Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক। একজন আশি অন্যজন চুরাশি। দুজনকে বয়স ধরতে পারেনি। তাদের এই বয়স ধরে রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে দুজনেই হাসেন, কোনও উত্তর করেন না। সেই হাসির মধ্যে উল্টোদিকের মানুষটার প্রতি ভালোবাসা যেমন আছে, অবজ্ঞাও আছে। হয়তো ভাবের মধ্যে এই কথাটাও আছে, তুমিও পার, চেষ্টা কর।
....
রোজের মতো সকালবেলা দুজনে মুখোমুখি বসে আছেন। সরলা স্নান
সেরে আসবে তারপর ভারতী চা বানাবেন। সরলা চা খেয়ে বাজার যাবে। সুমন ভাবছিলেন, নিজে আজ বাজার যাবেন। মাঝে মাঝেই যে বাজার বা দোকান যাওয়ার বায়না করেন না, তাও নয়। তবে ভারতী যেতে দেন না। সরলা আসার আগেই সুমন একবার বলেছিলেন, ‘আজ আমি বাজার যাই?’
—না।
—সরলা তো সঙ্গে থাকবে।
—অসুবিধা হলে সরলা সামলাতে পারবে না।
—অসুবিধা কিছু হবে না।
—বাজার যাওয়ার বায়না না করে লিস্ট বানাও, সরলা আসলেই পাঠিয়ে দেব।
সুমন কোনও কথা বলে না।
....
বিধাননগরের এই বাড়িটায় তখন ওরা সবে এসেছে। দোতালা বাড়িতে উপরে তিনটে নীচে তিনটে ঘর। বাড়ি করার সময়ে একটা শর্ত হয়েছিল, মিতালি আর অপু উপরে থাকবে, নীচে সুমন আর ভারতী। উপরে কোনও রান্নাঘর হবে না। সেই জায়গায় একটা স্টাডিরুম হবে। স্টাডি এমন জায়গায় করতে হবে যাতে আলো হাওয়া খেলে। সেই মতোই বাড়ি তৈরি করেছিল সুমন। ওদের হিসেব ছিল না, ওই বছর ওদের বিয়ের তিরিশ বছর। হঠাৎ দুপুরে খেতে বসে বউমা আবিষ্কার করে, কাল বিবাহবার্ষিকী। পরের দিন রবিবার পড়েছিল। ফলে শনিবার থেকেই অপু আর মিতালি হই হই শুরু করছিল। কী কী হবে, কাকে কাকে ডাকতে হবে।
সন্ধেবেলা চা-জলখাবার খেয়ে ওরা দু’জনে গিয়েছিল, কেক অর্ডার দেবে আর কী কী সব আনবে। ওরা না ফিরলে দুজন কিছু করতেও পারছেন না। দুজনে বেরল বাজার করতে। কত কী বাজার করল কে জানে। তিরিশ বছরের বিবাহবার্ষিকীতে কী কী লাগে তাও তো সুমন-ভারতী জানেন না। ডোডোকে কোলে নিয়ে বসে ছিলেন। রাতে থানা থেকে ফোনটা এসেছিল। মনে হয়েছিল এত জোরে বোধহয় ফোনটা কোনও দিন বাজেনি। তখনও মোবাইল যুগ শুরু হয়নি। সুমনই দৌড়ে গিয়ে ফোনটা ধরেছিল। ওপার থেকে শুধু জিজ্ঞাসা করেছিল, স্কুটারটা কি ভেস্পা এলএমএল? নম্বরটা মিলিয়ে হ্যাঁ বা না বলবেন। সুমন হ্যাঁ বলার সঙ্গে সঙ্গে টেলিফোনটা উল্টোদিকের লোকটা রেখে দেয়। আবার অপেক্ষা...
থানা থেকে কেন ফোন করল? আর তো কিছু বলল না। থানা থেকে ফোন আসায় দুজনেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। প্রতিবেশী এবং নিকট আত্মীয়দের খবরও দেওয়া হয়েছিল। রাত পোহাতেই অনেকে এসে গিয়েছিল। সারারাত সুমন-ভারতী অনিশ্চিত সন্দেহ যেন ভুল হয়, এই প্রার্থনা করে গেলেন।
