Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ভৈরবী মা
সঙ্গীতা দাশগুপ্ত রায়

ঝিরঝিরে বৃষ্টি। মেঘছাওয়া একটা দিনে গায়ে ভেজা জ্যাকেট, জুতো আর হাতে বড় একটা ব্যাগ নিয়ে পোড়াবসন্তপুরে যখন পৌঁছল অর্জুন তখন বিকেল অস্তে ঢলেছে।
বোসদা বলেছিলেন, ‘ছোট গ্রাম। রাস্তা জুড়ে পলাশের সারি। কর্মঠ আদিবাসী আঁটসাট চেহারার মেয়ে মাঝেসাঝে। চাইলে মহুয়াও পাবে। আর শোনো, থাকার বন্দোবস্ত হয়েছে একটা। মহেশ সাঁতরা। নেশাখোর। বাড়িতে বউ আর শ্যালিকা। শ্যালিকাটির ওপর শুনেছি নাকি ভর হয়। ওটা নিয়ে চাপ নিও না। থাকাখাওয়া বাবদ তিন হাজার নেবে মাসে। স্টেশনে নেমে কাউকে মন্দিরবাড়ি বললে দেখিয়ে দেবে।’
ট্রেন থেকে নেমে একটু এদিক ওদিক দেখল অর্জুন। হেটো মেঠো দু-চারজন নেমেছিল সাথে। তারা এগিয়ে গিয়েছে।
‘মন্দিরবাড়ি? সোজা গিয়ে ডাইনের বাঁক নিয়ে একটু হাঁটা। কিন্তু ভরের দিন তো আজ নয়,’ দোকানি ছেলেটা রাস্তা দেখিয়ে বলে।
কৌতূহল দেখাল অর্জুন, ‘ভর কি মহেশবাবুর ওপরে হয়?’
‘না। শ্যামাদিদি, সাঁতরাবাবুর শালী, ওঁর ওপর হয়। সবাই ভৈরবী মা বলে। ভৈরবনাথের মন্দির তো।’
চা খেয়ে উঠে পড়ল অর্জুন। বাড়ি চিনতে অসুবিধা হয়নি। মন্দিরের চূড়া দূর থেকে চোখে পড়ে।
সাঁতরা অর্জুনকে দেখে খুশি হল— ‘রাস্তায় অসুবিধা হয়নি? আসেন। ঘরদোর আমার গিন্নি সব ঠিক করে রেখেছে। অ্যাডভান্সটা...’
গিন্নি কাছেই ছিলেন। ছোটখাট চেহারা, হেসে বললেন, ‘আপনি একটু বিশ্রাম নিন। পরে ভালো করে আলাপ হবে খন।’
অর্জুন ঘরে ঢুকে অ্যাডভান্সের টাকাটা দিতে গিয়ে লক্ষ্য করে লোকটা নেশা করে আছে।
আটটা নাগাদ সাঁতরা গিন্নি এলেন হাসিমুখে, ‘আপনি রাতে ভাত খান তো? এখানে রুটির চল নেই।’
হাসল অর্জুন, ‘ভাতই চলবে। থাকার সাথে সাথে খেতেও পাচ্ছি এই-ই অনেক।’
‘নিজে রান্নাবান্না পারেন?’
‘নাহ, একদম আনাড়ি,’ অর্জুন হাসে।
‘তবে তো এ ব্যবস্থাই বেশ। ওনার ফেরার কোনও ঠিক থাকে না। আপনাকে ন’টায় খেতে দেব তো? আর হ্যাঁ, কোনও অসুবিধা হলে বউদি বলে ডাক দেবেন ভাই।’ একটু আন্তরিকতা ছুঁইয়ে দিয়ে যান মহিলা।
বাথরুমটা একটেরে। উঠোনের এদিক ওদিক ছেটানো কাঠচাঁপা, আকন্দ, কামিনী, বকুল। একটি মেয়ে কোমরে আঁচল জড়িয়ে টিউবয়েলের দিকে যাচ্ছে। সাঁতরা বউদি গলা তুলে ডাকলেন ‘শ্যামা, এক বালতি জল দাওয়ায় দিস।’ মেয়েটিকে আড়চোখে দেখল অর্জুন। ওহ এই-ই তাহলে ভৈরবী মা! বোসদা থাকলে বলতেন, আরিব্বাস! তোমার তো লটারি লেগে গেল হে!
