Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

হাবুদা হারিয়ে গিয়েছে 
গুঞ্জন ঘোষ

হাবুদার সঙ্গে থাকা মানে পৃথিবীর অর্ধেক শক্তি আমাদের মধ্যে খেলে বেড়ায়। হাবুদা আমাদের রবিনহুড। কতকিছু যে জানে! হাবুদা মানেই একগাদা অ্যাডভেঞ্চার। মাঝেমাঝে যখন ছেলেমানুষ হয়ে যায় সে এক দেখার মতো কাণ্ড। আবার যখন রেগে যায় সেও এক ভীষণ ব্যাপার। তখন বলে পায়ের আঙুলে থানইট ফেলে দেব। কিংবা ব্রহ্মতালুতে সুপুরি রেখে তাতে খড়মের এক ঘা মারব। হাবুদা ভয় দেখায় বটে ভয়ার্ত করে না। এই রাগ, তো পরক্ষণেই জল।
বড়মা বলেন, ‘হাবুটা আগের জন্মে মস্ত বড় এক সন্ন্যাসী ছিল। মায়ার টানে এই জন্মে আমাদের পঞ্চাননতলার হাবু হয়ে জন্মেছে। খবরদার ওকে কখনও অশ্রদ্ধা করিসনি।’
গতকালই হাবুদা আমাদের ছ’টা ঋতুর একটা লাজুক হেমন্তকে চিনিয়েছিল। হাবুদা যেমন বলেছিল, শোন, হেমন্তের রাতটা ঝিমঝিমে। সন্ধের পর ছাতিম ফুলের পাগল করা গন্ধে প্রকৃতি ঈশ্বরের পুজো করে। রাত ন’টার পর থেকে বাতাস উপাসনায় বসে। আকাশ তখন তারাদের টিপ ছাপ চাদর গায়ে ধ্যানে তন্ময় হয়ে যায়।
হাবুদা এইসব কথা যখন বলে চোখ মুখ অন্যরকম হয়ে যায়। অতশত বুঝি না তো, আমরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে বলি—এইরে, আগের জন্মের সেই সন্ন্যাসীটা হাবুদার মনটাকে ধরে টান মেরেছে!’
আমরা আর প্রশ্ন করি না।
হাবুদা গুম মেরে বসে থাকে। দু’চোখের কোণ থেকে দু’ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, আমরা সামান্য ভয় পেয়ে যে যার বাড়ি চলে যাই।
সেই হাবুদা ভাইফোঁটার আগেরদিন পাকড়াও করে বলল, ‘অ্যাই গজু, আমার সঙ্গে চল।’
‘কোথায়?’
‘এখন বলব না, গিয়ে দেখবি।’
‘আমি একা! সুগত, বিধান, মাধব—ওদের নেবে না?’
‘তোকে বলছি, তুই চল।’
অজুহাত খাড়া করে বলি, ‘হাবুদা মাকে বলা হয়নি—মা তো চিন্তা করবে।’
হাবুদা বলল, ‘সে আমি বুঝব—এখন তুই চল তো।’
আমার হাতটা খামচে ধরে টানতে টানতে বড় রাস্তায় উঠে হাবুদা বলল, ‘একটা রিকশ দরকার। টোটো হলেও চলবে। চারপাশে চোখ রাখ।’
সিদ্ধেশ্বরীতলায় একটা রিকশ দাঁড়িয়ে। হাবুদা চেঁচিয়ে উঠল, ‘অ্যাই রিকশ, যাবেন?’
চালক বলল, ‘কোথায়?’
হাবুদা বলল, ‘ছেলেবেলায়।’
লোকটা খানিক থতমত খেল। কী বলবে বুঝতে পারছে না। হতাশ কণ্ঠে বলে উঠল, ‘নিন, উঠুন!’
আমি অবাক! ছেলেবেলা কী গন্তব্য হতে পারে! হাবুদা চাইছেটা কী! এরকম আচরণ কখনও দেখিনি বাবা!
