Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২১

 জহর রায়ের কৌতুক নকশার রেকর্ড করত মূলত মেগাফোন কোম্পানি। পরে পলিডোর কোম্পানি কিছু নকশা রেকর্ড করেছিল। ওদের কোম্পানি থেকে ১৯৭২ সালে বেরয় ‘ফাংশন থেকে শ্মশান’। পরের বছর কেতকী দত্তের সঙ্গে ‘সধবার একাদশী’। জহরের আটাত্তর আরপিএমের রেকর্ড এখন দুর্লভ। ইউটিউবেও প্রায় নেই, ফলে শোনার সুযোগ কম। সেই জন্যই একবার অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায় আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘ভানুদার তবু অনেক রেকর্ড আছে, জহরদার প্রায় কিছুই নেই। স্কেচগুলো যা অসাধারণ করতেন! যারা না দেখেছে, তাদের বলে বোঝাতে পারব না।’
কাজের প্রতি জহরের নিষ্ঠা কেমন ছিল, তার প্রমাণ দিতে কেবল একটা ঘটনার উল্লেখই যথেষ্ট। নিজের মেয়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়েও তিনি সেদিন ফ্লোর ছেড়ে বেরননি। অথচ, পরিবার ছিল তাঁর প্রাণ। পুজোর সময় যত কাজই থাকুক, ছেলেমেয়েদের জন্য দুটো দিন তাঁর বরাদ্দ ছিল। একদিন জামাকাপড় কেনা, অন্যদিন জুতো কেনা। আর দু’দিনই পছন্দের দোকানে সকলে মিলে খাওয়াদাওয়া। শত ব্যস্ততাতেও এই রুটিনের অন্যথা হয়নি।
জহর রায়ের মেয়ে কল্যাণী বলছিলেন, ‘আমার পরে এক বোন হয়েছিল। সে চোখে দেখতে পেত না। আমার পিসিরা ওকে বিহারে নিয়ে যায় চোখের অপারেশন করার জন্য। কিন্তু সে বাঁচেনি। এটা অনেকেই জানেন না।’ ছোট মেয়ের অকাল প্রয়াণ জহরের জীবনে এতটাই গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে যে, দীর্ঘদিন তিনি স্বাভাবিক হতে পারেননি। অথচ, যখন মেয়ের মৃত্যুসংবাদ পান, তখন তিনি শট দিচ্ছিলেন। কিন্তু শট অসমাপ্ত না রেখে অভিনয় চালিয়ে যান।
পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের ‘পিতাপুত্র’ ছবির সেটে ওই ঘটনা ঘটে। ওই ছবিতে স্বরূপ দত্ত, তনুজা, গীতা দে, অনুপকুমার, জহর গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন জহর রায়ও। ছবিতে ভীতু চাকরের চরিত্রে অভিনয় করে সকলকে খুব হাসিয়েছিলেন তিনি। সেদিনের ঘটনা সম্বন্ধে অরবিন্দবাবু কী জানিয়ে গিয়েছেন— ছবির নায়ক ডাক্তারি পড়ে। তার পড়ার ঘরের সেট। সেই জন্য তার ঘরে একটা কঙ্কাল রয়েছে। সেটাকে চাকর খুব ভয় পায়। সকালে জহর এল, পার্ট বুঝে অপূর্ব সব শট দিতে লাগল। একটু পরে কে যেন এসে ওকে বলল, ‘জহরদা, আপনার ফোন এসেছে।’
জহর অফিসে গিয়ে ফোনে কথা বলে এসে আবার শট দিতে লাগল। ঘণ্টাখানেক পর লাঞ্চ ব্রেক দিলাম। জহর বলল, ‘আমি কিছু খাব না। শরীরটা ভালো নেই। ’ আমরা ক্যান্টিন থেকে লাঞ্চ সেরে বেরচ্ছি, এমন সময় মেকআপ ম্যান শৈলেনদা খুব নিচু স্বরে আমাকে বলল, ‘জহরদা মেকআপ রুমে বসে কাঁদছে।’
এ কথা শুনে আমি তো প্রায় আকাশ থেকে পড়লাম। সেকি! দৌড়লাম মেকআপ রুমের দিকে। গিয়ে দেখি, টেবিলে মাথা গুঁজে জহর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হয়েছে রে?’ জহর বলল, ‘একটু আগে টেলিফোনে খবর পেলাম, পাটনায় আমার ছোট মেয়েটা থাকত, হঠাৎ মারা গিয়েছে। আমাকে খুব ভালোবাসত রে।’ এই বলে ভেউ ভেউ করে কাঁদতে লাগল। এই কথা শুনে আমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়— ‘তোর মেয়ের মৃত্যুসংবাদ শুনে তুই শ্যুটিং করে গেলি!’