সকালে মিটার বসিয়ে ব্যারেজের মাপজোক চলে। পথচলতি মানুষজন তাকায়, জিজ্ঞেস করে, ‘বাঁধ সারাই হবে?’ ঠিকাদারের লোক আসতে শুরু করেছে। দুপুরের দিকে বাড়ি ফিরলে এক-একদিন শ্যামা খেতে দেয়। মাটিতে বসে খাওয়ার চল। পুরনো মোমবাতির মতো ঘিয়ে রঙা কোমরের ফালি, পায়ের গোছ দেখা যায় শ্যামা হাঁটু গেড়ে বসলে। পানপাতা মুখখানি তুলে শ্যামা শুধায় ডাল দেব আর? অর্জুন খেতে খেতে ডালের সম্বরার সুবাসের সাথে যেন ধুনো আর চন্দনের গন্ধ পায়। সাঁতরার সাথে তেমন দেখা হয় না। অর্জুন ভাবে বাড়িটা যেন বড় উদাসীন। অবশ্য সন্ধেবেলায় পুরুতমশাই এলে মন্দিরে কাঁসর আর শাঁখের আওয়াজ ওঠে। নিস্তরঙ্গ এ জীবন অর্জুনের খারাপ লাগে না।
নিস্তরঙ্গই ছিল। কিন্তু এরই মধ্যে একদিন দুপুরে শ্যামা তরকারির বাটি এগিয়ে দিয়ে বলল,‘আজ রাতে আপনার খাবার ঘরে ঢাকা দিয়ে রাখলে অসুবিধা হবে না তো?’
‘নাহ, অসুবিধা কী? আপনি তো সারাজীবন আমাকে সামনে বসে খাওয়াবেন না। অভ্যেস খারাপ না করাই ভালো।’
লাল একটা আভা ফুটল বুঝি গালে। শ্যামা হেসে কথা ঘোরায়, ‘কাজ কেমন এগচ্ছে?’
‘এখনও সেভাবে শুরুই হয়নি তো।’
‘নদীর গর্তে মাছ উঠছে?’
‘চুনো মাছ?’ অর্জুন অবাক হয়।
‘হ্যাঁ, জলে টান ধরলে নদীর ধারের গর্তে টুকটাক মাছ আসে। ছোট ছেলেপুলেরা ধরে।’
‘আমি কি ছোট ছেলেপুলে?’ হাসে অর্জুন।
‘নাহ, আপনি মস্ত মানুষ,’ শ্যামা আলতো হেসে উঠে যায়।
নদীর ধারে সত্যিই অনেক গর্ত আছে। বিকেলে দুটো ছেলে গর্তে হাত ঢুকিয়ে চিংড়ি তুলছিল। এরকম আগে কখনও দেখেনি অর্জুন। শ্যামাকে গিয়ে বলবে আজই ভাবতে ভাবতে ফিরছিল। বাড়ির সামনে ভিড় দেখে থমকাল। ভিড়টা মন্দিরে। জোরে জোরে কাঁসরঘণ্টা বাজছে। অর্জুন পায়ে পায়ে এগয়। উঁকি দিয়ে দেখে ভিতরে টকটকে লাল শাড়ি পরে শ্যামা বসে। মাথা সামনে ঝোঁকানো। চুলে ঢেকে আছে মুখ। শরীরটা দুলছে। সামনে যজ্ঞের আগুন। দুলুনি দেখে মনে হচ্ছে শ্যামা আগুনের মধ্যে পড়ে যাবে। এক মহিলা ওর কানের কাছে গিয়ে কিছু বললেন। শ্যামা থালা থেকে ফুল তুলে ছুঁড়ে দিল আগুনে। পুড়ে গেল ফুলটা। শ্যামা মাথা দুলিয়ে ভয়ঙ্কর চেঁচিয়ে উঠল, ‘নাআ...নাআ।’ পুরুতমশাই মহিলার দিকে একটা কাগজের পুরিয়া দিয়ে বললেন, ‘প্রসাদী ফুল নিয়ে গিয়ে দিন। যদি একটু ভালো থাকে।’ ভদ্রমহিলা উঠে গেলেন চোখ মুছতে মুছতে। এই-ই তবে ভর হওয়া! শ্যামাকে দেখে কেমন ভয় লাগছে। এই মেয়েটাই কি দুপুরবেলা ওকে গর্তের মাছের কথা বলছিল? আর এক মহিলা এলেন। একইভাবে কানে কিছু বললেন। শ্যামা এবারও ফুল নিল হাতে, আগুনের মাঝে ছুঁড়ল। আগুনটা দপ্‌ করে কিছুটা উঠে নেমে এল। পুরোহিত চেঁচিয়ে উঠলেন,‘জয় মা! মা গো!’ মহিলা প্রণাম করে উঠে গেলেন হাসিমুখে। সম্ভবত যা চেয়েছেন তাই-ই হবে।
বউদি আরতির জোগাড় করছেন। প্রণামীর থালা থেকে নোট তুলে তুলে রাখছেন।