রিকশ চলছে গড়গড়িয়ে। বাতাসে হিমের আলতো ছোঁয়া। চারপাশ ভীষণই চেনা অথচ সবকিছু অচেনা মনে হচ্ছে। দাঁয়েদের রাসবাড়ি। লালবাবার আশ্রম। কল্যাণেশ্বর শিবমন্দির। গঙ্গার ধারের সেই বিশাল মাঠ। কতগুলো ছেলে একটা মোটা লাঠি আরেকটা পটলের মতো দেখতে একটুকরো কাঠ নিয়ে খেলছে। হাবুদা সেই দেখে হাততালি দিয়ে উঠল। আমাকে কনুই দিয়ে ঠেলে বলল, ‘দেখ গজু, দেখ—ওরা ডাংগুলি খেলছে। ওফ্‌, ছেলেবেলায় কত খেলতাম রে!’
দুম করে বলে ফেললাম, ‘ইস, ডাংগুলি! এটা আবার একটা খেলা!’
হাবুদা বিভোর হয়ে আছে। কোনওদিকে হুঁশ নেই। রিকশ পঞ্চাননতলার বাঁকটা ঘুরতেই সাউদের মাঠ। সেখানে তিন-চারজন মেয়ে মাটিতে চারচৌকো ঘর কেটে একপায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। দেখে আমার খুব কষ্ট হল। হাবুদাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ওরা কি হ্যান্ডিক্যাপড?’
হাবুদা হা হা করে হেসে উঠে বলল, ‘হ্যান্ডিক্যাপড তুই। ওরা চু-কিতকিত খেলছে। আহা, উমাদি, টুকু, রত্না—ওদের সঙ্গে কত খেলতাম। সে এক দিন ছিল রে গজু!’
লোকটাকে আমি চিনি। নামটা ঠিক মনে করতে পারছি না। চন্দনের চায়ের দোকানে চুপ করে বসেছিল। আমাদের দেখেই উঠে এল। হাবুদাকে বলল, ‘হাবু না! কীরকম হয়ে গেছিস রে! বঁড়শি নিবি? নতুন চাইনিজ হুইল এসেছে, লাগলে বলিস!’
হাবুদা একটা লাফ দিয়ে লোকটাকে জড়িয়ে ধরল। বলল, ‘বিশুদা এখনও মাছ ধরার সরঞ্জাম বিক্রি কর!’
লোকটা বলল, ‘নেশায় পড়ে গেছি রে। আজকালকার ছেলেরা মাছ ধরে না রে! পুরনো অভ্যেস ছাড়তে পারিনি।’
লোকটা এবার কোনও গোপন জিনিস দেওয়ার মতো কী একটা হাবুদার হাতে দিয়ে বলল, ‘তোর ভাগনেকে দিস।’
হাবুদা মুঠো খুলে জিনিসটা দেখেই লাফিয়ে উঠল। লম্বাটে শঙ্কুর মতো একটা কাঠের বল। নীচে আধখানা পেরেক। হাবুদা উল্লাস করে উঠল, ‘লাট্টু...উ...উ!’
এসব জিনিসের প্রতি আমার আগ্রহ নেই। জানিই না এটা দিয়ে কী হয়! লোকটা এবার একটা মোড়ক থেকে কাচের মতো কী একটা বের করে হাবুদাকে দিল। হাবুদা ছেলেমানুষের মতো সেটা মুখে পুরে চিবতে চিবতে বলে উঠল, ‘ওফ, মাছ লজেন্স—বিশুদা কী ঐশ্বর্য দিলে গো!’
হাবুদার চিবনো দেখে খিদে পেয়ে গেল। সামনেই মিষ্টির দোকান।
বললাম, ‘বড্ড খিদে পেয়েছে। কিছু খাবে?’
হাবুদা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘খাবি, খা না।’
আমি খাব কি! দেখি হাবুদা একটা মিষ্টির দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে। দোকানি হেসে বলল, ‘একটা করে দেব নাকি?’
একরকম ঘোরের মধ্যে থেকে হাবুদা বলে উঠল, ‘ল-ব-ঙ্গ লতিকা! দিন দাদা, দিন।’