‘কী করব ভাই, তোর ক্ষতি হবে,’ বলল জহর। ‘কিচ্ছু ক্ষতি হবে না,’ বললেন ছবির প্রযোজক প্রকাশ চন্দ্র নান। আরও বললেন, ‘ঢুলুদা (অরবিন্দবাবু ইন্ডাস্ট্রিতে এই নামেই পরিচিত ছিলেন), এখনই প্যাকআপ করে দিন।’ তখন জহরই আমার হাত ধরে বলেছিল, ‘না, না প্যাকআপ করিসনি। বরং, শ্যুটিং করে খানিকটা হলেও দুঃখ ভুলে থাকতে পারব।’ সত্যি সেদিন সন্ধে ৭টা পর্যন্ত জহর অক্লান্তভাবে এমন এমন সব শট দিয়েছে, পরে হাজার হাজার দর্শক সেই সব দৃশ্য দেখে হেসে মাটিতে গড়িয়ে পড়েছে। তারা তো আর জানতে পারেনি, এই শটগুলোয় হাসির কানায় কানায় লুকিয়ে রয়েছে নীরব চোখের জল।
আসলে জহর রায় ও অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের ফিল্মি কেরিয়ারও শুরু হয়েছিল প্রায় একই সময়ে। ১৯৪৫-’৪৬ সালে দুই বন্ধু রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে স্টুডিও থেকে স্টুডিওয় কাজের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতেন। অরবিন্দবাবু একবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমি যখন পরিচালক হলাম, ওকে কাজ দিয়ে জিজ্ঞাসা করতাম, তোকে কত দিতে হবে? জহর বলত, তুই যা ভালো বুঝবি, তাই দিবি।’ এই বন্ধুত্ব চিরদিন অটুট ছিল। অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের বহু ছবিতে পরবর্তীকালে কাজ করেছেন জহর রায়। তার মধ্যে ‘ধন্যি মেয়ে’ ছবিতে ফুটবল পাগল জমিদার গোবর্ধনের চরিত্রে তাঁর অভিনয় কে ভুলতে পারেন! আবার এই পরিচালকের ‘অগ্নীশ্বর’ ছবিতে অগ্নীশ্বর রূপী উত্তমকুমারকে যখন তিনি বলেন, ‘আপনি ডাক্তার না কসাই?’ তখন দর্শকের বুকের ভিতর মোচড় না দিয়ে পারে! আবার ‘নিশিপদ্ম’ ছবিতে পুষ্পর (সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়) ঘর থেকে বিতাড়িত হয়ে অনঙ্গ দত্ত (উত্তমকুমার) যখন নটবরের (জহর রায়) হাত ধরে অন্য পতিতালয়ের দিকে পা বাড়িয়ে গান ধরেন, ‘না না না, আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাব না।’ তখন অনঙ্গের সঙ্গে সমান তালে সঙ্গত করেন ‘নটবর’ জহর। পান চিবতে চিবতে নিজের ধুতির কোঁচা ধরে জহরের সেই অভিনয় অনবদ্য। টলতে টলতেই অনঙ্গকে এনে বিছানায় বসিয়ে দেয় নটবর। উত্তমের লিপে মান্না দে গাইছেন, ‘আমার মনটা যদি চিরাগ সাজে, ভাগ্য মিরজাফর...’ জহরের সম্বল তখন শুধুই শরীরী অভিব্যক্তি।
এই ‘নিশিপদ্ম’ ছবিতে ফুচকার মধ্যে মদ ভরে খাওয়ার দৃশ্যটা চিত্রনাট্যে ছিল না। সেটা জহরের ইম্প্রোভাইজেশনের ফসল। পরে এই ছবিটি যখন হিন্দিতে তৈরি করেছিলেন পরিচালক শক্তি সামন্ত, তখন সেই ‘অমর প্রেম’ ছবিতে উত্তম ও সাবিত্রী অভিনীত চরিত্র দু’টিতে অভিনয় করেছিলেন যথাক্রমে রাজেশ খান্না ও শর্মিলা ঠাকুর। শক্তি সামন্ত নটবরের চরিত্রে জহরকেই নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মুম্বই লবির জন্য তা সম্ভব হয়নি। তাই সেই চরিত্রে অভিনয় করেন ওমপ্রকাশ। তবে, জহরের ইম্প্রোভাইজ করা দৃশ্যটি হিন্দি ছবিতেও রেখে দিয়েছিলেন পরিচালক।(ক্রমশ)
 উত্তমকুমারের সঙ্গে জহর রায়।
 অলঙ্করণ: বিশ্বনাথ ঘোষ
26th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