অর্জুন পায়ে পায়ে নেমে আসে মন্দির থেকে। চায়ের দোকানে গিয়ে বসে। চাওয়ালা ছেলেটি বলে, ‘ভর দেখলেন?’
‘দেখলাম। ভিড় হয় বেশ।’
‘তা হয়। কত লোকের কত মনস্কামনা।’
‘সব পূর্ণ হয়?’
‘তাই কি হয়? মানুষ নিজের ভাগ্য নিয়ে আসে দাদা। তবে মাকে বললে মা বলে দেন পূর্ণ হবে কিনা!’
‘কী করে বোঝেন?’
‘আগুনে ফুল দিলে সেটা যদি আগুনটা বাড়িয়ে দেয় তো পূর্ণ হয়। না হলে হয় না। মা সব জানেন।’
অর্জুন বোঝে এ গাঁয়ের লোক শ্যামাকে অন্য চোখে দেখে। সে চোখ অর্জুনের মত পাপী চোখ নয়। ওরা শ্যামাকে দেখলে ঘাড় ঝুঁকিয়ে প্রণাম করে। কিন্তু অর্জুনের প্রণাম আসে না। বরং সন্ধ্যারাতে মন্দিরের দরজা বন্ধ করে নেমে আসা আটপৌরে শ্যামাকে দেখলে ওর খোলা চুলে একরাশ জোনাকি গেঁথে সেই জোনাকজোছনায় ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে ওর হাত দুটি ধরে জিজ্ঞাসা করতে, তুমি মানুষ হতে পার না শ্যামা? রোজ এসব ভাবতে ভাবতেই চোখে ঘুম নামে অর্জুনের। স্বপ্নে দেখে, মা বসে আছে জানলায়। ছোট্ট অর্জুন কাঁধে স্কুলের ব্যাগ। দৌড়ে এসে দরজা ধাক্কাচ্ছে...এ এক অদ্ভুত স্বপ্ন। যখনই অর্জুন নিজের মধ্যে ভীষণ অশান্ত থাকে তখনই এই স্বপ্নটা ফিরে আসে।
ঠিকেদারের লোকেরা কাজ শুরু করে দিয়েছে। অস্থায়ী ছাউনি বানিয়েছে। দিনমজুর সব। সকালে এসে কাজ শুরু করে। রাতে ছাউনিতে গিয়ে রেঁধেবেড়ে খায়। অর্জুন নিয়মমাফিক হিসেব রাখে, তদারকি করে। ফিরতে ফিরতে সন্ধে। বাড়ি ঢোকার মুখে প্রায়ই শ্যামার সাথে দেখা হয়। ঠাকুরমশাইকে বিদেয় করে হাতে প্রসাদের থালা নিয়ে মন্দির থেকে বেরিয়ে আসে শ্যামা। ওর মোম মোম শরীর জুড়ে ছড়িয়ে থাকে ছাপা শাড়ির ফুল পাতা মাছ কল্কার প্রিন্ট। চোখে চোখ পড়লে দুজনেই হাসে। অর্জুন মনে মনে বলে, ‘তুমি বড় সুন্দর শ্যামা।’
শ্যামা চোখ নামিয়ে নেয়। মহেশ সাঁতরার উঠোনওয়ালা বাড়ি, এলোমেলো ফুলগাছ, মন্দিরের সিঁড়িতে দাঁড়ানো চন্দনগন্ধী শ্যামা আর অন্ধকারের ঝিঁঝির ডাক মিলে অর্জুনকে একজন নিপাট গেরস্ত করে তোলার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বউদি রান্নাঘরের দাওয়া থেকে জিজ্ঞেস করে, ‘কাজ হচ্ছে ঠিক মতো? কতদিন চলবে?’
অর্জুন চোখের কোণে শ্যামাকে ধরে রেখে সাড়া দেয়, ‘কী জানি। যত দেরি হয় ততই ভালো। আপনাদের এই গ্রামটা বড্ড সুন্দর। কাজ শেষ হলেই তো চলে যেতে হবে।’ ‘যাওয়ার উপায় আছে সেও তো সৌভাগ্য,’ আচমকা কথাটা বলে শ্যামা নিজের ঘরে ঢুকে যায়।
ক’দিন ধরে এই কথাগুলোই ঘুরছে মাথায়। শ্যামার যাওয়ার উপায় নেই বলে দুঃখ আছে? খেতে বসেও সে কথাই ভাবছিল। বউদি ভাতের থালা সাজিয়ে দিয়ে অর্জুনের দিকে তাকাল, ‘বাড়িতে সব ঠিকঠাক তো? অন্যমনস্ক দেখাচ্ছে কেমন!’