দোকানদার দিতে না দিতে হাবুদা মুখে পুরে চিবচ্ছে আর বলছে, ‘আমার দিদু যা বানাত ময়রা হার মেনে যেত। ওরে গজু, দিদুকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি রে!’
হাবুদাকে যেন নেশায় পেয়েছে!
লবঙ্গলতিকা শেষ করেই গোল সাদা মতো মিষ্টি একটা চেয়ে নিল। খাচ্ছে আর বলছে ‘গজু, এর নাম মণ্ডা। আহা, এর স্বাদই আলাদা।’
বললাম, ‘ভূতের রাজা গুপিবাঘাকে যে মিষ্টি খাইয়েছিল এটা কি সেটা?’
হাবুদার চোখ তৃপ্তিতে বুজে আছে। ঘাড়টা শুধু নাড়ল।
হঠাৎ কী যেন দেখতে পেয়ে চঞ্চল হয়ে উঠল হাবুদা।
‘অমন করে কী দেখছ হাবুদা?’
হাবুদার মুখে কথা নেই। চকচকে দৃষ্টি। মাথার চুল হাওয়ায় উড়ছে। কী যেন দেখতে পেয়েছে। আচমকা দৌড় দিল। বড় রাস্তাটা কোনাকুনি পেরিয়ে গেল দিগ্‌বিদিক জ্ঞান হারিয়ে। আর একটু হলেই বাইকে ধাক্কা মারত। চারপাশের লোকজন হইহই করে উঠল। রাস্তার ওপারে আদু মুদির দোকান। হাবুদা চিৎকার করছে—‘বুড়ির মাথায় পাকা চুল...বুড়ির মাথায় পাকা চুল। গজু শিগগিরি আয়—টেস্ট করে দেখ একবার।’
কাছে গিয়ে দেখি একটা কাঠির মাথায় তুলোর মতো কী একটা গোলাপি বস্তু। সেটা নিয়ে হাবুদা নাড়াচাড়া করছে আর মাঝেমাঝে জিভ ঠেকাচ্ছে। দোকানিকে বলছে, ‘জানেন আদুদা, এর একটা নাম আছে—হাওয়াই মেঠাই। আমরা একে বুড়ির মাথার পাকা চুল বলি।’
হাবুদা আমার মুখে সেই জিনিসটা পুরে দিল। মিষ্টি স্বাদ। মুখে দিতে না দিতেই মিলিয়ে গেল। আগে কখনও খাইনি। বেশ মজার খাবার এটা।
কানের কাছে আচমকা ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে বিকট আওয়াজ।
চমকে ফিরে দেখি একটা চোঙার মতো জিনিস মুখে পুরে একজন লোক বিশ্রী শব্দ করতে করতে যাচ্ছে।
হাবুদার খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। দৌড়ে গিয়ে লোকটাকে প্রায় জাপটে ধরে বলে উঠল, ‘ঝাঁকা নামাও। আমি একটা নেব।’
লোকটা ঝাঁকা নামিয়ে বলল, ‘সাতপাড়া ঘুরে আপনাকে পেলাম। বউনির জিনিস বেশি নেব না। পাঁচ টাকা দিন।’
হাবুদা বলল, ‘গজু এর নাম তালপাতার ভেঁপু। রথের মেলায় কত কিনেছি। তুই নিবি! দেখ এইভাবে ফুঁ-দিতে হয়।’
হাবুদা বাচ্চা ছেলে হয়ে গেছে। মুখে পুরে তারস্বরে বাজাচ্ছে আর বলছে, ‘শোন রে শোন, আমার ছেলেবেলার সুর।’
আমার অবাক হওয়ার আর কী বাকি আছে! এই হাবুদাকে আগে কখনও দেখিনি। বললাম, ‘চলো, আর ভালো লাগছে না। বাড়ি যাব।’
কথাটা হাবুদার কানে ঢুকল না। কী এক অজানা নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। হঠাৎ আমার গলা জড়িয়ে টানতে টানতে নিয়ে চলল। সামনেই বৈরাগীদের ভিটা। সে এক আশ্চর্য জগৎ। হাবুদা দেখেই বলল, ‘অ্যায় তো সেই মায়াপুরী। চল চল।’
