Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।

পর্ব ২৩

বিদ্যাসাগর মশায়ের সঙ্গে যে সে সময়ের কোন বিখ্যাত মানুষের পরিচয় ছিল না, তার তালিকা বোধহয় তৈরি করা যাবে না। তবে ঘনিষ্ঠতার নিরিখে এই তালিকা অনেকখানি আকারে ছোট হয়েই যাবে। আর সেই কথা লিখতে গেলেও মহাভারত হয়ে যাবে। ঘনিষ্ঠতা হলেই যে তা সবসময় গলায় গলায় হবে তার অর্থ নেই। যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ আর মদনমোহন তর্কালঙ্কারের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের তুলনা ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এঁদের সঙ্গে সম্পর্ক সাপে-নেউলের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র-বিদ্যাসাগরের কথা লিখতে গেলে তো আর একটা সাগর মন্থন হয়ে যাবে-তাতে অমৃত ওঠার সম্ভাবনা নেই- সবটাই গরল।
কিন্তু একজনের কথা আমাদের না বললেই নয়— তিনি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। দু’জনেই প্রায় একই সংলগ্ন দুটি প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করেছিলেন — বলতে গেলে হিন্দু কলেজ একসময় সংস্কৃত কলেজের ইমারতেই বেশ কিছুদিন পঠন পাঠনের কাজ চালিয়েছিল। তাতেও বন্ধুত্ব হওয়ার সুযোগ হয়নি। আসলে হিন্দু কলেজের ‘ম্লেচ্ছপনা’ নিয়ে সংস্কৃত কলেজের একটা ছুৎমার্গ ছিলই। যতদূর জানতে পারা যায় দু’জনের গা ছাড়া সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ১৮৬০ সালে। বিদ্যাসাগর তখন ৪০ বছরের আর মধুসূদনের বয়স ৩৬। বাংলা ভাষায় প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার হয়েছিল মধুসূদনের যে গ্রন্থে সেই ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ কাব্য ঘিরেই এই আলাপ। বইটা বের হবার পর খুব হইচই পড়ে গিয়েছিল। বিদ্যাসাগর মশায়ের বন্ধু দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ মশায় তাঁর সম্পাদিত ‘সোমপ্রকাশ’ পত্রিকায় একটা বেড়ে সমালোচনা ছাপিয়ে দেন। তা হলেও তাঁর বন্ধু বিদ্যাসাগর মশায়ের কাজটি মোটেও ভালো লাগেনি প্রধানত এর নতুন ধরনের ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’র জন্য। এই ছন্দের মহিমা এবং মাধুর্য সাহিত্যকার ও পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র প্রথমে বুঝতে পারেননি বলেই মধুসূদন জানিয়েছিলেন তাঁর বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে একটা চিঠিতে। অবশ্য আমরা একথাও জেনেছি যে, বছরখানেকের মধ্যেই বিদ্যাসাগর মশায়ের মত বদলে যায় এবং তিনি এই ছন্দের গভীর ভক্ত হয়ে ওঠেন। কিন্তু তখনই তিনি যে মধুর বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন এমনটা সম্ভবত ঘটেনি। তবে, ‘বিদ্যাসাগর তিলোত্তমা পড়ে নিন্দা করেছেন’-মধুসূদনের ক্ষেত্রে এমনতর দিন অবশ্য ততদিনে বদলে গিয়েছিল— তিনি মধুর বড় পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠেছিলেন? নাকি মধুই বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠেছিলেন? দেখা যাক! বিধবা বিবাহ পর্ব তখন রীতিমতো জমে উঠেছিল এবং বিদ্যাসাগর মশায় যে টাকা-পয়সা উদার হাতে শুধু খরচই করেন না, দানও করেন এবং ঋণও দেন প্রায় বিচার-বিবেচনা না করেই। এটাই মধুসূদনের তুরুপের তাস হয়ে উঠেছিল। তবে এটাই সর্বস্ব নয়। না হলে মধু তাঁর প্রিয় পত্র-কাব্য ‘বীরাঙ্গনা’ বিদ্যাসাগরকেই উৎসর্গ করবেন কেন? তাতে তিনি লিখেছিলেন—
মঙ্গলাচরণ।
বঙ্গকুলচূড় শ্রীযুক্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহোদয়ের চিরস্মরণীয় নাম শিরোমণিরূপে স্থাপিত করিয়া, কাব্যকার ইহা উক্ত মহানুভবের নিকট যথোচিত সম্মানের সহিত উৎসর্গ করিল। ইতি। ১২৬৮ সাল। ১৬ই ফাল্গুন।