সকালে অনেকেই নানা কথা জিজ্ঞাসা করছিল। ভারতীর কিছু ভালো লাগছিল না। ভেস্পা এলএমএল স্কুটারটা ছাড়া ওরা এল— নিথর, নিঃস্পন্দ। সবাই বলাবলি করছিল, সিএ আইল্যান্ডের কাছে ঘটনাটা ঘটেছে। এত কাছে বাবু আর বউমা রাস্তায় পড়েছিল, যদি একবার কেউ জানাত। সুমন ভাবছিলেন বিবাহবার্ষিকীর কোনও অনুষ্ঠান সে তো করে না, কোনওদিনই করেনি। তাহলে কেন বাধা দিল না? বউমা হঠাৎ মেতে উঠল। তারপর বাবুকে নিয়ে বেরিয়ে গেল।
ডোডো তখন সবে দুই পূর্ণ করেছে।
....
লোকের কথায় উত্তর না দিয়ে সুমন আর ভারতী মনে মনে বলে, আমাদের বয়স বাড়বে কী করে? আমরা সাতান্ন বছর আর চুয়ান্ন বছরে নতুন সন্তান পেয়েছি। আমাদের তো বয়স ধরে রাখতেই হবে। মনই বোধ হয় ওদের বয়সটাকে ধরে রেখেছে।
সবকিছু একপাশে সরিয়ে রেখে ওরা ডোডোকে বড় করে তুলেছে। ডোডো সুমনকে ডাকে বুবু আর ভারতীকে ভা। ও এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় বউ নিয়ে আছে। ওদের একটা ছেলে হয়েছে। তার নাম অর্জুন। আজ চার বছর ডোডো বিদেশে।
....
আগে রোজ সন্ধ্যায় স্কাইপে কথা হতো। গত ডিসেম্বরে এসে দুটো স্মার্ট ফোন দিয়ে গিয়েছে। এখন ভিডিও কল হয়। রোজ কথা বলতে হয়। কী রান্না হয়েছে দেখাতে হয়। বাড়িঘর ঘুরে ঘুরে দেখাতে হয়। এমনকী সরলার সঙ্গেও কথা বলে অনেক কিছু জানতে চায়। বুবু আর ভা কেমন আছে? ঠিকমত খাওয়া-দাওয়া করছে কিনা। জামা-কাপড় পরিষ্কার পরছে কিনা। কিছু অপছন্দ হলে সরলা বকাও খায়। সরলা ফোন ধরলেই বলে, ‘ব্যালকনিতে যাও।’ ওদের সামনে কিছু সরলাকে বলে না। প্রতি বছর নববর্ষ, পুজো আর জন্মদিনে উপহার আসে।
ডোডোর বউ অপা কথায় কথায় জানতে চেয়েছিল, তোমাদের কবে বিয়ে হয়েছিল? ভারতী তারিখটা বলতে চাননি। আবার বিয়ের দিন? অপা বার বার জিজ্ঞাসা করেছে, ‘এরকম করছ কেন? তারিখটা বলতে অসুবিধা কী?’
—একটা শর্ত আছে।
—বলো।
—ওই তারিখে কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না।
অপা কথা দেওয়ায় তারিখটা বলে ফেলেছিল। সেই থেকে বিবাহবার্ষিকীতে শুধু উপহার নয় স্পেশাল মেনু করতে হয় শুধু বুড়োবুড়ির জন্য।
....
সুমন-ভারতী জেনে গিয়েছেন আমাদের বিকেল হলে ওদের সকাল হয়। তখন ওরা কথা বলবে। যেদিন বিকেলে অফিস থেকে ফিরে ডোডো বলল, আমাকে ক্যালিফোর্নিয়া বদলি করতে চাইছে। অফিস থেকে এই চিঠিটা ধরিয়ে দিয়েছে। বসকে বলেছি, আমি চলে গেলে দাদু-ঠাকুমা একা হয়ে যাবে। আমি বোধ হয় পারব না।
উনি বললেন, তোমার তো উন্নতি হচ্ছে। দু-চার বছর পর ফিরে আসবে।
‘এরপর আমি আর কিছু বলিনি। বসের সামনে আর কিছু বলাও যায় না।’
....