শ্যামার সাড়া নেই কোথাও।
খেয়েদেয়ে বালিশে মাথা রেখে সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ঘুম এসে গিয়েছিল। ঘুম ভাঙল একটানা একটা আওয়াজে। প্রথমে ঠাহর হয়নি কিসের আওয়াজ। তারপর বুঝল বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে। এরই মধ্যে ফ্যানটাও গেল বন্ধ হয়ে। লোডশেডিং? গুমোট ঘরের চেয়ে বাইরের বৃষ্টি বরং আরামদায়ক। বিছানা ছেড়ে বাইরে আসে অর্জুন আর সেই মুহূর্তে চমকানো বিদ্যুতের আলোয় সামনে তাকিয়ে স্তম্ভিত হয়ে যায়। মন্দিরের সিঁড়িতে বসে ভিজছে শ্যামা। খোলা চুল। মুখ নিচু করে জলের নাচ দেখছে যেন। বড় ব্যক্তিগত বসার ভঙ্গিটি। এ ছবি একান্তই শ্যামার। সরে যাওয়া উচিত বোঝে অর্জুন। কিন্তু উন্মত্ত প্রকৃতি ও স্থিতধী নারী দুইয়ে মিলে ওকে আটকে দেয় ছবিটার মধ্যে। সাঁতরা, বউদি, ভৈরবী মার মাহাত্ম্য সব ভুলে অর্জুন পায়ে পায়ে এগিয়ে যায়। শ্যামা মুখ তুলে তাকায় একবার। তারপর যেন এমনটিই রোজ ঘটে এই ভঙ্গিতে উঠে মন্দিরের দরজা খুলে ভিতরে ঢোকে। পিছনে সম্মোহিতের মতো প্রথমবার মন্দিরের ভিতরে পা রাখে অর্জুন। আলো নেই কোথাও কিন্তু চোখ সয়ে যায় ধীরে। ধূপ, চন্দন, ঘি আর ফুলের গন্ধের মধ্যে বসে শ্যামা ওকে শোনায় ভৈরবী মায়ের গল্প। সাঁতরা বড় লোভী জুয়াড়ি আর নেশাখোর। নিজের বলতে ওর আছে এই মন্দির আর দেবত্র বাড়িটুকু। দিদিকে বিয়ে করে এনেছিল মোটা পণ নিয়ে। সে টাকা উড়িয়ে ফেলে বাবাকে চাপ দিচ্ছিল টাকার জন্য। কিন্তু টাকা দেওয়ার বদলে অকালে চোখ বুজে বাবা সাঁতরাকে দিয়ে গেলেন দুই মেয়ে আর বসতবাড়িটি। মা আগেই গিয়েছিলেন। অনাথ দুই মেয়েকে সাঁতরা মুঠোয় পেল বাড়ি সমেত। অবিবাহিতা শ্যালিকাকে বাড়িতে এনে তুলল। মারধর গালিগালাজ করে দুই বোনকে দিয়ে সই করিয়ে নিল বাড়িটা। তারপর সেটা বিক্রি করতে কতক্ষণ। কিন্তু সে টাকাও রাখতে পারেনি। তখন চেষ্টা শুরু হল শ্যামাকে বেচে দেওয়ার। দু’দিন দুটো নতুন লোক এনে হাজির করল। বলে পাত্রপক্ষ। দিদি বলে মিথ্যে কথা। তোকে বেচে দেওয়ার তাল করছে ও। এরই মধ্যে একদিন মাঝরাতে শ্যামার ঘরে এসে ঢোকে সাঁতরা। হাতে দা-টা তুলে দিদিকে চিৎকার করে ডাকতে ডাকতে উঠোনে নেমে গিয়েছিল শ্যামা। তারপর থেকে রাতে দিদি ওর কাছে থাকত। বিশ্বাস নেই ওই লোককে। শ্যামাকে বলত, আঁচলে লঙ্কাগুঁড়ো বেঁধে রাখ। কিন্তু এভাবে কতদিন? শেষে দিদিই এই বুদ্ধি বের করে। ওদের গাঁয়ে শীতলাদেবীর ভর হতো। ওরা ভিড় করে দেখতে যেত সবাই। দিদি শ্যামাকে বলে পারবি না ওরকম? একবার ভর হলে মহেশ তোকে ছোঁবে না ভয়ে। বাড়িতে ওর তিনপুরুষের প্রতিষ্ঠা করা মন্দির। পাপের ভয় তো আছে! আর ভর হয়েছে শুনলে এই মন্দিরেও কিছু পুজো আসবে। সংসারটাও চলবে।
