Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 

জহর রায়ের বই সংগ্রহের মজার কৌশলের কথা শোনালেন তাঁর এক সময়ের সহকর্মী ধীমান চক্রবর্তী। একদিন তিনি অমিয় নিবাসে গিয়েছেন, সেই সময় জহর ঘরে ছিলেন না। ধীমান তখন আলমারি থেকে বিভিন্ন বই বের করে নেড়েচেড়ে দেখছিলেন। এমন সময় ঘরে প্রবেশ করেন জহর। ঢুকেই তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বইগুলো ভালো লেগেছে? বাড়ি নিয়ে যাবি?’ ধীমান বললেন, ‘হ্যাঁ, দু’-তিনটে বেশ ইন্টারেস্টিং।’ জহর সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘একদম নয়। গ্লাস গ্লাস চা এনে দিচ্ছি। বিস্কুটও যত ইচ্ছে খাও। যতক্ষণ খুশি থাক। কিন্তু বই নিয়ে যাওয়া নেই। বই কেউ নিয়ে গেলে আর ফেরত দেয় না।’ ধীমান বলেন, ‘দাদা, আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, এমনটা হবে না।’ শুনে জহর হাসতে হাসতে বলেন, ‘তুই কী গ্যারান্টি দিবি রে! এখানে যত বই দেখছিস তার অনেকগুলো আমার এই উপায়েই সংগ্রহ করা।’
এমনই মজার মানুষ ছিলেন জহর। নিজের ছেলেমেয়েদের যাবতীয় দায়িত্ব স্ত্রী কমলাদেবীর উপর ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতেন। কালীমায়ের বড় ভক্ত ছিলেন। ছোট মেয়ে কল্যাণীকে ‘মা’ বলে ডাকতেন। মাঝে মাঝে এসে বলতেন, ‘তুমি আমাকে কোলে নেবে তো মা?’ উত্তরে কল্যাণী তখন বলতেন, ‘আমি কী করে কোলে নেব তোমাকে, আমি তো অনেক ছোট!’ তখন অবাক জহর প্রশ্ন করতেন, ‘তুমি যেন কোন ক্লাসে পড়?’
পাটনাতে নিজের বাড়ি বা মধুপুরে বোনেদের বাড়ি খুব একটা না গেলেও নিজের শ্বশুরবাড়ি যেতেন নিয়মিত। সেখানে তাঁর কদর ছিল খুব। জহরের বাবা সতু রায়ের গান-বাজনার চর্চা ছিল। ছোট বোন হাসি ভট্টাচার্য ও ভগ্নীপতি প্রণব ভট্টাচার্য পাটনার রেডিও স্টেশনে গান গাইতেন। তাঁদের মেয়ে সুমিতা চক্রবর্তী জগজিৎ সিং-চিত্রা সিংয়ের কাছে গান শিখেছেন। জহরের এই পারিবারিক ঐতিহ্যের জন্যও কমলাদেবীর বাড়িতে তাঁর খাতির ছিল। আর জামাইটিও শ্বশুরবাড়ির সব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করতেন। এই সাঙ্গীতিক পরিবেশের গুণটা জহরের মধ্যেও সঞ্চারিত হয়েছিল। ‘সাহেব বিবি তোমরা বাবু, আমরা গোলাম’ আর ‘রাবণ রাজা পেয়েছে কেমন কেমন সাজা’ নামে দুটো গান লিখেছিলেন জহর। সেগুলো সুর দিয়েছিলেন তাঁর সুরকার বন্ধু বলরাম দাস। গেয়েছিলেন কার্তিক কুমার ও বসন্ত কুমার। রেকর্ডিংও হয়েছিল। যদিও রেকর্ডটা আর পাওয়া যায় না।
কল্যাণীদেবীর আক্ষেপ, ‘সেই কাজেরও দাম পেলেন না বাবা। উনি যে ভালো গান লিখতে পারতেন, সেটা কতজন জানে বলুন তো!’
নাম-যশের পিছনে কখনওই ছুটে যাননি বাংলা সিনেমার এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী। নতুন বছরের শুরুতে বেশ কয়েকজন দরিদ্র ছেলেমেয়েদের বুকলিস্ট ধরে বইখাতা, জামা-কাপড় কিনে দিতেন তিনি। বাংলার বন্যাত্রাণে কমলাদেবী ১১ ভরি সোনা দিয়েছিলেন। এই ব্যাপারগুলো কমলাদেবী পছন্দ করতেন। স্বামীর হয়ে টেকনিশিয়ানদের বাড়ি গিয়ে টাকাপয়সা, জামাকাপড় দিতেন।
জহর ভালো উর্দু যেমন বলতেন, তেমনই ভালো ইংরেজিও বলতেন। প্রাইভেট টিউটর রেখে উর্দু শিখতেন। ‘মর্জিনা-আবদল্লা’ ছবিতে জহরের উর্দু উচ্চারণ তার প্রমাণ। নতুন জিনিস শেখার আগ্রহটা যে ছিল অফুরান। লাল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে রাখতেন বই। জামাকাপড়, সুগন্ধী আর চটির খুব শখ ছিল। কত জোড়া যে জুতো ছিল! রিহার্সালে গেলে প্যান্ট-শার্ট পরতেন না, সবসময় পাজামা-পাঞ্জাবি। ধুতিও খুব প্রিয় ছিল। আর সাদা রুমাল। ধর্মতলার এক টেলার্সের কাছ থেকে জামা-কাপড় তৈরি করাতেন। মৃত্যুর পর হঠাৎ একদিন তাঁর তৈরি করতে দিয়ে যাওয়া জামা-কাপড় নিয়ে এসে হাজির হয়েছিলেন ওই দোকানের এক কর্মচারী। যার পেমেন্ট আগেই করে গিয়েছিলেন জহর।