সুমন চিঠিটা দু’বার পড়ল। ডোডোর জীবনে উন্নতির এটা একটা বড় সুযোগ। সব সময়ে আসে না। ডোডো বিদেশ যাবে। ঠাকুমার মুখে শোনা একটা গল্প মনে পড়ল সুমনের। এই গল্পটা সুরবালা দেবী প্রায়ই করতেন। বলতেন, ‘তোর বাবা যেবার জগন্নাথ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েট হল, সে বছরেই কলকাতা পুরসভার চাকরিটা পায়। তোর বাবাকে বার বার বলেছিলাম, কলকাতায় যাস না। সেখানে পরী ঘোরে, জিন ঘোরে, তোকে পাল্টে দেবে। তোর বাপ- ঠাকুরদা লেখাপড়া শিখে দেশে জীবন কাটাল, তুই কেন কলকাতা যাবি?’ বাবা নাকি বলেছিলেন, ‘কলকাতা না গেলে উন্নতি হবে না।’ প্রায় জোর করেই এসেছিলেন। আসার সময়ে সুরবালা বলেছিলেন, ‘কলকাতায় মেয়েদের চোখের দিকে তাকাবি না। এক নিমেষেই ভেড়া বানিয়ে দেবে।’ বাবা কথাটা শুনে হেসেছিলেন। সুরবালা তো কলকাতা দেখেননি। তিনিও দেশভাগের পর ভারতে এসেছিলেন। এদেশ তাঁর ভালো লাগেনি। এ শহরে প্রাণ নেই, প্রকৃতি নেই। মানুষ শুধু খায় আর ঘুমায়। প্রায়ই বলতেন ,‘আমি দেশে ফিরে যাব।’
....
সুমনের হাতে চিঠি, চোখ দুটো জলে ভিজে গিয়েছে। চিঠি দিয়ে মুখটা ঢেকে রেখেছেন, যাতে অন্য দুজন দেখতে না পায়। ডোডো চলে যাবে। ক্যালিফোর্নিয়ায় জিন বা পরী আছে কিনা সুমন জানেন না। তবে ডোডো চলে গেলে বাড়িটা ফাঁকা হয়ে যাবে। ডোডোকে ছাড়া ভারতী বাঁচতে পারবে? ডোডোও কি থাকতে পারবে ভা'কে ছাড়া? কিংবা সুমন নিজেও?
চিঠিটা পড়ে ভারতী হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন। একবারের জন্যেও সম্মতি দেননি। বার বার বলেছেন, তোকে চাকরি করতে বিদেশ যেতে হবে না। আমাদের যা আছে, তোর দিব্য চলে যাবে। তুই কোথাও যাবি না। আমার কাছে থাকবি। আমি তোকে ছাড়া থাকতে পারব না।
....
পরদিন অফিস থেকে অপরাজিতাকে নিয়ে ফিরল। অপরাজিতা এ বাড়িতে অনেক এসেছে। ওরা এক ক্লাসে পড়ত। ওকে অপা বলেই সবাই ডাকে। অপা ঢুকেই বুঝতে পেরেছে দাদু-ঠাকুমা দুজনে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন। অপেক্ষা করছেন, ডোডো কী সিদ্ধান্ত নেয়। সরলা টেবিলে চা-জলখাবার দিয়েছে। সুমন ডোডোর মুখোমুখি বসেছেন, সাধারণত পাশাপাশি বসেন। চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, তুমি কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছ? বা অফিস তোমার কথা শুনে কিছু বলেছে?
ডোডো বলল, ‘আমি ভাবলাম, আমি চলে গেলে তোমরা একা হয়ে যাচ্ছ। তোমাদের বয়সে সেটা খুবই কষ্টকর। আচ্ছা, যদি এই চারবছর অপা তোমাদের কাছে থাকে?’
কোন অধিকারে ও আমাদের কাছে থাকবে?
সুমন আরও কিছু বলতে চাইছিলেন, ভারতী হাত দেখিয়ে থামিয়ে দিলেন। দুজনের দিকে ভালো করে তাকালেন, ‘তাহলে বিয়েটা করেই বিদেশ যাও।’
হয়তো ওরা দুজনেও এই বাক্যটাই শুনতে চাইছিল, তাই মাথা নিচু করে খেতে থাকল।
....
অর্থাৎ ডোডো বিদেশ যাচ্ছে।
সুমন অমলেটের একটা কোণা মুখে দিয়ে বললেন, এত ঝাল দিস কেন। জানিস তো আমি ঝাল খেতে পারি না। নিয়ে যা এসব। আমাকে বরং ঘরে এক কাপ চা দে। ওদের বললেন, তোমরা খাও, আমি একটু ঘরে যাই।
....