শ্যামা মেনে নেয় কারণ ওর তো যাওয়ার জায়গা নেই।
পরের সোমবার সন্ধেবেলায় মুখে খাবার সোডা নিয়েছিল খানিক, অল্প জল তার ওপর। দিদি ওদিকে ‘কোথায় কে আছ শিগগির এস গোঁ, ভর নেমেছে,’ চিৎকার করে লোক জড়ো করে ফেলেছিল। শীতলাতলার মতোই মন্দিরের মেঝেতে বসে দুলে দুলে বিড়বিড় করছিল শ্যামা। মুখ থেকে সোডার ফেনা বেরচ্ছিল গ্যাঁজলার মতো। ফুল ছুঁড়ে ছুঁড়ে মারছিল সবাইকে। তারপর ধীরে ধীরে শুয়ে পড়েছিল মেঝেতে। লোকে ওই ফুল মাথায় ঠেকিয়ে ফিরে গিয়েছিল।
কিছুদিনের মধ্যে দু’-চারবার এরকম হল। রটে গেল ভরের কথা। শ্যামা হয়ে উঠল ভৈরবী মা।
‘মানে এই ভর হওয়া ব্যাপারটা নাটক?’ অর্জুন অবাক হয়।
‘নাটক কেন? এও তো এক পথ! ভগবান তো নিজে এসে বাঁচাবেন না! তিনি বুদ্ধি দিয়েছেন। সেই বুদ্ধি খাটিয়েই আমরা বেঁচে আছি। জামাইবাবু আমার দিকে চোখ তুলে কথা কয় না! এদিকে মন্দির থেকে যা আসে তাতে সংসার চলে। জামাইবাবু বাইরে জালিয়াতি করে বেড়ায় কিন্তু ঘরে আর বাঁদরামো করে না,’ শ্যামা অকপটে বলে। ‘আর তোমার কাছে ওই মানসিক? ইচ্ছাপূরণ? আগুন ওঠা?’
শ্যামা করুণ হাসে, ‘ওটা তো নিজের বুদ্ধিতে। যে ইচ্ছেগুলো পূর্ণ হতে পারে যেমন মেয়ের বিয়ে, ছেলের চাকরি— এসব একদিন না একদিন তো হবেই, সেগুলোর জন্য আগে থেকে বেশি করে ঘি মাখানো ফুল নিয়ে ছুঁড়ি। আগুন অনেকটা উঠে যায়। কিন্তু যেগুলো পূর্ণ হবে কিনা জানি না সেগুলোতে শুকনো ফুল দিই। আগুন ওঠে না। লোকে তাও প্রসাদী ফুল নিয়ে যায়। পূর্ণ হলে ওই ফুলের জন্য হচ্ছে ভাবে। বিপদ থেকে মানুষ যে কারণেই উদ্ধার পাক, শেষে ভগবানকেই পুজো দেয়। সব তো তিনিই করছেন। তবে ভৈরবী মা না হলে জামাইবাবু এদ্দিনে আমাকে কারওর কাছে বেচে দিত।’ চুপ করো! শ্যামার মুখে হাত চাপা দেয় অর্জুন। ভেতরে একটা উন্মাদ রাগ ছটফটিয়ে ওঠে। ইচ্ছে করে সাঁতরাকে এক্ষুনি বিছানা থেকে তুলে এনে আছড়ে ফেলে ওই বকুলতলাতেই।
হাত সরিয়ে দেয় না শ্যামা। দু’চোখ বেয়ে নেমে আসা জল অর্জুনের হাত ভিজতে থাকে।
মন্দিরের দরজার কাছে একটা ছায়া নড়ে ওঠে অলক্ষ্যে।
রাতভর বৃষ্টিতে উঠোন ছেয়ে যায় ঝরে পড়া ফুলে।
পোড়াবসন্তপুর ফার্স্ট লোকালের জানলায় মুখ রেখে শ্যামা বলে, ‘এভাবে যাওয়া ছিল ভাগ্যে? কিন্তু তুমি, তোমার কাজ, এসব কী হবে?’
অর্জুন দুষ্টু হাসে ‘ভৈরবী মা সব ম্যানেজ করে দেবে দেখো।’ রাতের সেই ছায়াটি সকালে শ্যামার ঘরের বিছানায় ক’টা ফুল আর রুদ্রাক্ষ ছড়িয়ে দিয়ে জোড়হাত মাথায় ঠেকিয়ে বলল, দুগ্‌গা দুগ্‌গা...
24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