জীবনে একটা বড় ভুল করেছিলেন এই অভিনেতা। একটি সিনেমা প্রযোজনার কাজে হাত দিয়েছিলেন। পোড়খাওয়া অভিনেতা হলেও প্রযোজনার গলি-ঘুঁজি তাঁর জানা ছিল না। বন্ধুরা তাঁকে ঠকিয়েছিল। তিল তিল করে জমানো কষ্টার্জিত টাকা সব শেষ হয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছিলেন। ছবিটির কাজ মাঝ পথে বন্ধ হয়ে যায়। উল্টে ঘাড়ে চেপে যায় ৭৫ হাজার টাকার দেনা। ছ’য়ের দশকে ৭৫ হাজার টাকার মূল্য নিশ্চয়ই কারও অজানা নয়।
সেই দেনা শোধ করতে গিয়েই ফাংশনের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন জহর। একেক দিন ২-৩ টি করে শো। সে ফাংশন হোক বা থিয়েটার কল শো হোক বা যাত্রা। বেড়েছিল মদ্যপানের মাত্রাও। যেটাকে জহরের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসাবে অনেকেই মনে করেন। জহরের দোসর ভানু কিন্তু বলতেন, ‘ও ওভার ওয়ার্কে মারা গিয়েছে।’
ভানুপুত্র গৌতম বন্দ্যোপাধায় বলছিলেন, ‘বাবা বলতেন, জহর মহালয়ার দিন একটা আলোয়ান লইয়া বাইরইত। আর দোলের দিন সেই আলোয়ানটা তেল চিটচিটা কইর‌্যা বাড়ি ফিরা ফ্যালাইয়া দিত।’
শরীর দ্রুত ভাঙছিল। একটা সময় স্বাস্থ্যের প্রতি দারুণ নজর ছিল জহরের। ভানুর স্মৃতি বলছে, ‘বাতাসার সঙ্গে পেঁপের রস দিয়ে খেত, ছাগলের দুধ খেত।’ কিন্তু পরে লিভার আর পেরে উঠছিল না। ফিরে ফিরে আসছিল জন্ডিস। অনিয়ম করতেন। ইনসুলিন নিয়ে অনেক সময় না খেয়ে চলে যেতেন।
১৯৭৪ সালে শ্যুটিং হয় ঋত্বিক ঘটকের ‘যুক্তি তক্কোর...’। ওই সময়ই মহানায়কের সঙ্গে ‘ব্রজবুলি’। তখন চেহারা প্রায় কঙ্কাল। সিনেমার কেউ আর কাজ দিতে চায় না, এড়িয়ে যায়। রংমহলই সম্বল। ওই মঞ্চেই রিহার্সাল করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর এক বন্ধুর সহায়তায় স্ত্রী কমলাদেবী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেন। কমলাদেবী অনেকবার থাকতে চেয়েছিলেন অসুস্থ স্বামীর পাশে, কিন্তু ডাক্তাররা অনুমতি দেননি। সেই অভিমানে আর কোনওদিন মেডিক্যাল কলেজে পা রাখেননি তিনি।
ভর্তি করার পরের দিনই সকালে সেই বন্ধু এসে (জহর ‘মিত্র’ বলে ডাকতেন আর ছেলেমেয়েরা ডাকতেন ‘মিতে’) খবর দেন, জহর আর নেই। ১৯৭৭ সালের ১ আগস্ট। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, ‘জহরের কি দেশের কাছে এইটুকুই পাওনা ছিল সৌমিত্র? অন্য দেশ হলে স্যার উপাধি পেত।’ খবর পেয়ে জহরকে শেষ দেখা দেখতে এসেছিলেন সুচিত্রা সেন। বেথুন কলেজের সামনে দাঁড়ায় শোক মিছিল। গাড়ি থেকে নেমে লরিতে ওঠেন সুচিত্রা। অস্ফুটে বলেছিলেন, ‘তুমি চলে গেলে চার্লি!’ তারপর নিচু হয়ে মৃতের কপালে এঁকে দিয়েছিলেন চুম্বন। তখন জহরের মৃতদেহের পাশে ক্লাস এইটের সব্যসাচী— তাঁর পুত্র।
জহর-কন্যা কল্যাণীর আক্ষেপ, ‘এই ভানু-জহর কোনওদিনই তাঁদের প্রাপ্য সম্মান পেলেন না। কেউই তাঁদের জন্য কিছু করেনি। এ নিশ্চিত বাঙালির লজ্জা!’
(ক্রমশ)
 গানের রিহার্সালে কার্তিক কুমার ও বসন্ত কুমারের সঙ্গে জহর রায়।
অলঙ্করণ: বিশ্বনাথ ঘোষ
17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