এ থেকে সহজেই বোঝা যাচ্ছে ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ জনিত মানসিক দূরত্ব এরই মধ্যে দূরীভূত হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত মধুসূদন বিদ্যাসাগরের কাছ থেকে টাকা-পয়সা চেয়ে প্রতিষ্ঠিত ঋণীতে পরিণত হননি। মনে করা হয়, দু’জনের আলাপ পরিচয়ের সাংস্কৃতিক সূচনা হয়েছিল পাইকপাড়াতে রাজসন্তান ঈশ্বরচন্দ্র ও প্রতাপচন্দ্র সিংহের সঙ্গে বিদ্যাসাগরের বন্ধুত্বের সুবাদে। তাঁর বাড়িতে যাতায়াত ছিল মধুসূদনেরও। তাঁর ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটকের অভিনয়সূত্রে পাইকপাড়ার রাজভ্রাতৃদ্বয়ের নৈকট্য পেয়েছিলেন মাইকেল। তখনই উভয়ের সম্মিলন ঘটে থাকা স্বাভাবিক।
এই স্বাভাবিকতা আমরা দেখেছি বর্ধমানে যখন গিয়েছিলেন তখনও। বর্ধমান পুরসভার গা লাগোয়া দুটি পথের নাম জি এন মিত্র রোড ও পি সি রোড। এই নামকরণ হয়েছিল যে দুই খুড়ো-ভাইপোর নামে সেই গঙ্গানারায়ণ এবং প্যারীচাঁদ বিদ্যাসাগরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। এতই ঘনিষ্ঠতা ছিল যে বর্ধমান মহারাজ মহাতাপচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুরাগী হওয়ায় তাঁকে রাজবাড়ির আতিথ্য স্বীকার করার অনুরোধ করলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি মিত্র-বন্ধুদের সঙ্গে থাকবেন বলে। এখানকার দীনহীন অধিবাসীদের বিদ্যাসাগর খেতে-পরতে দিতেন এবং নিজের হাতে তেল নিয়ে শিশু বালক-বালিকাদের রুক্ষ মাথার চুল পরিপাটি করে দিতেন। তাঁর অন্য এক বন্ধু ছিলেন বর্ধমান শহরের চকদিঘি অঞ্চলের সারদাপ্রসাদ বসু— তাঁর কাছেও তিনি থাকতেন। একবার মধুসূদন গেলে তাঁকে নিয়ে বিদ্যাসাগর বর্ধমান রাজ কলেজের সামনের বিস্তৃত সরোবর শ্যামসায়রে গিয়েছিলেন এবং মহানন্দে মধুসূদন সাঁতার কেটেছিলেন। পরমানন্দ পেয়ে মুধুসূদন বিদ্যাসাগরকে vid, vid বলে চিৎকার করে ডেকে তাঁর আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন।
এই সম্পর্কটি কিছুটা গতানুগতিক হয়েছিল, যখন মধুসূদন তাঁর বেহিসেবী জীবনযাপন করতে গিয়ে ক্রমাগত ঋণভারে ফতুর হয়ে পড়েছিলেন। আর প্রায় প্রতিবারই বিদ্যাসাগরের কাছে টাকা ঋণ করেছেন। পৈত্রিক সম্পত্তি বন্ধক দিয়েছেন, বিক্রি করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে টাকা আদায় করে মধুসূদনকে পাঠাতে বলেছেন। একবারই বিদ্যাসাগর প্রবল বিরক্তি প্রকাশে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু সর্বদাই হাসিমুখে বিদ্যাসাগর তাঁর সব অত্যাচার সহ্য করে গিয়েছেন। তাঁর ইতিহাস দীর্ঘ। কিন্তু এই বিদ্যাসাগর সম্পর্কে মধু যা বলেছিলেন ঋণ করার সূত্রে তা প্রবাদে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। হেনরিয়েটাকে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এমন একজনকে টাকা পাঠাতে বলেছি— যাঁর প্রজ্ঞা ছিল প্রাচীন ঋষিতুল্য, সাহস ছিল ইংরেজের মতো এবং যাঁর হৃদয় ছিল বাঙালি মায়েদের মতো’-the heart of a Bengali mother.
আর আমরা বিদ্যাসাগরকে যে ‘দয়ার সাগর’, ‘করুণা সাগর’ বলে আহ্বান করি, তাঁর সূত্রপাতও করে গিয়েছেন মধুকবি দূরপ্রবাসে রচিত চতুর্দশপদী কবিতায়:
‘বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে
করুণার সিন্ধু তুমি সেই জানে মনে,
দীন যে দীনের বন্ধু!- উজ্জ্বল জগতে
হিমাদ্রির হেম-কান্তি অম্লান কিরণে।
কিন্তু ভাগ্যবলে! পেয়ে সে মহাপর্বতে,
যেজন আশ্রয় লয় সুবর্ণ চরণে,
সেই জানে কত গুণ ধরে কত মতে...’
(ক্রমশ)
অলঙ্করণ: সোমনাথ পাল 
10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক।  
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
মাছভাজা
শ্যামলী আচার্য