‘ওরে, আমি হলাম গিয়ে হেঁশেলবাড়ির হলুদ। ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সবেতেই আছি। হাসতে বললে হাসব, কাঁদতে বললে কাঁদব, নাচতে বললে নাচব, দু’কলি গান গেয়ে দিতে বললে তাও পারব। হলুদ যেমন সব ব্যঞ্জনেই লাগে তেমনই আর কী! কিন্তু হলুদের কি নিজস্ব কোনও স্বাদ আছে? তাই আমার এই অভিনয়কে আমি অভিনয় বলি না গো!
বিশদ

24th  May, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২৫

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

10th  May, 2020
সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক।  
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
মাছভাজা
শ্যামলী আচার্য

হিতেন্দ্রনাথ সান্যালের কথা শেষ হল না। হয় না। ওঁর সাতচল্লিশ বছরের প্রাচীন জীবনসঙ্গিনী আজ অবধি কোনও বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করতে দেননি। একজন সিনিয়র সিটিজেনের বুকে ব্যথার সামান্য আভাসও তাঁকে বিচলিত করল বলে মনে হল না।
বিশদ

26th  April, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ২১

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

26th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২১

জহর রায়ের কৌতুক নকশার রেকর্ড করত মূলত মেগাফোন কোম্পানি। পরে পলিডোর কোম্পানি কিছু নকশা রেকর্ড করেছিল। ওদের কোম্পানি থেকে ১৯৭২ সালে বেরয় ‘ফাংশন থেকে শ্মশান’। পরের বছর কেতকী দত্তের সঙ্গে ‘সধবার একাদশী’।
বিশদ

26th  April, 2020
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ায় তামিলনাড়ুতে উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নোকিয়া। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরের ওই প্ল্যান্টে গত সপ্তাহ থেকেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন গোটা রাজ্য আতঙ্কিত, তখন ‘মড়ার উপর খাড়ার ঘা’য়ের মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে দিয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন উম-পুন। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM