Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

 অথৈ সাগর
পর্ব ২১

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।

গোঁড়ামি বিদ্যাসাগরের ধাতে ছিল না। একবার এক গোঁড়া ব্রাহ্মণ এসেছেন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। সেই সময় কয়েকজন অব্রাহ্মণ ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আগন্তুককে প্রণাম না করায় সেই গোঁড়া ব্যক্তি প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করেন। তিনি সরাসরি বলে বসেন, ‘এই অর্বাচীনদের উদ্দেশে বলছি, ব্রাহ্মণরা বর্ণশ্রেষ্ঠ, তাঁরা বেদ-উপনিষদ জানেন। তাই অব্রাহ্মণদের সর্বদা ব্রাহ্মণদের প্রণাম করা উচিত।’ কথাটা শুনে বিদ্যাসাগরের বেশ মজা লাগল। তিনি তাঁকে কটাক্ষের সুরে বললেন, ‘পণ্ডিতমশাই, আপনি তো বিষ্ণুর দশাবতারের কথা জানেন। বিষ্ণু একবার বরাহ অবতারে ধরা ধামে এসেছিলেন। তাহলে ডোমপাড়ায় যত শুয়োর আছে, সবকটাকেই ভক্তি ভরে প্রণাম করা উচিত, কি বলেন?’
বিধবাবিবাহ প্রচলনের মাধ্যমেও সামাজিক গোঁড়ামির শৃঙ্খল ভেঙেছিলেন এই বিদ্যাসাগর। বিধবাবিবাহ প্রচলনের জন্য বিদ্যাসাগরের মেহনত ও খ্যাতি দেশ ও দশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। কিন্তু হিন্দু বিবাহের আরও দুটি বিষয়েও তাঁর উদযোগের কথা আড়ালে চলে গিয়েছে। অথচ বিধবাবিবাহের সঙ্গে এই দুটি বিবাহ-প্রথা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত ছিল। ঩বিধবাবিবাহের জন্য শারীরিক লড়াই ও অর্থ বিনিয়োগের চূড়ান্ত অবস্থায় যাওয়ার আগে থেকে তিনি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলেন যে, কৌলীন্য প্রথার সুযোগ নিয়ে যাঁরা বহু সংখ্যক বিবাহ করবেন— তাঁদের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বিবাহিত স্ত্রীদের অনিবার্য বৈধব্য বিধবাবিবাহ প্রথাকে জটিলতর করে তুলেছে। আবার মেয়েদের অতি অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার জন্য বয়স্ক স্বামীর মৃত্যুতে বাল্য বিধাবাদের সংখ্যা অনেক বেড়ে যেত। অবশ্য বিধবা বিবাহের যে আইন পাশ করা হয়েছিল-তাতে যে সব বিধাবাদের বিয়ে হতো তাঁরা সকলে বৈধব্যের বেশ কিছুকাল পরে বিবাহিত হয়েছিলেন। বিধবাদের ক্লেশের অন্যতম দুটি কারণ বহুবিবাহ এবং বাল্য বৈধব্য— তা উপলব্ধি করেছিলেন বলে বিদ্যাসাগর মশায় এই দুটি প্রথা যাতে নিরুদ্ধ হয়, তার জন্যও অনেকরকম চেষ্টা করেছিলেন।
এবারেও এই বিষয়ে বিদ্যাসাগর মশায়কে পথিকৃৎ ভাবা চলে না। সে সময়ে ‘বহুবিবাহ নিবারণ হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক বিচার’ নামে লিখিত দুটি পুস্তিকার (১৮৭১, ১৮৭৩) মধ্যে প্রথম পুস্তিকার ‘বিজ্ঞাপনে’ তিনি নিজেই লিখে গিয়েছেন, ‘প্রথমতঃ ১৬ বৎসর পূর্বে, শ্রীযুক্ত বাবু কিশোরীচাঁদ মহাশয়ের উদ্যোগে, বন্ধুবর্গ সমবায় নামক সভা হইতে ভারতবর্ষীয় ব্যবস্থাপক সমাজে এক আবেদন পত্র প্রদত্ত হয়।’ সভাটির নাম সম্ভবত হওয়া উচিত ছিল ‘সমাজোন্নতিবিধায়িনী সুহৃদ্‌ স঩মিতি’- এটি কিশোরীচাঁদ কাশীপুরের বাগানে ১৮৫৫খ্রিস্টাব্দের ১৫ ডিসেম্বর স্থাপন করেন। এর সভাপতি ছিলেন দেবেন্দ্রেনাথ ঠাকুর এবং সম্পাদক ছিলেন কিশোরীচাঁদ ও অক্ষয়কুমার দত্ত। অক্ষয়কুমার বহুবিবাহের প্রতিবাদ করে ‘তত্ত্ববোধিনী’ ও ‘বিদ্যাদর্শন’ পত্রিকায় একাধিক প্রবন্ধ লিখে এর সূত্রপাত ঘটান। কৌলীন্য প্রথার বিষয়ে আমরা জানি যে ,বঙ্গদেশাধিপতি বল্লাল সেন শুদ্ধা ব্রাহ্মণের বংশ প্রবর্তনের জন্য আদিশূর-ভট্টনারায়ণ প্রভৃতি কনৌজবাসী ব্রাহ্মণদের নিয়ে এসে এদেশে বসবাস করিয়ে ‘কুলীন’ সম্মান দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠা দেন। তাঁদের দেখাদেখি বসু, ঘোষ, মিত্র বংশীয় কায়স্থরা কুলীন হন। বংশ মর্যাদার কারণে অন্য ব্রাহ্মণেরা তাঁদের কন্যাদের একের পর এক বিশেষ কুলীনের সঙ্গে বিয়ে দিতে লাগলেন। একজন ৫ থেকে ৮০ টি কন্যাকে বিয়ে করেছেন- এমন তালিকা নাম-ঠিকানা সহ বিদ্যাসাগর নির্মাণ করেন। এই সংখ্যা পরে আরও বেড়ে গিয়েছিল। এই সব কন্যাদের স্বামী বেশিরভাগে ক্ষেত্রে স্ত্রীদের উদ্দেশ রাখতেন না। পরে অনাচার ব্যাভিচারে দেশ পূর্ণ হয় এবং কুলীন পুরুষের মৃত্যুতে বিধবার সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিশোরীচাঁদের প্রয়াসের ষোলো বছর পর বিদ্যাসাগর ভারতবর্ষীয় ব্যবস্থাপক সভার কাছে বহুবিবাহ প্রথা যাতে লোপ পায়, এমনতর আইন প্রণয়নের জন্য শাস্ত্র বচন উল্লেখ করে আবেদন জানান। নৈতিক অধঃপতনের তিনি প্রমাণ দেন। অনেকেরই বঙ্কিমচন্দ্রের ‘চন্দ্রশেখর’ উপন্যাস এবং শরৎচন্দ্রের ‘বামুনের মেয়ে’ পড়া আছে। শেষের উপন্যাসের কুলীন ডাক্তার প্রিয়নাথ মুখুজ্জের স্ত্রীর গর্ভজাত একমাত্র কন্যার পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাজির হয়েছিল হিরু নাপিত- যার জন্য সন্ধ্যার অন্ধকারে প্রিয়নাথকে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল! রংপুরের জমিদার কালীনারায়ণ রায়চৌধুরী ঘোষিত কৌলীন্যবিরোধী রচনা ‘কুলীনকুল সর্বস্ব’ নাটক লিখে বিদ্যাসাগর মশায়ের উদ্যোগের আগে রামনারায়ণ তর্করত্ন পারিতোষিক পেয়েছিলেন। আর পরে রবীন্দ্রনাথের কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌঩ক্তিগুলি মনে পড়িয়ে দেয় বিদ্যাসাগরের বহুবিবাহবিরোধী আন্দোলনের কথা—‘মা কেঁদে কয়, মঞ্জুলি মোর ওই তো কচি মেয়ে, ওরই সঙ্গে বিয়ে দেবে-বয়সে ওর চেয়ে পাঁচ গুণে সে বড়/ তাকে দেখে বাছা আমার ভয়েই জড়োসড়ো।’ এই বন্ধনীই বিদ্যাসাগরকে আইন প্রবর্তন করানোর জন্য ব্যবস্থাপক সভার কাছে আবেদন পত্র পাঠাতে বাধ্য করেছিল। তখনও বিধবাবিবাহ আইন পাশ হয়নি (১৬ জুলাই, ১৮৫৬)। কিন্তু ১৮৫৭-এর পর পুরো ন’বছর কেটে গেলেও সরকার কোনও একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছে না দেখে বিদ্যাসাগর আবার দ্বিতীয়বার ভারতবর্ষীয় ব্যবস্থাপক সভার কাছে স্মারক আবেদনটি পাঠিয়ে দিলেন ১ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৬ তারিখে।
এর মধ্যে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে, পরেও প্রবাহ থেমে যায়নি। বিদ্যাসাগর মশায় তাঁর পুস্তিকাকে লিখেছিলেন, ‘বহু বিবাহ প্রচলিত থাকাতে, বাঙ্গালাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে যত দোষ ও যত অনিষ্ট ঘটিতেছে; বোধ হয় ভারতবর্ষের অন্য অংশে তত নহে এবং বাঙ্গালাদেশের মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যেও সেরূপ দোষ বা অনিষ্ট শুনিতে পাওয়া যায় না।’ দ্বিতীয় বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মুসলমানদের মধ্যে বহুবিবাহ প্রচলিত থাকায় এই বিরোধী আইন পাশ করানোর ব্যাপারে ইংরেজ সরকারের খুবই দ্বিধা ছিল।
বিদ্যাসাগর মশায় তাই তাঁর পুস্তিকার (‘প্রচার’) দ্বিতীয় সংস্করণে দুটি ক্রোড়পত্র যোগ করে লড়াইটাকে জোর করে দিলেন। তাঁর বিপক্ষে লড়তে নেমেছিলেন মুর্শিদাবাদের গঙ্গাধর কবিরত্ন, বরিশালের রাজকুমার ন্যায়রত্ন, ক্ষেত্রপাল স্মৃতিরত্ন, সত্যব্রত এবং সর্বোপরি বিদ্যাসাগরের বন্ধু ও ‘পরমাত্মীয়’ খ্যাতিমান অধ্যাপক তারানাথ তর্কবাচস্পতি। লড়াইটা জমে উঠল দুই বন্ধুর মধ্যেই বেশি করে। মজার ব্যাপার ব্যবস্থাপক সভায় বিদ্যাসাগর মশায় প্রথম যে আবেদন পত্রটি পাঠিয়েছিলেন- অধ্যাপক বাচস্পতি সেটি পড়ে তাতে সই পর্যন্ত করেছিলেন। কিন্তু তারপরই উল্টো পথে। বিদ্যাসাগর মশায় বন্ধুর প্রতিটি প্রতিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর মত খণ্ডন করতে লাগলেন যদিও উভয় পক্ষই যথেষ্ট শাস্ত্র বচন উদ্ধার করে চলেছিলেন। বিদ্যাসাগর লিখেছেন, ‘তর্কবাচস্পতি মহাশয় যে সকল কপোলকল্পিত ব্যাখ্যা করিয়াছেন, তদ্বারা যদৃচ্ছাপ্রবৃত্ত বহুবিবাহ— শাস্ত্রীয়তা প্রতিপন্ন হওয়া কোনও মতে সম্ভাবিত নহে।’ (ক্রমশ)
অলঙ্করণ: সোমনাথ পাল
26th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