হাবুদা প্রায় ঠেলে ঢোকাল। বৈরাগীদের ভিটা এখন পোড়ো বাড়ি। সাপখোপের আড্ডা। এতই নির্জন, পায়ের শব্দ একটু জোরে হলেই চমকে উঠতে হয়। সামনে ঝোপের আড়ালে কে যেন সরে গেল। কে ওখানে? হিংস্র কোনও জন্তু নয় তো! ঠিক তখনই কেউ যেন হিসহিসে গলায় বলে উঠল, ‘বেস্পতি পাইলে আয়!’
আমার সারা গায়ে হিমস্রোত বয়ে গেল। ভূত নয় তো!
‘হাবুদা তুমি কোথায়?’
পিছন ফিরতেই দেখি কিছুটা দূরে হাবুদা মুগ্ধ হয়ে প্রজাপতির ওড়াউড়ি দেখছে।
আমার প্রচণ্ড রাগ হল। ছুটে গিয়ে তার হাত দুটোকে শক্ত করে ধরে বললাম, ‘তুমি কী গো—এই জঙ্গলপুরীতে এনে আমায় ভূতের মুখে ফেলেছ! স্পষ্ট দেখলাম ওদিকে বেস্পতি ভূতের আড্ডা।’
‘বেস্পতি ভূত!’
হাবুদা গলা ফাটিয়ে হো হো করে হেসে উঠল।
বলল, ‘বেস্পতি ভূত হতে যাবে কেন! ও তো বামাচরণের মেয়ে।’
‘বামাচরণ আবার কে!’
‘কেয়ারটেকার।’
‘আমার কিছু ভালো লাগছে না। আমি বাড়ি যাব।’
হাবুদার মুখে দুষ্টু হাসিটা চওড়া হয়েই মিলিয়ে গেল। বলল, ‘মাছ ধরবি? এই দেখ ছিপ। কত বড় পুকুর দেখেছিস! আমার লোভ হচ্ছে।’
প্রচুর গাছপালা। সামনে টলটলে জলের পুকুর। মাছের দল চাক বেঁধে ঘুরছে। হাবুদা বাচ্চা ছেলের মতো চেঁচিয়ে উঠল, ‘আমি চান করব। সাঁতার কাটব।’
বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল! যতদূর জানি হাবুদা তো সাঁতার জানে না!
‘না, হাবুদা তুমি জলে নেমো না।’
কথা শুনলে তো! চিরকালের একগুঁয়ে।
হাবুদা দ্রুত পোশাক ছেড়ে আমার হাতে মোবাইল মানিব্যাগ দিয়ে দু’হাত ছড়িয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘আমি সেই ক্লাস সেভেনের হাবু—হাবুল ভটচায। এখন আমি ডুব সাঁতার কাটব। পুকুর এপার ওপার করব। গায়ে মাটি মাখব। যা খুশি তাই করব। হা...হা...হা...!’
হেমন্তের অলস দুপুর। পাখিরা কলকাকলিতে এতই উন্মত্ত তাদের জগতে দু’জন মানুষ ঢুকে কীসব কাণ্ড করছে সে খেয়াল নেই।
নিস্তব্ধ পরিবেশে ছোট্ট একটা শব্দ ভেসে এল—ঝপাং।
হাবুদার মোবাইল ফোনটা আচমকা বেজে উঠল।
‘হ্যালো হাবু, তোরা কোথায়! গজু কী করছে? কথা বলছিস না কেন!’
এ তো আমার মায়ের গলা। বললাম, ‘আমি গো মা, গজু।’
‘তুই! এত বেলা হয়ে গেল কী করছিস তোরা। হাবু কোথায়?’
‘মাগো, হাবুদা হারিয়ে গেছে।’
‘সেকি রে, কোথায়?’
‘ছেলেবেলায়!’
আর পারলাম না। এবার আমি শব্দ করে কেঁদে ফেললাম।
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
28th  April, 2019
সহজ উপায়ে মনঃসংযোগ  

