নের গভীরতা বাড়ে

পরামর্শে বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষক অরণ্যজিৎ সামন্ত। বিশদ

10th  January, 2021
বাড়তি সময়কে কাজে লাগাও

পরামর্শে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের  (উচ্চ মাধ্যমিক) ইংরেজির শিক্ষক সমাগত মুখোপাধ্যায়। বিশদ

10th  January, 2021
সময় বেঁধে উত্তর লেখা অভ্যাস করো

পরামর্শে হুগলি ব্রাঞ্চ গভর্নমেন্ট স্কুলের ভূগোলের শিক্ষক ভাস্কর মৈত্র। বিশদ

10th  January, 2021
স্বামী বিবেকানন্দের ছেলেবেলা

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার স্বামী বিবেকানন্দ। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। বিশদ

10th  January, 2021
নিউ নর্মালে মাধ্যমিক,  প্রস্তুতি কীভাবে

এবার এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যে হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রী থেকে শিক্ষক কেউই এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন কখনও হননি। প্রায় গোটা বছরটাই স্কুল বন্ধ ছিল, হয়নি টেস্ট পরীক্ষা। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে তৈরি হবে পরীক্ষার জন্য! জানিয়েছে তোমাদের বন্ধুরা। সঙ্গে রয়েছে শিক্ষকদের পরামর্শ।  বিশদ

10th  January, 2021
সত্যজিৎ রায়ের 
ছোটদের ছবি

বিশ্ববন্দিত পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ উদযাপন চলছে। ছোটদের জন্যও তিনি কয়েকটি ছবি তৈরি করেছিলেন। সেই ছবিগুলোর কথায় ড. শঙ্কর ঘোষ। বিশদ

03rd  January, 2021
রিঙ্কুর চিড়িয়াখানা ভ্রমণ
মনসুর আলি গাজি

অনেকদিন থেকেই রিঙ্কু ওর বাবা-মার কাছে বায়না ধরেছে ওকে চিড়িয়াখানা দেখাতে নিয়ে যেতে হবে। ওর বাবা একটা বইয়ের দোকানে কাজ করেন। সেবার একটা গল্পের বই ওর বাবা ওকে দোকান থেকে কিনে এনে দিয়েছিলেন। বইয়ের দোকানে কাজ করলে কী হবে, একটা বই এমনি এমনি নেওয়া যাবে না। দাম দিয়ে কিনতে হবে। মালিক বড় কড়া।  বিশদ

20th  December, 2020
ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস-এর ভার্চুয়াল শিবির 

আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই। সম্প্রতি ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখা তাদের ‘কাব’ বিভাগের ছেলেদের নিয়ে একটি বিশেষ ভার্চুয়াল শিবিরের আয়োজন করেছিল। বিশদ

20th  December, 2020
ছোটদের রান্নাঘর

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি এইসময় কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘরে শুধু তোমাদের জন্যই দুটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন ৩৭ রেলিশ রুট রেস্তরাঁর কর্ণধার ও শেফ জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। এগুলি আগুনের সাহায্য ছাড়াই তৈরি করা যাবে। তোমরাই করে চমকে দাও বড়দের। বিশদ

20th  December, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর হাসপাতালের সামনে প্রায় প্রতিদিনই লেগে থাকছে তীব্র যানজট। সেই যানজটের ফলে একদিকে যেমন স্থানীয় বাসিন্দা ও গাড়িচালকদের সমস্যা হচ্ছে, সেইসঙ্গে সঙ্কটে পড়তে হচ্ছে হাসপাতালে আসা রোগী ও তাঁদের পরিজনদের।  ...

কাঠ-কয়লা বা স্টোভ জ্বালিয়ে শিশুদের জন্য রান্না করার দিন শেষ হতে চলেছে। এবার রাজ্যজুড়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এলপিজির মাধ্যমে খাবার তৈরি করতে হবে কর্মী-সহায়িকাদের। এই মর্মে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: রবিবার বার্নপুরে গুরুদ্বারে তোরণ উদ্বোধনে এসে কেন্দ্রের কৃষি আইনের তীব্র প্রতিবাদ করে বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক মন্তব্য ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এন্টালি হকি অ্যাকাডেমি আয়োজিত ফাইভ-এ-সাইড টুর্নামেন্টে মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দ্য রিষড়া ক্লাব। রানার্স জাগৃতি ক্লাব। ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে সেরা হাওড়া হকি ট্রেনিং সেন্টার।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মলাভের যোগ আছে। ব্যবসায় যুক্ত হওয়া যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রশংসা জুটবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮২৪ - কবি ও নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৭১ - জার্মানির চিকিৎসক হানসেন কুষ্ঠ রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম 
১৮৯৯ - প্রথম রেডিও প্রস্তুতকারী কোম্পানি চালু
১৯১৫ - আলেকজান্ডার গ্রাহামবিল ইউএস ট্রান্সকন্টিনেন্টাল টেলিফোন সার্ভিস উদ্বোধন করেন। নিউ ইয়র্ক থেকে কথা বলেন সানফ্রান্সিসকোতে টমাস ওয়াস্টনের সঙ্গে
১৯৪২ - প্রাক্তন পর্তুগীজ ফুটবলার ইউসেবিওর জন্ম
১৯৪৮ - সত্যেন্দ্রনাথ বসু কলকাতায় বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন
১৯৫০ - ভারতের নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
১৯৫৪ - ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্দ্র নাথ রায়ের জন্ম
১৯৫৭ - আমাশয় রোগের জীবাণু আবিষ্কারক জাপানি জীবাণুবিদ শিগা কিয়োশির মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  January, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2021

দিন পঞ্জিকা

১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী ৪৫/৮ রাত্রি ১২/২৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৫৫ রাত্রি ১/৫৬। সূর্যোদয় ৬/২১/৫৮, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/২২ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। 
১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী রাত্রি ১১/১৮। মৃগশিরা নক্ষত্র ১/২৫। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ১০/৪৪ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৪ গতে ৮/৪৯ মধ্যে ও ১১/২৫ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৯ গতে ৪/৩৮ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হার্টে ব্লক পাওয়া গেল অরূপ রায়ের
সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়ের হার্টে ব্লক পাওয়া গেল। আজ প্রথমে ...বিশদ

24-01-2021 - 07:18:00 PM

কালীঘাটে বস্তাভর্তি পোড়া টাকা উদ্ধার
কালীঘাটের মুখার্জিঘাটে উদ্ধার হল বস্তাভর্তি পোড়া টাকা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ...বিশদ

24-01-2021 - 04:29:00 PM

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে রাজ্যের একাধিক স্টেশনে হাই অ্যালার্ট
মাঝে কেবলমাত্র কালকের দিনটি। এরপরই সাধারণতন্ত্র দিবস। তার আগে জঙ্গি ...বিশদ

24-01-2021 - 04:05:00 PM

লালুপ্রসাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা মমতার 
অসুস্থ লালুপ্রসাদ যাদবের দ্রুত আরোগ্য কামনা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। আজ বিহারের ...বিশদ

24-01-2021 - 03:32:00 PM

২৬ জানুয়ারির দুপুর পর্যন্ত স্টেশন সংলগ্ন পার্কিং লট বন্ধ, জানাল দিল্লি মেট্রো
সাধারণতন্ত্র দিবসে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আগামীকাল সকাল থেকে ২৬ ...বিশদ

24-01-2021 - 03:03:15 PM

মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করা হয়েছে: অভিষেক 

24-01-2021 - 02:52:00 PM