হিতেন্দ্রনাথ সান্যালের কথা শেষ হল না। হয় না। ওঁর সাতচল্লিশ বছরের প্রাচীন জীবনসঙ্গিনী আজ অবধি কোনও বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করতে দেননি। একজন সিনিয়র সিটিজেনের বুকে ব্যথার সামান্য আভাসও তাঁকে বিচলিত করল বলে মনে হল না।
বিশদ

26th  April, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ২১

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

26th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২১

জহর রায়ের কৌতুক নকশার রেকর্ড করত মূলত মেগাফোন কোম্পানি। পরে পলিডোর কোম্পানি কিছু নকশা রেকর্ড করেছিল। ওদের কোম্পানি থেকে ১৯৭২ সালে বেরয় ‘ফাংশন থেকে শ্মশান’। পরের বছর কেতকী দত্তের সঙ্গে ‘সধবার একাদশী’।
বিশদ

26th  April, 2020
বিশ্বাস করুন
জয়ন্ত দে

বাবুমোহন এখন মানদা হয়ে ক্যামেরাম্যান। গোপালীর মুখে আচার। ‘আস্তে টিকটক হচ্ছে!’
কাজের বউ এখন এ বাড়িতে পা দেবে না। বিপদ যে কোথা থেকে আসে—মোহন নিজেই সাবধান বাণী দিয়েছিল। হাতে হাতে করে নেব। ওর ছুটি। ঘরে কাজ আমরাই সামলাব। সকালবেলা ঘর ঝাঁট দেওয়া, বাসন মাজা। বাসন তো সিঙ্গল নয়, ডাবল ডাবলে চলছে। একবার মাজলে হচ্ছে না। এতদিন নিজে যে খুঁত ধরতেন, এখন তা বুমেরাং হয়ে ফিরছে।
বিশদ

19th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ২০

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- নবম কিস্তি।
বিশদ

19th  April, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২০

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

19th  April, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পঁচা ভাত দেওয়ার অভিযোগে তুলে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে শামিল হলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: করোনা-আতঙ্কে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে আর্সেনিক অ্যালবাম-৩০ ওষুধের চাহিদা তুঙ্গে উঠেছে। চাহিদার জেরে মেদিনীপুর হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কর্মীরা ওষুধের জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।   ...

  বেজিং, ২২ মে (পিটিআই): করোনা সঙ্কটের মধ্যেও দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়াল চীন। বাজেট বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৯০০ কোটি ডলার করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটের তিনগুণ। গতবছর চীনের প্রতিরক্ষা বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুনের আঘাতে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এক হাজার কোটি টাকা অনুদান সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণাকে স্বাগত জানাল বাম ও কংগ্রেস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৪৮/২০ রাত্রি ১২/১৮। রোহিণীনক্ষত্র ৫৯/৪৬ রাত্রি ৪/৫২। সূর্যোদয় ৪/৫৭/২৯, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি।
৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ রাত্রি ১১/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। রোহিণীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/১২ মধ্যে কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৫৭ মধ্যে।
 ২৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ আরও ৩৯৬ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩,৬৬৯ 

08:26:36 PM

ইদ পালিত হবে ২৫ মে
আগামী ২৫ মে ইদ পালিত হবে। আজ চাঁদ দেখা যায়নি। ...বিশদ

08:05:14 PM

মহারাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হলেন ২,৬০৮ জন, মৃত ৬০ 

08:01:30 PM

সিকিমে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল 
প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল সিকিমে। দিল্লি থেকে ফেরা এক ...বিশদ

07:54:38 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও ১২৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:43:40 PM

 উপসর্গ না থাকলে এবার ১০ দিনেই ছুটি করোনা রোগীর
এবার থেকে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গ না থাকা করোনা ...বিশদ

07:34:00 PM