ছোট্ট বন্ধুরা কেমন আছ? বাড়িতেই অনলাইন ক্লাস করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছ নাকি? কম্পিউটারে পড়াশোনা একঘেয়ে লাগছে তোমাদের? মন বসছে না বুঝি পড়ায়? পড়ায় মন বসানোর কয়েকটা সহজ উপায় তোমাদের বলি তাহলে।
বিশদ

দিশারী  

আয়ুষী বন্দ্যোপাধ্যায়: বিশ্বময় যখন থাবা বসিয়েছে মারণ করোনা ভাইরাস তখন ছোট্ট মিনির মনে অনেক প্রশ্ন। আজকাল তার দিনগুলো ভালো কাটছে না। কেমন যেন থম মেরে পড়ে আছে কলের কলকাতা, নিস্তব্ধ গোটা তল্লাট-স্তব্ধতার অন্তর্গত বোধ হয়ে ঘেয়ো কুকুর লালুর ডাকও।   বিশদ

এই সময়ের বােয়াস্কোপ 

দীর্ঘদিন একটানা স্কুল বন্ধ। যদিও তোমাদের অনলাইনে ক্লাস চলছে, কিন্তু বাইরে বেরনোর কোনও উপায় নেই। এক কাজ করো, ঘরে বসে অনলাইনে কিছু সিনেমা দেখে ফেলো। একঘেয়েমি কিছুটা কাটবে। লিখেছেন ড. শংকর ঘোষ। 
বিশদ

ছোটদের রান্নাঘর 

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘর-এ শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন জেমস ইন সিরাজের এক্সিকিউটিভ শেফ সাগ্নিক মজুমদার এবং হাটারি রেস্তরাঁর শেফ স্বপন বিশ্বাস। এগুলি আগুনের সাহায্য ছাড়াই তৈরি করা যাবে। তোমরাই করে চমকে দাও বড়দের। 
বিশদ

28th  June, 2020
রায় অ্যান্ড মার্টিনের অনলাইন ক্লাস 

করোনা ভাইরাসের জন্য আপাতত ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্কুল বন্ধ। একটানা অনেকদিন ধরে তোমরা গৃহবন্দী। এজন্য যে তোমাদের পড়াশোনার ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও তোমরা এখন স্কুলের অনলাইন ক্লাসে পড়াশোনা করা করছ। এর মাধ্যমে তোমরা অনেকটাই উপকৃতও হচ্ছ।  বিশদ

28th  June, 2020
ইংরেজিতে শুদ্ধ বাক্যগঠন করবে কী কী দেখে?  

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ইংরেজি। পরামর্শে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) ইংরেজির শিক্ষক উৎপল ভৌমিক। বিশদ

28th  June, 2020
দেখতে যাবে মিশরের মমি

ইতিহাসের দিনগুলোয় ফিরতে চাইলে দি ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম বা কলকাতার ভারতীয় জাদুঘর ঘুরে আসা হল সেরা উপায়। তবে এখন জাদুঘর বন্ধ। তাহলে? খুব সহজ। আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতেই রয়েছে আশ্চর্য এক যন্ত্র! সেই যন্ত্রের সাহায্যেই আমরা ঢুকে পড়ব জাদুঘরে! ঘুরেও বেড়াব ইচ্ছে মতো! লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক।  
বিশদ

28th  June, 2020
একদিনে বাংলা বর্ণমালা শিখেছিলেন  

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার সাহিত্য-সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।
 
বিশদ

21st  June, 2020
রথযাত্রার ছোট্ট অঙ্গীকার 

করোনা সংক্রমণের জন্য এবারে কিন্তু রথ নিয়ে আর বেরিও না। পুরীর রথযাত্রাও এবার হচ্ছে না। তোমরা কীভাবে কাটাবে রথযাত্রার দিনটি? লিখেছেন সুমন গুপ্ত। 
বিশদ