10th  May, 2020
সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক।  
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
মাছভাজা
শ্যামলী আচার্য

হিতেন্দ্রনাথ সান্যালের কথা শেষ হল না। হয় না। ওঁর সাতচল্লিশ বছরের প্রাচীন জীবনসঙ্গিনী আজ অবধি কোনও বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করতে দেননি। একজন সিনিয়র সিটিজেনের বুকে ব্যথার সামান্য আভাসও তাঁকে বিচলিত করল বলে মনে হল না।
বিশদ

26th  April, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ২১

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

26th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২১

জহর রায়ের কৌতুক নকশার রেকর্ড করত মূলত মেগাফোন কোম্পানি। পরে পলিডোর কোম্পানি কিছু নকশা রেকর্ড করেছিল। ওদের কোম্পানি থেকে ১৯৭২ সালে বেরয় ‘ফাংশন থেকে শ্মশান’। পরের বছর কেতকী দত্তের সঙ্গে ‘সধবার একাদশী’।
বিশদ

26th  April, 2020
বিশ্বাস করুন
জয়ন্ত দে

বাবুমোহন এখন মানদা হয়ে ক্যামেরাম্যান। গোপালীর মুখে আচার। ‘আস্তে টিকটক হচ্ছে!’
কাজের বউ এখন এ বাড়িতে পা দেবে না। বিপদ যে কোথা থেকে আসে—মোহন নিজেই সাবধান বাণী দিয়েছিল। হাতে হাতে করে নেব। ওর ছুটি। ঘরে কাজ আমরাই সামলাব। সকালবেলা ঘর ঝাঁট দেওয়া, বাসন মাজা। বাসন তো সিঙ্গল নয়, ডাবল ডাবলে চলছে। একবার মাজলে হচ্ছে না। এতদিন নিজে যে খুঁত ধরতেন, এখন তা বুমেরাং হয়ে ফিরছে।
বিশদ

19th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ২০

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- নবম কিস্তি।
বিশদ

19th  April, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২০

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

19th  April, 2020
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুনের আঘাতে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এক হাজার কোটি টাকা অনুদান সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণাকে স্বাগত জানাল বাম ও কংগ্রেস। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুন বিধ্বস্ত এলাকার থানাগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের পরিষেবা মিলছে না। বিদ্যুৎ সংযোগ কবে ফের স্বাভাবিক হবে, তা কারওরই জানা নেই। আলো বলতে টর্চই ভরসা। কিন্তু তাও হাতেগোনা। এই অবস্থায় ইমার্জেন্সি লাইট ও টর্চ চেয়ে ঘন ঘন ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পঁচা ভাত দেওয়ার অভিযোগে তুলে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে শামিল হলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরে।  ...

  বেজিং, ২২ মে (পিটিআই): করোনা সঙ্কটের মধ্যেও দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়াল চীন। বাজেট বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৯০০ কোটি ডলার করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটের তিনগুণ। গতবছর চীনের প্রতিরক্ষা বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৪৮/২০ রাত্রি ১২/১৮। রোহিণীনক্ষত্র ৫৯/৪৬ রাত্রি ৪/৫২। সূর্যোদয় ৪/৫৭/২৯, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি।
৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ রাত্রি ১১/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। রোহিণীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/১২ মধ্যে কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৫৭ মধ্যে।
 ২৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ আরও ৩৯৬ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩,৬৬৯ 

08:26:36 PM

ইদ পালিত হবে ২৫ মে
আগামী ২৫ মে ইদ পালিত হবে। আজ চাঁদ দেখা যায়নি। ...বিশদ

08:05:14 PM

মহারাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হলেন ২,৬০৮ জন, মৃত ৬০ 

08:01:30 PM

সিকিমে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল 
প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল সিকিমে। দিল্লি থেকে ফেরা এক ...বিশদ

07:54:38 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও ১২৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:43:40 PM

 উপসর্গ না থাকলে এবার ১০ দিনেই ছুটি করোনা রোগীর
এবার থেকে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গ না থাকা করোনা ...বিশদ

07:34:00 PM