10th  May, 2020
সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক।  
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
মাছভাজা
শ্যামলী আচার্য

হিতেন্দ্রনাথ সান্যালের কথা শেষ হল না। হয় না। ওঁর সাতচল্লিশ বছরের প্রাচীন জীবনসঙ্গিনী আজ অবধি কোনও বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করতে দেননি। একজন সিনিয়র সিটিজেনের বুকে ব্যথার সামান্য আভাসও তাঁকে বিচলিত করল বলে মনে হল না।
বিশদ

26th  April, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ২১

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

26th  April, 2020
বিশ্বাস করুন
জয়ন্ত দে

বাবুমোহন এখন মানদা হয়ে ক্যামেরাম্যান। গোপালীর মুখে আচার। ‘আস্তে টিকটক হচ্ছে!’
কাজের বউ এখন এ বাড়িতে পা দেবে না। বিপদ যে কোথা থেকে আসে—মোহন নিজেই সাবধান বাণী দিয়েছিল। হাতে হাতে করে নেব। ওর ছুটি। ঘরে কাজ আমরাই সামলাব। সকালবেলা ঘর ঝাঁট দেওয়া, বাসন মাজা। বাসন তো সিঙ্গল নয়, ডাবল ডাবলে চলছে। একবার মাজলে হচ্ছে না। এতদিন নিজে যে খুঁত ধরতেন, এখন তা বুমেরাং হয়ে ফিরছে।
বিশদ

19th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ২০

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- নবম কিস্তি।
বিশদ

19th  April, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২০

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

19th  April, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুন বিধ্বস্ত এলাকার থানাগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের পরিষেবা মিলছে না। বিদ্যুৎ সংযোগ কবে ফের স্বাভাবিক হবে, তা কারওরই জানা নেই। আলো বলতে টর্চই ভরসা। কিন্তু তাও হাতেগোনা। এই অবস্থায় ইমার্জেন্সি লাইট ও টর্চ চেয়ে ঘন ঘন ...

  মুম্বই, ২২ মে (পিটিআই): কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি এবং চ্যারিটেবল হাসপাতালের শয্যার ভাড়ার তিনটি ধাপে বেঁধে দিল মহারাষ্ট্র সরকার। একইসঙ্গে সরকার ঠিক করেছে, এই স্ল্যাবের মধ্যে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য মোট বেডের ৮০ শতাংশ ধরে রাখতে হবে। ...

  বেজিং, ২২ মে (পিটিআই): করোনা সঙ্কটের মধ্যেও দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়াল চীন। বাজেট বাড়িয়ে ১৭ হাজার ৯০০ কোটি ডলার করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটের তিনগুণ। গতবছর চীনের প্রতিরক্ষা বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুনের আঘাতে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এক হাজার কোটি টাকা অনুদান সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণাকে স্বাগত জানাল বাম ও কংগ্রেস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৪৮/২০ রাত্রি ১২/১৮। রোহিণীনক্ষত্র ৫৯/৪৬ রাত্রি ৪/৫২। সূর্যোদয় ৪/৫৭/২৯, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি।
৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ রাত্রি ১১/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। রোহিণীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/১২ মধ্যে কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৫৭ মধ্যে।
 ২৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ আরও ৩৯৬ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩,৬৬৯ 

08:26:36 PM

ইদ পালিত হবে ২৫ মে
আগামী ২৫ মে ইদ পালিত হবে। আজ চাঁদ দেখা যায়নি। ...বিশদ

08:05:14 PM

মহারাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হলেন ২,৬০৮ জন, মৃত ৬০ 

08:01:30 PM

সিকিমে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল 
প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল সিকিমে। দিল্লি থেকে ফেরা এক ...বিশদ

07:54:38 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও ১২৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:43:40 PM

 উপসর্গ না থাকলে এবার ১০ দিনেই ছুটি করোনা রোগীর
এবার থেকে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গ না থাকা করোনা ...বিশদ

07:34:00 PM