21st  June, 2020
সবুজ দেশের স্বপ্ন 

তোমরা নিশ্চয়ই জানো একটি গাছ একটি প্রাণ। বর্ষার শুরুতে তোমরা যদি একটি করে চারাগাছ লাগাও, তাহলে পৃথিবী হয়ে উঠবে সবুজের দেশ। এমনই এক সবুজ দেশের স্বপ্ন দেখালেন অভীক বসু। 
বিশদ

21st  June, 2020
নতুন পৃথিবী গড়বো আমরা 

ছোট্ট বন্ধুরা কেমন আছো? দীর্ঘ লকডাউনে বাড়িতে স্কুলের অনলাইন ক্লাসের চাপে ক্লান্ত হয়ে পড়ছো? অবসর সময় ভালো মতো কাটছে না? তবে শোনো, আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই।   বিশদ

31st  May, 2020
ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় 

লাতিন শব্দ ‘ভাইরাস’-এর অর্থ হল ‘বিষ’। এই বিষ যুগে যুগে মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। তেমনই যুগে যুগে মানুষ পরাস্ত করেছে এমন ভয়াবহ শত্রুকেও। আজ গোটা দুনিয়া অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, কবে নভেল করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা হাতের মুঠোয় আসবে। বিজ্ঞানীরা বসে নেই, দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন এই মহা মূল্যবান ধন্বন্তরি হাতের মুঠোয় আনার জন্য। সেইরকম ভয়ঙ্কর সব ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের যুদ্ধের বহু ইতিহাস রয়েছে বিশ্বজুড়ে। 
বিশদ

31st  May, 2020
মার্কশিট
এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে
খুঁটিয়ে পড়ো প্রতিটি অধ্যায়

আজ আমরা সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত 'চতুরঙ্গ' প্রবন্ধসংগ্রহের অন্তর্গত 'মামদোর পুনর্জন্ম' প্রবন্ধের অংশবিশেষ 'নব নব সৃষ্টি' পাঠ্যাংশটি থেকে প্রাবন্ধিকের কয়েকটি বিশেষ মত সম্পর্কে জানব এবং সে বিষয়টি নবমশ্রেণীরই অন্যান্য পাঠের সঙ্গে মিলিয়ে দেখব।
বিশদ

31st  May, 2020
বাঘ পড়েছিল শান্তিনিকেতনে 

পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: রবীন্দ্রনাথ গান বেঁধেছিলেন, ‘আমাদের শান্তিনিকেতন/ সে যে সব হতে আপন/ তার আকাশ ভরা কোলে / মোদের দোলে হৃদয় দোলে, / মোরা বারে বারে দেখি তারে নিত্যই নূতন।’ সত্যিই ছিল সার্থকনামা, যথার্থ অর্থেই ‘শান্তিনিকেতন’।  বিশদ

31st  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার বাগঢোল এলাকায় এক বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম নালো সরকার(৬০)। তাঁর বাড়ি বাগঢোল গ্রামেই।  ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়াল 
মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দু’লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। শনিবার রাতে ...বিশদ

04-07-2020 - 09:57:35 PM

বেলভেড়িয়া রোডে বহুতলে আগুন, অকুস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন 

04-07-2020 - 09:25:00 PM

গুলিবিদ্ধ উত্তর বারাকপুরের কাউন্সিলার 
উত্তর বারাকপুরের তৃণমূল কাউন্সিলারকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। গুলিবিদ্ধ কাউন্সিলার ...বিশদ

04-07-2020 - 09:23:35 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৮৩৯ জন, মোট আক্রান্ত ১১,৯৬৬ 

04-07-2020 - 08:58:07 PM

করোনা: একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
রাজ্যে একদিনে রেকর্ড সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৩ জনের শরীরে ...বিশদ

04-07-2020 - 08:06:31 PM

দিল্লিতে করোনা পজিটিভ আরও ২,৫০৫ জন, মোট আক্রান্ত ৯৭,২০০ 

04-07-2020 - 07:25:52 PM