সরলা বাজার থেকে তিনরকম মাছ এনেছে। সুন্দর গার্নিশ করে বিকেলের প্লেটগুলো সাজিয়ে রেখেছে। ছবি দেখাতে হবে তো! আজ এগারোই আগস্ট, আজও রবিবার। সরলা সুন্দর করে সব কিছু সাজিয়েছে। ফুলদানিতে ফুল। একবার প্লাস্টিকের ফুল দেখে ডোডো রেগে গিয়েছিল। এসব সরলা খুব মনে রাখে। এমনকী সুমন আর ভারতীকেও সাজিয়ে বসিয়ে রেখেছে।
....
বিয়ের পনেরো দিনের দিন ডোডো বিদেশ যায়। ও বার বার বলেছিল, অপা চারবছর তোমাদের কাছেই থাকুক। দেখবে দেখতে দেখতে সময়টা কেটে যাবে। ভারতী রাজি হননি। বলেছিলেন, ‘তুমি ওকে সঙ্গে নিয়েই যাও।’
—কেন?
—নতুন বউ কেন এখানে থাকবে?
—তোমাদের দেখবে!
—না। ও তোমার সঙ্গে যাবে।
—তুমি আমার উপর রাগ করেছ!
ভারতী হেসে ফেলেন, ‘রাগ দুঃখের কিছু নেই ভাই। নতুন বউ বরের কাছে থাকবে না তো আমার কাছে থাকবে? এটা হয়? সমাজ ভালো চোখে নেবে না।’
—ঠিক আছে আমি ছ’মাস পরে নিযে যাব। তার আগে তো নিয়ে যেতে পারব না।
ভারতী অপার পিঠে হাত রেখেছিলেন। বাক্যটা শুনে অপার শুধু মুখ উজ্জ্বল হয়নি, শরীরের ভিতরেও তরঙ্গের উদ্ভব হয়েছে, এটা বুঝতে পেরেছেন।
ভারতীয় সময় ঠিক ছ’টায় দুটো ফোনই বেজে উঠল, হ্যাপি এনিভার্সারি, প্রণাম নিও।
এরপরের কাজটা সরলার। ফোন হাতে নিয়ে আগুপিছু হয়ে আপাদমস্তক পোশাক-আশাক দেখানো হল। তারপর যার যার ফোন তাঁর হাতে দেওয়া হল। প্রথমে অপা ভা-এর সঙ্গে আর ডোডো সুমনের সঙ্গে কথা বলল। তারপর ওরা ফোন পাল্টে নিল। ডোডো আর ভা, অন্য ফোনে সুমন আর অপা কথা বলল। তার মধ্যে ওদের আটমাসের ছেলেকেও দেখা হল। ফোন আবার সরলার হাতে গেল। রান্নাগুলো দেখাতে হবে যে। অপা অনেক রেসিপিও জেনে নিল।
....
দ্বিতীয়বার ফোন আসবে রাত আটটায়, ডোডোর কথা অনুযায়ী ওই সময়ে দু’জনকে পাশাপাশি খেতে বসতে হবে। সরলা দু’হাতে দুটো ফোন ধরে রাখবে। সাত সমুদ্র তেরো নদীর পার থেকে ওরা দেখবে সুমন আর ভারতী খাচ্ছেন। বিষয়টা ভেবে দু’জনেই খুব আনন্দ পান।
খেতে খেতে সুমনের মনে পড়ল, ডোডোর তো চার বছর হয়ে যাওয়ার কথা সামনের মাসে। তাহলে তো ডোডো ফিরে আসবে। কথাটা একদম মনে ছিল না।
....
খাওয়া শেষ হলে ডোডো বলল, ‘বুবু, একটা সারপ্রাইজ আছে।’
—কী?
—হোয়াটস্অ্যাপ করেছি।
—বিষয়টা কী?
আজ অফিস একটা চিঠি ধরিয়ে দিয়েছে। তোমাকে ছবি পাঠিয়েছি। আমাকে আরও ছ’বছর থাকতে হবে। ওরা আমাকে এই ছ’বছরের ভিসাও দিয়েছে। আর তিন মাস অন্তর রিনিউ করতে হবে না।
সুমন কথা বলতে পারছিলেন না। ঠাকুমা সুরবালার কথা মনে পড়ে গেল। তিনি বলতেন, ‘দেশ ভাগ হয় নাই, সুখ আরও সুখের জন্য আমরা দেশ ছেড়েছি। দেশ ফাঁকা হয়ে গেছিল। পুরুষহীন দেশ, সেই সুযোগেই ওরা আমাদের তাড়িয়েছে। সুখের কাজল খুব দামি, সহজে মোছা যায় না।’
ডোডো বার বার বলছে, ‘কী ব্যাপার কথা বলছ না কেন?’
সুমন খুব আস্তে আস্তে বললেন, ‘আরও ছ’বছর? আমি কি অতদিন বাঁচব?’ 
10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
মাছভাজা
শ্যামলী আচার্য