10th  May, 2020
সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক।  
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
মাছভাজা
শ্যামলী আচার্য

হিতেন্দ্রনাথ সান্যালের কথা শেষ হল না। হয় না। ওঁর সাতচল্লিশ বছরের প্রাচীন জীবনসঙ্গিনী আজ অবধি কোনও বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করতে দেননি। একজন সিনিয়র সিটিজেনের বুকে ব্যথার সামান্য আভাসও তাঁকে বিচলিত করল বলে মনে হল না।
বিশদ

26th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২১

জহর রায়ের কৌতুক নকশার রেকর্ড করত মূলত মেগাফোন কোম্পানি। পরে পলিডোর কোম্পানি কিছু নকশা রেকর্ড করেছিল। ওদের কোম্পানি থেকে ১৯৭২ সালে বেরয় ‘ফাংশন থেকে শ্মশান’। পরের বছর কেতকী দত্তের সঙ্গে ‘সধবার একাদশী’।
বিশদ

26th  April, 2020
বিশ্বাস করুন
জয়ন্ত দে

বাবুমোহন এখন মানদা হয়ে ক্যামেরাম্যান। গোপালীর মুখে আচার। ‘আস্তে টিকটক হচ্ছে!’
কাজের বউ এখন এ বাড়িতে পা দেবে না। বিপদ যে কোথা থেকে আসে—মোহন নিজেই সাবধান বাণী দিয়েছিল। হাতে হাতে করে নেব। ওর ছুটি। ঘরে কাজ আমরাই সামলাব। সকালবেলা ঘর ঝাঁট দেওয়া, বাসন মাজা। বাসন তো সিঙ্গল নয়, ডাবল ডাবলে চলছে। একবার মাজলে হচ্ছে না। এতদিন নিজে যে খুঁত ধরতেন, এখন তা বুমেরাং হয়ে ফিরছে।
বিশদ

19th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ২০

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- নবম কিস্তি।
বিশদ

19th  April, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২০

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

19th  April, 2020
একনজরে
  বেজিং, ২২ মে (পিটিআই): করোনা সঙ্কটের মধ্যেও দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়াল চীন। বাজেট বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৯০০ কোটি ডলার করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটের তিনগুণ। গতবছর চীনের প্রতিরক্ষা বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার। ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পঁচা ভাত দেওয়ার অভিযোগে তুলে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে শামিল হলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরে।  ...

 টোকিও, ২২ মে: আগামী বছর টোকিও ওলিম্পিকস আয়োজন নিয়ে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ওলিম্পিক কমিটির (আইওসি) শীর্ষ কর্তা জন কোটস পরিষ্কার জানিয়েছেন, 'আগামী বছর ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুনের আঘাতে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এক হাজার কোটি টাকা অনুদান সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণাকে স্বাগত জানাল বাম ও কংগ্রেস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৪৮/২০ রাত্রি ১২/১৮। রোহিণীনক্ষত্র ৫৯/৪৬ রাত্রি ৪/৫২। সূর্যোদয় ৪/৫৭/২৯, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি।
৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ রাত্রি ১১/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। রোহিণীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/১২ মধ্যে কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৫৭ মধ্যে।
 ২৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ আরও ৩৯৬ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩,৬৬৯ 

08:26:36 PM

ইদ পালিত হবে ২৫ মে
আগামী ২৫ মে ইদ পালিত হবে। আজ চাঁদ দেখা যায়নি। ...বিশদ

08:05:14 PM

মহারাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হলেন ২,৬০৮ জন, মৃত ৬০ 

08:01:30 PM

সিকিমে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল 
প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল সিকিমে। দিল্লি থেকে ফেরা এক ...বিশদ

07:54:38 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও ১২৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:43:40 PM

 উপসর্গ না থাকলে এবার ১০ দিনেই ছুটি করোনা রোগীর
এবার থেকে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গ না থাকা করোনা ...বিশদ

07:34:00 PM