হিতেন্দ্রনাথ সান্যালের কথা শেষ হল না। হয় না। ওঁর সাতচল্লিশ বছরের প্রাচীন জীবনসঙ্গিনী আজ অবধি কোনও বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করতে দেননি। একজন সিনিয়র সিটিজেনের বুকে ব্যথার সামান্য আভাসও তাঁকে বিচলিত করল বলে মনে হল না।
বিশদ

26th  April, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ২১

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

26th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২১

জহর রায়ের কৌতুক নকশার রেকর্ড করত মূলত মেগাফোন কোম্পানি। পরে পলিডোর কোম্পানি কিছু নকশা রেকর্ড করেছিল। ওদের কোম্পানি থেকে ১৯৭২ সালে বেরয় ‘ফাংশন থেকে শ্মশান’। পরের বছর কেতকী দত্তের সঙ্গে ‘সধবার একাদশী’।
বিশদ

26th  April, 2020
বিশ্বাস করুন
জয়ন্ত দে

বাবুমোহন এখন মানদা হয়ে ক্যামেরাম্যান। গোপালীর মুখে আচার। ‘আস্তে টিকটক হচ্ছে!’
কাজের বউ এখন এ বাড়িতে পা দেবে না। বিপদ যে কোথা থেকে আসে—মোহন নিজেই সাবধান বাণী দিয়েছিল। হাতে হাতে করে নেব। ওর ছুটি। ঘরে কাজ আমরাই সামলাব। সকালবেলা ঘর ঝাঁট দেওয়া, বাসন মাজা। বাসন তো সিঙ্গল নয়, ডাবল ডাবলে চলছে। একবার মাজলে হচ্ছে না। এতদিন নিজে যে খুঁত ধরতেন, এখন তা বুমেরাং হয়ে ফিরছে।
বিশদ

19th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ২০

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- নবম কিস্তি।
বিশদ

19th  April, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২০

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

19th  April, 2020
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুনের আঘাতে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এক হাজার কোটি টাকা অনুদান সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণাকে স্বাগত জানাল বাম ও কংগ্রেস। ...

  বেজিং, ২২ মে (পিটিআই): করোনা সঙ্কটের মধ্যেও দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়াল চীন। বাজেট বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৯০০ কোটি ডলার করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটের তিনগুণ। গতবছর চীনের প্রতিরক্ষা বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুন বিধ্বস্ত এলাকার থানাগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের পরিষেবা মিলছে না। বিদ্যুৎ সংযোগ কবে ফের স্বাভাবিক হবে, তা কারওরই জানা নেই। আলো বলতে টর্চই ভরসা। কিন্তু তাও হাতেগোনা। এই অবস্থায় ইমার্জেন্সি লাইট ও টর্চ চেয়ে ঘন ঘন ...

  মুম্বই, ২২ মে (পিটিআই): কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি এবং চ্যারিটেবল হাসপাতালের শয্যার ভাড়ার তিনটি ধাপে বেঁধে দিল মহারাষ্ট্র সরকার। একইসঙ্গে সরকার ঠিক করেছে, এই স্ল্যাবের মধ্যে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য মোট বেডের ৮০ শতাংশ ধরে রাখতে হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৪৮/২০ রাত্রি ১২/১৮। রোহিণীনক্ষত্র ৫৯/৪৬ রাত্রি ৪/৫২। সূর্যোদয় ৪/৫৭/২৯, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি।
৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ রাত্রি ১১/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। রোহিণীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/১২ মধ্যে কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৫৭ মধ্যে।
 ২৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ আরও ৩৯৬ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩,৬৬৯ 

08:26:36 PM

ইদ পালিত হবে ২৫ মে
আগামী ২৫ মে ইদ পালিত হবে। আজ চাঁদ দেখা যায়নি। ...বিশদ

08:05:14 PM

মহারাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হলেন ২,৬০৮ জন, মৃত ৬০ 

08:01:30 PM

সিকিমে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল 
প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল সিকিমে। দিল্লি থেকে ফেরা এক ...বিশদ

07:54:38 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও ১২৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:43:40 PM

 উপসর্গ না থাকলে এবার ১০ দিনেই ছুটি করোনা রোগীর
এবার থেকে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গ না থাকা করোনা ...বিশদ

07:34:00 PM